Tag: Kolkata

Kolkata

  • Dengue Update: বাড়ছে ডেঙ্গি! পড়ুয়াদের ফুলহাতা জামা, ফুল প্যান্ট পরে স্কুলে যাওয়ার পরামর্শ পুরসভার

    Dengue Update: বাড়ছে ডেঙ্গি! পড়ুয়াদের ফুলহাতা জামা, ফুল প্যান্ট পরে স্কুলে যাওয়ার পরামর্শ পুরসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি মোকাবিলায় (Dengue Scare) কলকাতা পুরসভার তরফে জারি করা হল অ্যাডভাইসারি (Advisory)। শহরের সরকারি ও বেসরকারি সব স্কুলগুলিকে অ্যাডভাইসরি নোটিস পাঠানো হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশে এই নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা। মশার কামড় (Mosquito Bite) থেকে বাঁচতে পড়ুয়াদের ফুলহাতা জামা, ফুল প্যান্ট পরে স্কুলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় বৈঠক

    স্বাস্থ্যভবন (Swastha Bhavan) সূত্রে খবর, ৩ অগাস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৫১। ৩ অগাস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫০ জন। স্বাস্থ্যভবন (Swastha Bhavan) সূত্রে খবর, ৩ অগাস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৭৫১। ৩ অগাস্ট শেষ হওয়া সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫০ জন। মঙ্গলবার, ডেঙ্গি পর্যালোচনায় রাজ্য সরকারের সঙ্গে কলকাতা পুরসভার বৈঠক হয়। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নারায়ণ স্বরূপ নিগম-সহ একাধিক অধিকর্তারা ছিলেন। ছিলেন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। পুর কমিশনার বিনোদ কুমার, কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক-সহ কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্তারা। কলকাতা পুরসভার বরো চেয়ারম্যানও ছিলেন বৈঠকে। ছিলেন কলকাতা পুরসভার পতঙ্গ বিশেষজ্ঞ দেবাশিস বিশ্বাস।

    আরও পড়ুন: করোনায় ফের একের পর এক শিশুমৃত্যু! চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসক মহলে!

    স্কুলগুলিকে কী কী নির্দেশ

    স্কুল ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকা পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যাতে এডিস এজিপ্টাই প্রজাতি মশার লার্ভা না জন্মাতে পারে। প্রয়োজনে কলকাতা পুরসভার সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারে স্কুল কর্তৃপক্ষ।  স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের যতটা সম্ভব শরীর ঢেকে রাখতে হবে। প্রয়োজনে ফুলপ্যান্ট ও ফুলহাতা শার্ট পড়া বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ। যাতে  এডিস এজিপ্টাই মশা ছাত্র ছাত্রীদের শরীরের কোনও অংশে কামড়াতে না পাড়ে। স্কুলে কোনও ছাত্র ছাত্রীর জ্বর হলে পুরসভার পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। কলকাতা পুরসভার নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রক্ত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট কলকাতা পুরসভার কাছে পাঠাতে হবে ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে। রক্তের নমুনা ডেঙ্গি পজেটিভ হলে তা কলকাতা পুরসভার নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রকে জানাতে হবে। যদি বেসরকারি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা করা হয়, নমুনা রিপোর্ট মেইল করে কলকাতা পৌরসভার প্রধান কার্যালয়ে জানানো যেতে পারে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: তৃণমূলের হয়ে নথি বিকৃতির অভিযোগ! বিচারপতি সিনহার বেঞ্চে ফিরল মামলা

    Calcutta High Court: তৃণমূলের হয়ে নথি বিকৃতির অভিযোগ! বিচারপতি সিনহার বেঞ্চে ফিরল মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উলুবেড়িয়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক প্রার্থীর নথি বিকৃত করার মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশে কোনও হস্তক্ষেপ করল না ডিভিশন বেঞ্চ। মামলা ফেরত গেল সিঙ্গল বেঞ্চেই। সিঙ্গল বেঞ্চকে বিস্তারিতভাবে এসডিও-র বক্তব্য শোনার পরামর্শ ডিভিশন বেঞ্চের।

