Tag: Lucknow

Lucknow

  • ABVP: ‘অরাজকতা রুখুন, গণতন্ত্রকে গ্রহণ করুন’—লখনউয়ে এবিভিপির বিশাল ছাত্র সমাবেশ

    ABVP: ‘অরাজকতা রুখুন, গণতন্ত্রকে গ্রহণ করুন’—লখনউয়ে এবিভিপির বিশাল ছাত্র সমাবেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অরাজকতা রুখুন, গণতন্ত্রকে গ্রহণ করুন’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ে বিশাল ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। রবিবার, ১৮ অক্টোবর, লখনউ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাজরতগঞ্জের গান্ধী চৌক পর্যন্ত এই মিছিলে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী ও সংগঠনের সদস্য অংশ নেন। গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির মর্যাদা রক্ষার বার্তাই ছিল এই কর্মসূচির মূল বক্তব্য। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এবিভিপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অভয় প্রতাপ সিং, কাশী প্রান্তের সম্পাদক শিবম সিং, গোরক্ষ প্রান্তের সম্পাদক মঙ্গল গুপ্ত, অবধ প্রান্তের সম্পাদক অর্পণ কুশওয়াহা এবং কানপুর প্রান্তের সম্পাদক দীনেশ যাদব।

    গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার পরিবর্তনের অধিকার

    সমাবেশ থেকে এবিভিপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার পরিবর্তনের অধিকার একমাত্র জনগণের হাতে। ভোটের মাধ্যমেই সরকার গঠন বা পরিবর্তন সম্ভব; রাস্তায় শক্তি প্রদর্শন, জনতার চাপ কিংবা অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পরিপন্থী। বাংলাদেশ ও নেপালের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের অনুকরণে ভারতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরির প্রচেষ্টাও গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন সংগঠনের নেতারা।

    নির্বাচন কমিশন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা নিয়ে বক্তব্য

    নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে উপযুক্ত প্রমাণ-সহ সাংবিধানিক ও আইনি পদ্ধতিতে তার নিষ্পত্তি হওয়া উচিত বলে জানায় এবিভিপি। সংগঠনের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন বা সুপ্রিম কোর্টের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে প্রশ্ন তোলা কিংবা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা গণতান্ত্রিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রসঙ্গেও নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে সংগঠনটি। তাদের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধন একটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা প্রমাণ-সহ যথাযথ সাংবিধানিক মঞ্চে পেশ করা উচিত। কেরল, পাঞ্জাব ও তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অবস্থানের পার্থক্য নিয়েও প্রশ্ন তোলে এবিভিপি। সংগঠনের আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যার ফলে ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়।

    ‘জনগণের ভোটেই নির্ধারিত হবে সরকারের ভবিষ্যৎ’

    এবিভিপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অভয় প্রতাপ সিং বলেন, ভারতের গণতন্ত্রের ভিত্তি হল জনগণের আস্থা, ভোটাধিকার এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা। রাজনৈতিক মতবিরোধ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ হলেও, জনতার চাপ বা অরাজকতার মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা মেনে নেওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ থাকলে প্রমাণ পেশ করে আইনি ও সাংবিধানিক পথ অনুসরণ করতে হবে। বাংলাদেশ ও নেপালের ঘটনাপ্রবাহের অনুকরণে ভারতে সরকার পরিবর্তনের পরিস্থিতি তৈরি করা সম্ভব বলে যাঁরা মনে করেন, তাঁদের বুঝতে হবে যে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার একমাত্র ভারতীয় জনগণের। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরাখণ্ড, কেরল ও ওড়িশায় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এবিভিপির সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, লখনউয়ের সমাবেশে ছাত্রছাত্রীদের ব্যাপক উপস্থিতি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির মর্যাদার প্রতি তাঁদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

    ‘জাতি গঠনে যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’

    এবিভিপির অবধ প্রান্তের সম্পাদক অর্পণ কুশওয়াহা বলেন, ভারতের যুবসমাজের শক্তির উৎস দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সভ্যতাগত চেতনা এবং জাতির প্রতি কর্তব্যবোধ। বাংলাদেশ ও নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ভারতের বাস্তবতার সঙ্গে এক করে দেখা দেশের স্বতন্ত্র সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যকে উপেক্ষা করার শামিল। তাঁর বক্তব্য, ভারতের যুবসমাজ নিজেদের সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে গর্বিত এবং দেশের সমস্যার সমাধানে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিশ্বাসী। যুবসমাজের ভূমিকা শুধু পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নিজেদের চিন্তাভাবনা, আচরণ ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশ গঠনেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। লখনউয়ের এই ছাত্র সমাবেশের মাধ্যমে যুবসমাজ জাতীয় স্বার্থ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে শক্তিশালী করার বার্তা দিয়েছে বলে দাবি করে এবিভিপি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির মর্যাদা রক্ষায় দেশের ছাত্রছাত্রী ও যুবসমাজকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

