Tag: Kolkata

Kolkata

  • Calcutta High court: বাড়িতে সারাক্ষণ কাজ করলে গৃহবধূরাও বেতন পাওয়ার যোগ্য! মত হাইকোর্টের

    Calcutta High court: বাড়িতে সারাক্ষণ কাজ করলে গৃহবধূরাও বেতন পাওয়ার যোগ্য! মত হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের কাজ করেই কেটে যাচ্ছে দিন রাত। তবু শুনতে হয় ‘ঘরেই তো বসে থাক! কোনও কাজ তো নেই…’। এমন কথা প্রায়শই অনেকে বলে থাকেন। কিন্তু আইন বলছে অন্য কথা। আইনের চোখে গৃহবধূর শ্রম পারিশ্রমিকের যোগ্য। বৃহস্পতিবার একটি মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High court) বলল, গৃহবধূদের বেকার বলা যাবে না। তাঁরাও স্বোপার্জনকারী। সংসারে তাঁরা দিবারাত্রি যে কাজ করেন, তার মূল্য রয়েছে।

    কী বলল আদালত

    ৫ বছরের পুরনো একটি ঘটনা নিয়ে মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার সেই মামলা উঠেছিল বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের বেঞ্চে। মামলার রায় দেওয়ার সময় বিচারপতি বলেন, ‘‘কে বলেছে, গৃহবধূরা বেকার? সংসারে গৃহবধূদের অবদান অনেক বড়। তাঁরা কোনও ছুটি না নিয়ে ৩৬৫ দিন সংসারের যাবতীয় কাজ করেন। একই কাজ অন্য কাউকে দিয়ে করালে যে খরচ হত, তা ব্যয় করতে হয় না ওঁদের দৌলতেই। তাই সংসারে ওঁদের কাজের আর্থিক মূল্যও রয়েছে। আর সেই জন্যই গৃহবধূদের বেকার বলা যাবে না। তাঁদেরকেও উপার্জনকারী হিসাবেই দেখতে হবে।’’  এক্ষেত্রে হাইকোর্ট (Calcutta High court) মনে করে দিয়েছে ২০০৮ সালে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের কথা। সর্বোচ্চ আদালত ব্যাখা করেছিল, যাঁরা বাড়িতে থাকেন তাঁদের বেকার বলে গণ্য করলে হবে না। প্রত্যেকদিন ১০০ টাকা করে ধার্য্য করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ইডির চার্জশিটে প্রিয়ঙ্কার নাম! আর্থিক তছরুপ মামলায় চাপে কংগ্রেস নেত্রী

    কোন প্রসঙ্গে এই মত

    প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে গাড়ি দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন বর্ধমানের বাসিন্দা লুফতা বেগম। পরে মৃত্যু হয় তাঁর। ছেলে মীর শামিম আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁর অভিযোগ ছিল, মোটর অ্যাক্সিডেন্ট ক্লেম ট্রাইব্যুনাল থেকে ক্ষতিপূরণের যথেষ্ট অর্থ তাঁরা পাচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট বিমা সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেন মৃতের ছেলে। কারণ যে গাড়িটির দ্বারা দুর্ঘটনা ঘটেছিল সেই গাড়িটির বিমা করা ছিল। এই মামলারই শুনানিতে বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তা ২০০৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায়ের উল্লেখ করেন। সেখানে তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, যাঁরা গৃহবধূ তাঁদের বেকার ভাবলে চলবে না। তাঁদের শ্রমের মূল্য তা গণ্য করতে হবে। এরপর হাইকোর্টে (Calcutta High court) ওই বিমা সংস্থাকে ৪ লক্ষ ৫১ হাজার ৭০০ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। মামলার শুনানিতে বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তার একক বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, ওই মহিলার ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্য টাকা অবিলম্বে তাঁকে দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid Kolkata: নিয়োগ ‘দুর্নীতি’র তদন্তে সকালেই বড়বাজার-মানিকতলা সহ ৯ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    ED Raid Kolkata: নিয়োগ ‘দুর্নীতি’র তদন্তে সকালেই বড়বাজার-মানিকতলা সহ ৯ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শহরের একাধিক জায়গায় হানা দিল ইডি। বড়বাজার, মানিকতলা, নিউ আলিপুর সহ প্রায় ৯টি জায়গায় তদন্ত চালায় ইডির আধিকারিকরা। অভিযানে ইডির (ED Raid Kolkata) সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও রয়েছেন। ইডির আধিকারিকরা এই তল্লাশি সম্পর্কে প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি। সূত্রের খবর, প্রাথমিকে শিক্ষক দুর্নীতি মামলার তদন্তেই অভিযান।

