Tag: madhyom bangla news

madhyom bangla news

  • Economic Survey 2025-26: গতি শক্তির প্রভাব স্পষ্ট! জিডিপির ৮ শতাংশের নিচে নামল লজিস্টিকস খরচ

    Economic Survey 2025-26: গতি শক্তির প্রভাব স্পষ্ট! জিডিপির ৮ শতাংশের নিচে নামল লজিস্টিকস খরচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ লজিস্টিকস খরচের সমস্যা অবশেষে কমতে শুরু করেছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ (Economic Survey 2025-26) জানিয়েছে, দেশের বৃহৎ পরিকাঠামোয় বিনিয়োগের সুফল এখন ভারতের অর্থনীতিতে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য উন্নয়ন দফতর (DPIIT) এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল অব অ্যাপ্লাইড ইকনমিক রিসার্চ (NCAER)-এর যৌথ সমীক্ষার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ২০২৩–২৪ অর্থবর্ষে ভারতের লজিস্টিকস খরচ কমে জিডিপির ৭.৯৭ শতাংশে নেমেছে। আগের অর্থবর্ষে এই হার ছিল ৮.৮৪ শতাংশ এবং ২০২১–২২ সালে ছিল ৮.৭৯ শতাংশ।

    উচ্চ লজিস্টিকস খরচ আর বাধা নয়

    এক দশকেরও বেশি সময় ধরে উচ্চ লজিস্টিকস খরচ ভারতের উৎপাদন ও রফতানি প্রতিযোগিতার পথে বড় বাধা হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। উন্নত অর্থনীতিগুলিতে যেখানে লজিস্টিকস খরচ সাধারণত জিডিপির ৬ থেকে ৮ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ, সেখানে ভারতে দীর্ঘদিন ধরে তা ১৩ শতাংশেরও বেশি ছিল। এর ফলে ব্যবসার খরচ বেড়েছে এবং দক্ষতা কমেছে। এই প্রেক্ষাপটে ৮ শতাংশের নিচে নেমে আসাকে সমীক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পিএম গতি শক্তি কমিয়েছে লজিস্টিকস খরচ

    সমীক্ষা অনুযায়ী, এই উন্নতির পিছনে একাধিক সমন্বিত পরিকাঠামো ও লজিস্টিকস উদ্যোগের ভূমিকা রয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে পিএম গতি শক্তি, ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর (DFC), ভারতমালা এবং সাগরমালা প্রকল্প। এর মধ্যে পিএম গতি শক্তিকে সবচেয়ে রূপান্তরমূলক উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ২০২১ সালে চালু হওয়া পিএম গতি শক্তি এখন একটি সমন্বিত জিও-স্পেশাল পরিকল্পনা রূপে গৃহীত হয়েছে। এই ডিজিটাল কাঠামোর মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রক ও সংস্থা একই প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে পারছে, ফলে প্রকল্পের পুনরাবৃত্তি কমছে, প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করা সহজ হচ্ছে এবং বিনিয়োগ আরও কার্যকর হচ্ছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৫৭টি মন্ত্রক ও দফতর এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছে। জাতীয় মাস্টার প্ল্যানে ১,৭০০-রও বেশি ডেটা লেয়ার সংযুক্ত হয়েছে, যার ফলে বিভিন্ন খাত ও অঞ্চলের পরিকাঠামো নেটওয়ার্ক একসঙ্গে দেখা সম্ভব হচ্ছে।

    পিএম গতি শক্তি পাবলিক’ প্ল্যাটফর্মের গুরুত্ব

    এর ফলে রাস্তা, রেল, বন্দর, বিদ্যুৎ এবং টেলিকম পরিকাঠামোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ছে, পণ্য পরিবহণের সময় কমছে এবং মূলধনী ব্যয়ের অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি এড়ানো যাচ্ছে বলে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি পরিকাঠামোর পাশাপাশি বেসরকারি ক্ষেত্রের জন্যও উদ্যোগের পরিসর বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি চালু হওয়া ‘পিএম গতি শক্তি পাবলিক’ প্ল্যাটফর্মে ২৩০টি কিউরেটেড ডেটাসেট বেসরকারি ডেভেলপার, লজিস্টিকস সংস্থা ও গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    গতি শক্তি ডিস্ট্রিক্ট মাস্টার প্ল্যান মডিউল

    রাজ্য স্তরেও সমন্বিত লজিস্টিকস পরিকল্পনার অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। ২৭টি রাজ্য ইতিমধ্যেই রাজ্য লজিস্টিকস নীতি ঘোষণা করেছে এবং ২৮টি আকাঙ্ক্ষিত জেলা গতি শক্তি ডিস্ট্রিক্ট মাস্টার প্ল্যান মডিউল ব্যবহার করছে। প্রযুক্তিনির্ভর সংযোগের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ইউনিফায়েড লজিস্টিকস ইন্টারফেস প্ল্যাটফর্ম (ULIP) বর্তমানে ১১টি মন্ত্রকের ৪৪টি সিস্টেমকে যুক্ত করছে, যেখানে ২,০০০-রও বেশি ডেটা ফিল্ডের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১,৭০০-র বেশি সংস্থা এই প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত হয়েছে।

