Tag: Madhyam

Madhyam

  • TMC: তৃণমূলে বড় ভাঙন! ‘মমতাকে অপসারণ’ দাবি বিদ্রোহীদের, অরূপ রায় চেয়ারম্যান, সরানো হল অভিষেককেও

    TMC: তৃণমূলে বড় ভাঙন! ‘মমতাকে অপসারণ’ দাবি বিদ্রোহীদের, অরূপ রায় চেয়ারম্যান, সরানো হল অভিষেককেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘হাইজ্যাক’ হয়ে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূল (TMC)! পার্টি থেকে সরিয়ে দেওয়া হল বুয়া-ভাতিজাকে! সোমবার দলের বিদ্রোহী শিবির দাবি করে, তারা তৃণমূলের পুরনো জাতীয় কর্মসমিতি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন করেছে (Ritabrata Banerjee)। দল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়ে নয়া সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির কথা ঘোষণা করা হয়েছে বলেও দাবি বিদ্রোহী নেতাদের।

    বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠক (TMC)

    সোমবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার পর নিউ টাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে বৈঠকে বসে বিদ্রোহী শিবির। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের প্রায় ৬০ বিধায়ক এবং কলকাতা পুরসভার জনা সত্তর প্রাক্তন কাউন্সিলর। এই বৈঠকেই ৩০ সদস্যের নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিদ্রোহীদের ঘোষিত নতুন কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে হাওড়া মধ্য কেন্দ্রের বিধায়ক অরূপ রায়কে। সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং বিধায়ক রথীন ঘোষ।সাধারণ সম্পাদকের পদে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা এবং সাবিনা ইয়াসমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন আখরুজ্জামান। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিষেককে। কার্যকর করা হয়েছে নয়া সাংগঠনিক কাঠামো।

    বিদ্রোহীদের দাবি

    বিদ্রোহীরা তৃণমূলের সংবিধানের ২০ নম্বর ধারার উল্লেখ করে (Ritabrata Banerjee) দাবি করেন, প্রতি তিন বছর অন্তর জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ২০২২ সালের পর আর জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা হয়নি। এই যুক্তিকে সামনে রেখেই তাঁরা পুরনো জাতীয় কর্মসমিতিকে ‘অকার্যকর’ ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠনের প্রস্তাব পাশ করেন। বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিতেই নয়া নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে বলে দাবি বিদ্রোহীদের (TMC)। নিউ টাউনের বৈঠকে এদিন যে ব্যানার টাঙানো হয়েছিল, সেটি ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ওই ব্যানারে মহাত্মা গান্ধী, বিআর অম্বেডকর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজি নজরুল ইসলামের ছবি থাকলেও, আশ্চর্যজনকভাবে অনুপস্থিত ছিলেন তৃণমূল গড়ার কারিগর মমতা স্বয়ং। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি বিদ্রোহী শিবিরের তরফে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা।

    কতদূর গড়াল সই জালিয়াতিকাণ্ডের জল?

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হারে তৃণমূল। তার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে বাড়তে শুরু করে অসন্তোষ। তবে প্রকাশ্য বিদ্রোহের সূত্রপাত হয় তথাকথিত সইকাণ্ডকে ঘিরে (Ritabrata Banerjee)। বিরোধী দলনেতা, উপ-দলনেতা এবং মুখ্যসচেতক নির্বাচনের জন্য বিধায়কদের সই ‘করা’ চিঠি পাঠানো হয়েছিল স্পিকারের কাছে। অভিযোগ ওঠে, সেই চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করা হয়েছিল (TMC)। উলুবেড়িয়া উত্তরের বিধায়ক ঋতব্রত এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা প্রথম এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনেন। তারপরেই বিষয়টি নিয়ে প্রবল বিতর্ক শুরু হয় তৃণমূলের অন্দরে। তার পর থেকেই একের পর এক বিধায়ক নাম লেখাতে থাকেন বিদ্রোহী শিবিরের খাতায়। প্রথম দফায় ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করা হয়। এরপর দলের ভাঙন আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে।

    তৃণমূলের সংসদীয় দলেও বড়সড় ধাক্কা

    শুধু বিধানসভা নয়, তৃণমূলের সংসদীয় দলেও বড়সড় ধাক্কা লাগে। লোকসভার একসঙ্গে ২০ জন সাংসদ তৃণমূল ছেড়ে ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া’য় যোগ দেন বলে দাবি করা হয়। রাজ্যসভার সদস্য সুখেন্দুশেখর রায় এবং সুস্মিতা দেবও পদত্যাগ করেন। ফলে জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূলের সাংগঠনিক সঙ্কট প্রকট হয়ে ওঠে (Ritabrata Banerjee)। দলের ভাঙন শুধু শীর্ষ নেতৃত্ব বা জনপ্রতিনিধিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। জেলা এবং ব্লক স্তরেও বহু নেতা-কর্মী দল ছাড়তে শুরু করেন। বিভিন্ন জেলায় সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ‘আসল তৃণমূল’ নিয়ে শুরু হয় দড়ি টানাটানি (TMC)। সোমবারের বৈঠকে বিদ্রোহী শিবির সাফ জানিয়ে দেয়, তারাই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্ব করছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের নবগঠিত রাজ্য কমিটির সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ছেলে তথা কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর সৌরভ বসুও। বিদ্রোহীদের এহেন পদক্ষেপকে গুরুত্ব দিতে রাজি নয় তৃণমূলের মমতা শিবির। তাদের সাফ কথা, তৃণমূলের যে সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে, তাতে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও এক্তিয়ার বিদ্রোহীদের নেই (Ritabrata Banerjee)।

     

  • NEET ReTest: কংগ্রেসের র‍্যালির ট্র্যাফিকে আটকে নিট পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ৩ ছাত্রী, বেঙ্গালুরুতে তীব্র বিতর্ক