    ডিভিশন বেঞ্চের পরামর্শ

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে নথি বিকৃত করার অভিযোগ ওঠে। নথি বিকৃত মামলায় ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক বিডিও-সহ তিন আধিকারিককে সাসপেন্ড করার সুপারিশ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) নিযুক্ত তথ্য অনুসন্ধান কমিটি। কমিটির রিপোর্টের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানতে চেয়েছিলেন আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ঠিক কী পদক্ষেপ করা হয়েছে। এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিলেন বিডিও। এদিন ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “মনোনয়নপত্রে তথ্য বিকৃতি মামলায় যে রিপোর্ট পেশ করেছে কমিটি তাতে অনিয়ম হয়েছে বলে মনে করছে আদালত। সিঙ্গল বেঞ্চ সাসপেন্ড সম্পর্কিত যে কথা বলছে তা প্রাক্তন বিচারপতি পরিচালিত কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে। তিন আধিকারিকের সাসপেনশন সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের শীর্ষ কর্তাদের বিবেচনা করতে বলেছে সিঙ্গল বেঞ্চ। নতুন করে এই বিষয়টি স্পষ্ট করে দেওয়ার আগে সিঙ্গল বেঞ্চ এসডিও-র বক্তব্য শুনবে।” ডিভিশন বেঞ্চ আরও জানায়, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের স্বার্থে প্রাক্তন বিচারপতির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেওযা হয়। এই কমিটির রিপোর্ট কোথাও চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। সিঙ্গল বেঞ্চ এই কমিটির রিপোর্ট দেখে পদক্ষেপ করেছে। 

    আরও পড়ুন: স্বস্তি শুভেন্দুর! এফআইআর দায়ের নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

    উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নের সময় উলুবেড়িয়ার বাহিরা ১ নং গ্রাম পঞ্চেয়াতের বাম প্রার্থী কাশ্মীরা বেগমের মনোনয়নপত্র বিকৃত করার অভিযোগ ওঠে। এই আসনটি ওবিসি-দের জন্য সংরক্ষিত ছিল। অভিযোগ ওঠে কাশ্মীরার জাতিগত শংসাপত্র বিকৃত করার বিষয়ে অভিযোগ পাওযার পরেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেননি স্থানীয় বিডিও। এই প্রসঙ্গেই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই বাম নেত্রী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: বুথের ভিডিও ফুটেজ নষ্ট হল কীভাবে? বিডিওকে প্রশ্ন হাইকোর্টের 

    Panchayat Election 2023: বুথের ভিডিও ফুটেজ নষ্ট হল কীভাবে? বিডিওকে প্রশ্ন হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুরের বেলডাঙা-২ ব্লকের কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat Election 2023) একটি বুথে পুনর্নির্বাচন না হওয়ার মামলায় হাইকোর্টে ধমক খেলেন সংশ্লিষ্ট বিডিও। অন্যদিকে সিঙ্গল বেঞ্চের পর কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা উলুবেড়িয়ার বিডিও নীলাদ্রিশেখর দে-র। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশে হস্তক্ষেপ করল না ডিভিশন বেঞ্চ। আপনি কি অন্যদের সঙ্গে সুবিচার করেছেন ? বিডিওকে প্রশ্ন করে আদালত। 

    বহরমপুরের বিডিও-কে  ধমক

    মঙ্গলবার বহরমপুরের বেলডাঙা-২ ব্লকের একটি বুথে পরাজিত (Panchayat Election 2023) সিপিএম প্রার্থী নাসিমা বেগম হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। মামলাকারীর অভিযোগ, তাঁর এজেন্টদের ভোটের দিন ও গণনার দিন মারধর করে বের কর দেওয়া হয়েছিল। তারপরও বুথে পুনর্নির্বাচন হয়নি। মামলাটি ওঠে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চে। এদিন শুনানির সময়, বেলডাঙা-২ ব্লকের বিডিও জানান, তাঁর দায়িত্বে যে বুথগুলি ছিল, তার মধ্যে দু’টি বুথে পুনর্নির্বাচন করানো হয়েছিল। কিন্তু নাসিমা বেগমের ওই বুথটি সেই তালিকায় ছিল না। কারণ হিসেবে বিডিও জানান, ওই বুথের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে দাবি বিডিও-র। এখানেই বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে ভিডিও ফুটেজ নষ্ট হয়ে যেতে পারে! তাহলে সিসিটিভি রাখার উদ্দেশ্য কী? মামলায় সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওকে আদালতে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। একইসঙ্গে প্রিসাইডিং অফিসারকে মামলায় যুক্ত করারও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতের টাকা ‘আত্মসাৎ’ করেছেন বিডিও! খতিয়ে দেখার নির্দেশ হাইকোর্টের

