Tag: lithium

lithium

  • Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন। তাই ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারের চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India) করছে ভারত (Critical Minerals Deals)। খনন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে আধিপত্য এবং উন্নত খনন ও প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির কারণে চির-প্রতিদ্বন্দ্বী চিনের ওপর ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভারতের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা (Critical Minerals Deals)

    তবে আবিষ্কার থেকে উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছতে খনিশিল্পে সময় লাগে বিস্তর। শুধু অনুসন্ধান কাজই পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত চলে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা খনি প্রতিষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয় না। সূত্রের খবর, “অনুরোধ এসেছে এবং আমরা ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।” সূত্রের মতে, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের খনিমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন এবং ইউরেনিয়াম, জ্বালানি, খনিজ এবং এআই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কানাডার প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ জানুয়ারি মাসে এক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে রাজি হয়েছে (India)।

    মন্তব্য করেনি কোনও দেশই

    নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের দূতাবাস, ভারতের খনিমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করতে চায়নি ফ্রান্সের দূতাবাসও। ভারত বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সন্ধান জোরদার করেছে এবং ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পেরু ও চিলির সঙ্গে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে, যার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (Critical Minerals Deals)। ভারতের এই আন্তর্জাতিক তৎপরতা এমন একটা সময়ে বাড়ছে, যখন গত মাসে ওয়াশিংটনে জি-৭ ও অন্যান্য বড় অর্থনীতির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চিন থেকে ‘রেয়ার আর্থ’ নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India)। ২০২৩ সালে ভারত লিথিয়াম-সহ ২০টির বেশি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ” বলে চিহ্নিত করেছে, যা তার জ্বালানি রূপান্তর এবং শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য (Critical Minerals Deals)।

     

  • Rajasthan: ভারতেই মিলল লিথিয়ামের বৃহত্তম ভাণ্ডারের খোঁজ, পরিমাণ কত জানেন?

    Rajasthan: ভারতেই মিলল লিথিয়ামের বৃহত্তম ভাণ্ডারের খোঁজ, পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের খনিজ মানচিত্রে যুক্ত হল এক ঐতিহাসিক মাইল ফলক। রাজস্থানের (Rajasthan) নাগৌর জেলার দেগানা অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ লিথিয়ামের (Lithium) সন্ধান মিলেছে। এই আবিষ্কার ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। কারণ, এর ফলে লিথিয়ামের জন্য চিনের ওপর ভারতের দীর্ঘদিনের নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।লিথিয়াম ভাণ্ডারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় খনিমন্ত্রক। ইতিমধ্যেই ওই অঞ্চলে খনিজ উত্তোলনের জন্য নিলাম প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, এটি হতে পারে ভারতে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় লিথিয়াম ভাণ্ডার।

    কত লিথিয়াম মিলেছে দেগানায়?

    ভারতীয় ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা সংস্থা (GSI)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেগানা অঞ্চলে আনুমানিক ১ কোটি ৪০ লাখ টন লিথিয়াম মজুত রয়েছে। এই ভাণ্ডার ভারতের মোট লিথিয়াম চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম হতে পারে বলে অনুমান। বর্তমানে ৭০–৮০ শতাংশ লিথিয়াম আমদানির জন্য চিনের ওপর নির্ভর করতে হয় ভারতকে। দেগানার এই ভাণ্ডার যদি বাণিজ্যিকভাবে সফলভাবে উন্নয়ন করা যায়, তাহলে তা ভারতের খনিজ ও শক্তি নিরাপত্তায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ লিথিয়াম?

