Tag: madhyom news

madhyom news

  • Vehicle to Vehicle: গাড়িতেও বসতে চলেছে ‘কবচ’! দুর্ঘটনা ঠেকাতে অভিনব প্রযুক্তি আনছে মোদি সরকার

    Vehicle to Vehicle: গাড়িতেও বসতে চলেছে ‘কবচ’! দুর্ঘটনা ঠেকাতে অভিনব প্রযুক্তি আনছে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতীয় সড়ক পরিবহণ দফতর ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle) যোগাযোগ প্রযুক্তি চালু করার পরিকল্পনা করেছে। এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য হল দেশজুড়ে সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা এবং দুর্ঘটনার হার কমানো। এই প্রযুক্তির বিশেষত্ব হল, বাহ্যিক নেটওয়ার্কের যেমন মোবাইল নেটওয়ার্ক ওপর নির্ভর না করেই একেবারে সরাসরি এক যানবাহন থেকে অন্য যানবাহনে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবে। কীভাবে এই প্রযুক্তি (New Safety Plan) পরিষেবা দেবে আসুন জেনে নিই।

    দুর্ঘটনা হ্রাস

    কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি এই প্রস্তাবের বিষয়টি সম্পর্কে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন। এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল প্রযুক্তি (New Safety Plan) একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে চিহ্নিতও করেছেন। এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle) সিস্টেমটি চলমান গতিশীল যানবাহনের দ্বারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বা পার্ক করা যানবাহনকে ধাক্কা দেওয়ার মতো সংঘর্ষগুলি কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করবে। এক কথায় এটাকে গাড়ির নিজস্ব কবচ সিস্টেম বলা যেতে পারে। যার মূল উদ্দেশ্য হল, দুর্ঘটনা রোধ করা।

    কুয়াশার সময়ে সতর্কতা

    শীতকালে যখন দৃশ্যমানতা অত্যন্ত কম থাকে, তখন বড় ধরনের বহু-যানবাহন সংঘর্ষ (pile-up) এড়াতে সহায়তা করবে এই ভেহিক্যল-টু-ভেহিক্যল (Vehicle to Vehicle)। কাছাকাছি কোনো যানবাহন বিপজ্জনকভাবে চলে এলে চালকের কাছে সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা পাঠানো হবে। ফলে তাতে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে।

    কার্যপ্রণালী এমন হবে এই প্রযুক্তির যে যানবাহনের (New Safety Plan) ভেতরে ইনস্টল করা সিম কার্ডের মতো একটি ডিভাইসের মাধ্যমে কাজ করবে। এই প্রযুক্তি গাড়ির চারপাশ থেকে সংকেত প্রেরণ করে সম্পূর্ণ ৩৬০-ডিগ্রি যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

    রিয়েল-টাইম সতর্কতা

    অন্য কোনও যানবাহন খুব কাছাকাছি চলে এলে চালকরা তাৎক্ষণিক (Real-Time) সতর্কতা পাবেন। এটি চালকদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার সীমা সম্পর্কে সতর্ক করবে এবং রাস্তার পাশে থাকা স্থির বা ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সম্পর্কেও আগাম সতর্কবার্তা দেবে এই প্রযুক্তি (Vehicle to Vehicle)।

    পর্যায়ক্রমিক প্রবর্তন

    পরিবহণ মন্ত্রক ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এই প্রযুক্তিটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রবর্তন করবে। এটি পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে, যেখানে প্রথমে নতুন যানবাহনগুলিতে এটি ইনস্টল করা হবে। এই ভিটুভি সিস্টেমটি বিদ্যমান উন্নত ড্রাইভার সহায়তা সিস্টেম (ADAS)-এর পাশাপাশি কাজ করবে। প্রকল্পের ব্যয় হিসেবে সামগ্রিক প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৫,০০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও গ্রাহকদের এই সিস্টেমের জন্য মূল্য দিতে হবে, তবে সেই মূল্য তালিকা এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

  • Ramakrishna 555: “সীতার শোকে রাম ধনুক তুলতে না পারাতে লক্ষ্মণ আশ্চর্য হয়ে গেল, কিন্তু পঞ্চভূতের ফাঁদে ব্রহ্ম পরে কাঁদে”

    Ramakrishna 555: “সীতার শোকে রাম ধনুক তুলতে না পারাতে লক্ষ্মণ আশ্চর্য হয়ে গেল, কিন্তু পঞ্চভূতের ফাঁদে ব্রহ্ম পরে কাঁদে”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে অগস্ট

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও যীশুখ্রীষ্ট (Jesus Christ)

    প্রত্যূষ (২৮শে অগস্ট) হইল। ঠাকুর (Ramakrishna) গাত্রোত্থান করিয়া মার চিন্তা করিতেছেন। অসুস্থ হওয়াতে ভক্তেরা শ্রীমুখ হইতে সেই মধুর নাম শুনিতে পাইলেন না। ঠাকুর প্রাতঃকৃত্য সমাপন করিয়া নিজের আসনে আসিয়া বসিয়াছেন। মণিকে বলিতেছেন (Kathamrita), আচ্ছা, রোগ কেন হল?

    মণি—আজ্ঞা, মানুষের মতন সব না হলে জীবের সাহস হবে না। তারা দেখেছে যে, এই দেহের এত অসুখ, তবুও আপনি ঈশ্বর বই আর কিছুই জানেন না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—বলরামও (Ramakrishna) বললে, ‘আপনারই এই, তাহলে আমাদের আর হবে না কেন?’

