Tag: leaps and bounds

leaps and bounds

  • Abhishek Banerjee:  অভিষেকের আয়ের উৎস কী? মুখবন্ধ খামে আদালতে জানাল ইডি

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের আয়ের উৎস কী? মুখবন্ধ খামে আদালতে জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই অভিষেকের (Abhishek Banerjee) আয়ের উৎস কী? একথা জানতে চেয়ে ইডিকে প্রশ্ন করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় সংস্থা সেই জবাব জমা দিল মুখবন্ধ খামে। প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’কে ব্যবহার করা হতো, কালো টাকা সাদা করতে, এই অভিযোগ আগেই উঠেছে। এবার এই সংস্থা সংক্রান্ত রিপোর্টও ইডি জমা করল আদালতে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে ওই রিপোর্ট জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তবে রিপোর্ট এখনও পর্যন্ত দেখেননি বিচারপতি। সূত্রের খবর, তিনি জানিয়েছেন রিপোর্ট দেখার পরেই এ বিষয়ে তিনি মন্তব্য করবেন।

    মঙ্গলবারের শুনানি 

    মঙ্গলবারই বিচারপতি অমৃতা সিনহা ইডিকে প্রশ্ন করেন ২০১৪ সালের পর থেকে সম্পত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে অভিষেকের এবং তাঁর আয়ের উৎস ঠিক কি? সেদিন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ানও রেকর্ড করা হয়। ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার প্রায় সাড়ে ৫ হাজার পাতার নথি আগেই জমা করেছেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)।  ইডির আইনজীবী মঙ্গলবার আদালতে বলেন, ‘‘যে নথি এসেছে, তা থেকে নিশ্চিত করে বলতে পারি, কোনও কিছুই গোপন না করে তদন্তের আরও অগ্রগতি হবে।’’ ইডির আইনজীবীর কাছে একথা শোনার পরে বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রশ্ন করেন, ‘‘যে পরিমাণ নথি জমা পড়েছে, তা ইঙ্গিত দিচ্ছে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির। ওই নথি অনুযায়ী যে সম্পত্তি কেনা বা লেনদেন হয়েছে, তা কি খুঁজে দেখেছেন আপনারা? আদালত যা জানতে চাইছে, তা কি খুঁজে দেখেছেন? আয়ের উৎস খুঁজে দেখেছেন? আইন আপনাদের ক্ষমতা দিয়েছে। এটাই তো আপনাদের তদন্তের মুখ্য বিষয় হওয়া উচিত।’’

    মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২০ ডিসেম্বর

    প্রসঙ্গত, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য আগেই আদালতে বিশদে জানাতে বলেছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। যার মধ্যে ছিল সংস্থার ৬ জন ডিরেক্টরের নাম, সংস্থার আর্থিক লেনদেন, এই সংস্থা কারা ক্লায়েন্ট, তাঁদের নাম, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, পাশাপাশি সিইও হিসেবে অভিষেকের সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণ, সংস্থার যাঁরা কাজ করেন তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, কে কবে থেকে কাজে যোগ দিয়েছেন তার বিবরণ, সংস্থা কেন ঠিকানা পরিবর্তন করল ইত্যাদি বিষয়ে। জানা গিয়েছে, মামলার পরবর্তী শুনানি ২০ ডিসেম্বর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Leaps and Bounds: একই ব্যাঙ্কে আলাদা নামে দুই অ্যাকাউন্ট রুজিরার! ফাঁসতে পারেন অভিষেকের স্ত্রী?

