Tag: Kolkata

Kolkata

  • IRCTC: ট্রেনে মোট ১০ দিন ও ১১ রাত, কলকাতা থেকে দেবভূমি পরিদর্শন করাবে রেল, ভাড়া জেনেন?

    IRCTC: ট্রেনে মোট ১০ দিন ও ১১ রাত, কলকাতা থেকে দেবভূমি পরিদর্শন করাবে রেল, ভাড়া জেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইআরসিটিসির (IRCTC) তরফে ভারত গৌরব বিশেষ ট্রেনের সূচনা সম্পর্কে জানানো হয়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আইআরসিটিসি-র জেনারেল ম্যানেজার মনোজ কুমার সিং জানিয়েছেন, “আইআরসিটিসি এবং উত্তরাখণ্ড পর্যটন দফতর যৌথভাবে এই ট্রেন চালাবে। মোট যাত্রাপথ ১১ রাতের। ভাড়া ৩৮ হাজার টাকা। কলকাতা থেকেই ছাড়া হবে এই ট্রেন।”

    কলকাতা থেকে নৈনিতাল বা আলমোড়া যাবে ট্রেন (IRCTC)

    ট্রেনে (IRCTC) করে অনেক জায়গায় ভ্রমণ করতে গেলে বারবার গাড়ি পাল্টাতে যাত্রীদের ব্যাপক অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়। এবার থেকে এক সঙ্গে অনেক জায়গায় ভ্রমণের সুবিধা দেবে ভারতীয় রেল। ট্রেন পথে ভ্রমণের আনন্দকে আরও সুন্দর, মসৃণ, নিরাপদ এবং ঝঞ্ঝাটমুক্ত করতে রেল বিশেষ ব্যবস্থা করেছে। কলকাতা থেকে নৈনিতাল বা আলমোড়ার মতো জায়গায় যাবে একটি ট্রেন। এখন আর গাড়ি বদল করতে হবে না। ট্রেনে বসেই সবটা প্রত্যক্ষ করা যাবে। এই যাত্রা পথ অনেক পর্যটক বা ভ্রমণবিলাসীদের কাছে খুব আনন্দদায়ক হবে। ইতিমধ্যে যাত্রী মহলে খুব উচ্ছ্বাস ব্যক্ত করা হয়েছে।

    ৩ টায়ার এসি ক্লাসে নিয়ে যাওয়া হবে

    আইআরসিটিসির (IRCTC) পক্ষ থেকে সংস্থার জেনারেল ম্যানেজার মনোজ কুমার সিং বলেন, “আইআরসিটিসি এবং উত্তরাখণ্ড পর্যটন দফগত যৌথভাবে এই ট্রেন চালাবে। মোট ১০ দিন  এবং ১১ রাত ট্রেনে কাটিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে পারবেন ট্রেনের যাত্রীরা। ৩ টায়ার এসি ক্লাসে নিয়ে যাওয়া হবে ওই যাত্রীদের। মূলত দেবভূমি নামে পরিচিত স্থানগুলিকে বোঝায়। এই সব ধর্মীয় পবিত্র স্থানগুলিতে দর্শনার্থীদের পরিদর্শনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের প্রচারে মহিলাদের বিরুদ্ধে কুমন্তব্য! কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

    দেবভূমি উত্তরাখণ্ড যাত্রা প্যাকেজ

    আইআরসিটিসি-র (IRCTC) প্যাকেজটির নামকরণ করেছে ‘দেবভূমি উত্তরাখণ্ড যাত্রা (EZUBG14)। যেখানে ট্রেনটি ৩ ডিসেম্বর কলকাতা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়বে। তাতে পরিষেবাগুলির মধ্যে রয়েছে ট্রেনে ভ্রমণ। সেই সঙ্গে থাকবে বোর্ডের বাইরে নিরামিষ খাবারের সঙ্গে উপলব্ধ হোম স্টে, গেস্ট হাউস, বাজেট হোটেলে থাকার ব্যবস্থা। একই ভাবে থাকবে এবং নন-এসি বা এসি সড়ক পরিবহণ। এই প্যাকেজের যাত্রাপথের মধ্যে রয়েছে তানকপুর-চম্পাওয়াত বা লোহাঘাট-চৌকোরি-আলমোড়া-নৈনিতাল-ভীমতাল-কলকাতা-বর্ধমান-আসানসোল-ঝাঝা-বরাউনি-হাজিপুর-গোরখপুর-লখনউ স্টেশন। সব জায়গায় থাকার ব্যবস্থা থাকবে। পূর্ব রেলওয়ে অফিস থেকে জানা গিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক এবং পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সি শিশুদের জন্য স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজের মূল্য ৩০,৯২৫ টাকা এবং ডিলাক্স প্যাকেজের মূল্য ৩৮,৫৩৫ টাকা। আরও বিস্তৃত ভাবে জানার জন্য একটি হেল্পলাইন নম্বর প্রদান করা হয়েছে যা হল- 8595904074/75। সেই সঙ্গে এই বিষয়ে আরও জানতে ওয়েবসাইট দেখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ওয়েবসাইট হল-www.irctctourism.com।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Holidays In November: নভেম্বর মাসে কোন কোন দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ? রাজ্যের সরকারি ছুটিই বা কতদিন?