    NEET ReTest: কংগ্রেসের র‍্যালির ট্র্যাফিকে আটকে নিট পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ৩ ছাত্রী, বেঙ্গালুরুতে তীব্র বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের একটি রাজনৈতিক সমাবেশের (Congress Rally) জেরে তীব্র যানজট। সেই জটে আটকে পড়ে মাত্র দু’মিনিট দেরিতে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোয় নিট ইউজি ২০২৬ রি-টেস্টে (NEET ReTest) বসতে পারলেন না তিন ছাত্রী। বেঙ্গালুরুর আরসি গভর্নমেন্ট কলেজ (RC Government College) পরীক্ষাকেন্দ্রের ঘটনা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে অভিভাবক মহলেও।

    পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ৩ ছাত্রী (NEET ReTest)

    রবিবার নিটের রি-টেস্টের জন্য পরীক্ষার্থীদের দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে বলা হয়েছিল। পরীক্ষাকেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী, ঠিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে মেন গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই তিন ছাত্রী ১টা ৩২ মিনিটে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছন। তাই তাঁদের আর পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমের মাধ্যমে শেষবারের মতো ঘোষণা করা হয় যে ঠিক ১টা ৩০ মিনিটে গেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবুও যানজটের কারণে ওই তিন ছাত্রী সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে পারেননি। পরীক্ষা মিস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিন ছাত্রী মরিয়া হয়ে মেন গেটের রেলিং টপকে কেন্দ্রের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাঁরা ক্যাম্পাসে ঢুকেও পড়েন। কিন্তু ততক্ষণে পরীক্ষা হলের গেট সিল করে দেওয়া হয়েছিল। নিটের নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের পর কোনও পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় না। তাই তাঁদের ফিরে যেতে হয়।

    কংগ্রেসের র‍্যালির কারণে ব্যাপক ট্র্যাফিক জ্যাম

    ওই ছাত্রীদের অভিভাবকদের অভিযোগ, তাঁরা যথেষ্ট সময় হাতে নিয়েই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু শহরে কংগ্রেসের র‍্যালির কারণে ব্যাপক ট্র্যাফিক জ্যাম হওয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে দেরি হয়ে যায়। শুধু আরসি গভর্নমেন্ট কলেজ নয়, বেঙ্গালুরুর মল্লেশ্বরম এলাকার এমইএস পিইউ কলেজ (MES PU College) পরীক্ষাকেন্দ্রেও বহু পরীক্ষার্থী শেষ মুহূর্তে পৌঁছন। জ্যামে আটকে পড়ায় অনেকেই কার্যত দৌড়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছন। ফলে বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছে।

    কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    ঘটনায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন  বেঙ্গালুরু দক্ষিণের বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্য। তাঁর অভিযোগ, হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী যখন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন, তখন কংগ্রেসের উচিত ছিল অন্য কোনও দিন র‍্যালির আয়োজন করা (NEET ReTest)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি দিন বেছে নিয়েছে, যেদিন নিট রি-টেস্ট হচ্ছে। এর ফলে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছে (Congress Rally) এবং বহু পরীক্ষার্থী আতঙ্কের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছেছেন। তিনি পরীক্ষক সংস্থাকে ধন্যবাদও জানান। কারণ কয়েকটি কেন্দ্রে দেরিতে পৌঁছনো ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে তেজস্বী সূর্য বলেন, “এই ঘটনার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে পরীক্ষার্থীদের স্বার্থের প্রতি সংবেদনশীলতার অভাবই।”

    বিমানবন্দরে ঠায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি পদক্ষেপও চর্চায় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী দুপুর ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছলেও, তিনি সঙ্গে সঙ্গে নিজের সরকারি বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হননি (NEET ReTest)। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাজনিত কারণে রাস্তায় বিশেষ ট্র্যাফিক ব্যবস্থা ও সাময়িক বিধিনিষেধ জারি করা হয়। পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তাই তিনি প্রায় ৪৫ মিনিট বিমানবন্দরেই ঠায় বসে থাকেন। দুপুর ২টো নাগাদ, যখন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোর নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গিয়েছে, তখনই তিনি বিমানবন্দর ছাড়েন। উল্লেখ্য, ওডিশা ও পশ্চিমবঙ্গ সফর শেষে দিল্লিতে ফিরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    নিট রি-টেস্ট

    প্রসঙ্গত, নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষা হয়েছিল গত ৩ মে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় সেই পরীক্ষা বাতিল করা হয়। সেই কারণেই এদিন আয়োজন করা হয়েছিল রি-টেস্টের। দেশের ৫৫১টি শহরের ৫,৪৪০টি কেন্দ্রে এবং বিদেশের ১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয় (NEET ReTest)। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এনটিএ একাধিক কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল। পরীক্ষাকক্ষে সিসিটিভির নজরদারি, ইসিআইএল এবং বিইএলের সরবরাহ করা জ্যামার, মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি, প্রত্যেক (Congress Rally) পরীক্ষা কক্ষে দু’জন করে ইনভিজিলেটর এবং অতিরিক্ত তদারকি কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় কঠোর বিধিনিষেধও জারি করা হয়েছিল (NEET ReTest)।

     

  • Keir Starmer: ব্রিটেনে রাজনৈতিক ভূমিকম্প, প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন স্টার্মার, এক দশকে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পাওয়ার পথে যুক্তরাজ্য

    Keir Starmer: ব্রিটেনে রাজনৈতিক ভূমিকম্প, প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন স্টার্মার, এক দশকে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পাওয়ার পথে যুক্তরাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের রাজনীতিতে বড় ধরনের নাটকীয় মোড়! ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়ে শেষমেশ প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) ও দলীয় নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)। সোমবার ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে আবেগঘন ভাষণে তিনি জানান, নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত স্টার্মারের (Keir Starmer)