     

     

  • India Back Buddha’s Jewel: শেষ মুহূর্তে নিলাম থামাল ভারত, হংকং থেকে উদ্ধার আড়াই হাজার বছর পুরনো বুদ্ধের গয়না

    India Back Buddha’s Jewel: শেষ মুহূর্তে নিলাম থামাল ভারত, হংকং থেকে উদ্ধার আড়াই হাজার বছর পুরনো বুদ্ধের গয়না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক আন্তর্জাতিক নিলাম, ২,৫০০ বছরের প্রাচীন ইতিহাস এবং শেষ মুহূর্তের কূটনৈতিক-আইনি নাটক—সব মিলিয়ে বাস্তবের এক রুদ্ধশ্বাস থ্রিলার। শেষ পর্যন্ত হংকং থেকে উদ্ধার হলো বুদ্ধের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত অমূল্য ধাতুরত্ন (India Back Buddha’s Jewel)। ভারতের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এটি এক নজিরবিহীন সাফল্য।

    শুরুটা যেভাবে

    ঘটনার সূত্রপাত একটি ‘রুটিন অ্যালার্ট’ দিয়ে। কিন্তু খুব দ্রুতই তা বদলে যায় আন্তর্জাতিক স্তরের এক টানটান অভিযানে। জানা যায়, লন্ডনে থাকা পিপরাওয়া বুদ্ধ-রত্ন নিলামে (India Back Buddha’s Jewel) তুলতে চলেছে আন্তর্জাতিক নিলাম সংস্থা সোদেবি’স (Sotheby’s), হংকংয়ে (Hong Kong)। বেস প্রাইস— প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার। ১৮৯৮ সালে প্রাচীন কাপিলাবস্তুর স্তূপে এই রত্নগুলি আবিষ্কার করেছিলেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ উইলিয়াম ক্ল্যাক্সটন পেপ্পে। ১২৭ বছর পরে তাঁরই বংশধর সেই রত্ন নিলামে তোলার উদ্যোগ নেন।

    যেভাবে গয়না ফেরাল ভারত

    পিপরাওয়া উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের কাছে অবস্থিত। বৌদ্ধ ইতিহাসে যার গুরুত্ব অপরিসীম। এই রত্নগুলি শুধু গয়না নয়, বুদ্ধের অস্থিধাতু, রেলিক, রিলিকোয়ারি ও খোদাই করা পাথরের সঙ্গে যুক্ত এক অনন্য ঐতিহ্য। প্রথমবার ১২৭ বছর পরে ব্রিটেনে নিয়ে যাওয়া এই রত্নগুলির একাংশ ভারতে থাকা বুদ্ধ-রেলিকের সঙ্গে পুনর্মিলিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয় ‘দ্য লাইট অ্যান্ড দ্য লোটাস: রেলিক্স অফ দ্য অ্যাওয়েকেন্ড ওয়ান’ প্রদর্শনীর মাধ্যমে। কিন্তু নিলামের ঘণ্টা বাজলে এই সভ্যতার স্মারক চিরতরে ছড়িয়ে পড়ত ব্যক্তিগত সংগ্রাহকদের হাতে। আরও ভয় ছিল— চিনের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা। সেখানেই হস্তক্ষেপ করে ভারত। শেষ ৭২ ঘণ্টায় ভারত সরকার কূটনৈতিক চাপ, আইনি নোটিস ও আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আইন ব্যবহার করে নিলাম স্থগিত করতে সক্ষম হয়।

    আইনের চেয়েও দর্শন বড় অস্ত্র

    এই অভিযানের বিশেষত্ব এখানেই—ভারত কেবল মালিকানার আইনি দাবি করেনি। বরং যুক্তি দিয়েছে, এই রত্নগুলি নিছক বস্তু নয়, বরং বৌদ্ধ দর্শন, করুণা, অহিংসা ও জ্ঞানচর্চার জীবন্ত প্রতীক। ভারতের এই নৈতিক ও দার্শনিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে গভীর প্রভাব ফেলে। ‘বাণিজ্য নয়, বিবেক’—এই যুক্তিতেই কার্যত নিলাম স্থগিত হয়।

