Tag: Left-wing Extremism

  • Germany Left Wing Protests: জার্মানির বিভিন্ন শহরে তরুণদের বিক্ষোভের জেরে অশান্তি, ফ্রাঙ্কফুর্টে দোকানপাটে লুটপাট-ভাঙচুর

    Germany Left Wing Protests: জার্মানির বিভিন্ন শহরে তরুণদের বিক্ষোভের জেরে অশান্তি, ফ্রাঙ্কফুর্টে দোকানপাটে লুটপাট-ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভের জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে জার্মানির একাধিক শহরে। গত ৩১ অক্টোবর বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা চালু করার বিরোধিতা, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং সর্বোপরি, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন হাজার হাজার মানুষ। কয়েকটি শহরে সেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক সংঘর্ষের (Germany Left Wing Protests) চেহারা নেয়। ফ্রাঙ্কফুর্টে মুখ ঢাকা বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দোকানপাটে লুটপাট, বাণিজ্যিক সম্পত্তি ভাঙচুর এবং জরুরি পরিষেবার কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে (Shops Looted)।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জার্মানিতে নতুন করে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, বামপন্থী চরমপন্থী সংগঠন এবং বিদেশের কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ থাকা সংগঠনগুলি সাধারণ মানুষের অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার চেষ্টা করতে পারে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালীন একাধিক দোকানের কাচ ভাঙা হয়। জরুরি পরিষেবার কর্মীদের লক্ষ্য করে পেট্রলবোমা ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। হামবুর্গেও বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    বিক্ষোভের নেতৃত্বে তরুণ প্রজন্ম (Germany Left Wing Protests)

    জার্মানির বামপন্থী প্রচার সংগঠন ‘জেন জি রেগেল্ট’-এর উদ্যোগে দেশের ৩৪টি শহরে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। বার্লিন, ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং মিউনিখের মতো বড় শহরগুলিতেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। সংগঠনটির নামের অর্থ, ‘নতুন প্রজন্মই এবার দায়িত্ব নেবে’।

    বিক্ষোভকারীদের মূল দাবিগুলির মধ্যে ছিল বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা চালুর প্রস্তাব প্রত্যাহার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ। সরকারি পরিষেবাগুলির উন্নতি এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়।

    তবে ফ্রাঙ্কফুর্টে বিক্ষোভের মূল দাবিগুলিকে ছাপিয়ে যায় লুটপাট, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা। এক প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ অনুযায়ী, শহরের অন্তত দু’টি দোকানে লুটপাট চালানো হয় এবং আরও কয়েকটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠলে ফ্রাঙ্কফুর্ট পুলিশ সাধারণ মানুষকে সংঘর্ষপ্রবণ এলাকাগুলি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পুলিশের তরফে জানানো হয়, শহরের কেন্দ্রস্থলে একাধিক দোকানের কাচ ভাঙচুর করা হয়েছে, জরুরি পরিষেবার কর্মীদের লক্ষ্য করে পেট্রলবোমা ছোড়া হচ্ছে। পথচারীদের ওই এলাকা থেকে সরে যাওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয় (Germany Left Wing Protests)।

    বামপন্থী সংগঠনগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    এই বিক্ষোভে বামপন্থী চরমপন্থী সংগঠনগুলির সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জার্মানির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বক্তব্য, উগ্র বামপন্থী রাজনৈতিক পরিমণ্ডলের কিছু অংশ এবং বিদেশের কয়েকটি চরমপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সংগঠন বিক্ষোভের সমর্থনে জনমত সংগঠিত করার চেষ্টা করেছে।

    এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং দেশের বৃহত্তর ছাত্রসমাজের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষমতা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    প্রশাসনের আশঙ্কা, বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবার বিরোধিতা, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে কিছু সংগঠন বৃহত্তর রাজনৈতিক সংঘাতের পরিবেশ তৈরি করতে পারে।

    তবে বিক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক সংগঠন বা অংশগ্রহণকারীকে চরমপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করার মতো কোনও তথ্য সামনে আসেনি। অধিকাংশ শহরে জমায়েত শান্তিপূর্ণ ছিল বলেই প্রশাসন জানিয়েছে।