    “সীতার শোকে রাম ধনুক তুলতে না পারাতে লক্ষ্মণ আশ্চর্য হয়ে গেল। কিন্তু পঞ্চভূতের ফাঁদে ব্রহ্ম পরে কাঁদে।

    মণি—ভক্তের দুঃখ দেখে যীশুখ্রীষ্টও অন্য লোকের মতো কেঁদেছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কি হয়েছিল?

    মণি — মার্থা, মেরী দুই ভগ্নী, আর ল্যাজেরাস ভাই — তিনজনই যীশুখ্রীষ্টের ভক্ত। ল্যাজেরাসের মৃত্যু হয়। যীশু তাদের বাড়িতে আসছিলেন। পথে একজন ভগ্নী (মেরী), দৌড়ে গিয়ে পদতলে পড়ে কাঁদতে কাঁদতে বললে, ‘প্রভু, তুমি যদি আসতে, তাহলে সে মরতো না।’ যীশু তার কান্না দেখে কেঁদেছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও সিদ্ধাই — Miracles

    “তারপর তিনি গোরের কাছে গিয়ে নাম ধরে ডাকতে লাগলেন (Kathamrita), অমনি ল্যাজেরাস প্রাণ পেয়ে উঠে এল।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — আমার কিন্তু উগোনো হয় না।

    মণি— সে আপনি করেন না— ইচ্ছা করে। ও-সব সিদ্ধাই, Miracle তাই আপনি করেন না। ও-সব করলে লোকদের দেহেতেই মন যাবে—শুদ্ধাভক্তির দিকে মন যাবে না। তাই আপনি করেন না।

    “আপনার সঙ্গে যীশুখ্রীষ্টের অনেক মেলে!”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) সহাস্যে— আর কি কি মেলে?

  • Kerala: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলিকে তৃতীয় ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার

    Kerala: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলিকে তৃতীয় ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহিষ্কৃত কংগ্রেস বিধায়ক রাহুল মামকুটাথিলের (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে তৃতীয় ধর্ষণের মামলা দায়েরের পর রবিবার ভোরে পালাক্কাদে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। মামকুটাথিলকে পালাক্কাদের (Kerala) কেপিএম রিজেন্সি হোটেল থেকে রাত ১২.৩০ থেকে ১টার মধ্যে হেফাজতে নেওয়া হয়। এরপর তাঁকে কেরালার পাঠানামথিট্টার একটি পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে একজন ডেপুটি পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি দল তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

    হোটেলে দেখা করার নামে যৌন নির্যাতন (Kerala)

    কানাডায় কর্মরত পাথানামথিট্টার (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে এক মহিলা ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, মহিলাদের নৃশংস যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভপাত এবং আর্থিক শোষণ সহ গুরুতর অপকর্ম করে বেড়াতেন তিনি। নির্যাতিতা মহিলা জানিয়েছেন গর্ভবতী হওয়ার পর তিনি ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন। যে পরীক্ষাগারে পরীক্ষার জন্য গিয়েছিলেন, সেখানে মামকুটাথিলকে (Kerala) একটি নমুনা সরবরাহ করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু সহযোগিতা করেননি। তিনি তদন্তকারীদের বলেছেন অভিযোগের সমর্থনে আরও প্রমাণ রয়েছে। মামকুটাথিল বারবার নির্যাতিতাকে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার জন্য অনুরোধ করেন। যখন তিনি একটি রেস্তোরাঁয় দেখা করার প্রস্তাব দেন, তখন তিনি এই বলে অস্বীকৃতি জানান যে, একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি জনসমক্ষে দেখা করতে পারবেন না। এরপর তিনি তাঁকে পালাক্কাদের একটি হোটেলে দেখা করতে বলেন। হোটেলে পৌঁছানোর পর, তিনি তাঁকে একটি ঘরে নিয়ে যান। শুরু হয় নৃশংস যৌন নির্যাতন চালান।

    আগেও দুটি ধর্ষণের মামলা

    গত বছর মামকুটাথিলের (Rahul Mamkootathil) বিরুদ্ধে পুলিশ দুটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছিল। একটি মামলায়, একজন মহিলা অভিযোগ করেন যে বিধায়ক তাঁকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করেছিলেন। এ সংক্রান্ত একটি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে মামকুটাথিলের (Kerala) মহিলাকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছিল। ক্লিপে বলতে শোনা গিয়েছিল যে গর্ভাবস্থা তাঁর জীবন ধ্বংস করে দেবে এবং গর্ভপাত করতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে হত্যা করা হবে।

    মহিলাটি জবাব দিয়েছিলেন যে তিনি একাই শিশুটিকে লালন-পালন করতে পারবেন, কিন্তু মামকুটাথিল তাঁর কথায় খুব রেগে গিয়েছিলেন। অভিযোগ প্রকাশের পর থেকে মামকুটাথিল কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। দ্বিতীয় মামলায়, ২৩ বছর বয়সী এক মহিলা মামকুটাথিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে তিনি তাঁকে একটি ব্যক্তিগত আবাসনে বারবার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। এর আগে, ২০২৫ সালের অগাস্টে, লেখক হানি ভাস্করণ এবং মডেল রিনি অ্যান জর্জের বিরুদ্ধে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ আনার পর, বিধায়ককে বরখাস্ত করেছিল কংগ্রেস।