    লিথিয়াম আধুনিক প্রযুক্তির একটি অপরিহার্য কাঁচামাল। বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যাটারি উৎপাদন, শক্তি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-সহ বিভিন্ন উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পে এই খনিজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতের পরিচ্ছন্ন শক্তি রূপান্তরের ক্ষেত্রে লিথিয়ামকে ‘স্ট্র্যাটেজিক মিনারেল’ হিসেবেই ধরা হয় (Rajasthan)। বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ডেগানা অঞ্চলে প্রায় ২৬,০০০ মিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ড্রিলিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এই সমীক্ষা শুধু লিথিয়ামেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে টাংস্টেন, বিসমাথ, টিন এবং কোবাল্টের মতো অন্যান্য মূল্যবান খনিজের উপস্থিতিও পরীক্ষা করা হয়েছে। এর ফলে রাজস্থানের সামগ্রিক খনিজ সম্ভাবনা নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আবিষ্কার ভারতের খনিজ নিরাপত্তা, বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যাটারি শিল্প এবং ভবিষ্যৎ শক্তি পরিকল্পনার ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে (Lithium)। রাজস্থানের ডেগানা অঞ্চলের রেভান্ত পাহাড়ে খনিজ অনুসন্ধানের ইতিহাস নতুন নয়। ব্রিটিশ রাজত্বে ১৯১৪ সালে এখানে প্রথম টাংস্টেনের সন্ধান মিলেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এই টাংস্টেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কাজে (Rajasthan) ব্যবহৃত হয়। পরবর্তী কয়েক দশক ধরে এলাকাটিতে খনন কার্য চললেও এক পর্যায়ে এসে তা বন্ধ হয়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে লিথিয়ামের সম্ভাব্য সন্ধান আবারও ডেগানাকে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ডেগানা শুধু রাজস্থানের জন্য নয়, বরং ভারতের ক্রমবর্ধমান খনিজ কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিথিয়ামের মজুত পাওয়া গেলে এটি রাজ্যের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

    দেশের একাধিক রাজ্যেও লিথিয়ামের ভাণ্ডার

    রাজস্থান ছাড়াও দেশের একাধিক রাজ্যে লিথিয়ামের ভাণ্ডার চিহ্নিত হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার সালাল-হামানা এলাকায় প্রায় ৫.৯ মিলিয়ন টন লিথিয়াম মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য ভাণ্ডার হিসেবে বিবেচিত হয়।ছত্তিশগড়ের কোরবা জেলায় ইতিমধ্যেই দেশের প্রথম লিথিয়াম ব্লকের নিলাম সম্পন্ন হয়েছে এবং শীঘ্রই সেখানে খনন কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্নাটকের মান্ড্যা জেলায় তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও প্রায় ১৪,১০০ টন লিথিয়ামের ভাণ্ডার চিহ্নিত হয়েছে (Rajasthan)।বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ (Lithium) এবং গুজরাটেও লিথিয়ামের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছে, যদিও এসব রাজ্যে এখনও বাণিজ্যিকভাবে খনন কার্য শুরু হয়নি।

    লিথিয়ামের অভ্যন্তরীণ চাহিদা

    ভারতে বৈদ্যুতিক যান বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ায় লিথিয়ামের অভ্যন্তরীণ চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে। ব্যাটারি উৎপাদনে লিথিয়াম একটি অপরিহার্য কাঁচামাল হওয়ায় ভবিষ্যতের জ্বালানি কৌশলে এই খনিজের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে (Rajasthan)। ডেগানায় লিথিয়াম খনন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজস্থানের জন্য উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয়ের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এই প্রকল্প দেশের আমদানি নির্ভরতা কমাতে, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং বৈশ্বিক লিথিয়াম বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে (Lithium)। বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন শুরু হলে ডেগানার এই প্রকল্প শুধু একটি রাজ্যের নয়, বরং গোটা দেশের খনিজ ও জ্বালানি নীতিতে এক রূপান্তরকারী অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে (Rajasthan)।

  • PM Modi: লিথিয়াম ট্রায়াঙ্গল-এর অন্যতম দেশ আর্জেন্টিনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন তাৎপর্যপূর্ণ এই সফর?

    PM Modi: লিথিয়াম ট্রায়াঙ্গল-এর অন্যতম দেশ আর্জেন্টিনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন তাৎপর্যপূর্ণ এই সফর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের সফরে আর্জেন্টিনায় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতীয় সময় শনিবার সকালে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয় এজেইজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (Argentina)। ৫৭ বছর পরে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রী পা রাখলেন ওই দেশে। ২০১৮ সালে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতেও আর্জেন্টিনায় গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

    প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট (PM Modi)

    জানা গিয়েছে, দু’দিনের এই সফরে মোদি আর্জেন্টিনার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ভারতের যে সহযোগিতা চলছে, তা নিয়ে পর্যালোচনা করবেন। আলোচনা করবেন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির উপায় নিয়ে। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আর্জেন্টিনার সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর আলোকপাত করে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য বুয়েনোস আইরেসে পৌঁছেছি। আমি রাষ্ট্রপতি জাভিয়ের মিলের সঙ্গে দেখা করতে এবং তাঁর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করতে আগ্রহী।” এই পর্বে প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি দেশ সফর করবেন। এটি তাঁর তৃতীয় গন্তব্য। এদিন হোটেলে পৌঁছানোর পর প্রবাসী ভারতীয়রা ‘মোদি মোদি’ স্লোগান দেন। চিৎকার করেন ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলেও। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে একটি নৃত্যও পরিবেশন করা হয় প্রবাসী ভারতীয়দের তরফে।

