Tag: madhyom news

madhyom news

  • SIR: বিএলএ নিয়োগে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন, নির্দেশ এসেছে লিখিত আকারে

    SIR: বিএলএ নিয়োগে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন, নির্দেশ এসেছে লিখিত আকারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এ (SIR) বিএলএ নিয়োগে রাজ্যে বড়সড় পরিবর্তন আনল নির্বাচন কমিশন। আগের নিয়মে নির্দিষ্ট পোলিং স্টেশনের উপর বিএলও নিয়োগ করা হত। এইবার থেকে সেই নিয়মের পরিবর্তন হয়েছে। নিয়োগে যুক্ত বুথ লেভেলের এজেন্টকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের খসড়া ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখতে হবে এবং মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম চিহ্নিত করতে হবে। এই নতুন নিয়ম এবার লিখিত ভাবে এসে গেছে সংশ্লিষ্ট দফতরে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    তালিকা তৈরিতে আরও বেশী কার্যকর (SIR)

    কমিশনের নির্দেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “জাতীয় নির্বাচন কমিশন বুথ লেভেল এজেন্ট (BLA) নিয়োগে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সময়োপযোগী এই সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই। পুরোনো নির্দেশিকাতে বর্ণিত ছিল যে শুধুমাত্র উক্ত বুথের ভোটারই ওই বুথের বিএলএ হতে পারবেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নতুন নির্দেশিকাতে উল্লেখ করেছেন যদি কোনও বুথে বিএলএ নিয়োগ করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় তবে ওই বিধানসভা কেন্দ্রের অন্য যে কোনও বুথের ভোটার অন্য কোনও বুথেও বিএলএ হতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের বিএলএ নিয়োগের এই পরিধি বৃদ্ধিতে সকল রাজনৈতিক দল উপকৃত হবেন। এতে অনুপ্রবেশকারী ও মৃত ভোটারদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে আরও সুবিধা হবে। নতুন এই নির্দেশিকা শক্তিশালী ও স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরিতে আরও বেশি কার্যকর হবে বলে আশা করা যায়। বাস্তব পরিস্থিতিকে বিচার করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপের জন্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে আমি ধন্যবাদ জানাই।”

    বিএলওদের কাজে নজর রাখতে পরাবেন বিএলএরা

    উল্লেখ্য রাজ্যে এসআইআর (SIR) করার ক্ষেত্রে বিএলও-দের পাশাপাশি বিএলএ-দের ভূমিকা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ভোট কেন্দ্র অনুসারে নিযুক্ত বিএলএরা থাকবেন বিএলওদের সঙ্গে। তাঁরা এবার থেকে নজর রাখতে পরাবেন বিএলওদের কাজে। কমিশন ৮ দিনের সময় দিয়েছিল। এই সময়ে মোট ৬ কোটি ৫৬ লক্ষের বেশি ভোটারের কাছে এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছে দিয়েছে বিএলওরা। মোট ভোটারের ৮৫.৭১ শতাংশ ফর্ম বিলি হয়েছে। তবে এখনও ১৫ শতাংশ ভোটার এনুমারেশন ফর্ম পাননি। তবে ১১ নভেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক ভোটারের কাছে ওই ফর্ম পৌঁছে দেওয়া হবে। এরপর নেওয়া হবে ফর্ম গ্রহণ, আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। রাজ্যে এই মুহূর্তে ভোটার রয়েছেন ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫২৯।

  • Winter Update: সিউরিতে ১৪, কলকাতায় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দ্রুত রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত!

    Winter Update: সিউরিতে ১৪, কলকাতায় ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দ্রুত রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতর যা ইঙ্গিত দিয়েছিল, সেই মতো এবার শীত (Winter Update) পড়তে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে গোটা রাজ্যে এবার জাঁকিয়ে শীত পড়বে। উত্তরের ঠান্ডা হাওয়া এবার বইতে শুরু করেছে। কলকাতার তাপমাত্রা নামতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কলকাতার পারদ নেমে দাঁড়িয়েছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিন কলকাতার তাপমাত্রা ১৮ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৪১ থেকে ৮৯ শতাংশের মধ্যে।

    হালকা কুয়াশার প্রভাব থাকবে (Winter Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা আপাতত শুষ্ক থাকবে। আগামী ৪ থেকে ৫ দিন তাপমাত্রার খুব একটা পরিবর্তন হবে না। কম বেশি সব জায়গাতে স্বাভাবিকের তলনায় দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকবে তাপমাত্রা। ধীরে ধীরে পশ্চিমী হাওয়ার দাপট বাড়বে। আর তাই শীতের তিব্রতাও বাড়বে। সকালে হালকা কুয়াশার প্রভাব থাকবে তবে ঘন কুয়াশার আপাতত কোনও সতর্কতা নেই। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ঠান্ডার বিচারে বীরভূমের সিউরিতে তাপমাত্রা (Winter Update) ছিল সব থেকে কম। সেখানে তাপমাত্রা নেমে যায় ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।

    কেমন উত্তরের আবহাওয়া?