  • Adithya Ashok: নিউজিল্যান্ড একাদশে স্থান পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত লেগ-স্পিনার আদিত্য অশোক

    Adithya Ashok: নিউজিল্যান্ড একাদশে স্থান পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত লেগ-স্পিনার আদিত্য অশোক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ভদোদরায় ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের জন্য নিউজিল্যান্ড একাদশে স্থান পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত (New Zealand-India) লেগ-স্পিনার আদিত্য অশোক (Adithya Ashok)। ভেলোরে জন্মগ্রহণকারী অশোক চার বছর বয়স পর্যন্ত ভারতেই ছিলেন। তার আগে তাঁর বাবা-মা উন্নত ক্যারিয়ারের সম্ভাবনার জন্য অকল্যান্ডে চলে যান। তিনি অকল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উন্নতি করেন। শেষে ২০২০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে অকল্যান্ডের হয়ে পেশাদার টি-টোয়েন্টি অভিষেকের পর, অশোক দ্রুত সকল ফর্ম্যাটে নিয়মিত খেলায় অংশগ্রহণ করতে শুরু করেন। এরপর ২০২২-২৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বর্ষসেরা তরুণ ক্রিকেটার হিসেবে সম্মানিত হন।

    আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার (Adithya Ashok)

    সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফরের জন্য অশোক (Adithya Ashok) প্রথম আন্তর্জাতিক ডাক পান, যেখানে তিনি একটি টি-টোয়েন্টি খেলেন। কয়েক মাস পরে, তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেন। সেই সময় পিঠে চোট পান, যার ফলে তাঁকে দীর্ঘ সময়ের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হয়। এখন পর্যন্ত, তিনি তাঁর তিনটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে (New Zealand-India) দুটি উইকেট পেয়েছেন।

    রজনীকান্ত সংযোগ

    তামিল সুপারস্টার রজনীকান্তের বড় ভক্ত অশোক (Adithya Ashok)। তাঁর বোলিং হাতে একটি ট্যাটু আছে যার ওপর তামিল ভাষায় লেখা আছে “এন ভাজি থানি ভাজি” অর্থাৎ আমার পথ একটি অনন্য পথ)। এই বাক্যাংশটি পদয়াপ্পা সিনেমার একটি প্রতীকী সংলাপ এবং এটি তাঁর প্রয়াত দাদুর সঙ্গে দেখা শেষ ছবির ব্যক্তিগত স্মৃতি। অশোক ২০২৫ সালে চেন্নাই সুপার কিংস অ্যাকাডেমিতে বেশ কয়েক সপ্তাহ প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।

    দুই টিমের খেলোয়াড় কারা?

    ভারতের টিমে (New Zealand-India) যাঁরা আছেন তাঁরা হলেন, শুভমান গিল (সি), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার (ভিসি), কেএল রাহুল (ডব্লিউকে), রবীন্দ্র জাদেজা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, হর্ষিত রানা, কুলদীপ যাদব, মহম্মদ সিরাজ, আরশদীপ সিং। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের (Adithya Ashok) টিমে যাঁরা আছেন তাঁরা হলেন, ডেভন কনওয়ে, হেনরি নিকোলস, উইল ইয়ং, ড্যারিল মিচেল, গ্লেন ফিলিপস, মিচেল হে (উইকেটরক্ষক), মাইকেল ব্রেসওয়েল (অধিনায়ক), জাকারি ফাউলকস, ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক, কাইল জেমিসন, আদিত্য অশোক।

  • Ram mandir: রামমন্দিরে ইসলামিক স্লোগান দিয়ে নমাজ পড়ে গ্রেফতার তিন কাশ্মীরি মুসলমান

    Ram mandir: রামমন্দিরে ইসলামিক স্লোগান দিয়ে নমাজ পড়ে গ্রেফতার তিন কাশ্মীরি মুসলমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকালে অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমি (Ram mandir) কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা কর্মীরা তিন কাশ্মীরি মুসলিমকে গ্রেফতার করেছে। কঠোর নিরাপত্তার বলয় ভেদ করে ঢুকে মন্দির প্রাঙ্গণের ভিতরে ওই মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের (Kashmiri Muslims) নামাজ পড়তে দেখা গিয়েছে। নিরাপত্তা কর্মীরা জানিয়েছেন, তাঁদের হিন্দু মন্দির প্রাঙ্গণের ভেতরে ইসলাম ধর্মের বিশেষ নামাজ পড়ার প্রস্তুতি নিতে দেখেই বেশ সন্দেহ হয়। সঙ্গে সঙ্গে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    সীতা রসোই এলাকায় আটক (Ram mandir)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে ২ জন পুরুষ (Kashmiri Muslims) এবং একজন মহিলা। প্রত্যেকেই কাশ্মীরি পোশাক পরে ডি ১ গেট দিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে (Ram mandir)  প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে একজন মূল মন্দির থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে সীতা রসোই এলাকার কাছে বসে নমাজ পড়তে শুরু করে। তবে, নিরাপত্তা কর্মীরা ঘটনাটি দেখতে পেয়েই তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