  • CJP: লখনউয়ে বিক্ষোভের মাঝে পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ, ব্লাউজের বোতাম খোলার দাবি ঘিরে বিতর্ক

    CJP: লখনউয়ে বিক্ষোভের মাঝে পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ, ব্লাউজের বোতাম খোলার দাবি ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওয় দাবি করা হয়েছে, পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলার সময় এক মহিলা বিক্ষোভকারী ইচ্ছাকৃতভাবে নিজের ব্লাউজের বোতাম খুলছিলেন (CJP)। ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক মহিলা সাংবাদিকের বক্তব্য ঘিরেই এই বিতর্কের সূত্রপাত।

    সাংবাদিকের বক্তব্য (CJP)

    প্রকাশিত ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভস্থল থেকে খবর সংগ্রহ করছিলেন এক মহিলা সাংবাদিক। সেই সময় কয়েক জন মহিলা অভিযোগ করেন, পুলিশ তাঁদের পোশাক ছিঁড়ে দিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহিলাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাংবাদিক তাঁদের বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করেন (Police Controversy)। ভিডিওয় ওই সাংবাদিককে বলতে শোনা যায়, “হ্যাঁ, হ্যাঁ, উনি আমার সামনেই পোশাক ছিঁড়েছেন।” এরপরই নিজের বক্তব্য সংশোধন করে তিনি এক মহিলার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সাংবাদিককে আরও বলতে শোনা যায়, “এভাবে নিজেকে নির্যাতিত হিসেবে তুলে ধরবেন না, ম্যাডাম। উনি আমার সামনে ব্লাউজের বোতাম খুলছেন, আর বলছেন পুলিশ তাঁর পোশাক ছিঁড়ে দিয়েছে। মিথ্যা বলবেন না।”

    পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ

    সাংবাদিকের অভিযোগ, পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলার সময় ওই মহিলা তাঁর সামনেই ব্লাউজের বোতাম খুলছিলেন। তবে ভিডিওয়  সাংবাদিকের বক্তব্য ও ঘটনাস্থলে তাঁর অভিজ্ঞতার বিবরণ সামনে এলেও, অভিযোগের সমস্ত দিক স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয় (CJP)। উল্লেখ্য, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ওই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তা নিয়ে সাংবাদিকের প্রকাশ্য প্রশ্ন তোলার ঘটনাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশিত ভিডিওয় মূলত সাংবাদিকের বক্তব্য (Police Controversy) এবং বিক্ষোভকারী মহিলার সঙ্গে তাঁর কথোপকথন তুলে ধরা হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করতে হলে ঘটনার সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা প্রয়োজন (CJP)।

     

  • UP 112 Model: মাত্র ৬.৫ মিনিটে পুলিশের সাড়া! উত্তরপ্রদেশের এই মডেলেই নজর পশ্চিমবঙ্গের

    UP 112 Model: মাত্র ৬.৫ মিনিটে পুলিশের সাড়া! উত্তরপ্রদেশের এই মডেলেই নজর পশ্চিমবঙ্গের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরি পরিষেবা ও দ্রুত পুলিশি সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশের ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) মডেল এখন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। সেই মডেল কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করতে সম্প্রতি লখনউ সফরে গেল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের (West Bengal Police) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। রাজ্যের জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) সুকেশ জৈন। লখনউয়ে ‘ইউপি-১১২’ সদর দফতরে গিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল ব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর পরিকাঠামো এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী খতিয়ে দেখেন।

    কীভাবে কাজ করে ‘ইউপি-১১২’?

    উত্তরপ্রদেশের জরুরি পরিষেবা ব্যবস্থা ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) বর্তমানে দেশের অন্যতম সফল মডেল হিসেবে পরিচিত। অপরাধ, দুর্ঘটনা, চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি, নারী নিরাপত্তা কিংবা সাধারণ মানুষের বিপদের মুহূর্তে একক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেয় এই পরিষেবা। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিদের জানানো হয়, ‘ইউপি-১১২’-এ কোনও জরুরি ফোনকল যাতে উপেক্ষিত না হয়, তার জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কোনও কল অপারেটর ব্যস্ত থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই কল অন্য উপলব্ধ অপারেটরের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া সম্ভব হয়।

