Tag: krishnagar

krishnagar

  • Kirit Somaiya: মহারাষ্ট্রে ৫১১টি বাংলাদেশি-রোহিঙ্গার জাল জন্ম প্রমাণপত্রের খোঁজ দিলেন কীর্তি সোমাইয়া  

    Kirit Somaiya: মহারাষ্ট্রে ৫১১টি বাংলাদেশি-রোহিঙ্গার জাল জন্ম প্রমাণপত্রের খোঁজ দিলেন কীর্তি সোমাইয়া  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করলেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ কীর্তি সোমাইয়া (Kirit Somaiya)। অমরাবতীতে জন্মের প্রমাণপত্র দেওয়ার কেলেঙ্কারি উন্মোচন করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ শত শত অবৈধ বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাদের (Bangladeshi Rohingya) বেআইনি ভাবে জন্ম সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে অনুপ্রবেশকারীরা নিজেদের নাগরিকত্ব বা পাসপোর্ট তৈরি করেছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। দেশজুড়ে এসআইআর আবহে এই ঘটনা ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    নিখোঁজ ৫০০ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা (Kirit Somaiya)

    বিজেপি নেতা সোমাইয়া (Kirit Somaiya) বলেছেন, অমরাবতী মিউনিসিপাল কর্পোরেশন (এএমসি) কর্তৃক ১৭০০ টিরও বেশি জন্ম সনদ অবৈধভাবে জারি করেছে। যার মধ্যে ৫১১টি বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের (Bangladeshi Rohingya) দেওয়া হয়েছে। আর এর ফলেই তারা ভারতীয় নাগরিকত্ব, পাসপোর্ট এবং সরকারের নানা জনকল্যাণ মুখী প্রকল্পের সুবিধা পেতে সক্ষম হয়েছে।” এই তথ্য জানাজানি হতেই মহারাষ্ট্র পুলিশ ৫০৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। বর্তমানে ৫০০ জনেরও বেশি সুবিধাভোগী নিখোঁজ। একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কথা ভেবে ইতিমধ্যে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ধারায় মামলা

    সোমাইয়া (Kirit Somaiya) ২৫ জুলাই, ২০২৫ তারিখে অমরাবতী পুর কমিশনারকে চিঠি লিখে এই দুর্নীতির কথা জানান। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যে জারি করা সকল জন্ম সনদের আরেকবার তদন্ত করে দেখা উচিত। এরপর অমরাবতী জেলাশাসক ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে একটি আদেশ জারি করেন, যাতে এই ধরণের সমস্ত সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়। পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারা প্রয়োগ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে ধারা ৩৩৬(৩), ৩৪০(২), এবং ৩১৮(৪) ধারা। গোটা মামলায় তদন্তের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নরেশ এম গিরঘুসেকে নিযুক্ত করা হয়েছে।

    আগেও মেলে ভুয়ো জন্ম প্রমাণপত্র

    তবে জানা গিয়েছে অমরাবতীর ঘটনাটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সোমাইয়া (Kirit Somaiya) ছত্রপতি সম্ভাজি নগর বা ঔরঙ্গাবাদে একই ধরণের ঘটনার কথা আগেও একবার প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন। সেখানে ২০২৪ সালে ২০,০০০ এরও বেশি সার্টিফিকেটে তারিখ পিছিয়ে দিয়ে জন্মসনদের আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনা ছিল মহারাষ্ট্রের মধ্যে সর্বোচ্চ। তদন্তে দেখা গেছে যে এই আবেদনগুলির মধ্যে ১০,০০০টি সম্পূর্ণ ভাবে ভূয়ো। সোমাইয়া মহারাষ্ট্র জুড়ে তার তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এটি কেবল দুর্নীতি নয়, এটি জাতির বিরুদ্ধে একটি অনুপ্রবেশ অপরাধ। যারা অবৈধভাবে বিদেশীদের (Bangladeshi Rohingya) নাগরিকত্ব পরিচয়পত্র দিয়েছে তাদের রেহাই দেওয়া হবে না। আমরা সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