    ইসলাম ধর্মীয় স্লোগান দেন

    নমাজ পড়া প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে একজন হল বছর পঞ্চান্নর আবু আহমেদ শেখ। তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের শোপিয়ান জেলার বাসিন্দা। মহিলার নাম সোফিয়া, যদিও তৃতীয় যুবকের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করে জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানিয়েছেন যে নিরাপত্তা কর্মীরা যখন তাদের থামায় তখন তিনজন ইসলাম ধর্মীয় স্লোগান দেন। তাঁদের এই কর্মকাণ্ডের পিছনে কোন বড় ধরনের নাশকতা মূলক কাজের ইঙ্গিত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বৃহত্তর উদ্দেশ্য বা নেটওয়ার্ক জড়িত

    অভিযুক্তদের কাছে কাজু এবং কিশমিশের মতো জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে, যা সন্দেহ বাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ জঙ্গিরা প্রায়ই সন্ত্রাসী হামলা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের সময় বেঁচে থাকার জন্য এই জাতীয় শুকনো ফল সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা সংস্থা, স্থানীয় (Ram mandir) পুলিশ এবং ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। আটক ব্যক্তিদের বর্তমানে তাদের উদ্দেশ্য, ভ্রমণের বিবরণ এবং এর সঙ্গে কোনও বৃহত্তর উদ্দেশ্য বা নেটওয়ার্ক জড়িত কিনা তা নির্ধারণের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    জেলা প্রশাসন বা শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট (Ram mandir) এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি (Kashmiri Muslims) করেনি। এই ঘটনা আবারও রাম মন্দিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে ধরেছে, যেখানে ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রাম লালার অভিষেকের পর থেকে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১.৫ লক্ষ ভক্তের সমাগম ঘটে। মন্দিরটি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী দ্বারা চব্বিশ ঘন্টা পাহারা দেওয়া হয়। পুলিশ ইউনিট থেকে প্রায় ২০০ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

    অস্ত্র এবং ড্রোন-বিরোধী কেন্দ্র গড়া হবে

    বিগত মাসগুলিতে, রামমন্দিরকে (Ram mandir) ঘিরে একাধিক নিরাপত্তা হুমকি এসেছে নানা মহল থেকে।, যার মধ্যে রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া, ফোন কল এবং হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে বোমা মারার হুমকি। অযোধ্যায় এখন একটি জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষীদের (এনএসজি) হাব প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চলছে। অস্ত্র এবং ড্রোন-বিরোধী ব্যবস্থায় সজ্জিত পুলিশ, সিআরপিএফ, এসএসএফ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের জন্য ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সহায়তা কেন্দ্রও গড়া হবে। আসন্ন মকর সংক্রান্তি উদযাপনের মাত্র কয়েকদিন আগে এই ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে মন্দির নগরীতে প্রচুর জনসমাগম হবে বলে আশা কর্তৃপক্ষের। আর তাই সংবেদনশীল ধর্মীয় স্থানে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তা কঠোর করা হয়েছে।

    কতটা কঠিন ছিল রামমন্দির?

    উল্লেখ্য, রাম মন্দির ভারতের অন্যতম ধর্মীয় আস্থার কেন্দ্র। ৫০০ বছরের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় আন্দোলনের পর এই মন্দির ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নির্মিত হয়েছে। কিন্তু মন্দির নির্মাণ হলেও বাবরের উত্তরসূরীদের মনে শান্তি নেই। সব সময় হিন্দু আস্থার কেন্দ্রে ক্ষতি করার চেষ্টা করা হয়। সম্প্রতি পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি সংগঠন রাম মন্দির নিয়ে উস্কানি এবং বোমা মারার হুমকি দিয়েছে। বাবর যে শ্রী রামের মন্দির ভেঙে মসজিদ বানিয়েছিলেন, এ কথা এখন সত্য। তাই ইতিহাসের কালো অধ্যায়ে নয়, এখন সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ারই সময় আমাদের।

  • Somnath Swabhiman Parv: “ঐতিহাসিক ধর্মস্থলে আসতে পেরে আমি ধন্য”, সোমনাথ স্বাভিমানযাত্রায় অংশ নিয়ে জানালেন মোদি

    Somnath Swabhiman Parv: “ঐতিহাসিক ধর্মস্থলে আসতে পেরে আমি ধন্য”, সোমনাথ স্বাভিমানযাত্রায় অংশ নিয়ে জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমনাথ স্বাভিমান পর্বে (Somnath Swabhiman Parv) যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমনাথ মন্দিরের ইতিহাসের সঙ্গে ১ হাজার বছরের পুরাতন ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং ধর্মের আধ্যাত্মিকা জড়িয়ে রয়েছে। শনিবার গুজরাটের এই দ্বাদশলিঙ্গের এই মন্দিরে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। তাঁকে বিশেষভাবে স্বাগত জানান গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ঐতিহাসিক ধর্মস্থলে আসতে পেরে আমি ধন্য।”

    ঐতিহাসিক মুহূর্ত (Somnath Swabhiman Parv)

    সোমনাথ মন্দিরে এই স্বাভিমান যাত্রায় (Somnath Swabhiman Parv) যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সোমনাথ মন্দির আমাদের সাহস এবং গর্বের প্রতীক। আজ এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ১০২৬ সালে প্রথমবার বিদেশি আক্রমণকারীরা প্রথম আক্রমণ করেছিল। আজ এই যাত্রার ১ হাজার বছর পূর্ণ হয়েছে। জয় সোমনাথ আজকের এই আগমন অত্যন্ত আনন্দদায়ক।”

