Tag: madhyom news

madhyom news

  • Ramakrishna 153: “মায়ের নির্মাল্য মস্তকে ধারণ করিয়া ভবনাথকে বলিতেছেন, ডাব নে রে মার প্রসাদী ডাব”

    Ramakrishna 153: “মায়ের নির্মাল্য মস্তকে ধারণ করিয়া ভবনাথকে বলিতেছেন, ডাব নে রে মার প্রসাদী ডাব”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১১ই মার্চ

    জন্মোৎসবে ভক্তসঙ্গে — সন্ন্যাসীদের কঠিন নিয়ম

    বেলা প্রায় সাড়ে আটটা বা নয়টা। ঠাকুর (Ramakrishna) আজ অবগাহন করিয়া গঙ্গায় স্নান করিলেন না; শরীর তত ভাল নয়। তাঁহার স্নান করিবার জল ওই পূর্বোক্ত বারান্দায় কলসী করিয়া আনা হইল। ঠাকুর স্নান করিতেছেন, ভক্তেরা স্নান করাইয়া দিল। ঠাকুর স্নান করিতে করিতে বলিলেন, “এক ঘটি জল আলাদা করে রেখে দে।” শেষে ওই ঘটির জল মাথায় দিলেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ আজ বড় সাবধান, এক ঘটি জলের বেশি মাথায় দিলেন না।

    স্নানান্তে মধুর কন্ঠে ভগবানের নাম করিতেছেন। শুদ্ধবস্ত্র পরিধান করিয়া দুই-একটি ভক্তসঙ্গে দক্ষিণাস্য হইয়া কালীবাড়ির পাকা উঠানের মধ্য দিয়া মা-কালীর মন্দিরের অভিমুখে যাইতেছেন। মুখে অবিরত নাম উচ্চারণ (Kathamrita) করিতেছেন। দৃষ্টি ফ্যালফেলে—ডিমে যখন তা দেয়, পাখির দৃষ্টি যেরূপ হয়।

    মা-কালীর মন্দিরে গিয়া প্রণাম ও পূজা করিলেন। পূজার নিয়ম নাই—গন্ধ-পুষ্প কখনও মায়ের চরণে দিতেছেন, কখনও বা নিজের মস্তকে ধারণ করিতেছেন। অবশেষে মায়ের নির্মাল্য মস্তকে ধারণ করিয়া ভবনাথকে বলিতেছেন, “ডাব নে রে।” মার প্রসাদী ডাব।

    আবার পাকা উঠানের পথ দিয়া নিজের ঘরের দিকে আসিতেছেন। সঙ্গে মাস্টার ও ভবনাথ। ভবনাথের হাতে ডাব। রাস্তার ডানদিকে শ্রীশ্রীরাধাকান্তের মন্দির; ঠাকুর বলিতেন, ‘বিষ্ণুঘর’। এই যুগলরূপ দর্শন করিয়া ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন। আবার বামপার্শ্বে দ্বাদশ শিবমন্দির। সদাশিবকে উদ্দেশে প্রণাম করিতে লাগিলেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) এইবার ঘরে আসিয়া পৌঁছিলেন। দেখিলেন, আরও ভক্তের সমাগম হইয়াছে। রাম, নিত্যগোপাল, কেদার চাটুজ্যে ইত্যাদি অনেকে আসিয়াছেন। তাঁহারা সকলে তাঁহাকে ভুমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন। ঠাকুরও তাঁহাদের কুশল প্রশ্ন করিলেন (Kathamrita) ।

    ঠাকুর (Ramakrishna) নিত্যগোপালকে দেখিয়া বলিতেছেন, “তুই কিছু খাবি?” ভক্তটির তখন বালকভাব। তিনি বিবাহ করেন নাই, বয়স ২৩। ২৪ হবে। সর্বদাই ভাবরাজ্যে বাস করেন। ঠাকুরের কাছে কখনও একাকী, কখনও রামের সঙ্গে প্রায় আসেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁহার ভাবাবস্থা দেখিয়া তাঁহাকে স্নেহ করেন। তাঁহার পরমহংস অবস্থা—এ-কথা ঠাকুর মাঝে মাঝে বলেন। তাই তাঁহাকে গোপালের ন্যায় দেখিতেছেন।

