Tag: Madhya Pradesh High Court

Madhya Pradesh High Court

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের, ঘোর বিপাকে ‘ভাইপো’!

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের, ঘোর বিপাকে ‘ভাইপো’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গা থেকে খসে পড়ছে একের পর এক রক্ষাকবচ। ক্রমেই শিরঃপীড়া বাড়ছে তৃণমূলের সেনাপতি তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। বুধবার এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার ওপর দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। খারিজ করে দিয়েছে তাঁর আবেদনও (Defamation Case)।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা (Abhishek Banerjee)

    জানা গিয়েছে, ভোপালের বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালতে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলায় অভিষেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে ওই পরোয়ানার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। তবে এবার বিচারপতি প্রমোদ কুমার আগরওয়ালের সিঙ্গল বেঞ্চ সেই স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে মামলার আবেদন খারিজ করে দেয়। মামলার সূত্রপাত ২০২১ সালে। বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে তথা প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক আকাশ বিজয়বর্গীয় ভোপালের এমপি-এমএলএ আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ, ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে কলকাতার এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আকাশকে ‘গুন্ডা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন তৃণমূলের ভাতিজা।

    স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

    এই অভিযোগের ভিত্তিতেই ভোপাল আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর আইনজীবীদের দাবি ছিল, তিনি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, এবং তাঁর পালিয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। সেই যুক্তির ভিত্তিতেই অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল আদালত। বুধবার এই মামলার শুনানির সময় আবেদনকারীর (পড়ুন, অভিষেকের) পক্ষে কোনও আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আবেদনকারী সম্ভবত মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ হারিয়েছেন। এরপরই আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে আবেদন খারিজ করে দেয় এবং আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে ভোপাল আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় (Abhishek Banerjee)।

    আদালতের এহেন নির্দেশের ফলে আইনিভাবে অভিষেকের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর হওয়ার পথ ফের খুলে গেল বলেই মনে করছে আইনজ্ঞদের একাংশ (Defamation Case)। রাজনৈতিক মহলেও এই রায়কে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে (Abhishek Banerjee)।

  • Dhar Bhojshala Verdict: ‘আসলে সরস্বতী মন্দির’, ধার ভোজশালা নিয়ে ঐতিহাসিক রায় হাইকোর্টের, মান্যতা পেল হিন্দুদের দাবিই

    Dhar Bhojshala Verdict: ‘আসলে সরস্বতী মন্দির’, ধার ভোজশালা নিয়ে ঐতিহাসিক রায় হাইকোর্টের, মান্যতা পেল হিন্দুদের দাবিই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার বহু বিতর্কিত ভোজশালা-কমল মৌলা মসজিদ চত্বর নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের ইন্দোর বেঞ্চ। শুক্রবার আদালত জানিয়েছে, উপলব্ধ ঐতিহাসিক নথি, প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ এবং ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ (ASI)-এর বৈজ্ঞানিক রিপোর্ট অনুয়ায়ী, এই স্থাপনাটি আসলে দেবী সরস্বতীর মন্দির এবং সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত ছিল। এই রায়কে ভোজশালা (Dhar Bhojshala Verdict) বিতর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ বহু দশক ধরে হিন্দু ও মুসলিম— দুই সম্প্রদায়ই এই স্থাপনার উপর নিজ নিজ ধর্মীয় দাবি জানিয়ে এসেছে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ কী?

    হাইকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট জানিয়েছে, ভোজশালার মূল চরিত্র ছিল একটি সাংস্কৃতিক শিক্ষাকেন্দ্র বা মহাবিদ্যালয়। আদালতের মতে, প্রত্নতত্ত্ব একটি বিজ্ঞান এবং আদালত বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা, খনন রিপোর্ট ও ঐতিহাসিক উপাদানের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আদালত এএসআই-এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা রিপোর্টের উপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে জানিয়েছে, ভোজশালা চত্বরে প্রাপ্ত ভাস্কর্য, মন্দিরসদৃশ স্থাপত্য ধ্বংসাবশেষ, স্তম্ভ, শিলালিপি এবং অন্যান্য নিদর্শন এই স্থাপনার প্রাচীন হিন্দু ঐতিহ্যের পক্ষে শক্তিশালী প্রমাণ। রায়ে আরও বলা হয়েছে, প্রাচীন স্মৃতিস্তম্ভ, ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন ধর্মীয় স্থানগুলির সংরক্ষণ করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। শুধু সংরক্ষণই নয়, দর্শনার্থী ও ভক্তদের জন্য মৌলিক সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখাও সরকারের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।

    ২০০৩ সালের এএসআই আদেশ বাতিল

    ২০০৩ সালে এএসআই জারি করা সেই আদেশ শুক্রবার বাতিল করেছে হাইকোর্ট, যেখানে হিন্দুদের উপাসনার অধিকার সীমিত করা হয়েছিল এবং মুসলিম সম্প্রদায়কে শুক্রবার নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আদালতের মতে, ওই নির্দেশ হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাসনার অধিকারকে সীমাবদ্ধ করেছিল। আদালত উল্লেখ করেছে, বিতর্কিত স্থানে হিন্দুদের পূজা-অর্চনার ধারাবাহিকতা কখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বর্তমানে এএসআই এই সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভের রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যাবে এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও এএসআই-কে ভোজশালা কমপ্লেক্সের প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মুসলিম পক্ষকে পৃথক জমির আবেদন করার স্বাধীনতা

    রায়ে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়ের বিষয়েও মন্তব্য করেছে। আদালত জানিয়েছে, মুসলিম পক্ষ চাইলে ধার জেলায় নামাজ আদায়ের জন্য পৃথক জমির আবেদন করতে পারে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে আদালত একদিকে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক দাবিকে স্বীকৃতি দিয়েছে, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতার বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছে।