    কোথায় কোথায় তল্লাশি

    বৃহস্পতিবার সকালে ডালহৌসি অঞ্চলের একটি অফিসে, বড়বাজারের একটি অফিসে এবং সল্টলেকের বেঙ্গল কেমিক্যালসে দেখা যায় ইডি (ED Raid Kolkata) আধিকারিকদের। ইডির তরফে এই তল্লাশির কারণ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানা না-গেলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকে শিক্ষক দুর্নীতি মামলার তদন্তের সূত্রেই এই অভিযান। বড়বাজারে যে জায়গায় ইডি আধিকারিকেরা হানা দিয়েছেন, সেটি এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টের অফিস বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, হিসাবে গরমিল সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্তের সূত্রেই সেখানে হানা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ডাল, আটার পর সরকারি চাল! ২৫ টাকা কেজি দরে বাজারে আসছে ‘ভারত রাইস’

    কেন তল্লাশি

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে তৎপর পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টেরও বেঁধে দেওয়া ডেডলাইন রয়েছে। তাই বছর শেষেও তৎপর ইডির আধিকারিকরা। এদিন সকালে বড়বাজারে ক্যানিং স্ট্রিট এলাকায় রাজেশ যোশী নামে এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্টের অফিসে তল্লাশির জন্য পৌঁছে যান। সূত্রের খবর, ওই অফিসের মালিকের সঙ্গেও কথা বলবেন ইডির (ED Raid Kolkata) গোয়েন্দা দল। আপাতত গোটা অফিসটি ঘিরে ফেলেছেন সিআরপিএফ জওয়ানরা।  অন্যদিকে বেঙ্গল কেমিক্যালস বাসস্টপের কাছে মণিকলা আবাসনের ১৬ ও ১৮ তলায় দু’জন ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটেও তল্লাশির জন্য পৌঁছে গিয়েছে এজেন্সি। সেখানেও নানা কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, শহরের এই জায়গাগুলিতে গিয়ে সেখান থেকে কোনও নথি উদ্ধার করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই দলে কয়েকজন মহিলা অফিসারও রয়েছেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডের মূল চক্রী ললিতের কলকাতার ডেরায় হানা দিল্লি পুলিশের

    Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডের মূল চক্রী ললিতের কলকাতার ডেরায় হানা দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভাকাণ্ডের (Parliament Security Breach) মূল চক্রী ললিত ঝা। এই ললিতের ডেরার খোঁজে কলকাতার অলি-গলিতে চক্বর দিচ্ছেন দিল্লি পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। সোমবারই তাঁরা পৌঁছেছিলেন রবীন্দ্র সরণিতে। এখানে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে টিউশন পড়াত ললিত। এদিন বাগুইআটি থেকে ডালহৌসি— সর্বত্র চষে বেড়াল দিল্লি পুলিশের দল।

    বিএসএনএল অফিসে দিল্লি পুলিশ

    মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশের আরও একটি দল আসে ইকোপার্ক থানায়। পরে যায় ডালহৌসির বিএসএনএল অফিসে। ললিতের নামে নেওয়া একটি সিমকার্ডের ডুপ্লিকেটের জন্য দিল্লি পুলিশের ওই দলটি গিয়েছিল বিএসএনএল অফিসে। ললিতের সঙ্গে যে বাংলার নিবিড় যোগ রয়েছে, সে খবর আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম। বাংলার একটি এনজিওর কর্মী সে। ব্যবহার করত বিএসএনএলের সিমকার্ড। এই সিমকার্ডেরই ডুপ্লিকেটের খোঁজে বিএসএনএলের দফতরে ঢুঁ মেরেছিলেন তদন্তকারীরা। ললিতের ওই সিমকার্ডটি কোন (Parliament Security Breach) কোন ফোনে ব্যবহার করা হয়েছিল, কোথায় কোথায় ওয়াইফাইয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল মূলত এসবই জানতে চান তাঁরা। বিএসএনএলের কাছে প্রযুক্তিগত কিছু তথ্যও চেয়েছেন তদন্তকারীরা।