    তরুণদের ক্ষোভের কেন্দ্রে অর্থনৈতিক সঙ্কট

    ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতি জার্মানি বর্তমানে একাধিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। দীর্ঘদিন ধরেই দেশটির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি মন্থর। অন্যদিকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক পরিষেবার উপর সরকারি ব্যয় বাড়ানোর দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। এর পাশাপাশি অবসর গ্রহণকারী প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষম জনসংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে পেনশন ব্যবস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, এই অর্থনৈতিক চাপের বড় অংশ বহন করতে হচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে। অথচ তাঁদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বার্লিনের একটি বিক্ষোভসভায় আন্দোলনের অন্যতম মুখপাত্র লিনা ফ্রিডরিখ বলেন, “যুদ্ধ এবং জোরজবরদস্তির পরিবর্তে আমরা আজ শান্তি ও স্বাধীনতার দাবিতে পথে নেমেছি।” তিনি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবায় সরকারি সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানান। একই সঙ্গে বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা চালুর বিরোধিতাও করেন (Germany Left Wing Protests)। মিউনিখের এক তরুণ বিক্ষোভকারী স্টিভও সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, “আমাদের উদ্বেগের কোনও সমাধান সরকার দিচ্ছে না। উল্টে সরকারি ব্যয় কমানো হচ্ছে এবং আমাদের উপর আরও বেশি আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।” সরকার বিক্ষোভকারীদের দাবির (Shops Looted) বিষয়ে পদক্ষেপ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

    প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম মানুষের উপস্থিতি

    আন্দোলনের উদ্যোক্তারা দেশজুড়ে প্রায় ১ লক্ষ ৮২ হাজার মানুষের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে উপস্থিতির সংখ্যা ছিল অনেক কম। ফ্রাঙ্কফুর্ট, মিউনিখ ও বার্লিনে পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, তিন শহর মিলিয়ে বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল আনুমানিক ১৮ হাজার। অন্যদিকে আন্দোলনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই তিন শহরের জন্য প্রায় ৩৬ হাজার মানুষের অংশগ্রহণের দাবি করা হয়েছিল। অর্থাৎ উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা এবং বাস্তব উপস্থিতির মধ্যে যথেষ্ট ফারাক ছিল।

    ফ্রান্সের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা

    জার্মানির হেসে প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমান পোসেক তরুণদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে হিংসা ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। উল্লেখ্য, এই প্রদেশের রাজধানী ভিসবাডেন এবং বৃহত্তম শহর ফ্রাঙ্কফুর্ট।

    ফ্রান্সে সাম্প্রতিক অতীতে তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া বিক্ষোভের সময় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে পোসেক বলেন, “ফ্রান্সের সেই দৃশ্যগুলি আমাদের সকলের মনে রয়েছে। দোকান লুট করা, বাড়িতে আগুন লাগানো, পুলিশের গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া এবং পুলিশকর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই ক্ষেত্রে ফ্রান্সকে কোনওভাবেই আদর্শ হিসেবে তুলে ধরা উচিত নয়।”

    তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দাবিদাওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলন যাতে বৃহত্তর আইনশৃঙ্খলার সমস্যায় পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে চাইছে (Germany Left Wing Protests) প্রশাসন।

    আগে থেকেই সতর্ক ছিল ব্যবসায়ী মহল

    বিক্ষোভের সম্ভাব্য প্রভাবের কথা মাথায় রেখে জার্মানির বিভিন্ন শহরের ব্যবসায়ীরা আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। কয়েকটি দোকানের সামনের অংশ কাঠের পাটাতন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। কোথাও আবার নির্ধারিত সময়ের আগেই দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বার্লিনের অভিজাত কেনাকাটার এলাকা কুরফ্যুরস্টেনডামেও একাধিক ব্যবসায়ী একই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর ও লুটপাট চালাতে পারে (Shops Looted)।

    ছাত্রসমাজের প্রতিনিধিত্ব নিয়েও বিতর্ক

    এই আন্দোলন আদৌ জার্মানির বৃহত্তর ছাত্রসমাজের মতামত তুলে ধরছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দেশের জাতীয় ছাত্র সংগঠন বুন্ডেসশুলারকনফারেঞ্জ এই উদ্যোগ থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ২০ নভেম্বর তারা পৃথকভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে।

