Tag: madhyom news

madhyom news

  • Suvendu Adhikari: “রাজ্যের মুসলিমদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা”, কাঁথিতে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “রাজ্যের মুসলিমদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা”, কাঁথিতে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এদিকে এসআইআরে বিরাট সংখ্যায় জাল ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতির পারদ চরমে। এমনই আবহে কাঁথির পরিবর্তন যাত্রায় একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তুলোধনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামের বিধায়ক জানান, তোষণের রাজনীতি রাজ্যে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলের শাসনে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। রাজ্য থেকে শিল্পকে তাড়িয়েছেন খোদ মমতা। সীমান্তে অবৈধ বাংলাদেশির ভিড় বাড়ছে। আর তৃণমূল কংগ্রেস নিজের ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। তাঁর মতে, আরজি করের বিচার পেতে বিজেপিকে আনতে হবে। মুসলিমদের তেজপাতার মতো ব্যবহার করছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    আর মাত্র ২ মাস! দেখে নেব (Suvendu Adhikari)

    পরিবর্তন সংকল্প যাত্রায় শুভেন্দু, মমতাকে (Mamata Banerjee) আক্রমণ করে বলেন, “বাংলায় কর্মসংস্থান নেই, শিল্প কলকারখানা নেই। বাংলার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বদল আনতে হবে। রাজ্যে নারী নির্যাতন বন্ধন করতে বিজেপির শাসন চাই। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকে দেখুন। সরকার কতটা দায়িত্বশীল তা দেখে শিখতে হবে। ছত্তিশগড়ে ৩১০০ টাকায় ধান কেনা হচ্ছে। রাজস্থানে ২৫ লক্ষ টাকা চিকিৎসা ফ্রি। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। হরিয়ানায় ২ লক্ষ ৫৫ হাজার সরকারি শূন্যপদ পূরণ করা হয়েছে। হাতে কাজ, পেতে ভাত এবং মাথায় ছাদ দিতে পারে একমাত্র বিজেপি সরকার। যোগ্যতা এবং মেধা অনুযায়ী চাকরি একমাত্র দিতে পারবে বিজেপি সরকার। ২০১১ সালে টাটাকে রাজ্য থেকে তাড়িয়েছে। টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি করেছে তৃণমূল সরকার। আর মাত্র ২ মাস, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের পর এই সরকার আর কোথায় থাকবে তা দেখে নেব আমরাও।”

    সব ভারতীয়র নাম ভোটার তালিকায় থাকবে

    এদিন আবার ভগবানপুর থেকে মুসলিম সামজের মানুষকে বার্তা দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আপনাদের আমাদের মতো জয় শ্রী রাম বলতে হবে না। ভারতমাতা কি জয় বলুন। বন্দে মাতারম বলুন। জয় হিন্দ বলুন। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্রবাদ, দেশপ্রেম, উন্নয়ন এবং যোগীর সুরক্ষানীতি-সুশাসনকে বাংলায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তৃণমূল আপনাদের তেজপাতা করে রেখে দিয়েছে। এই মুহূর্তে মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি ভোট পায় তৃণমূল। আপনারা আমাদের ভোট দেন না জানি। আমরা আপানাদের বিরোধী নই। সব ভারতীয়র নাম ভোটার তালিকায় থাকবে। এটাই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। আমি আহ্বান করেছি রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের, আপনারা আসুন। আপনাদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তরকারিতে লাগে কিন্তু খাওয়া যায় না।”

    বাংলার ভোট নিয়ে ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর কথা আগেই ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি এবার ভবানীপুরেও হারাবো। কেউ ভয় পাবেন না, আমি শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধীদল নেতা। মমতাকে আমি হারিয়েছি, আবার ২০২৬ সালে ভবানীপুরে হারাবো। তৃণমূল কংগ্রেস এখন একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। মমতা নিজেই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বীজ বপন করেছে। বাংলার মানুষ এখন মুক্তি চায়।”

  • Ramakrishna 516: “মেয়েভক্তদের গোপাল ভাব—‘বাৎসল্য ভাব’ বেশি ভাল নয়, ওই ‘বাৎসল্য’ থেকেই আবার একদিন ‘তাচ্ছল্য’ হয়”

    Ramakrishna 516: “মেয়েভক্তদের গোপাল ভাব—‘বাৎসল্য ভাব’ বেশি ভাল নয়, ওই ‘বাৎসল্য’ থেকেই আবার একদিন ‘তাচ্ছল্য’ হয়”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই
    পূর্বকথা—৺কাশীধামে শিব ও সোনার অন্নপূর্ণাদর্শন—
    অদ্য ব্রহ্মাণ্ডকে শালগ্রাম রূপে দর্শন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সারদার প্রতি)—দক্ষিণেশ্বরে যাস না কেন? কলিকাতায় যখন আসি, তখন আসিস না কেন?

