Tag: loksabha

loksabha

  • White Paper On Economy: কী ছিল, কী হল! গত ১০ বছরে মোদি সরকারের অর্থনীতির শ্বেতপত্রে বিধ্বস্ত কংগ্রেস

    White Paper On Economy: কী ছিল, কী হল! গত ১০ বছরে মোদি সরকারের অর্থনীতির শ্বেতপত্রে বিধ্বস্ত কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএ ও এনডিএ আমলে দেশের আর্থিক অবস্থার তুলমূল্য বিচার করা হল। বৃহস্পতিবার লোকসভায় ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে শ্বেতপত্র  (White Paper  On Economy) প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বাজপেয়ী সরকারের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে একটি ‘সুস্থ অর্থনীতি’ পেয়েছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। কিন্তু, ১০ বছর আগে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট ভারতীয় অর্থনীতিকে শুধু খারাপ অবস্থায় নয়, ‘সঙ্কটাপন্ন’ অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিল, বলে দাবি করা হয়েছে শ্বেতপত্রে।

    কী আছে শ্বেতপত্রে

    ‘শ্বেতপত্র’ এক ধরনের তথ্য সম্বলিত রিপোর্ট। এতে কোনও বিষয় নিয়ে সরকারি নীতি, সরকারের কৃতিত্ব এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। কেন্দ্রের দাবি, ২০০৪ সালে যখন ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় আসে তখন দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধি ছিল ৮ শতাংশ। শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রে তা ছিল ৭ শতাংশ। কৃষিক্ষেত্রে তা ছিল ৯ শতাংশে। কিন্তু সেই পরিস্থিতির ফায়দা তুলতে ব্যর্থ কংগ্রেস। শ্বেতপত্রে দেখানো হয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১৪- এই এক দশকে গড় বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৮.২ শতাংশ। আর এই চড়া মুদ্রাস্ফীতি রুখতে ইউপিএ কোনও পদক্ষেপই করেনি বলে অভিযোগ। এরই পাশাপাশি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, বৃহত্তর অর্থনৈতিক কল্যাণের জন্য বহু কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনডিএ সরকার। তৈরি করেছে শক্তিশালী পরিকাঠামো। 

    কী হয়েছে

    ভারতীয় অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে এবং অর্থনীতির মৌলিক বিষয়গুলিকে ‘সুস্থ’ করতে বহুমুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিল মোদি সরকার। সেই সময় বিশ্বের অন্যতম ভঙ্গুর অর্থনীতির একটি ছিল ভারতের অর্থনীতি। পরের দশ বছরে, মোদি সরকার ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় সর্ববৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত করেছে। ইউপিএ আমলে ২জি কেলেঙ্কারি ছিল। এখন, ভারতের জনসংখ্যার অধিকাংশ সর্বনিম্ন মূল্যে ৪জি যোগাযোগের সুবিধা পান। ২০২৩-এ গোটা বিশ্বের মধ্যে সবথেকে দ্রুত ৫জি রোলআউট হয়েছে। সেই সময় কয়লা কেলেঙ্কারি ছিল। আজ প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগাতে, স্বচ্ছ এবং উদ্দেশ্যমূলক নিলাম ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। সেই সময়, আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ছিল। এখন, ভারতের ঘরে রেকর্ড পরিমাণ, ৬২০ বিলিয়নের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: আজই ‘সদস্য’ পদ হারাবেন মহুয়া? সোমবার লোকসভায় এথিক্স কমিটির রিপোর্ট পেশ

    Mahua Moitra: আজই ‘সদস্য’ পদ হারাবেন মহুয়া? সোমবার লোকসভায় এথিক্স কমিটির রিপোর্ট পেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বল্পমেয়াদী শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই মহুয়া (Mahua Moitra) ইস্যুতে উত্তাল হয়ে উঠতে পারে লোকসভা (Loksabha Winter Session)।  আজ, সোমবার থেকে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন বসছে। চলবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই অধিবেশনে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাতটি সহ ২১টি বিল পাশ করাতে চায়। তার মধ্যে অন্যতম হল ফৌজদারি দণ্ডবিধি সংশোধনী বিল। এ ছাড়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিলও এই অধিবেশনে পাশ করানোর কথা। 