    বছর তেষট্টির স্টার্মার বলেন, ‘‘আমার দল এখন প্রশ্ন তুলছে, আগামী সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টিকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি সঠিক ব্যক্তি কিনা? সংসদীয় দলের উত্তর আমি শুনেছি এবং সেই সিদ্ধান্ত আমি সসম্মানে মেনে নিচ্ছি। দেশের স্বার্থকে সর্বদা অগ্রাধিকার দিয়েছি। সেই কারণেই আমি লেবার পার্টির নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ পদত্যাগের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সোমবার সকালেই ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসকে (King Charles III) অবহিত করেছেন বলেও জানান তিনি। স্টার্মারের কথায়, ‘‘আমি আজ সকালে মহামান্য রাজার সঙ্গে কথা বলেছি এবং আমার সিদ্ধান্তের কথা তাঁকে জানিয়েছি। আমি লেবার পার্টির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটিকে নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করার অনুরোধ জানাব, যাতে সেপ্টেম্বর মাসে সংসদের পরবর্তী অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই নতুন নেতা দায়িত্ব নিতে পারেন।’’

    নেতৃত্ব নির্বাচনের সম্ভাব্য সূচি

    তিনি জানান, নতুন নেতৃত্বকে পূর্ণ সমর্থন করবেন এবং বিশ্বাস করেন যে তাঁর উত্তরসূরি আরও শক্তিশালী ব্রিটেনের নেতৃত্ব দেবেন (UK Prime Minister)। স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে স্টার্মার বলেন, ‘‘ভালো সময়ে ও খারাপ সময়ে উনি (ভিক্টোরিয়া) আমার পাশে অটল থেকেছেন।’’ তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়ার পর পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি করে সময় কাটাতে চান তিনি। স্টার্মারের কথায়, ‘‘দেশের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছেড়ে আমি এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে চাই—একজন ভালো স্বামী ও একজন ভালো বাবা হওয়া।’’ লেবার পার্টির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটি (NEC) ইতিমধ্যেই নেতৃত্ব নির্বাচনের সম্ভাব্য সূচি নির্ধারণ করেছে। ৯ জুলাই থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে, চলবে ১৬ জুলাই পর্যন্ত (Keir Starmer)। যদি একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন, তাহলে পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ব নির্বাচন হবে। লক্ষ্য, সেপ্টেম্বর মাসে সংসদ ফের বসার আগেই নতুন লেবার নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা।

    অ্যান্ডি বার্নহামের উত্থানেই কি শেষ হল স্টার্মার যুগ?

    রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, স্টার্মারের পদত্যাগের পেছনে বড় কারণ দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহামের (Andy Burnham) ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা। গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ নির্বাচনে বার্নহামের জয় লেবার পার্টির অভ্যন্তরে শক্তির ভারসাম্য বদলে দেয়। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বার্নহাম প্রকাশ্যেই স্টার্মারের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। সোমবারই নতুন সাংসদ হিসেবে শপথ নিচ্ছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বার্নহামের উত্থানই স্টার্মারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেয় (UK Prime Minister)।

    ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

    উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) রবিবারই তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথে দাবি করেছিলেন, স্টার্মার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। যদিও ব্রিটিশ সরকারের এক কর্তা জানান, এ বিষয়ে ট্রাম্পকে সরকারিভাবে কোনও তথ্য জানানো হয়নি এবং স্টার্মারের সঙ্গেও তাঁর কোনও আলোচনা হয়নি (Keir Starmer)। তাই ট্রাম্পের ওই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে সৃষ্টি হয়েছে নয়া বিতর্কের।

    কেন বাড়ছিল স্টার্মারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ?

    ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিপুল জয়ের মাধ্যমে লেবার পার্টিকে ক্ষমতায় ফিরিয়েছিলেন স্টার্মার। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নানা ক্ষেত্রে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থতার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। মূল অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রতিশ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যর্থতা, জনসেবামূলক পরিষেবার উন্নতিতে ধীরগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় সঙ্কট মোকাবিলায় অক্ষমতা, একাধিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভুল সিদ্ধান্ত, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার ম্যান্ডেলসনকে নিয়োগ করা নিয়ে বিতর্ক। এসবের জেরে দলের ভেতরেই স্টার্মারের বিরুদ্ধে জমছিল অসন্তোষের মেঘ। যার জেরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন (UK Prime Minister) তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে লেবার পার্টি একদিকে উদারপন্থী ভোটারদের একটি অংশকে হারাচ্ছে গ্রিন পার্টি অফ ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের (Green Party of England and Wales) কাছে, অন্য দিকে অভিবাসনবিরোধী অবস্থানের জন্য জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে রিফর্ম ইউকে (Reform UK)। নাইজেল ফারেজের (Nigel Farage) নেতৃত্বাধীন রিফর্ম ইউকে বর্তমানে একাধিক জাতীয় জনমত সমীক্ষায় এগিয়ে রয়েছে বলে (Keir Starmer) দাবি করা হচ্ছে। ফলে আগামী নির্বাচনের আগে নেতৃত্ব ও জনপ্রিয়তা—দুই ক্ষেত্রেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি লেবার পার্টি।

    এক দশকে ৭ প্রধানমন্ত্রী?