    ভক্তটি বলিলেন, ‘খাব’। কথাগুলি ঠিক বালকের ন্যায়।

    আরও পড়ুনঃ “যে শালারা হরিনামে মত্ত হয়ে নৃত্য-গীত করতে পারবে না, তাদের কোন কালে হবে না”

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati Laddu: তিরুপতি লাড্ডু বিতর্কে নতুন স্বাধীন সিট গঠনের নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

    Tirupati Laddu: তিরুপতি লাড্ডু বিতর্কে নতুন স্বাধীন সিট গঠনের নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডু (Tirupati Laddu) বিতর্কে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট এই দিনই দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে তিরুপতি লাড্ডু বিতর্কে একটি স্বাধীন স্পেশাল ইনভেন্টিগেশন টিম বা বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হবে। জানা গিয়েছে, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো এই এসআইটি-তে সিবিআই থেকে দুইজন তদন্তকারী অফিসার, রাজ্য পুলিশের দুইজন অফিসার এবং ফুড সেফটি এন্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া থেকে একজন আধিকারিক থাকবেন।

    কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

    শুক্রবার সেই মামলার (Tirupati Laddu) শুনানি চলাকালীন বিচারপতি বিআর গভাই এবং কেভি বিশ্বনাথন বলেন, ‘‘তিরুপতির (Tirupati Laddu) বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক নাটক একেবারেই কাম্য নয়। গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ভক্তের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে এখানে। এমন গুরুতর অভিযোগে তাঁদের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে। তাই সওয়াল-জবাব করে আদালতে রাজনৈতিক লড়াইয়ের মঞ্চ করে তোলার কোনও মানে হয় না।’’

    আগে সিট গঠন (Tirupati Laddu) করেছিলেন চন্দ্রবাবু

    উল্লেখ্য, আগেই লাড্ডুতে পশুর চর্বি এবং মাছের তেল ব্যবহারের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবুর নাইডুর সরকার সিট গঠন করে। কিন্তু সেই সিটের তদন্ত স্থগিত করে দেওয়া হয়। শুক্রবার ফের সিট গঠন করল সুপ্রিম কোর্ট। সিট গঠনের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, চলল গুলি, জখম প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ

    Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, চলল গুলি, জখম প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরে (Barrackpore) ফের রাজনৈতিক অশান্তি। বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) বাড়ি লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবাজি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় বিজেপি নেতা নিশানা করেছেন তৃণমূলকেই। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে নিজের বাড়ির সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ। তখনই অতর্কিত হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। পরপর বোমা ছোড়া হতে থাকে অর্জুন সিংকে লক্ষ্য করে, গুলিও চালানো হয় বলে অভিযোগ। বোমার স্প্লিন্টারে আহত অর্জুন। 

    কী বলছেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)?

    অর্জুন (Arjun Singh) বলেন, ‘‘আমি বাড়ির ভিতরে ছিলাম। আমার নিরাপত্তারক্ষী এবং কর্মীদের উপর ইট, বোমা ছোড়া হয়। গুলিও চলে। বিধায়ক বসেছিলেন। তাঁর উপরেও হামলা হয়। আমার পায়ে বোমার স্প্লিন্টার লেগেছে।’’  পুলিশের সামনেই ২৫টির বেশি বোমা মারা হয়েছে বলে অভিযোগ প্রাক্তন বিজেপি সাংসদের (Arjun Singh)। বোমাগুলি মারার পরে দুষ্কৃতীরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে বেরিয়ে যায়, এমনটা অভিযোগ করছেন অর্জুন। প্রাক্তন সাংসদ আরও বলছেন, ‘‘আমাকে মেরে দেওয়ার চক্রান্ত ছিল। তা ব্যর্থ হয়েছে। তবে আমার পায়ে বোমার আঘাত লেগেছে। বেশ বড় একটা স্প্লিন্টার আমার হাঁটুর নীচে এসে লাগে। রক্তও বেরিয়েছে। তবে আঘাত খুব গুরুতর নয়।’’