    ঐতিহাসিক প্রথম: সরকারি-বেসরকারি যৌথ প্রত্যাবর্তন

    সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব বিবেক আগরওয়াল, যিনি এই অভিযানের অন্যতম কারিগর, স্পষ্ট বলেন, “এই প্রথমবার ভারতে সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে কোনও রত্ন প্রত্যাবর্তন হল।” তাঁর অভিজ্ঞতা, বিশেষত অর্থ মন্ত্রকের ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে কাজ করার সুবাদে নিলাম জগতের ফাঁকফোকর বুঝতে বড় ভূমিকা নেয়। শেষ ৭২ ঘণ্টায় আইনি নোটিস, কূটনৈতিক চাপ ও তথ্যপ্রমাণের দৌড়ে থামে নিলাম।

    দানশীলতার দৃষ্টান্ত: পিরোজশা গোদরেজ

    এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে এগিয়ে আসেন মুম্বইয়ের বিশিষ্ট শিল্পপতি ও দানশীল ব্যক্তি পিরোজশা গোদরেজ। তিনি অঘোষিত মূল্যে রত্নগুলি কিনে নেন এবং ভারত সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণে প্রদান করেন। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—এই রত্নগুলি চিরকাল ভারতেই থাকবে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে কেন এই রত্ন অমূল্য

    ন্যাশনাল মিউজিয়ামের ডেপুটি কিউরেটর অবিরা ভট্টাচার্য বলেন, “এই রত্নগুলি ভারতের সভ্যতার স্মৃতি বহন করে—যা সীমান্ত বা রাজনীতির ঊর্ধ্বে।” ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ হেরিটেজের অধ্যাপক সবিতা কুমারী জানান, “২৫০০ বছরের প্রাচীন এই রত্নগুলি বৌদ্ধ জগতের প্রাচীনতম ধর্মীয় নিদর্শনের অন্যতম।”

    ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন দৃষ্টান্ত

    এই ঘটনা প্রমাণ করল— সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা, দ্রুত গোয়েন্দা ও আইনি পদক্ষেপ, সাংস্কৃতিক ও দার্শনিক যুক্তির ব্যবহার এই তিনের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষা সম্ভব।সংস্কৃতি মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি শুধু ধাতুরত্ন ফেরত আনার ঘটনা নয়—এটি ভারতের স্মৃতি, দর্শন, আত্মমর্যাদা ও সভ্যতাগত দায়িত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার মুহূর্ত।

  • Wings India 2026: ভারতেই তৈরি হবে সুখোই সুপারজেট ১০০! হ্যালের সঙ্গে চুক্তি রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশনের

    Wings India 2026: ভারতেই তৈরি হবে সুখোই সুপারজেট ১০০! হ্যালের সঙ্গে চুক্তি রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দ্রাবাদে অনুষ্ঠিত উইংস ইন্ডিয়া ২০২৬ আন্তর্জাতিক বিমান প্রদর্শনীতে (Wings India 2026) ভারত–রাশিয়া মহাকাশ সহযোগিতায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপিত হলো। রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশন (UAC) এবং ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) ভারতে সুখোই সুপারজেট ১০০ (SJ-100) আঞ্চলিক যাত্রীবাহী বিমানের লাইসেন্সপ্রাপ্ত উৎপাদনের জন্য একটি যৌথ উদ্যোগ (Joint Venture) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ২৮ জানুয়ারি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ইউনাইটেড এয়ারক্রাফ্ট কর্পোরেশন-এর জেনারেল ডিরেক্টর ভাদিম বাদেখা এবং হ্যাল-এর চেয়ারম্যান ড. ডি. কে. সুনীল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার শিল্প ও বাণিজ্য উপমন্ত্রী গেন্নাদি আব্রামেনকভ, ভারতে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত দেনিস আলিপভ, বাণিজ্য প্রতিনিধি আন্দ্রেই সোবোলেভ এবং রোসাভিয়াতসিয়ার এভিয়েশন ইকুইপমেন্ট সার্টিফিকেশনের প্রধান দিমিত্রি কোপিসভসহ একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

    নয়া চুক্তির কী কী শর্ত

    চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, সুখোই সুপারজেট ১০০ বিমানের টাইপ সার্টিফিকেট ভারতে স্বীকৃতি ও বৈধকরণ (Certification and Validation) প্রক্রিয়ায় হ্যাল, ইউএসি-কে সহায়তা করবে। এর বিনিময়ে হ্যাল ভারতে এই বিমান তৈরি, বিক্রি এবং রক্ষণাবেক্ষণের লাইসেন্স পাবে। পাশাপাশি, মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও উপাদান উৎপাদনের অধিকারও থাকবে হ্যাল-এর হাতে। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সংস্থা রোস্তেকের অধীনস্থ ইউএসি, হ্যাল-কে প্রযুক্তিগত পরামর্শ, নকশা সহায়তা এবং বিশেষজ্ঞ পরিষেবা দেবে, যাতে ভারতে সুখোই সুপারজেট ১০০-এর অ্যাসেম্বলি লাইনের জন্য উৎপাদন পরিকাঠামো পুনর্গঠন করা যায়। উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে মস্কোতে দুই সংস্থার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। নতুন এই চুক্তি সেই আলোচনাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিল।