    Holidays In November: নভেম্বর মাসে কোন কোন দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ? রাজ্যের সরকারি ছুটিই বা কতদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর কলকাতায় ব্যাঙ্ক বন্ধ ছিল (Holidays In November)। তবে আজ, ১ নভেম্বর কলকাতা সহ রাজ্যের ব্যাঙ্কগুলি খোলা থাকবে বলেই জানা যাচ্ছে। আরবিআইয়ের তরফ থেকে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে- আজ শুক্রবার কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গে ব্যাঙ্ক বন্ধ নয়। রাজধানী দিল্লিতেও আজ খোলা থাকছে ব্যাঙ্ক তবে অন্য বাঙলাভাষী রাজ্য আগরতলা সহ ত্রিপুরায় আজ দীপাবলি উপলক্ষে ব্যাঙ্ক বন্ধই (Holidays In November) থাকছে। এছাড়া বেলাপুর, বেঙ্গালুরু, ভোপাল, দেরাদুন, গ্যাংটক, গুয়াহাটি, ইম্ফল, জম্মু, কানপুর, লখনউ, মুম্বই, নাগপুর, রায়পুর, শিলং, শ্রীনগরে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে আজ। এছাড়া ৩ নভেম্বর রবিবারের কারণে অবশ্য ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে দেশজুড়ে। তবে ২ নভেম্বর দীপাবলির কারণে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে আহমেদাবাদ, বেলাপুর, বেঙ্গালুরু, দেরাদূন, গ্যাংটক, জয়পুর, কাপুর, লখনউ, মুম্বই, নাগপুরে।

    নভেম্বরের শেষ ব্যাঙ্ক ছুটি (Holidays In November) থাকবে রবিবার ২৪ তারিখ

    এরপরে ৯ নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় শনিবার, নিয়মমতো সেই উপলক্ষে বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক। ১০ নভেম্বর রবিবারও সাপ্তাহিক ছুটি। ১২ নভেম্বর এগাস-বাগওয়াল উপলক্ষে দেশের মধ্যে শুধুমাত্র উত্তরাখণ্ডে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ১৫ নভেম্বর গুরু নানক জয়ন্তী, সেদিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে দেশে। এরপর ১৭ নভেম্বর রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি বলে বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক। ১৮ নভেম্বর কনকদাস জয়ন্তী উপলক্ষে দেশের মধ্যে কর্নাটকে বন্ধ (Holidays) ব্যাঙ্ক। ২৩ নভেম্বর মাসের চতুর্থ শনিবারে দেশজুড়ে বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক। এরপর নভেম্বরের শেষ ব্যাঙ্ক ছুটি থাকবে রবিবার ২৪ নভেম্বর।

    রাজ্য সরকারের ১৪ দিন ছুটি (Holidays)

    নভেম্বর মাস ৩০ দিনের, তার মধ্যে ১৩ দিনই ছুটি পাচ্ছেন রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত ছুটির (Holidays In November) ক্যালেন্ডার অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, কালী পুজোর পরের দিন আজ ১ নভেম্বর শুক্রবারও ছুটি থাকছে। এরপরে শনি ও রবি সরকারি ছুটি। কিন্তু রবিবার ভাইফোঁটার পরের দিন সোমবারও অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এরপর ৭ নভেম্বর ছটপুজোর ছুটি। সে দিনটা বৃহস্পতিবার। তারপর শুক্রবার ছটের ছুটি, ফের শনি ও রবিবার। ফলে ৭ থেকে ১০ নভেম্বর টানা চার দিনের ছুটি পাবেন রাজ্যের কর্মচারীরা। এরপর, ১৫ নভেম্বর গুরু নানকের জন্মদিন। সেটাও আবার শুক্রবার। তারপর শনি, রবি মিলিয়ে তিন দিনের টানা ছুটি। এরপর ২৩ ও ২৪ তারিখ শনি, রবিবার। এর পর ৩০ তারিখ শনিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Kali Puja 2024: ভিনদেশি ভক্ত কবিয়ালের নামেই কি পরিচিতি পেয়েছে কলকাতার ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি?

    Kali Puja 2024: ভিনদেশি ভক্ত কবিয়ালের নামেই কি পরিচিতি পেয়েছে কলকাতার ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোককথা থেকে রূপোলি পর্দায় বার বার উঠে এসেছে এই মন্দিরের কথা। কথিত আছে, এই মন্দিরে বসে গান গাইতেন অ্যান্টনি কবিয়াল। ভিনদেশি ভক্ত কবিয়ালের নামেই পরিচিত পেয়েছে মন্দির। যদিও অনেকে একথা মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, ফিরিঙ্গি পাড়ার কাছাকাছি হওয়াতেই নাম হয়েছে ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি (Kali Puja 2024)। নতুবা এই কালীবাড়ি বহু প্রাচীন।

    কোথায়, কবে তৈরি হয় এই মন্দির (Firingi Kalibari)?

