Tag: Lok Sabha Secretariat

Lok Sabha Secretariat

  • Lok Sabha Speaker: লোকসভায় বড় ভাঙন, শিন্ডে শিবিরে যোগ উদ্ধব শিবিরের ছয় শিবসেনা সাংসদের, আলাদা আসন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীকেও

    Lok Sabha Speaker: লোকসভায় বড় ভাঙন, শিন্ডে শিবিরে যোগ উদ্ধব শিবিরের ছয় শিবসেনা সাংসদের, আলাদা আসন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক দু’দিন আগে দেশের রাজনীতিতে ঘটল বড় ধরনের পালাবদল। লোকসভার স্পিকার (Lok Sabha Speaker) ওম বিড়লা আনুষ্ঠানিকভাবে শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় লোকসভা সাংসদের একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনায় (Shiv Sena UBT) যোগদানের অনুমোদন দিয়েছেন। এর ফলে লোকসভায় শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনার সাংসদ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩।

    শক্তি বাড়ল এনডিএর (Lok Sabha Speaker)

    লোকসভা সচিবালয়ের জারি করা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে অষ্টাদশ লোকসভায় বিভিন্ন দলের সংশোধিত অবস্থান প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (ইউবিটি) থেকে ওই ছয় সাংসদের দলবদলের বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনাকে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনর্বিন্যাস হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে লোকসভায় বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএর শক্তিও আরও বৃদ্ধি পেল। এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের জন্যও লোকসভায় পৃথক আসন বিন্যাসের অনুমতি দিয়েছেন স্পিকার। বর্ষীয়ান নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন এই গোষ্ঠী ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে একীভূত হওয়ার আবেদন জানিয়েছে। যদিও ওই দলভুক্তিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। সাংবিধানিক ও আইনি দিকগুলি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বৈঠকে আমন্ত্রণ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের 

    অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের সরকারের ডাকা সর্বদলীয় ফ্লোর লিডারদের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই আরও কিছু রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত মিলছে। ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগে এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে এনডিএর সাংসদ সংখ্যা আরও বেড়েছে। তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সমর্থন এবং শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় সাংসদের শিন্ডে শিবিরে যোগদানের ফলে সরকার গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করানোর ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পেতে পারে বলেই শুরু হয়েছে জল্পনা (Lok Sabha Speaker)।

    বিল পাসে আশাবাদী সরকার

    রাজনৈতিক মহলের ধারণা, লোকসভায় সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল এবং মহিলাদের সংরক্ষণ সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করানোর ক্ষেত্রে সরকার নতুন করে আশাবাদী। শরদ পওয়ার নেতৃত্বাধীন এনসিপি এবং দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমের সমর্থন মিলতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। এই ধরনের সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করাতে লোকসভায় মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিলটি পাস করানো সম্ভব হয়নি।

    ‘অন্যায়’ আবদার তৃণমূল-উদ্ধব ঠাকরের দলের

    এদিকে, তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস জোট ভেঙে টিভিকে-কে সমর্থন করার পর দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমও লোকসভায় কংগ্রেসের থেকে আলাদা আসন বিন্যাসের আবেদন করেছে। যদিও স্পিকার এখনও এ বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাননি। তবে তা অনুমোদিত হতে পারে বলেই জল্পনা রাজনৈতিক মহলে। শিবসেনা (ইউবিটি) এবং তৃণমূল কংগ্রেস—দুই দলই তাদের বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর (Shiv Sena UBT) সদস্যসংখ্যা দলত্যাগ-বিরোধী আইনের বিধান লঙ্ঘন না করায় স্পিকারের পক্ষে তাঁদের অযোগ্য ঘোষণা করার সম্ভাবনা খুবই কম (Lok Sabha Speaker)।

     

  • Congress: ১৩ বছর ধরে আকবর রোডের বাংলো দখলে রেখে দিয়েছে কংগ্রেস, এক টাকাও ভাড়া পায়নি কেন্দ্র!