    উলুবেড়িয়ার বিডিও-কে ভর্ৎসনা 

    অন্যদিকে, পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) মাঝে দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছিল উলুবেড়িয়ার বিডিও-র বিরুদ্ধে। প্রাক্তন বিচারপতির (Calcutta High Court) এক সদস্যের কমিশন সব তথ্য খতিয়ে দেখে দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছিল। তাঁর পক্ষ থেকে হাইকোর্টে নজিরবিহীনভাবে বিডিও, এসডিওকে সাসপেন্ড করার সুপারিশ করেছিলেন কমিশন। যার পরই নির্বাসনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বিচারপতি অমৃতা সিনহার যে নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেন উলুবেড়িয়ার বিডিও। বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন তিনি। কিন্তু এদিন নীলাদ্রিশেখরের আইনজীবীর জবাবে সন্তুষ্ট ছিলেন না বিচারপতি। মামলা ফেরত যায় বিচারপতি সিন্হার কাছেই। ৩ অগাস্ট বিচারপতি অমৃতা সিন্হার এজলাসে পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Child Trafficking: আইভিএফ সেন্টারের আড়ালে শিশু বিক্রির চক্র! আনন্দপুরে পুলিশের জালে ৬ মহিলা

    Child Trafficking: আইভিএফ সেন্টারের আড়ালে শিশু বিক্রির চক্র! আনন্দপুরে পুলিশের জালে ৬ মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থের লোভে ২১ দিনের কন্যাসন্তানকে বিক্রির অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। খাস কলকাতায় শিশু বিক্রির ঘটনার হদিশ মিলল। ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে নিজের শিশুকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার আনন্দপুর থানার নোনাডাঙা রেল কলোনি এলাকায়। এই ঘটনায় শিশু বিক্রির (Child Trafficking) একটি চক্রের খোঁজ পেল পুলিশ। আইভিএফ (IVF Centre) সেন্টারগুলোর আড়ালেই এই শিশু পাচারের চক্র চলত বলে অনুমান পুলিশের। টার্গেট করা হত নিঃসন্তান দম্পতিদের। ৪ থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা খরচ করলেই মিলবে সদ্যোজাত (Newborn), দেওয়া হতো এমন টোপ। 

    নিঃসন্তান গৃহবধূর কাছে কন্যাসন্তানকে বিক্রি

    পুলিশ জানিয়েছে, টাকার লোভে এক নিঃসন্তান গৃহবধূর কাছে কন্যাসন্তানকে (Child Trafficking) বিক্রি করে দেন অভিযুক্ত। তদন্তে নেমে ওই গৃহবধূকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই শিশুটিকে আইভিএফ পদ্ধতিতে জন্ম দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। আনন্দপুরের স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত মহিলা তিন জন শিশুকে নিয়ে নোনাডাঙ্গা রেল কলোনির একটি বাড়িতে একাই থাকতেন। তিন জনকেই সন্তান হিসাবে পরিচয় দিতেন তিনি। কিন্তু কয়েক দিন ধরেই তাঁর ২১ দিনের কন্যাসন্তানকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে স্থানীয়দের দাবি। এর পর সন্দেহ বাড়লে স্থানীয়দের কয়েক জন পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নেমে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে এই ঘটনায় জড়িত আরও পাঁচ জনকে। জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে ওই শিশুটিকে বেহালা থেকে উদ্ধার করা হয়।

    আরও পড়ুুন: প্রচারের হাতিয়ার স্থানীয় বিষয়, তৃণমূলের দুর্নীতি, রাজ্য বিজেপি নেতাদের ‘মার্গদর্শন’ মোদির