    তবে উত্তরবঙ্গেও আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী ৪ থেকে ৫ দিন তাপমাত্রার বিশেষ কোনও পরিবর্তন থাকছে না। মোটামুটি সব জেলাতেই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কম থাকবে। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকাগুলির মধ্যে দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা (Winter Update) সবথেকে কম ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল।

    অপরে উত্তর ও মধ্যে ভারতে চরম শৈত্য (Weather Update) প্রবাহ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে মধ্যপ্রদেশে গতকাল পর্যন্ত ছিল চরম শীত। রাজধানী দিল্লিতেই প্রবল শীত পড়েছে। হরিয়ানা, ছত্তিশগড়, রাজস্থানে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত শৈত্য প্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আগামিকাল থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশে শৈত্য প্রবাহের পরিস্থিতি থাকবে। তামিলনাড়ু, পন্ডিচেরি এবং করাইকালে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোনও কোনও এলাকায় আবার বজ্র বৃষ্টিসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Delhi pollution: মারাত্মক আকার ধারণ করল দিল্লির বায়ু দূষণ, জারি তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ

    Delhi pollution: মারাত্মক আকার ধারণ করল দিল্লির বায়ু দূষণ, জারি তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিস্ফোরণের পরের দিনই বায়ু দূষণ চরম আকার নিয়েছে দিল্লিতে (Delhi pollution)। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, রাজধানীতে বায়ুদূষণ ভয়ঙ্কর মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। জানা গিয়েছে মঙ্গলবার দিল্লিতে গড় একিউআই ছিল ৩৬২। একদিনের বায়ু দূষণে দিল্লির আকাশ-বাতাস বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। শান্ত বাতাস, স্থিতিশীল আবহাওয়া এবং দূষণের কারণে বাতাসের মান আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। আর এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দিল্লি সরকার তৃতীয় ধাপের বিধিনিষেধ (Grap-3) আরোপ করেছে।

    অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও ভাঙাচোরা কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ (Delhi pollution)

    নতুন পর্যায়ে দিল্লিতে (Delhi pollution) জারি হয়েছে দূষণ সংক্রান্ত তৃতীয় ধাপ। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দিল্লি এবং এনসিআর অঞ্চলে অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ ও ভাঙাচোরা কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যে পাথর ভাঙা এবং খনন কাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই ভাবে সরকার জানিয়েছে বিএস-৩ পেট্রোল এবং বিএস-৫ ডিজেল গাড়ি রাস্তায় নামানো যাবে না। তবে যেসব নাগরিক প্রতিবন্ধী তাঁদের জন্য অবশ্য এই নিয়ম কার্যকর হবে না। স্কুলের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে বেশকিছু পরিবর্তন। পঞ্চম শ্রেণি থেকে সমস্ত স্কুলকে হাইব্রিড শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে বলা হয়েছে। তবে অভিভাবকরা চাইলে অনলাইন ক্লাসের বিকল্প বেছে নিতে পারেন।

    তৃতীয় ধাপের কঠিন বিধিনিষেধ কখন জারি হয়

    যদিও শীতকালে দিল্লি (Delhi pollution) এবং এনসিআরে দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শীতকালে দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তবে বায়ু দূষণের আসল কারণ হল গাড়ির ধোঁয়া এবং দিল্লি সহ হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে খড় পড়ানোর জন্য। একইভাবে আতসবাজির ধোঁয়া এবং প্রতিকূল আবহাওয়াটাও ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    গ্রেডেড রেস্পন্স অ্যাকশন (Grap-3) প্ল্যান মূলত দিল্লি এনসিআর চারটি পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়। প্রথম ধাপ পুরএকিউআই ২০১-৩০০, দ্বিতীয় ধাপ ভেরি পুর একিউআই ৩০১-৪০০, তৃতীয় ধাপ সিভিয়ার একিউআই ৪০১-৪৫০ এবং চতুর্থ ধাপ সিভিয়ার প্লাস একিউআই ৪৫০–এর উপরে। যদি বায়ুর দূষণকে কোনও ভাবেই নিয়ন্ত্রণ না করা যায় তাহলে তৃতীয় ধাপের কঠিন বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয় তাহলে আগামীদিনে জনজীবনের উপর চরম প্রভাব পড়তে পারে।

  • Ramakrishna 506: “একটি সাপ ব্যাঙকে তাড়া করে আসছে, আর কামড়াতে গিয়ে তার বিষ, ওই খুলির ভিতর পড়ে গেল”

    Ramakrishna 506: “একটি সাপ ব্যাঙকে তাড়া করে আসছে, আর কামড়াতে গিয়ে তার বিষ, ওই খুলির ভিতর পড়ে গেল”

     ৪৮ শ্রীরামকৃষ্ণ কাপ্তেন, নরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুন
    অহংকারই বিনাশের কারণ ও ঈশ্বরলাভের বিঘ্ন