    মুহূর্তে শনাক্ত হয় কলারের অবস্থান

    প্রতিনিধিদলকে দেখানো হয় কীভাবে সিস্টেমটি কলারের অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে নিকটবর্তী পুলিশের কাছে তথ্য পাঠায়। এর ফলে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছতে পারে পুলিশ। এছাড়াও, প্রতিটি জরুরি কলের জন্য ডিজিটাল রেকর্ড তৈরি করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নথিভুক্ত থাকে। ফলে পুরো প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হয়ে ওঠে, যা সাধারণ মানুষের আস্থাও বাড়ায়।

    গড় সাড়া দেওয়ার সময় মাত্র সাড়ে ৬ মিনিট

    ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) কর্তৃপক্ষ প্রতিনিধিদলকে জানায়, উন্নত প্রযুক্তি ও সুসংহত ব্যবস্থাপনার কারণে তাদের গড় প্রতিক্রিয়া সময় প্রায় ৬.৫ মিনিট। বিশাল ভৌগোলিক বিস্তৃতির উত্তরপ্রদেশেও এই দ্রুত পরিষেবা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে।

    যোগী সরকারের পুলিশি সংস্কারের ফল

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)-এর আমলে উত্তরপ্রদেশে যে পুলিশি সংস্কার ও প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ হয়েছে, তারই অন্যতম সফল ফল ‘ইউপি-১১২’ (UP-112)। এক্ষেত্রে নজরদারি ব্যবস্থা, জরুরি পরিষেবা, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং পুলিশ পরিকাঠামোয় ব্যাপক বিনিয়োগের মাধ্যমে জননিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গে কি চালু হবে একই মডেল?

    সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিজেদের জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন সফল মডেল পর্যালোচনা করছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই সফর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এখনও পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) মডেল চালুর বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি, তবে লখনউ সফর থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা ও তথ্য ভবিষ্যতে রাজ্যের জরুরি পরিষেবা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • Red Fort Blast Case: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, লখনউয়ে বাপু ভবন ও বড়া ইমামবাড়ায় বিস্ফোরণের ছক! তথ্য সামনে আনল এনআইএ

    Red Fort Blast Case: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, লখনউয়ে বাপু ভবন ও বড়া ইমামবাড়ায় বিস্ফোরণের ছক! তথ্য সামনে আনল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউয়ে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, বাপু ভবন ও বড়া ইমামবাড়াকে লক্ষ্য করে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক ভেস্তে দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। ২০২৫ সালে লাল কেল্লায় বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা লখনউয়ের (Blast in Lucknow) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও জনবহুল এলাকায় গোপনে রেকি চালিয়ে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি হামলার পরিকল্পনা করছিল।

    কীভাবে হামলার পরিকল্পনা

    এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত মুজাম্মিল শাকিল অনলাইনে লখনউয়ের বিভিন্ন রাসায়নিক দোকানের খোঁজ করছিলেন, যেখান থেকে ট্রাইঅ্যাসিটোন ট্রাইপারঅক্সাইড (TATP) তৈরির উপকরণ সংগ্রহ করা সম্ভব। অত্যন্ত শক্তিশালী ও অস্থিতিশীল এই বিস্ফোরককে “মাদার অফ স্যাটান” নামেও ডাকা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার (Red Fort Blast Case) কাছে যে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছিল, তাতেও এই বিস্ফোরকই ব্যবহার করা হয়েছিল। এনআইএ আরও জানিয়েছে, শাহিন সঈদ মুজাম্মিলের নির্দেশে সম্ভাব্য রাসায়নিক সরবরাহকারীদের একটি হাতে লেখা তালিকা তৈরি করেছিলেন। পরে তদন্তে বাজেয়াপ্ত মোবাইল ফোন থেকে সেই নথি উদ্ধার করা হয়। তদন্তকারী সংস্থার মতে, এটি বড়সড় নাশকতার প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।

    কোথায় কোথায় হামলার ছক

    তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২৫ সালের ২৫ থেকে ৩০ অগাস্টের মধ্যে মুজাম্মিল ও শাহিন ফরিদাবাদ থেকে লখনউয়ে গিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানের রেকি চালান। অভিযুক্তরা উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা, বাপু ভবন, আমিনাবাদ, লালবাগ এবং ঐতিহাসিক বড়া ইমামবাড়া চত্বরে ঘোরাফেরা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও জনসমাগম খতিয়ে দেখেছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারী সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “ওরা বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি ব্যবহার করে এই ভবনগুলির কাছে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করছিল। জনবহুল এলাকা ও প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলিকেই মূল লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল।”

