Tag: LPG Imports

  • LPG: হরমুজ পেরিয়ে ভারতের পথে আরও দুই এলপিজি ট্যাঙ্কার, নাবিকদের মুখে ‘ভারত মাতা কি জয়’

    LPG: হরমুজ পেরিয়ে ভারতের পথে আরও দুই এলপিজি ট্যাঙ্কার, নাবিকদের মুখে ‘ভারত মাতা কি জয়’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আসছে আরও দুটি এলপিজি (LPG) বহনকারী ট্যাঙ্কার। এগুলিতে প্রায় ৯৪,০০০ মেট্রিক টন রান্নার গ্যাস রয়েছে। নিরাপদে হরমুজ প্রণালী (Hormuz Strait) পার হয়ে ভারতের দিকে আসছে। রবিবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে এই খবর। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বিডব্লু টিওয়াইআর’ (BW Tyr) এবং ‘বিডব্লু ইএলএম’ (BW Elm) নামের জাহাজ দু’টির যথাক্রমে ৩১ মার্চ মুম্বই এবং ১ এপ্রিল নিউ মাঙ্গালোরে পৌঁছানোর কথা। এই ভারতীয় জাহাজগুলো হরমুজ পাড়ি দেওয়ার পরে নাবিকরা ‘ভারত মাতা কি জয়’ এবং ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগান দিতে থাকেন। সেই ঘটনার ভিডিও ও ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, সেই ভারতীয় নাবিকরা ভারতের পতাকাও ধরে ছিলেন।

    হরমুজ প্রণালী পার দুই ভারতীয় জাহাজের (LPG)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইজরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। যদিও ইরান জানিয়েছে, “বন্ধু সব দেশের জাহাজ যদি ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে, তাহলে তারা এই জলপথ ব্যবহার করতে পারবে।” জানা গিয়েছে, এই দুই জাহাজ সাম্প্রতিকতম ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ, যেগুলি এই গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ পথ পার হতে পেরেছে। ইতিমধ্যেই চারটি এলপিজি (LPG) ট্যাঙ্কার নিরাপদে ভারতে পৌঁছেছে। প্রণালীর পশ্চিম দিকে রয়েছে আরও তিনটি জাহাজ।

    এলএসইজির জাহাজ ট্র্যাকিং

    শুক্রবার এলএসইজির জাহাজ ট্র্যাকিং থেকেই এই খবর মিলেছে। সরকার জানিয়েছে, মোট ১৮টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এখনও পশ্চিম উপসাগরীয় অঞ্চলে রয়েছে। ওই জাহাজগুলিতে ৪৮৫ জন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপিজি আমদানিকারী দেশ ভারত গত বছর ৩৩.১৫ মিলিয়ন টন গ্যাস খরচ করেছে, যার প্রায় ৬০ শতাংশই আমদানি করা হয়েছিল। এই আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশই এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। সরকারের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন বন্দরে কাজকর্ম চলছে (Hormuz Strait) স্বাভাবিকভাবেই। কোথাও কোনও জটের খবর মেলেনি (LPG)।

  • LPG Production: জ্বালানি ঘাটতির আবহে জরুরি বৈঠক মোদির, দেশে বাড়ানো হল এলপিজি উৎপাদন

    LPG Production: জ্বালানি ঘাটতির আবহে জরুরি বৈঠক মোদির, দেশে বাড়ানো হল এলপিজি উৎপাদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেই দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর ফলে এলপিজি উৎপাদন (LPG Production) ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১০ মার্চ সরকারি এক সূত্রেই এ খবর মিলেছে। সূত্রটি জানায়, “প্রতিদিন প্রায় ৬০ লাখ সিলিন্ডার এলপিজি বিতরণ করা হচ্ছে, যা আগের মতোই রয়েছে। দেশের কোনও এলপিজি পরিবেশকের কাছে সরবরাহের ঘাটতি নেই। হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে যে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল, তা এখন পুনরুদ্ধার করা হয়েছে (India)।”

    আরও বেশি এলপিজি কার্গো (LPG Production)

    সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে যেখানে তেল বিপণন সংস্থাগুলি রেস্তরাঁ ও বাণিজ্যিক এলপিজি ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। সূত্রটির বক্তব্য, “এটি মূলত সরবরাহ ব্যবস্থাপনার বিষয়। কমিটি এখন বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের মধ্যে গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করবে।” সরকারি সূত্র আরও জানায়, “আমরা এখন আরও বেশি এলপিজি কার্গো পাচ্ছি। অন্যান্য দেশ থেকেও এলপিজি এবং এলএনজি আসতে শুরু করেছে। আগে প্রায় ৪০টি ভিএলসিসি (Very Large Crude Carriers) জাহাজের ঘাটতি ছিল, তার প্রায় অর্ধেক এখন পৌঁছতে শুরু করেছে।” পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে আমদানিতে বিঘ্ন ঘটার প্রেক্ষাপটে জারি করা একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস এখন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সেই ইউনিটগুলিকে সরবরাহ করা হবে, যেগুলি এলপিজি উৎপাদনে এটি ব্যবহার করে।

    গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার

    এতদিন পর্যন্ত কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস (CNG) এবং পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা রান্নার গ্যাস—এই দু’টি ক্ষেত্রকে দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের অগ্রাধিকার দেওয়া হত। সোমবার গভীর রাতে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে এলপিজিকেও অগ্রাধিকারের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে (LPG Production)। এলপিজি মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ থেকে উৎপন্ন হয় এবং এটি অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের একটি উপজাত। প্রোপেন ও বিউটেন গ্যাস পৃথক ও বিশুদ্ধ করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তরল অবস্থায় রূপান্তর করা হয়, যাতে সহজে পরিবহণ ও সংরক্ষণ করা যায়। এই গ্যাস সাধারণত ইস্পাতের সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়, যা ঘরবাড়ি ও রেস্তরাঁয় রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। নতুন বণ্টন ব্যবস্থার অধীনে প্রথমে এলপিজি, সিএনজি এবং পাইপ গ্যাস উৎপাদকদের প্রয়োজন পূরণ করা হবে, তারপর অন্য খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা হবে (India)।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করে এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং ইরান যুদ্ধের কারণে সম্ভাব্য বিঘ্ন নিয়ে পর্যালোচনা করেন (LPG Production)। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ বাড়তে থাকায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকার এসেনসিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট (EC Act) প্রয়োগ করে দেশীয় জ্বালানি বাজারকে সম্ভাব্য বিঘ্ন থেকে সুরক্ষিত করতে পদক্ষেপ করে। মঙ্গলবার যৌথ বিবৃতিতে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (IOC), ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPCL) এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (HPCL) জানায়, মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো এবং গৃহস্থালি গ্রাহক ও গুরুত্বপূর্ণ অ-বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের জন্য পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করেছে।

    অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ

    বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গৃহস্থালি গ্রাহকদের পাশাপাশি হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও প্রয়োজন অনুযায়ী এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অন্য বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের জন্য সরবরাহ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে তেল বিপণন সংস্থার তিনজন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে (LPG Production)। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, “অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল এবং উন্নতির দিকে (India)।” তিনি আরও বলেন, “দেশে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং পরিশোধিত তেল রফতানি বন্ধ করা হবে না। অন্যান্য দেশেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। হরমুজ প্রণালীর বাইরে থেকে আমদানি এখন ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ১০ দিন আগেও ছিল ৫৫ শতাংশ। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়ালেও ভারতীয় রিফাইনারিগুলি পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে।”

    এলপিজি খরচ

    প্রসঙ্গত, ভারতে বছরে প্রায় ৩১.৩ মিলিয়ন টন এলপিজি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ গৃহস্থালি খাতে, অর্থাৎ রান্নাঘরে ব্যবহৃত হয় এবং বাকি অংশ হোটেল ও রেস্তরাঁ-সহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। মোট চাহিদার প্রায় ৬২ শতাংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয় (LPG Production)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ইরানের ওপর হামলা এবং তেহরানের পাল্টা আক্রমণের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই পথ দিয়েই ভারত তার প্রায় ৮৫–৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করত, মূলত সৌদি আরব-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে (India)।

  • US Iran Conflict: হরমুজ প্রণালী বন্ধ, রাশিয়া থেকে ফের তেলের আমদানি বাড়াতে পারে ভারত