    ২৪৪, বিপিন বিহারী গাঙ্গুলী স্ট্রিট, ৭০০০১২। বউবাজার থেকে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ের দিকে যে রাস্তা গিয়েছে, সেই রাস্তার ডান দিকে ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি। এক সময় এই অঞ্চলটি ছিল শ্মশান। হোগলাপাতার একটি ঘরে ছিল শিবের অবস্থান। সামনে ছিল গঙ্গা থেকে আসা একটা খাল। কালীবাড়ির ইতিহাস অনুযায়ী, ১৪৩৭ সনে ভাগীরথী নদীর তীরে জঙ্গলের মধ্যে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল শিব ও কালী বিগ্রহের। মূলত মন্দিরটি প্রথমে ছিল একটি শিবমন্দির। ফিরিঙ্গি কালীবাড়ির (Firingi Kalibari) সঠিক প্রতিষ্ঠাকাল সম্পর্কে জানা যায় না। জনশ্রুতি অনুযায়ী, মন্দিরটি ৫০০ বছরের পুরনো।

    কেন নাম ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি (Kali Puja 2024)

    জানা যায়, ১৮২০ থেকে ১৮৮০ সাল পর্যন্ত এই মন্দিরের পূজারি ছিলেন নিঃসন্তান শ্রীমন্ত পণ্ডিত। কালীমন্দির ও দেবীমূর্তি সর্বপ্রথম কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, কেউই তা জানেন না। কথিত আছে, এই শিবমন্দিরে কবিয়াল অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি আসতেন। একদিন এখানেই প্রতিষ্ঠিত হল অ্যান্টনি ফিরিঙ্গির সিদ্ধেশ্বরী কালী। পর্তুগিজ অ্যান্টনি মায়ের পুজোর দায়িত্ব দিলেন শ্রীমন্ত পণ্ডিতকে। ১৮৮০ সালে শশীভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ৬০ টাকার বিনিময় এই দেবোত্তর সম্পত্তি হাতে পান। সেই থেকে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার এখনও এই ফিরিঙ্গি কালীবাড়ির সেবায়েত। 

    সিদ্ধেশ্বরী মাতৃমূর্তি

    ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি একটি চাঁদনি স্থাপত্যের মন্দির। এই মন্দিরের কালী মূর্তিটি মাটির তৈরি। বিগ্রহটির উচ্চতা প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট। বিগ্রহটি সবসনা। ত্রিনয়নী সুদর্শনা। মন্দির সংলগ্ন শিবের মন্দিরটি আটচালা। কালীমূর্তি ছাড়াও মন্দিরে আছে শীতলা, মনসা, দুর্গা, শিব ও নারায়ণের মূর্তি। সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মূর্তিটি দেখার মতো। চোখে পড়ে দেবীর রুপোর মুকুটটি। ত্রিনয়নে কোনও উগ্রতা নেই। নানা অলংকারে দেবী সজ্জিতা। হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন-সব ধর্মের মানুষ দেবীকে প্রণাম করেন, জানান তাঁদের অন্তরের কথা।

    মন্দিরে বিশেষ পুজো (Kali Puja 2024)

    মন্দিরে প্রতি অমাবস্যায় কালীপুজো ও প্রতি পূর্ণিমায় সত্যনারায়ণ পুজো হয়। প্রতিদিন মন্দির রাত ন’টায় বন্ধ হলেও দীপান্বিতা কালীপুজোর (Kali Puja 2024) দিন যতক্ষণ অমাবস্যা থাকবে মন্দির খোলা থাকবে। প্রতি বছর কালীপুজোর আগে মায়ের অঙ্গরাগ হয়। কালীপুজোর দিন মায়ের ভোগে থাকে গোবিন্দভোগ চালের খিচুড়ি, পাঁচ রকমের ভাজা, দু’রকমের তরকারি, পোলাও, চাটনি, পায়েস। এছাড়া থাকে দই, মিষ্টি। দেবীকে দেওয়া হয় নিরামিষ ভোগ। এখনও এখানে পুজো হয় সম্পূর্ণ বৈদিক মতে। একদা পশুবলি হলেও এখন আর তা হয় না। এখন মন্দিরের ছয় শরিক। সেই অনুযায়ী পালা পড়ে। এ বছর যাবতীয় আচার মেনেই কালীপুজো সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শনিবার রাতেই কলকাতায় শাহ, আজ সূচনা করবেন বিজেপি’র ‘সদস্যতা অভিযান’-এর

    Amit Shah: শনিবার রাতেই কলকাতায় শাহ, আজ সূচনা করবেন বিজেপি’র ‘সদস্যতা অভিযান’-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতেই কলকাতায় পা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। আজ রবিবার সকালে কল্যাণীতে বিএসএফের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এরপর দুপুরে সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন। বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘সারা দেশে বিজেপির সদস্যতা ১০ কোটিতে পৌঁছে গিয়েছে। বাংলাতে রবিবার সদস্যতার শুরু করতেই হাজির হয়েছেন অমিত শাহ। রাজনৈতিক কারণেই পশ্চিমবঙ্গে সদস্যতা অভিযান দেরিতে শুরু হচ্ছে।’’ জানা গিয়েছে, সমস্ত কর্মসূচি শেষ করে রাজারহাটের হোটেলে ফিরে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন শাহ। এরপর ফের কলকাতা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

    রবিবার সন্ধ্যাতেই দিল্লি পৌঁছবে শাহের (Amit Shah) বিমান

    রবিবার সন্ধ্যাতেই দিল্লি পৌঁছবে শাহের (Amit Shah) বিমান। প্রসঙ্গত, গত বুধবার ২৪ অক্টোবর, রাজ্য সফরে আসার কথা ছিল শাহের। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় দানার কারণে তাঁর সেই সফর স্থগিত হয়ে যায়। রাজ্য বিজেপি (WB Bjp) সেই সময় জানিয়েছিল, অমিত শাহের সফর বাতিল হয়নি। কিছু দিনের জন্য স্থগিত হয়েছে মাত্র।