    কীভাবে কাজের বণ্টন হবে

    এই চুক্তিকে একটি বিস্তৃত ‘মাস্টার এগ্রিমেন্ট’-এর দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে ভবিষ্যতের সময়সূচি, আর্থিক কাঠামো এবং দুই পক্ষের মধ্যে কাজের বণ্টন বিস্তারিতভাবে নির্ধারিত হবে। সুখোই সুপারজেট ১০০ (SJ-100) হলো মূল সুখোই সুপারজেটের একটি আধুনিক ও পুনর্নকশাকৃত সংস্করণ, যা সম্পূর্ণভাবে রাশিয়ায় তৈরি উপাদান ও সিস্টেমের ওপর নির্ভরশীল। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে পূর্বে ব্যবহৃত ফ্রাঙ্কো-রুশ ইঞ্জিনের পরিবর্তে এতে ব্যবহার করা হয়েছে রাশিয়ায় নির্মিত পিডি৮ ইঞ্জিন। ফলে সুখোই সুপারজেট ১০০ (SJ-100) বর্তমানে একটি সম্পূর্ণ ‘ইমপোর্ট-সাবস্টিটিউটেড’ রাশিয়ান আঞ্চলিক জেট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এর সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে দুটি সুখোই সুপারজেট ১০০ (SJ-100) প্রোটোটাইপ ১০টি দেশের আকাশসীমা পেরিয়ে হায়দ্রাবাদে পৌঁছয়। ভারতের ক্ষেত্রে এই অংশীদারিত্ব সরকারের ‘উড়ে দেশ কা আম নাগরিক’ (UDAN) কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার লক্ষ্য সাশ্রয়ী বিমান পরিষেবা সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক বিমানবন্দরগুলির উন্নয়ন। ভারতে স্থানীয় উৎপাদন শুরু হলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে সুখোই সুপারজেট ১০০ (SJ-100) -এর নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, পাশাপাশি প্রযুক্তি স্থানান্তর ও রফতানির সুযোগও বাড়বে।

  • Bangladesh: পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মলদ্বীপ…! ড্রাগনের ফাঁদে পড়ে হয়েছে সর্বস্বান্ত, সেই পথে বাংলাদেশও?

    Bangladesh: পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মলদ্বীপ…! ড্রাগনের ফাঁদে পড়ে হয়েছে সর্বস্বান্ত, সেই পথে বাংলাদেশও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ড্রাগনের ফাঁদে পড়ে নাভিশ্বাস ওঠার দশা বাংলাদেশেরও (Bangladesh)। চিনের (China) কৌশলগত বিনিয়োগ, ঋণের ওপর চড়া হারে সুদ এবং বৃহৎ পরিসরের পরিকাঠামো প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রভাব অনেক দেশকেই আর্থিকভাবে অত্যধিক চাপে ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল করে তুলেছে। ঋণ সঙ্কট থেকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাঙন পর্যন্ত একাধিক দেশে গুরুতর চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। উদ্যোক্তা রাজেশ সাওনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘‘এমনকি বাংলাদেশও এখন অরাজকতা ও অধোগামী সঙ্কটে পড়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি অর্থনীতির মধ্যে ৫টিই ধসে পড়েছে। এগুলি হল, শ্রীলঙ্কা, মলদ্বীপ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং নেপাল।’’ যদিও এই তথ্য ওই দাবিকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে না, তবে অন্তর্নিহিত চাপের যে সংকেতগুলি মিলেছে, তা বাস্তব।

    বাংলাদেশ (Bangladesh)

    দেশটিতে সব চেয়ে বেশি অভাব আইনশৃঙ্খলার। সহিংস বিক্ষোভ ও উগ্রপন্থার উত্থানে জর্জরিত। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে পারছে না। সেনাবাহিনী “স্ব-নির্মিত সঙ্কটের ব্যাপারে সতর্ক করেছে ইউনূস সরকারকে। মুদ্রাস্ফীতি উচ্চমাত্রায়। স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল হয়েছে বিনিয়োগ। ২০২৫ অর্থবর্ষে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার হতে কমে হতে পারে ৩.৩–৩.৯ শতাংশ। যদিও দেশটির অর্থনীতি চালু রয়েছে, কিন্তু খুবই কষ্টে রয়েছেন বাংলাদেশের নাগরিকরা। (Bangladesh)।