    ৭২ ঘণ্টা ব্যাপি ওঁ মন্ত্র জপ

    প্রধানমন্ত্রী মোদি এই মন্দিরের ৭২ ঘণ্টা ব্যাপি ওঁ মন্ত্র ধ্যানেও যোগ দেন। গত ৮ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই ১০০০ বছরের ইতিহাসকে স্মরণ করা হবে। তবে আজকের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানিয়েছেন,  ১১ জানুয়ারি সকাল ৯ টা ৪৫ থেকে প্রধানমন্ত্রী এক শৌর্য যাত্রায় (Somnath Swabhiman Parv) যোগদান করেছেন। সোমনাথ মন্দিরের জন্য এখনও পর্যন্ত অগণিত ভক্ত নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের সকলের প্রতি যথার্থ সম্মান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই যাত্রায় ১০৮টি ঘোড়ার প্রতীক রূপে বিশেষ পদযাত্রা করবেন। এই যাত্রা বীরত্ব এবং আত্মত্যাগের প্রতীক। এরপর সকাল ১০টায় পুজো করেছেন। এরপর সকাল ১১টায় একটি জনসভায় ভাষণও দেন।

    অস্তিত্বকে মুছে যেতে দেওয়া হয়নি

    ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি ১০০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই দিনে ১০২৬ সালে গজনির সম্রাট সুলতান মামুদ আক্রমণ করেছিলেন। তাই এই দিন এক আক্রমণের ১০০০ বছর। তবে কালের প্রবাহে মুসলমান শাসক বার বার দেশের হিন্দু মন্দির বা ধর্মীয়স্থলগুলিকে টার্গেট করেছে। বারবার ভাঙা হয়েছে মন্দির। এমন কি কিছু কিছু জায়গায় মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরিও করা হয়েছে। এতবার আক্রমণ হলেও সোমনাথ কখনও মানুষের সম্মিলিত অস্তিত্বকে মুছে যেতে দেওয়া হয়নি। সোমনাথ কেবল মাত্র একটি পাথরের টুকরো নয়, বিশ্বাস আস্থা এবং গর্বের প্রতীক।

    আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি

    ১৯৫১ সালে সর্দার প্যাটেল এবং কেএম মুন্সীর উদ্যোগে মন্দিরটি পুনর্নির্মিত হয়, এটাই ছিল আধুনিক ভারতের সাংস্কৃতিক বিজয়ের শুরু। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ। ১৯৫১ সালে সোমনাথ মন্দিরের আধুনিকীকরণ করা হয়। ২০০১ সালে সেই আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং লালকৃষ্ণ আদবানি। আর ২০২৬ সালে ১৯৫১ সালের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের (Somnath Swabhiman Parv) ৭৫ বছর পূর্ণ হবে।

  • Syria: আইএস ঘাঁটি লক্ষ্য করে সিরিয়ার ৩৫ টার্গেট কেন্দ্রে নিশানা আমেরিকার

    Syria: আইএস ঘাঁটি লক্ষ্য করে সিরিয়ার ৩৫ টার্গেট কেন্দ্রে নিশানা আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সিয়ার (Syria) থেকে আইএসকে নির্মূল করতে অনেকদিন ধরেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে আমেরিকা প্রশাসন। জঙ্গি হামলায় ট্রাম্পের (Donald Trump) মার্কিন সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে গত মাসেই এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বড় হামলা চালিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। একে, শাসক বিরোধী বিক্ষোভের জেরে উত্তাল ইরান, ঠিক সেই সময়েই আইএসআইএসের বিরুদ্ধে শনিবার রাতে আকাশ পথে হামলা চালায় আমেরিকা। জানা গিয়েছে, অন্তত ৩৫টি এলাকায় নিশানা করে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।

    এফ-১৫ই, এ-১০ এবং এসি ১৩০ বিমান ব্যবহার (Syria)

    মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডার মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিমোথি হকিন্স এই হামলার কথা জানান। এফ-১৫ই, এ-১০ এবং এসি ১৩০ যে গানশিপ সহ ২০টি যুদ্ধ বিমান সিরিয়ায় হামলা চালিয়েছে। একই ভাবে হামলায় ব্যবহার করা হয় এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং জর্ডনের এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান। ৩৫টি নিশানায় আনুমানিক ৯০টিরও বেশি বোমা ফেলা হয়েছে। ক্যাপ্টেন হকিন্স বলেন, “আইএসকে (Syria) নির্মূল করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তার ভিত্তিতে সিরিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতের জঙ্গি হামলা দমন এবং আমেরিকা (Donald Trump) ও তাদের সঙ্গীদের সুরক্ষা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

    হকআই স্ট্রাইক

    পালমিরা আক্রমণের বদলা হিসেবে একে “অপারেশন হকআই স্ট্রাইক” হিসেবে বিবেচনা করে হানা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। টরেস-টোভার এবং হাওয়ার্ড উভয়ই আইওয়া ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালের পর সিরিয়ার (Syria) শাসক বাশার আল আসাদের পতনের পর গত মাসে দুই মার্কিন নাগরিককে হত্যা করা হয়েছিল। তবে আমেরিকার মতে এই হত্যার দায় কেবলমাত্র আইএসের। ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসন তাই কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই হামলা শুরু হয়েছে। গত ২৬ তারিখে আইএসের পশ্চিম এশিয়ার প্রধান নেতা ধিয়া জাওবা মুসলি আল হারদানি এবং তাঁর দুই পুত্র নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী।