    ভোজশালা বিতর্কের ইতিহাস

    ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, ধার অঞ্চল একসময় পারমার রাজবংশের অধীনে ছিল। রাজা ভোজ, যিনি ১০০০ থেকে ১০৫৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাসন করেন, ছিলেন দেবী সরস্বতীর একনিষ্ঠ ভক্ত। ১০৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি এখানে একটি মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে ভোজশালা নামে পরিচিত হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবি, এটি শুধু শিক্ষাকেন্দ্রই নয়, দেবী সরস্বতীর মন্দিরও ছিল। ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, ১৩০৫ সালে আলাউদ্দিন খিলজির সময় ভোজশালার একাংশ ধ্বংস হয়। পরে ১৪০১ সালে দিলাওয়ার খান ঘোরি এবং ১৫১৪ সালে মাহমুদ শাহ খিলজি এখানে মসজিদের অংশ নির্মাণ করেন বলে দাবি করা হয়। ১৮৭৫ সালে এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য চালানো হলে দেবী সরস্বতীর একটি মূর্তি উদ্ধার হয়, যা পরবর্তীতে বিতর্ককে আরও জোরদার করে।

    এএসআই-এর রিপোর্টে কী উঠে এসেছিল?

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এএসআই মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে তাদের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে ভোজশালা-কমল মৌলা মসজিদ কমপ্লেক্সের ভিতরে মন্দিরসদৃশ ধ্বংসাবশেষ, খোদাই করা স্তম্ভ, দেবদেবীর ভাস্কর্য এবং প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শনের উল্লেখ করা হয়। এই রিপোর্টই মামলার মোড় ঘুরিয়ে দেয় বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই রায়?

    ভোজশালা মামলা শুধু একটি সম্পত্তি বা ধর্মীয় স্থানের বিতর্ক নয়, এটি ভারতের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, ধর্মীয় অধিকারের প্রশ্ন এবং প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারিক সিদ্ধান্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠল। হাইকোর্ট স্পষ্ট করেছে, বৈজ্ঞানিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারকে উপেক্ষা করা যায় না। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংবিধানের চেতনার অংশ এবং সরকারকে এ বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। এই রায় ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য বিতর্কিত ধর্মীয়-ঐতিহাসিক স্থাপনা সংক্রান্ত মামলাগুলিতেও গুরুত্বপূর্ণ নজির তৈরি করতে পারে।

  • Husband-Wife Relation: ‘সহবাসে অস্বীকার স্ত্রীর, মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান’, পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

    Husband-Wife Relation: ‘সহবাসে অস্বীকার স্ত্রীর, মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান’, পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্কে স্থাপন করতে স্ত্রী (Husband-Wife Relation) অস্বীকার করলে তা এক রকমের মানসিক নিষ্ঠুরতা। শুধুমাত্র এই কারণ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে বিবাহবিচ্ছেদ চাইতেই পারেন স্বামী। সম্প্রতি একটি মামলার প্রেক্ষিতে এমনই পর্যবেক্ষণ মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court)। যদি কোনও স্ত্রী বিয়ের পূর্ণতা দিতে অস্বীকার করে বা স্বামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে অস্বীকার করেন তাহলে তা মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান। সেক্ষেত্রে হিন্দু বিবাহ আইনের অধীনে স্বামী বিবাহবিচ্ছেদ দাবি করতে পারেন। তা হল বৈধ কারণ। 

    কোন মামলার প্রেক্ষিতে এই মত

    সম্প্রতি একটি মামলার বয়ান অনুযায়ী, এক দম্পতির বিয়ে হয়েছিল ২০০৬ সালের ১২ জুলাই। কিন্তু, বিয়ের পরেও স্ত্রী (Husband-Wife Relation) তা মেনে নেননি এবং তিনি স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের জন্য যৌন সম্পর্ক করতেও অস্বীকার করেছিলেন। এরইমধ্যে কাজের সূত্রে বাইরে চলে যান স্বামী। এরপর ওই ব্যক্তি বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করেছিলেন। কিন্তু, সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল ফ্যামিলি কোর্ট। আদালতের বক্তব্য ছিল এভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করা যায় না। পরে ফ্যামিলি কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। 

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন হিন্দু কর্মীদের জন্য বিশেষ ঘোষণা মরিশাস সরকারের

    কী বলল আদালত

    মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) বিচারপতি শীল নাগু এবং বিনয় সরফের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার শুনানির সময় জানান, ‘‘আমরা নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তে একমত নই। তারা বলেছিল, কোনও বৈবাহিক সম্পর্কে স্ত্রী (Husband-Wife Relation) শারীরিক ভাবে ঘনিষ্ঠ হতে না চাইলে তা মানসিক নিষ্ঠুরতা নয়। এই কারণে বিবাহবিচ্ছেদ চাওয়া যায় না।’’ হাইকোর্ট তার নির্দেশে বলে, ‘‘আবেদনকারী (স্বামী) বিবাহের সব রকম আনুষ্ঠানিকতা মেনে চলেছেন। বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু স্ত্রী তাঁর সঙ্গে একমত হননি। আবেদনকারী যে কারণ বলেছেন, তা অবশ্যই মানসিক নিষ্ঠুরতার সমান।’’ হাইকোর্টের মতে, বৈবাহিক সম্পর্কে কোনটা মানসিক নিষ্ঠুরতা এবং কোনটা নয়, তা নির্ধারণের জন্য কোনও ‘স্ট্রেট জ্যাকেট ফর্মুলা’ নেই। এর জন্য নির্দিষ্ট তথ্য এবং পারিপার্শ্বিকতার উপর নির্ভর করতে হয়। এরপরই ওই মামলায় বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share