Tag: Kulgam

Kulgam

  • Kashmiri Pandit: ‘চাকরি ছাড়ো, নয় মরো’! ৭ হাজার কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মীকে হুমকি-চিঠি জঙ্গিদের, ভূস্বর্গে বাড়ছে উদ্বেগ

    Kashmiri Pandit: ‘চাকরি ছাড়ো, নয় মরো’! ৭ হাজার কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মীকে হুমকি-চিঠি জঙ্গিদের, ভূস্বর্গে বাড়ছে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ের দশকের আতঙ্ক যেন আবারও ফিরে আসছে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandit) জীবনে! সেই সময় হুমকি-বার্তা আসত দেওয়ালে টাঙানো তালিকা কিংবা ছাপা কাগজের মাধ্যমে (Jammu Kashmir)। এখন সেসবই আসছে আরও আধুনিক পদ্ধতিতে। কাশ্মীর উপত্যকায় কর্মরত প্রায় ৭ হাজার কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মীকে লক্ষ্য করে নতুন করে হুমকি জারি হয়েছে। অভিযোগ, তাঁদের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর, বাড়ির ঠিকানা এবং গাড়ির নথিভুক্তির তথ্য পর্যন্ত ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবেই তৈরি করা হচ্ছে আতঙ্কের পরিবেশ।

    কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বক্তব্য (Kashmiri Pandit)

    মুম্বইয়ে বসবাসকারী এক কাশ্মীরি পণ্ডিত, যাঁর পরিবারের সদস্যরা এখনও শ্রীনগরে রয়েছেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলেন, “নব্বইয়ের দশকেও এটাই ছিল তাদের কাজের ধরন। শুধু তখন ইন্টারনেট ছিল না। তালিকা টাইপ করে দেওয়ালে সাঁটিয়ে দেওয়া হত।”

    কাশ্মীরি পণ্ডিতদের অভিযোগ, লস্কর-ই-তইবার সঙ্গে যুক্ত ইউনাইটেড লিবারেশন কাউন্সিল (ইউএলসি) এর নামে জারি করা একাধিক হুমকিপত্রের জেরে উপত্যকায় কর্মরত প্রধানমন্ত্রী প্যাকেজের কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। গত এক মাসেরও বেশি সময়ে অন্তত পাঁচটি হুমকির ঘটনা সামনে এসেছে। সর্বশেষ হুমকিতে সরকারি চাকরিতে থাকা কাশ্মীরি পণ্ডিতদের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। তা না হলে প্রাণঘাতী পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

    এই পরিস্থিতিতে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বিভিন্ন সংগঠন এবং উপত্যকায় পরিবারের সদস্যদের রেখে মুম্বই ও দিল্লিতে বসবাসকারী সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। কাশ্মীরি পণ্ডিত অ্যাসোসিয়েশন এবং অল ইন্ডিয়া কাশ্মীরি সমাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা এই বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তবে উপত্যকায় এখনও পরিবারের সদস্য রয়েছেন এমন একাধিক কাশ্মীরি পণ্ডিত জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের হুমকির ঘটনা বেড়েছে।

    দিল্লিতে বসবাসকারী এক কাশ্মীরি পণ্ডিত আইনজীবী, যাঁর পরিবারের সদস্যরা জম্মুতে থাকেন, বলেন, “আমার পরিবার সরকারি কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত নয়। আমরা ব্যবসায়ী পরিবার। এবার হুমকির লক্ষ্য সরকারি কর্মীরা। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে কাশ্মীরে কাশ্মীরি পণ্ডিতরা নিরাপদ। উপত্যকায় এই ধরনের হুমকি এখন যথেষ্ট সাধারণ হয়ে উঠেছে।”

    বিপুল তথ্য ফাঁসের অভিযোগ

    ৭ সেপ্টেম্বর সমাজের পক্ষের এক কণ্ঠস্বর সাবা কৌল সোশ্যল মিডিয়ায় এই ঘটনাকে “বিরাট এবং উদ্বেগজনক নিরাপত্তা সংকট” বলে উল্লেখ করেন। তাঁর অভিযোগ, ইউএলসি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী প্যাকেজের আওতায় কর্মরত কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হুমকি দিয়েছে। একই সঙ্গে কর্মীদের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর, বাড়ির ঠিকানা এবং গাড়ির নথিভুক্তির তথ্য অনলাইনে ফাঁস করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