    অন্যদিকে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামোর বেহাল দশাও অনেক ছাত্রছাত্রীকে আন্দোলনে যোগ দিতে উৎসাহিত করেছে।

    বার্লিনের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া শন বেকার বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ঢুকে বিভিন্ন ঘর দেখলে মনে হয় যেন কোনও পরিত্যক্ত বাড়িতে প্রবেশ করেছি। অথচ এই জায়গাতেই আমাদের নিয়মিত পড়াশোনা করার কথা।”

    ইউরোপজুড়েই বাড়ছে তরুণদের আন্দোলন

    ২০২৬ সালে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে একাধিক বিক্ষোভ কর্মসূচি দেখা গিয়েছে। ফ্রান্সে বামপন্থী ও ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলির অংশগ্রহণে হওয়া কয়েকটি বিক্ষোভ হিংসাত্মক সংঘর্ষ ও লুটপাটের ঘটনায় পর্যবসিত হয়েছে।

    জার্মানির সাম্প্রতিক আন্দোলনের মূল দাবি ছিল শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি, জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাস এবং বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবার বিরোধিতা। কিন্তু ফ্রাঙ্কফুর্টের হিংসাত্মক ঘটনা গোটা আন্দোলনের চরিত্র, এর সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলির ভূমিকা এবং (Germany Left Wing Protests) সাধারণ মানুষের অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলির অশান্তি ছড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

     

  • Dimagi Naxals: ‘দিমাগি নকশাল’দের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করার ডাক প্রধানমন্ত্রীর, প্রাক্তন নকশাল-অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নের দাবি

    Dimagi Naxals: ‘দিমাগি নকশাল’দের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করার ডাক প্রধানমন্ত্রীর, প্রাক্তন নকশাল-অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নকশাল সমস্যার একটি নতুন রূপের কথা তুলে ধরলেন। তিনি এর নাম দিয়েছেন “দিমাগি নকশাল” (Dimagi Naxals)। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, জঙ্গলে সক্রিয় সশস্ত্র নকশালদের অনেকটাই নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। তবে নকশালপন্থী মানসিকতায় প্রভাবিত কিছু মানুষ এখনও প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন। তাঁদের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    ‘মাওবাদী হিংসা শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে’ (Dimagi Naxals)

    নকশাল হিংসার অতীতের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বছরের পর বছর দেশের একাধিক অঞ্চলকে আতঙ্কের মধ্যে রেখেছিল ‘লাল সন্ত্রাস’। মাওবাদী হিংসার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে গিয়ে ৩,৫০০-এরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের অভিযানে নিহত নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যা যুদ্ধের কারণে প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যার থেকেও বেশি। ২০১৪ সালে তাঁর সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই দেশ থেকে নকশালবাদ নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বলেও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১৪ সালে আমরা ক্ষমতায় আসার পর দেশকে নকশালমুক্ত করার শপথ নিয়েছিলাম। আমি খুশি যে মাওবাদী হিংসা এখন তার শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে।”

    ক্ষমতার অলিন্দে ‘দিমাগি নকশাল’

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি, একাধিক জঙ্গল এলাকা থেকে সশস্ত্র নকশালদের হটাতে সরকার সফল হয়েছে। তবে তাঁর অভিযোগ, মাওবাদী চিন্তাধারায় প্রভাবিত কিছু মানুষ অতীতে সরকারি কমিটি এবং ক্ষমতার অলিন্দে জায়গা করে নিয়েছিলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বছরের পর বছর নকশাল মানসিকতার মানুষ ক্ষমতার অলিন্দে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তাঁরা সরকারি কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন। মাওবাদী চিন্তাধারা নীতিনির্ধারণেও প্রভাব ফেলেছিল।” প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এই ‘দিমাগি নকশাল’রা এখন হিংসা ও অশান্তি তৈরির সুযোগ খুঁজছে এবং সমাজকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “এই ‘দিমাগি নকশাল’দের চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন করতে হবে এবং যুবসমাজকে মূলস্রোতের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে (Dimagi Naxals)।”