    Leaps and Bounds: একই ব্যাঙ্কে আলাদা নামে দুই অ্যাকাউন্ট রুজিরার! ফাঁসতে পারেন অভিষেকের স্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেঁসে যেতে বসেছেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুচিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়! অন্তত এমনই জল্পনা জোরালো হয়েছে ইদানিং। এর কারণ দিন কয়েক আগে নিউ আলিপুরে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের (Leaps and Bounds) অফিসে হানা দিয়েছিলেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেখানে তাঁরা বাজেয়াপ্ত করেছেন রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট।

    লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে তল্লাশি

    ওই অফিস থেকে তিনটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কও বাজেয়াপ্ত করেছেন গোয়েন্দারা। আরও কিছু নথিও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এর মধ্যেই রয়েছে রুজিরার দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট। এর মধ্যে রয়েছে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের মধ্য কলকাতা শাখার দুটি অ্যাকাউন্ট। এই শাখায় যে অ্যাকাউন্টটি রয়েছে অভিষেকের স্ত্রীর, সেখানে তাঁর নাম রয়েছে রুজিরা নারুলা। এই ব্যাঙ্কেই রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় নামেও একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এই অ্যাকাউন্টের ১৪২ পাতার স্টেটমেন্ট বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, ২১ অগাস্ট তদন্তকারীরা হানা দেন লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে (Leaps and Bounds)। সেখানে টানা ১৮ ঘণ্টা তল্লাশি চালান তাঁরা। 

    বাজেয়াপ্ত বহু নথি 

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস তৈরি হওয়ার আগে ওই সংস্থার নাম ছিল অনিমেষ ট্রেড লিঙ্ক। সেই সংস্থা হাতবদল হয়। নতুন নাম হয় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস। এ সংক্রান্ত নথিও বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। তল্লাশি চালানোর সময় আলিপুর এবং বিষ্ণুপুরে নথিভুক্ত হওয়া বেশ কিছু জমির দলিলও বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। সংস্থার একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি এবং স্টেটমেন্টও বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা।

    এদিকে, ইডির তৎপরতার (Leaps and Bounds) বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে দায়ের করা সেই মামলায় অভিষেকের আইনজীবীর প্রশ্ন, তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে ইডির দায়ের করা ইসিআইআর খারিজের আবেদনের রায়দান যখন স্থগিত, তখন কি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি এই তৎপরতা দেখাতে পারে?

    আরও পড়ুুন: এই কি শিক্ষার পরিবেশ? কলেজ চত্বরে বসেই গাঁজায় সুখটান তৃণমূল ছাত্রনেতার!

    সোমবারই নিয়োগ দুর্নীতির একটি মামলায় অভিষেককে জেরা না করায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার ভর্ৎসনার মুখে পড়ে ইডি। আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, বিচারপতি সিনহার এহেন মন্তব্যের পর অভিষেকের কাছে ইডির সমন পৌঁছনো স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। সেই কারণে এবার বিচারপতি ঘোষের বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়ে সমন এড়াতে চাইছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: পরামর্শ দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা তুলেছে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’, বিস্ফোরক ইডি

    ED: পরামর্শ দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা তুলেছে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’, বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর আলিপুরের দফতরে হানা দেয় ইডি (ED)। জানা গিয়েছে, সেখানে নথির পাশাপাশি কম্পিউটারের হার্ডডিক্সও বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (ED)। এখান থেকেই নাকি একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দাদের হাতে(ED)। প্রসঙ্গত,এই সংস্থারই চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন তিনি।

    কালোটাকা সাদা করাই কী ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর কাজ ছিল?

    কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (ED) সূত্রে খবর যে পরামর্শ দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা তুলেছে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ কিন্তু তাদেরকে কী পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। আদৌ যে সংস্থাগুলিকে দেখানো হয়েছে, পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে, তাদের অস্তিত্ব আছে নাকি সেটাও তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। ইতিমধ্যে সংস্থার কর্ণধারদের নামের লিস্ট বানিয়েছে ইডি (ED) এবং তাদের প্রত্যেককে ডেকে জেরা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা (ED) সংস্থা মনে করছে আসলে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ কোম্পানির কাজই ছিল নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকাকে সাদা করা। সেই কালো টাকার সাদা করারই একটা প্রক্রিয়া হলো পরামর্শ দেওয়ার নাম করে অন্য সংস্থার কাছ থেকে টাকা তোলা। 

