Tag: Madhyam

Madhyam

  • Central Welfare Schemes: সরকার গড়ছে বিজেপি, বঙ্গে দ্রুত চালু হতে পারে আটকে থাকা বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প

    Central Welfare Schemes: সরকার গড়ছে বিজেপি, বঙ্গে দ্রুত চালু হতে পারে আটকে থাকা বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গের ২০৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি (BJP Bengal Win)। তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে প্রায় ৮০টি আসন। বিজেপির (BJP) এই বিপুল জয় এখন কেন্দ্রীয় সরকারের বহু গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণমূলক প্রকল্পের (Central Welfare Schemes) অর্থ বরাদ্দ ও বাস্তবায়নের পথ খুলে দিতে পারে। এই প্রকল্পগুলি দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে। জানা গিয়েছে, বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর অন্তত সাতটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প (Ayushman Bharat)

    এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (AB-PMJAY)। এবার পশ্চিমবঙ্গে চালু হতে চলেছে এই যোজনা। এই প্রকল্পে পরিবার পিছু বছরে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা মিলবে। দিল্লিতে বিজেপি সদর দফতরে বিজয় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্প চালুর (Central Welfare Schemes) কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “বাংলায় মহিলারা নিরাপত্তার পরিবেশ পাবেন, যুবসমাজ কর্মসংস্থান পাবে। রাজ্য থেকে কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে যাওয়া বন্ধ হবে। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে অনুমোদন দেওয়া হবে।” পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দেশের ৩৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই সরকারি স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প চালু রয়েছে। যদিও এটি কেন্দ্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প, এর ব্যয় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে বহন করে। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কেন্দ্রের ৪.৫৬ মিলিয়ন বাড়ি নির্মাণের লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে উপভোক্তা নির্বাচনে অনিয়ম ও প্রকল্পের নাম পরিবর্তনের অভিযোগে বারবার বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে তদন্তও হয়েছে। গ্রামীণ ও শহুরে আবাসন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে (BJP)।

    প্রসঙ্গত, সারা দেশে প্রকল্পটির নাম ‘আয়ুষ্মান ভারত’। যদিও পশ্চিমবঙ্গে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ নামেই চলেছে প্রধানমন্ত্রীর জন আরোগ্য যোজনার কাজ। ২০১৮ সালে কেন্দ্রের এই প্রকল্পে যোগ দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সরকার। সেই সময় স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছিল,  ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) প্রকল্পে সারা দেশে যে দশ কোটি পরিবারকে চিকিৎসা ভাতার অধীনে আনা হচ্ছিল, তার মধ্যে ছিল পশ্চিমবঙ্গের এক কোটি ১২ লক্ষ পরিবারও। আর্থ-সামাজিক জাতি গণনা অনুযায়ী এই এক কোটি ১২ লাখ পরিবারকে চিহ্নিত করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে দেড় লাখ টাকার বিমার সুবিধা পায় লাখ চল্লিশেক পরিবার। ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পটি ‘স্বাস্থ্যসাথী’র সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ায় রাজ্যে দেড় কোটিরও বেশি পরিবার চিকিৎসা বিমার সুবিধা পাবে বলে সেই সময় (BJP) জানিয়েছিল রাজ্য।

    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানিয়েছিলেন, মূলত ‘হাইব্রিড’ পদ্ধতিতে এই প্রকল্পটি পরিচালনা করা হবে। স্বাস্থ্য দফতর নিজেরাই ট্রাস্ট তৈরি করে চিকিৎসা বিমার খরচ মেটাবে (Central Welfare Schemes)। বেসরকারি বিমা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত তাদের মাধ্যমেও একাংশের বিমার প্রিমিয়াম মেটানো হবে। পরে সকলের চিকিৎসা খরচই মেটানো হবে রাজ্যের ট্রাস্ট থেকে। এত দিন ৪০ লাখের কিছু বেশি পরিবারের বার্ষিক প্রিমিয়ামের পুরো টাকাটাই রাজ্য সরকারকে মেটাতে হত। গড়ে এক-এক জনের প্রিমিয়াম বাবদ দিতে হত ৫৮০ টাকা। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যোগ দেওয়ায় প্রায় সওয়া কোটি পরিবারের স্বাস্থ্য বিমার ৬০ শতাংশ টাকা (Central Welfare Schemes) দেবে কেন্দ্র। রাজ্য সরকার দেবে বাকি ৪০ শতাংশ। ফলে রাজ্যেও অনেক কম খরচে জেলা হাসপাতাল থেকে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে বেশি মানুষকে চিকিৎসা বিমার সুবিধা দেওয়া যাবে। বেসরকারি ক্ষেত্রেও এই সুবিধা মিলবে। যদিও বাংলায় এই প্রকল্পের নাম ছিল স্বাস্থ্যসাথী। সর্বত্র সুবিধা মিলত না বলেও অভিযোগ। বিজেপি (BJP) জমানায় এবার ফের শুরু হবে থমকে থাকা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কাজ।

    প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা

    পশ্চিমবঙ্গের মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জন্য কার্যকর হতে পারে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা। এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, বিমা এবং আধুনিক সরঞ্জাম দেওয়া হবে (Central Welfare Schemes)। পশ্চিমবঙ্গে জল জীবন মিশনের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য নয়। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রামীণ এলাকার ৫৬.৪৬ শতাংশ পরিবার পাইপলাইনের পানীয় জলের সংযোগ পেয়েছে। সংসদে দেওয়া এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত কেন্দ্রের বরাদ্দ ২৪,৬৪৫ কোটি টাকার মধ্যে রাজ্য মাত্র ৫৩ শতাংশ ব্যবহার করতে পেরেছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাব জমা ও নথিপত্র সংক্রান্ত দেরিকে।

