Tag: line of control

line of control

  • Operation Sindoor: ফের অপারেশন সিঁদুর! সীমান্তে সক্রিয় ১৪০ জঙ্গি, ৬টি শিবির! জবাব দিতে তৈরি ভারত, জানালেন সেনাপ্রধান

    Operation Sindoor: ফের অপারেশন সিঁদুর! সীমান্তে সক্রিয় ১৪০ জঙ্গি, ৬টি শিবির! জবাব দিতে তৈরি ভারত, জানালেন সেনাপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’ এখনও চলছে বলে ফের বার্তা দিলেন ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। উল্টো দিক থেকে কোনও রকম দুঃসাহসিক পদক্ষেপ করা হলে, তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, চিনের সঙ্গে সীমান্ত-পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল হলেও সেখানেও নিরন্তর সতর্কতা বজায় রাখা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন সেনাপ্রধান। সিঁদুরের বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করে জেনারেল দ্বিবেদী বলেছেন, “অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে কৌশলগত দিকগুলি নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। ভারতীয় সেনা সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামো ধ্বংস করেছে এবং ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক হামলার ভয় দেখানোর কৌশল ভোঁতা করে দিয়েছে।” তাঁর দাবি, সেনা আক্রমণাত্মক অভিযানের জন্য সর্বদা প্রস্তুত।

    তিন সেনার সমন্বয়ের এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ

    গত বছর পহেলগাঁওয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় সেনা অপারেশন সিঁদুর শুরু করে। আর সেই অপারেশন সিঁদুরের অধীনে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী অপারেশন সিঁদুরকে ভারতের তিন সেনার সমন্বয়ের এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। মঙ্গলবার নয়া দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করেন, অপারেশন সিঁদুর এখনও শেষ হয়নি। শত্রুপক্ষ অর্থাৎ পাকিস্তান যদি আগামীতে যে কোনও দুঃসাহস দেখায় তাহলে আরও কঠোরভাবে তার জবাব দেওয়া হবে। সেনাপ্রধান জানান, পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী আক্রমণের পর সর্বোচ্চ স্তর থেকে কড়া জবাব দেওয়ার দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়।

    পারমাণবিক হামলার ভয় আর নয়

    ভারতের আকাশে পাক ড্রোন! আর তারপরই বার্ষিক সাংবাদিক সম্মেলনে সীমান্ত পরিস্থিতি ও বাহিনীর ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি নিয়ে পাকিস্তানকে স্পষ্ট বার্তা সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। একই সঙ্গে কথায় কথায় পাকিস্তানের যে পারমাণবিক হুমকি, তারও সমূলে আঘাত করা হয়েছে। ৯টি টার্গেটকে লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছিল ভারত। এই প্রসঙ্গে জেনারেল দ্বিবেদীর ব্যাখ্যা, “৭ মে ২২ মিনিটের সূচনায় এবং পরবর্তী ৮৮ ঘণ্টার সুসংহত অভিযানে অপারেশন সিঁদুর কৌশলগত সমীকরণ বদলে দিয়েছে। গভীরে ঢুকে আঘাত হানা হয়েছে, জঙ্গি পরিকাঠামো ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বহুদিনের পারমাণবিক হুমকির বয়ানকেও প্রশ্নের মুখে ফেলা হয়েছে।”

    ১৪০ জন সক্রিয় জঙ্গি

    জেনারেল দ্বিবেদী জানান, সেনার হিসেব অনুযায়ী, জম্মু–কাশ্মীর ও সংলগ্ন এলাকায় এখনও অন্তত ১৪০ জন সক্রিয় জঙ্গি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০ জন স্থানীয়, বাকিরা পাকিস্তানের নাগরিক। ২০২৫ সালে মোট ১৩৯টি সংঘর্ষবিরতির ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ১২৪টি ঘটেছে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন। আইবি-র ওপারে দু’টি এবং লাইন অফ কন্ট্রোলের ওপারে ছ’টি জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির এখনও সক্রিয় বলে সেনার দাবি। ওই সব শিবিরে ন্যূনতম ১০০ জন জঙ্গি রয়েছে বলে অনুমান। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, শিবিরগুলির উপর সর্বক্ষণ নজর রাখা হচ্ছে।