    সাক্ষাৎ হতে পারে নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে

    অন্যদিকে, শাহের (Amit Shah) সঙ্গে এদিন নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সাক্ষাৎ হতে পারেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে কখন-কোথায় এই সাক্ষাৎ হবে , তা নিয়ে রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে কিছু জানা যায়নি। সম্প্রতি, অমিত শাহের সাক্ষাৎ চেয়ে তাঁকে ইমেইল করেছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। তার পর বিজেপির (WB Bjp) শীর্ষ নেতৃত্ব বিষয়টি নিয়ে এগোতে থাকে। বরাবরই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে, সিবিআইয়ের প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে নির্যাতিতার বাবা-মাকে। সেই আবহে আজ রবিবার যদি শাহের সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়, আলোচনায় কী কী ইস্যু উঠে আসবে সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।

    বৃষ্টির জল জমে মাঠে, বাতিল আরামবাগের অনুষ্ঠান

    আরামবাগে সমবায় কর্মসূচিতে কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার একটি অনুষ্ঠান ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Union Home Minister)। ঠিক হয়েছিল আরামবাগেই মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তিনি। এরপর আরামবাগ থেকে কলকাতায় আসার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। কিন্তু, বৃষ্টির কারণে আরামবাগের মাঠে জল জমে গিয়েছে। সেই মাঠে শাহের চপার নামতে পারবে না। তাই আরামবাগের কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কল্যাণী থেকে সরাসরি কলকাতায় আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। তারপর যোগ দেবেন সল্টলেকের ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টারে (ইজেডসিসি) দলীয় কর্মসূচিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: ‘দানা’র দাপটে নাগাড়ে বৃষ্টি, জলমগ্ন কলকাতার বহু এলাকা, কোথায় কত পরিমাণ?

    Cyclone Dana: ‘দানা’র দাপটে নাগাড়ে বৃষ্টি, জলমগ্ন কলকাতার বহু এলাকা, কোথায় কত পরিমাণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইক্লোন ‘দানা’-র (Cyclone Dana) ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া চলেছে রাতভর। তারই প্রভাবে শুক্রবার ভোর থেকেই শুরু হয়েছে প্রবল বৃষ্টি। সাগরদ্বীপ তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে রাত থেকেই। বেলা বাড়লেও শহর কলকাতার (Kolkata) আকাশে আলোর দেখা নেই। সকাল থেকে বৃষ্টি হয়ে চলেছে অঝোরে। মুষলধারে বৃষ্টি না হলেও একনাগাড়ে বর্ষণে শহরের একাধিক রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। তবে, সকাল থেকে রাস্তায় যান চলাচল বেশ কম। খুব বেশি মানুষও রাস্তায় বের হননি। ফলে, ভোগান্তি তুলনামূলক কম রয়েছে।

    কোথায় কোথায় জমেছে জল? (Cyclone Dana)

    সকাল থেকে টানা বৃষ্টির (Cyclone Dana) জেরে জল জমেছে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের বেশ কিছু জায়গায়। এছাড়া মহাত্মা গান্ধী রোড, পার্ক স্ট্রিট, থিয়েটার রোড, ক্যামাক স্ট্রিটে জল জমেছে। উত্তর বন্দর থানার কাছে স্ট্র্যান্ড রোডের একাংশ জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। জল জমেছে সায়েন্স সিটির কাছেও। বেলঘরিয়া রোড, বর্ধমান রোড এবং আলিপুরের কিছু কিছু রাস্তায় জল জমেছে। কলকাতা এবং সংলগ্ন জেলাগুলিতে শুক্রবার দিনভর ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস। শনিবার থেকে বৃষ্টি কমবে। আশঙ্কা ছিল, বৃহস্পতিবার রাত থেকে কলকাতা এবং শহরতলিতে ঝড়বৃষ্টি হবে। রাতে কোথাও তেমন বৃষ্টি হয়নি। ঝোড়ো হাওয়াও তেমন ছিল না। আশঙ্কা থাকলেও বাংলায় সে ভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি ঘূর্ণিঝড়। রাতে ওড়িশা উপকূলে ঝড়ের ‘ল্যান্ডফল’ হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় শুক্রবার সকালে। তার পর শক্তি হারিয়ে ‘দানা’ সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। বিকেলের মধ্যে আরও শক্তিক্ষয় হবে তার। পরিণত হবে গভীর নিম্নচাপে।

    আরও পড়ুন: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    বৃষ্টির পরিমাণ কত?