    কৌল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপালের দফতরের কাছে ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন (Jammu Kashmir)।

    শ্রীনগরভিত্তিক এক প্রবীণ সাংবাদিকও জানিয়েছেন, হুমকিপত্রগুলি প্রথমে গোপন ইন্টারনেটভিত্তিক মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে সেগুলি হোয়াটসঅ্যাপ এবং টেলিগ্রামের মতো বার্তাবাহক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে উপত্যকায় থাকা কর্মীদের পাশাপাশি জম্মু এবং দেশের অন্যত্র বসবাসকারী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

    এক মাসে পঞ্চম হুমকি

    ১ সেপ্টেম্বর ইউএলসির নামে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উদ্দেশে একটি হুমকিপত্র প্রকাশ্যে আসে। এক মাসের মধ্যে এটি ছিল পঞ্চম হুমকি বলে দাবি করা হয়েছে। ওই চিঠিতে বলা হয়, নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি বৈঠকের পরে প্রশাসন অভিবাসী কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মীদের হালকা অস্ত্র দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।

    এর আগে ৭ অগাস্টের একটি হুমকিপত্রেও কাশ্মীরি পণ্ডিত সরকারি কর্মীদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকার দাবি করা হয়েছিল। তাঁদের পরিবার, অবস্থান এবং কর্মস্থলের বিবরণ সংগঠনের হাতে রয়েছে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি কর্মীরা জম্মুতে চলে গেলেও তাঁদের নিশানা করা হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছিল।

    কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মী ও সমাজকর্মী রাকেশ হান্ডুর দাবি, প্রায় ৬ হাজার প্রধানমন্ত্রী প্যাকেজের কর্মী গত প্রায় ১৫ বছর ধরে কাশ্মীর উপত্যকায় কাজ করছেন। তাঁদের অনেকেই ভাড়া বাড়িতে থাকেন। তাঁর বক্তব্য, শ্রীনগরের জেওয়ান, অনন্তনাগের মাট্টান এবং ভীরিনাগে মোট ৬ হাজার ৪২টি আবাসন নির্মাণ করা হলেও গত তিন বছরে মাত্র প্রায় ৮০০টি আবাসন বরাদ্দ করা হয়েছে।

    হান্ডু অবিলম্বে বিভিন্ন অস্থায়ী আবাসন ও ভাড়াবাড়ির নিরাপত্তা পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি হুমকির উৎস খুঁজে বের করতে তদন্ত এবং “ফিরে আসা ও পুনর্বাসনের অধিকার” নিশ্চিত করার জন্য একটি নীতির দাবিও তুলেছেন। তাঁর মতে, সেই নীতিতে চাকরির নিরাপত্তার পাশাপাশি জমির অধিকারও নিশ্চিত করতে হবে (Kashmiri Pandit)।

    আবাসন নিয়েও প্রশ্ন

    ৭ সেপ্টেম্বর আরও একটি বার্তায় হান্ডু কুলগামের চৌগাম সড়কের নওয়া এলাকায় সংখ্যালঘু প্রধানমন্ত্রী প্যাকেজ কর্মীদের জন্য তৈরি অস্থায়ী আবাসনের ছবি প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, কিছু আবাসন বিচ্ছিন্ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। কোথাও সঠিক রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থা নেই, কোথাও নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণ, আবার কোথাও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা ঘেরাও নেই।

    কাশ্মীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি রয়েছে বলে প্রশাসনের দাবির সঙ্গে এই বাস্তবতার তুলনা করে হান্ডু প্রশ্ন তোলেন, “এই স্বাভাবিকতা কার জন্য?” তাঁর যুক্তি, যে কর্মী হুমকিপত্র পেয়েছেন, তাঁর কাছে স্বাভাবিকতার অর্থ শুধু চাকরিতে থাকা নয়। তাঁর প্রয়োজন নিরাপদ ছাদ, সুরক্ষিত আবাসন এবং সম্পূর্ণ পরিকাঠামো।

    ৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখার কাছে দেওয়া অভিযোগে হান্ডু ৫ সেপ্টেম্বরের হুমকিপত্রের ভিত্তিতে মামলা দায়েরের দাবি জানান। তাঁর দাবি, চিঠিতে স্থানীয় বাসিন্দা নন এমন কর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং লিঙ্গ বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে তাঁদের নিশানা করার কথা বলা হয়েছে। চিঠিতে “তাদের মরদেহের ব্যাগ তাদের নিজ নিজ বাড়িতে পাঠানো হবে”—এমন ভয়াবহ ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে (Jammu Kashmir) বলেও জানান তিনি।

    পুনর্বাসন নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিরাপত্তা

    কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপত্যকায় ফিরিয়ে আনার জন্য পরবর্তীকালে সরকারি চাকরির মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০০৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাবর্তন ও পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা করে। সেই প্রকল্পে কেন্দ্রীয় অর্থায়নে ৩ হাজার সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ২০১৫ সালের নভেম্বরে আরও ৩ হাজার সরকারি চাকরি অনুমোদন করা হয়। ফলে দুই প্রকল্প মিলিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থায়নে মোট পদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬ হাজার।

    তবে বর্তমানে প্রায় ৭ হাজার কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ সামনে এসেছে। এই ধরনের হুমকিপত্র প্রকাশ্যে এলে শুধু উপত্যকায় কর্মরত ব্যক্তিরাই নন, জম্মু-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের মধ্যেও আতঙ্ক তৈরি হয়।

    অগাস্টের একটি হুমকিতে ছ’জন সরকারি কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ্যে না আনা হলেও, বাস্তবে তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। বাস্তুচ্যুত কাশ্মীরি পণ্ডিতদের প্রতিনিধিত্বকারী পানুন কাশ্মীর ওই ব্যক্তিদের এবং তাঁদের পরিবারের জন্য অবিলম্বে নিরাপত্তা মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনের আহ্বায়ক অগ্নিশেখর বলেন, হুমকির পাশাপাশি ব্যক্তিগত যোগাযোগের তথ্য প্রকাশ করা অত্যন্ত “গুরুতর উদ্বেগের” বিষয় (Kashmiri Pandit)।

    হুমকি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্কও তীব্র হয়েছে। ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা প্রশ্ন তুলেছেন, কেন কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মীদেরই বারবার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, অথচ জম্মু-কাশ্মীরে কর্মরত প্রবীণ হিন্দু আধিকারিকরা একই ধরনের হুমকির মুখে পড়ছেন না। তাঁর অভিযোগ, এই হুমকি উপরাজ্যপাল-নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভয় তৈরি করে রাজ্যের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার একটি “ষড়যন্ত্রের” অংশ হতে পারে।

    বিজেপি অবশ্য এই বক্তব্য সরাসরি খারিজ করেছে। দলের জাতীয় গণমাধ্যমের সহ-দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা প্রদীপ ভাণ্ডারি ফারুক আবদুল্লার বিরুদ্ধে জঙ্গিদের প্রতি “নরম মনোভাব” নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য কাশ্মীরি হিন্দুদের দীর্ঘদিনের যন্ত্রণা ও নিরাপত্তা-সংকটকে খাটো করে দেখায়।

    অন্যদিকে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা তাঁর বাবার থেকে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন। অগাস্টে প্রথম হুমকি সামনে আসার পর তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে এবং নতুন হুমকিকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। যারা এর পিছনে রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। দ্বিতীয় হুমকির পরও ওমর জানান, হুমকির উৎস কোথায়, তা নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে খুঁজে বের করতে হবে।

    ফিরছে নয়ের দশকের স্মৃতি?