    পিএম শ্রী স্কুল প্রকল্প

    পশ্চিমবঙ্গে স্থগিত রয়েছে পিএম শ্রী স্কুল প্রকল্পের কাজ। কেন্দ্রের পয়সায় চলা এই মডেল স্কুলগুলি এবার চালু হতে পারে। এতে উন্নত হবে শিক্ষার পরিকাঠামো। পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় ফসল বিমা প্রকল্প থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল। এখন প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতির বিরুদ্ধে কৃষকরা সুরক্ষা পাবেন এবং সময়মতো ক্ষতিপূরণও পাবেন (Central Welfare Schemes)। প্রথাগত কারিগর ও শিল্পীদের সাহায্যের উদ্দেশ্যে চালু হয়েছে পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁতি, কুমোর, কামার-সহ দক্ষ শ্রমিকরা প্রশিক্ষণ, আধুনিক সরঞ্জাম এবং জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্টেও ঋণের সুবিধা পাবেন, যা তাঁরা আগে পেতেন না (BJP)।

    প্রসঙ্গত, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বিজেপি (BJP Bengal Win)। রাজ্যের ২০৬টি আসন জিতে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে পদ্মশিবির। উৎখাত করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকে। যে শাসনের গেরোয় (Central Welfare Schemes) গত ১৫ বছর ধরে হাঁসফাঁস করছিলেন বঙ্গবাসী!

     

  • Akhilesh Yadav: বঙ্গ এবং তামিলভূমের ভোটে ধরাশায়ী সংস্থার ‘ক্লায়েন্ট’, আই-প্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন অখিলেশ

    Akhilesh Yadav: বঙ্গ এবং তামিলভূমের ভোটে ধরাশায়ী সংস্থার ‘ক্লায়েন্ট’, আই-প্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন অখিলেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের মুখে মুখে রাজ্য থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে পালায় ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাক (Akhilesh Yadav)। এই সংস্থার সঙ্গেই গাঁটছড়া বেঁধেছিল অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি। আগামী বছর হওয়ার কথা উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন। বুধবার দুপুরেই অখিলেশ জানিয়ে দেন, আই-প্যাকের (I-PAC) সঙ্গে কাজ আর করবে না তারা। তিনি জানান, অর্থের অভাবে এই চুক্তি থেকে সরে এসেছেন।

    আই-প্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন অখিলেশের (Akhilesh Yadav)

    ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের হাতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছিল আই-প্যাকের। পরে অবশ্য সংস্থা থেকে সরে যান তিনি। এই সংস্থার সঙ্গেই কথা হয়েছিল অখিলেশের। কথা ছিল, ২০২২ সালের নির্বাচনে যেখানে অখিলেশের দলের পরাজয়ের ব্যবধান কম ছিল, সেই সব কেন্দ্রে কাজ করার। জানা গিয়েছে, অখিলেশ যাদবের দল আর একটি নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা ‘শোটাইমে’র সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে, যা প্রায় দু’মাস আগে একটি চুক্তির মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। আই-প্যাকের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের কারণ জানতে চাইলে অখিলেশ রসিকতা করে বলেন, “আমাদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থ নেই। আপনারা (মিডিয়া) যদি আমাদের অর্থ দেন, তাহলে আমরা আর একটি সংস্থা নিয়োগ করতে পারি।”

    নেপথ্যের কারণ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অখিলেশ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বঙ্গে তৃণমূল এবং তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, যাদের সঙ্গে আই-প্যাকের সম্পর্ক ছিল, পতনের পর। দুই রাজ্যেই আই-প্যাকের সঙ্গে কাজ করে গোহারা হারে সংস্থার দুই ‘ক্লায়েন্ট’। বঙ্গে বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয় তৃণমূল। ২৯৪টির মধ্যে ২০৭টি আসন জেতে বিজেপি। আর তামিলভূমে ডিএমকে পরাজিত হয় অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের নয়া দল টিভিকে-র কাছে। শুধু তাই নয়, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডিএমকে নেতা এমকে স্টালিন নিজেদের শক্ত ঘাঁটিতেই প্রার্থী হয়ে গোল খেয়ে যান। যদিও অখিলেশ এই জল্পনা উড়িয়ে দেন যে আই-প্যাকের (I-PAC) সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত এই (Akhilesh Yadav) দুই রাজ্যে নির্বাচনী ফলের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমাদের তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। তারা কয়েক মাস আমাদের সঙ্গে কাজ করেছে। কিন্তু আমরা সেভাবে অর্থ জোগাড় করতে পারছি না, তাই চালিয়ে যেতে পারছি না।”

    ভিনেশ চন্দেলের গ্রেফতারি

    এই বিচ্ছেদের পেছনে আর একটি কারণ হল ভিনেশ চন্দেলের গ্রেফতারি। ভিনেশ আই-প্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের কয়লা কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত একটি অর্থ পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।  এপ্রিলের শুরুতে দিল্লিতে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থাটির অভিযোগ,  এক ‘হাওয়ালা’ অপারেটর, যে ওই পাচারকারীদের সঙ্গে যুক্ত, সে কোটি কোটি টাকা ইন্ডিয়ান প্যাক কনসাল্টিং প্রাইভেট লিমিটেডে পাঠাতে সাহায্য করেছে (I-PAC)। এই সংস্থাও পরিচালনা করে আই-প্যাক। ইডির আরও দাবি, আই-প্যাক এই অর্থ ঘোরানোর এবং কালো টাকা সাদা করার একটি মডেল তৈরি করেছিল। অভিযোগ, আই-প্যাক দুভাবে অর্থ পেত—অর্ধেক ব্যাঙ্কিং মাধ্যমে (চেক/অনলাইন ট্রান্সফার) এবং বাকি অর্ধেক নগদ বা নন-ব্যাঙ্কিং চ্যানেলে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চন্দেলের গ্রেফতারি এবং বাংলা ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনী ফল বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে সমাজবাদী পার্টিকে (Akhilesh Yadav)।