    বাগুইআটির ভাড়া বাড়িতেও হানা

    এদিন ললিতের বাগুইআটির ভাড়া বাড়িতেও হানা দেন তদন্তকারীরা। এই এলাকাটি ইকোপার্ক থানার অধীনে। তাই আগে থানায় যায় দিল্লি পুলিশের দলটি। পরে যায় ললিতের ভাড়া বাড়িতে। সেখানে ঝুলছে তালা। তদন্তকারীরা অবশ্য ঘরের তালা খোলেননি। তবে কথা বলেছেন ললিতের প্রতিবেশীদের সঙ্গে। তাঁরা জানিয়েছেন, লোকসভাকাণ্ডের তিন তিনেক আগেও এই বাড়িতে ছিল ললিত। পরে ঘরে তালা দিয়ে কোথাও চলে যায়। এদিন ললিতের বাড়ির মালিকের সঙ্গেও কথা বলেছে তদন্তকারী দলটি। ঘটনার দিন তিনেক আগে বাগুইআটির বাড়িতে থাকলেও, ২১৮ রবীন্দ্র সরণির ভাড়া বাড়িতে বহু দিন সে যায়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন দিল্লি পুলিশের দলটিকে। এই ঠিকানায়ই টিউশন পড়াত সে।

    আরও পড়ুুন: সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রেই ওজনে কারচুপি, ১৫ কুইন্টাল ধানে ৬০ কেজি হাপিশ!

    গত বুধবার শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীনই লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ে দুই হানাদার। জুতোয় লুকিয়ে রাখা রং-বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। পরে হানাদারদের ধরে ফেলেন দুই সাংসদ। মার্শাল ডেকে তুলে দেওয়া হয় তাঁদের হাতে। ওই ঘটনায় সব মিলিয়ে গ্রেফতার হয়েছে ৬ জন। পুরো ঘটনার মূল চক্রী ললিতই বলে মনে করছেন (Parliament Security Breach) তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদে আক্রমণকারী ললিতের সঙ্গে যোগ মিলেছে বাংলার ছাত্রের

    Parliament Security Breach: সংসদে আক্রমণকারী ললিতের সঙ্গে যোগ মিলেছে বাংলার ছাত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে আক্রমণের (Parliament Security Breach) মূলচক্রী ললিতের ঝায়ের সঙ্গে যুক্ত বাংলার এক ছাত্রের যোগ পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ললিত ইতিমধ্যে কলকাতায় একটি বেসরকারি স্কুলে কিছুদিন শিক্ষকতার কাজ করেছে। পরিবারের সঙ্গে বাগুইআটির একটি ভাড়া বাড়িতে থাকত লতিত। বড় বাজারে ছিল নিত্য যাতায়েত তার। সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার বালির বাসিন্দা সায়ন পাল নামক এক ছাত্রও ললিতদের সাম্যবাদী সুভাষ সভা নামে সংগঠনের সদস্য ছিল। তবে সায়নের দাবি লিলতকে সে চেনে না ।

    সায়নের বক্তব্য

    ঘটনায় সায়ন পাল সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে, “আমি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হলেও ললিতের সঙ্গে আমার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ নেই। আমি তাকে চিনি না। ৫০০ জনের গ্রুপের মধ্যে আমিও একজন সদস্য। গ্রুপের সম্পূর্ণ কাজ কেবল আমার উপর বর্তায় না। সংসদের (Parliament Security Breach) হামলার ঘটনাকে সমর্থন করি না। এটা সম্পূর্ণ অপরাধ জনিত কাজ। আমরাও ভয়ে রয়েছি। গ্রুপের আরও অনেকেই ভয়ে রয়েছে।”

    কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর(Parliament Security Breach)

    কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “গত জুন মাসে কলকাতায় এক মিছিল করার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করেছিল সাম্যবাদী সুভাষ সভা নামক এক সংগঠন। আবেদন করেছিল ললিত ঝা (Parliament Security Breach) নিজেই। সেই চিঠির মধ্যে স্বাক্ষর ছিল নীলাক্ষ আইচ এবং সায়ন পাল নামক আরও দুই ছাত্রের। এরপর সূত্র ধরে যোগাযোগ করে পুলিশ।” এই বিষয়ে পুলিশ বিস্তৃত ভাবে আরও তদন্ত শুরু করেছে। সায়নকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানা গিয়েছে। নিলাক্ষী আইচের সঙ্গে ললিতের সম্পর্কের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে সায়ন, নীলাক্ষ প্রত্যেকেই যুক্ত ছিল। তবে ললিত গ্রুপের বাইরে সংগঠনের কাজ করত। গ্রুপে খুব একটা সক্রিয় ছিলনা সে। এখন গ্রুপ ধরে তদন্ত চলছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gita Path: মোদির উপস্থিতিতে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কি এবার গিনেস বুকে রেকর্ড গড়বে?