    ইডির প্রেস বিবৃতিতে অভিষেকের নাম, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী (ED) সংস্থার প্রেস বিবৃতিতেও উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। এ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তাঁর এক্স অ্যাকাউন্ট পূর্বতন ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘‘কারও স্মৃতি আমি একটু তাজা করে দিতে চাই যিনি প্রায় বলে থাকেন এজেন্সি তাঁর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ দেখাতে পারলে ফাঁসির মঞ্চে ঝুলে পড়বেন। ফাঁসির মঞ্চের দরকার নেই, তদন্তকারী অফিসে গিয়ে সহযোগিতা করলেই হবে।’’

     

    আরও পড়ুুন: শাসকের কৌশল ব্যর্থ! ২৬ অগাস্ট খেজুরিতে শুভেন্দুর সভা হবে, নির্দেশ হাইকোর্টের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ অভিষেকের আর্জি, কী আবেদন ছিল তৃণমূল নেতার?

    Abhishek Banerjee: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ অভিষেকের আর্জি, কী আবেদন ছিল তৃণমূল নেতার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)! দেশের শীর্ষ আদালতে খারিজ হয়ে গেল তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের আবেদন। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন অভিষেক। তাঁর আর্জি ছিল, কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের শুনানি পর্বের রিপোর্ট প্রকাশের ওপর জারি করা হোক নিষেধাজ্ঞা। অভিষেকের এই আবেদনই শুক্রবার খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।

    কী বলেছিলেন বিচারপতি সিনহা?

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার? তদন্তে নাম জড়ায় অভিষেকের সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র। এই সংস্থার সম্পত্তির খতিয়ান আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। সম্প্রতি একটি মুখবন্ধ খামে পাঁচ হাজার পৃষ্ঠার রিপোর্ট আদালতে জমা দেয় ইডি। এর পরেই বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন, “সম্পত্তির পরিমাণ কম হলে কি এত নথি জমা পড়ত? এসব সম্পত্তির জন্য আয়ের উৎস কী তা কি খতিয়ে দেখা হয়েছে?” বিচারপতি সিনহা এও বলেছিলেন, “দেখা যাচ্ছে সিংহভাগ সম্পত্তিই হয়েছে ২০১৪ সালের পর। ঘটনাচক্রে সেই সময়ই হয়েছিল নিয়োগ কেলেঙ্কারি। এই ব্যপারটা কি তদন্ত করে দেখা হয়েছে?”

    অভিষেকের আবেদন

    বিচারপতি সিনহার সেই পর্যবেক্ষণ প্রকাশিত হয় সংবাদ মাধ্যমে। এর পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তৃণমূল নেতার আইনজীবী শীর্ষ আদালতে বলেন, “এই ধরনের পর্যবেক্ষণ সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় সম্মানহানি হচ্ছে তাঁর মক্কেলের (Abhishek Banerjee)।” কলকাতা হাইকোর্টের যে বেঞ্চে বর্তমানে মামলাটি রয়েছে, সেখানে থেকে মামলাটি সরানোর আর্জিও জানানো হয়। অভিষেকের সেই আর্জিও খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার মন্তব্য, “যদি প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে নিজের আপত্তি জানাতে পারবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    আরও পড়ুুন: রেশন দুর্নীতির তদন্ত নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে পরামর্শ-চিঠি ইডির

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’কে নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ইডি। বৃহস্পতিবার রিপোর্টটি জমা দেওয়া হয় বিচারপতি সিনহার বেঞ্চে। এই ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র বিস্তারিত নথি আদালতে জানানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। এই সংস্থার ডিরেক্টরদের নাম, তাঁদের সম্পত্তির পরিমাণ এবং সংস্থার লেনদেন, গ্রাহক কারা, সিইওর সম্পত্তির বিস্তারিত তথ্য, সংস্থার কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য জমা দেওয়ার (Abhishek Banerjee) নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Leaps and Bounds: ‘‘অভিষেকের মা লতার সম্পত্তির হিসাব চাই’’! ইডিকে নির্দেশ বিচারপতি সিনহার