    চন্দেলের গ্রেফতারির জেরে আই-প্যাকের নির্বাচনী প্রচার পরিচালনার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তের চাপের কারণে প্রচারের শেষ সপ্তাহগুলিতে আই-প্যাক বিভিন্ন রাজ্যে তাদের কার্যকলাপ কমিয়ে দিয়েছিল। উত্তরপ্রদেশের অফিসগুলিতেও তাদের টিম ছোট করা হয়েছে (I-PAC)।

     

  • Samik Bhattacharya: “সিংহ স্থবির বলে কেউ যদি মনে করে পদাঘাত করবে, ভুল করছে”, শুভেন্দুর পিএ খুনে প্রতিক্রিয়া শমীকের

    Samik Bhattacharya: “সিংহ স্থবির বলে কেউ যদি মনে করে পদাঘাত করবে, ভুল করছে”, শুভেন্দুর পিএ খুনে প্রতিক্রিয়া শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিংহ স্থবির বলে কেউ যদি মনে করে পদাঘাত করবে, ভুল করছে। আমরাও তৃণমূলের ভাষায় কথা বলতে জানি, কথা বলতে পারি।” শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ  খুনে এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।

    শমীকের প্রতিক্রিয়া (Samik Bhattacharya)

    তিনি বলেন, “আমরা জিতলাম। আর আমাদেরই ৩ জন কর্মী মারা গেলেন? আমাদের কি ক্ষমতা নেই? তাও বলছি না, বলব না। এটাই হচ্ছে আমাদের স্ট্যান্ড। কিন্তু এই যে ঘটনা ঘটল যার সঙ্গে রাজনীতির দূর দূর পর্যন্ত কোনও সম্পর্ক নেই, তিনি একজনের আপ্ত সহায়ক। একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি। একজন প্রাক্তন সেনাকর্মী। আজ তাঁকে এভাবে মারার উদ্দেশ্যটা কী? এটা সম্পূর্ণভাবেই একটা পরিকল্পিত, প্রতিহিংসাজনিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড (Suvendu Adhikari PA Murder)।” বঙ্গ বিজেপির কান্ডারি বলেন, “পুলিশ তদন্ত করছে। পরে তারা জানাবে। তবে গতকালের (বুধবার রাতের) ঘটনা প্রমাণ করে দিল পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা এই মুহূর্তে কোথায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেস কার্যত প্রশাসনকে ধ্বংস করেছে। পুলিশের রাজনীতিকরণ সম্পূর্ণ করেছে। সমস্ত অপরাধীর ভয় মুক্ত করেছে। অপরাধীরা মনে করছে, এটা স্বর্গরাজ্য। বারাসত ও মধ্যমগ্রাম সীমান্ত থেকে খুব দূরে নয়। বহু ধরনের সমাজ- বিরোধী কার্যকলাপ এখানে দিনের পর দিন হয়েছে।”

    জালিয়াতির কারবার

    শমীক বলেন, “জাল আধার কার্ড তৈরি, জাল রেশনকার্ড তৈরি, জাল এপিক তৈরির কাজও এই বারাসত ও মধ্যমগ্রাম থেকে চলছে। ভারতের যে প্রান্তেই অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছে, তাদের জেরা করে জানা গিয়েছে, তারা কার্ড জোগাড় করেছে এখান থেকে। সেই কারণেই এটা স্পর্শকাতর অঞ্চল।” বঙ্গ বিজেপির প্রধান বলেন, “এখানে যেভাবে (Samik Bhattacharya) এই হত্যাকাণ্ড হল, কার্যত সেটা একটাই বার্তা দেওয়ার জন্য হল? মানে এটা প্রধানমন্ত্রী ২ দিন পর আসছেন, তাঁকে বার্তা দেওয়ার জন্য? এই ধরনের উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। বিভিন্ন জায়গায় অস্থিরতা চলছে, এটা আমি অস্বীকার করছি না। আমি আমার দলের কর্মী ও প্রশাসনকে বার্তা দিয়েছি, কেউ যদি কোনও জায়গায় কোনও অশান্তি তৈরি করে, তাহলে কড়া ব্যবস্থা নিতে। কিন্তু এটা কী হল?”

    কী বললেন সজল ঘোষ?

    এই ঘটনায় (Suvendu Adhikari PA Murder) কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বরানগরের সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক বিজেপির সজল ঘোষও। তিনি বলেন, “এটা কামড় হলে, এবার ওদের দাঁত ভাঙা হবে। এই খুন, আর যাই হোক, পাড়ার গুন্ডারা করেনি। এটা দক্ষিণ কলকাতার প্ল্যান। দেখলাম, ৩টে নয়, ৫টা গুলি লেগেছে। ৫ খানা গুলি লেগেছে! এটা কিছুই নয়, শুভেন্দুকে ওয়ার্নিং দেওয়া, শুভেন্দুকে চমকানো। কিছু একটা হবে। তবে আর যাই হোক, ওঁকে মারার পেছনে কোনও পাড়ার গুন্ডা থাকতে পারে না।” প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে মধ্যমগ্রামে গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারিকের আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে (Suvendu Adhikari PA Murder)। তার জেরেই আসছে (Samik Bhattacharya) বিজেপির একের পর এক নেতার প্রতিক্রিয়া।

  • Chandranath Rath: সিনেমার কায়দায় খুন চন্দ্রনাথকে, কীভাবে মারা হল শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ককে?