    Gita Path: মোদির উপস্থিতিতে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কি এবার গিনেস বুকে রেকর্ড গড়বে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ২৪ ডিসেম্বর কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ (Gita Path) বঙ্গের জন্য ব্যাপক চমক। সারাসরি কোনও রাজনৈতিক যোগ না থাকলেও এই কর্মসূচির মাধ্যমে বঙ্গে হিন্দুত্ব জাগরণের এক নয়া ফলক নির্মিত হতে চলেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। গীতাপাঠের আসরে যোগদান করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিশেষ ভাবে থাকবেন দ্বারকা মঠের বর্তমান শঙ্করাচার্য স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী। এছাড়াও থাকবেন অন্য রাজ্যের আরও বিশিষ্ট প্রতিনিধিরা।

    ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠে’র আসরকে ঘিরে বিশ্ব রেকর্ডের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, উপস্থিত থাকবেন ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এর প্রতিনিধিরা। সেই সঙ্গে নজর রাখতে উপস্থিত থাকবেন আরও কিছু বিদেশী সংস্থা। এক সঙ্গে এত মানুষের সমাগমে গীতাপাঠ আগে হয়েছে কি না, কেউ মনে করতে পারছেন না। ফলে সার্বিক ভাবে সাফল্য পেলে বিশ্ব রেকর্ড গড়বে বঙ্গের এই গীতাপাঠ।

    কী বললেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি?

    আয়োজক সংগঠনের সভাপতি স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ বলেন, “ওই দিন ব্রিগেডে যে গীতাপাঠ অনুষ্ঠিত হবে, তা বিশ্বের কোথাও কোনও দিন হয়নি। এই বিপুল মানুষের সমাগমে গীতাপাঠ (Gita Path) বিশ্ব রেকর্ড তৈরি করবে।” আবার আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বসন্ত শেঠিয়া বলেন, “গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-সহ আরও বেশ কিছু সংস্থার কাছে আবেদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু সংস্থা আসবে বলে আমাদের নিশ্চিতও করেছে। বিশ্ব রেকর্ড তৈরি হবে, তাই তাকে পরীক্ষা করাবার জন্য আমেরিকা সহ আরও নানা দেশ থেকেও প্রতিনিধিরা আসবেন।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রেকর্ড প্রমাণের জন্য আগে থেকে আবেদন করতে হয়। আর তাই আয়োজকরা ইতিমধ্যে ছয় মাস আগেই সমস্ত নিয়ম মেনে রেকর্ডের বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করার কাজ করে আসছেন। এখন সাফল্যের অপেক্ষা মাত্র।

    গীতাপাঠের সঙ্গে আর কী কী হবে (Gita Path)

    অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদ, সংস্কৃতি সংসদ এবং মতিলাল ভারত তীর্থ সেবা মিশনের যৌথ উদ্যোগে এই গীতাপাঠের (Gita Path) অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানের প্রথমে লক্ষ কণ্ঠে গীতার শ্লোক পাঠ হবে, এরপর ২০ হাজারের বেশি শঙ্খ একসঙ্গে বাজানো হবে। এক লক্ষ কণ্ঠে গাওয়া হবে নজরুলের গান। অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেড় হাজারেরে বেশি সাধুসন্ত উপস্থিত থাকবেন গীতাপাঠের আসরে। এই পাঠ বিশ্ব রেকর্ডের তকমা পেতেও পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর নিরাপত্তায় বিস্তর ত্রুটি! রাজ্যের থেকে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর নিরাপত্তায় বিস্তর ত্রুটি! রাজ্যের থেকে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তায় ফাঁক রাখছে রাজ্য সরকার। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের থেকে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। রিপোর্ট জমা দেওয়ার ডেডলাইনও বেঁধে দিয়েছে আদালত। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর নির্দেশ, আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে।