    শ্রীলঙ্কা

    মিতব্যয়ী প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কা উচ্চ দারিদ্র্য, মুদ্রাস্ফীতি ও দুর্বল মুদ্রার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২২ সালে দেশটি বৈদেশিক ঋণ শোধে ডিফল্ট করে এবং এখনও তাদের বিদেশি ঋণের অর্ধেকেরও বেশি চিনের কাছে বাকি রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি সীমিত ফল দিয়েছে। তাই এই মুহূর্তে ঋণ পরিশোধ এখনও বড় ঝুঁকির (China)।

    মলদ্বীপ

    জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৪ শতাংশ হওয়ার আশা থাকলেও মলদ্বীপের সরকারি ঋণের প্রায় ২০ শতাংশই চিনের কাছে। দেশটির অর্থনীতি পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। তাই যে কোনও বাহ্যিক ধাক্কা ভারসাম্য নষ্ট করে দিতে পারে। মলদ্বীপ-চিন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বাণিজ্য ঘাটতি বাড়াতে পারে এবং স্থানীয় শিল্পগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

    পাকিস্তান

    পাকিস্তানে রাজনৈতিক অস্থিরতা তুঙ্গে। সেখানে ব্যাপক বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজস্ব ভিত্তিও দুর্বল। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের মাধ্যমে চিনের ঋণ পরিকাঠামো উন্নয়নে সাহায্য করলেও, এটি ঋণের বোঝা বাড়িয়েছে এবং সার্বভৌমত্ব নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তাই বিনিয়োগকারীদের আস্থা এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। অথচ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করতে না পারলে শিল্প হওয়া এক কথায় অসম্ভব। আর শিল্প না হলে, ঘুঁচবে না বেকারত্বও (Bangladesh)।

    আফগানিস্তান ও নেপাল

    আফগানিস্তানের অর্থনীতি বিচ্ছিন্ন, অন্যের সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল এবং দেশটি দারিদ্র্যে জর্জরিত। চিনের সম্পৃক্ততা এখানে সীমিত এবং ধীরগতির। আর নেপাল, কাগজে-কলমে স্থিতিশীল হলেও চিনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বেজিং-সমর্থিত পরিকাঠামোর ওপর নির্ভরতা বাড়ছে (China)।

    বিভিন্ন পরিকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ

    প্রসঙ্গত, চিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে বিভিন্ন পরিকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে। এর মধ্যে রয়েছে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভও। শি জিনপিংয়ের দেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্কও তৈরি করছে এবং তাদের সামরিক শক্তি বাড়াতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব স্থাপন করছে। চিন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে, যা তাদের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের মতো প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে চিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। এই বিনিয়োগগুলি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির পরিকাঠামোর উন্নতিতে সহায়তা করছে। কিন্তু এর সঙ্গে সঙ্গে ঋণ সংক্রান্ত সমস্যাও দেখা যাচ্ছে (Bangladesh)।

    রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদার

    রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে চিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে, যেমন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও সহযোগিতা স্থাপন। চিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে। চিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে ও নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করছে।

    সামরিক প্রভাবও বিস্তার

    চিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে নিজেদের সামরিক প্রভাবও বিস্তার করছে। চিন পাকিস্তান ও অন্যান্য কয়েকটি দেশের সঙ্গে সামরিক চুক্তি করেছে, যা ভারত ও অন্যান্য আঞ্চলিক শক্তির জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে (China)। চিন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক পরিকাঠামো তৈরি করছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনবে (Bangladesh)।

  • Vice Admiral Arti Sarin: নারী শক্তির বিকাশ, সশস্ত্র বাহিনীর মেডিক্যাল সার্ভিসের প্রথম মহিলা ডিজি পেল দেশ

    Vice Admiral Arti Sarin: নারী শক্তির বিকাশ, সশস্ত্র বাহিনীর মেডিক্যাল সার্ভিসের প্রথম মহিলা ডিজি পেল দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের নারী শক্তির বিকাশ। সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষপদগুলির মধ্যে একটিতে আবারও বসলেন এক মহিলা। সশস্ত্র বাহিনী মেডিক্যাল সার্ভিসের ডিজি হলেন ভাইস অ্যাডমিরাল আরতি সারিন (Vice Admiral Arti Sarin)। ভাইস অ্যাডমিরাল সারিন, বর্তমানে ভারতের নৌসেনা, বায়ুসেনা এবং স্থলসেনা তিন বিভাগেরই মেডিক্যাল সার্ভিসের ডিজি হিসেবে কাজ করছেন। এই প্রথম কোনও মহিলা এই বিরল সম্মান লাভ করলেন।

    নারী শক্তির প্রতীক

    আরতি নৌবাহিনীর প্রথম তিন-চারজন ভাইস অ্যাডমিরালদের (Vice Admiral Arti Sarin) একজন। ডিজি, এএফএমএস, সশস্ত্র বাহিনীর সবচেয়ে সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার হিসাবে কাজ করছেন। তিনি জেনারেল অনিল চৌহান, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের কাছে সেনাবাহিনীর চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ে কথা বলবেন। সারিন দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে সেনাবাহিনীতে কাজ করছেন। ১৯৮৫ সালে একজন সেনা অফিসার হিসেবে নিজের কাজ শুরু করেন আরতি। এরপর তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় এয়ার মর্শাল হিসেবে কাজ করেন। 