    নতুন করে সাজছে সেনা

    অপারেশন সিঁদুরের পর সেনার কাঠামোয় বদল আনা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন সেনাপ্রধান। নতুন করে একাধিক ব্রিগেড গঠন করা হচ্ছে। ঘাতক প্ল্যাটুনের আদলে ২৫টি ‘ভৈরব ব্যাটালিয়ন’ তৈরি হচ্ছে। প্রতিটি ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়নে ড্রোন ব্যবহারে দক্ষ ‘অশনী প্ল্যাটুন’ গঠন সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি, তৈরি হচ্ছে ৯টি ‘রুদ্র ব্রিগেড’। আর্টিলারির ক্ষেত্রেও শক্তিবৃদ্ধির কথা জানান সেনাপ্রধান। ১৫টি ‘শক্তিবান রেজিমেন্ট’ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। সেখানে ১০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার রেঞ্জের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ৭৫০ থেকে ১০০০ কিলোমিটার পাল্লার আধুনিক আর্টিলারি গান অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    সক্রিয় স্থানীয় জঙ্গির সংখ্যা কমে গিয়েছে

    সাংবাদিক বৈঠকে পাকিস্তানের দিক থেকে নজরদারির উদ্দেশ্যে কিছু ড্রোন পাঠানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন জেনারেল দ্বিবেদী। ডিজিএমও স্তরের বৈঠকে এই ধরনের তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করার বার্তা পাকিস্তানকে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। সেইসঙ্গে ভবিষ্যৎ যুদ্ধপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে ‘ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটেল গ্রুপ’ গঠনের কথাও জানান তিনি। প্রতিটি গ্রুপের নেতৃত্বে থাকবেন মেজর জেনারেল পদমর্যাদার অফিসার। এক একটি গ্রুপে ১৬টি বা তার বেশি ইউনিট একসঙ্গে কাজ করবে। সেনাপ্রধান দ্বিবেদী আরও বলেন, মে মাসের ১০ তারিখের পর থেকে ভারতের পশ্চিম সীমান্ত এবং জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি সংবেদনশীল হলেও পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৫ সালে ৩১ জন সন্ত্রাসবাদী নিহত হয়েছে। আর এর মধ্যে ৬৫ শতাংশই পাকিস্তানি। এর ফলে, সক্রিয় স্থানীয় জঙ্গির সংখ্যা কমে গিয়েছে উল্লেখযোগ্য ভাবেই।

    উত্তর দিকের বর্ডারের কী পরিস্থিতি?

    এই প্রশ্নের উত্তরে আশার কথা শোনান জেনারেল দ্বিবেদী। তিনি জানান, ভারতের উত্তর ভাগের চিনের দিকের বর্ডারে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। এক্ষেত্রে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। তাই পরিস্থিতি আপাতত স্থিতিশীল। যদিও নিরপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঢিলেমি দেওয়া চলবে না। বরং কঠোর নজর থাকবে সব দিকে। মণিপুর ধীরে ধীরে শান্ত হচ্ছে। নিরাপত্তারক্ষী এবং সরকারের চেষ্টায় শান্তি ফিরছে। এছাড়া মায়ানমারে ভোট হয়ে গেলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি এই সাংবাদিক সম্মেলনে শাক্সগম উপত্যকা সংক্রান্ত পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে ১৯৬৩ সালের চুক্তিকেও অবৈধ বলে অভিহিত করেন তিনি।

    ইয়ার অব নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড ডেটা সেনট্রিসিটি

    জেনারেল দ্বিবেদী জানান, ভারতীয় সেনা আধুনিকীকরণে জোর দিচ্ছে। ব্রহ্মোস মিসাইল, উন্নত ড্রোন থেকে শুরু করে একাধিক আপগ্রেডেশন চলছে। পাশাপাশি তিনি এও জানান যে ভারত ৯০ শতাংশ অ্যামুইনেশন দেশেই তৈরি করছে। সেনার পক্ষ থেকে ২০২৬ সালকে ‘ইয়ার অব নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড ডেটা সেনট্রিসিটি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েথে। এর ফলে রিয়েল টাইম ডিসিশন নিতে সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Jammu Kashmir: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, আহত ৬ সেনা

    Jammu Kashmir: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, আহত ৬ সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলওসি) ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন ভারতীয় সেনার ছ’জন জওয়ান। তাঁদের রাজৌরি (Landmine Blast in Rajouri) জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে এক জনের আঘাত গুরুতর। মঙ্গলবার পাক অধিকৃত কাশ্মীর লাগোয়া রাজৌরি জেলার নওশেরার ভবানী সেক্টরে ওই ঘটনা ঘটেছে বলে ভারতীয় সেনার উত্তরাঞ্চলীয় (নর্দার্ন) কম্যান্ড সূত্রে জানা গিয়েছে। 

    কী ঘটেছিল?