  • Indian Railways: বিশ্বের বৃহত্তম ও বিস্তৃত বিদ্যুতায়িত রেল নেটওয়ার্ক এখন ভারতে, প্রায় ১০০% বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন

    Indian Railways: বিশ্বের বৃহত্তম ও বিস্তৃত বিদ্যুতায়িত রেল নেটওয়ার্ক এখন ভারতে, প্রায় ১০০% বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেল মন্ত্রকের অধীনে থাকা ভারতীয় রেলওয়ে (Indian Railways) এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ও বিস্তৃত বিদ্যুতায়িত রেল নেটওয়ার্ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ভারতীয় রেলের প্রায় ৯৯.২% ব্রডগেজ নেটওয়ার্ক বিদ্যুচালিত হয়েছে। এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী “মিশন ১০০% বিদ্যুতায়ন” উদ্যোগটি দেশের পরিবহণ ব্যবস্থার মেরুদণ্ডটিকে ডিজেল-নির্ভর নেটওয়ার্ক থেকে একটি দ্রুত, কার্যকর এবং পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় আরও উন্নত মাধ্যমে রূপান্তরিত করেছে। আধুনিকীকরণের পাশাপাশি, এই প্রকল্প দূষণ কমায়, জ্বালানি সুরক্ষা জোরদার করে এবং দ্রুত, পরিবেশবান্ধব ও নির্ভরযোগ্য ট্রেন (Electrified Rail System) চলাচল নিশ্চিত করে। যোগাযোগের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন অবকাঠামো তৈরির লক্ষ্যই প্রধান বিষয়।

    এক শতাব্দীর বিদ্যুতায়ন: বম্বে থেকে দেশব্যাপী (Indian Railways)

    ভারতে বিদ্যুচালিত ট্রেনের (Indian Railways) যাত্রা শুরু হয় ১৯২৫ সালে, তখন বম্বে ভিক্টোরিয়া টার্মিনাস এবং কুরলা হারবারের মধ্যে প্রথম ইলেকট্রিক ট্রেন চলাচল শুরু হয়। স্বাধীনতার সময় পর্যন্ত এটি মাত্র ৩৮৮ রুট কিলোমিটার (RKM) ছিল। কয়েক দশক ধরে বৈদ্যুতিক প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চললেও, গত দশকে এর গতি এখন দারুণ ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১.৪২ কিলোমিটার হারে বৈদ্যুতিককরণের কাজ হয়েছিল। কিন্তু, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই গতি প্রতিদিন ১৫ কিলোমিটারের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৬৯,৪২৭ রুট কিলোমিটার বৈদ্যুতিক (Electrified Rail System) প্রক্রিয়ার কাজ হয়েছে। যার মধ্যে ২০১৪ সাল থেকে ৪৬,৯০০ রুট কিমি যুক্ত হয়েছে।

    চূড়ান্ত ভাবে ইলেকট্রিক তার লাগানো

    ভারতীয় রেলের (Indian Railways) মোট ব্রডগেজ নেটওয়ার্ক প্রায় ৭০,০০১ রুট কিমি। এর মধ্যে, ২৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এখন সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুতায়িত হয়েছে, যেখানে আর কোনও কাজ বাকি নেই। শুধুমাত্র পাঁচটি রাজ্যে রাজস্থান, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, অসম এবং গোয়ায় সামান্য কিছু অংশ বৈদ্যুতিককরণের কাজ বাকি আছে। মোট নেটওয়ার্কের মাত্র ০.৮%  অর্থাৎ ৫৭৪ কিমি বাদ।রেলের এই মিশন ১০০% বিদ্যুতায়ন কয়েক দশকের বিনিয়োগ, পরিকল্পনা এবং প্রযুক্তিগত গ্রহণের প্রতিনিধিত্ব করে। সেই সঙ্গে, দ্রুত এবং আরও সংযুক্ত ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে শক্তিশালী করে।

    বিশ্ব মানচিত্রে ভারতের অবস্থান

    রেল (Electrified Rail System) নেটওয়ার্কের ৯৯.২% বৈদ্যুতিককরণ করার মাধ্যমে ভারত এখন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রেল ব্যবস্থাগুলির মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। বিশ্বেজুড়ে নানা দেশগুলির মধ্যে যেমন সুইৎজারল্যান্ড ১০০%, চিন ৮২%, স্পেন ৬৭%, জাপান ৬৪%, ফ্রান্স ৬০%, রাশিয়া ৫২%, এবং যুক্তরাজ্য ৩৯% -এর মতো আধুনিকীকরণ এবং টেকসই বৈদ্যুতিককরণের (Indian Railways) কাঠামো গড়ে তুলেছে।

    কেন বিদ্যুতায়ন গুরুত্বপূর্ণ: পরিচ্ছন্ন, দ্রুত, স্মার্ট

    পরিবেশ ও অর্থনীতির প্রেক্ষিতে ইলেকট্রিক (Electrified Rail System) ট্র্যাকশন গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমায়, পরিচালনার খরচ হ্রাস করে এবং আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানি সুরক্ষাকে জোরদার করে। ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ডিজেলের তুলনায় প্রায় ৭০% বেশি সাশ্রয়ী। ফলে যাত্রীরা দ্রুত, মসৃণ এবং অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা উপভোগ করেন এবং পণ্য পরিবহন (Indian Railways) আরও নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে।