    আরতি একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর থেকে তিনি বিশেষ সেনা সম্মান লাভ করেন। দেশে নারী শক্তির প্রতীক হলেন আরতি (Vice Admiral Arti Sarin)। সশস্ত্র বাহিনীতে একজন মহিলা থ্রি-স্টার অফিসার এখনও খুব বিরল। সেখানে আরতির এই সম্মান বা নয়া দায়িত্ব, পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এক নিদর্শন।

    আরও পড়ুন: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Incident: রাত পেরিয়ে ভোর! স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অনড় আন্দোলন জুনিয়র চিকিৎসকদের

    RG Kar Incident: রাত পেরিয়ে ভোর! স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অনড় আন্দোলন জুনিয়র চিকিৎসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর স্বাস্থ্য ভবনের সামনে বসে থাকলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা (Junior Doctors Protest)। চোখে-মুখে ক্লান্তি থাকলেও নিজেদের বিশ্বাসে অনড় তাঁরা। বৃষ্টিও তাঁদের টলাতে পারেনি। রাত পেরিয়ে ভোরবেলাতেও স্বাস্থ্য ভবনের বাইরেই বসে থাকতে দেখা যায় তাঁদের। আন্দোলনকারীদের (RG Kar Incident) স্পষ্ট কথা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের দাবি পূরণ না করা হবে, অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান বিক্ষোভ চলতে থাকবে।

    দুয়ারে ডাক্তার এলো রে

    বুধবার, ভোর হতেই চিকিৎসকরা স্লোগান দিতে থাকেন, “ভোর হল, দোর খোল, দুয়ারে ডাক্তার এলো রে!” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে সরকার প্রকল্পকে ব্যঙ্গ করে স্লোগান ওঠে। মঙ্গলবার করুণাময়ী থেকে স্বাস্থ্য ভবন পর্যন্ত জুনিয়র ডাক্তাররা অভিযান করেন। বিকেল গড়িয়ে রাত হলেও স্বাস্থ্য ভবনের সামনে থেকে সরেননি তাঁরা। রাতেই জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে প্রায় মধ্যরাতে স্বাস্থ্য ভবনে পৌঁছে যান ‘তিলোত্তমা’র (RG Kar Incident) বাবা-মা। 

    পাশে নির্যাতিতার পরিবার

    জুনিয়র চিকিৎসকদের (Junior Doctors Protest) আন্দোলনে যোগ দিয়ে নির্যাতিতার (RG Kar Incident) বাবা বললেন, “একটা মেয়ে হারিয়ে আমি আজ অনেক ছেলে-মেয়ে পেয়েছি। সবাই যেভাবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, বিচারের দাবিতে লড়ছেন তাতে আশা করছি বিচার আমরা পাবই। প্রশাসনের সুবুদ্ধি হোক।” নির্যাতিতার মা বলেন, “আজ এই মধ্যরাতে আমার ছেলেমেয়েগুলো রাস্তায় বসে রয়েছে। তাই ঘরে থাকতে পারলাম না। চলে এলাম তোমাদের মঞ্চে। আসার সময় দেখলাম, তোমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রুটি খাচ্ছো। প্রশাসন তোমাদের কোথায় নামিয়েছে। ডাক্তারদের মানুষ ভগবান মনে করে। তাঁদেরকে রাস্তায় দিন রাত কাটাতে হচ্ছে। এটা তো খুব লজ্জার।” যেভাবে নির্যাতিতার বাবা-মা মধ্যরাতে তাঁদের মঞ্চে এসে পৌঁছেছেন তাতে তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আরও মানসিক শক্তি পেলেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য সচিবের পাঠানো ইমেল ‘অপমানজনক’, কড়া বার্তা জুনিয়র ডাক্তারদের

    চিকিৎসকদের দাবি

    সোমবার সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors Protest) মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে কাজে যোগ দিতে বলেছিল। কিন্তু, জুনিয়র চিকিৎসকরা স্পষ্ট করে দেন, তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এদিন স্বাস্থ্য সচিব আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের ইমেল পাঠিয়ে নবান্নে বৈঠকে আসার আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলে জানানো হয়। আলোচনার পথ খোলা রাখলেও এদিন নবান্নে যাননি জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি, দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) জড়িতদের। এর পাশাপাশি, হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে ইস্তফা দিতে হবে। ইস্তফা দিতে হবে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব ও মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সচিবকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “এক সময় ওটা আমার দেশ ছিল”, ‘ভিসা-ছাড়া’ পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গে মোদি