    অমিত শাহকে জানাবেন ঘটনা

    অর্জুন সিং (Arjun Singh) আরও বলেন, ‘‘সাত সকালে এইভাবে হামলা করা হয়েছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা কোন পথে যাচ্ছে তা এই ঘটনা থেকে আরও স্পষ্ট। ১০০ শতাংশ খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।’’ বৃহস্পতিবার সকালের গোটা বিষয় তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন অর্জুন সিং। একই সঙ্গে, এই ঘটনার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামারও হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন দিয়েছেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ। বিজেপি নেতার আরও দাবি, ‘‘গুলি, বোমা তো ছোড়া হয়েছেই, ইট-পাথরও বাকি রাখেনি দুষ্কৃতীরা।’’ প্রসঙ্গত, এই ঘটনাতেও পুলিশকেও নিশানা করেছেন অর্জুন। তাঁর অভিযোগ, ‘‘পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পরও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। বরং তাঁদেরও মদত রয়েছে এই ঘটনার পিছনে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বলে গণ্য করার প্রয়োজন নেই, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা কেন্দ্রের

    Supreme Court: বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বলে গণ্য করার প্রয়োজন নেই, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈবাহিক ধর্ষণকে (Marital Rape) অপরাধ হিসেবে গণ্য করার জন্য একাধিক আবেদন জমা পড়েছে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court)। এই সমস্ত মামলার বিভিন্ন সময় শুনানিও হয়েছে, শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণও সামনে এসেছে। ঠিক এই আবহে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে হলফনামা জমা দেওয়া হল শীর্ষ আদালতে। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার সাফ জানিয়েছে, ‘ম্যারিটাল রেপ’ বা বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বলে গণ্য করার প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণ হল, ‘‘বিয়ে হওয়ার পর স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক থাকবে, এই প্রত্যাশা স্বামীর থাকতেই পারে, তার মানে এই নয় যে স্ত্রীকে কেউ তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করবে। তবে বিবাহিত না হলে ধর্ষণের অভিযোগে যে শাস্তি হয়, একজন স্বামীকে সেই শাস্তি দেওয়া ঠিক নয়। বিবাহিত মহিলাদের সুরক্ষার জন্য কেন্দ্র ইতিমধ্যেই একাধিক উপায় রেখেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।’’

    বৈবাহিক সম্পর্কে সঙ্গীর কাছ থেকে যৌন সম্পর্ক নিয়ে কিছু প্রত্যাশা থাকেই

    কেন্দ্র শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) আরও জানিয়েছে, যে কোনও বৈবাহিক সম্পর্কে সঙ্গীর কাছ থেকে যৌন সম্পর্ক নিয়ে কিছু প্রত্যাশা থাকেই। তাই বলে ইচ্ছের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে কোনওভাবেই জোর করতে পারেন না স্বামী। তবে এই কারণে ধর্ষণ আইনে শাস্তি দেওয়া কিছুটা বাড়াবাড়ি এবং সামঞ্জস্যহীন বলেই মনে করছে কেন্দ্র। বিবাহিত মহিলাদের উপর নিষ্ঠুর আচরণ বন্ধ করতে, গার্হস্থ্য হিংসা রুখতে আইন রয়েছে, যা যথেষ্ট সহায়ক বলে মত কেন্দ্রের।

    বিষয়টা আইনি ইস্যুর থেকেও বেশি সামাজিক

    এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে বর্তমানে যে ধর্ষণ বিরোধী আইন রয়েছে সেটাই যথেষ্ট। এই আইনে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার হলফনামায় উল্লেখ করেছে, ‘‘এই বিষয়টা আইনি ইস্যুর থেকেও বেশি সামাজিক। সমাজে এর সরাসরি প্রভাব রয়েছে।’’ তাই বৈবাহিক ধর্ষণকে (Marital Rape) যদি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করতেও হয়, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) সেটা করা ঠিক নয় বলেই মনে করছে কেন্দ্র। হলফনামায় কেন্দ্র বলেছে, ‘‘সব রাজ্য ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, বিয়ে হলেই একজন মহিলার মতামতের গুরুত্ব খর্ব হয় না, তবে বিবাহিত হওয়ার পরও এই ধরনের অভিযোগ উঠলে অন্যরকম প্রভাব পড়ে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CJI Chandrachud: ‘‘এত সাহস হয় কী করে?’’ আদালত কক্ষে প্রধান বিচারপতির ধমক আইনজীবীকে