    পূর্বকথা—কেশব ও গৌরী—সোঽহম্‌ অবস্থার পর দাসভাব 

    ভক্ত ও পূজাদি—ঈশ্বর ভক্তবৎসল—পূর্ণজ্ঞানী 

    “লোকটি অমনি ব্যাকুল হয়ে সেই ঔষধ খুঁজতে স্বাতী নক্ষত্রে বেরুল! এমন সময়ে বৃষ্টি হচ্ছে। তখন ব্যাকুল হয়ে ঈশ্বরকে বলছে, ঠাকুর (Ramakrishna)! এইবার মরার মাথা জুটিয়ে দাও। খুঁজতে খুঁজতে দেখে, একটি মরার খুলি, তাতে স্বাতী নক্ষত্রের জল পড়েছে; তখন সে আবার প্রার্থনা করে বলতে লাগল, দোহাই ঠাকুর! এইবার আর কটি জুটিয়া দাও—ব্যাঙ ও সাপ! তার যেমন ব্যাকুলতা তেমনি সব জুটে গেল। দেখতে দেখতে একটি সাপ ব্যাঙকে তাড়া করে আসছে, আর কামড়াতে গিয়ে তার বিষ, ওই খুলির ভিতর পড়ে গেল (Kathamrita)।

    “ঈশ্বরের শরণাগত হয়ে, তাঁকে ব্যাকুল হয়ে ডাকলে, তিনি শুনবেনই শুনবেন—সব সুযোগ করে দেবেন।”

    কাপ্তেন—কেয়া দৃষ্টান্ত!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, তিনি সুযোগ করে দেন। হয়তো,— বিয়ে হল না, সব মন ঈশ্বরকে দিতে পারলে, হয়তো ভায়েরা রোজগার করতে লাগল বা একটি ছেলে মানুষ হয়ে গেল, তাহলে তোমায় আর সংসার দেখতে হল না। তখন তুমি অনায়াসে ষোল আনা মন ঈশ্বরকে দিতে পার। তবে কামিনী-কাঞ্চন ত্যাগ না হলে হবে না। ত্যাগ হলে তবে অজ্ঞান অবিদ্যা নাশ হয়। আতস কাঁচের উপর সূর্যের কিরণ পড়লে কত জিনিস পুড়ে যায়। কিন্তু ঘরের ভিতর ছায়া, সেখানে আতস কাঁচ লয়ে গেলে ওটি হয় না। ঘর ত্যাগ করে বাহিরে এসে দাঁড়াতে হয়।

    ঈশ্বরলাভের পর সংসার—জনকাদির

    “তবে জ্ঞানলাভের পর কেউ সংসারে থাকে। তারা ঘর-বার দুইই দেখতে পায়। জ্ঞানের আলো সংসারের ভিতর পড়ে, তাই তারা ভাল, মন্দ, নিত্য, অনিত্য,— এ-সব সে আলোতে দেখতে পায়।

    “যারা অজ্ঞান, ঈশ্বরকে (Ramakrishna) মানে না, অথচ সংসারে আছে, তারা যেন মাটির ঘরের ভিতর বাস করে। ক্ষীণ আলোতে শুধু ঘরের ভিতরটি দেখতে পায়! কিন্তু যারা জ্ঞানলাভ করেছে, ঈশ্বরকে জেনেছে, তারপর সংসারে আছে, তারা যেন সার্সীর ঘরের ভিতর বাস করে। ঘরের ভিতরও দেখতে পায়, ঘরের বাহিরের জিনিসও দেখতে (Kathamrita) পায়। জ্ঞান-সূর্যের আলো ঘরের ভিতরে খুব প্রবেশ করে। সে ব্যক্তি ঘরের ভিতরের জিনিস খুব স্পষ্টরূপে দেখতে পায়,—কোন্‌টি ভাল, কোন্‌টি মন্দ, কোন্‌টি নিত্য, কোন্‌টি অনিত্য।

  • Pakistan: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণ! মৃত অনন্ত ১২, তালিবানের হামলা?

    Pakistan: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণ! মৃত অনন্ত ১২, তালিবানের হামলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামাবাদে আদালতের বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত অনন্ত ১২। অপর দিকে খাইবার পাখতুনখোয়ায় (Khyber Pakhtunkhwa) পাক সেনার কনভয়েও হামলার ঘটনায় জখম ১৬। জানা গিয়েছে, পাকসেনা এবং ফ্রন্টিয়ার কোর পার্সোনালের সেই কনভয় ফিরছিল ডেরা ইসমাইল খান জেলার লোনি পোস্টে। ফেরার পথেই ঘটে এই হামলার ঘটনা। একদিনে জোড়া হামলার ঘটনায় তোলপাড় পাকিস্তানে (Pakistan)।

    গেটের মুখেই এই বিস্ফোরণ (Pakistan)!