    প্রাক্তন নকশাল-অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নের দাবি

    নকশাল হিংসায় একসময় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, মাওবাদীদের উপস্থিতির কারণে যে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিকে একসময় উন্নয়নের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করা হত, সেখানেও এখন অগ্রগতি হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিংসার কারণে যে অঞ্চলগুলি দীর্ঘদিন পিছিয়ে ছিল, সেখানে এখন উন্নয়নের গতি বেড়েছে এবং রাষ্ট্রের উপস্থিতিও আরও শক্তিশালী হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই পরিবর্তন দেখিয়ে দিচ্ছে যে দেশ একসময় যেখানে বন্দুকের নলের সামনে দাঁড়িয়েছিল, সেখানেই এখন উন্নয়নের ধ্বজা উড়ছে (PM Modi)। একসময় নকশাল হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত সেই অঞ্চলগুলিতেই এখন উন্নয়নের নতুন ছবি দেখা যাচ্ছে বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী (Dimagi Naxals)।

     

  • Maoist Papa Rao: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়! ১৬ সঙ্গীকে নিয়ে আত্মসমর্পণ শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাওয়ের

    Maoist Papa Rao: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়! ১৬ সঙ্গীকে নিয়ে আত্মসমর্পণ শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাওয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ জন কমরেডকে সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করলেন ছত্তিশগড়ের শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাও (Maoist Papa Rao)। এমনই খবর জানালেন ছত্তিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা। তাঁদের আত্মসমর্পণ মাওবাদী দমনে রাজ্যের চালানো লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    মাও-মুক্ত ছত্তিশগড় (Maoist Papa Rao)

    রাও অস্ত্র সমর্পণ করায় প্রযুক্তিগতভাবে ও স্পষ্টভাবে বলা যায়, ওই স্তরের এমনকি তার চেয়েও নিচু স্তরের কোনও নকশাল কর্মী আর সক্রিয় নেই রাজ্যে। অন্তত এমনই জানালেন শর্মা। গত দু’দশকে দক্ষিণ বস্তারে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর একাধিক প্রাণঘাতী হামলার মূলচক্রী ছিলেন এই শীর্ষ মাওবাদী নেতা। ২০১০ সালে তৎকালীন দান্তেওয়াড়া (বর্তমানে সুকমা) জেলার তাদমেতলা হামলারও ষড়যন্ত্রী ছিলেন তিনি। ওই হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৭৬ জন জওয়ান। মাওবাদীদের দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটিতে সক্রিয় রাও বস্তার অঞ্চলে তাঁর এক ডজনের বেশি সদস্য নিয়ে আত্মসমর্পণ করবেন বলে সোমবারই জানিয়েছিলেন শর্মা। উপমুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি তিনি সামলাচ্ছেন স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বও। মঙ্গলবার পাপা অস্ত্রসমর্পণ করায় ছত্তিশগড়ে আর কোনও নকশাল কর্মী সক্রিয় নেই। শুধু তাই নয়, মাও দমনে ‘শাহি’ ডেডলাইন ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যেই রাজ্য হয়ে গেল সশস্ত্র নকশালবাদমুক্ত (Chhattisgarh)।

    মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিট

    শর্মা বলেন, “রাওয়ের পুনর্বাসনের মাধ্যমে ছত্তিশগড়ে নকশালের উপস্থিতি কার্যত শেষ হয়ে গেল। ৩১ মার্চের মধ্যেই রাজ্য সশস্ত্র নকশালবাদ থেকে মুক্ত হবে।” তিনি জানান, পাপা রাও প্রায় ২৫ বছর ধরে সক্রিয় ছিলেন এবং বহু সংঘর্ষে জড়িত থাকলেও প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। রাজ্য সরকার তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ২৫ লাখ টাকা। শর্মা বলেন, “রাওয়ের মানসিকতা এখন বদলেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছিলাম (Maoist Papa Rao)। তখনই তিনি আত্মসমর্পণের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন।” তিনি জানান, পুনর্বাসন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে আরও আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা রয়েছে। বস্তার ডিভিশন ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির কিছু অংশে মাওবাদী কার্যকলাপ পরিচালনাকারী দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটি (DKSZC) মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে বিবেচিত হত। গত দু’দশকে বহু মারাত্মক হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। শর্মা বলেন, “বর্তমানে পার্টি ও এরিয়া কমিটি স্তরের মাওবাদীরা ছত্তিশগড়ে আর সশস্ত্র কার্যকলাপে যুক্ত নন এবং তাঁরা প্রায় সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।” তিনি বলেন, “তাঁরা অস্ত্র নামিয়ে রেখেছেন এবং ইউনিফর্ম ছেড়ে দিয়েছেন।” বর্তমানে ছত্তিশগড়ের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন মাও-সদস্য মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলি বা তেলঙ্গনায় সক্রিয় রয়েছে। তাঁদের আত্মসমর্পণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