    Chandranath Rath: সিনেমার কায়দায় খুন চন্দ্রনাথকে, কীভাবে মারা হল শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ককে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে গুলি করে খুন করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে (Chandranath Rath)। গত আট বছর ধরে তিনি সামলাচ্ছিলেন শুভেন্দুর মিটিং-মিছিলের প্ল্যান-সহ সব কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এয়ার ফোর্সের প্রাক্তনী চন্দ্রনাথকে খুন (Suvendu Adhikari PA Murder) করে রাজ্যে ত্রাসের সঞ্চার করতে চায় তৃণমূল, অভিযোগ বিজেপির। সবেধন বাংলার গদি খুইয়ে যারপরনাই আতঙ্কিত তৃণমূল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তার জেরেই চলছে বিজেপি নিধন যজ্ঞ, যার বলি হলেন শুভেন্দুর পিএ চন্দ্রনাথ। এই ঘটনার পরেও দলীয় কর্মীদের সংযত থাকার নির্দেশ দেন জোড়া বিধানসভা কেন্দ্র-জয়ী শুভেন্দু।

    চন্দ্রনাথ খুনে চাঞ্চল্যকর তথ্য (Chandranath Rath)

    এদিকে, চন্দ্রনাথ খুনে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, আততায়ীরা মোট তিনজন ছিল। চন্দ্রনাথকে খুন করতে কাজে লাগানো হয়েছে একটি চারচাকা গাড়ি ও দুটি বাইক। বুধবার রাত সোয়া ১০টা নাগাদ বাড়ি যাওয়ার পথে মধ্যমগ্রামে খুন হন চন্দ্রনাথ। হঠাৎই পিছন থেকে একটি চারচাকা গাড়ি আড়াআড়ি ভাবে এসে দাঁড়িয়ে যায় শুভেন্দুর পিএ-র গাড়ির সামনে। এই সময় পেছন থেকে দুপাশে দ্রুত চলে আসে দুটি বাইক। শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলিবৃষ্টি। প্রথমে গাড়ির কাচে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি চালানো হয়। গুলির ঘায়ে কাচে গর্ত তৈরি হলে চন্দ্রনাথের মৃত্যু নিশ্চিত করতে সেখান দিয়ে বন্দুকের নল ঢুকিয়ে গুলি ছোড়ে আততায়ীরা (Suvendu Adhikari PA Murder)। তদন্তকারীদের অনুমান, চন্দ্রনাথকে খুন করার সময়ই টার্গেট করা হয় তাঁর গাড়ির চালককেও। গুলিতে জখম হয়ে তিনি ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। গাড়ির পেছনের সিটে বসেছিলেন চন্দ্রনাথের ঘনিষ্ট একজন। তিনি অবশ্য অক্ষতই রয়েছেন।

    চালানো হয় ১০ রাউন্ড গুলি!

    তদন্তকারীদের অনুমান, সব মিলিয়ে ১০ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। আরও জানা যায়, চারচাকা চালাচ্ছিল এক আততায়ী। আর দুজন এসেছিল বাইকে চড়ে। চন্দ্রনাথের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরেই দুটি বাইকে চেপে তিনজনে পালিয়ে যায় দুটি আলাদা দিকে। একটি বাইক চলে যায় যশোর রোডের দিকে (Chandranath Rath)। আততায়ীদের আর একটি বাইক এমন রাস্তা ধরেছিল, যেখান থেকে সহজেই চলে যাওয়া যায় মধ্যমগ্রাম চৌমাথা এবং রাজারহাটের দিকে। যে বাইকটি যশোর রোড ধরেছিল, সিসিটিভির ফুটেজে সেই গাড়ির ছবি মিললেও, আবছা উঠেছে গাড়ির নম্বর প্লেট। তাই আততায়ীরা ঠিক কোন দিকে গিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। আততায়ীদের খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান (Chandranath Rath)।

  • Post Poll Violence: ক্ষমতা গেলেও রাজ্যে রয়ে গিয়েছে তৃণমূলের সন্ত্রাস, বসিরহাট-চোপড়ায় আক্রান্ত গেরুয়া নেতারা

    Post Poll Violence: ক্ষমতা গেলেও রাজ্যে রয়ে গিয়েছে তৃণমূলের সন্ত্রাস, বসিরহাট-চোপড়ায় আক্রান্ত গেরুয়া নেতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসীর রায়ে গদি খুইয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। নিজে তো বটেই, হাতে গড়া দল তৃণমূলকেও স্বখাত সলিলে ডুবিয়েছেন দলনেত্রী! বিপুল ভোটে জিতেছে বিজেপি (Post Poll Violence)। তার পরেও মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি ছাড়েননি মমতা। ইস্তফা দেননি মুখ্যমন্ত্রী পদে। যদিও আপাতত তিনি হয়ে রয়েছেন নিধিরাম সর্দার, ঢাল-তরোয়াল ছাড়াই (পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রীর বজ্র আঁটুনি আর নেই)। কিন্তু, ক্ষমতা না থাকলেও, তৃণমূলের সন্ত্রাস রয়েই গিয়েছে। রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসায় তৃণমূলের নিধন-যজ্ঞের শিকার হচ্ছেন নিরীহ বিজেপি কর্মীরা।

    বিজেপি নিধন যজ্ঞ! (Post Poll Violence) 

    পদ্মময় বাংলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে বিজেপি নিধন যজ্ঞ! বুধবার রাতে গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ককে। যা রাজ্য রাজনীতিতে সোরগোল ফেলে দিয়েছে। এর পরেই আবার খবর মেলে বসিরহাটে বিজেপির এক সক্রিয় কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে। বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভার গোডাউন পাড়া এলাকায় বাড়ি রোহিত রায় নামের ওই পদ্ম-কর্মীর। তাঁকে প্রথমে ভর্তি করা হয় বসিরহাট হাসপাতালে, পরে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতায়। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই গুলি করেছে রোহিতকে। হাসপাতালের বেডে শুয়েই কোনওক্রমে রোহিত বলেন, “আমরা পাড়ায় বিজেপির পতাকা লাগাচ্ছিলাম। ওরা চার-পাঁচজন ছিল। কয়েকজন প্রথমে গুলি করেছিল। আমার গায়ে লাগেনি, পালিয়ে যাই। পরে ফের এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। বড়-জাহিনুর-সন্টু-ভোলা-উজ্জ্বল এরা সকলে দলবল নিয়ে গুলি চালিয়েছে।”