    ইসলামাবাদে (Pakistan) জেলা আদালতের সামনে বোম বিস্ফোরণের ঘটনাকে তুলে ধরে স্থানীয় পত্রিকা ‘ডন’ জানিয়েছে, আদালতের সামনে বিস্ফোরণে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, অনেক দূর পর্যন্ত বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গিয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন। এই বোমা বিস্ফোরণ নিয়ে স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, “আমরা বিস্ফোরণের খবর পেয়েছি। তবে কি থেকে বিস্ফোরণ হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। আমাদের ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তাঁদের কাছ থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করার পর সমস্ত বিষয়টি সম্পর্কে জানা যাবে। জেলা আদালতের গেটের মুখেই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।”

    তালিবানদের দিকে ইঙ্গিত!

    আফগানিস্তান সীমান্ত লাগোয়া খাইবার পাখতুনখোয়ায় (Khyber Pakhtunkhwa) পাক সেনা কনভয়ে সোমবার রাতে হামলার ঘটনা ঘটে। পাকিস্তান (Pakistan) সেনা এবং ফ্রন্টিইয়ার কোর পার্সোনেলের কনভয় ফিরছিল ডেরা ইসমাইল খান জেলার লোনি পোস্টে। আর তখন সেই সময়েই হয় বিস্ফোরণ। উল্লেখ্য গতকাল সোমবার খাইবার পাখতুনখোয়ার অন্য একদিকে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। দক্ষিণ-পশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়ার আফগান সীমান্ত গ্রামে এক কলেজের গেটে হামলায় ছয়জন আহত হয়েছিলেন। তবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের দাবি ওই হামলার পিছনে রয়েছে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান জঙ্গিরা।

    পাকিস্তানের অতিসক্রিয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে অন্যতম প্রধান হল টিটিপি বা তেহরিক-ই-তালিবান। ২০২১ সালে আফগানিস্তানের মসনদে বসে তালিবান সরকার। পাকিস্তান সরকারের দাবি তালিবানরা এই সংগঠনকে পরোক্ষ মদত দেয়। পাকিস্তানের আফগান সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বেশিরভাগ বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে টিটিপি। তবে তালিবানের তরফে বারবার পাক সরকারের অভিযোগকে অস্বীকার করা হয়েছে।

  • Dharmendra Deol: ধর্মেন্দ্র স্থিতিশীল, মৃত্যুর খবর মিথ্যা, সংবাদ মাধ্যমের ওপর চরম রাগ হেমার

    Dharmendra Deol: ধর্মেন্দ্র স্থিতিশীল, মৃত্যুর খবর মিথ্যা, সংবাদ মাধ্যমের ওপর চরম রাগ হেমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মেন্দ্র (Dharmendra Deol) স্থিতিশীল, মৃত্যুর খবর মিথ্যা। ক্রমেই সুস্থ হয়ে উঠছেন এই বলিউড অভিনেতা। স্ত্রী হেমা মালিনী (Hema Malini) এবং মেয়ে এষা মৃত্যুর খবরকে ভুয়ো খবর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। উল্লেখ্য গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এই প্রবীণ অভিনেতা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিলেন। কিন্তু সোমবার রাতেই ছড়িয়ে গিয়েছিল মৃত্যর খবর। যেহেতু হাসপাতাল এবং পরিবারের তরফ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হচ্ছিল না তাই ধোঁয়াশা ছিলই। সোমবার অবশ্য পরিবারের তরফে স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয় মৃত্যুর খবর মিথ্যা। তবে পরিবারের তরফে সংবাদমাধ্যমকেও কড়া ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।

    চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন (Dharmendra Deol)

    সোমবার রাতে ধর্মেন্দ্রর (Dharmendra Deol) মৃত্যুর খবরে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। তবে সামাজিক মাধ্যমে এই খবর ব্যাপক ভাইরাল হয়। মৃত্যুর খবরকে মিথ্যা বার্তা দিয়ে সানি দেওল সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন। একই ভাবে হেমা মালিনী নিজেও জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র জীবিত। তিনি ধীরে ধীরে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। একই সঙ্গে হাসপাতাল চত্বরে নিরাপত্তার উপর দেওয়া হয়েছে বিশেষ জোর। বাড়তি পুলিশকে লাগানো হয়েছিল প্রহরায়। তবে ধর্মেন্দ্র সহ সমস্ত রোগীর গোপনীতা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃক এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মেয়ে এষা দেওল মৃত্যুর খবর মিথ্যা বলে সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, “বাবার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যম চাপে পরে মৃত্যু সংবাদের উল্লেখ করেছেন। বাবা আগের তুলনায় ভালো রয়েছেন। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন।”

    মিথ্যা খবরে তোপ হেমার

    তবে মঙ্গলবার হেমা (Hema Malini) নিজে মৃত্যুর গুজবে তোপ দেগে বলেন, “যে হারে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে তা ক্ষমার অযোগ্য। একজন মানুষ ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। আর সংবাদমাধ্যম তাঁর ভুয়ো মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে দিচ্ছে! দায়িত্বজ্ঞানহীনতা সংবাদ মাধ্যমের কাছে আসা করিনি। এই ধরনের সংবাদ কোনও পরিবারের কাছেই কাম্য নয়। অত্যন্ত অসম্মানজনক খবর। এমন ভিত্তিহীন খবর শুধু পরিবারের সদস্যদেরই নয়, অসংখ্য অনুরাগীদের মনেও ভয় ও বিভ্রান্তি তৈরি করছে। সকলকে অনুরোধ করছি, যাচাই না করে কোনও খবর যেন কেউ শেয়ার না করেন।”

    চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন

    এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৮৯ বছরের ধর্মেন্দ্র। শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। কিংবদন্তী এই অভিনেতার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা চলচ্চিত্র জগৎ। তাঁর অভিনয়ে সাড়া বিশ্বের মানুষকে মোহিত করেছেন।  তিনি এখন ভেন্টিলেশনে রয়েছে। সোমবার এমন মৃত্যর খবরে তাঁর ভক্ত মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছিল। পরে সেই খবরও ভুয়ো বলে জানানো হয় পরিবারের তরফে। হেমা-সহ দেওল পরিবার দ্রুত পৌঁছে যান হাসপাতালে। একে একে এই প্রবীণ অভিনেতাকে দেখতে আসেন শাহরুখ খান, সলমন খান, অমিষা পটেল-সহ বলিউডের তারকারা। আগামী ৮ ডিসেম্বর ৯০ পূর্ণ করবেন জনপ্রিয় শোলে সিনেমার অভিনেতা বিরু। সানি দেওলের টিমের পক্ষ থেকে আগেই বলা হয়েছিল, “ধর্মেন্দ্র এখন স্থিতিশীল এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। সকলে প্রার্থনা জানাই ভুয়ো খবর থেকে বিরত থাকুন।”

    হাসপাতালে ভর্তি প্রেম চোপড়া

    অন্যদিকে, বলিউডের আর এক বর্ষীয়ান অভিনেতা প্রেম চোপড়া (Prem Chopra) অসুস্থ। ৯০ বছরের বর্ষীয়ান এই অভিনেতা হাসপাতালে ভর্তি। তাঁর জামাই বিকাশ ভাল্লা এই সংবাদ সংবাদ মাধ্যমকে জানান। জানা গিয়েছে তিনি মুম্বইয়ের প্রথম সারির বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এখনই আশঙ্কার তেমন খবর নেই। তবে তিনি বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছেন। তবে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয়। নিয়মিত চিকিৎসার জন্যই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে দিন কয়েক থাকতে হবে তাকে হাসপাতালে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রুটিন এই চিকিৎসা। প্রসঙ্গত ষাট-সত্তরের দশকে অন্যতম দাপুটে খলনায়ক ছিলেন প্রেম। তিনি ৩৮০টির বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। তাঁর শারীরিক অসুস্থতার জন্য গোটা অভিনয় জগত উদ্বিগ্ন। ধর্মেন্দ্রর খবরের পাশাপাশি এই খবরে ভক্তদের মধ্যে অত্যন্ত চিন্তা জনক।

  • Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণের আবহে কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী ডাক্তার ফাইয়ের ডেরা গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ, কে তিনি?

    Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণের আবহে কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী ডাক্তার ফাইয়ের ডেরা গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ, কে তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ নভেম্বর সন্ধে ৬টা ৫২ মিনিটে দিল্লিতে (Delhi Blast) লালাকেল্লার সামনে বিরাট আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একটি গাড়িতে করে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক এনে এই হামলার ঘটনা ঘটানো হয়। ইতিমধ্যে এখনও পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু ঘটেছে। আহতের সংখ্যা বহু। এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে ঠিক কোন জঙ্গি সংগঠন? তার তদন্তে দিল্লি পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী, এনআইএ ময়দানে নেমে পড়েছে। সব কেন্দ্র শাসিত এবং রাজ্যগুলিকে সবরকম সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ কথিত বিচ্ছিন্নতাবাদী চিকিৎসক গোলাম নবী ফাই (Ghulam Nabi Fai) ওরফে ডাক্তার ফাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। তাঁর সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক সম্পর্কে নানা নথি, তথ্য এবং সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। যদিও এই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন।

    কে এই গুলাম নবী ফাই ওরফে ডাঃ ফাই?

    গুলাম নবী ফাই, একজন কুখ্যাত অপরাধী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আইএসআই-এর প্রধান, যিনি কাশ্মীরের স্বাধীনতার জন্য তদ্বির করার জন্য পাকিস্তানি গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) এর হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। আমেরিকায় ভারতীয় লবির কিছু সমর্থক বিশ্বাস করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, বিশেষ করে ক্যাপিটল হিল এবং মিডিয়াতে সাম্প্রতিক ভারত-বিরোধী প্রচার চালানোর নেপথ্যে রয়েছে ফাইয়ের তীব্র ভূমিকা।