    আটের দশকের শেষ এবং নয়ের দশকের গোড়ায় সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের বিস্তারের সময় লক্ষ্য করে হত্যা, হুমকি এবং স্থানীয় মসজিদ থেকে সতর্কবার্তার পর বহু কাশ্মীরি পণ্ডিত উপত্যকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন। তাঁরা বাড়িঘর ও সম্পত্তি ফেলে জম্মু এবং ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে আশ্রয় নেন (Kashmiri Pandit)।

    সরকারি চাকরির মাধ্যমে তাঁদের উপত্যকায় ফিরিয়ে আনার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী প্যাকেজ তারই অন্যতম অংশ। কিন্তু ২০২২ সালে চাদুরার তহসিল দফতরের ভিতরে কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মী রাহুল ভাটের হত্যাকাণ্ড এখনও সেই নিরাপত্তা ঝুঁকির ভয়াবহ স্মারক হয়ে রয়েছে।

    তাই বর্তমান হুমকিগুলিকে শুধুমাত্র বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রশাসনের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের প্রত্যাবর্তন ও পুনর্বাসনের সাফল্য কি শুধু কতগুলি চাকরি দেওয়া হয়েছে বা কতগুলি বাড়ি তৈরি হয়েছে, সেই হিসাবেই নির্ধারিত হবে? নাকি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে তাঁরা উপত্যকায় নিরাপদে বসবাস ও কাজ করতে পারছেন কি না?

    কাশ্মীরি পণ্ডিতদের জন্য প্রত্যাবর্তন তখনই অর্থবহ হবে (Jammu Kashmir), যখন চাকরি ও আবাসনের পাশাপাশি তাঁদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আস্থাও ফিরবে। সাম্প্রতিক হুমকি সেই আস্থার জায়গাটিকেই নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে বই কি! (Kashmiri Pandit)।

     

  • Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরের কুলগাঁওয়ে গুলির লড়াইয়ে এক জঙ্গির মৃত্যু, কানপুরে শিয়া-সুন্নি বিরোধ

    Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরের কুলগাঁওয়ে গুলির লড়াইয়ে এক জঙ্গির মৃত্যু, কানপুরে শিয়া-সুন্নি বিরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। সকাল সকাল গুলির লড়াই শুরু হল জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) কুলগাঁওয়ে। জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিরাপত্তাবাহিনীর তিন জওয়ান জখম হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। ওই এলাকায় আরও কেউ লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে কানপুরের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা পাতকাপুরে আবারও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত এক যুবকের সামাজিক মাধ্যমে করা একটি পোস্ট সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ পোস্টটিকে “অত্যন্ত আপত্তিকর” বলে বর্ণনা করেছে।

    সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই

    গোপন সূত্রে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে সোমবার ভোরে দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাঁও (Jammu and Kashmir) কুলগাঁওয়ে। জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিরাপত্তাবাহিনীর তিন জওয়ান জখম হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। ওই এলাকায় আরও কেউ লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়ে জেলার গুদারের জঙ্গলে অভিযান শুরু করে নিরাপত্তাবাহিনী। তখনই আচমকা সেনা জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি ছোড়েন জওয়ানেরাও। তাতেই এক জঙ্গির মৃত্যু হয়। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, সংঘর্ষে গুরুতর জখম হয়েছেন তিন জওয়ান। তাঁদের মধ্যে এক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অভিযান এখনও চলছে। চিনার কর্পস টুইটারে এক পোস্টে জানিয়েছে, সুর্নিদিষ্ট ইনপুটের ভিত্তিতে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযানে নামে। প্রচণ্ড গুলিবর্ষণ শুরু হয়। তাতেই এক জঙ্গির মৃত্যু হয়।

    শিয়া-সুন্নি বিরোধে উত্তপ্ত কানপুর

    কানপুরের (Shia-Sunni clash in Kanpur) অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা পাতকাপুরে ফের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঘটনাটি শিয়া-সুন্নি সাম্প্রদায়িক বিরোধ থেকেই সূত্রপাত। অভিযুক্ত সোজাফের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সুন্নি সম্প্রদায়কে অবমাননা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এক তদন্তকারী আধিকারিক জানান, “আমরা পোস্টটির বিষয়বস্তু যাচাই করছি। সামাজিক মাধ্যম অনেক সময়ই সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের উৎস হয়ে ওঠে, এবং আমরা নিশ্চিত করছি যেন এর অপব্যবহার আর না ছড়ায়।” পুলিশ সোজাফকে হেফাজতে নিয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হচ্ছে। পাশাপাশি, পাথর ছোঁড়া ও উসকানিমূলক স্লোগানের অভিযোগে জনতার মধ্য থেকে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। “শান্তি বিঘ্নিত করতে চাইলে যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