    কাঠগড়ায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা

    এদিকে (Post Poll Violence), মদের দোকানে লুটপাটে বাধা দেওয়ায় আক্রান্ত শ্যামল সরকার নামে এক বিজেপি নেতা। বুধবার উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থানার কালাগছ এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার বিজেপির বঙ্গ জয়ের পর মঙ্গলবার এলাকার একটি মদের দোকানে লুটপাট চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে দ্রুত গিয়ে লুটপাটে বাধা দেন বিজেপি নেতা শ্যামল। অভিযোগ, সেই আক্রোশ থেকেই বুধবার তিনি যখন একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন, তখনই তাঁর ওপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ধস্তাধস্তির সময় দুষ্কৃতীরা একটি ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়। সেই ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা। খবর (TMC) পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে চোপড়া থানার পুলিশ। শুরু হয় তল্লাশি। অনুমান, ব্যাগে আরও কোনও বিস্ফোরক থাকতে পারে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দু’জনকে আটক করে তদন্ত শুরু করেছে চোপড়া থানার পুলিশ (Post Poll Violence)।

  • Vivek Agnihotri: “মমতা আমার বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছিলেন”, কুর্সি খোয়াতেই তৃণমূল নেত্রীকে তোপ বিবেকের

    Vivek Agnihotri: “মমতা আমার বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছিলেন”, কুর্সি খোয়াতেই তৃণমূল নেত্রীকে তোপ বিবেকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘খাসতালুক’ ভবানীপুর কেন্দ্রেই গোহারা হেরেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁকে হারিয়ে মুখের মতো জবাব দিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুধু ভবানীপুর কেন, রাজ্যের ২০০টিরও বেশি আসনেও তৃণমূল প্রার্থীদের ধরাশায়ী করেছেন পদ্ম-প্রার্থীরা। ভবানীপুরের ফল প্রকাশের পর চলচ্চিত্র নির্মাতা বিবেক অগ্নিহোত্রী (Vivek Agnihotri) একটি নোট শেয়ার করে এই ঘটনাকে বড় পরিবর্তনের মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গত ৫ মে ইনস্টাগ্রামে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলসে’র পরিচালক একটি দীর্ঘ বিবৃতি পোস্ট করে দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত তাঁর বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছিলেন, যার ফলে তাঁর সিনেমা পশ্চিমবঙ্গে দর্শকদের কাছে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছিল।

    অগ্নিহোত্রীর তোপ (Vivek Agnihotri)

    অগ্নিহোত্রীর অভিযোগ, তাঁর ছবি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, যা নয়ের দশকে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নির্বাসনকে কেন্দ্র করে তৈরি, সেটি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গের সিনেমা হল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও দাবি করেন, তাঁকে রাজ্যে ঢুকতেও দেওয়া হয়নি। তিনি লেখেন, “নেভার এগেইন. যাঁরা জানেন না, @মমতাঅফিসিয়াল ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ মুক্তির পর আমায় বাংলায় বাতিল করে দেন। সিনেমা হল থেকে ছবিটি তুলে নেওয়া হয় এবং তিনি বলেন আমাকে বাংলায় ঢুকতে দেওয়া হবে না।” অগ্নিহোত্রী আরও বলেন, “গত বছর তিনি ‘দ্য বেঙ্গলস ফাইলস’ সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করেছিলেন। আমাদের ট্রেলার লঞ্চ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমাদের ওপর হামলা হয়। আমার বিরুদ্ধে বহু এফআইআর দায়ের করা হয়। আমি বাংলায় কার্যত ‘ক্যানসেল’ হয়ে যাই। রাজ্যপালের কাছ থেকে পুরস্কার নিতেও যেতে পারিনি।”

    ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’

    এই দু’টি চলচ্চিত্র, যা অগ্নিহোত্রীর “ফাইলস” ট্রিলজির অংশ, প্রবল রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কের জন্ম দেয়। অভিযোগ, এগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ঐতিহাসিক ঘটনাকে বিকৃত করে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ণ করে। ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ বিশেষভাবে সমালোচিত হয় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নির্বাসনের চিত্রায়ণের জন্য, আর ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ১৯৪০-এর দশকের সহিংস ঘটনাকে তুলে ধরায় বিতর্কে জড়ায় এবং পশ্চিমবঙ্গে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে (Mamata Banerjee)। অগ্নিহোত্রীর দাবি, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তিনি নির্বাচনের সময় ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ পশ্চিমবঙ্গে দেখানোর ব্যবস্থা করেন। তিনি জানান, গোপনে বিভিন্ন জায়গায় প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি লেখেন, “আমরা হাল ছাড়িনি। এই নির্বাচনের সময় আমরা নিশ্চিত করেছি যে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ যত বেশি সম্ভব মানুষ দেখতে পারেন (গোপনে)। আমরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছি।”

    বাংলার মানুষকে অভিনন্দন

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘হোয়্যার দ্য মাইন্ড ইজ উইদাউট ফিয়ার’ থেকে উদ্ধৃত করে বাংলার মানুষকে অভিনন্দন জানান তিনি। বলেন, তাঁরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অগ্নিহোত্রী লেখেন, “অবশেষে এই অভূতপূর্ব জয়। বাংলার মহান মানুষদের অভিনন্দন (Vivek Agnihotri)। এখন আপনারা নির্ভয়ে মাথা উঁচু করে হাঁটতে পারবেন।” ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে মুক্তি পায় ভারতে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন বিবেক অগ্নিহোত্রী এবং এতে অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, পল্লবী জোশী, দর্শন কুমার, অনুপম খের এবং শিমরাত কাউর। ছবিটি ১৯৪৬ সালের ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে’ এবং ‘নোয়াখালি দাঙ্গা’কে কেন্দ্র করে নির্মিত।

    সামনের সারিতে ছিলেন কর্তাভজারা

    প্রসঙ্গত, গত ১৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের রাজত্বে সামনের সারিতে ছিলেন কর্তাভজা (মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেবতার আসনে বসিয়েছিলেন এঁরা) করিৎকর্মারা। তৃণমূল নেত্রীর কাছের এই ধামাধরাধারীরাই দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বঙ্গের সাংস্কৃতিক মঞ্চ। তাই সংখ্যালঘু সম্পর্কিত (সে প্রত্যক্ষই হোক কিংবা পরোক্ষ) কিংবা তৃণমূল বিরোধী কোনও কাজ (সিনেমা, ছবি ইত্যাদি) করলেই তাঁকে কার্যত ব্ল্যাকলিস্টে ফেলে দেওয়া হত (Mamata Banerjee)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিবেক অগ্নিহোত্রী তাঁদেরই একজন (Vivek Agnihotri)।