    সৌরশক্তির সংযুক্তি: ট্র্যাকগুলিতে আলো

    বৈদ্যুতিককরণের (Electrified Rail System) পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটছে ভারতীয় রেলে। ভারতীয় রেলের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০১৪ সালের ৩.৬৮ মেগাওয়াট থেকে বহু গুণ বেড়ে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত ৮৯৮ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৬২৯ মেগাওয়াট (প্রায় ৭০%) সরাসরি ইলেকট্রিক ট্রেনের (Indian Railways) ট্র্যাকশন পাওয়ারে ব্যবহৃত হয়। দেশের ২,৬২৬টি স্টেশনে এখন সৌরবিদ্যুৎ ইনস্টল করা হয়েছে।

    আধুনিক নির্মাণ কৌশল

    প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ইলেকট্রিক (Indian Railways) প্রকল্পগুলিকে আরও দ্রুত বৃদ্ধি করা হয়েছে। শ্রমনির্ভর পদ্ধতির পরিবর্তে এখন বেলনাকৃতি যান্ত্রিক ভিত্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, স্বয়ংক্রিয় ওয়্যারিং ট্রেন (Electrified Rail System) একই সঙ্গে ক্যাটেনারি এবং কন্ট্যাক্ট তারগুলি সুনির্দিষ্ট টেনশনে স্থাপন করে কাজ দ্রুত শেষ করতে এবং কাজের গুণমান নিশ্চিত করতে সাহায্য করছে।

  • Ramakrishna 554: “মাস্টার ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘উনি বহুদর্শী লোক, উনি রোজ দেখলে ভাল হয়”

    Ramakrishna 554: “মাস্টার ঠাকুরকে বলিতেছেন, ‘উনি বহুদর্শী লোক, উনি রোজ দেখলে ভাল হয়”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অগস্ট
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে রাখাল, মাস্টার, পণ্ডিত শ্যামাপদ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    সমাধিমন্দিরে—পণ্ডিত শ্যামাপদের প্রতি কৃপা

    “শুধু শাস্ত্র পড়লে কি হবে? পণ্ডিতেরা কেবল বিচার করে।”

    পণ্ডিত — আমায় কেউ পণ্ডিত বললে ঘৃণা করে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ওইটি তাঁর কৃপা! পণ্ডিতেরা কেবল বিচার করে। কিন্তু কেউ দুধ শুনেছে, কেউ দুধ দেখেছে। সাক্ষাৎকারের পর সব নারায়ণ দেখবে — নারায়ণই সব হয়েছেন।

    পণ্ডিত নারায়ণের স্তব শুনাইতেছেন। ঠাকুর আনন্দে বিভোর।

    পণ্ডিত—সর্বভূতস্থমাত্মানং সর্বভূতানি চাত্মনি।
    ঈক্ষতে যোগযুক্তাত্মা সর্বত্র সমদর্শনঃ ॥

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আপনার অধ্যাত্ম (রামায়ণ) দেখা আছে?

    পণ্ডিত—আজ্ঞে হাঁ, একটু দেখা আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ওতে জ্ঞান-ভক্তি পরিপূর্ণ। শবরীর উপাখ্যান, অহল্যার স্তব, সব ভক্তিতে পরিপূর্ণ।

    “তবে একটি কথা আছে। তিনি বিষয়বুদ্ধি থেকে অনেক দূর।”

    পণ্ডিত—যেখানে বিষয়বুদ্ধি, তিনি ‘সুদূরম্‌’,—আর যেখানে তা নাই, সেখানে তিনি ‘অদূরম্‌’। উত্তরপাড়ার এক জমিদার মুখুজ্জেকে দেখে এলাম বয়স হয়েছে—কেবল নভেলের গল্প শুনছেন!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—অধ্যাত্মে আর একটি বলেছে যে, তিনিই জীবজগৎ!

    পণ্ডিত আনন্দিত হইয়া যমলার্জ্জুনের এই ভাবের স্তব শ্রীমদ্‌ভাগবত দশম স্কন্ধ হইতে আবৃত্তি করিতেছেন —

    কৃষ্ণ কৃষ্ণ মহাযোগিংস্ত্বমাদ্যঃ পুরুষঃ পরঃ।
    ব্যক্তাব্যক্তমিদং বিশ্বং রূপং তে ব্রাহ্মণা বিদুঃ  ॥
    ত্বমেকঃ সর্বভূতানাং দেহস্বাত্মেনিদ্রয়েশ্বরঃ।
    ত্বমেব কালো ভগবান্‌ বিষ্ণুরব্যয় ঈশ্বরঃ ॥
    ত্বং মহান্‌ প্রকৃতিঃ সূক্ষ্মা রজঃসত্ত্বতমোময়ী।
    ত্বমেব পুরুষোঽধ্যক্ষঃ সর্বক্ষেত্রবিকারবিৎ  ॥

    শ্রীরামকৃষ্ণ সমাধিস্থ — ‘আন্তরিক ধ্যান-জপ করলে আসতেই হবে’ 

    ঠাকুর স্তব শুনিয়া সমাধিস্থ! দাঁড়াইয়াছেন। পণ্ডিত বসিয়া। পণ্ডিতের কোলে ও বক্ষে একটি চরণ রাখিয়া ঠাকুর (Kathamrita) হাসিতেছেন।

    পণ্ডিত চরণ ধারণ করিয়া বলিতেছেন, ‘গুরো চৈতন্যং দেহি।’ ঠাকুর ছোট তক্তার কাছে পূর্বাস্য হইয়া দাঁড়াইয়াছেন।