    মহুয়ার ভবিষ্যত

    শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই নজরে থাকবে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়ার বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে প্রশ্ন করার অভিযোগে লোকসভার এথিক্স কমিটির তদন্ত রিপোর্ট আজই অধিবেশনে পেশ হওয়ার কথা। নানা সূত্রে ইতিমধ্যে জানা গিয়েছে, এথিক্স কমিটি মহুয়াকে লোকসভা (Loksabha Winter Session) থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে। এই রিপোর্ট লোকসভার অধিবেশনে পেশ করার পর সেটির উপরে আলোচনা হতে পারে অথবা সরাসরি ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রস্তাব পাশ করানো যায়। মহুয়ার ব্যাপারে এখন স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাঁর উপর নির্ভর করবে পরবর্তী পরিস্থিতি। স্পিকার ওম বিড়লা চাইলে প্রস্তাব পেশের পর ভোটাভুটি আপাতত স্থগিত রাখতে পারেন।

    আরও পড়ুন: রাজস্থানের যোগী! বালকনাথ কি বসতে চলেছেন মরুরাজ্যের কুর্সিতে?

    আজই কি শেষ দিন

    ইতিমধ্যেই বিজেপি (BJP) সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, তার সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিত দিয়েছেন, ‘টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন’ বিতর্কে মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে। লোকসভার (Loksabha Winter Session) পোর্টালে প্রত্যেক সাংসদের আলাদা লগইন ও পাসওয়ার্ড থাকে। এথিক্স কমিটি (Ethics Committee) রিপোর্টে উল্লেখ, ‘সেই লগইন ও পাসওয়ার্ড শেয়ার করেছিলেন মহুয়া। এরপরই দেশের বাইরে থেকে পোর্টালে লগইন করা হয়’। কমিটির মতে, ‘স্রেফ অনৈতিক নয়, এই কাজ সংসদের অবমাননা’।  কমিটির আরও সুপারিশ, ‘টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন’ বিতর্কে কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত করা উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের’। এ প্রসঙ্গে লোকসভার অধিকাংশ সাংসদই চাইছেন মহুয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সংখ্যাধিক্যের জোরে এথিক্স কমিটির প্রস্তাব আজ পাস হয়ে যেতে পারে লোকসভায়। তেমন হলে সোমবারই এই লোকসভায় হবে মহুয়ার শেষ দিন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ৬ মাস আগেই লোকসভা ভোট! কী বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার?

    Lok Sabha Election 2024: ৬ মাস আগেই লোকসভা ভোট! কী বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এক দেশ এক ভোট’ ইস্যুতে সংবিধান মেনে চলার বার্তা দিলেন নির্বাচন কমিশন। বিধানসভা নির্বাচন এবং লোকসভা ভোট একসঙ্গেই করতে চায় কেন্দ্র সরকার। এ প্রসঙ্গে ইতিমধ্যে বিশেষ কমিটিও গঠন করেছে সরকার। বুধবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,  ‘‘আইনের মধ্যে থেকে আমরা নির্বাচন করতে প্রস্তুত।’’

    নির্বাচন কমিশনের অভিমত

    সামনেই মধ্য প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। তার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বুধবার ভোপালে পৌঁছন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন,  ‘‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন শেষ করে ফেলাই আমাদের কাজ। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন মেনে সংবিধান আমাদের যে অধিকার দিয়েছে, তা অনুযায়ী আমরা নির্বাচন সংগঠন করে থাকি।’’ একইসঙ্গে রাজীব কুমার আরও বলেন, ‘‘এই জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার ছয় মাস আগেই নির্বাচন করা যায়। রাজ্য বিধানসভাগুলির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। সংবিধান এবং এই জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের আওতায় থেকে আমরা নির্বাচন করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘যোগ্য জবাব দেওয়া প্রয়োজন’’! সনাতন ধর্ম বিতর্কে মুখ খুললেন মোদি

