Tag: Machine Learning

  • Academic Environment: “রাজ্য ছেড়ে ছাত্রছাত্রীদের অন্যত্র চলে যাওয়া রুখতে হবে”, বললেন পালাবদলের অর্থমন্ত্রী

    Academic Environment: “রাজ্য ছেড়ে ছাত্রছাত্রীদের অন্যত্র চলে যাওয়া রুখতে হবে”, বললেন পালাবদলের অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চশিক্ষার জন্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী অন্য (Academic Environment) রাজ্যের পাশাপাশি চলে যাচ্ছে বিদেশেও। এই প্রবণতা রুখতে রাজ্যে (Student Exodus) এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে পড়ুয়ারা এখানেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হয়। রবিবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত অল বেঙ্গল প্রিন্সিপালস কাউন্সিলের এক অনুষ্ঠানে এই বার্তা দেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

    কী বললেন অর্থমন্ত্রী (Academic Environment)

    অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, বর্তমানে রাজ্যের বহু কলেজে আসন খালি পড়ে থাকছে। এই পরিস্থিতি থেকেই স্পষ্ট, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পড়ুয়া উচ্চশিক্ষার জন্য পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। শুধু রাজ্যে থেকে যাওয়ার আহ্বান জানালেই সমস্যার সমাধান হবে না। এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা পড়ুয়াদের রাজ্যেই ভবিষ্যৎ গড়ার আস্থা দেবে। চলতি বছরের রাজ্য বাজেটেও এই বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে বলে জানান তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, যন্ত্রনির্ভর শিক্ষণ-সহ আধুনিক বিষয় পড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষকদের এমন এক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা পশ্চিমবঙ্গেই উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী হয়।” তাঁর মতে, বড় লক্ষ্য নিয়ে এগোতে না পারলে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নতি সম্ভব নয়।

    মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশের অভাব

    তাঁর দাবি, এক সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্রছাত্রীরা পশ্চিমবঙ্গে পড়তে আসত, পাঠ দান করতেন খ্যাতনামা শিক্ষকরা। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই। তাঁর কথায়, “মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশের অভাবেই বাইরের রাজ্যের পড়ুয়ারা আর পশ্চিমবঙ্গকে উচ্চশিক্ষার গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছে না।” তিনি এও জানান, রাজ্য সরকার কলেজগুলিকে উন্নয়নের জন্য আর্থিক সাহায্য দিতে প্রস্তুত। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছ থেকেও অতিরিক্ত অনুদান আনার চেষ্টা করা হবে। তবে সেই আর্থিক সাহায্য পেতে হলে কমিশনের নির্ধারিত নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে এবং জবাবদিহির সংস্কৃতিও গ্রহণ করতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে পড়ুয়াদের অন্যত্র চলে যাওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রায় এক দশক আগে মডার্ন হাইস্কুল ফর গার্লসের তৎকালীন অধ্যক্ষা দময়ন্তী মুখোপাধ্যায়ও এই একই বিষয় তুলে ধরে বলেছিলেন, স্কুল থেকে পাশ করার পর বহু মেধাবী পড়ুয়া উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য রাজ্য বা বিদেশে চলে যাচ্ছে (Academic Environment)।

    প্রিন্সিপালস কাউন্সিলের বক্তব্য

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষও জানান, রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে বিপুল সংখ্যক স্নাতক স্তরের আসন খালি থেকে যাওয়া এই সমস্যারই প্রমাণ। তাঁর অভিযোগ, অনেক কলেজে নিয়মিত ক্লাস না হওয়ায় ভর্তি হওয়ার পরেও বহু ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে বা অনুপস্থিত থাকছে। অল বেঙ্গল প্রিন্সিপালস কাউন্সিলের সম্পাদক পঙ্কজ রায় বলেন, “শিক্ষকদের আরও আধুনিক এবং আকর্ষণীয় পাঠদানের পদ্ধতি গ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা হবে, যাতে ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে আনা যায়।” অনুষ্ঠানে (Academic Environment) অর্থমন্ত্রী আরও জানান, জুলাই মাসে কলকাতায় পণ্য ও পরিষেবা কর পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী হিসেবে এই সর্বভারতীয় বৈঠকের আয়োজক হতে পেরে তিনি গর্বিত। তাঁর আশা, এই বৈঠকের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের নতুন ভাবমূর্তি দেশের সামনে তুলে ধরা যাবে (Student Exodus)। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

LinkedIn
Share