  • Suvendu Adhiakri: “অমলেন্দুর মুখের ভাষাই প্রমাণ করে হিন্দুদের কি চোখে দেখেন মমতা!” তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhiakri: “অমলেন্দুর মুখের ভাষাই প্রমাণ করে হিন্দুদের কি চোখে দেখেন মমতা!” তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নামটাই যথেষ্ট! কারণ কালীপুজোয় কাকদ্বীপে যারা কালীমায়ের মূর্তি ভেঙেছে তাদের গ্রেফতার না করে মাথা ভাঙা মূর্তিটিকেই প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। এদিকে শনিবার জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভাসানের দিন আগত ভক্তদের কৃষ্ণনগর (Krishnagar) কোতোয়ালি থানার আইসিকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে শোনা গেল। আইসি অমলেন্দু বিশ্বাস আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের হুমকি দিয়ে বলেন, “মাটিতে ফেলে কেলাবো, দেখে নেব এক একটাকে।” এটাই কি পুলিশের আসল চরিত্র? পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhiakri) ও সুকান্ত মজুমদার।লাখ লাখ মানুষের জনসমাগম (Suvendu Adhiakri)

    শনিবার কৃষ্ণনগরের (Krishnagar) ঐতিহ্যবাহী জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জন চলছিল। একাধিক ক্লাব ও বারোয়ারীর ঠাকুর রাজবাড়ি থেকে কদমতলা গঙ্গারঘাটে নিয়ে গিয়ে প্রতিমা নিরঞ্জন চলছিল। ঠাকুরের ভাসানকে ঘিরে রাজপথে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছিল। জেলা এবং আশপাশের জেলা থেকে প্রচুর ভক্ত, দর্শনার্থী এবং পর্যটকরা এসেছিলেন। কিন্তু এদিন এই প্রতিমা ভাসানোকে ঘিরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সমস্ত হিন্দু দর্শনার্থী এবং ভক্তদের উদ্দেশ্যে আচমকা লাঠিচার্জ করতে শুরু করে নদিয়া পুলিশ। এই সময়ই কোতোয়ালি থানার আইসিকে গালিগালাজ করতে শোনা যায়, হুমকিও দেন। ব্যাপক মারধরও করা হয়। পরে শুরু হয়ে যায় নির্বিচারে লাঠিচার্জ। পুলিশে লাঠির ঘায়ে গুরুতর জখম হন বেশ কিছু মহিলা এবং তরুণী।

    অসহযোগী পুলিশ!

    এই অভব্য এবং অসৌজন্যমূলক আচরণকে ঘিরে মমতা সরকারের পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সুকান্ত মজুমাদার। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “কৃষ্ণনগরের (Krishnagar) ঐতিহ্যবাহী জগদ্ধাত্রী পুজোয় নবমীর রাত থেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে লাখ লাখ ভক্তের সমাগম হয়েছে। উৎসব মুখর হিন্দু জনতাকে পুজোর আনন্দ দিতে সবরকম পরিস্থিতিতে পুলিশের সহযোগী মনোভাবের পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু পুলিশ পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করে মানুষের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করেছে।”

    হিন্দুদের কি চোখে দেখে মমতা?

    মমতার পুলিশ প্রশাসনকে তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhiakri)। তিনি বলেন, “কৃষ্ণনগরে (Krishnagar) জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জনের মূহুর্তে হিন্দুদের ওপর অন্যায় নির্যাতন চালানোর সময় কোতোয়ালি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসের মুখের ভাষা থেকেই বোঝা যায় যে হিন্দুদের কি চোখে দেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ প্রশাসন! কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার সুপার অমরনাথ কে বিসর্জনের জন্যে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নাগরিক সুরক্ষার আশ্বাস দিলেও পুলিশ ব্যর্থ। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে জনগণকে লাঠি পেটা করেছে মমতার পুলিশ। অমরনাথ কে এবং অমলেন্দু বিশ্বাস দু’জনেরই অদক্ষতা প্রমাণিত ও এদের রেকর্ড হল প্রাতিষ্ঠানিক তোলাবাজি। জনগণের স্বার্থের চেয়ে নিজদের স্বার্থ তাঁদের কাছে অনেক বেশি অগ্রাধিকার পায়। এই ভাষায় মানুষকে অপমান করার অধিকার এঁদের কে দিয়েছে?”

LinkedIn
Share