    নির্বাচন নিয়ে জল্পনা

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারের এই মন্তব্যের পরই আবার আলোচনা শুরু হয় তাহলে কি এগিয়ে আসতে চলেছে লোকসভা ভোট? যদিও এ প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি রাজীব কুমার। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে সেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কমিশন (Chief Election Commissioner)।  ডিসেম্বরে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোট। গত প্রায় বেশ কয়েক বছর ধরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের গলায় নানাভাবে এই এক দেশ এক নির্বাচন প্রক্রিয়ার কথা শোনা গিয়েছে। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে একইসঙ্গে বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচন হতে পারে দেশে। এই পদক্ষেপে একদিকে যেমন নির্বাচনের খরচ এক ধাক্কায় অনেকটা কমবে। আবার, নির্বাচিত সরকারগুলিও কাজ করার জন্য বেশি সময় পাবে। বাড়বে কেন্দ্র-রাজ্য সম্বন্বয়। আর তাই এক দেশ এক ভোটের পক্ষে সওয়াল করছে শাসকদল। প্রসঙ্গত, আগামী ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডাকা হয়েছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন। সেই অধিবেশন চলাকালীন এই এক দেশ এক নির্বাচন প্রস্তাব আনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Services Bill: লোকসভায় পাশ দিল্লি পরিষেবা বিল, ওয়াক আউট বিরোধীদের

    Delhi Services Bill: লোকসভায় পাশ দিল্লি পরিষেবা বিল, ওয়াক আউট বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীদের ‘আপত্তি’র মধ্যেই বৃহস্পতিবার লোকসভায় পাশ হল দিল্লি রাজধানী এলাকা সরকার (সংশোধনী) বিল, ২০২৩। সারা দিন ধরে এই বিলের উপর বিতর্কের পর, লোকসভায় ধ্বণিভোটে পাস হয় দিল্লির আমলাতন্ত্র নিয়ে এই বিল (Delhi Services Bill)। সংসদের নিম্নকক্ষে বিলটি পাশ হওয়ার পরই ওয়াক আউট করেন বিরোধী সাংসদরা। এই বিল আইনে পরিণত হলে, দিল্লিতে আমলা নিয়োগ এবং বদলির ক্ষমতা হারাবে দিল্লির নির্বাচিত সরকার। এই ক্ষমতা ন্যাস্ত হবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

    বিল নিয়ে বিরোধ

    দিল্লির (Delhi Services Bill) আমলাদের নিয়োগ এবং বদলির রাশ কার হাতে থাকবে—এই নিয়ে জল গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। গত ১১ মে শীর্ষ আদালতের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ সর্বসম্মত ভাবে জানিয়েছিল, আমলাদের রদবদল থেকে যাবতীয় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে দিল্লির নির্বাচিত সরকারের। তবে পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা এবং ভূমি দফতর সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কেন্দ্রের হাতেই থাকবে বলে জানানো হয়। গত ১৯ মে আদালতের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে অধ্যাদেশ জারি করে মোদি সরকার। অধ্যাদেশে বলা হয়, জাতীয় রাজধানী সিভিল সার্ভিসেস কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে। আমলাদের নিয়োগ এবং বদলির ব্যাপারে তাঁরাই সিদ্ধান্ত নেবেন।

    আরও পড়ুন: ‘লোকসভায় ৩৬ আসন জেতার শপথ নিন’, বিজেপি কর্মীদের বললেন শুভেন্দু

    বিলের স্বপক্ষে যুক্তি

    দিল্লি সার্ভিসেস বিল (Delhi Services Bill) নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এদিন লোকসভায় সাসপেন্ড করা হয় আম আদমি পার্টির একমাত্র লোকসভা সাংসদ সুশীলকুমার রিঙ্কুকে। তাঁর বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের চেয়ারের দিকে কাগজ ছোড়ার অভিযোগ রয়েছে। পুরো বাদল অধিবেশনের জন্যই সাসপেন্ড করা হয়েছে আপ সাংসদকে। এদিন এই বিলের বিষয়ে আলোচনার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, সুপ্রিম কোর্টের আদেশেই বলা হয়েছে, জাতীয় রাজধানী অঞ্চল দিল্লির বিষয়ে যে কোনও বিষয়ে আইন তৈরি করার অধিকার রয়েছে সংসদের। এছাড়া, সংবিধানও কেন্দ্রকে দিল্লির জন্য আইন তৈরির অনুমতি দিয়েছে। এদিন লোকসভায় এই বিল পাশ হওয়ার পর বিলটি রাজ্যসভার বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে। রাজ্যসভায় বিরোধী সাংসদদের সংখ্যা বেশি থাকলেও, এই বিলটি সম্ভবত সহজেই পাশ হয়ে যাবে। বিরোধীদের জোট ‘ইন্ডিয়া’ এই বিলের বিরোধিতা করলেও, নবীন পট্টনায়কের বিজু জনতা দল এবং জগনমোহন রেড্ডির ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি বিলটিকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share