     

  • Suvendu Adhikari: মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা আপ্ত সহায়কের দেহ, কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা আপ্ত সহায়কের দেহ, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে গোহারা হেরেছে তৃণমূল। তার পরেও দাপট কমেনি গদি খোয়ানো, সদ্য ‘প্রাক্তন’ হয়ে যাওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের। যার ফের প্রমাণ মিলল বুধবার রাতে। এদিন গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আপ্ত সহায়ককে। ওই রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ার কাছে গাড়ি থামিয়ে চন্দ্রনাথ রথ নামের ওই আপ্ত সহায়ককে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়া হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর (Chandranath Rath)।

    পিএ খুনে কাঠগড়ায় তৃণমূল (Suvendu Adhikari)

    জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে চন্দ্রনাথ (Chandranath Rath) যখন বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন, তখনই তাঁর গাড়ি থামিয়ে বাইক থেকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। গুলি বুকের বাঁদিকে লাগে। হার্ট এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে যায়। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং, শঙ্কুদেব পন্ডার দাবি, মৃত্যু নিশ্চিত করতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পরপর গুলি করা হয়েছে চন্দ্রনাথকে। আপ্ত সহায়কের মর্মান্তিক পরিণতিতে মর্মাহত শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। ঘটনায় তৃণমূলের দিকেই আঙুল তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। এবার ওই ঘটনায় মুখ খুললেন শুভেন্দু। রাতেই হাসপাতালে পৌঁছন তিনি। পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে চন্দ্রনাথ রথকে। তিনি বলেন, “দু’তিনদিন ধরে রেকি করে পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন ডিজিপি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মর্মন্তিক ঘটনা। আমরা ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা শোকাহত। এই ঘটনার নিন্দা জানানোর মতো ভাষা আমাদের নেই। দিল্লি থেকে আমাদের সমগ্র নেতৃত্ব এই বিষয়ে খবর পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার মৃতের পরিবার এবং পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিভিন্ন নেতা এবং নব-নির্বাচিত বিধায়করা এখানে এসেছেন। তাঁরাও পরিবারের পাশে রয়েছেন। পুলিশ কিছু প্রমাণ পেয়েছে। তারা তদন্ত করবে।”

    মহাজঙ্গল রাজের ফল

    শুভেন্দু বলেন, “এটা ১৫ বছরের মহাজঙ্গল রাজের ফল… বিজেপি এখানে গুন্ডাদের নির্মূল করার কাজ শুরু করবে…”। দলীয় নেতা-কর্মীদেরও বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর আবেদন, কেউ যেন নিজের হাতে আইন হাতে তুলে না নেন। শান্তি বজায় রাখারও চেষ্টা করতে হবে। তিনি জানান, পুলিশের ওপর আস্থা রয়েছে তাঁদের। দোষীরা দ্রুত ধরা পড়বে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে পুলিশের তরফে (Suvendu Adhikari)। ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্তও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুভেন্দু জানান, কোনও একটা ক্লু পেয়েছে পুলিশ। সেটা ধরেই তদন্ত হচ্ছে। আততায়ীর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

    কে এই চন্দ্রনাথ?

    শুভেন্দুর সঙ্গে চন্দ্রনাথের সম্পর্ক আট বছরের। তৃণমূলে থাকার সময় থেকেই ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল তাঁদের। পরে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত থেকে রাজনৈতিক সব কাজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। শুভেন্দুর ফাইল বয়ে নিয়ে যাওয়া, তাঁর মিটিং-মিছিলের প্ল্যান করা – সবই করতেন চন্দ্রনাথ। বাংলায় নয়া সরকারের শপথ নেওয়ার আগেই দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেল সেই চন্দ্রনাথের দেহ।

    প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মী চন্দ্রনাথের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পুলুপ এলাকার ঈশ্বরপুর ৫ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেন। দীর্ঘ ১৮ বছর চাকরি করার পর স্বেচ্ছাবসর নিয়ে কর্পোরেট সংস্থায় কাজ শুরু করেন। চন্দ্রনাথের পরিবারের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক বহু দিনের। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে থাকাকালীন সময় থেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল। শুভেন্দুর মতোই চন্দ্রনাথের পরিবারও এক সময় তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাঁর মা হাসি রথ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। পরে তিনিও বিজেপিতে যোগ দেন।

    ২০১৯ সাল থেকে শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ

    ২০১৯ সালে শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার পর জলসম্পদ দফতরে চন্দ্রনাথকে আপ্তসহায়ক হিসেবে নিয়োগ করা হয়। পরবর্তীতে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিলে, তখন থেকেই তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকারী হিসেবে কাজ করতে থাকেন চন্দ্রনাথ। ধীরে ধীরে তিনি শুভেন্দুর অন্যতম আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সময় চন্দ্রনাথ নন্দীগ্রামেও সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা হওয়ার পর কলকাতায় তাঁর বিভিন্ন সাংগঠনিক ও ব্যক্তিগত কাজের তদারকির দায়িত্বও সামলাতেন চন্দ্রনাথ। চণ্ডীপুরের বাড়িতে বর্তমানে রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে মা হাসি রথ।

     

  • Security Reduced: এবার ‘ভাতিজা’র বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হল দৈত্যাকার স্ক্যানার, ‘শান্তিনিকেতনে’ ফস্কা গেরো