    ঝড়ের (Cyclone Dana) ‘ল্যান্ডফল’ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর বৃষ্টি বেড়ে গিয়েছে। কলকাতায় শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল ৪২.৭ মিলিমিটার। তবে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শহরে ৫৮.৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এই তিন ঘণ্টায় সল্টলেকে ২৯ মিলিমিটার এবং দমদমে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গড়িয়া- ৪২ মিলিমিটার, যোধপুর পার্ক- ৪১ মিলিমিটার, বালিগঞ্জ- ৪২ মিলিমিটার, তপসিয়া- ৪০ মিলিমিটার, চেতলা- ৩৮ মিলিমিটার, মোমিনপুর- ৩৬ মিলিমিটার, ঠনঠনিয়া- ২৪ মিলিমিটার, উল্টোডাঙা- ১৭ মিলিমিটার, তারাতলা- ৩২ মিলিমিটার, বেহালা- ২৬.৭০ মিলিমিটার, চিংড়িঘাটা- ২৪ মিলিমিটার, কালীঘাট- ৪১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ডায়মন্ড হারবারে ৭৪ মিলিমিটার, হলদিয়ায় ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

    একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি!

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে আগামী ৩০ অক্টোবর অর্থাৎ বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের (Cyclone Dana) জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে প্রবল বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণের বাকি জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gita Path: ফের লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন, এবার শিলিগুড়িতে

    Gita Path: ফের লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন, এবার শিলিগুড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের (Gita Path) আয়োজন। তবে এবার আর কলকাতা নয়। এবার লাখো কণ্ঠের গীতাপাঠের আয়োজন করা হয়েছে শিলিগুড়িতে। শিলিগুড়ির বিশ্ববাংলা শিল্পহাটের পাশে কাওয়াখালি ময়দানে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ কর্মসূচির আয়োজন করছে সনাতন সংস্কৃতি সংসদ (Sanatan Sanskriti Sansad)। এবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন উপরাষ্ট্রপতি তথা বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর সঙ্গে গীতাপাঠের এই আসরে যোগ দিতে পারেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও।

    লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আসর (Gita Path)

    গত বছরই ব্রিগেডে প্রথম বসেছিল লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আসর। সেবার উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই মতো প্রচারও করা হয়েছিল। একেবারে শেষ মুহূর্তে বিশেষ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। তবে নজরকাড়া ভিড় হয়েছিল ওই অনুষ্ঠানে। কলকাতার ওই আয়োজনে সাফল্যে উৎসাহী হয়ে এবার শিলিগুড়িতে একই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে সনাতন সংস্কৃতি সংসদ।

    আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতি, মুখ্যমন্ত্রীকেও

    এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজক সংঘের প্রধান তথা ভারত সেবাশ্রম সংঘের সন্ন্যাসী কার্তিক মহারাজ। তিনি বলেন, “ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব হিন্দুত্ববাদী সংস্থা ও সংগঠনের সঙ্গে কথা হয়ে গিয়েছে। সব মঠ, মিশনেরও যোগদান থাকবে এই কর্মসূচিতে। খুব তাড়াতাড়ি গীতাপাঠের অভ্যাসও শুরু হবে।” তিনি জানান (Gita Path), ধনখড় ও হিমন্ত শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে কথা দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: দ্রুত এগিয়ে আসছে ‘দানা’, কলকাতায় জারি কমলা সতর্কতা, চালু হেল্পলাইন

    গত বছর ২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেডে হয়েছিল গীতাপাঠের আয়োজন। সেবার বিভিন্ন মঠ-মিশনের সন্ন্যাসীদের সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির নেতানেত্রীরাও। আয়োজকদের দাবি ছিল, লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ এবং এতজনের এক সঙ্গে গীতাপাঠে বিশ্বরেকর্ড তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, গতবারের মতো এবারও মূল অনুষ্ঠানের আগে সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হবে ‘হে পার্থসারথি’ নজরুলগীতিটি। পাঠ হবে প্রথম, দ্বিতীয়, দ্বাদশ, পঞ্চদশ এবং অষ্টাদশ অধ্যায়। ২০২৫ সালের গোড়ার দিকে ফের কলকাতায় হবে (Sanatan Sanskriti Sansad) লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ। তার আগে হবে বর্ধমানেও (Gita Path)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: দ্রুত এগিয়ে আসছে ‘দানা’, কলকাতায় জারি কমলা সতর্কতা, চালু হেল্পলাইন

    Cyclone Dana: দ্রুত এগিয়ে আসছে ‘দানা’, কলকাতায় জারি কমলা সতর্কতা, চালু হেল্পলাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সকালে বঙ্গোপসাগরে জন্ম নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’। বৃহস্পতিবার ভোরেই তা উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone Dana) পরিণত হবে। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরী এবং সাগরদ্বীপের মাঝামাঝি ওড়িশার ভিতরকণিকা এবং ধামারা দিয়ে স্থলভাগে ঢুকবে ‘দানা’। সব মিলিয়ে দুই রাজ্যের প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি রয়েছে তুঙ্গে।

     কেমন প্রভাব পড়বে কলকাতায়? (Cyclone Dana)

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের গতিবেগ (Cyclone Dana) পৌঁছবে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটারে। আর এর প্রভাবেই আগামী দু’দিন বৃষ্টিতে ভিজবে কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগনাও। বুধবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে শহরে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কলকাতায় (Kolkata) জারি হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির (৭-২০ সেন্টিমিটার) কমলা সতর্কতা। শনিবারও শহরের কোনও কোনও অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে শহরে। সর্বোচ্চ বেগ পৌঁছতে পারে ৮০ কিলোমিটারেও। ঝড়ের প্রভাবে শহরের ব্যস্ত রাস্তায় ভেঙে পড়তে পারে গাছ। অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকায় জল জমার সম্ভাবনা রয়েছে। যার জেরে ব্যাহত হতে পারে যান চলাচল। বন্দর এলাকাতেও জারি হয়েছে সতর্কতা। ঝড়ের কারণে বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শহরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুন: বিজেপির দাবিকেই মান্যতা, রাজ্যের ছয় জেলায় আবাস প্রকল্পের বাড়ি তৈরির কাজ বন্ধ