    Congress: ১৩ বছর ধরে আকবর রোডের বাংলো দখলে রেখে দিয়েছে কংগ্রেস, এক টাকাও ভাড়া পায়নি কেন্দ্র!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) পূর্বতন সদর দফতর ২৪, আকবর রোডের বাংলোটি ২০১৩ সালের ২৬ জুন থেকে “অননুমোদিতভাবে দখলে” রয়েছে এবং ওই সময়ের পর থেকে সরকার কোনও (RTI) ভাড়াই পায়নি বলে তথ্যের অধিকার আইনের (আরটিআই) আবেদনের জবাবে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কংগ্রেসের বকেয়া কত রয়েছে, তা এখনও পর্যালোচনাধীন, এবং নির্ধারণ করা হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।

    বাংলো দখল কংগ্রেসের (Congress)

    সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসা আরটিআই জবাবে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীন এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছে, নয়াদিল্লির লুটিয়েন্স এলাকার ২৪, আকবর রোডের বাংলোটি ১৯৯২ সালের ৭ আগস্ট কংগ্রেসকে বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে ২০১৩ সালের ২৬ জুন থেকে ওই বরাদ্দ বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই বাংলোটি কংগ্রেসের “অননুমোদিত দখলে” রয়েছে। আরটিআই জবাবে এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছে, ২০১৩ সালের ২৬ জুনের পর থেকে ২৪, আকবর রোডের জন্য কোনও ভাড়া জমা পড়েনি। কংগ্রেসের বকেয়া অর্থের পরিমাণ এখনও পর্যালোচনাধীন এবং তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে কংগ্রেসের কাছ থেকে সরকারের কত টাকা পাওনা, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

    তথ্য প্রকাশের গুরুত্ব

    আরটিআই আবেদনকারী জানতে চেয়েছিলেন, কংগ্রেসকে বাংলো খালি করার জন্য সরকার কোনও নোটিশ জারি করেছিল কি না, এবং করলে তার প্রতিলিপি। তবে এস্টেট অধিদফতর সেই তথ্য দিতে অস্বীকার করে। তাদের বক্তব্য, এই (Congress) ধরনের নথি আলাদা করে সংকলিত অবস্থায় সংরক্ষিত নেই। সেগুলি সংগ্রহ ও সংকলন করতে গেলে তথ্যের অধিকার আইনের ৭(৯) ধারার আওতায় সরকারি দফতরের সম্পদের অযৌক্তিক ব্যবহার হবে। এই তথ্য প্রকাশের গুরুত্ব রয়েছে। কারণ ২০১৮ সালে সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসা আর একটি আরটিআইয়ের জবাবে এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছিল, ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ২৪, আকবর রোডের মাসিক লাইসেন্স ফি সংশোধন করে ৩,৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই জবাবের সঙ্গে ২০১৩ সালে কংগ্রেসের বরাদ্দ বাতিলের চিঠির প্রতিলিপিও দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি জানানো হয়েছিল, বাংলোটি আগের শর্তে রাখার এবং স্বাভাবিক লাইসেন্স ফি নেওয়ার বিষয়ে কংগ্রেসের আবেদন বিবেচনাধীন রয়েছে।

    ১১, অশোক রোড সম্পর্কেও তথ্য

    এদিকে, আরটিআই আবেদনে লুটিয়েন্স দিল্লির ১১, অশোক রোড সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছিল, যা একসময় ভারতীয় জনতা পার্টির সদর দফতর ছিল। এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছে, ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ ওই বাংলোটি বিজেপিকে বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে ওই সম্পত্তি লোকসভার সদস্যদের আবাসন পুলের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ফলে ভাড়া আদায় এবং বর্তমানে কে ভাড়া দিচ্ছে, সেই সংক্রান্ত তথ্যের আবেদন লোকসভা সচিবালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরটিআই জবাবে আরও বলা হয়েছে, বিজেপির সরকারের কাছে কোনও বকেয়া থাকলে তার পরিমাণও এখনও পর্যালোচনাধীন এবং নির্ধারণ করা হয়নি। এর আগে, ২০১৯ সালে সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসা একটি আরটিআই জবাবে জানানো হয়েছিল, ১১, অশোক রোডের বাংলোটি তখনও বিজেপির দলীয় কার্যালয় হিসেবেই ব্যবহৃত হচ্ছিল। এছাড়া ২০১৮ সালের আর একটি আরটিআই (RTI) আবেদনের উত্তরে জানানো হয়েছিল, ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ওই বাংলোর মাসিক লাইসেন্স ফি ৩,৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে (Congress)।