    আইভিএফ সেন্টারের আড়ালে পাচার চক্র

    পুলিশ সূত্রে খবর, এক নিঃসন্তান দম্পতি কয়েকদিন আগে আইভিএফ সেন্টারে যান। প্রথমে তাঁরা চিকিৎসকদের পরামর্শ নেন। তার পর, সেখানেই এক মহিলার সঙ্গে ওই দম্পতির পরিচয় হয়। ওই মহিলা দম্পতিকে জানান, ৪-সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ১০-২০ দিন বয়সি সদ্যোজাত শিশু তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এই কাজের জন্য অগ্রিম বাবদ ওই মহিলাকে কিছু টাকাও দেওয়া হয়েছিল বলে খবর। টাকা হাতে পেতেই তিনি দম্পতিকে জানিয়ে দেন, নিজেদের বাড়িতে তাঁরা থাকতে পারবেন না। এক বছরের জন্য বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র ভাড়া নিতে হবে। কোথায় ভাড়া নিতে হবে, সেটিও তিনি বলে দেবেন। এক বছর পর দম্পতির হাতে সদ্যোজাতকে তুলে দেওয়া হবে। বাড়ি ফিরে তাঁরা বলবেন, আইভিএফ প্রক্রিয়ায় চিকিৎসা করিয়েই এই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এভাবেই গোটা প্রক্রিয়া চলে। কিন্তু আনন্দপুরের ঘটনায় একটু গণ্ডগোল হয়েছিল। যাঁর শিশুকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ, তাঁর মায়ের কাছে সন্তানকে দেখতে না পেয়ে পড়শিরাই পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ আধিকারিকরা মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। প্রথমে তিনি কিছু স্বীকার করেননি, কিন্তু পরে সবটা প্রকাশ্যে আসে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Dengue Outbreak: চলতি সপ্তাহে ৬৭৫ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত! আজ উত্তাল হতে পারে বিধানসভা

    Dengue Outbreak: চলতি সপ্তাহে ৬৭৫ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত! আজ উত্তাল হতে পারে বিধানসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। চলতি সপ্তাহে এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭৫জন। আজ, ডেঙ্গি (Dengue Outbreak) পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা চাইতে পারেন বিরোধীরা। দুপুর ১২টা নাগাদ প্রশ্নোত্তর পর্বের পরে ডেঙ্গি নিয়ে আলোচনা প্রস্তাব পড়তে চাইতে পারেন বিজেপি বিধায়করা। সূত্রের দাবি, বিজেপির তরফে এ নিয়ে আলোচনাপর্ব চাওয়া হতে পারে। কিন্তু তাতে যদি অনুমতি না পাওয়া যায় তা হলে প্রতিবাদে সরব হবেন তাঁরা।

    জেলায় জেলায় ডেঙ্গির প্রকোপ

    জুলাইয়েই দাঁত, নখ দেখাতে শুরু করে দিয়েছে ডেঙ্গি (Dengue Outbreak)। কলকাতার সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ৭ জন মারা গিয়েছেন ডেঙ্গিতে। যদিও সরকারিভাবে এই সংখ্যা কত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। জেলার স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত হাওড়ায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছে ১৩৩জন। নদিয়ায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে ৬জনের মৃত্যু হয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর, রানাঘাটে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়েছে। দুর্গাপুরের পুরসভার পলাশডিহায় গত এক সপ্তাহে ৬১জন আক্রান্ত হয়েছেন। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হুগলিতে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫৮। এর মধ্যে গ্রামীণ এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ২২৭ জন। জেলার শহরাঞ্চলে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৩১ জন। তুলামূলক ভাবে মালদহে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা কম। এই মরসুমে মালদহে ৭২ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। বাঁকুড়া পুরসভা সূত্রে খবর, এ বছর বাঁকুড়া শহরে ১৪ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, কোচবিহারে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত মোট ৫৯ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এখনও পর্যন্ত মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪। 

    আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি! আজ সন্ধ্যায় মোদির ক্লাসে সুকান্ত–দিলীপরা