    PM Modi: “এক সময় ওটা আমার দেশ ছিল”, ‘ভিসা-ছাড়া’ পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেকে পাকিস্তানের উদ্বেগের সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে অভিহিত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের ভিসা ছাড়া পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গেও প্রতিবেশী দেশের ‘ক্ষমতা’ পরীক্ষার তত্ব ঠিক সেই সময় এসেছে যখন কংগ্রেস নেতা মণিশঙ্কর আইয়ার মন্তব্য করেছেন “ভারতের উচিত পাকিস্তানকে সম্মান করা উচিত কারণ তাঁদের কাছে পারমাণবিক বোমা রয়েছে”। ওই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর তরফে এই ব্যঙ্গ  এসেছে।

    পাকিস্তানের ক্ষমতা দেখা আছে

    দেশের একটি প্রথম সারির টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর ২০১৫ সালের লাহোর সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, “উস তাকত কো মে খুদ লাহোর জাকর চেক করকে আয়া হুঁ (পাকিস্তান কতটা শক্তিশালী তা আমি ব্যক্তিগতভাবে পরীক্ষা করে দেখে নিয়েছি)।” লাহোর সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তানের একজন সাংবাদিক অবাক হয়ে বলেছিলেন, “হায় তাওবা, বিনা ভিসা কে কৈসে আ গয়া (হায় হায়, মোদি ভিসা ছাড়াই কীভাবে দেশে চলে এসেছে), আমি তাঁদের বলেছিলাম, “এটি আমার দেশ ছিল কোনও এক সময়ে।”

    আরও পড়ুন: ২৮ মে কলকাতায় জমকালো রোড-শো মোদির! ‘‘ঐতিহাসিক হবে’’, দাবি বিজেপির

    পাকিস্তান দাবি করছে, বিশ্বের নানা প্রান্তে ‘অজানা খুনিদের দ্বারা’ জঙ্গি খতম হওয়ার পিছনে ভারতের হাত রয়েছে। এমন অভিযোগেরও জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, “তিনি জানেন যে, পাকিস্তান উদ্বিগ্ন এবং তিনি তাঁদের উদ্বেগের মূল কারণ। তবে, ভারতের কিছু লোক কেন এই বিষয়টি নিয়ে কাঁদছে তা বুঝতে পারছি না। আমি জানি, পাকিস্তানের মানুষ আজকাল চিন্তিত।’’

    ১৯৭১-এ ক্ষমতায় থাকলে কারতারপুর নিয়ে নিতাম  

    কংগ্রেসকে সরাসরি আক্রমণ করে এদিন মোদি বলেন, “একটি সম্মানিত দলের একজন নেতা, যারা আমাদের দেশকে ৬০ বছর ধরে শাসন করেছে এবং ২৬/১১ মুম্বাই হামলার সময় যারা  ক্ষমতায় ছিল, তাঁরা একবার অভিযোগ করেছিল যে, এটি পাকিস্তানি সন্ত্রাসী আজমল কাসব এবং তার লোকেরা করেনি। যারা আমাদের দেশবাসীকে হত্যা করেছে তাঁদের পক্ষ নেওয়া সত্যিই দুঃখজনক। দেশের একজন নেতা কীভাবে পাকিস্তান ও আজমল কাসবের পক্ষে বক্তব্য দিতে পারেন? এমন মন্তব্য শুনলেই লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে যায়। আমার হৃদয় এমন বক্তব্যে ব্যাথিত হয়।” বৃহস্পতিবার, পাঞ্জাবের পাতিয়ালায় একটি নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময়, মোদি বলেন, “১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ৯০ হাজারেরও বেশি পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছিল। আমি ক্ষমতায় থাকলে তাঁদের সৈন্যদের মুক্ত করার আগে পাকিস্তান থেকে কারতাপুর সাহেবকে নিয়ে নিতাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মাস শেষে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’, চলতি সপ্তাহে ফের ৪০ ডিগ্রি ছাড়াবে তাপমাত্রা?

    Weather Update: মাস শেষে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’, চলতি সপ্তাহে ফের ৪০ ডিগ্রি ছাড়াবে তাপমাত্রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে ফের বাড়ছে গরম। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন সমস্ত জেলাতেই চড়তে পারে তাপমাত্রা। শনিবারের মধ্যে তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা চড়তে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় গরম ও অস্বস্তি দুইই বাড়বে। পশ্চিমের কিছু জেলায় ৪০ ডিগ্রি বা তার উপরে উঠতে পারে তাপমাত্রার পারদ। উপকূল ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে শনি ও রবিবার। তবে চলতি মাসের শেষে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়  ‘রিমাল’।