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের বক্তব্য

    এক্স হ্যান্ডেলে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল লিখেছেন, “আমাদের দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী বন্ধুত্ব অর্জন করছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি সরকারি সফরে আর্জেন্টিনার প্রাণবন্ত শহর বুয়েনোস আইরেসে অবতরণ করেছেন। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। ৫৭ বছরের মধ্যে এটি কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর আর্জেন্টিনা সফর, যা ভারত-আর্জেন্টিনা সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।” বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁর সফরকালে মোদি প্রতিরক্ষা, কৃষি, খনি, তেল ও গ্যাস নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ-সহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে ভারত-আর্জেন্টিনা (Argentina) অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে রাষ্ট্রপতি মিলের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা করবেন (PM Modi)। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক সফর ভারত ও আর্জেন্টিনার মধ্যে বহুমুখী কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করবে।”

    আর্জেন্টিনার খনিজ সম্পদ

    দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা লিথিয়াম, তামা এবং শেল গ্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। যা এই দেশটিকে ভারতের জন্য একটি সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি অংশীদার করে তুলছে। বিশেষ করে এমন একটা সময়ে যখন ভারত তার জ্বালানির উৎস বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় করার চেষ্টা করছে। আর্জেন্টিনায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শেল গ্যাসের মজুত রয়েছে। এর বেশিরভাগই এখনও অনুসন্ধান করা হয়নি। এই দেশে রয়েছে চতুর্থ বৃহত্তম শেল তেলের ভান্ডার। এছাড়াও দেশটিতে রয়েছে প্রচলিত তেল ও গ্যাসেরও বিপুল ভান্ডার।

    লিথিয়াম ট্রায়াঙ্গেলের একটি

    মনে রাখতে হবে, আর্জেন্টিনা লিথিয়াম ট্রায়াঙ্গেলের তিনটি দেশের একটি। বাকি দু’টি দেশ হল – বলিভিয়া ও চিলি। লিথিয়াম ট্রায়াঙ্গেল হল একটি অঞ্চল যা আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত এবং দক্ষিণ আমেরিকার এই তিনটি দেশের সীমান্তে বিস্তৃত। এই অঞ্চল লিথিয়াম সম্পদের জন্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। লিথিয়াম ভারতবর্ষের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ইলেকট্রিক যানবাহন ও গ্রিড স্টোরেজের রিচার্জেবল ব্যাটারিতে ব্যবহৃত হয়। ভারতের পরিচ্ছন্ন জ্বালানির লক্ষ্যের জন্য এটি অত্যাবশ্যক (Argentina)। ভারত ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনার লিথিয়াম সংগ্রহের দিকে একটি পদক্ষেপ করেছে। খনিজ বিদেশ ইন্ডিয়া লিমিটেড (ভারত সরকারের একটি যৌথ উদ্যোগ) আর্জেন্টিনার ক্যাটামার্কা প্রদেশে লিথিয়ামের ভান্ডারের খোঁজ চালানোর অধিকার পেয়েছে। আর্জেন্টিনা একটি বৃহৎ তরল প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্প, ‘আর্জেন্টিনা এলএনজি’, বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল এখনও পর্যন্ত অপ্রচলিত থাকা ভাকা মুইর্তা শেল গঠনের সম্ভাবনা অনুসন্ধান করা। এটি আর্জেন্টিনার নিউকেন অববাহিকায় অবস্থিত একটি বিশাল শেল গঠন, যা বিপুল পরিমাণ অপ্রথাগত তেল ও গ্যাসের জন্য পরিচিত (PM Modi)।

    এলএনজি রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্য

    জানা গিয়েছে, আর্জেন্টিনা ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ৩০ মিলিয়ন টন পর্যন্ত এলএনজি রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে ধাপে ধাপে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে। দেশটি আন্তর্জাতিকভাবে এলএনজি রফতানি বাড়ানোর কথাও ভাবছে এবং ভারতের উৎপাদন-পূর্ব খাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে আগ্রহ দেখিয়েছে (Argentina)। প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার সঙ্গে সঙ্গে ভারত ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির ওপর জ্বালানি সরবরাহ নির্ভরতা কমাতে চাইছে। বাজারের ওঠানামা এড়াতেও তার জ্বালানি সরবরাহকে বৈচিত্র্যময় করতে চাইছে। আর্জেন্টিনা-সহ পাঁচটি দেশে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সেই দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