    Security Reduced: এবার ‘ভাতিজা’র বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হল দৈত্যাকার স্ক্যানার, ‘শান্তিনিকেতনে’ ফস্কা গেরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বুয়া’র পর এবার ‘ভাতিজা’! তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেকের (Abhishek Banerjee) প্রাসাদোপম বাড়ি ‘শান্তিনিকেতন’ থেকে সরিয়ে নেওয়া হল পুলিশের (Security Reduced) অতিকায় স্ক্যানার। পুলিশি নিরাপত্তা সংক্রান্ত যেসব সামগ্রী ছিল ‘ভাইপো’র বাড়িতে, সে সবও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিষেকের বাড়িতে যে স্ক্যানার বসানো ছিল, সেই মানের স্ক্যানার বসানো থাকে বিমানবন্দর, রেলস্টেশন কিংবা বড় কোনও প্রতিষ্ঠানে। বুধবার দুপুরে মোটা দড়ি দিয়ে বেঁধে শান্তিনিকেতন থেকে নীচে নামানো হয়েছে সেই দৈত্যাকার স্ক্যানার।

    নিরাপত্তার ‘বিলাসিতা’ নেই শান্তিনিকেতনে (Security Reduced)

    প্রসঙ্গত, সোমবার ফল প্রকাশ হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের। এদিনই জানা যায়, ২০০-এর বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। হেরে গিয়েছেন জেনেও বুধবার দুপুর পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি মমতা। মঙ্গলবার রাতেও পুলিশি প্রহরা ছিল ১৮৮এ, হরিশ মুখার্জি স্ট্রিটের শান্তিনিকেতনে। বুধবার দুপুরে দেখা গেল, শান্তিনিকেতনের সামনে কোনও বাড়তি নিরাপত্তা নেই। বাড়ির সামনে যে পুলিশ বুথটি রয়েছে, সেটিও ফাঁকা। পুলিশের কুইক রেসপন্স টিমের একটি গাড়ি অবশ্য দাঁড়িয়ে ছিল বাড়ির সামনে। স্থানীয় থানার এক পুলিশকর্মীকে ‘রাউন্ড’ দিতেও দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের বাড়ির সামনে। সূত্রের খবর, একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়া প্রয়োজন, সেইটুকুই পাবেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)।

    পালাবদলের ছবি!

    রাজ্যে পালাবদলের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মমতার বাড়ি যাওয়ার পথে থাকা ‘সিজ়ারস ব্যারিকেড’ সরিয়ে নেওয়া (Security Reduced) হয়। পরে লালবাজার থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বাড়তি কোনও নিরাপত্তা থাকবে না। তবে এক জন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রোটোকল অনুযায়ী যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, ততটাই পাবেন মমতা। শেক্সপিয়র সরণি থানার অধীনে ৯, ক্যামাক স্ট্রিটে রয়েছে অভিষেকের কার্যালয়। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের দফতর এখানে তৈরি হওয়ার পর থেকে নিরাপত্তার কড়া বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছিল এলাকা (Abhishek Banerjee)। সেখান থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয় নিরাপত্তা। এবার অতিরিক্ত পুলিশি প্রহরা সরিয়ে নেওয়া হল শান্তিনিকেতনের সামনে থেকেও। কয়েকজন (Security Reduced) নিন্দুকের সরস মন্তব্য, নামকরণ সার্থক হল অভিষেকের বাড়ির!

     

  • TMC Violence: পদ্মের দখলে রাজ্য, তার পরেও বঙ্গে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল! নিহত ২ বিজেপি কর্মী

    TMC Violence: পদ্মের দখলে রাজ্য, তার পরেও বঙ্গে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল! নিহত ২ বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ‘বধ’ হয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! বস্তত, গোটা রাজ্যেই মুখ থুবড়ে পড়েছে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান তৃণমূল। প্রত্যাশিতভাবেই ২০০-এরও বেশি বিধায়ক নিয়ে সরকার গড়ার দাবিদার বিজেপি (BJP Workers Killed)। এহেন আবহে রাজ্যে অশান্তি পাকাতে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা (TMC Violence)। বিজেপির তরফে প্রথম থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, বদলা নয়, বদল চাই। তার পরেও দলনেত্রীর মতোই মাজা ভাঙলেও, মচকায়নি তৃণমূলের জার্সিধারীরা।

    হাওড়ায় বিজেপি কর্মী খুন (TMC Violence)

    রাজ্যজুড়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর বিক্ষিপ্ত হামলা চালাতে শুরু করেছে গোহারা হেরে যাওয়া তৃণমূলের লোকজন। মঙ্গলবার সকালে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে বিজেপির এক কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। স্থানীয় ও বিজেপি সূত্রে খবর, মৃতের নাম যাদব বর। বিজেপির জয়ের আনন্দে সোমবার রাতে আবির খেলায় মেতেছিলেন তিনি। তার পরেই তাঁকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে বলে অভিযোগ। বিজেপির এই কর্মীর বাড়ি উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪৮ নম্বর বুথ এলাকায়। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, যাদব বিজেপির সমর্থক ছিলেন। বিজেপির জয়ের আনন্দ দলের সতীর্থদের সঙ্গে উদ্‌যাপন করছিলেন তিনি। সোমবার রাত ১১টা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যান কয়েকজন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারা হয় বিজেপির ওই কর্মীকে।

    নিউটাউনেও পিটিয়ে খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মঙ্গলবারই নিউটাউনের বালিগড়ি চক পাচুড়িয়া এলাকায় বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডলকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (BJP Workers Killed)। যদিও ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কমল মণ্ডল পলাতক। জানা গিয়েছে, পুনর্গণনার পরে রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভা কেন্দ্রে ৩১৬ ভোটে জয়ী হন বিজেপির পীযূষ কানোরিয়া (TMC Violence)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এর পরেই মধু দলবল নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য কমল মণ্ডলের বাড়িতে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। ওই সময় কমল বাড়িতে ছিলেন না। বিকেলে মধু ফের উজিয়ে কমলের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। মধুর হুমকি শুনে বেরিয়ে আসেন কমল। শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এক সময় ওই তৃণমূল নেতা মধুকে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। টাল সামলাতে না পেরে পড়ে যান ওই বিজেপি কর্মী। তখন সে মধুর বুকে সজোরে লাথি মারে বলে অভিযোগ। সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞান হারান মধু। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। খবর পেয়ে রাতেই মধুর বাড়িতে যান বিজেপির সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। কথা বলেন মৃতের পরিবারের সঙ্গে। সব রকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। বিজেপি কর্মী অরূপ মণ্ডল বলেন, “মধুকে বুকে লাথি মেরে পিটিয়ে খুন করেছে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা।” অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয়রা (TMC Violence)।