    CJI Chandrachud: ‘‘এত সাহস হয় কী করে?’’ আদালত কক্ষে প্রধান বিচারপতির ধমক আইনজীবীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এক আইনজীবী প্রধান বিচারপতির (CJI Chandrachud) রোষের মুখে পড়লেন। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘আইনজীবীদের মনে হয় সব বুদ্ধি লোপ পেয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার এক আইনজীবী প্রধান বিচারপতিকে জানান যে একটি মামলায় শীর্ষ আদালতের রায় তিনি ক্রস চেক করেছেন অর্থাৎ মিলিয়ে দেখে নিয়েছেন কোর্ট মাস্টারের কাছে। এ কথা শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন প্রধান বিচারপতি (CJI Chandrachud) এবং আদালত কক্ষে আইনজীবীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘অল্প সময়ের জন্য হলেও আমি এখন আদালতের ইনচার্জ। এইসব কাজ আমার সঙ্গে করার চেষ্টা করবেন না। আমি এসব বরদাস্ত করব না।’’

    আমি এসব বরদাস্ত করব না (CJI Chandrachud) 

    এর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ওই আইনজীবীকে আরও মনে করিয়ে দেন যে সময় কম হলেও দায়িত্বে তিনি এখনও রয়েছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনও আচরণ যাতে ওই আইনজীবী না করেন, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক করে দেন। প্রধান বিচারপতির ভাষায়, ‘‘অল্প সময়ের জন্য হলেও আমি এখন আদালতের ইনচার্জ। এইসব কাজ আমার সঙ্গে করার চেষ্টা করবেন না। আমি এসব বরদাস্ত করব না।’’

    এত সাহস হয় কী করে? মন্তব্য প্রধান বিচারপতির (CJI Chandrachud)

    আদালত কক্ষে আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘এত সাহস হয় কী করে? আমি কী নির্দেশ দিয়েছি, তা কোর্ট মাস্টারকে জিজ্ঞেস করলেন কী করে? কাল তো আমার বাড়িতে চলে আসবেন, আর আমার ব্যক্তিগত সচিব (পার্সোনাল সেক্রেটারি)-কে জিজ্ঞেস করবেন, আমি কী করছি!’’ আইনজীবীকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আইনজীবীরা কি সব বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছেন!’

    ১০ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেওয়ার কথা ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের

    প্রসঙ্গত, আগামী ১০ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেওয়ার কথা ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের। সুতরাং আর ২ মাসের কম সময়ের জন্যই তিনি সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতির পদে রয়েছেন। দিন কয়েক আগেই কোনও এক জনস্বার্থ মামলায় প্রধান বিচারপতির মন্তব্য শুনে এক আইনজীবী বলেন ওঠেন, ‘ইয়া…ইয়া’। তা শুনেই প্রধান বিচারপতি আইনজীবীকে কার্যত ধমক দিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘‘আপনি কি এটাকে কফি শপ ভেবে নিয়েছেন? ইয়া…ইয়া আবার কী? ইয়া…ইয়া শব্দের ওপর আমার অ্যালার্জি আছে। এসব চলতে দেওয়া হবে না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rupa Ganguly: অধরা অভিযুক্তরা! বাঁশদ্রোণী কাণ্ডের প্রতিবাদ করে গ্রেফতার বিজেপির রূপা