    ডেঙ্গি নিয়ে বিরোধীদের তোপ

    এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গি (Dengue Outbreak) নিয়ে সরকারের কাছে জবাব চাইতে পারে বিরোধীরা। অধিবেশনের পর বিধানসভার মূল গেটের বাইরে রাস্তাতে মশারি বিতরণ করবেন শুভেন্দু অধিকারীরা। গাড়ি চালক, পথ চলতি মানুষদের সেই মশারি দেওয়ার কথা। রবিবারই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘুমোচ্ছেন। তাই এই অবস্থা। ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর অবধি ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রস্তুতি চলে। এবার কোনও প্রস্তুতিই নেই।” বিজেপির পরিষদীয় দল সূত্রে খবর, এখনও অবধি যা পরিকল্পনা তাতে অধিবেশনে বিজেপির বক্তা হিসাবে চার মহিলা বিধায়ক থাকবেন। থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী এবং হিরণও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku : জামিনের আবেদন খারিজ, এসএসকেএমেই হবে ‘কালীঘাটের কাকু’র চিকিৎসা

    Kalighater Kaku : জামিনের আবেদন খারিজ, এসএসকেএমেই হবে ‘কালীঘাটের কাকু’র চিকিৎসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর জামিনের আবেদনের পিছনে যুক্তি ছিল, ৩টি ধমনীতে ব্লকেজ রয়েছে। বাইপাস সার্জারি করাতে হবে। কোনও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে চেয়ে জামিন মঞ্জুরের আবেদন জানান কালীঘাটের কাকু। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দিল ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। আদালতের সাফ বক্তব্য, এসএসকেএমেই হবে ‘কালীঘাটের কাকু’র চিকিৎসা।

    এসএসকেএম-এ চিকিৎসা

    সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’ গত ১১ দিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে। হার্টে ব্লকেজ ধরা পড়েছে সুজয় ভদ্রের। অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। সুজয়ের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, পছন্দমতো হাসপাতালে তাঁকে অস্ত্রোপচার করাতে দেওয়া হোক। এসএসকেএম-নিয়ে আপত্তির কথা সরাসরি না বললেও আজ আদালতে ঠারেঠোরে সেকথা বুঝিয়ে দিয়েছেন সুজয় ভদ্রর আইনজীবী। আর এই পছন্দমতো জায়গায় চিকিৎসা করানোর জন্য যাতে জামিন কিংবা অন্তর্বতী জামিন দেওয়া হয়, সেই আর্জিও জানানো হয়েছিল। পাল্টা ইডি সওয়াল করে, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী এসএসকেএমেই চিকিৎসা করান, তাহলে সুজয়কৃষ্ণ নয় কেন?’’  শেষপর্যন্ত ধোপে টিকল না সেই আবেদন। সুজয়কৃ্ষ্ণ ভদ্রের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ফলে এসএসকেএম হাসপাতালেই থাকতে হচ্ছে তাঁকে। 

    আরও পড়ুন: কেন জামিনের বিরোধিতা? পার্থ কতটা প্রভাবশালী, আদালতে জানাল ইডি

    এদিন বিচারক তাঁর নির্দেশনামায় লিখেছেন, ‘‘মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি প্রায় হয়ে গিয়েছে। তাছাড়া এমন ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক অবস্থায় তাঁকে অন্যত্র স্থানান্তর করতে গেলে বিপদ বাড়ার আশঙ্কা থাকে।’’ রাজ্যের মন্ত্রিসভার হাইপ্রোফাইল ব্যক্তিরাও যে কিছু প্রয়োজন পড়লেই এসএসকেএম হাসপাতালে যান সেই কথাও উল্লেখ করা হয়েছে নির্দেশনামায়। বিচারক লিখেছেন, ‘‘এসএসকেএম হল রাজ্যের সেরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। রাজ্য মন্ত্রিসভার হাই প্রোফাইল ব্যক্তিরা জরুরি কোনও প্রয়োজন হলে এসএসকেএম হাসপাতালেই যান। এসএসকেএম হাসপাতালে সেরা পরিকাঠামো ও চিকিৎসক রয়েছেন।’’ সূত্রের খবর, শীঘ্রই সুজয়কৃষ্ণর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিতে চলেছে ইডি। চার্জশিটে কালীঘাটের কাকুর যাবতীয় সম্পত্তির হিসেব, নিয়োগ দুর্নীতিতে তিনি কীভাবে জড়িত, তার তথ্যপ্রমাণ পেশ করা হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Rally: ‘‘২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাও’’! মহা মিছিলের মঞ্চ থেকেই ঘোষণা সুকান্তর