    Leaps and Bounds: ‘‘অভিষেকের মা লতার সম্পত্তির হিসাব চাই’’! ইডিকে নির্দেশ বিচারপতি সিনহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির হিসাব চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। লিপ‌্স অ্যান্ড বাউন্ডস (Leaps And Bounds) মামলায় গত আট মাস ধরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) যে তদন্ত করেছে, তা নিয়ে সোমবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এই বিষয়ে ইডি রিপোর্ট জমা দিলেও তা অসম্পূর্ণ, বলে অভিমত বিচারপতির। নতুন করে বেশ কিছু তথ্য ফের জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

    কী বলল আদালত

    বিচারপতি অমৃতা সিনহা সোমবার এই মামলায় জানান, এই তদন্তের নিট ফল শূন্য। সংস্থা এবং সংস্থার সিইও অভিষেকের বিষয়ে ইডি বিশদে তথ্য দিতে পারেনি। অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই সংস্থার (Leaps And Bounds) একজন ডিরেক্টর। তাই তাঁর সম্পত্তির খতিয়ানও চায় আদালত। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর ফের এই মামলার শুনানি। সেদিনই ইডিকে এই সংক্রান্ত তথ্য আদালতে জমা দিতে হবে, নির্দেশ বিচারপতির। লিপ‌্স অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সিইও (চিফ এগ্‌জিকিউটিভ অফিসার) এবং ডিরেক্টরদের সম্পত্তির বিবরণ ইডিকে জমা দিতে বলেছিল হাইকোর্ট। সেই মতো ইডি আদালতে তা জমা দেয়। ওই বিবরণ নিয়ে সোমবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি। তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি ইডির উদ্দেশে বলেন, ‘‘কচ্ছপের গতিতে এ ভাবে আর কত দিন তদন্ত চলবে। টানেলের শেষে কবে পৌঁছবে? সমস্ত নথি তথ্য প্রমাণ নষ্ট হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।’’

    আরও পড়ুন: আর্থিক পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, আমেরিকা সফর বাতিল রাজ্যপালের! কী ভাবছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    ইডিকে নির্দেশ বিচারপতির

    লিপ‌্স অ্যান্ড বাউন্ডস মামলার শুনানিতে বিচারপতি এদিন ইডির আইনজীবীদের একাধিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন। তিনটি বিমা ছাড়া সাংসদের কিছু পাওয়া যায়নি। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট (Leaps And Bounds) কি নেই? তাও ইডির কাছে জানতে চান বিচারপতি। শুধু তাই নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেতন কোথায় পড়ে তাও জানতে চান বিচারপতি। লিপ‌্স অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার এক ডিরেক্টর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ছয় ডিরেক্টরের মধ্যে বাকি পাঁচ জনের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সোমবার সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিচারপতি সিনহা। তিনি বলেন, ‘‘এক ডিরেক্টরকে গ্রেফতার করেছেন। অন্য ডিরেক্টরদের বিরুদ্ধে কী অনুসন্ধান করেছেন? তাঁরা অনুসন্ধান থেকে ছাড় পাচ্ছেন কেন?’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: পুলিশি হয়রানি! লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস মামলায় হাইকোর্টে স্বস্তি ইডি-র