    Rupa Ganguly: অধরা অভিযুক্তরা! বাঁশদ্রোণী কাণ্ডের প্রতিবাদ করে গ্রেফতার বিজেপির রূপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারারাত বাঁশদ্রোণী (Bansdroni) থানায় ধর্নায় বসে ছিলেন বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (Rupa Ganguly)। এরপর বৃহস্পতিবার সকালেই তাঁকে গ্রেফতার করে লালবাজারে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। প্রসঙ্গত, বুধবার নবম শ্রেণীর এক ছাত্র মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। এরপরেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তারা সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে পুলিশকে সে জায়গা থেকে সরিয়ে দেয়। এর পাশাপাশি স্থানীয়রা আরও অভিযোগ তুলেছেন, তৃণমূল এবং পুলিশ- এই দুই পক্ষ মিলেই অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। গতকাল বুধবার বিকাল থেকেই ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। এক বিজেপি নেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনার পরপরই ধর্নায় বসে ছিলেন নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁকে আদালতে তোলা হয়েছে।

    এভাবে বিরোধী কণ্ঠ আটকানো যায়! প্রশ্ন রূপার (Rupa Ganguly)

    সাংবাদিকদের রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (Rupa Ganguly) বলেন, ‘‘বাচ্চাটাকে মেরে গাড়িটা চলে গেল। পুলিশ আটকাল না। অভিযুক্তদের গ্রেফতারির প্রসঙ্গ তুলেছিলাম, বলেছিলাম, সাধারণ মানুষদের কেন ধরছেন? ওদের কেন পালাতে সময় দিলেন? গ্রেফতার করুন। কিন্তু তাঁরা গ্রেফতার করার বিষয়ে কোনও আশ্বাসই দেননি। বললেন, আইন আইনের পথে চলবে ৷ এরা দোষীকে ধরে না। বিরোধীদের ধরে। এভাবে বিরোধী কণ্ঠ আটকানো যায়?’’

    মার খেয়ে তো ব্রেন হ্যামারেজ সহ্য করে নিয়েছি

    তিনি (Rupa Ganguly) আরও বলেন, ‘‘আমি চুপ করে থানায় কোনও আওয়াজ না করে, কোনও ঝগড়া, তাঁদের সঙ্গে কোনও দুর্ব্যবহার না করে এক কোণায় বসেছিলাম। একটাও তর্ক করিনি ৷ তাও ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে। লালবাজারে নিয়ে যাওয়ার আগে আমি পাঁচ মিনিট সময় চেয়েছিলাম। একবার ওয়াশরুমে যেতে চেয়েছিলাম। আমাকে সেটুকু পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি ৷ যাতে আমি মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে কষ্ট পাই (Bansdroni)। আর কত কষ্ট দেবে? মার খেয়ে তো ব্রেন হ্যামারেজ সহ্য করে নিয়েছি। আর কী চাই ? সব সহ্য করতে হবে শুধু বিজেপি করি বলে?’’

    কী বলছেন শমীক ভট্টাচার্য?

    রূপার গ্রেফতারি প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘উনি বাঁশদ্রোণীর ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে থানায় অবস্থানে বসেছিলেন। কিন্তু রাজ্যের তৃণমূল সরকার সমালোচনা সহ্য করতে পারে না। আর সেই কারণেই রূপা গঙ্গোপাধ্য়ায়কে গ্রেফতার করা হল।’’
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi: দিল্লির হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন চিকিৎসক! ফের প্রশ্নের মুখে ডাক্তারদের নিরাপত্তা

    Delhi: দিল্লির হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন চিকিৎসক! ফের প্রশ্নের মুখে ডাক্তারদের নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসককে গুলি করে খুন করার ঘটনা ঘটল খাস দিল্লির (Delhi) বুকে। বুধবার মধ্যরাতে রাজধানীর এই ঘটনায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে দেশ জুড়ে। ইতিমধ্যে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের সনাক্ত করার চেষ্টা করছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, বুধবার দিল্লির জইতপুরের কালিন্দীকুঞ্জ থানা এলাকায় নিমা হাসপাতালে নিজের চেম্বারে রোগী দেখছিলেন চিকিৎসক জাভেদ।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল? (Delhi)