    খোলা হল হেল্পলাইন

    বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা পুলিশের তরফে মাইকের মাধ্যমে প্রচার শুরু হয়েছে। দুর্যোগের (Cyclone Dana) সময় শহরবাসীকে অযথা বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। মোবাইল-সহ অন্যান্য বৈদ্যুতিন সামগ্রী চার্জ দিয়ে রাখা এবং দরকারি কাগজপত্র সুরক্ষিত রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৈরি রয়েছে কন্ট্রোল রুমও। বুধবার রাত সাড়ে ১২টা থেকেই চালু হয়ে যাচ্ছে চারটি হেল্পলাইন নম্বর। ৯৪৩২৬১০৪৫৫, ৯৪৩২৬১০৪৪৫, ৯৪৩২৬১০৪৩০ এবং ৬২৯২২৬৩৪৪০-এই চারটি নম্বরের মাধ্যমে সরাসরি লালবাজারের ‘ইউনিফায়েড কম্যান্ড সেন্টার’-এ যোগাযোগ করা যাবে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, এই মুহূর্তে ওড়িশার পারাদ্বীপ উপকূল থেকে প্রায় ৫২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ থেকে ৬০০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে ৬১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে ‘দানা’। বৃহস্পতিবার ভোরেই তা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। তারপরই স্থলভাগে আছড়ে পড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shreya Ghoshal: কনসার্টেই আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কেও শ্রদ্ধা শ্রেয়া ঘোষালের

    Shreya Ghoshal: কনসার্টেই আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কেও শ্রদ্ধা শ্রেয়া ঘোষালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার মঞ্চে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কণ্ঠ ছাড়লেন সঙ্গীতশিল্পী তথা বাংলার মেয়ে শ্রেয়া ঘোষাল। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম যখন প্রায় ভর্তি, সেই সময় শ্রেয়া গাইলেন, ‘এ যে শরীরের চিৎকার, জাগে ভাঙনের শব্দে … তুমি বন্ধু আজ শুনবে…।’ গান শেষ করে নিঃশব্দে মঞ্চ ছাড়লেন শ্রেয়া। তখন ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে মুখর নেতাজি ইন্ডোর। কারও চোখে জল বা গলায় প্রতিবাদের সুর। তবে শুধু প্রতিবাদ নয় এদিন ‘ঘুম ঘুম চাঁদ, ঝিকিমিকি তারা’ গেয়ে গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কেও ট্রিবিউট দেন শ্রেয়া।

    কেউ হাততালি দেবেন না

    আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতার কনসার্ট পিছিয়ে দিয়েছিলেন সঙ্গীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল। সেপ্টেম্বরের বদলে কনসার্ট হল ১৯ অক্টোবর। শ্রেয়া এলেন, তত দিনে প্রায় ৭০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে এই ঘটনার। রাজপথে অনশনে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। বিচারের দাবিতে অটল তাঁরা। এ সবের মাঝেই ফের তিলোত্তমায় দাঁড়িয়ে ‘তিলোত্তমার’হয়ে গান ধরলেন শ্রেয়া। এই গান গাওয়ার আগে কাউকে হাততালি দিতে বারণ করেন শ্রেয়া। জানান, সেটি আরজি করের প্রতিবাদের জন্য তৈরি গান। এই গান উচ্ছ্বাসের জন্য নয়, উদ্দিপনার জন্য নয়। গান শেষ করেই মঞ্চ থেকে নেমে যান। গান গাওয়ার আগে শ্রেয়া বলেন, ”এর পরের গানে কেউ হাততালি দেবেন না। শুধু শুনুন।” শ্রেয়ার মঞ্চ ছাড়ার সময় ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে মুখর নেতাজি ইন্ডোর। 

    শ্রেয়ার এই প্রতিবাদ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা

    হাততালি না পেলেও শ্রেয়ার এই গান প্রশংসিত হয়। ক্ষণিকের মধ্যেই শো-এর ভিডিও ভাইরাল হয় নেট দুনিয়ায়। শ্রেয়ার এই প্রতিবাদ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা লিখছেন, ‘এমন প্রতিবাদের নজির আগে কখনও দেখেনি শহর কলকাতা। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম তখন দর্শকে ছয়লাপ। এতবছর ধরে প্রতিটা কনসার্টেই সর্বশেষ গান হিসেবে ‘মেরে ঢোলনা’ গেয়ে এসেছেন তিনি। কিন্তু এবার তা হলো না। মেরে ঢোলনা গাওয়া শেষ করে শ্রেয়া বললেন, এর পরের গানে কেউ হাততালি দেবেন না। শুধু শুনুন।’ এক নেটিজেন লিখলেন, ‘তিলোত্তমার বুকে প্রতিবাদের স্বরকে তীব্রতর হতে দেখলাম আজ। বেঁচে থাক শ্রেয়া আর ওঁর সঙ্গীত সাধনা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দুর্গাপুজো শুরুর আগে শেষ রবিবার, রাজ্যের কোন কোন জেলা ভিজতে পারে?