    আন্তঃরাজ্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    এনআইএ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও চলছে। আর্থিক লেনদেন, ডিজিটাল তথ্য, যোগাযোগের রেকর্ড এবং আন্তঃরাজ্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই তথ্যগুলি ১৪ মে এনআইএ-র জমা দেওয়া প্রায় ৭,৫০০ পাতার চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, লখনউয়ের এই রেকি আসলে বৃহত্তর জঙ্গি চক্রের অংশ, যা আল-কায়েদা ঘনিষ্ঠ একটি সংগঠনের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত বহু-শহরভিত্তিক নাশকতা পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার কাছে যানজটে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেই হামলায় ১৫ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হন। তদন্তকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল একদল চরমপন্থায় প্রভাবিত উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি, যাদের মধ্যে চিকিৎসকরাও ছিলেন।

  • Prateek Yadavs Death: ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অখিলেশের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের মৃত্যু, জানাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

    Prateek Yadavs Death: ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অখিলেশের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের মৃত্যু, জানাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউতে (Lucknow)সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদবের ছোট ছেলে এবং অখিলেশ যাদবের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের (৩৮) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই মৃত্যুর (Prateek Yadavs Death) প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তে স্পষ্ট হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে তাঁর ফুসফুসের ধমনীতে বড় ধরনের রক্ত জমাট বাঁধার (Pulmonary Thromboembolism) ফলে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্র বিকল হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সপা নেতা অখিলেশের ভাইয়ের মত্যু নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    মৃত্যুর কারণ (Prateek Yadavs Death)

    চিকিৎসকদের মতে, একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘কার্ডিওরেসপিরেটরি কলাপ্স’ বলা হয়। ফুসফুসের রক্তনালীতে বড় কোনও বাধা বা রক্ত জমাট বাঁধার কারণে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে প্রতীকের (Prateek Yadavs Death) মুহূর্তের মধ্যে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এরপর মৃত্যু হয় প্রতীকের।

    অ্যান্টিমর্টেম ইনজুরি

    ময়নাতদন্তে প্রতীকের শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা মৃত্যুর আগের (Antemortem)। তবে সেই আঘাতগুলি কতটা গুরুতর বা মৃত্যুর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কি না, তা চূড়ান্ত ফরেনসিক পরীক্ষার পরই জানা যাবে।

    নমুনা সংরক্ষণ

    প্রতীকের হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুস থেকে পাওয়া জমাটবদ্ধ রক্ত বিশেষ রাসায়নিকের (Formalin) মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়েছে বিশদ পরীক্ষার (Histopathological Examination) জন্য। এছাড়া বিষক্রিয়া বা অন্য কোনও অভ্যন্তরীণ কারণ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে ‘ভিসেরা’ (Viscera) নমুনাও ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

    ফিটনেস সচেতন ছিলেন

    বুধবার ভোরে লখনউতে (Lucknow) প্রতীকের শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হলে প্রতীককে (Prateek Yadavs Death) সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ফিটনেস সচেতন হিসেবে পরিচিত প্রতীকের এই আকস্মিক মৃত্যুতে উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে শাসক বিরোধীদের তকমায় রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও আপতত মৃত্যুর কারণে ময়নাতদন্তের রিপোর্টকেই সব পক্ষকে মান্যতা দিতে হবে।

  • Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বহু বছর পর হরিয়ানার কাইথল জেলার সোঁগাল গ্রামে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ হয়েছে। এটি এই জায়গার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।” শনিবার কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    সোঁগাল গ্রামে এক ধর্মসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই পবিত্র স্থানে সমবেত সাধুসন্ত ও ভক্তদের আশীর্বাদ গ্রহণ করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করছি।” তিনি বলেন, “বহু বছর পর সোঁগালে এমন বিশাল সংখ্যক সাধুসন্ত ও ভক্ত উপস্থিত হয়েছেন। এই পবিত্র ভূমি, যা প্রতিটি যুগে নিজের প্রভাব দেখিয়েছে, সেখানে আজ এই পবিত্র ভাণ্ডারা ও ধর্মসভার মাধ্যমে আপনাদের দর্শন পাওয়ার এবং আপনাদের মাধ্যমে সেই মহান ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।”

    আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

    আদিত্যনাথ সোঁগালের ভূমিকে আধ্যাত্মিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বলেন, “এই জায়গাটি বহু বছর ধরে ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।” তাঁর মতে, সাধুসন্ত ও ভক্তদের এই ধরনের সমাবেশ দেশের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করে এবং মানুষকে ধর্মবিশ্বাস ও সেবার পথে চলতে প্রাণিত করে। তিনি এও বলেন, “এই ধরনের অনুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে না, বরং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষকে একত্রিত করে ভক্তদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে।” তিনি ধর্মসভা ও ভাণ্ডারা আয়োজনের জন্য আয়োজক ও স্থানীয় ভক্তদের প্রশংসা করেন। এই ধর্মসভায় বিপুল সংখ্যক সাধু, আধ্যাত্মিক নেতা ও অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বক্তৃতার পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছিল ভোজের। ভক্তরা একত্রিত হয়ে প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক আলোচনায় অংশ নেন।