    হাসপাতালের কর্মীরা (Delhi) জানিয়েছেন, বুধবার মধ্যরাতে ১৬ বছর বয়সি দুই যুবক হাসপাতালে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে একজন জানায়, পায়ের আঙুলে ক্ষতস্থান রয়েছে এবং সেখান থেকে রক্ত পড়ছে। তাই পরিষ্কার করে নতুন করে ব্যান্ডেজের প্রয়োজন রয়েছে। সেই মতো হাসপাতালের কর্মীরা নতুন করে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দেন। এর পরে প্রেসক্রিপশন লাগবে বলে জাভেদের চেম্বারে যেতে চায় ওই দুই অভিযুক্ত। চেম্বারে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই গুলির শব্দ শুনতে পান হাসপাতালে দুই নার্সিং স্টাফ। পরবর্তীকালে ওই দুই নার্স নিহত চিকিৎসকের চেম্বারে ঢুকে দেখেন, জাভেদের মাথা রক্তে ভেসে যাচ্ছে। অবশ্য অভিযুক্তদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। মনে করা হচ্ছে খুনের (Doctor) পরেই চম্পট দেয় ওই দুই অভিযুক্ত।

    আরও পড়ুন: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে বাতিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রদীপ জ্বালিয়ে সজলের পুজোয় মাকে আবাহন

    প্রশ্নের মুখে ডাক্তারদের নিরাপত্তা (Delhi)

    ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, আগাম পরিকল্পনা করেই ওই চিকিৎসককে খুন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আরজি করকাণ্ডের পর থেকে গোটা দেশেই চিকিৎসকরা নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলন করছেন। ইতিমধ্যে যে ১০ দফা দাবির কথা তুলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা, সেখানেও রয়েছে ডাক্তারদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি। এই আবহে কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশিকাও জারি করেছে। কিন্তু ঠিক সেই সময়েই দিল্লির হাসপাতালে ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার ১

    RG Kar: আরজি করের মহিলা চিকিৎসককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি, গ্রেফতার ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar) আন্দোলনের উত্তাপ এখনও রয়েছে রাজপথে। ন্যায়বিচারের দাবিতে দিকে দিকে রাস্তায় নামছেন মানুষজন। নিরাপত্তা-সহ একাধিক দাবিতে ফের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এই আবহে আরজি কর মেডিক্যালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারের এক মহিলা পিজিটিকে (Lady Doctor) প্রাণনাশ ও মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, গতকাল রাতেই বাইক দুর্ঘটনায় আহত এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। অভিযোগ, চিকিৎসা চলাকালীন রোগীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা ওই মহিলা পিজিটি-র ওপর চড়াও হন। এনিয়ে টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে একজনকে।

    ঠিক কী ঘটনা? (RG Kar)

    সূত্রের মারফত জানা গিয়েছে, এদিন ভোর তিনটে নাগাদ এক যুবককে আহত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছিল আরজি করে। এরপর দ্রুততার সঙ্গেই ওই মহিলা চিকিৎসক তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। জানা গিয়েছে, ওই যুবক বাইক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন। চিকিৎসার সময় ওই যুবকের হাতে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু তখনই তাঁর হাত দিয়ে রক্ত বেরিয়ে যায়। এর জেরে অন্য যে যুবকরা তাঁকে নিয়ে এসেছিলেন তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে যান। এরপর তাঁরাই মহিলা চিকিৎসককে (Lady Doctor) অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ। এমনকি তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে তারা হাসপাতাল (RG Kar) থেকে চলে যান। জানা গিয়েছে, পরে ওই আহতকে অন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই গোটা ঘটনায় চিকিৎসকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় সত্যরঞ্জন মহাপাত্র নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    হাসপাতালগুলিতে হুমকি ও মারধরের পরিবেশ বিন্দুমাত্র বদলায়নি