  • Pahalgam Attack: পহেলগাঁও হামলার জের, জম্মু-কাশ্মীরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল আরও দুই জঙ্গির বাড়ি

    Pahalgam Attack: পহেলগাঁও হামলার জের, জম্মু-কাশ্মীরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল আরও দুই জঙ্গির বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও হামলার (Pahalgam Attack) পর কাশ্মীর জুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা ও পুলিশ। শনিবার সকালে জম্মু-কাশ্মীরে আরও দুই জঙ্গির বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর মিলেছে। যদিও ওই জঙ্গিদের এখনও ধরা যায়নি। পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে তাদের যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে, কুলগামের কাইমো এলাকার ঠোকরপোরা থেকে দু’জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। জঙ্গিদের কাজে তারা সহযোগিতা করেছিল বলে অভিযোগ।

    কুলগামে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল জঙ্গির বাড়ি (Jammu And Kashmir)

    জঙ্গিদের দুই সহযোগী কুলগামে লুকিয়ে আছে বলে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযানে নামে বাহিনী। শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় ওই দু’জনকে। এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পহেলগাঁও (Pahalgam Attack) হামলায় অভিযুক্তদের সম্বন্ধে তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কুলগামে শনিবার সকালে যার বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তার নাম জাকির আহমেদ গনি। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে সে যুক্ত ছিল। পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তার সঙ্গে সরাসরি যোগ না-থাকলেও নেপথ্যে থেকে কাজ করেছিল এই জাকির। হামলার পরিকল্পনায় তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হামলার পর থেকেই সে গা-ঢাকা দিয়েছে।

    পুলওয়ামায় ভাঙা হল আহসান আল হক শেখের বাড়ি

    পুলওয়ামায় (Pahalgam Attack) আহসান আল হক শেখ নামের আরও এক সন্দেহভাজন জঙ্গির বাড়ি ভাঙা হয়েছে শনিবার সকালে। জানা গিয়েছে, পুলওয়ামার মুরান গ্রামে সে থাকত। বুলডোজার দিয়ে শুক্রবার রাতে তার বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অন্যদিকে গতকাল শুক্রবার পহেলগাঁওয়ে হামলাকারী দুই জঙ্গি আদিল হুসেন ঠোকর এবং আসিফ শেখের বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। গভীর রাতে আদিলের বাড়িটি আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়। আর শুক্রবার আসিফের বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয় বুলডোজার দিয়ে।

    নিয়ন্ত্রণরেখায় হামলা পাকিস্তানের, রাতে সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে পর পর গুলি, পাল্টা জবাব দিল ভারতও

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার রাতেও নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোলাগুলি চালাল পাকিস্তান (Pahalgam Attack)। বিনা প্ররোচনায় সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গুলি চালায় পাক সেনা। ভারতীয় সেনাঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে বলে খবর। তবে এর পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারত। শনিবার সকালেই এনিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেখানে বলা হয়েছে, ‘‘২৫ এবং ২৬ তারিখের মধ্যবর্তী রাতে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তানি ঘাঁটিগুলি থেকে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানো হয়েছে। একই ভাবে ছোট আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়ে পাল্টা জবাব দিয়েছেন ভারতীয় সেনা জওয়ানেরাও। কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।’’

  • Jammu And Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে গুলির লড়াই, খতম ৪ জঙ্গি, শহিদ ২ জওয়ান

    Jammu And Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে গুলির লড়াই, খতম ৪ জঙ্গি, শহিদ ২ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) অব্যাহত সেনা জওয়ানদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই। গুলির লড়াইয়ে খতম করা গিয়েছে ৪ জঙ্গিকে (Terrorists Shot Dead)। অন্যদিকে শহিদ হয়েছেন দুই জওয়ান। আরও চার জঙ্গির সন্ধানে জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান। কুলগামে জঙ্গিদের উপস্থিতি নিয়ে আগেই খবর ছিল সেনার কাছে। সেই মতোই শনিবার একদম সকাল থেকে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে সেই তল্লাশি চলাকালীন শুরু হয় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই।

    কুলগাম জেলার মদেরগাম গ্রামে লুকিয়েছিল জঙ্গিরা (Jammu And Kashmir)

    সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, কুলগাম জেলার মদেরগাম নামের গ্রামে যৌথ তল্লাশি অভিযান করে সিআরপিএফ জওয়ান এবং স্থানীয় পুলিশ। গ্রামে ঢুকতেই সেনাবাহিনীর ওপর একের পর এক গুলি বর্ষণ করতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালান জওয়ানরাও। তবে সেই গুলির লড়াইয়ে এক জওয়ান গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    ড্রোনের ফুটেজে দেখা যায় জঙ্গিদের দেহ

    অপরদিকে, কুলগ্রামেরই ফ্রিসাল এলাকা থেকে একটি ড্রোনের ফুটেজ হাতে আসে জওয়ানদের। সেই ফুটেজ থেকেই দেখা যায় চার জঙ্গির দেহ পড়ে রয়েছে মাটিতে। আরও একজন জওয়ান শহিদ হয়েছেন। তবে এত গুলিবর্ষণের মধ্যে ওই জঙ্গিদের দেহ (Terrorists Shot Dead) উদ্ধার করা যায়নি বলেই জানানো হয়েছে। সেনা বাহিনীর অনুমান (Jammu And Kashmir) এলাকায় আরও কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী লুকিয়ে রয়েছে। তাদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলছে। প্রসঙ্গত, এর আগে জুন মাসে একাধিকবার হামলা হয়েছিল কাশ্মীরে। প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণের দিনও হামলা হয়েছিল, সেই ঘটনায় পুণ্যার্থীদের বাসের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। তার কয়েকদিনের (Jammu And Kashmir) মাথাতেই জোড়া হামলা হয়। কাঠুয়া এবং দোদা জেলায় ওই হামলা হয়েছিল। ওই ঘটনায় জখম হয়েছিলেন সাধারণ নাগরিকও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kulgam Encounter: এনকাউন্টারে খতম লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার, মাথার দাম কত ছিল জানেন?  

    Kulgam Encounter: এনকাউন্টারে খতম লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার, মাথার দাম কত ছিল জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খতম লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে এনকাউন্টারে যে দু’জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে, তাদেরই একজন ছিল ওই জঙ্গি সংগঠনের সপিলন্টার গ্রুপ, ‘দ্য রেসিট্যান্স ফ্রন্টে’র কমান্ডার (Kulgam Encounter)। একাধিক নিরাপত্তারক্ষী ও নিরীহ নাগরিক খুনে অভিযুক্ত সে। জম্মু-কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় নিরাপত্তা রক্ষীরা যে অভিযান চালাচ্ছে, তাতে এটি একটি বড়সড় সাফল্য বলেই দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।

    ‘এ’ ক্যাটেগরির পদে ছিল বসিত (Kulgam Encounter)

    নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের জেরে এদিন যে দুই জঙ্গি খতম হয়েছে, তাদের একজন বসিত দার। জানা গিয়েছে, বসিত ‘দ্য রেসিট্যান্স ফ্রন্টে’র ‘এ’ ক্যাটেগরির পদে ছিল। এদিন তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে কাশ্মীর পুলিশ আইজি ভিকে বিরধির তরফে (Kulgam Encounter)। গোয়েন্দা সূত্রে নিরাপত্তারক্ষীরা জানতে পারেন, রেডওয়ানি গ্রামে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে কয়েকজন জঙ্গি। দ্রুত এলাকাটি ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। সোমবার রাতে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।

    জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    নিরাপত্তারক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে নিরাপত্তা বাহিনী। তার আগে অবশ্য লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়। তাতে কর্ণপাত না করেই গুলি চালিয়ে যেতে থাকে সন্ত্রাসবাদীরা। বিরধি বলেন, “ওদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। ওরা তা না করে জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে।” তিনি বলেন, “এই অভিযানে দুই জঙ্গি খতম হয়েছে। তাদের দেহ উদ্ধার হয়েছে। ওই এলাকায় আর কোনও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কিনা, তা জানতে চলছে তল্লাশি অভিযান।”