    স্টার্মারের পদত্যাগ গৃহীত হলে গত এক দশকে ব্রিটেন তার সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পেতে চলেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ব্রিটিশ রাজনীতিতে নেতৃত্বের দ্রুত পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বারবার চর্চায় এসেছে (UK Prime Minister)। নয়া নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে লেবার পার্টি সেই (Keir Starmer) অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে পারে কি না, এখন সেটাই দেখার।

     

  • High Speed Rail Projects: দেশে হাই-স্পিড রেল নেটওয়ার্কে বড় পদক্ষেপ, অনুমোদন পেল ৭টি নয়া বুলেট ট্রেন করিডর

    High Speed Rail Projects: দেশে হাই-স্পিড রেল নেটওয়ার্কে বড় পদক্ষেপ, অনুমোদন পেল ৭টি নয়া বুলেট ট্রেন করিডর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিক এবং দ্রুততর করতে আরও এক বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্রকে সংযুক্ত করতে সাতটি নয়া বুলেট ট্রেন (Bullet Train Corridors) বা হাই-স্পিড রেল করিডরের (High Speed Rail Projects) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে একাধিক শহরের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমে যাবে উল্লেখযোগ্যভাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে।

    অনুমোদন পাওয়া হাই-স্পিড রেল করিডর (High Speed Rail Projects)

    কেন্দ্রের অনুমোদন পাওয়া হাই-স্পিড রেল করিডরগুলির মধ্যে রয়েছে— মুম্বই–আমদাবাদ (যাত্রার সময় হবে মাত্র ১ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট), মুম্বই–পুনে (মাত্র ৪৮ মিনিটে পৌঁছানো যাবে), বেঙ্গালুরু–চেন্নাই (সময় লাগবে ৭৩ মিনিট), বেঙ্গালুরু–হায়দরাবাদ (২ ঘণ্টা ১০ মিনিট), পুনে–হায়দরাবাদ (২ ঘণ্টা ৮ মিনিট), দিল্লি–লখনউ (মাত্র ২ ঘণ্টা), দিল্লি–বারাণসী (৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট), দিল্লি–শিলিগুড়ি (প্রায় ৬ ঘণ্টা)।রেলমন্ত্রকের মতে, এই করিডরগুলি চালু হলে সড়ক ও বিমান পরিবহণের ওপর চাপ কমে যাবে, খুলে যাবে দ্রুত, নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের নয়া দিগন্ত। এদিকে, বিহারের ছাপরা জংশন থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনাল পর্যন্ত একটি নতুন সাপ্তাহিক ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। ওই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আরও দুটি নতুন ট্রেন পরিষেবারও সূচনা করা হয়, যা মৌল থেকে দিল্লি এবং জহিরঘাট থেকে বারাণসীর মধ্যে চলবে।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী?

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অশ্বিনী জানান, আগামী সাত-আট বছরের মধ্যে বিহার প্রায় ২০০টিরও বেশি নতুন ট্রেন পেতে চলেছে। রাজ্যে বর্তমানে ১.১৫ লাখ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের রেল প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। তাঁর দাবি, বিহারে রেল পরিকাঠামোর উন্নয়ন অভূতপূর্ব গতিতে এগোচ্ছে। রেলমন্ত্রী এও জানান, দিল্লি–বারাণসী–পাটনা বুলেট ট্রেন করিডর ইতিমধ্যেই অনুমোদন পেয়ে গিয়েছে। এই হাই-স্পিড রেল প্রকল্প চালু হলে দিল্লি থেকে পাটনা পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র ৪ ঘণ্টা ৪১ মিনিট। তিনি জানান, ভবিষ্যতে এই করিডরকে উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ শহর শিলিগুড়ি পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এর (Bullet Train Corridors) ফলে উত্তর ভারতের সঙ্গে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসতে পারে (High Speed Rail Projects)।

    প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প

    উল্লেখ্য, ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প হিসেবে মুম্বই–আমদাবাদ হাই-স্পিড রেল করিডর ২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। যদিও এই প্রকল্প নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল তারও আগে (High Speed Rail Projects)। প্রায় ৫০৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই করিডরটি জাপানের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। এখানে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম সফল হাই-স্পিড রেল প্রযুক্তি শিনকানসেন (Shinkansen)। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে ভারত বিশ্বের সেই সব দেশের তালিকায় ঢুকে পড়বে, যেখানে চালু রয়েছে অত্যাধুনিক বুলেট ট্রেন পরিষেবা। বিশেষজ্ঞদের মতে, নয়া অনুমোদিত করিডরগুলি বাস্তবায়িত হলে দেশের শিল্প, বাণিজ্য, পর্যটন এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে (Bullet Train Corridors)। ভারতের পরিবহণ ব্যবস্থায় সূচনা হবে এক নতুন যুগের (High Speed Rail Projects)।

     

  • Kiren Rijiju: গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ঘিরে রাহুলকে নিশানা, “পরিবেশের অজুহাতে উন্নয়ন আটকে দেওয়ার চেষ্টা”, তোপ রিজিজুর

    Kiren Rijiju: গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ঘিরে রাহুলকে নিশানা, “পরিবেশের অজুহাতে উন্নয়ন আটকে দেওয়ার চেষ্টা”, তোপ রিজিজুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেট নিকোবর দ্বীপের বহুচর্চিত উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে ফের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে (Great Nicobar Project) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, রাহুলের স্কুবা ডাইভিং সফরকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে প্রকল্পটির বিরুদ্ধে পরিবেশগত উদ্বেগের প্রচার চালানো হয়েছে।

    রাহুলের স্কুবা ডাইভিং সফরে ব্যয় ২৬ কোটি! (Kiren Rijiju)

    রিজিজু বলেন, “রাহুল গান্ধীর স্কুবা ডাইভিং সফরের জন্য প্রায় ২৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল। সেই সফর ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত উদ্বেগের সঙ্গে গ্রেট নিকোবর উন্নয়ন প্রকল্পকে যুক্ত করে জনমত গঠনের চেষ্টাও করা হয়।” মন্ত্রীর দাবি, গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের বিরোধিতা প্রকৃতপক্ষে পরিবেশ রক্ষার জন্য নয়। তাঁর মতে, পরিবেশ সংক্রান্ত উদ্বেগকে সামনে রেখে এমন একটি প্রকল্পের কাজ আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা ভবিষ্যতে ভারতের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা এনে দিতে পারে। তিনি বলেন, “দেশে বড় ধরনের পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির বিরুদ্ধে একটি সুসংগঠিত গোষ্ঠী কাজ করে। তারা পরিবেশগত ইস্যু তুলে ধরে জনমত তৈরি করে, চেষ্টা করে বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতিতে বাধা দেওয়ার।” রিজিজু বলেন, “ভারতের পরিবেশ সংক্রান্ত আইন অত্যন্ত কঠোর এবং কোনও সরকার ইচ্ছেমতো বনাঞ্চল, সামুদ্রিক পরিবেশ বা জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করতে পারে না। প্রতিটি বড় প্রকল্পই প্রয়োজনীয় পরিবেশগত মূল্যায়ন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যায়।”