    Weather Update: দুর্গাপুজো শুরুর আগে শেষ রবিবার, রাজ্যের কোন কোন জেলা ভিজতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টি আর জলাধার থেকে ছাড়া জলে রাজ্যের একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এর পর আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হতে শুরু করে। বহু জায়গায় জল নামতে শুরু করে। কিন্তু ফের নিম্নচাপের কারণে রাজ্য জুড়ে (West Bengal) বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বাঙালির সব চেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। সেই উৎসব (Durga Puja) শুরুর আগে শেষ রবিবার। অনেকেই শেষ মুহূর্তের কেনাকাটার পরিকল্পনা করেছেন। এই আবহে জেনে নিন এদিন আবহাওয়া কেমন থাকবে? রাস্তায় বেরিয়ে কি ভিজতে হবে? কী বলছে আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতর?

    কোন কোন জেলায় বৃষ্টি? (Weather Update)

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নিম্নচাপ (Weather Update) শক্তি হারালেও সক্রিয় রয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ভাগে শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। যা সংলগ্ন উত্তর বাংলাদেশের ওপরেও বিস্তৃত। এছাড়া আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর অন্ধপ্রদেশ উপকূল এলাকায়। এর জেরে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে কলকাতা-সহ সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলাতে। উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি, মালদা ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে।

    আরও পড়ুন: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    আবহাওয়া দফতরের আঞ্চলিক অধিকর্তা কী বললেন?

    আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের আঞ্চলিক অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত পুজোর আগে কিছুটা আশার কথা শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, রবিবার রাজ্য জড়ে বৃষ্টি হলেও সোমবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে। সোমবার থেকে শুক্রবার ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। মূলত আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কোনও কোনও জেলায় দু-এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে, পুজোর সময় আম বাঙালি উৎসবে মাততে পারবেন বলেই আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Electricity: প্রদীপের আলো, গ্যাসবাতি থেকে বিদ্যুৎ! কলকাতায় প্রথম আলো জ্বলে ওঠার ইতিহাস জানেন কি?

    Electricity: প্রদীপের আলো, গ্যাসবাতি থেকে বিদ্যুৎ! কলকাতায় প্রথম আলো জ্বলে ওঠার ইতিহাস জানেন কি?

    হরিহর ঘোষাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার বুকে তখনও আলো (Electricity) আসেনি। লোডশেডিং-এর গল্প তখনও অজানা। তখন সন্ধ্যা নামতেই সর্বত্র অন্ধকার ঘুলঘুলি। রাস্তাগুলিতে আলোর লেশমাত্র থাকত না বিকেলের পর থেকে। ঊনিশ শতক শুরুর আগে শহরের রাস্তায় কোনও পথ-বাতি ছিল না। সন্ধ্যা নামলেই দরজা বন্ধ হত গৃহস্থের। কলকাতায় তখনও আলো ছিল না, আলো থাকলেও সন্ধ্যাবেলা শুধুমাত্র গৃহস্থের বাড়িতে রেড়ির বীজের তেলে প্রদীপ জ্বলত। পরে, শহরে এল গ্যাসবাতি। তারপর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, লন্ডনের পর কলকাতা শহরে জ্বলল আলো।

    মশাল ভরসা (Electricity)

    কলকাতার (Kolkata) রাস্তা জুড়ে তখন অন্ধকারের মালা। সন্ধ্যার অন্ধকার নামলেই সব যেন নিস্তব্ধ, নীরব। তা বলে কি রাতে কারোর বাইরে বেরোনোর দরকার পড়ত না? তখন উপায় কী হত! পাটকাঠির ওপর মশাল জ্বেলে নিতেন বাড়ির পুরুষ সদস্যরা। সাধারণত কেউ অসুস্থ হলে বা কেউ বিপদে পড়লে প্রয়োজন পড়ত এই মশালের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনেকজন একসঙ্গে বের হতেন, নইলে মশাল হয়ে উঠত সন্দেহের কারণ।

    গ্যাসবাতির আলো জ্বলত কলকাতায়

    কলকাতার আগে যে শহরের রাস্তায় আলো জ্বলে (Electricity) উঠেছিল, সেটা হল লন্ডন। ১৮০৭ সালে লন্ডনের রাস্তায় প্রথম গ্যাসবাতির আলো জ্বলে। ১৮২২ সালের ২২শে মার্চ একটি বাংলা দৈনিকে প্রথম লন্ডনের রাস্তায় আলো জ্বলার খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে লেখা হয়-“ইংলণ্ড দেশে নল দ্বারা একপ্রকার কল তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বায়ু নির্গত হয়ে রাত্রিকে আলোকিত করে।” দৈনিক পত্রিকাটির খবর কলকাতা শহরে আলোড়ন সৃষ্টি করে। তবে, আলোড়নের ফলাফল পেতে সময় লেগেছিল প্রায় পঞ্চাশ বছর। ১৮৫৭ সালের জুলাই মাসে কলকাতার রাস্তায় আলো আসে। সে আলো ছিল গ্যাসবাতির আলো। শোনা যায়, কলকাতা পুরসভার মুটে সন্ধ্যা হতে না হতেই মই নিয়ে ল্যাম্পপোস্টে উঠত, তারপর ভালো করে কাপড় দিয়ে মুছে গ্যাস ভরত, তারপর দেশলাই দিয়ে আলো জ্বালাত। রাস্তার ঝলমলে দিনের গল্প শুরু তখন থেকেই। আলো জ্বালাতে ব্যবহার করা হত কয়লার গ্যাস। সেই গ্যাস আসত ওরিয়েন্টাল গ্যাস কোম্পানি থেকে। পরে, পাইপলাইনের মাধ্যমে উচ্চবিত্তের বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছিল গ্যাসবাতি। আর এই যাত্রা শুরু হয়েছিল মূলত শোভাবাজার রাজবাড়ি থেকে।