    বিকল্প জ্বালানির খোঁজ

    গত কয়েক বছরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যখন যুদ্ধভেরী বাজছে, সেই সময় ভারত উপলব্ধি করেছে যে জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো বিকল্প হল একাধিক বিকল্প থাকা। আমেরিকার হুমকি সত্ত্বেও, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষের পর সস্তায় রাশিয়ান অপরিশোধিত তেল আমদানি করার ভারতের সিদ্ধান্ত, তার জ্বালানি সরবরাহকে বৈচিত্র্যময় করার ভারতের কৌশলের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এটি দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই মোদি সরকার এমন দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপনের (Argentina) জন্য কাজ করছে যারা ভারতের সম্ভাব্য জ্বালানি অংশীদার হতে পারে (PM Modi)।

  • Lithium: ১৬০০ টন লিথিয়ামের সন্ধান মিলল কর্নাটকে, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং

    Lithium: ১৬০০ টন লিথিয়ামের সন্ধান মিলল কর্নাটকে, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১৬০০ টন লিথিয়ামের (Lithium) সন্ধান পাওয়া গিয়েছে কর্নাটকে। অ্যাটমিক মিনারেল ডিরেক্টরেট ফর এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এএমডি)-এর পারমাণবিক শক্তি বিভাগের একটি ইউনিট, এই রাজ্যের মান্ডা এবং ইয়াদগিরি জেলায় বিরাট মাত্রায় খনিজ লিথিয়ামের উপস্থিতি আবিষ্কার করেছে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি এবং ভূ-বিজ্ঞান বিষয়ক মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) রাজ্যসভায় লিথিয়াম সম্পর্কে এই তথ্য জানিয়েছেন। লিথিয়াম এমন ধাতু, বিশ্বব্যাপী যার চাহিদা এই মুহূর্তে সর্বাধিক। সেই প্রেক্ষিতে এই আবিষ্কার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।  

    ঠিক কী বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Lithium)?

    এএমডি পারমাণবিক শক্তি বিভাগের একটি ইউনিট প্রাথমিক ভাবে সমীক্ষা করেছে। এরপর সংস্থার তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। আর তাতেই ভূ-গর্ভের নিচে থাকা এই প্রাকৃতিক খনিজ লিথিয়াম (Lithium)-এর বিপুল পরিমাণে থাকার কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) রাজ্যসভায় একটি প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এই কথা জানিয়ে বলেছেন, “কর্নাটকের মান্ডা এবং ইয়াদগিরি জেলায় লিথিয়ামের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এএমডি সক্রিয়ভাবে ছত্তিশগড়ের কোরবা জেলা সহ ভারতের অন্যান্য অংশেও লিথিয়ামের সম্ভাব্য উপস্থিতির অনুসন্ধানের কাজ করছিল। রাজস্থান, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের প্রধান অভ্র সমৃদ্ধ অঞ্চল এবং ওড়িশা, ছত্তিশগড়, কর্নাটকের আগ্নেয়শিলা যুক্ত অঞ্চলে লিথিয়াম খনিজ দ্রব্যের সন্ধান চালানো হচ্ছিল। তাতেই মিলেছে সাফল্য।” এর আগে, এএমডি হিমাচল প্রদেশে একটি প্রাথমিক সমীক্ষা করে হামিরপুর জেলার মাসানবলে ভূ-পৃষ্ঠের নিচে ইউরেনিয়ামের উপস্থিতিকে শনাক্ত করেছে। তিনি আরও বলেছেন, “ছোট মডুলার পরমাণু চুল্লি নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে কেন্দ্রের পারমাণবিক শক্তি বিভাগ। ভারত এবং রুশ সরকার ক্ষুদ্র মডুলার চুল্লির ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করবে। একই ভাবে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও সম্প্রসারণে দুই দেশ পরস্পরের কাছে বদ্ধপরিকর থাকবে।”

    আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত হল নিট-ইউজির সংশোধিত ফলাফল, মেধা তালিকার প্রথমে বাংলার পড়ুয়াও