    রাহুলকে নিশানা মন্ত্রীর

    তাঁর দাবি, প্রকল্পের সমালোচকেরা অনেক অভিযোগ তুললেও, তার পক্ষে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরতে পারেননি। শুধু তাই নয়, প্রকল্পে যে পরিবেশগত সুরক্ষাব্যবস্থা রাখা হয়েছে, সেটিও তাঁরা উপেক্ষা করছেন। গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের ফলে দ্বীপের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাব পড়তে পারে— এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দিয়েছেন রিজিজু। বলেন, “শম্পেন, নিকোবারিজ, গ্রেট আন্দামানিজ, জারোয়া এবং সেন্টিনেলিজ-সহ বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের স্বার্থ রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Great Nicobar Project)।” তাঁর বক্তব্য, অতীতেও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কারণে এই সম্প্রদায়গুলির জীবনযাত্রায় কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি, ভবিষ্যতেও তাদের অধিকার ও সংস্কৃতি সুরক্ষিত রাখা হবে (Kiren Rijiju)। রিজিজুর মতে, পরিবেশ সংরক্ষণ, আদিবাসী কল্যাণ, শিল্পোন্নয়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়ন— এই চারটি বিষয় একসঙ্গেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তিনি জানান, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। রাহুলকে সরাসরি নিশানা করে রিজিজু বলেন, “উনি শুধুমাত্র বৃহত্তর একটি ‘ইকোসিস্টেমে’র অংশ, যারা জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রকল্পের বিরোধিতা করে।” মন্ত্রীর দাবি, বাঁধ, জাতীয় সড়ক, খনি বা অন্যান্য বড় পরিকাঠামো প্রকল্পের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রতিবাদ দেখা যায়। পরিবেশ রক্ষার নামে মামলা, আন্দোলন এবং প্রচারাভিযান চালিয়ে প্রকল্পগুলিকে দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়।

    ব্লু ইকোনমি

    সাক্ষাৎকারে ভারতের সামুদ্রিক সম্পদের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন রিজিজু। বলেন, “দেশের ‘ব্লু ইকোনমি’কে শক্তিশালী করতে সমুদ্রভিত্তিক সম্পদের আরও কার্যকর ব্যবহার প্রয়োজন (Kiren Rijiju)।” কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ডিপ ওশান মিশনে’র উল্লেখ করেন মন্ত্রী জানান, ভারত বর্তমানে সমুদ্রের প্রায় ৫,০০০ মিটার গভীর পর্যন্ত অনুসন্ধান চালানোর ক্ষমতা অর্জনের পথে দ্রুত এগোচ্ছে। ভারত মহাসাগরের খনিজ ও অন্যান্য সম্পদের অনুসন্ধান দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত শক্তি বৃদ্ধি করবে (Great Nicobar Project)।

    বিরোধীদের উদ্দেশে বার্তা

    পার্লামেন্টারি অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী হিসেবে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে বলেও জানান রিজিজু। বলেন, “সরকারের সমালোচনা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ, এবং আমি একে স্বাগত জানাই।” তবে জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে রাজনৈতিক বিতর্কের হাতিয়ার না করার আহ্বানও জানান মন্ত্রী। রাহুলের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নেওয়া প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করা উচিত। রিজিজুর কথায়, “গণতন্ত্রে মতবিরোধ স্বাভাবিক (Great Nicobar Project)। কিন্তু দেশের অগ্রগতি এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলির সহযোগিতামূলক মনোভাবও থাকা প্রয়োজন (Kiren Rijiju)।”

     

  • Khan Sir: আরও ঘনীভূত প্রিন্স যাদবের মৃত্যু রহস্য, পোস্টমর্টেম নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন

    Khan Sir: আরও ঘনীভূত প্রিন্স যাদবের মৃত্যু রহস্য, পোস্টমর্টেম নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবিন্দু অ্যাকাডেমির পরিচালক রৌশন আনন্দের ভাই প্রিন্স যাদবের রহস্যজনক মৃত্যুকে (Murder Case) ঘিরে ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করছে বিতর্ক। রৌশন সরাসরি জনপ্রিয় শিক্ষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ফৈজল খান ওরফে ‘খান স্যারে’র (Khan Sir) বিরুদ্ধে তাঁর ভাইকে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। প্রিন্সের পোস্টমর্টেম প্রক্রিয়া নিয়েও উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।

    সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা! (Khan Sir)

    রৌশনের দাবি, তাঁর ভাইকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, এবং এর পেছনে খান স্যার ও তাঁর সহযোগীদের ভূমিকা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি পাটনার কদমকুয়াঁ থানায় লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন। দাবি জানিয়েছেন, খান স্যারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নেপালে ঘটায় জুরিসডিকশন সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাই এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এফআইআর দায়ের করা হয়নি। ২১ জুন রৌশনের সমর্থক এবং তাঁর ছাত্রছাত্রীরা পাটনা কলেজ থেকে কার্গিল চক পর্যন্ত মোমবাতি মিছিল করেন। তাঁদের দাবি, দ্রুত খান স্যারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করতে হবে।