    ১০, ১৩, ৩৯ এবং ৬৬ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্য কাশ্মীর পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী ওয়াদওয়ান বদগামের বাসিন্দা এবং বর্তমান মার্কিন নিবাসী ডাক্তার ফাইয়ের নেটওয়ার্কের উপর ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালায়। তাঁর বিছিন্নতাবাদী নেটওয়ার্কগুলির উপর বিশেষ নজর রাখা হয়েছিল। এদিন, সেই নেটওয়ার্ক-ই এদিন ভেঙে দিল পুলিশ। ডাক্তার ফাই (Ghulam Nabi Fai) বদগাম পুলিশ স্টেশনে ইউএলএ (পি) আইনের ধারা ১০, ১৩, ৩৯ এবং ৬৬ নম্বর ধারায় মামলাও দায়ের করা হয়েছে। এফআইআর নম্বর হল ৪৬/২০২০। বদগামে এনআইএ-র বিশেষ আদালত ইতিমধ্যে পুরনো একটি মামলায় ৩০ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে ফাইকে ঘোষিত অপরাধী বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। ইতিমধ্যে তাঁর প্রচুর অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

    আইএসআই যোগ!

    দিল্লি বিস্ফোরণের (Delhi Blast) পর পুলিশ ফাই সম্পর্কে আরও জানিয়েছে, ওয়াশিংটন কেন্দ্রিক কাশ্মীরি আমেরিকান কাউন্সিল সংগঠনের প্রধান দায়িত্ব পালন করছেন ফাই (Ghulam Nabi Fai)। এই সংস্থাকে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই সম্পূর্ণ ভাবে সমর্থন করে। কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের বক্তব্যকেই প্রচার করেন ফাই। সম্প্রতি তুরস্কের এক টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়ে ফাই সারসরি নিষিদ্ধ সংগঠন জেকেএলএফকে সমর্থন করেছেন। যদিও এই সংগঠনকে সরকারি বিজ্ঞপ্তি এসও ১৪০৩ (ই)-এর মাধ্যমে বেইনি ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০১১ সালে আদালতে এনআইএ একটি হলফনামা দিয়ে মার্কিন তদন্তকারী সংস্থা এফবিআইকে জানিয়েছে, ফাই এবং তাঁর দল কাশ্মীর বিষয়ে মার্কিন সরকারের অবস্থানকে প্রভাবিত করার জন্য ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি থেকে পাকিস্তান, তাঁর সামরিক গুপ্তচর সংস্থা, ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলারও নিয়েছে। তাঁর বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইতিমধ্যে বেশ কিছু লোকজনকে আটকও করা হয়েছে।

  • Ramakrishna 505: “মেঘ ও বর্ষা লেগেই আছে, সূর্য দেখা যায় না! দুঃখের ভাগই বেশি! কামিনী-কাঞ্চন-মেঘ সূর্যকে দেখতে দেয় না”

    Ramakrishna 505: “মেঘ ও বর্ষা লেগেই আছে, সূর্য দেখা যায় না! দুঃখের ভাগই বেশি! কামিনী-কাঞ্চন-মেঘ সূর্যকে দেখতে দেয় না”

    ৪৮ শ্রীরামকৃষ্ণ কাপ্তেন, নরেন্দ্র প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুন
    অহংকারই বিনাশের কারণ ও ঈশ্বরলাভের বিঘ্ন

    পূর্বকথা—কেশব ও গৌরী—সোঽহম্‌ অবস্থার পর দাসভাব 

    ভক্ত ও পূজাদি—ঈশ্বর ভক্তবৎসল—পূর্ণজ্ঞানী 

    “অনেকক্ষণ পরে পাখিটা আবার উড়ে গেল—এবার পূর্বদিকে গেল। সেদিকে কিছুই দেখতে পেলে না, চারিদিকে কেবল অকূল পাথার! তখন ভারী পরিশ্রান্ত হয়ে আবার জাহাজে ফিরে এসে মাস্তুলের উপর বসল, অনেকক্ষণ জিরিয়ে একবার দক্ষিণদিকে গেল (Kathamrita); এইরূপে আবার পশ্চিমদিকে গেল। যখন দেখলে কোথাও কূল-কিনারা নাই, তখন সেই যে মাস্তুলের উপর বসল, আর উঠল না। নিশ্চেষ্ট হয়ে বসে রইল। তখন মনে আর কোনও ব্যস্তভাব বা অশান্তি রইল না। নিশ্চিন্ত হয়েছে আর কোনোও চেষ্টাও নাই।”

    কাপ্তেন—আহা কেয়া দৃষ্টান্ত!