     

  • BJP: সুকান্তকে বারবার হেনস্তা! ব্যাখ্যা তলব লোকসভার, একই অভিযোগে হাইকোর্টে বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    BJP: সুকান্তকে বারবার হেনস্তা! ব্যাখ্যা তলব লোকসভার, একই অভিযোগে হাইকোর্টে বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের উপর হামলার ঘটনায় এবার সক্রিয় হল লোকসভার সচিবালয়। এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে ব্যাখ্যা তলব করতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, তাঁকে একাধিকবার ‘হেনস্থা’ করা হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে এদিনই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, পুলিশ তাঁকে বার বার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্থা করেছে। পুলিশের ‘অতিসক্রিয়তা’ নিয়ে মামলা দায়েরের আবেদন জানানো হয় এদিন। আদালত থেকে মামলা দায়েরের অনুমতিও মিলেছে। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিলেই সুকান্তকে বার বার পুলিশ হয়রানি করছে

    এর আগে, কখনও বজবজে, আবার কখনও খাস কলকাতার বুকে পুলিশের বাধার মুখে পড়তে দেখা যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে। এমনকি, তিনি একাধিকবার গ্রেফতারও হয়েছেন পুলিশের হাতে। পরে অবশ্য ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেয়েছেন সুকান্ত। বিজেপির (BJP) অভিযোগ, প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিলেই সুকান্তকে বার বার পুলিশি হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। গেরুয়া শিবির মনে করছে, এর সবটাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    ১৯ জুন বজবজে আক্রান্ত হন সুকান্ত, ভিডিও পাঠানো হয় ওম বিড়লাকে

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ১৯ জুন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজে এক আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়েছিলেন সুকান্ত। সেই সময় তাঁর কনভয় প্রথমে আটকে দেওয়া হয়, এরপর তিনি রাস্তায় নামতেই ইট-পাটকেল, এমনকি জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। গোটা ঘটনার ভিডিও ফুটেজ-সহ বিবরণ পাঠানো হয় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। সেই সঙ্গে ‘স্বাধিকারভঙ্গ’-এর অভিযোগও তোলা হয় এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে (BJP) চিঠি দেয় লোকসভার সচিবালয়। ওই চিঠিতে ১৫ দিনের মধ্যে ঘটনার প্রকৃত বিবরণ (ফ্যাকচুয়াল নোট) জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই নোট তৈরির জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে ব্যাখ্যা তলব করার কথা বলা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিবেদন হাতে এলেই তা স্পিকারের কাছে পেশ করবে লোকসভার সচিবালয়।

    কী বলছেন সুকান্তর আইনজীবী?

    অন্যদিকে, এদিন হাইকোর্টে মামলা দায়েরের সময় সুকান্ত মজুমদারের আইনজীবীও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিজেপি (BJP) নেতাকে টার্গেট করা হচ্ছে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মাকে এই বিষয়ে চিঠিও পাঠানো হয়েছিল। তবে, কোনও জবাব না পাওয়ায় আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে খবর বিজেপি সূত্রে।

    ১৯ জুনের ঘটনার জেরে তিন পুলিশ আধিকারিকের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে

    এছাড়া ১৯ জুনের ঘটনার জেরে তিন পুলিশ আধিকারিকের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে। তাঁরা হলেন ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপার রাহুল গোস্বামী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর), এবং স্থানীয় এসডিপিও। সুকান্ত যে চিঠিটি ২০ জুন স্পিকারকে পাঠিয়েছিলেন, তাতে এই তিন জনের বিরুদ্ধেই নির্দিষ্ট অভিযোগ তোলা হয়েছে। সুকান্তর দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর কনভয় ঘিরে হামলা চালায়, ইট-পাটকেল ছোড়ে, গাড়ি ভাঙচুর করে। তাঁর অনেক অনুগামী এতে আহত হন বলে জানিয়েছেন সুকান্ত। পুলিশ সুপার উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কোনওরকম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও এসডিপিও ঘটনাস্থলেই ছিলেন না। লোকসভার সচিবালয় এবার ওই তিন অফিসারের ভূমিকাতেই বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। ওই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছেও।

