Tag: LAC

LAC

  • Pangong Tso: ফের ভারত-চিন সংঘাত? প্যাংগং হ্রদের ওপর অধিকৃত অঞ্চলে দ্বিতীয় চিনা সেতু ঘিরে বিতর্ক

    Pangong Tso: ফের ভারত-চিন সংঘাত? প্যাংগং হ্রদের ওপর অধিকৃত অঞ্চলে দ্বিতীয় চিনা সেতু ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখে (Ladakh) ফের ভারত-চিন (India China conflict) সংঘাতের ইঙ্গিত! প্যাংগং (Pangong Tso) হ্রদের ওপর দ্বিতীয় সেতু তৈরি করছে চিন। যে জায়গায় নতুন সেতুর হদিশ মিলেছে সেই জায়গাটা কয়েক দশক ধরে চিনের (China) অধিকৃত বলে দাবি করেছে বিদেশমন্ত্রক (Ministry Of External Affairs)। মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেছেন, সেতুটি ভারতের (India) দাবি করা অঞ্চলের মধ্যে পড়লেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Actual Control) থেকে ২০ কিমি পূর্ব দিকে অবস্থিত।

    সাংবাদিক সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানান, দ্বিতীয় সেতুটি তৈরির ব্যাপারে নজর রাখছে ভারত। চিনের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ওই সেতুটি দিয়ে ভারী সামরিক যান আনার কাজ হবে। প্যাংগং হ্রদের চিনা অংশে ওই সেতু দিয়ে যুদ্ধট্য়াঙ্ক, ভারী কামানের মতো জিনিস আনা-নেওয়া করা যাবে। এর ফলে ভারত-চিন সীমান্তের একেবারে দোরগোড়ায় ভারী সমরাস্ত্রে সজ্জিত বাহিনী পৌঁছে দিতে পারবে চিন।

    আরও পড়ুন: জোর কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে ড্রাগনের দেশ, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ৬ ডিভিশন সেনা স্থানান্তর ভারতের

    বাগচি বলেন, “আমরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের থেক ওই নির্মীয়মাণ সেতু সম্পর্কে খবর পেয়েছি। সেটা নতুন কোনও নির্মাণ কি না এখনও নিশ্চিত নয়। কেউ কেউ বলছেন, এটা নতুন সেতু বা আগের সেতুটিরই সম্প্রসারিত অংশ।” তিনি আরও বলেছেন, “কয়েক দশক ধরে ওই এলাকাটি চিনের অধিকৃত অঞ্চল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই বিষয়ে ভাল বলতে পারবে। তবে আমরা এই বিষয়টি নজরে রেখেছি।” 

    যদিও এ বিষয়ে এক শীর্ষ সেনা আধিকারিকের দাবি, প্যাংগং হ্রদের উপর এটি দ্বিতীয় সেতু। আর আগেরটি এবছরই তৈরি করেছে চিন। এবার আরও একটা তৈরি করছে। কয়েক মাস ধরে এর কাজ চলছে। এক সিনিয়র প্রতিরক্ষা আধিকারিক বলেছেন, প্রথমে মনে হয়েছিল চিন কোনও অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করছে যাতে আগের ব্রিজের কাজে লাগে। কিন্তু এখন ব্যাপারটা তা নয়। এটা স্থায়ী সেতু। বরং প্রথমটি তৈরি করা হয়েছিল এটি তৈরির সময়ে সহায়তার জন্য। প্যাংগং হ্রদের যে অঞ্চলে সেতু তৈরি হচ্ছে ১৯৬০ সাল থেকে তা চিনের দখলে। 

    আরও পড়ুন: ‘সমাধান নয়, সীমান্ত ইস্যুকে জিইয়ে রাখতে চায় চিন’, বললেন সেনাপ্রধান মনোজ পাণ্ডে

  • Indian Army Chief on China: ‘সমাধান নয়, সীমান্ত ইস্যুকে জিইয়ে রাখতে চায় চিন’, বললেন সেনাপ্রধান মনোজ পাণ্ডে

    Indian Army Chief on China: ‘সমাধান নয়, সীমান্ত ইস্যুকে জিইয়ে রাখতে চায় চিন’, বললেন সেনাপ্রধান মনোজ পাণ্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  লাদাখ সীমান্তে সংঘাত মেটাতে চিনের কতটা ইচ্ছা রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দেশের সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে। তিনি জানান, ভারত চাইছে সীমান্তে শান্তি ও স্বস্তি ফিরে আসুক । তিনি বলেন,”তবে এটা কোনও মতেই এক তরফা হতে পারে না।” এই বিষয়ে তিনি কার্যত বেজিংয়ের দিকেই আঙুল তুলেছেন।

    চিন ইস্যুতে মনোজ পাণ্ডে বলেন,”মূল সমস্যা হচ্ছে সীমান্ত ইস্যুর সমাধান। কিন্তু চিনের উদ্দেশ্য হল সীমান্ত সমস্যাকে বাঁচিয়ে রাখা। যাতে সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় থাকে, তার চেষ্টা করে ভারত। কিন্তু অন্যদিক থেকে সাহায্য পাওয়া যায় না।” ২০২০ সালের মে মাস থেকে লাদাখের পূর্ব প্রান্তে চিনের আগ্রাসন ভারতের মাথা ব্যথার মূল কারণ। এই ঘটনার তিন বছর কেটে গেছে কিন্তু লাদাখে সীমান্ত রেখা নিয়ে বিবাদের সমাধান সূত্র এখনও মেলেনি। 

    গত এপ্রিলে সেনার দায়িত্ব নেন মনোজ। সেনাপ্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করার আগে সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান পদে ছিলেন মনোজ পাণ্ডে। ছিলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ (জিওসি-ইন-সি) পদে। এই কমান্ডই সিকিম ও অরুণাচলে ভারত-চিন সীমান্তের রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত। তাই চিনের সীমান্ত সম্পর্কে তাঁর ধারণা স্বচ্ছ। ২ বছর আগে এই মে মাসেই লাদাখে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অংশে পা রেখেছিল চিনা ফৌজ। যার মোক্ষম জবাব দিয়ে ভারত স্পষ্ট করেছিল নিজের অবস্থান। গোগরা, ডেপসাং, ডেমচকে সংঘাতের রেশ দেখা গিয়েছিল। লাদাখ সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে এরপর থেকে দুই পক্ষের সেনার মধ্যে শান্তি আলোচনা চলেছে। এখনও তা অব্যাহত। 

    এদিন পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খোলেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে। তিনি বলেন, ‘স্টেটাস কো পাল্টাতে দেওয়া হবে না’। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন যে, দেশের অংশের একচুলও জমি ভারতীয় সেনা ছাড়তে রাজি নয়। সেই বিষয়টিও চিন সীমান্তে নিশ্চিত করা হচ্ছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি চালানো হয় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায়। পর্যাপ্ত সেনাও রয়েছে সীমান্তে। কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তার মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। এদিন মনোজ বলেন,”কয়েকটি এলাকা নিয়ে চিনের সঙ্গে মতপার্থক্য এখনও রয়ে গিয়েছে। তবে সেই জায়গার সমাধান সূত্র বের করতে আমরা চিনের সঙ্গে কথা চালিয়ে যাব। আলোচনা চলছে। আর এর মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হয়।” 

LinkedIn
Share