    পুরনো দ্বন্দ্ব

    উল্লেখ্য, রৌশন ও খান স্যার (Khan Sir) দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। দু’জনেই সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য কোচিং সেন্টার চালান। রৌশনের অভিযোগ, গত ২ জুন পোস্টার সরানোকে কেন্দ্র করে দুই কোচিং সেন্টারের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, তাঁকে ফাঁসানোর জন্য একটি গুলিচালনার ঘটনা সাজানো হয়েছিল। সেই মামলায় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। রৌশনের আরও অভিযোগ, জেলে থাকার সময় তাঁর বিরুদ্ধে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র করা হয়। সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ তাঁর ভাই প্রিন্সের হত্যাকাণ্ড।

    অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ

    গত ১৩ জুন নেপালের বিরাটনগরের একটি হোটেলের ঘর থেকে উদ্ধার হয় প্রিন্সের দেহ। গুলিচালানোর (Murder Case) মামলায় নাম জড়ানোর পর কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে তিনি গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন নেপালে। রৌশন বলেন, “খান স্যারের (Khan Sir) করা মিথ্যা মামলায় আমায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। আমি জেলে থাকাকালীন আমার ছোট ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি প্রিন্সের জন্য ন্যায়বিচার চাই, এবং দাবি জানাই নিরপেক্ষ তদন্তের।” এদিকে, সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন খান স্যার। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পেছনে তৃতীয় কোনও পক্ষ ষড়যন্ত্র করে থাকতে পারে। খান স্যার বলেন, “রৌশন আনন্দ ও আমার মধ্যে যে বিরোধ চলছে, তার সুযোগ নিয়ে কেউ এই ষড়যন্ত্র করেছে। আমি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। দোষী যে-ই হোক, তার কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তদন্তে সবরকমভাবে সহযোগিতা করতে আমি প্রস্তুত।”

    পোস্টমর্টেম নিয়ে সন্দেহ

    প্রিন্সের পোস্টমর্টেম হয়েছিল নেপালের কোসি হাসপাতালে। পুরো প্রক্রিয়া মাত্র ২০ মিনিটেই শেষ হওয়ায় নতুন করে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।সচরাচর একটি পূর্ণাঙ্গ পোস্টমর্টেমে হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি, লিভার-সহ একাধিক অঙ্গের বিস্তারিত পরীক্ষা করতে ঘণ্টা দুয়েক সময় লাগে। অভিযোগ, প্রিন্সের ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া ঠিকঠাক ফলো করা হয়নি। প্রাথমিক রিপোর্টে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন (Khan Sir), মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ভিসেরা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই জানা যাবে মত্যুর প্রকৃত কারণ। বর্তমানে ভিসেরা নমুনা নেপালের ধরান শহরের একটি পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

    প্রশ্ন যেখানে

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কোসি হাসপাতালের এক প্রবীণ চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মৃতদেহ প্রথম দেখেই তাঁর কাছে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, পোস্টমর্টেমের সময় কোনও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন না। পুলিশ দ্রুত পোস্টমর্টেম-পর্ব শেষ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিল (Khan Sir)। অভিযোগ অনুযায়ী, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করা (Murder Case) হয়নি। যেমন— বিষক্রিয়া পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়নি, অ্যালকোহল টেস্ট হয়নি, ফুসফুস পরীক্ষা করা হয়নি, পরীক্ষা করা হয়নি জিভ। হৃদ্‌যন্ত্র কাটা হলেও, পুরোপুরি খোলা হয়নি, এবং সর্বোপরি, মাথার সম্ভাব্য আঘাতের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়নি এসব অভিযোগের সত্যতা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। তবে ঘটনাকে ঘিরে সন্দেহ আরও বেড়েছে।

    বয়ানে অসঙ্গতি!

    প্রিন্সের সঙ্গে নেপালে ছিলেন তাঁর পাঁচ বন্ধুও। প্রথমে তাঁরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, সবাই একসঙ্গে ছিলেন এবং প্রিন্স অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু নেপাল পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় বদলে যায় তাঁদের বয়ান। নয়া বয়ানে বলা হয়, ঘটনার সময় শুধুমাত্র লাড্ডু যাদব প্রিন্সের সঙ্গে হোটেলের রুমে ছিলেন। বাকিরা গিয়েছিলেন অন্যত্র। লাড্ডুও প্রথমে নিজেকে রুমের বাইরে বলে দাবি করলেও, পরে কবুল করেন, তিনিও ঘটনাস্থলে ছিলেন (Khan Sir)। বারবার বয়ান পরিবর্তনের কারণে পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নিয়েছে। যদিও তাঁদের সঙ্গে থাকা এক নেপালি সহযোগী জামিন পেয়েছেন বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, ঘটনাটি নেপালে ঘটায় তদন্তের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেপাল পুলিশের ওপরই রয়েছে। তাই ভারতীয় পুলিশ সরাসরি তদন্ত করতে পারবে না। চূড়ান্ত ভিসেরা রিপোর্ট এবং মৃত্যুর কারণও নেপালের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই প্রকাশ করবে। যদি মৃতের পরিবার তদন্তের ফলে সন্তুষ্ট না হয় (Murder Case), তাহলে তাদের ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে নেপাল সরকারের কাছে আপিল করতে হবে (Khan Sir)।

     

  • Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) সংক্রান্ত বিতর্ককে কেন্দ্র করে ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে নতুন করে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল (Osman Faizan Ali)। এই বিক্ষোভকে ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলির ভূমিকা নিয়ে।

    ককরোচ জনতা পার্টি (Osman Faizan Ali)

    প্রতিবাদ কর্মসূচিটি হয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) উদ্যোগে। আন্দোলনটিকে ছাত্র-যুবদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ হিসেবে তুলে ধরা হলেও, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিভিন্ন পোস্টার ও প্রচারসামগ্রীতে ওসমান ফয়জান আলির ছবি দেখা গিয়েছে। বেশ কয়েকটি প্ল্যাকার্ডে তাঁর পরিচয় হিসেবে লেখা ছিল ‘ইন্ডিয়ান ওসমান ফয়জান আলি – ফ্রম ইউএসএ’। বিক্ষোভকারীর কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, তাঁদের অনেকেই পোস্টারে থাকা ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। কয়েকজন আবার জানান, সংগঠকদের কাছ থেকে তাঁরা পোস্টার পেয়েছেন এবং ছবিতে থাকা ব্যক্তির সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা নেই।

    কে এই ওসমান ফয়জান আলি?