    গ্যাসবাতিকে হারিয়ে শহরে এল বিদ্যুৎ

    গ্যাসবাতির একচেটিয়া রাজত্বে হানা দেয় বৈদ্যুতিক বাতি। প্রথম বিদ্যুতের আলো (Electricity) এল ১৮৭৯ সালের ২৪ জুলাই। পি ডব্লু ফ্লিউরি অ্যান্ড কোম্পানি এ শহরে প্রথম বিদ্যুতের আলো জ্বালে। বছর দুয়েক পরে ১৮৮১ সালের ৩০ জুন গার্ডেনরিচের কটন মিলে ৩৬টি বাল্ব জ্বালায় ‘দে শীল অ্যান্ড কোম্পানি’। এ সবই চলছিল পরীক্ষামূলকভাবে। বড় পরিবর্তনটা এল আর কয়েক বছর পরে। ততদিনে টমাস আলভা এডিসনের সৌজন্যে ইংল্যান্ড ও আমেরিকার ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বলতে শুরু করেছে। তখন ১৮৮৯ সাল। বৈদ্যুতিক বাতির রমরমা শুরু হয় তারপর থেকে। ১৮৯৯ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে কলকাতা শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। কলকাতায় প্রথম যে রাস্তা বৈদ্যুতিক আলোর সংস্পর্শে এসেছিল, তা হল হ্যারিসন রোড বর্তমানে যা মহাত্মা গান্ধী রোড। প্রায় তিন বছর ধরে এই রাস্তায় আলো বসানোর কাজ চলেছিল। ১৮৯৫ সালে ক্যালকাটা ইলেকট্রিক লাইটিং অ্যাক্ট পাশ করেছিল তদানীন্তন ব্রিটিশ সরকার। তারপর বৈদ্যুতিক আলোকে আজ পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৮৯৭ সালের ৭ জানুয়ারি একুশ বছরের জন্য শহরকে আলোকিত করার লাইসেন্স পেয়েছিল ইন্ডিয়ান ইলেকট্রিক কোম্পানি লিমিটেডের এজেন্ট কিল্বার্ণ অ্যান্ড কোম্পানি। কোম্পানির কাজকর্ম অবশ্য চলত লন্ডন থেকেই। মধ্য কলকাতার প্রিন্সেপ স্ট্রিটের কাছে ইমামবাগ লেনে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি করা হয়।

    লন্ডনের মতো এই শহরে ছিল বিদ্যুতের দাম

    তখন কলকাতায় বিদ্যুতের (Electricity) দাম ছিল লন্ডনের মতোই। প্রতি ইউনিট এক টাকা। বিদ্যুত এসে কলকাতাকে অনেকটা বদলে দেয়। হাত পাখার জায়গা নেয় ইলেকট্রিক ফ্যান। ঘোড়ায় ট্রানা ট্রামের বদলে শুরু হয় বিদ্যুৎচালিত ট্রাম। কিন্তু, তখনও অনেকে বিদ্যুতের বদলে গ্যাসবাতির পক্ষে রায় দেন। ১৯১৩ সালে কলকাতা শহরে বসে ঘরোয়া ভোটাভুটির আসর। গুরুসদয় রোডের নাম তখন ছিল বালিগঞ্জ স্টোর রোড। সেখানে, গ্যাসবাতি নাকি বিজলিবাতি, এ নিয়ে হয় ভোটাভুটি। তাতে বিজলিবাতি হেরে যায়। উজ্জ্বলতা এবং খরচের দিক থেকে গ্যাসবাতি অনেকের পছন্দ। কিন্তু, তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। কারণ,  ততদিনে সকলে এটাও বুঝে যান, কলকাতা শহরে নতুন যুগ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিদ্যুতের যুগ। রবীন্দ্রনাথের কথায় “কেরোসিনের আলো পরে যখন এল তার তেজ দেখে আমরা অবাক।” ১৯৩৩ সালে সিইএসসি-র সদর দফতর কলকাতায় চলে আসে। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস। পরবর্তীকালে, কলকাতা শহরতলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। গ্রামে গ্রামে পৌঁচ্ছে যায় বিদ্যুৎ। কলকাতা শহরে গ্যাস বাতি আসার পর খুব বেশিদিন রাজত্ব করতে পারেনি। তবে, কলকাতা শহরে বিদ্যুৎ আসার পর শতাধিক বছর ধরে এই শহরের রাজপথ আলোকিত করার দায়িত্ব নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share