    উত্তরেও অশান্তি হেরো তৃণমূলের

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরেও অশান্তি পাকানোর অভিযোগে কাঠগড়ায় সেই তৃণমূল-ই। বিধানসভা নির্বাচনে দলের জয়ের পর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন একদল বিজেপি কর্মী-সমর্থক (BJP Workers Killed)। আচমকাই তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। জলপাইগুড়ির রংধামালি এলাকায় এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ছড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। বিজেপির অভিযোগ, জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভা কেন্দ্রের হেরে যাওয়া তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাসের লোকজনই একাজ করেছে। ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর জখম হয়েছেন অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ-হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁরা। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, কৃষ্ণের নেতৃত্বে একদল যুবক লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পথ আগলায়। গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে শুরু হয় মারধর। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রকাশ্য দিবালোকেই বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ধারালো অস্ত্রের ঘায়ে জখম হন বেশ কয়েকজন।

    উলটপুরাণ!

    খবর পেয়েই এলাকায় যান জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বিজেপির দাবি, পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেছে রাজ্যের শাসকদল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, হেরে গিয়েও বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ওপর তৃণমূল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ (BJP Workers Killed)। যদিও বিজেপির তরফে পাল্টা মার দেওয়া হয়নি। সূত্রের খবর, পদ্মশিবিরের ওপরতলার (TMC Violence) নেতাদের নির্দেশেই পাল্টা মারের রাস্তায় হাঁটেনি পদ্মশিবির। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দুই ফুলের (বিজেপির পদ্মফুল এবং তৃণমূলের ঘাসফুল) রূপ-রস-গন্ধ সবই যে আলাদা, এই সব ঘটনাই তার প্রমাণ।

     

  • Election Commission: সিসিটিভি বন্ধ করে শারীরিক নিগ্রহ! মমতার সব ‘ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত’ অভিযোগ খারিজ কমিশনের

    Election Commission: সিসিটিভি বন্ধ করে শারীরিক নিগ্রহ! মমতার সব ‘ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত’ অভিযোগ খারিজ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসীর কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েও গদি ছাড়েননি রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের হেরো তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! উল্টে তাঁর এবং তাঁর দল তৃণমূলের (নিন্দুকেরা অবশ্য বলেন, কোম্পানি) হারের জন্য কাঠগড়ায় তোলেন নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission)। সেই কারণেই হেরে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা ইস্তফা দেননি বুধবার সকাল পর্যন্তও।

    নির্বাচন কমিশনের সাফ কথা (Election Commission)

    যদিও তাদের বিরুদ্ধে মমতার তোলা সব অভিযোগই খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সিসিটিভি বন্ধের অভিযোগ ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না বলা পর্যন্ত গণনা থামানো হয়নি। তারপর তাঁকে জানিয়ে, গাইডলাইন মেনে ফের শুরু হয় গণনা। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেন, “আমি ৩২ হাজার ভোটে জিতছিলাম। তারপরেই বিজেপির প্রার্থী ২০০-র বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে হুমকি দেওয়া শুরু করে। কাউন্টিং সেন্টারে যাওয়ার সময় আমাকে আটকে দেয়। আমাকে নিগ্রহ করা হয়। তখন সিসিটিভি বন্ধ ছিল। আমি বলেছিলাম যে কাউন্টিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি থাকব। কিন্তু আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে বের করে দেয়। দল কর্মীদের সঙ্গে আছে। আমরা লড়াই করে ফিরব। এখানে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে, যেমন অন্য রাজ্যেও হয়েছিল।”

    মমতার তোলা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন

    দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিকের (DEO) পক্ষ থেকে দেওয়া রিপোর্টে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভবানীপুরে মমতার তোলা অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন। কমিশনের সাফ কথা, ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ম-আইন মেনে অত্যন্ত স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা কখনওই বন্ধ করা হয়নি। ভবানীপুরের প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কমিশন এও জানিয়েছে, প্রার্থীর জেদের কারণে গণনার কাজ কিছুক্ষণের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে পরে নিয়ম মেনে তাঁকে জানিয়েই আবারও গণনার কাজ শুরু করা হয়েছিল (Election Commission)।

    ভবানীপুরে গোহারা মমতা

    প্রসঙ্গত, সোমবার, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন গোটা দেশের (Mamata Banerjee) নজর ছিল হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রেই দ্বৈরথ হয়েছে মমতা ও তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর। গণনা শুরুর পর থেকেই সমানে সমানে টক্কর চলছিল মমতা-শুভেন্দুর। যদিও শেষ দিকে এগোতে থাকেন শুভেন্দু। তার পর আর তাঁর নাগাল পাননি মমতা। হাজার পনেরো ভোটে হেরে যান ‘বাংলার নিজের মেয়ে’ মমতা। রাজ্যে গোহারা হারে তাঁর দল, তৃণমূলও। মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেছিলেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই ছিল না। নির্বাচন কমিশন এখানে একটা কালো ইতিহাস তৈরি করল। মানুষের অধিকার লুট করেছে। ভোটের আগে সব জায়গায় রেড করে, সব অফিসারকে বদলে দেয়। বিজেপি আর কমিশনের মধ্যে বেটিং হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে (Mamata Banerjee) লাগিয়ে ভোট লুঠ করেছে।’ এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা তো হারিনি! হারলে পদত্যাগ করতাম (Election Commission)।”

     

LinkedIn
Share