    Calcutta High Court: পুলিশি হয়রানি! লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস মামলায় হাইকোর্টে স্বস্তি ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের কম্পিউটারে ইডি (ED) আধিকারিকের ডাউনলোড করা ১৬টি ফাইল নিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহার দ্বারস্থ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডির অভিযোগ, জেনারেল ডাইরির ভিত্তিতে তাদের আধিকারিকদের বারবার ডেকে পাঠাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হচ্ছে। এদিন এই মামলার শুনানিতে আদালত জানিয়েছে, ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এখনই কোনও পদক্ষেপ নিতে পারবে না রাজ্য পুলিশ। আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ, নতুন করে তাঁদের ইমেলের মাধ্যমে তলব করতে পারবে না রাজ্য পুলিশ। আগামী ২১সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

    ইডির অভিযোগ

    এদিন আদালতে (Calcutta High Court) ইডির আইনজীবী অভিযোগ করেন, “রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে বিচারাধীন একজন বন্দির (কুন্তল) প্রভুত যোগসাজশ রয়েছে, তা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ঘটনা থেকে স্পষ্ট। এবং নিম্ন আদালত হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে তদন্তের বিষয়ে রাজ্য পুলিশের অনুপ্রবেশের রাস্তা করে দিতে পারে না। এই ধরনের নির্দেশকে অবিলম্বে খারিজ করা উচিত। নিম্ন আদালত বিভিন্ন সময়ে এমন কিছু নির্দেশ দিয়েছে যার জন্য ইডির আধিকারিকদের হেনস্থার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।” এ ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ইডির পক্ষে বলা হয়, ‘‘তদন্ত আটকাতে নানা দিক থেকে চেপে ধরা হয়েছে। আমরা তদন্ত করব নাকি আদালতে দৌড়ে বেড়াব। সব বিষয় নিয়ে আমাদের কোর্টে আসতে হচ্ছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে তদন্ত।’’এরপরই আদালত জানায়, ইডির তদন্তকারী অফিসারদের বিরুদ্ধে এখনই কোনও পদক্ষেপ নিতে পারবে না কলকাতা পুলিশ। সূত্রের খবর, লিখিত আকারে নয়, মৌখিকভাবেই এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: সাত দিনে অভিষেক সহ ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ডিরেক্টরদের সম্পত্তির খতিয়ান চাইল হাইকোর্ট

    কেন হয়রানি

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার দফতরে হানা দেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কর্তারা। দীর্ঘক্ষণ সেখানে তল্লাশি চালান হয়। অভিযোগ, যখন ইডির আধিকারিকরা সংস্থার কম্পিউটারগুলি পরীক্ষা করছিলেন, সেই সময় সেখানে এমন ১৬টি ফাইল ডাউনলোড করা হয় যেগুলি আগে ছিল না। যার প্রেক্ষিতে পুলিশের দ্বারস্থ হয় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্তও। আর সেই প্রেক্ষিতেই বারেবারে ইডির আধিকারিকদের ডাকা হচ্ছে বলে অভিযোগ কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার। ইডির অভিযোগ, বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ওই ১৬ টি ফাইল তদন্তের কোথাও ব্যবহার করা হবে না বলেও জানিয়েছে ইডি। কম্পিউটার বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। তারপরেও এই হয়রানি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: সাত দিনে অভিষেক সহ ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ডিরেক্টরদের সম্পত্তির খতিয়ান চাইল হাইকোর্ট

    Abhishek Banerjee: সাত দিনে অভিষেক সহ ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ডিরেক্টরদের সম্পত্তির খতিয়ান চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সমস্ত ডিরেক্টরের সম্পত্তির খতিয়ান তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই নথি আদালতে জমা দিতে হবে ইডি ও সিবিআইকে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। 

    ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নথি জমা দিতে হবে 

    বৃহস্পতিবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানিতে ইডির কাছে লিপ‌্স অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার পাঁচটি বিষয় জানতে চায় হাইকোর্ট। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের আয় – ব্যয়ের হিসাব ও সংস্থা তৈরি থেকে আজ পর্যন্ত তাদের কর্মকাণ্ড জানতে চেয়েছেন বিচারপতি। এদিন আদালতে বিচারপতি সিনহা ইডির আইনজীবীকে বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছেন তাদের সম্পত্তির হিসাব জানেন? লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সিইও ও ডিরেক্টরদের কার কত সম্পত্তি তার তালিকা আদালতকে জানাতে হবে। সেজন্য ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হল। ” এদিন বিচারপতি সিনহার নির্দেশ, নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে যে সকল টলিউডের অভিনেতা এবং অভিনেত্রীর নাম উঠে এসেছে, তা নিয়ে ইডিকে রিপোর্ট দিতে হবে। জানাতে হবে ওই সব অভিনেতার নাম এবং তাঁদের সম্পত্তির বিবরণও।

    আর কী বলল আদালত

    ইডি সূত্রে খবর, সংস্থার ডিরেক্টরের তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেকের পরিবারের বেশ কয়েক জন। এই সংস্থাতেই আগে ডিরেক্টর ছিলেন নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সিনহা আরও জানান, সংস্থার সব সদস্যের সম্পত্তির বিবরণ দিতে হবে। সংস্থার সংগঠনের স্মারকলিপি জমা করতে হবে ইডিকে। সংস্থার নথিভুক্তকরণের (রেজিস্ট্রেশন) তারিখ জানাতে হবে। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হন সুজয়কৃষ্ণ ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’। এর পরেই ইডির আতশকাচে আসে তাঁর সংস্থা লিপ‌্স অ্যান্ড বাউন্ডস। সেই সংস্থার দফতরে ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডি। ইডির আধিকারিকদের সূত্রে খবর, তল্লাশির পর সংস্থার বেশ কিছু নথি তাঁদের হাতে এসেছে।

    আরও পড়ুন: নারদকাণ্ডে ফের নাড়াচাড়া! ম্যাথু স্যামুয়েলকে কলকাতায় তলব সিবিআইয়ের

    অভিষেকের দাবি

    বুধবার দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের কাছে ইডি তাঁর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তির খতিয়ান চেয়েছে বলে সূত্রের খবর। বুধবারের জেরার পর অভিষেক জানিয়েছেন, তিনি এখনো লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সিইও পদে রয়েছেন। তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্য ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে রয়েছেন। এমনকী নিয়োগ দুর্নীতির ১০ পয়সা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি বলে দাবি অভিষেকের। কিন্তু আদালত সেই সংস্থার নথি তলব করার পর এখন কী করবেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড? 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কেওয়াইসি কার নামে? জানতে চাইছে ইডি

    ED: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কেওয়াইসি কার নামে? জানতে চাইছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নামে রয়েছে পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। এই অ্যাকাউন্টগুলি কার নামে নথিপত্র জমা দিয়ে খোলা হয়েছিল, তা জানতে চাইছে ইডি (ED)। ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ কী ধরণের কাজ করত, তাও জানার চেষ্টা করছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’ হানা 

    সোমবার সকালে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নিউ আলিপুরের অফিসে যান ইডির তদন্তকারীরা। তল্লাশি চলে ১৮ ঘণ্টা ধরে। ইডি সূত্রে খবর, তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর নথি ও কয়েকটি হার্ড ডিস্ক। সেগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে বলে মনে করছে ইডি। তদন্তকারীরা জেনেছেন, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নামে যে পাঁচটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেগুলিতে লেনদেন হচ্ছে ২০১২ সাল থেকে। এই অ্যাকাউন্টগুলি কার নামে খোলা হয়েছিল, তা জানতে ব্যাঙ্কগুলির কাছ থেকে যাবতীয় নথি চেয়ে পাঠিয়েছেন তদন্তকারীরা। ওই অ্যাকাউন্টগুলির কেওয়াইসি কার নামে রয়েছে, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে (ED)।