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    তাঁর নিজের নিরাপত্তায় ফাঁক থাকার অভিযোগে রাজ্যকে কাঠগড়ায় তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে সেই মামলা ওঠে। উল্লেখ্য, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জেড ক্যাটাগরির সুরক্ষা দিয়ে থাকে। শুভেন্দু অধিকারীরর আইনজীবীরা অভিযোগ জানিয়েছেন, বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে রাজ্য সরকার। প্রসঙ্গত, বিরোধী দলনেতার পদ ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমতুল্য। সেক্ষেত্রে শুভেন্দুর আইনজীবীদের বক্তব্য, বিরোধী দলনেতার পাইলট কার পাওয়ার কথা। কিন্তু অভিযোগ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা দেওয়া হচ্ছে না। উল্টে নানাভাবে পুলিশি হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকী বিরোধী দলনেতার কনভয়ে থাকা সিআরপিএফ জওয়ানদের সঙ্গেও কোনওরকম সহযোগিতা করা হয় না বলেও অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: ৩০ হাজারের বিনিময়ে সদ্যোজাতকে হস্তান্তর! কলকাতায় শিশুপাচার চক্রের হদিশ

    কী বলল আদালত

    আদালত (Calcutta High Court) বিষয়টি শুনে রাজ্য সরকারের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত তাঁর নির্দেশে জানিয়েছেন, আাগামী ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এব্যাপারে রাজ্য সরকারকে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতার কী কী নিরাপত্তা পাওয়ার কথা এবং বর্তমানে তাঁকে কী কী নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে? সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৮ নভেম্বর রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: যন্ত্রণার হাজার দিন! ধর্মতলায় ন্যাড়া হয়ে প্রতিবাদ মহিলা চাকরিপ্রার্থীর

    Recruitment Scam: যন্ত্রণার হাজার দিন! ধর্মতলায় ন্যাড়া হয়ে প্রতিবাদ মহিলা চাকরিপ্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাজার দিন হয়ে গেল চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা তাঁরা রাস্তায় বসে রয়েছেন। পুজো, দীপাবলি, ইদ বা বড়দিন তাঁদের কাটছে আন্দোলন করেই। হকের চাকরির জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনের বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। আজ, শনিবার, আন্দোলনের ১০০০ দিনের মাথায় ধর্মতলার ধর্না মঞ্চে এসএলএসটি চাকরি প্রার্থীরা নিজেদের পাওনা চাকরির জন্য ন্যাড়া হলেন। এদিন হকের চাকরির দাবিতে রাস্তাতেই মাথা ন্যাড়া করতে দেখা গেল এক মহিলা আন্দোলনকারীকে। লজ্জার এই ছবি দেখল বহু লড়াইয়ের সাক্ষী থাকা এই শহর।

    চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ 

    এদিন মাথা মুড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই মহিলা চাকরিপ্রার্থী। কান্নাভেজা গলায় মহিলা চাকরিপ্রার্থী জানান, তিনি এমএ পাশ করেছেন। বিএডও পাশ করেছেন। চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হয়েছেন। তারপরও চাকরি মেলেনি। তাঁর কথায়, “বাড়িতে বৃদ্ধ মা, বাবা, অসুস্থ ছেলে। চাকরির আশায় টানা ১ হাজার দিন ধরে প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত অবস্থান মঞ্চে আসছি। কিন্তু আর পারছি না। বাধ্য হয়ে মাথা ন্যাড়া করলাম। মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। জানতে চাই, কী করলে হকের চাকরি পাব?” নিয়োগের দাবিতে গত এক হাজার দিন ধরে রাস্তায় বসে আন্দোলন করছেন এসএলএসটি-র নবম-দশম এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির চাকরিপ্রার্থীরা৷ ২০১৬ সালে এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়৷ কিন্তু প্যানেলের তালিকাভুক্ত হয়েও এই চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ হয়নি বলে অভিযোগ৷

    আরও পড়ুন: রানিমার পারিবারিক বিয়েতে ব্যস্ত রাজ্য, তাই চাষিদের দুঃখে নজর নেই, তোপ শুভেন্দুর

    মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন আন্দোলনকারীদের

    চাকরির দাবিতে কখনও প্রেস ক্লাবের সামনে, কখনও সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে গিয়েছেন এই চাকরিপ্রার্থীরা৷ বর্তমানে তাঁরা ধর্মতলার কাছে গান্ধিমূর্তির নিচে অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছেন৷ এর আগেও আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করতে নানা কর্মসূচি নিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা৷ কিন্তু কাজের কাজ হয়নি৷ মেলেনি কাঙ্খিত নিয়োগ পত্র। এক চাকরিপ্রার্থীর কাতর আবেদন, “মুখ্যমন্ত্রী আপনি উত্তরবঙ্গে রয়েছেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। আপনার পারিবারিক বিবাহ অনুষ্ঠানে। আমাদের এই আন্দোলন যদি দেখে থাকেন তাহলে আগামিকালই আমাদের ধর্না মঞ্চে আসুন। আপনাকে আমাদের নিয়োগ দিতেই হবে।” 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: লোকসভা থেকে মহুয়ার বহিষ্কার নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর! কী বললেন সুকান্ত?