    BJP Rally: ‘‘২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাও’’! মহা মিছিলের মঞ্চ থেকেই ঘোষণা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজ স্কোয়ার থেকে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত বিজেপির মহা মিছিল শুরু হল। বিজেপির দাবি, পঞ্চায়েত ভোটে ১১জন দলীয় কর্মী খুন হয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে ৩ হাজার কর্মী। তাঁদের মধ্যে ৬৫০ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পঞ্চায়েত ভোটে ১২ হাজার ৪৯২টি বুথ দখল হয়েছে এবং ২১ হাজার বুথে ভোটই না হওয়ার অভিযোগ তুলছে বিজেপি। মিছিল শুরুর আগে মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রথমে বক্তব্য রাখেন দিলীপ ঘোষ, তারপর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার-সহ প্রমুখ।

    দিলীপ ঘোষের কথায়

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, “পঞ্চায়েত ভোটের নামে রাজ্যজুড়ে প্রহসন হয়েছে। আমাদের কর্মীদের মনোনয়ন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। বহু কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। গোটা বিষয়টি কোর্টে জানিয়েছি। বিচার চলছে। জনগণ আমাদের পাশে রয়েছে। জনগণকে পাশে নিয়ে আমরা পথে নেমেছি। ভোটকেন্দ্রে সরকারি ক্ষমতাকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার লুঠ করা হয়েছে। আমাদের কর্মীদের গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিডিও-র নেতৃত্বে ভোট লুঠ হয়েছে। ওসি পর্যন্ত ভোট লুঠে সাহায্য করেছে। এই সমস্ত ওসি, বিডিও-দের চাকরি খেয়ে আমরা ভিখারি করে ছাড়ব, যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। তাই আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পথে নেমেছি। এর জন্য যতদূর যেতে হয় যাব।” তিনি আরও বলেন, “দু-দিন পরে এখানে একটা নাটক হবে শহিদ দিবসের নামে। সারা বছর রাজ্যজুড়ে লোককে মারা হয়, আর ২১ জুলাই শহিদ দিবসের নামে নাটক করা হয়। এখানে লোক আসবে না। তাই পুলিশ আর সিভিক পুলিশ ফোন করে জানছে, কত বাস লাগবে, কত লোক আসবে। মেদিনীপুরের কাউন্সিলারকেও ফোন করে কত বাস লাগবে জানছে পুলিশ।”

    শুভেন্দু অধিকারীর মত

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মঞ্চে উঠেই ‘ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিয়ে এবং তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন—“মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিশে হাজার-হাজার বিজেপি কর্মী রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এই মেগা মিছিলে হাজির হয়েছেন। যদি বুকের পাটা থাকে তো এই মিছিল আটকে দেখাও। গত লোকসভা ভোটের আগেও ১৯ জানুয়ারি কলকাতায় এরকমই একটা সার্কাস হয়েছিল। সেই সময় নাম দিয়েছিলেন ইউনাইটেড ইন্ডিয়া। তার পরিণতি গোটা দেশের মানুষ দেখেছে। বাংলাতে তৃণমূল ৩৪ থেকে ২২-এ নেমেছে। আর বিজেপি ২ থেকে বেড়ে ১৮-এ পৌঁছেছে। এই পরিবারবাদী লোকেরা, দুর্নীতিগ্রস্ত পার্টিরা ইডি, সিবিআই থেকে বাঁচতে বেঙ্গালুরুতে ফাইভ স্টার মিটিং করেছে।” বিরোধী-জোটকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, “একদিকে মোদিজি আর অন্যদিকে, দুর্নীতিগ্রস্তরা। আগলিবার মোদিজি ৪০০ পার। আর ইন্ডিয়া নাম দিলেই স্বদেশপ্রেমী হওয়া যায় না। তাহলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিও ভারতে থাকত। তাই ইন্ডিয়া নাম দিয়ে বিভ্রান্ত করা যাবে না। মানুষ মোদিজির হাতেই দেশ আগামী কয়েক দশক রাখবে।”