    সিইও পদে কারা

    শুধু তাই নয়, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর সিইও পদে কারা, কোন সময় ছিলেন, তাও খতিয়ে দেখছেন ইডির তদন্তকারীরা। সংস্থার কাজকর্মে তাঁদের কী ভূমিকা ছিল, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, বুধবার এক প্রেস বিবৃতিতে ইডি জানিয়েছে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার সিইও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির দাবি, ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র ডিরেক্টর ছিলেন অভিষেক।

    ইডির (ED) দাবি, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর মাধ্যমে নিয়োগ কেলেঙ্কারির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। নির্মাণ সংস্থা মার্লিন গ্রুপকে অ্যালুমিনিয়ামের জানালা বিক্রি করে পাওয়া কাটমানিও জমা পড়েছে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র অ্যাকাউন্টে। ইডি সূত্রে খবর, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া হার্ড ডিস্ক ফরেনসিক তদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে সিএফএসএলে। সেগুলি থেকে গুরুত্বপূর্ণ বহু তথ্য মিলতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারী আধিকারিকদের।

    আরও পড়ুুন: গ্রিসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। বর্তমানে জেলে রয়েছেন তিনি। এই ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনিও। ‘কাকু’র সঙ্গে আর কোন কোন রাঘব-বোয়াল ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন, তা-ই জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর সিইও ছিলেন অভিষেক! বিবৃতি জারি করে জানাল ইডি

    ED: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর সিইও ছিলেন অভিষেক! বিবৃতি জারি করে জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ইডির (ED) ফাঁসে জড়িয়ে পড়ছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! বুধবার এক প্রেস বিবৃতিতে ইডি জানিয়ে দেয়, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার বা সিইও। ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ওই সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন তিনি।

    ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’ তল্লাশি

    প্রসঙ্গত, সোমবার ভোর থেকে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার অফিসে তল্লাশি শুরু করেন ইডির গোয়েন্দারা। মঙ্গলবার এ নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে অবশ্য আখেরে লাভ হয়নি তৃণমূলের। বরং এদিন বিবৃতি জারি করে ইডি (ED)। তাতে বলা হয়েছে, বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে গত ২১ ও ২২ অগাস্ট কলকাতায় তারা তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির ঘটনায় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই সূত্রেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।

    প্রচুর নথি উদ্ধার

    তাতে বেশ কিছু নথি ও ডিজিট্যাল সাক্ষ্য প্রমাণ উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডির দাবি, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন ‘মেসার্স লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর চিফ অপারেটিং অফিসার তথা সিওও। মূলত কোটি কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা হত এই কোম্পানিকে। অভিষেকের পাশাপাশি সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রও এই সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন। ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ওই কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র।

    এদিকে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এ ইডির (ED) তল্লাশি নিয়ে প্রশ্ন করায় মেজাজ হারান সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’। তল্লাশিতে ইডির হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এসেছে জানতে পেরেই বুকের ব্যথা বেড়েছে সুজয়ের। মঙ্গলবার শারীরিক পরীক্ষা করাতে এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাঁকে। তখনই সাংবাদিকদের প্রশ্নে মেজাজ হারান কালীঘাটের কাকু। তিনি বলেন, “সরুন এখান থেকে, অসভ্য সব…।” পরে বলেন, “দু কোটি বার তল্লাশি করবে, তোর বাপের কী? গালাগালি দিয়ে ফের বলেন, “তোর বাপের কী?”

    আরও পড়ুুন: “২০৪৭ সালের মধ্যেই উন্নত দেশে পরিণত হবে ভারত”, ব্রিকসে প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর বিষ্ণুপুর জল কারখানা থেকে দু’ ব্যাগ নথি ও ডিজিটাল নথি বাজেয়াপ্ত করেছেন ইডির আধিকারিকরা। নিউ আলিপুরের অফিস থেকেও উদ্ধার হয়েছে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত প্রচুর নথি। 

    ফান্দে পড়িয়াই কি গালাগালি করছেন ‘কাকু’!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share