    ১৮১৭ সালে আবিষ্কার হয়েছিল লিথিয়াম

    লিথিয়াম খনিজ উপাদানটি প্রথম ১৮১৭ সালে জোহান অগাস্ট আরফভেডসন আবিষ্কার করেছিলেন। লিথিয়াম (Lithium) শব্দটি গ্রীক ভাষায় লিথোস থেকে এসেছে, যার অর্থ পাথর। সর্বনিম্ন ঘনত্বের ধাতু, লিথিয়াম। জলের সঙ্গে জোরালোভাবে বিক্রিয়া করে এই ধাতু এবং প্রকৃতিতে অত্যন্ত বিষাক্ত। সবচেয়ে বেশি পরিমাণে লিথিয়াম ব্যবহার করা হয় মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ডিজিটাল ও ইলেকট্রিক ডিভাইসের রিচার্জেবল ব্যাটারিতে। এ ছাড়া হার্ট পেসমেকার, খেলনা, ঘড়ি ইত্যাদিতে নন-রিচার্জেবল ব্যাটারি হিসেবে লিথিয়াম ব্যবহৃত হয়। লিথিয়ামকে অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে সংকর ধাতু হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PAFF: ‘আমাদের সম্পদ চুরি করলে হামলা হবে’, কাশ্মীরে লিথিয়াম ভাণ্ডার নিয়ে হুমকি পাফের

    PAFF: ‘আমাদের সম্পদ চুরি করলে হামলা হবে’, কাশ্মীরে লিথিয়াম ভাণ্ডার নিয়ে হুমকি পাফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu & Kashmir) মিলেছে লিথিয়ামের (Lithium) বিপুল ভাণ্ডার। দিন তিনেক আগে উপত্যকায় মেলা এই সাদা সোনার ভাণ্ডারের কথা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। তার বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই হুমকি দিল পাক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গী পিপলস অ্যান্টি ফ্যাসিস্ট ফ্রন্ট (PAFF)। রীতিমতো চিঠি লিখে ওই জঙ্গি সংগঠন জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর থেকে যে সব সংস্থা লিথিয়াম উত্তোলন করে ব্যবসার কাজে লাগাবে, তাদের ওপর হামলা হবে। প্রসঙ্গত, এই জঙ্গি সংগঠন প্রায়ই নিরাপত্তা রক্ষী, রাজনৈতিক নেতা এবং ভিন রাজ্য থেকে জম্মু-কাশ্মীরে কাজে আসা লোকজনকে হুমকি দেয়।

    জম্মু-কাশ্মীর…

    ৯ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় ভূতত্ত্ব সমীক্ষকরা জানান, জম্মু-কাশ্মীরের রিয়াসিতে প্রায় ৬ মিলিয়ন টনের লিথিয়াম ভাণ্ডার রয়েছে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় খনি মন্ত্রক বিবৃতি জারি করে জানায়, দেশের মধ্যে এই প্রথমবার লিথিয়াম খনির সন্ধান মিলেছে কাশ্মীর উপত্যকায়। লিথিয়াম ও সোনা মিশ্রিত ৫১টি খনিজ ব্লক সংশ্লিষ্ট রাজ্য প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এরপরেই পাফের (PAFF) তরফে সাধারণ নাগরিকদের উদ্দেশে বার্তা দেওয়া হয়, নিজেদের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে একজোট হোন সকলে। চিঠিতে লেখা হয়েছে, এই সম্পদ জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দাদের। এটা জম্মু-কাশ্মীরবাসীর কল্যাণের কাজে ব্যবহৃত হবে। কোনও কুৎসিত হিন্দুত্ব চোরকে আমাদের সম্পদ চুরি করতে দেওয়া হবে না। পরে এটা নিয়ে আমাদেরই হত্যা করবে। ভারতীয় কোম্পানি যারা জম্মু-কাশ্মীরের ঘোলা জলে মাছ ধরতে আসবে, তাদের কেবল জম্মু-কাশ্মীর নয়, ভারত মায় ভারতের বাইরেও প্রতিশোধ নেওয়া হবে। যারা আমাদের চেনে, তারা জানে আমরা যা বলি, তা করি।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপির কিছু লুকোনোর নেই, ভয় পাওয়ারও নেই’, আদানিকাণ্ডে বললেন শাহ

    সূত্রের খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের কোনও একটি জায়গা থেকে চিঠিটি (PAFF) লেখা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, জইশের সঙ্গী এই সংগঠনটি উপত্যকার উন্নতি সাধন করবে এবং কোনও ভারতীয় সংস্থা যাতে তাদের নিজেদের প্রাকৃতিক সম্পদ তুলে নিয়ে যেতে না পারে, সেই ব্যবস্থাও করবে। কেউ সে কাজ করলে তাদের ওপর হামলা হবেই। চিঠিতে ড্রোনের ছবিও দেওয়া হয়েছে। এই ছবি দিয়ে জঙ্গিরা বার্তা দিতে চাইছে, জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন ঘটনার ওপর নজর রয়েছে তাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share