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার

    অন্যদিকে, কসকাকাণ্ডের প্রতিবাদে গত শনিবারই গড়িয়াহাট মোড়ে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত করে বিজেপি। এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি সেদিন দলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে গড়িয়াহাট মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন। কিন্তু বিক্ষোভের সময় পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ, পুলিশ জোর করে বিজেপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ভাঙার চেষ্টা করে। তখনই পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। এই পরিস্থিতিতে পুলিশ সুকান্ত মজুমদারকে আটক করে। তাঁকে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে ব্যক্তিগত বন্ডে মুক্তি দেওয়া হয়। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে বিজেপি। তাদের দাবি, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই বারবার রাজ্য পুলিশকে ব্যবহার করছে শাসকদল। সুকান্ত নিজেও এই ঘটনার পরে একটি অডিও বার্তা প্রকাশ করে বলেন, “এক মাসে চারবার আমাকে রাস্তায় আটক করে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে। কোনও অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও আমাকে লালবাজারে এনে বসিয়ে রাখছে।” এই সমস্ত অভিযোগ নিয়েই এবার তিনি (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হলেন হাইকোর্টে।

  • Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্রর মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ব্যাখ্যা চাইতে পারে না, দাবি লোকসভার সচিবালয়ের

    Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্রর মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ব্যাখ্যা চাইতে পারে না, দাবি লোকসভার সচিবালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষ নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অপরাধে তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ করা নিয়ে মামলা চলছে শীর্ষ আদালতে। এ প্রসঙ্গে লোকসভার সচিবালয়কে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এরপরই লোকসভার সচিবালয়ের তরফে সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে এই বিষয়টি নিয়ে আদালত কোনও ব্যাখ্যা চাইতে পারে না। কারণ ১২২ নম্বর ধারা অনুসারে সংবিধান নির্দিষ্টভাবে দেখিয়ে দিয়েছে যে সংসদ তাদের অভ্যন্তরীন কাজকর্মে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে। সেখানে আদালতের কোনও হস্তক্ষেপ চলবে না।

    লোকসভার সচিবালয়ের যুক্তি

    ঘুষ নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অভিযোগে লোকসভা থেকে মহুয়ার (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। লোকসভার এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের বরখাস্ত তৃণমূল সাংসদ। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ এই মামলা শুনছিলেন। আগামী ৬ মে ফের এই মামলার দিন পড়েছে। তার আগেই লোকসভার সচিবালয়ের তরফে চিঠিতে লেখা হয়েছে,‘‘ভারতীয় সংবিধানে আইনসভা এবং বিচারবিভাগের ক্ষমতা এবং এক্তিয়ারের সুস্পষ্ট বিভাজন রয়েছে। তাই সংসদের কার্যপদ্ধতি (এবং সিদ্ধান্ত) সংক্রান্ত পদ্ধতির কোনও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে না শীর্ষ আদালত। হাউস (এ ক্ষেত্রে লোকসভা) নিজেই এর বৈধতার একমাত্র বিচারক।’’

    আরও পড়ুন: ‘অস্বস্তিকর প্রশ্ন করলেই এসএসসি চুপ থাকে’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কটাক্ষ

    মহুয়ার ধাক্কা

    একের পর এক ক্ষেত্রে ধাক্কা খাচ্ছেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্টেও ধাক্কা খেয়েছিলেন মহুয়া। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং আইনজীবী জয় দেহাদ্রাই যাতে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ‘ভুয়ো ও মানহানিকর’ বিষয়বস্তু পোস্ট বা প্রচার না করেন সেটা থেকে বিরত রাখতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র আবেদন করেছিলেন। দিল্লি হাইকোর্টে এই আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share