    US Iran Conflict: হরমুজ প্রণালী বন্ধ, রাশিয়া থেকে ফের তেলের আমদানি বাড়াতে পারে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান (US Iran Conflict)। তা সত্ত্বেও ভারতের তেল সরবরাহে (Oil Supply) আপাতত কোনও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন। ভারতের রিফাইনারিগুলির কাছে বর্তমানে কমপক্ষে ১০–১৫ দিনের জন্য পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। এর মধ্যে রিজার্ভ ট্যাঙ্কে থাকা তেল এবং পরিবহণ হচ্ছে যে তেল, দু’টিই রয়েছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি মজুত দিয়ে ৭–১০ দিনের দেশীয় চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডরে স্বল্পমেয়াদি কোনও বিঘ্ন ঘটলেও তার প্রভাব সামাল দেওয়া যাবে বলে জানান আধিকারিকরা।

    হরমুজ প্রণালী বন্ধ (US Iran Conflict)

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ২৮ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছিল, বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়, তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার জবাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে আধিকারিকরা যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই ধরনের সরবরাহ বন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম এবং পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে বিকল্প পরিকল্পনাও প্রস্তুত রয়েছে। কেপলার (Kpler)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ২৫ থেকে ২৭ লাখ ব্যারেল তেল, যা ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ, আসে হরমুজ প্রণালী হয়ে। এর বেশিরভাগই ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কুয়েত থেকে আসে (Oil Supply)।

    এলপিজি আমদানি

    ভারতের মোট তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রায় ৬০ শতাংশ, মূলত কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ভারতের প্রায় সব এলপিজি আমদানিও এই পথ দিয়ে আসে।  ফলে দীর্ঘমেয়াদি বিঘ্নের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সংবেদনশীল। আধিকারিকরা জানান, যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রণালীটি বন্ধ থাকে, তবে ভারত বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহ বাড়াতে পারে, যার মধ্যে রাশিয়া থেকেও কেনা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এক আধিকারিক বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমিয়েছিল, তবে মধ্যপ্রাচ্যে বিঘ্ন ঘটলে আমরা আবার মস্কো থেকে কেনা শুরু করতে পারি (Oil Supply)।”

    রাশিয়া থেকে পাঠানো তেল

    তবে পরিবহণ সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ভারতে পৌঁছতে প্রায় পাঁচ দিন সময় লাগে। কিন্তু রাশিয়া থেকে পাঠানো তেল আসতে সময় লাগতে পারে এক মাস পর্যন্ত। ফলে আগাম পরিকল্পনার প্রয়োজন হবে (US Iran Conflict)। এছাড়া ভারতের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার (Strategic Petroleum Reserves) রয়েছে, যা প্রায় এক সপ্তাহের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। স্বল্পমেয়াদে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণযোগ্য মনে হলেও, প্রণালী দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে এলএনজির বাজারে চাপ তৈরি হতে পারে। অপরিশোধিত তেলের মতো নয়, এলএনজির বেশিরভাগই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় থাকে, ফলে স্পট মার্কেটে সরবরাহ সীমিত। ভারত বা চিন যদি বিকল্প এলএনজি উৎসের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তাহলে বৈশ্বিক দাম বেড়ে যেতে পারে বলে আধিকারিকরা সতর্ক করেছেন (US Iran Conflict)।

    আপৎকালীন প্রভাব তেলের দামে

    তবে সংকটের আপৎকালীন প্রভাব তেলের দামে ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭২.৮৭ ডলার হয়, যা দিনভিত্তিক লেনদেনে ৭৩.৫৪ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল, ৩০ জুলাই ২০২৫-এর পর সর্বোচ্চ। চলতি বছরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে দাম ইতিমধ্যেই ব্যারেলপ্রতি ১২ ডলারের বেশি বেড়েছে (Oil Supply)। কেপলারের লিড রিসার্চ অ্যানালিস্ট সুমিত রিতোলিয়া বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর ভারতের নির্ভরতা বাড়ায় স্বল্পমেয়াদে হরমুজ-সংক্রান্ত ঝুঁকি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি পূর্ণ অবরোধের সম্ভাবনা কম (US Iran Conflict)।” তিনি বলেন, “বহুমুখী উৎস, রাশিয়ার বিকল্প ব্যবস্থা এবং কৌশলগত পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার ও বাণিজ্যিক মজুত-সহ বহুস্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থার কারণে দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক ঘাটতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। নিকট ভবিষ্যতের প্রধান ঝুঁকি হল দামের অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব, কাঠামোগত সরবরাহ ঘাটতি নয়।” সরকার পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর কাজ করছে বলেও জানান আধিকারিকরা (Oil Supply)।

     

LinkedIn
Share