    ভোগান্তে ব্যাকুলতা ও ঈশ্বরলাভ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—সংসারী লোকেরা যখন সুখের জন্য চারিদিকে ঘুরে ঘুরে বেড়ায়, আর পায় না, আর শেষে পরিশ্রান্ত হয়; যখন কামিনী-কাঞ্চনে আসক্ত হয়ে কেবল দুঃখ পায়, তখনই বৈরাগ্য আসে, ত্যাগ আসে। ভোগ না করলে ত্যাগ অনেকের হয় না। কুটিচক আর বহুদক। সাধকের ভিতরও কেয় কেয় অনেক তীর্থে ঘোরে। এক জায়গায় স্থির হয়ে বসতে পারে না; অনেক তীর্থের উদক— কিনা জল খায়! যখন ঘুরে ঘুরে ক্ষোভ মিটে জায়, তখন এক জায়গায় কুটির বেঁধে বসে। আর নিশ্চিন্ত ও চেষ্টাশূন্য হয়ে ভগবানকে চিন্তা করে।

    “কিন্তু কি ভোগ সংসারে করবে? কামিনী-কাঞ্চন ভোগ? সে তো ক্ষণিক আনন্দ এই আছে, এই নাই!

    “প্রায় মেঘ ও বর্ষা লেগেই আছে, সূর্য দেখা যায় না! দুঃখের ভাগই বেশি! আর কামিনী-কাঞ্চন-মেঘ সূর্যকে দেখতে দেয় না।

    “কেউ কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা (Kathamrita) করে, ‘মহাশয়, ঈশ্বর কেন এমন সংসার করলেন? আমাদের কি কোনও উপায় নাই’?”

    উপায়—ব্যাকুলতা—ত্যাগ

    “আমি বলি, উপায় থাকবে না কেন? তাঁর শরণাগত হও, আর ব্যাকুল হয়ে প্রার্থনা কর, যাতে অনুকূল হাওয়া বয়,—যাতে শুভযোগ ঘটে। ব্যাকুল হয়ে ডাকলে তিনি শুনবেনই শুনবেন।

    “একজনের (Ramakrishna) ছেলেটি যায় যায় হয়েছিল। সে ব্যক্তি ব্যাকুল হয়ে এর কাছে ওর কাছে উপায় জিজ্ঞাসা করে বেড়াচ্ছে। একজন বললে, তুমি যদি এইটি যোগাড় করতে পারো তো ভাল হয়,—স্বাতী নক্ষত্রের জল পড়বে মড়ার মাথার খুলির উপর। সেই জল একটি ব্যাঙ খেতে যাবে। সেই ব্যাঙকে একটি সাপে তাড়া করবে। ব্যাঙকে কামরাতে গিয়ে সাপের বিষ ওই মড়ার মাথার খুলিতে পড়বে, আর সেই ব্যাঙটি পালিয়ে যাবে। সেই বিষজল একটু লয়ে রোগীকে খাওয়াতে হবে।

  • Mohan Bhagwat: ‘ভারত মাতার সন্তান’-রাই সংঘে আসতে পারবেন, বার্তা ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: ‘ভারত মাতার সন্তান’-রাই সংঘে আসতে পারবেন, বার্তা ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) রবিবার বেঙ্গালুরুতে সংঘশতবর্ষ আয়োজিত একটি বক্তৃতামালায় ভাষণ দেওয়ার সময় বলেছেন, “ধর্মীয় পরিচয় বাদ রেখে নিজেদের ‘ভারত মাতার সন্তান’ বলে পরিচয় দিতে পারলেই সংঘ শাখায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।” নতুন দিগন্ত বক্তৃতা সিজিরের এই মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন ফেলেছে। সংঘ কাজে কেবলমাত্র ভারতীয়রাই যুক্ত হতে পারবেন এটাও স্পষ্ট করেন ভাগবত।

    সংঘে কোনও মুসলমান প্রবেশ করতে পারবেন না (Mohan Bhagwat)

    ১০০ বছর পূর্ণ করেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (RSS)। ১৯২৫ সালের বিজয় দশমীর দিনে নাগপুরে ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার ভারতীয় সমাজ তথা হিন্দু সমাজকে এক করতে এই আরএসএস-এর প্রতিষ্ঠা করেন। স্বাধীনতা উত্তর ভারতকে পুনঃজাগ্রত করাই এই সংগঠনের একমাত্র লক্ষ্য। এদিন আলোচনায় সরসংঘ চালক মোহন ভাগবতকে (Mohan Bhagwat) একজন প্রশ্ন করেন যে সংঘে কি মুসলিমরা আসতে পারেন? উত্তরে তিনি বলেন, “সংঘে কোনও ব্রাহ্মণ প্রবেশ করতে পারেন না। সংঘে কোনও মুসলমান প্রবেশ করতে পারবেন না। সংঘে কোনও খ্রিস্টান প্রবেশ করতে পারবেন না। কোন শৈব প্রবেশ করতে পারবেন না, কোনও শাক্ত প্রবেশ করতে পারবেন না। কেবলমাত্র হিন্দুরাই প্রবেশ করতে পারবেন। তাই বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষদের নিজ নিজ মুসলমান, খ্রিষ্টান পরিচয়কে দূরে রেখে আসলেই ভালো।”

