Tag: leader

leader

  • Conflict: পঞ্চায়েত ভোটের আগেই দক্ষিণ দিনাজপুরে তৃণমূলে কোন্দল, কেন জানেন?

    Conflict: পঞ্চায়েত ভোটের আগেই দক্ষিণ দিনাজপুরে তৃণমূলে কোন্দল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পাখির চোখ পঞ্চায়েত ভোট। আর তার প্রস্তুতির জন্য জেলা থেকে ব্লক পর্যন্ত ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। জেলার পাশাপাশি প্রতিটি ব্লকে গঠন করা হয়েছে প়ঞ্চায়েত নির্বাচনের কোর কমিটি। আর এই কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে শাসক দলের কোন্দল (Conflict)  একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেতাদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নতুন কমিটি গঠন নিয়ে অনেকে আবার সোশ্যাল মিডিয়াতে সরব হয়েছেন।  জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মফিজউদ্দিন মিঁয়া বলেন, নতুন কমিটি দলকে শক্তিশালী করবে না। বরং, এতে দলের ক্ষতি হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে বুক চিতিয়ে দল করছেন, তাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা করা ঠিক কাজ হয়নি। আলোচনা না করেই এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর নতুন কমিটিতে এমন নাম রয়েছে, যাদের নাম অনেকেই আগে শোনেননি। ফলে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে সকলে মিলে জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করবে। এটা হওয়া উচিত। কিন্তু, নতুন কমিটি দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব (Conflict) তৈরি করছে। অবিলম্বে এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে দলের সংগঠনকে আরও দুর্বল করে দবে।

    নতুন কমিটি গঠন নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি? Conflict

    দক্ষিণ দিনাজপুর পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে ১১ মার্চ জেলা পর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে সার্বিক আলোচনা করা হয়। পরে, জেলার ৮টি ব্লকেই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য কমিটিতে অনেক নতুন মুখ আনা হয়েছে। তৃণমূলের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সভাপতি মৃনাল সরকার বলেন, জেলা কমিটির বৈঠকে সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। দল যাকে যোগ্য মনে করেছে, তাকে সেখানে দায়িত্ব দিয়েছে। ফলে, নতুন কমিটির মাধ্যমেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে কাজ শুরু করা হবে। এতে কোনও কোন্দল (Conflict) হওয়ার কিছু নেই। এই বিষয় নিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, এটা তৃণমূলের সাংগঠনিক বিষয়। এটা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Candidate: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের  প্রার্থী বাছাই নিয়ে এমনকাণ্ড! কোথায় দেখে নিন

    Candidate: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রার্থী বাছাই নিয়ে এমনকাণ্ড! কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বেশ কিছুদিন আগে দলীয় সভায় বলেছিলেন, পঞ্চায়েত ভোট শান্তিপূর্ণ হওয়া কঠিন। কারণ, সামনের পাঁচ বছর কার হাতে এলাকার ক্ষমতার রাশ থাকবে নিয়ে লড়াই চলবে। মন্ত্রীর এই কথা যে কতটা সত্যি তা মালদহের হরিশচন্দ্রপুর-১ ব্লকের হরিশচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের থানাপাড়া বুথ কমিটির তৃণমূল কর্মীরা অক্ষরে অক্ষরে টের পাচ্ছেন। কারণ, এখনও পঞ্চায়েতের দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। শাসক দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী (Candidate) ঠিক করা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, কিছুতেই যেন থামতে চাইছে না শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দল।পঞ্চায়েত ভোটের প্রার্থী (Candidate)  বাছাই নিয়ে প্রকাশ্যে সংঘাত।বুথ কমিটির বৈঠকে তুলকালাম। দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ থেকে ধাক্কাধাক্কি। উপস্থিত দলীয় নেতৃত্বের সামনেই চলতে থাকে বিক্ষোভ। সমগ্র ঘটনায় ফের অস্বস্তিতে তৃণমূল।

    বৈঠকে কী নিয়ে গন্ডগোল? Candidate

     হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের থানা পাড়া বুথে তৃণমূলের বুথ কমিটির বৈঠক ছিল।উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা, জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বিকাশ ব্যানার্জি সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।সেখানেই পঞ্চায়েত ভোটের সম্ভাব্য প্রার্থী (Candidate)  তালিকা নিয়ে আলোচনা হয়।প্রার্থী হিসেবে উঠে আসে দুইজনের নাম।একজন বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্যা বাসন্তী দাস এবং অপরজন ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি সাগর দাস। কিন্তু, এই দুটি নাম উঠে আসতেই বিবাদ শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে। এক পক্ষ দাবি করে, প্রার্থী (Candidate)  হিসেবে বাসন্তী দাস ছাড়া অন্য নাম যাবে না। এই নিয়ে তাঁরা নেতৃত্বকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে নেতৃত্বের সামনে ধাক্কাধাক্কি, হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষই। উপস্থিত নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

    আর এই ঘটনা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য কিষান কেডিয়া বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হলে তৃণমূল একটা জায়গাতেও জিততে পারবে না। হরিশ্চন্দ্রপুর সদর বিজেপির ঘাঁটি। প্রার্থী নিয়ে ওদের মধ্যে মারামারি হচ্ছে। যদিও এই বিষয় নিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা বলেন,কোনও মারামারি বা ধাক্কাধাক্কি হয়নি।  একটা বুথেই আমাদের হাজারের বেশি কর্মী এসেছে বৈঠকে।দল বড় হয়েছে তাই প্রার্থী( Candidate)  হিসেবে একাধিক জনের নাম উঠে আসতেই পারে। এখানে বিরোধীরা প্রার্থী (Candidate)  দিতে পারবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share