    বাজপেয়ীর স্বপ্ন পূরণে কাজ

    মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধুসন্তদের শ্রদ্ধা জানান এবং ফের তুলে ধরেন ভারতের সমৃদ্ধ আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্বের কথা। এর আগে শুক্রবার, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও লখনউয়ের সাংসদ রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে লখনউয়ে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্রিন করিডর প্রকল্পের দু’টি ধাপের উদ্বোধন করেন। এটি রাজ্যের রাজধানীতে নগর পরিবহণ উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি আসন্ন আরও দু’টি ধাপের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজ্য সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করছে।

     

  • Brahmos Missiles: ধনতেরাসেই ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচের ডেলিভারি, উদ্বোধন করবেন যোগী-রাজনাথ

    Brahmos Missiles: ধনতেরাসেই ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচের ডেলিভারি, উদ্বোধন করবেন যোগী-রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১৮ অক্টোবর যোগী রাজ্য থেকে ডেলিভারি হবে ব্রহ্মসের (Brahmos Missiles) প্রথম ব্যাচের। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় পাকিস্তানের রাতের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছিল এই ব্রহ্মস। শক্তিশালী এই সুপারসনিক মিসাইলের ঘায়ে ছারখার হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের অন্দরমহল। উত্তরপ্রদেশ ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডরের ভাটগাঁও এলাকায় রয়েছে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের লখনউ (Lucknow) ইউনিট। গত ১১ মে, জাতীয় প্রযুক্তি দিবসে এই ইউনিটটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    কী বলেছিলেন রাজনাথ? (Brahmos Missiles)

    ব্রহ্মস ইন্টিগ্রেশন ও টেস্টিং ফ্যাসিলিটি সেন্টারের ভার্চুয়াল উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, “অপারেশন সিঁদুর শুধুমাত্র একটি সামরিক অভিযানই ছিল না, এটি ছিল ভারতের রাজনৈতিক, সামাজিক ও কৌশলগত দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক।” লখনউয়ের এই ইউনিটটি তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই মিসাইল প্রথম দিকে বছরে ৮০-১০০টি তৈরি করার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। পরে এই লক্ষ্যমাত্রাই বাড়িয়ে করা হয় ১৫০টি। এই কারখানায় যেমন একদিকে মিসাইল উৎপাদন হয়, ঠিক তেমনই একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং তার চূড়ান্ত মানও নির্ণয় করা হয়। শনিবার, ধনতেরাসের দিন এই কারখানা থেকে বের হবে ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচ। জানা গিয়েছে, শুধু ভারতের জন্য মিসাইল উৎপাদন নয়, অস্ত্র রফতানির জন্যও ব্রহ্মস উৎপাদন করা হবে। বিশ্ব বাণিজ্যে সমরাস্ত্র রফতানিতে নয়া বাজার ধরতে চাইছে ভারত (Brahmos Missiles)।

    অনুষ্ঠানসূচি

    জানা গিয়েছে, এদিন মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে উদ্বোধন করা হবে বুস্টার ভবনের। বুস্টার ডকিং প্রক্রিয়ার একটি প্রদর্শনীতেও যোগ দেবেন যোগ এবং রাজনাথ। এয়ারফ্রেম এবং এভিওনিক্স, ওয়ারহেড ভবনে পিডিআই এবং ব্রহ্মস সিমুলেটর সরঞ্জামের ওপর অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীও ঘুরে দেখবেন তাঁরা। পালিত হবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও। একটি স্টোরেজ ট্রলি প্রদর্শনী, জিএসটি বিল উপস্থাপনা এবং মোবাইল অটোনমাস লঞ্চারও প্রদর্শিত হবে। প্রসঙ্গত, লখনউয়ের ব্রহ্মস উৎপাদন ইউনিটটি ২০১৮ সালের গ্লোবাল ইনভেস্টরস সম্মেলনে ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয় ওই প্রকল্পের। এই প্রতিরক্ষা করিডরে ছ’টি কেন্দ্র রয়েছে। এগুলি হল (Lucknow), লখনউ, কানপুর, আলিগড়, আগ্রা, ঝাঁসি এবং চিত্রকূট (Brahmos Missiles)।

LinkedIn
Share