    নিরাপত্তার দাবিতে বারবার চিকিৎসকরা সরব হলেও হাসপাতালগুলিতে হুমকি ও মারধরের পরিবেশ যে বিন্দুমাত্র বদলায়নি তা বারবার খবরের শিরোনামে উঠে আসছে। গত শুক্রবারই রোগীমৃত্যুকে কেন্দ্র করে কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে উত্তেজনা ছড়ায়। এক রোগীর মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় আহত ৩ জুনিয়র ডাক্তার, নার্স-সহ ৩ স্বাস্থ্যকর্মী ও এক পুলিশকর্মী। বছর ছত্রিশের রঞ্জনা সাউ নামে এক মহিলাকে শুক্রবার শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে কামারহাটি সাগর দত্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোগীর পরিজনদের দাবি, হাসপাতালে কোনওরকম চিকিৎসা হয়নি রোগীর। এর ফলে মৃত্যু হয় তাঁর। যখন অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠে, সেই সময় স্বাস্থ্যকর্মী অক্সিজেন দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তা সফল হয়নি। রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন রোগীর পরিজনরা। হাসপাতালের আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিযোগ, রোগীর পরিজনরা চিকিৎসকদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। চিকিৎসকদের ধাক্কাধাক্কি করা হয়। তাঁরা এগিয়ে গেলে তাঁরাও আহত হন।

    আরও কিছু ঘটনা

    ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    সাগর দত্ত মেডিক্যালের পর এবার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে  ওয়ার্ডে ঢুকে রোগীর পরিবারের গুন্ডামি করার অভিযোগ ওঠে গত রবিবারই।

    মালদার রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতাল

    সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের পর মালদার রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে হুমকির মুখে পড়তে হয় চিকিৎসক এবং নার্সদের।

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের ভিতরেই এক রোগীর আত্মীয়ের হুমকির মুখে পড়তে হয় এক মহিলা পিজিটি-কে (পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bansdroni: বাঁশদ্রোণীতে ছাত্র মৃত্যু, স্থানীয়দের প্রবল বিক্ষোভের মুখে শাসক দল, থানায় রাতভর ধর্না রূপার

    Bansdroni: বাঁশদ্রোণীতে ছাত্র মৃত্যু, স্থানীয়দের প্রবল বিক্ষোভের মুখে শাসক দল, থানায় রাতভর ধর্না রূপার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পে লোডারের ধাক্কায় নবম শ্রেণির পড়ুয়ার মৃত্যু, আর তাতেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাঁশদ্রোণী (Bansdroni Agitation)। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ উগরে দেন কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ছাত্রের মৃত্যুর পর থেকে এলাকায় দেখা মেলেনি স্থানীয় কাউন্সিলর অনিতা কর মজুমদারের। অবশ্য বিরোধীদের দাবি, ঘটনাস্থলে না এলেও তিনি নাকি থানায় ‘পুলিশি নিরাপত্তায়’ রয়েছেন। রাস্তার বেহাল দশা নিয়েও সরব স্থানীয়রা। পাটুলি থানার ওসিকে আটকে রেখে বিক্ষোভ চলে দফায় দফায়। পরে কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার প্রদীপ ঘোষালকেও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। প্রায় ৭ ঘণ্টা ঘেরাও করে রাখা হয় পুলিশকে। পুলিশের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এই সময় তৃণমূল কর্মীরা স্থানীয়দের ধাক্কা দিয়ে পুলিশকে সরায় বলে অভিযোগ। এরপর বিকালে কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত ঘটনাস্থলে গেলে শুরু হয় ধরপাকড়। জানা গিয়েছে, বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনায় পাটুলি থানায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি (BJP) নেত্রী রুবি মণ্ডল-সহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

    কী বলছেন  বিজেপি (BJP) নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়? (Bansdroni Agitation)

    বুধবার রাতে বাঁশদ্রোণী থানায় (Bansdroni Agitation) পৌঁছান বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। নেতৃত্বে ছিলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। থানার ভিতরে প্রবেশ করেন রূপা। বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ‘‘কোনও অভিযোগ ছাড়াই বিজেপি নেত্রী রুবি মণ্ডলকে আটক করে বাঁশদ্রোণী থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের কাউকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি।’’ রূপা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘(বুধবার) সকাল থেকে ওঁরা ধরতে পারেননি অভিযুক্তদের। তবে আমি আশা করছি ওঁরা ধরে ফেলবেন। যতদিন না অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হচ্ছে ততক্ষণ আমি বসে থাকব এখানে।’’ তিনি জানান, রাতে এক বার থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান তিনি। কিন্তু, অভিযুক্তদের ধরার বিষয়ে কোনও আশ্বাস দিতে পারেনি পুলিশ।