    আরও পড়ুুন: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    নিহত দারের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিরধি বলেন, “পুলিশকর্মী খুনেও অভিযুক্ত ছিল সে। সাধারণ মানুষকেও খুন করেছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলার পরিকল্পনা করত সে। হামলাও চালাত।” সূত্রের খবর, ২০২২ সালেই এনআইএ দারের মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ১০ লাখ টাকা (Kulgam Encounter)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kashmir: উপত্যকায় হিন্দু শিক্ষিকা রজনী বালার হত্যায় জড়িত জঙ্গি নিহত

    Kashmir: উপত্যকায় হিন্দু শিক্ষিকা রজনী বালার হত্যায় জড়িত জঙ্গি নিহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুলগামে (Kulgam) স্কুলে ঢুকে হিন্দু শিক্ষিকা রজনী বালা (Rajani Bala) হত্যার ঘটনায় জড়িত জঙ্গিদের খতম করল পুলিশ। টানা তিনদিন কুলগামে অভিযান চালিয়ে ওই দুই জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে বলে জানান জম্মু-কাশ্মীর (Jammu & Kashmir) পুলিশের আইজি বিজয় কুমার। তিনি জানান, এখনও দুই হিজবুল মুজাহিদিন (Hizbul) জঙ্গির খোঁজে অনন্তনাগে (Anantnag) অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

    মঙ্গলবারই শোপিয়ানে (Shopian) অভিযান চালিয়ে রাজস্থানের বাসিন্দা বিজয় কুমার (Vijay Kumar) নামে কুলগামের ব্যাংক ম্যানেজার খুনে অভিযুক্ত-সহ দুই লস্কর-ই-তৈবা (Laskar-e-Taiba) জঙ্গিকে খতম করেছিল পুলিশ ও সেনার যৌথবাহিনী। এদিনের অভিযানেও সাফল্য পায় বাহিনী। জঙ্গিদের কাছ থেকে এদিন ১৫ কেজি আইইডি (IED) উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের অনুমান, জঙ্গিরা উপত্যকায় বড়সড় বিস্ফোরণের ছক কষছিল। বিস্ফোরক উদ্ধারে সেই ছক বানচাল করা গিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    কুলগামে গোপন ডেরায় জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে, এই খবর পেয়েই মিশিপুরা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ, সেনা ও আধা সেনার জওয়ানরা। অন্যদিকে, অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ এলাকায়ও পুলিশ ও জঙ্গিদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই হিজবুল জঙ্গিকে ঘিরে ফেলে পুলিশ।  নিহত দুই হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গিদের মধ্যে এক জঙ্গির নাম জুনায়েদ বাসিত ভাট। ২০১৮ সাল থেকে উপত্যকায় জঙ্গি কার্যকলাপে সক্রিয় ছিল জুনায়েদ। ২০২১ সালে উপত্যকায় খুন হন বিজেপির (BJP) গ্রাম প্রধান  জিএইচ রসুল দার ও তাঁর স্ত্রী। এই খুনের নেপথ্যে ছিল জুনায়েদ। অনন্তনাগের আর এক গ্রাম প্রধানকেও গুলি করে হত্যা করে এই জঙ্গি। তৃতীয় জঙ্গির খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

    আরও পড়ুন: জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারায় সেনা এনকাউন্টারে খতম দুই লস্কর জঙ্গি

    প্রসঙ্গত, গত ৩১ মে জম্মুর ৩৬ বছর বয়সী মহিলা রজনী বালাকে কুলগাম জেলার গোয়ালপোরা এলাকায় সরকারি হাইস্কুলে ঢুকে  হত্যা করে জঙ্গিরা। তারপর থেকেই উপত্যকার বিভিন্ন প্রান্ত ছেড়ে জম্মুতে ফিরে আসতে চান সরকারি কর্মীরা। সেই দাবি মেনে নিয়ে নিহত শিক্ষিকা রজনী বালার স্বামীকে কুলগামের স্কুল থেকে জম্মুতে বদলি করল সরকার। রজনীর স্বামী রাজকুমার লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহাকে (Lt Governor Manoj Sinha) একথা জানান। এই বদলিকে স্বাগত জানিয়েছেন কাশ্মীরে বসবাসকারী হিন্দু পণ্ডিত ও দলিত সরকারি কর্মীরা। একইসঙ্গে তাঁরা নিরাপত্তার খাতিরে সকলেরই বদলির জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন রাখেন।

LinkedIn
Share