    আরও পড়ুন: পার্থর বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন রাজ্যপালের! বাধাহীন বিচারপ্রক্রিয়া

    সুকান্ত মজুমদারের দাবি

    শুভেন্দুর মতো সুকান্ত মজুমদারও ‘ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিয়ে বক্তব্য শুরু করেন এবং ভোটে সন্ত্রাসের পরেও বিজেপি যে ভোট পেয়েছে তার জন্য দলীয় কর্মীদের ধন্যবাদ জানান। সিপিএম-কংগ্রেস সেটিং নিয়েও কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, “ওখানে গিয়ে শুধু মিটিং-সেটিং-ইটিং করলেই হবে না। একবার গিয়ে খোঁজ নিন বাংলা থেকে কত মানুষ ওখানে কাজের জন্য যাচ্ছেন। যদি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হয় তাহলে এই সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে হবে। আমাদের লড়াই এখান থেকেই শুরু হচ্ছে। যে সরকার নিজেদের পুলিশকে সুরক্ষা দিতে পারে না, সেই সরকার রাজ্যবাসীকে কি সুরক্ষা দেবে!” মেগা মিছিলের মঞ্চ থেকে তৃণমূলের শহিদ দিবসেই অর্থাৎ ২১ জুলাই বিডিও অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিলেন সুকান্ত মজুমদার। সকলকে এই লড়াইয়ে নামার আহ্বান জানান সুকান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: অনুমতি নেই পুলিশের! বুধবার কলকাতার পথে মিছিলে অনড় বিজেপি 

    BJP: অনুমতি নেই পুলিশের! বুধবার কলকাতার পথে মিছিলে অনড় বিজেপি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা ও অশান্তির প্রতিবাদে আজ, বুধবার পথে নামবে বিজেপি। তবে এদিন  মিছিলের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। পুলিশের অনুমতি না মিললেও মিছিল হবেই, বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের এই মিছিলে উপস্থিত থাকার কথা। পাশাপাশি দলের সাংসদ, বিধায়কদেরও মিছিলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন অনুমতি নেই

    পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার প্রতিবাদে বুধবার কলেজ স্কয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করার কথা ঘোষণা করে বিজেপি। কিন্তু সেই মিছিলে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। শুক্রবার, ২১ জুলাই ধর্মতলায় তৃণমূলের সমাবেশ। শহর জুড়ে তার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ বাঁধার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে জোর কদমে। এর মধ্যেই সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে আজ কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছে বিজেপি। অর্থাৎ, তৃণমূলের নির্মীয়মাণ মঞ্চের অদূরেই শেষ হওয়ার কথা বিজেপির মিছিলের। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই পুলিশ মিছিলের অনুমতি দেয়নি বলে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পাচার হওয়া ১০৫টি প্রাচীন মূর্তি ভারতের হাতে তুলে দিল মার্কিন প্রশাসন

    বিরোধী-কণ্ঠ রোধের চেষ্টা

    রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘পুলিশ মিছিলের অনুমতি দেবে, এমন আশাও আমাদের ছিল না। কারণ, আমরা জানি, তৃণমূল প্রতিহিংসাপরায়ণ দল। ভোট লুট, গণনায় কারচুপির পরে ওরা বিরোধীদের কণ্ঠস্বর বন্ধ করতে চাইছে। তবে আমাদের মিছিল হবেই।’ পঞ্চায়েত ভোটে বেনজির হিংসার সাক্ষী থেকেছে বাংলা। মহিলাদের উপরও অত্যাচার করা হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন মহিলারা। এই অভিযোগ ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে বিজেপি। আজ হাওড়ার পাঁচলায় বিজেপির ‘তথ্যানুসন্ধানী মহিলা প্রতিনিধি দল’-এর যাওয়ার কথা। একইসঙ্গে হিংসার প্রতিবাদে আজ পথেও নামছে বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে ‘দুর্নীতি’! তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে ‘দুর্নীতি’! তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।  তদন্ত করে ছয় সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় প্রকল্পের নামে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে। 