    জানা গিয়েছে, ওসমান মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ‘@bbm_india_’-এ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ও নিট ইস্যু নিয়ে একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব কনটেন্টে আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি প্রশাসনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ইঙ্গিতও উঠে এসেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। ১ জুন ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দিল্লি পুলিশের উদ্দেশে মন্তব্য করতে গিয়ে ওসমান বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য আন্দোলনকারীদের মধ্যে আবেগ ও উত্তেজনা উসকে দিতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ভিডিওতে সরাসরি কোনও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের ডাক দেওয়া হয়নি (Osman Faizan Ali)। সম্প্রতি প্রকাশিত আরও একটি ভিডিওতে তিনি দিল্লি পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানান। তবে সেই ভিডিওতেও আন্দোলন আটকে দিলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘Button Ballot Movement by Osman Faizan Ali’-এর পুরনো কিছু কনটেন্টে দেখা গিয়েছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় তিনি হায়দরাবাদ ও সেকেন্দ্রাবাদের ভোটারদের এআইএমআইএম (AIMIM) এবং কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থন করার ডাক দিয়েছিলেন। সেই বক্তব্যে বিজেপিকে পরাজিত করার বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ককরোচ জনতা পার্টি-সমর্থন এবং অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন সময়ে বিজেপি-বিরোধী অবস্থানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে অবশ্য ওসমানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি (CJP)।

    বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমার যুগে দ্রুত বদলাচ্ছে রাজনৈতিক আন্দোলনের চরিত্র। এখন দেশের বাইরে অবস্থান করেও কোনও ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে আন্দোলনের বয়ান গঠন, জনমত প্রভাবিত করা এবং প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রচার করার সুযোগ পাচ্ছেন (Osman Faizan Ali)। যন্তর মন্তরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কতটা, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা প্রচারসামগ্রীর উৎস সম্পর্কে কতটা সচেতন, এবং সর্বোপরি, বিদেশে থেকে অনলাইন সক্রিয়তা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনায় অনলাইন প্রচার, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং জনআন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে (CJP) আরও বিস্তৃত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Osman Faizan Ali)।

    অতএব, সাধু সাবধান!

     

  • Amit Shah: “হেডগেওয়ারের ‘নেশন ফার্স্ট’ দর্শন আজও ভারতের অগ্রগতির ভিত্তি”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “হেডগেওয়ারের ‘নেশন ফার্স্ট’ দর্শন আজও ভারতের অগ্রগতির ভিত্তি”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) প্রতিষ্ঠাতা ড. কেশব বালিরাম হেডগেওয়ারের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “হেডগেওয়ারের (Amit Shah) ‘নেশন ফার্স্ট’, সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ এবং আত্মবিশ্বাস ও স্বদেশি ভাবনায় গড়ে ওঠা সংগঠিত সমাজের ধারণা আজও ভারতের অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।” এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা পরম পূজ্য ড. হেডগেওয়ারজির মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।”

    হেডগেওয়ারের অবদান (Amit Shah)

    হেডগেওয়ারের অবদানের কথা স্মরণ করে শাহ বলেন, “দীর্ঘমেয়াদি জাতি গঠন ও সামাজিক ঐক্যের লক্ষ্য নিয়ে তিনি আরএসএস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।” তাঁর মতে, হেডগেওয়ার ‘নেশন ফার্স্ট’ এবং সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের আদর্শ দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধশালী ও বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্র গঠনের। শাহ বলেন, “হেডগেওয়ার এমন একটি সংগঠিত সমাজের কল্পনা করেছিলেন, যা অস্পৃশ্যতা ও সামাজিক বৈষম্যমুক্ত হবে এবং আত্মবিশ্বাস ও স্বনির্ভরতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ থাকবে। তাঁর সেই স্বদেশি-ভিত্তিক চিন্তাধারাই বর্তমানে ভারতের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে”।

    কী বললেন শাহ?

    হেডগেওয়ারের জীবন ও আদর্শের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “দেশমাতৃকার প্রতি অসীম ভালোবাসা, শৃঙ্খলা ও আত্মনিবেদনের এক অক্ষয় উৎস হল তাঁর জীবন (Amit Shah)।” এদিকে, এদিনই মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলার ইচলকরঞ্জিতে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা এবং গ্রামীণ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তিনি বলেন, “এক সময় ভারতে একটি গুলিও তৈরি হত (RSS) না। আজ আমরা ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করছি, এবং আত্মনির্ভর ভারতের শক্তি নিয়ে বিশ্বের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।” তিনি জানান, মোদি সরকারের আমলে আধুনিক এবং আরও শক্তিশালী করে তোলা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীকে (Amit Shah)।

     

  • PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সমুদ্রভিত্তিক সক্ষমতা ছাড়া কোনও দেশ কখনও মহাশক্তিধর হয়ে উঠতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর কথায়, “উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি—এই তিনটি ক্ষেত্রই সমুদ্রের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত (Maritime Co-operation)।” রবিবার কলকাতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য নির্মিত তিনটি অত্যাধুনিক দেশীয় যুদ্ধজাহাজ—আইএনএস দুনাগিরি (INS Dunagiri), আইএনএস সংশোধক (INS Sanshodhak) এবং আইএনএস আগ্রয় (INS Agray)-এর কমিশনিং অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    ভারতের দৃষ্টিতে সমুদ্র (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত বরাবরই সমুদ্রকে সহযোগিতার মাধ্যম হিসেবে দেখেছে। তবে শান্তি রক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও সমানভাবে জরুরি।” তাঁর মতে, সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হল নিরাপত্তা এবং আত্মনির্ভরতা ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি। এই ভাবনার প্রতীক হিসেবেই তিনটি নতুন যুদ্ধজাহাজ ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর আগে কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে এসে যোগ দেন এই কমিশনিং অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ভারতের নবজাগরণ ও চিন্তাধারাকে নতুন দিশা দিয়েছে এবং সমুদ্রপথে ভারতকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে।”

    বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস

    তিনি মনে করিয়ে দেন, ২১ জুন বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস হিসেবেও পালিত হয়। এমন দিনে ভারতের অন্যতম আধুনিক হাইড্রোগ্রাফিক জাহাজ আইএনএস সংশোধককে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথেই হয়। আন্তর্জাতিক তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ ডেটা নেটওয়ার্কও সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বিস্তৃত। ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, গভীর সমুদ্রের সম্পদ এবং নতুন শক্তির উৎসও সমুদ্রকেন্দ্রিক হবে। ফলে যে দেশ সমুদ্রশক্তিতে এগিয়ে থাকবে, তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাবও তত বেশি হবে (PM Modi)।

    আত্মনির্ভর ভারতের পথে আরও একধাপ

    তিনি বলেন, “ভারত ইতিমধ্যেই নিজের নৌ-ক্ষমতা বৃদ্ধির পথে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আইএনএস বিক্রান্তকে দেশের উদ্দেশে উৎসর্গ করার মাধ্যমে ভারতের সামুদ্রিক শক্তির নয়া অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। সেই যাত্রার ধারাবাহিকতায় আইএনএস আগ্রয়, আইএনএস দুনাগিরি এবং আইএনএস সংশোধক ভারতকে আরও আত্মনির্ভর এবং শক্তিশালী করে তুলবে।” জানা গিয়েছে (Maritime Co-operation), ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ নকশা ব্যুরো এবং কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের তৈরি এই তিন জাহাজ সমুদ্রযুদ্ধ, হাইড্রোগ্রাফিক সমীক্ষা এবং সাবমেরিন-বিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশীয় প্রযুক্তি ও উৎপাদন ক্ষমতার কংক্রিট উদাহরণই হল এই তিন জাহাজ (PM Modi)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু সমাজকে ঘিরে বিতর্ক, হামলায় ব্যাপক উত্তেজনা

    Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু সমাজকে ঘিরে বিতর্ক, হামলায় ব্যাপক উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও (Roundup week) মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। এদিকে, ভারত ও বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়কে ঘিরে একাধিক ঘটনা নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক বক্তব্য, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ, সাংস্কৃতিক বিতর্ক, নারী নির্যাতন এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ১৪ থেকে ২০ জুন, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ককরোচ জনতা পার্টি (Hindus Under Attack)

    ভারতে সম্প্রতি আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) মুখপাত্র বিজেতা দাহিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে নির্মিত একটি হরিয়ানভি মিউজিক ভিডিও নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর মালিকানাধীন ‘আনম্যাড আর্টওয়ার্কস’ (Unmaad Artworks) প্রযোজিত ‘ভোলে কাটিং কারা লে’ (Bhole Cutting Kara Le) নামের ভিডিওতে ভগবান শিব ও দেবী পার্বতীকে অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

    আর্যভট্টকে তাচ্ছিল্য!

    এদিকে, অ্যামাজন ইন্ডিয়ার কুইক-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ‘অ্যামাজন নাও’ (Amazon Now) -এর একটি বিজ্ঞাপনী প্রচার নিয়েও তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, ওই বিজ্ঞাপনে প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্টকে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। বিষয়টি ঘিরে আইনি নোটিশ, পুলিশ অভিযোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।

    হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত

    কর্নাটকে অধ্যাপক কেএস ভগবানের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে হিন্দু জনজাগৃতি সমিতি (HJS)। এক জনসভায় তিনি ভগবান শ্রীরাম এবং হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সংগঠনের দাবি, এসব মন্তব্য কোটি কোটি হিন্দুর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে।

    ধর্মান্তরের অভিযোগ তরুণী বধূর

    মহারাষ্ট্রের নাগপুরে বছর চব্বিশের এক বিবাহিত তরুণী ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল, তোলাবাজি এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ এনে (Roundup week) পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও এক অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    ওয়েব সিরিজ বিতর্ক

    এদিকে, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘Raakh’ ওয়েব সিরিজ নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, ১৯৭৮ সালের রঙ্গা-বিল্লা হত্যাকাণ্ড থেকে অনুপ্রাণিত হলেও, সিরিজটিতে বাস্তব চরিত্রগুলির ধর্মীয় ও সামাজিক পরিচয় বদলে দেওয়া হয়েছে। অভিনেতা প্রকাশ রাজকেও ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের একাংশের দাবি, তিনি নিজেকে হিন্দুবিরোধী নন, বরং সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদী রাজনীতির বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করলেও তাঁর বিভিন্ন মন্তব্যে সেই অবস্থানের সঙ্গে অসঙ্গতি দেখা গিয়েছে।

    বাংলাদেশের ছবি

    অন্যদিকে, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী ও সংগঠনের দাবি, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, নারী নির্যাতন (Hindus Under Attack) ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের মতো ঘটনা সংখ্যালঘুদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

    হিন্দু ব্যবসায়ী পরিবারে হামলা

    বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলায় রিপন মণ্ডল নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ী ও তাঁর বৃদ্ধা মায়ের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল দিনের বেলায় তাঁর প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। ঘটনায় অন্তত চারজন জখম হন। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে রিপনকে।

    বন্ধ রাম মূর্তি নির্মাণ কাজ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুরে অবস্থিত (Roundup week) শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরে নির্মাণাধীন দেশের সম্ভাব্য বৃহত্তম ভগবান শ্রীরামের মূর্তি নির্মাণের কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন (Hindus Under Attack)।

     

LinkedIn
Share