    Mahua Moitra: লোকসভা থেকে মহুয়ার বহিষ্কার নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর! কী বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা থেকে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বহিষ্কারের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো পোস্ট করে তাঁকে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে মহুয়া দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করেছেন। তাঁর আরও কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত, অভিমত  রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)। 

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    মহুয়ার কালী বিতর্ক অত্যন্ত পুরনো। কানাডার একটি তথ্য চিত্রের পোস্টারে কালীর ছবি নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। মহুয়া মৈত্র কালীর শাক্ত আচারে পুজো সম্পর্কে একটি মন্তব্য করেছিলেন। তা নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। এদিন পরোক্ষে সেই প্রসঙ্গ উসকে দিয়ে  বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সমাজ মাধ্যমে লেখেন, ‘ভগবানকে নিয়ে অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করবেন না। তাঁর ক্রোধ আপনাকে পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারে। জয় মা কালী। তুমি তাঁর মহিমাকে ছোট করতে পারবে না। বরং তাঁর প্রকোপে তুমি মুছে যাবে।’ টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন করায় শুক্রবার লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। ২ ঘণ্টা আলোচনার পর ধ্বনীভোটে গৃহীত হয় সহবৎ সমিতির চেয়ারম্যান বিনোদ সোনকরের পেশ করা প্রস্তাব।

    সুকান্তর অভিমত

    এদিন সুকান্ত বলেন, ‘মহুয়াকে বহিষ্কার অনৈতিক হয়ে থাকলে দেশের সমস্ত সাংসদের বাড়ির দরজায় রেট চার্ট টাঙিয়ে দেওয়া উচিত। সুকান্ত মজুমদারকে দিয়ে প্রশ্ন করাতে হলে প্রশ্নপ্রতি ১০ হাজার। সৌগত রায় যেহেতু অনেক দিনের সংসদ তাই তাঁর ১৫ হাজার। মহুয়া মৈত্র যখন দেশে ছিলেন তখন তাঁর আইডি দিয়ে বিদেশ থেকে লগ ইন হয়েছে। উনি নিজে স্বীকার করেছেন যে উপহারের বিনিময়ে প্রশ্ন করেছেন। ওনাকে সহবৎ সমিতির সামনে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেখানে উনি নিজের সমর্থনে বক্তব্য রেখেছেন। তার পর ওনাকে প্রশ্ন করা হলে উনি পালিয়ে গিয়েছেন। এখন উনি দাবি করছেন সংসদে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। লোকসভা চলে রুল বুক অনুসারে। মহুয়া মৈত্রের ইচ্ছায় লোকসভা চলে না। লোকসভার রুল বুকে এরকম কোনও অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা নেই।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানি মামলার নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতের নির্দেশের ওপর স্থগিতদেশ দিলেন বিচারপতি শম্পা সরকার। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায়। হাইকোর্টের নির্দেশ নিম্ন আদালতে আপাতত ওই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। পাশাপাশি বিরোধী দলনেতাকে মামলাকারীর কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছে উচ্চ আদালত।

    শুভেন্দুর অভিযোগ

    ‘জল জীবন মিশন’ প্রকল্পের একাধিক বিষয়ে জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায়ের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ‘ফেরুল’ অর্থাৎ মূল পাইপ থেকে মুখ জোড়ার যন্ত্রাংশ কেনা-সহ একাধিক বিষয়ে বেনিয়মের অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু। পুলকের বিরুদ্ধে শুভেন্দু অভিযোগ করেছিলেন, খোলা বাজারে যে ফেরুলের দাম ২১৩ টাকা, সেটাই কেনা হয়েছে ৫৭০ টাকায়। এ ছাড়া, নির্দিষ্ট কিছু সংস্থাকে দিয়ে ফেরুল কেনা হয়েছে। ১,০৮৬ কোটি টাকার প্রকল্পে নূন্যতম ৫০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, বলে জানান শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা অসত্য তথ্য সামনে এনেছেন এই অভিযোগ তুলে ৫ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন পুলক। 