    মাওবাদ নির্মূলের সময়সীমা

    এদিকে, কেন্দ্রের নির্ধারিত মাওবাদ নির্মূলের সময়সীমা শেষ হতে আর এক সপ্তাহ বাকি। সোমবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাজি জানান, বর্তমানে রাজ্যে মাত্র ১৫ জন মাওবাদী সক্রিয় (Chhattisgarh) রয়েছেন এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান করা হবে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তারা প্রসাদ বাহিনিপতির এক প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কান্ধামাল-কালাহান্ডি-রায়গড়া জেলার সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় প্রায় ১৫ জন নকশাল সক্রিয় রয়েছে।” কেন্দ্রের সিকিউরিটি-রিলেটেড এক্সপেন্ডিচার প্রকল্প অনুযায়ী, বর্তমানে শুধু কান্ধামাল জেলাকেই মাওবাদী-প্রভাবিত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৌধ, বালাঙ্গির, কালাহান্ডি, বারগড়, মালকানগিরি, নবরঙ্গপুর, নুয়াপাড়া এবং রায়গড়—এই আটটি জেলাকে ‘লেগেসি’ ও ‘থ্রাস্ট’ জেলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, কান্ধামাল-কালাহান্ডি-রায়গড় সীমান্ত অঞ্চলে একটি ছোট নকশাল গোষ্ঠী সক্রিয় থাকলেও, রাজ্যের অন্যান্য সব জেলা এখন সম্পূর্ণভাবে মাওবাদীমুক্ত। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকারের আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন নীতি অনুযায়ী, যাঁরা অস্ত্র সমর্পণ করছেন, সেই মাওবাদীদের আর্থিক সহায়তা, বাসস্থান, সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত মাসিক ভাতা, কর্মসংস্থানের সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং স্বাস্থ্য/রেশন কার্ড দেওয়া হচ্ছে (Maoist Papa Rao)।

    আত্মসমর্পণের বহর

    ২০২৪ সাল থেকে ১৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৯৬ জন মাওবাদী ওড়িশা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। রাজ্য পুলিশ সতর্ক করেছে যে, ৩১ মার্চের মধ্যে যাঁরা আত্মসমর্পণ করবেন না, তাঁরা সরকারের পুনর্বাসন নীতির সুবিধাও পাবেন না। পুলিশ সূত্রে খবর, বিশেষ জোনাল কমিটির সদস্য সুক্রু এবং রাজ্যের আরও দুই মাওবাদী এখনও আত্মসমর্পণ করেনি। প্রতিবেশী ছত্তিশগড় থেকে আসা আরও ১২ জন মাওবাদী ওড়িশায় সক্রিয় ছিলেন। তাঁরা বর্তমানে আত্মগোপন করে রয়েছেন। অ্যান্টি-নকশাল অপারেশনের এডিজি সঞ্জীব পান্ডা বলেন, “কিছু নকশাল এখনও আত্মসমর্পণ না করায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে। আমরা (Chhattisgarh) ৩১ মার্চের মধ্যেই কেন্দ্রের নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব (Maoist Papa Rao)।”

     

  • Naxals: ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য মিলেছে’, ছত্তিশগড়ে বললেন শাহ