    অনিয়মের অভিযোগ

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ক্ষেত্রে রাজ্যে বেনিয়ম হয়েছে বলে বিরোধীরা একাধিকবার অভিযোগ তুলেছিল। অভিযোগের জেরেই কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে টিম পাঠিয়ে ছিল। রাজ্যের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে রিপোর্ট জমা দেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ক্ষেত্রে রাজ্যে বেনিয়ম হয়েছে বলে স্বীকার করেছিল কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকও ৷ জানানো হয়েছিল দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্র ৷ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PM Awas Yojana) দুর্নীতির অভিযোগে জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। 

    আরও পড়ুন: ‘বাংলায় কুস্তি, বেঙ্গালুরুতে দোস্তি’! বিরোধী বৈঠককে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আদালতের নির্দেশ

    এদিনের শুনানিতে মামলাকারীর তরফে সওয়াল করা হয়, ন্যায্য ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। অথচ যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় আসছেনই না, তাঁদের নামে টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এক ব্যক্তির বহু অ্যাকাউন্টে টাকা যাচ্ছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে টাকা বরাদ্দ হয়েছে, অথচ টাকা পৌঁছয়নি। আবার অন্য এলাকার লোকের নামে বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে। মামলাকারীর অভিযোগ, জেলায় আবাস যোজনার প্রাপকদের যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তাতে বিস্তর গরমিল রয়েছে। আরও অভিযোগ, ন্যায্য প্রাপকদের বঞ্চিত করে বেআইনিভাবে একাধিক ব্যক্তির নাম তালিকায় তোলা হয়েছে। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে অভিযোগ খতিয়ে দেখে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vice Chancellor: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে রবীন্দ্রভারতীর অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ রাজভবনের

    Vice Chancellor: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে রবীন্দ্রভারতীর অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ রাজভবনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়কে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য (Vice Chancellor) নিয়োগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। অবসর নেওয়ার পরবর্তী সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রের দায়িত্ব এর আগেও পালন করেছেন তিনি। মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি তাঁকে সাবিত্রীবাই ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাছাইয়ের সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান পদে বসিয়েছিলেন। আর এবার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তিনি। 

    রাজ্যপালের সিদ্ধান্ত বৈধ

    অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত না থেকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার নজির স্বাধীনতার পর বাংলায় আর একটি আছে। ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৬৮ পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য করা হয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিধূভূষণ মালিককে। উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে নবান্ন–রাজভবন সংঘাত অনেকদিন ধরেই চলছিল। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের পর প্রকাশ্যে সংঘাত থেমেছে। কলকাতা হাইকোর্টের রায় ছিল, অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের সিদ্ধান্ত বৈধ। আর এই উপাচার্যদের বেতন–সহ অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। তারপরই রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্ত। 

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনাও করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে, নির্দেশ আদালতের

    শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়ের পরিচয়

    আগে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য ছিলেন নির্মাল্যনারায়ণ চক্রবর্তী। তাঁর মেয়াদ ফুরিয়েছে। তারপর প্রায় দু’মাস উপাচার্যহীন ছিল রবীন্দ্রভারতী। এবার নির্মাল্যের মেয়াদ শেষ হতেই প্রাক্তন বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায় হলেন রবীন্দ্রভারতীর নতুন অস্থায়ী উপাচার্য। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন নিয়ে পাশ করেছিলেন। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিও ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে কর্নাটক হাইকোর্টে চলে যান।  ২০১৫ সালে তিনি কর্নাটক হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হন। ২০১৬ সালে তাঁকে কর্নাটক হাইকোর্টের স্থায়ী প্রধান বিচারপতি করা হয়। ২০১৭ সালে তিনি অবসর নেন। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্যের পাশাপাশি শুভ্রকমলকে  শান্তি ও সম্প্রীতি কমিটির চেয়ারম্যানও করা হয়েছে। এই কমিটিও রাজ্যপাল গঠন করেছেন, সেই কমিটির অন্যতম প্রধান কাজ হল শিক্ষাঙ্গনের ভিতরে সংহতির উপর নজর রাখা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share