    দক্ষিণের আবহাওয়া

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী কয়েকটি জেলায় সন্ধের দিকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে,  আগামী ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া সঙ্গে আদ্রতা জনিত অস্বস্তি। রাতে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শহর কলকাতার তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে। বুধবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাগুলিতেই। দক্ষিণের জেলাগুলোতে শনিবারের মধ্যেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছে যেতে পারে । আর পশ্চিমের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির উপরে উঠে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। 

    ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’

    তাপমাত্রার পারদ যখন বাড়ছে সেই সময় নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকুটি। আমেরিকা ও ইউরোপিয়ান আবহাওয়ার পূর্বাভাস মডেল অনুযায়ী দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে একটি ঘূর্ণিঝড়। এই সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম দেওয়া হতে চলেছে ‘রিমাল’, যা ওমান দিয়েছে। এর অর্থ ‘বালু’। ২০ থেকে ২৭ মের মধ্যে তা বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। যদিও এই প্রসঙ্গে এখনও আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।

    আরও পড়ুন: আজ আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব

    উত্তরের আবহাওয়া

    উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং কালিম্পং এবং পাহাড়ি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা বৃষ্টি হবে। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি ও তার সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবার আশঙ্কা রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Microsoft: মাইক্রোসফটে নতুন ‘বস’! উইন্ডোজের মাথায় আইআইটি মাদ্রাজের প্রাক্তনী পবন দাবুলুরি

    Microsoft: মাইক্রোসফটে নতুন ‘বস’! উইন্ডোজের মাথায় আইআইটি মাদ্রাজের প্রাক্তনী পবন দাবুলুরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দর পিচাই কিংবা সত্য নাদেলার পর এবার পবন দাবুলুরি (Pavan Davuluri)। সারা পৃথিবীতে বড় বড় সংস্থার মাথায় রয়েছেন বেশ কয়েকজন ভারতীয়। এবার টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফটের নতুন ‘বস’ হলেন এক ভারতীয়। আইআইটি মাদ্রাজের প্রাক্তনী পবন দাবুলুরি মাইক্রোসফটের (Microsoft) উইন্ডোজ ও সারফেসের নতুন প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে পবন সারফেস সিলিকনের কাজের দেখাশোনা করতেন। ২৩ বছর ধরে বিল গেটস এর সংস্থা মাইক্রোসফটে রয়েছেন পবন। তাই এই ভারতীয়ের উপর ভরসা দেখাল মাইক্রোসফট।

    পবনের নয়া দায়িত্ব

    মাইক্রোসফট (Microsoft) আগেই উইন্ডোজ ও সারফেসকে আলাদা করে দিয়েছিল। এবং দুটির জন্য ভিন্ন নেতৃত্বের কথাও জানিয়েছিল। এর আগে পবন সারফেস সিলিকনের কাজের দেখাশোনা করতেন। যেখানে মিখাইল পারাখিন নেতৃত্ব দিতেন উইন্ডোজ বিভাগকে। মিখাইল এবার নতুন ভূমিকাকে এক্সপ্লোর করতে চান। আর তার পরই পবনকে দুই বিভাগেরই প্রধান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। এর আগে এই পদে ছিলেন পানোস পনয়। তিনি মাইক্রোসফট ছেড়ে আমাজনে যোগ দেওয়ায় ওই দুই পদে এলেন পবন।

    আরও পড়ুুন: “ভারত এমন দেশ নয়, যাকে অন্যের উপদেশ নিতে হবে”, বললেন ধনখড়

    কী কী কাজ করতে হবে

    ভারতে আইআইটি মাদ্রাজ থেকে পড়া পবন মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর বিভাগের পড়াশোনা শেষ করেন। এর পরই তিনি রিলেবিলিটি কম্পোনেন্ট ম্যানেজার হিসেবে মাইক্রোসফটে (Microsoft) যোগ দেন। আইআইটি মাদ্রাজ থেকে স্নাতক হয়েছিলেন পবন।  তাঁর এই নতুন দায়িত্ব বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নানা সংস্থায় ভারতীয়দের সঙ্গে তাঁকে একসারিতে বসিয়ে দিল।

    মাইক্রোসফটের (Microsoft) এক্সপিরিয়েন্স অ্যান্ড ডিভাইস বিভাগের প্রধান রাজেশ ঝা-বলেছেন, ‘‘পবন এখন নতুন দলের নেতৃত্বে থাকছেন এবং আমাকে সব তথ্য জমা দেবেন। শিল্পা রঙ্গনাথন, জেফ জনসন এবং তাঁদের দল সরাসরি পবনের নেতৃত্বে কাজ করবেন। উইন্ডোজ দল মাইক্রোসফ্‌টের কৃত্রিম মেধার দলের সঙ্গে কাজ করবে।”  এবার থেকে রাজেশকেই ‘রিপোর্ট’ করবেন পবন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share