    পণ্ডিত ঘর হইতে চলিয়া গেলে ঠাকুর মাস্টারকে বলিতেছেন, আমি যা বলি মিলছে? যারা আন্তরিক ধ্যান-জপ করেছে তাদের এখানে আসতেই হবে।

    রাত দশটা হইল। ঠাকুর একটু সামান্য সুজির পায়স খাইয়া শয়ন করিয়াছেন।

    মণিকে বলিতেছেন, “পায়ে হাতটা বুলিয়ে দাও তো।”

    কিয়ৎক্ষণ পরে গায়ে ও বক্ষঃস্থলে হাত বুলাইয়া দিতে বলিতেছেন।

    সামান্য নিদ্রার পর মণিকে বলিতেছেন, “তুমি শোওগে; — দেখি একলা থাকলে যদি ঘুম হয়।” ঠাকুর রামলালকে বলিতেছেন (Kathamrita), “ঘরের ভিতরে ইনি (মণি) আর রাখাল শুলে হয়।”

  • I-Pac: আইপ্যাকের অভিযানে দিল্লির সদর দফতরে রিপোর্ট পাঠাল ইডি, মমতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    I-Pac: আইপ্যাকের অভিযানে দিল্লির সদর দফতরে রিপোর্ট পাঠাল ইডি, মমতার বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক (I-Pac) অভিযানে বিস্তারিত রিপোর্ট দিল্লির সদর দফতরে পাঠাল ইডি (Enforcement Directorate)। তাতে সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই তদন্তের নথি, ল্যাপটপ এবং হার্ডডিক্স ছিনতাই করে নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনী, কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা ঠিক কেমন ছিল বিশদে জানতে চেয়ে রিপোর্ট করা হয়েছে। আর তার ভিত্তিতেই প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান, বিবরণ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে ইডি।

    কপি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হবে (I-Pac)

    রাজ্যে কয়লা পাচার এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের তদন্ত করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং লাউডন স্ট্রিটে আইপ্যাকের (I-Pac) কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। এই ঘটনার বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর দিল্লির ইডির (Enforcement Directorate) সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরেও রিপোর্ট পাঠানো হতে পারে।

    ১২ টা ০৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে যান মমতা

    ঘটনার দিনের বিবরণ ইতিমধ্যেই একটি প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে ইডি। কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা করা হয়েছে তা মামলার নথিতে স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে। তবে ইডির দাবি, তল্লাশি চলাকালীন জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি কেড়ে নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেআইনি আর্থিক মামলায় পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লির ১০টি জায়গায় তদন্তে বাধার অভিযোগ তুলেছে। সাংবিধানিক ক্ষমতাকে অবৈধভাবে ব্যবহার করে তাল্লাশি অভিযান চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ছিনতাই করে নিয়ে যান তিনি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ইতিমধ্যেই তারা আদালতে জানিয়েছে, প্রতীকের (I-Pac) বাড়িতে তল্লাশির সময় একাধিক ডিজিটাল নথি উদ্ধার করা হয়েছে। বেলা ১১ টা নাগাদ কলকাতা পুলিশের সাউথ ডিসি প্রিয়ব্রত রায় লাউডন ষ্ট্রিটের ওই বাড়িতে যান। পুলিশ কর্তার অবশ্য দাবি, ওই বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। পরে অবশ্য ইডির অফিসাররা সকলের পরিচয় এবং তল্লাশির কাগজপত্র দেখান। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মনোজ বর্মাও। দুপুর ১২ টা ৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। নিজের অধিকার প্রয়োগ করে তদন্তের কাজে বাধা দেন। জোর করে ডিজিটাল নথি তুলে নিয়ে যান। ১২ টা ১৫ মিনিট নাগাদ ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই মামলা করা হয়। পৃথকভাবে মামলা করা হয়েছে ইডির (Enforcement Directorate) তরফেও। আগামী ১৪ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন ইডির

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রিপোর্টে ইডির কাছে জানতে চেয়েছে, তল্লাশির (I-Pac) সময় কোন কোন সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল তদন্তকারীদের। রাজ্য পুলিশের ভূমিকাই কি ছিল? পুলিশ কতটা সক্রিয় ছিল? কেন্দ্রীয় বাহিনী ওই সময় কোন দায়িত্ব পালন করেছে। তাল্লাশির পর রাজ্যের শাসকদল কি ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে? এই সব বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। আইপ্যাক অভিযানের পরের দিনই আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, “এই তল্লাশি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশল জানার লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় সংস্থা অভিযান চালিয়েছে এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।” অন্য দিকে, তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। ইডি জানিয়েছে, “বেআইনি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের কোনও যোগ নেই।”

    দুর্নীতির তদন্ত চান না মুখ্যমন্ত্রী?

    তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (Enforcement Directorate) পক্ষ থেকে বলা হয়, “সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।” ফলে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এবার পুরো ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখ্য আগেও তৃণমূলের নেতাদের দুর্নীতি ঢাকতে বিভিন্ন সময়ে ইডি-সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, কাজে বাধা দিয়েছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যদি তদন্তে বাধা দেন তাহলে এই রাজ্যে দুর্নীতিগ্রস্থদের পাশে সরকার এই কথা বলতেই হয়। অন্তত এমনই অভিমত বিজেপির।

LinkedIn
Share