    আরও পড়ুন: ১ বছরেই বৃদ্ধি ৪০ শতাংশ! পর পর ৫ বছর অ্যাসিড হামলায় শীর্ষে বাংলা

    কী বলল আদালত

     প্রথমে রাজ্যের মন্ত্রী পুলক, শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari) আইনি নোটিস পাঠান। অভিযোগ, ওই নোটিসের কোনও জবাব দেননি বিরোধী দলনেতা। এর পরে গত ৩ জানুয়ারি উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালতের দেওয়ানি বিভাগে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের হয়। নিম্ন আদালত এক পক্ষ শুনেই শুভেন্দু অধিকারীকে লিখিত জবাবি হলফনামা দিতে বলে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী সেই নির্দেশে জানিয়েছিলেন, হলফনামা জমা করবেন না। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। তার প্রক্ষিতেই শুনানি ছিল হাইকোর্টে। বিচারপতি শম্পা সরকার আপাতত নিম্ন আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। বিচারপতির নির্দেশ, আপাতত ওই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। হাইকোর্টে মামলার বিষয়টি জানিয়ে মন্ত্রী পুলককে আগে নোটিস দেবেন শুভেন্দু। মামলাকারী মন্ত্রী শুভেন্দুর কাছ থেকে নোটিস পাওয়ার পরেই মামলাটি হাইকোর্টে আবার উঠবে। আগামী ১১ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary TET 2023: বদলে গেল সূচি! ১০ ডিসেম্বরের পরিবর্তে কবে হবে প্রাইমারি টেট?

    Primary TET 2023: বদলে গেল সূচি! ১০ ডিসেম্বরের পরিবর্তে কবে হবে প্রাইমারি টেট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে গেল ২০২৩ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষার (Primary TET 2023) দিন। আগে ১০ ডিসেম্বর প্রাইমারি টেটের দিন ঘোষণা করেছিল পর্ষদ। সোমবার পর্ষদ জানাল, ১০ ডিসেম্বর পরীক্ষা হবে না। পরিবর্তে পরীক্ষা হবে আগামী ২৪ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা থেকে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত। যদিও কী কারণে আচমকা টেট পরীক্ষার দিনক্ষণ বদল করা হল, সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। পর্ষদ সূত্রে জানানো হয়েছে, পলিসিগত কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কারা পরীক্ষা দিতে পারবেন

    এদিন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল বলেন, ‘‘আমরা এ বার বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ করছি যাতে পরীক্ষা একেবারে নির্বিঘ্নে হয়। তার জন্য বোর্ডের বেশ কিছুটা সময় প্রয়োজন। তাই পরীক্ষার (Primary TET 2023) দিন পিছনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পর্ষদ।’’ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, বিএড যাঁরা করেছেন, তাঁরা এ বছর টেটে বসতে পারবেন না। তবে ডিএলএড-সহ প্রাথমিক শিক্ষকের অন্য প্রশিক্ষণ যাঁরা নিয়েছেন, তাঁরা টেট দিতে পারবেন। তা ছাড়া, গত বছরের টেটে যাঁরা অকৃতকার্য হয়েছিলেন, তাঁরাও নতুন করে এ বছর ফর্ম পূরণ করতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: দুই প্রধানে খেলা দেশের প্রাক্তন ফুটবলার জেজে লালপেখলুয়া এখন বিধায়ক

    পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবারে কম

    উল্লেখ্য, রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই প্রচুর বেনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে। ২০২২ সালের টেট (Primary TET 2023) পরীক্ষার নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ২০১৭ সালের টেটের নিয়োগও এখনও আটকে। এরই মধ্যে আবার ২০২৩ সালে নতুন করে আরও একটি টেট পরীক্ষার আয়োজন করছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে খবর, গত বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেক হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে পর্ষদের তরফ থেকে ব্যাখ্যা, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে যে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছিল সেখানে ডিএলএড ও বিএড-এর সকল যোগ্য প্রার্থী আবেদন করতে পেরেছিলেন। তবে এ বছর শীর্ষ আদালতের নির্দেশে ডিএলএড উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরাই শুধু আবেদন করতে পারবেন। তাই আবেদনের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। পর্ষদ জানিয়েছে, এ বছর ৩ লক্ষ ৯ হাজার ৫৪ জন পরীক্ষা দেবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share