    মৃত পড়ুয়া ১১৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা

    জানা গিয়েছে, মৃত ওই পড়ুয়া কলকাতা পুরসভার ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ওই এলাকার রাস্তায় (Bansdroni Agitation) খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছিল। অভিযোগ, কোচিং সেন্টারে যাওয়ার সময়ই ছাত্রকে ধাক্কা মারে জেসিবি। গাছের সঙ্গে তাকে পিষে দেয়। মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে ছাত্রকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: যৌনপল্লির মাটি ছাড়া উমার মূর্তি তৈরির রীতি নেই! কেন মানা হয় এই প্রথা?

    Durga Puja 2024: যৌনপল্লির মাটি ছাড়া উমার মূর্তি তৈরির রীতি নেই! কেন মানা হয় এই প্রথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পতিতাপল্লিকে নিষিদ্ধপল্লি বলা হয়। যৌনপল্লির রাস্তা দিয়ে হাঁটাও অনেকের কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অথচ কী আশ্চর্য্য নিয়ম! পতিতাপল্লির মাটি ছাড়া অসম্পূর্ণ বাঙালির সব চেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো (Durga Puja 2024)। যৌনপল্লির মাটি ছাড়া উমার মূর্তি (Durga Idol) তৈরির রীতি নেই। যুগ যুগ ধরেই চলে আসছে এই নিয়ম। জানা যায়, এক সময় ব্রাহ্মণরা নিজে গিয়ে মন্ত্রপাঠ করে মাতৃ নির্মাণের জন্য নিয়ে আসতেন পতিতাপল্লির মাটি। কিন্তু কেন এই প্রথা? এই প্রথার পিছনে নানা যুক্তি রয়েছে শাস্ত্রবিদদের। অনেকেই মনে করেন, একবার কোনও পুরুষ পতিতালয়ে গেলে যৌনকর্মীর বাড়ির দরজায় নিজের সারা জীবনের সঞ্চিত সব পুণ্য বিসর্জন দিয়ে আসেন। শাস্ত্রমতে, সেই কারণেই যৌনপল্লির মাটি হয়ে ওঠে অত্য়ন্ত পবিত্র। আর সেই পবিত্র মাটি দিয়েই গড়া হয় উমাকে।

    মহামায়া ৯ রূপে পূজিত হন এই বিশ্বে (Durga Puja 2024)

    আবার হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, অসুরদলনী দুর্গাকে (Durga Puja 2024) আদ্যাশক্তি মহামায়ার আরেক রূপ বলে মনে করা হয়। মহামায়া ৯ রূপে পূজিত হন এই বিশ্বে। এই ৯ রূপ হল নর্তকী, কাপালিকা, ধোপানী, নাপিতানী, ব্রাহ্মণী, শূদ্রাণী, গোয়ালিনী, মালিনী ও পতিতা। মহামায়ার এই ৯ রূপ সমাজের নানা জাত, বর্ণের প্রতীক। ঠিকঠাক ভাবে পাঠক যদি এই ৯ রূপ লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন, উচ্চ থেকে নিম্ন-সব বর্ণই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এই ৯ রূপে। এঁদের মধ্যে মায়ের নবম রূপ ‘পতিতা’, যৌনপল্লির মহিলাদেরই প্রতীক (Durga Idol)। এই কারণেই এমন প্রথার শুরু বলে মনে করেন অনেকে।

    সমগ্র নারীশক্তির প্রতিনিধি দেবী দুর্গা 

    আসলে সমগ্র নারীশক্তির প্রতিনিধি দেবী দুর্গা (Durga Puja 2024। জাতি, বর্ণ, শ্রেণি নির্বিশেষে হিন্দু শক্তির প্রতীক তিনি। যিনি সমাজের অসুর দমন করেন, তিনিই দেবী দুর্গা। তাই অনেকের মতে সকল স্তরের নারী শক্তিকে সম্মান জানাতেই এই প্রথার শুরু হয়েছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share