    মুসলমান এবং খ্রিষ্টানরা একই পূর্বপুরুষের বংশধর

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) সঙ্গে যুক্ত হতে গেলে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) যে সহজ কথাটি অত্যন্ত সহজ সরল ভাবে বলেছেন তা হল- “আপনাদের সংঘে অবশ্যই স্বাগত, যখন কেউ সংঘে আসেন তখন তিনি ভারত মাতার সন্তান হিসেবেই আসেন। ভারত মাতার সন্তানরা সকলেই হিন্দু সমাজের অন্তর্গত। একই ভাবে যখন কোন মুসলমান, খ্রিষ্টানরা আমাদের শাখায় আসেন তখন তাকে আমরা জিজ্ঞাসা করি না আপনারা কারা। আমরা তাঁদের অন্য কোন সম্প্রদায় হিসবে গণনা করি না। সকলেই ভারত মাতার সন্তান এই ভাবনাতেই সংঘ চলে। সংঘ কখনই রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য কাজ করে না। সব সময় দেশ-সমাজ এবং রাষ্ট্রের জন্যই কাজ করে। ভারতের কেউ হিন্দু সামজের বাইরে নয়। সকল মুসলমান এবং খ্রিষ্টানরা একই পূর্বপুরুষের বংশধর। আমাদের ঐতিহ্যকে উপেক্ষা করে বৈচিত্র্য করতে পারিনা। বৈচিত্র্য হল আমাদের অলঙ্কার।”

  • Gujarat: রাসায়নিক ‘রাইসিন’ বিষ বানানোর চেষ্টা করছিল গুজরাটে গ্রেফতার চিকিৎসক-জঙ্গি! নেপথ্যে বড়সড় ষড়যন্ত্র?

    Gujarat: রাসায়নিক ‘রাইসিন’ বিষ বানানোর চেষ্টা করছিল গুজরাটে গ্রেফতার চিকিৎসক-জঙ্গি! নেপথ্যে বড়সড় ষড়যন্ত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাসায়নিক দ্রব্য তৈরি করে প্রাণঘাতী হামলার বড়সড় ছক করছিল গুজরাটের (Gujarat) আমেদাবাদ থেকে ধৃত তিন আইসিস জঙ্গি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা এমনটাই জানতে পেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। ধৃত তিন জঙ্গির মধ্যে একজন চিকিৎসক। রাইসিন সাধারণত, ক্যাস্টর বা রেড়ির বীজে থাকে। তাদের কাছে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চিনের মেডিক্যাল সামগ্রী। গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, ওই চিকিৎসক বিষাক্ত রাসায়নিক ‘রাইসিন’ প্রস্তুতের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এই রাইসিন (Ricin Poison) জৈব এবং রাসায়নিক কাজে ব্যবহার করা হয়।

    একাধিক শহরে জাল বিস্তার (Gujarat)?

    নাশকতামূলক কাজের ষড়যন্ত্রে এলাকা বাছাই করতে ভারতের একাধিক শহরে ঘোরাফেরা করেছে জঙ্গিরা। ফলে নাশকতার জাল একাধিক শহরে বিস্তারের জোর সম্ভাবনা রয়েছে। আমেদাবাদ ছাড়াও দিল্লি এবং লখনউয়ের বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শন করেন। গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই আইএস-জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয় সামনে আসে। তবে বিশেষ করে দিল্লির আজাদপুর মান্ডি, আমেদাবাদের নারোদায় ফলের বাজার ঘুরে দেখেছিলেন। খাদ্য সামগ্রীতে এই রাসায়নিক প্রয়োগের বিষয়কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। ধৃতদের পরিচয় ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন হায়দরাবাদের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সি চিকিৎসক আহমেদ মহিউদ্দিন সৈয়দ। উত্তরপ্রদেশের শামিল বাসিন্দা ২০ বছর বয়সি আজাদ সুলেমান শেখ এবং লখিমপুরখেরির বাসিন্দা ২৩ বয়সি পড়ুয়া মহম্মদ সুহেল। ধৃতদের কাছ থেকে ৩০টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

    আইসিসের আঞ্চলিক শাখার সঙ্গে যুক্ত

    গুজরাট (Gujarat) এটিএস এক সরকারি বিবৃতিতে জানিয়েছে, “একটি বড় সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য, আহমেদ মহিউদ্দিন সৈয়দ ‘রাইজিন’ বা রাইসিন (Ricin Poison) নামে একটি অত্যন্ত মারাত্মক বিষ প্রস্তুত করছিল। চিনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এমবিবিএস ডাক্তার সৈয়দ ক্যাস্টর (রেড়ি) বীজ থেকে প্রাপ্ত প্রাণঘাতী প্রোটিন রাইসিন তৈরি করছিল। উদ্দেশ্য বড় ধরনের হত্যালীলা। ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় গবেষণা শুরু করে ছিল জঙ্গিরা। সরঞ্জাম, কাঁচামাল সংগ্রহ করে সবরকম প্রস্তুতির জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়াকরণের কাজ শুরু করেছে জঙ্গিরা। তবে সৈয়দ নামক জঙ্গি এই কাজে বিশেষভাবে পারদর্শী। এই জঙ্গি চিন থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছে, আইসিসের আঞ্চলিক শাখার ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশের সদস্য আবু খাদিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগও রয়েছে।”

LinkedIn
Share