    Naxals: ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য মিলেছে’, ছত্তিশগড়ে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক কৌশল, পরিকাঠামো উন্নয়ন, মাওবাদীদের আর্থিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং আত্মসমর্পণ নীতির সমন্বিত প্রয়োগ বামপন্থী চরমপন্থার (Naxals) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইতিবাচক ফল মিলেছে। রবিবার এ কথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “৩১ মার্চের আগেই নকশাল সমস্যা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা হবে। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই যেন বিচ্ছিন্নভাবে না হয়।” রায়পুরে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে সভাপতিত্ব করে তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য ও অভিযানকে একটি নিরবচ্ছিন্ন ‘গ্রিডে’র মাধ্যমে পরিচালনা করতে, যাতে এক অঞ্চল থেকে বিতাড়িত মাওবাদীরা প্রতিবেশী কোনও রাজ্যে আশ্রয় নিতে না পারে।’

    শাহ উবাচ (Naxals)

    বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, “ছত্তিশগড় এক সময় নকশাল (Naxals) হিংসার শক্ত ঘাঁটি ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের অধীনে এখন এটি উন্নয়নের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।” তিনি বলেন, “ছত্তিশগড়ের যুবসমাজ খেলাধুলা, ফরেনসিক বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় অগ্রগতি করছে, পাশাপাশি নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যও সংরক্ষণ করছে।” তিনি বলেন, “নকশালবাদ বহু প্রজন্মকে দারিদ্র্য ও অশিক্ষার অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার দেশ থেকে নকশালবাদের অভিশাপ সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চেষ্টার কোনও কসুর করছে না, এবং এই সমস্যা এখন প্রায় শেষের পথে।” শাহ বলেন, “নিরাপত্তা ও উন্নয়ন – উভয় ক্ষেত্রেই ছত্তিশগড় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে এবং নকশাল-প্রভাবিত এলাকার (Naxals) মানুষদের জন্য সমান উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।” বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ছত্তিশগড়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকেও সভাপতিত্ব করেন শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মোদী সরকারের কাছে নিরাপত্তা ও সুযোগ – দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।”

    উন্নতির সমান সুযোগ পাওয়া উচিত

    নকশাল-প্রভাবিত অঞ্চলের মানুষদের দেশের অন্যান্য অংশের মতোই যে উন্নতির সমান সুযোগ পাওয়া উচিত, এ কথাও ফের মনে করিয়ে দেন তিনি। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাঁই, উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডিরেক্টর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের বিশেষ সচিব। উপস্থিত ছিলেন সিআরপিএফ, বিএসএফ, ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ (ITBP) ও জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)-র শীর্ষ আধিকারিকরা, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড ও তেলঙ্গনার ডিজিপিরা এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা (Naxals)। মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাঁই বলেন, “‘ডাবল-ইঞ্জিন’ সরকারের সমন্বিত কৌশল—যেখানে নির্ভুল নিরাপত্তা অভিযান, পরিকাঠামো সম্প্রসারণ এবং মাওবাদীদের আর্থিক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ একসঙ্গে নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট ফল দিচ্ছে।” তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে এবং অমিত শাহের দিশানির্দেশে ছত্তিশগড় দ্রুত ৩১ মার্চের মধ্যে নকশাল-মুক্ত রাজ্য হওয়ার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে (Amit Shah)।

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চল, যার মধ্যে সাতটি জেলা রয়েছে মহারাষ্ট্র, তেলঙ্গনা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে গত কয়েক বছরে সেখানে জোরদার নকশাল-বিরোধী অভিযান চালানো হয়েছে, যার ফলে চরমপন্থী আন্দোলন অনেকটাই দুর্বল হয়েছে (Naxals)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি ২০২৪ থেকে এ পর্যন্ত ছত্তিশগড়ে সংঘর্ষে ৫০০-র বেশি নকশাল নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সিপিআই (মাওবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজুও রয়েছে। একই সময়ে প্রায় ১,৯০০ নকশালকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ২,৫০০-র বেশি মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে (Amit Shah)। উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা বলেন, “বিভিন্ন রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের (স্বরাষ্ট্র/ডিজিপি) উপস্থিতিতে রায়পুরে রবিবারের বৈঠকটি ছিল ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণের জন্য শেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠক।” সোমবার অমিত শাহ দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের জগদলপুরে তিনদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব ‘বস্তার পান্ডুম মহোৎসব’-এর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন (Naxals)।

     

LinkedIn
Share