    প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, এদিন সকাল ১০.৪৫ নাগাদ নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোর্খা রাইফেলসের জওয়ানরা টহল দিচ্ছিলেন। সেখানেই মাটিতে লুকনো ছিল ল্যান্ডমাইনটি। একজন সেনা জওয়ান ভুলবশত একটি ল্যান্ডমাইনের উপর পা দিয়ে দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক জনের আঘাত মারাত্মক হলেও বাকিদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন যে, অনুপ্রবেশ রোধে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় প্রায়শই ল্যান্ডমাইন পোঁতা থাকে। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে কখনও ওই ল্যান্ডমাইনগুলি সরানোর কাজ চলে। যার ফলেই এ দিনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    নাশকতার ছক!

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ওই এলাকাতেই ‘অ্যান্টি পার্সোনেল’ ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে এক সেনা জওয়ানের পা উড়ে গিয়েছিল। এবার অবশ্য, প্রাথমিক চিকিৎসার পর জওয়ানরা সকলেই সুস্থ রয়েছেন বলে খবর।  তবে পাক জেহাদিরা ছক কষেই নাশকতার জন্য ল্যান্ডমাইন সরিয়ে এনেছিল কি না তাও খতিয়ে দেখছে সেনা।  

     

    আরও পড়ুন: বিশ্বের আধ্যাত্মিক হৃদয় মহাকুম্ভ, প্রয়াগরাজের মহাতীর্থে মিশল ইউরোপ থেকে আমেরিকা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jk forest fire: দাবানলের আঁচে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, কাঁপল কাশ্মীরের পুঞ্চ

    Jk forest fire: দাবানলের আঁচে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, কাঁপল কাশ্মীরের পুঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবানলের(forest fire) আগুনের আঁচ ল্যান্ডমাইনে (landmine)। প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ(poonch) এলাকা। ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের জেরেই এলাকা কেঁপেছে। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসা দাবানলের আগুনেই ঘটেছে বিস্ফোরণ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্ত বরাবর যে ল্যান্ডমাইন পোঁতা হয়েছিল, তার মধ্যে বেশ কয়েকটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলেই সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর।

    জানা গিয়েছে, সীমান্তরেখা বরাবর ভারতের দিকের মেনধর জেলায় ওপার থেকে দাবানল চলে এসেছিল গত সোমবার। তিন দিন ধরে বনকর্মী ও ভারতীয় সেনা জওয়ানরা প্রাণপাত করে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করছেন। মঙ্গলবার রাতের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। বুধবার ভোরে ফের দারামশাল ব্লকে আগুন লাগে। প্রবল বাতাসে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায়। ফরেস্টার কানার হুসেন শাহ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, গত তিন দিন ধরে বনে আগুন জ্বলছে। আমরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে আগুন নেভাচ্ছি।

    জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্ত বরাবর পোঁতা হয়েছিল ল্যান্ডমাইন। আগুনের প্রবল তাপে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে সেগুলিতে। বুধবার বিকেলে প্রায় ছটি মাইন বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা।  

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীরে ডিলিমিটেশন নিয়ে পাকিস্তানের ‘প্রহসনমূলক’ প্রস্তাব খারিজ ভারতের

    বন দফতরের এক আধিকারিক জানান, বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সেনা বাহিনীর সাহায্যে সেই আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

    এদিকে, রাজৌরি জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা সুন্দরবান্দিতেও একটি বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। গম্ভীর, নিক্কা, পাঞ্জগ্রায়ে, ব্রাহামানা, মোঘলা সহ বিস্তীর্ণ এলাকার বনাঞ্চলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কালাকোটের কালার, রনথাল, চিঙ্গি বনাঞ্চলেও আগুন লেগেছে। জম্মুর সীমান্তবর্তী এলাকা থেকেও আগুন লাগার খবর মিলেছে। বন দফতরের কর্তাদের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দিকে নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেশি ঘটে। বন দফতরের এক আধিকারিক বলেন, আগুনটি সীমান্তের ওপার থেকে এসেছিল এবং উচ্চ কাংদি, ডক বানিয়াদের এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ে। তিনি জানান, কোনও মানবিক ক্ষতি ছাড়াই দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন :কাশ্মীরে ‘হাইব্রিড’ সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মৌলবীরা?

    নভেম্বর থেকে জুন মাস পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন জঙ্গলে দাবানলের প্রকোপ দেখা যায়। ফরেস্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ৩৬ শতাংশ জঙ্গলে ঘন ঘন দাবানলের ঝুঁকি রয়েছে। শীতের শেষে এবং গ্রীষ্মের মরশুমে বনাঞ্চলে জমা হয় শুকনো গাছপালা, ঘাস-পাতার মতো জৈব জ্বালানি। তার জেরেই শুখা মরশুমে দাবানলের মতো ঘটনা বেশি ঘটে।  

     

LinkedIn
Share