    সারদা—আমি খবর পাই না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) — এইবার তোকে খবর দিব। (মাস্টারকে সহাস্যে) একখানা ফর্দ করো তো—ছোকরাদের। (মাস্টার ও ভক্তদের হাস্য)

    পূর্ণের সংবাদ—নরেন্দ্রদর্শনে ঠাকুরের আনন্দ

    সারদা—বাড়িতে বিয়ে দিতে চায়। ইনি (মাস্টার) বিয়ের কথায় আমাদের কতবার বকেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এখন বিয়ে কেন? (মাস্টারের প্রতি) সারদার বেশ অবস্থা হয়েছে। আগে সঙ্কোচ ভাব ছিল। যেন ছিপের ফাতা টেনে নিত। এখন মুখে আনন্দ এসেছে।

    ঠাকুর একজন ভক্তকে বলিতেছেন, “তুমি একবার পূর্ণর জন্য যাবে?”

    এইবার নরেন্দ্র আসিয়াছেন। ঠাকুর নরেন্দ্রকে জল খাওয়াইতে বলিলেন। নরেন্দ্রকে দেখিয়া বড়ই আনন্দিত হইয়াছেন। নরেন্দ্রকে খাওয়াইয়া যেন সাক্ষাৎ নারায়ণের সেবা করিতেছেন। গায়ে হাত বুলাইয়া আদর করিতেছেন, যেন সূক্ষ্মভাবে হাত-পা টিপিতেছেন! গোপালের মা (‘কামারহাটির বামনী’) ঘরের মধ্যে আসিলেন। ঠাকুর বলরামকে কামারহাটিতে লোক পাঠাইয়া গোপালের মাকে আনিতে বলিয়াছিলেন। তাই তিনি আসিয়াছেন। গোপালের মা ঘরের মধ্যে আসিয়াই বলিতেছেন, “আমার আনন্দে চক্ষে জল পড়ছে।” এই বলিয়া ঠাকুরকে ভূমিষ্ঠ হইয়া নমস্কার করিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — সে কি গো। এই তুমি আমাকে গোপাল বল—আবার নমস্কার!

    “যাও, বাড়ির ভিতর গিয়ে একটি বেন্নন রাঁধ গে-খুব ফোড়ন দিও — যেন এখানে পর্যন্ত গন্ধ আসে।” (সকলের হাস্য)

    গোপালের মা—এঁরা (বাড়ির লোকেরা) কি মনে করবে?

    গোপালের মা কি ভাবিতেছেন যে, এখানে নূতন এসেছি,—যদি আলাদা রাঁধব বলে বাড়ির লোকেরা কিছু মনে করে!

    বাড়ির ভিতর যাইবার আগে তিনি নরেন্দ্রকে সম্বোধন করিয়া কাতরস্বরে বলিতেছেন (kathamrit), “বাবা! আমার কি হয়েছে; না বাকী আছে?”

    আজ রথযাত্রা—শ্রীশ্রীজগন্নাথের ভোগরাগাদি হইতে একটু দেরি হইয়াছে। এইবার ঠাকুর সেবা হইবে। অন্তঃপুরে যাইতেছেন। মেয়ে ভক্তেরা ব্যাকুল হইয়া আছেন,—তাঁহাকে দর্শন ও প্রণাম করিবেন।

    ঠাকুরের অনেক স্ত্রীলোক ভক্ত ছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁহাদের কথা পুরুষ ভক্তদের কাছে বেশী বলিতেন না। কেহ মেয়ে ভক্তদের কাছে যাতায়াত করিলে, বলিতেন, ‘বেশী যাস নাই; পড়ে যাবি!’ কখন কখন বলিতেন, ‘যদি স্ত্রীলোক ভক্তিতে গড়াগড়ি যায়, তবুও তার কাছে যাতায়াত করবে না।’ মেয়েভক্তেরা আলাদা থাকবে—পুরুষ-ভক্তেরা আলাদা থাকবে। তবেই উভয়ের মঙ্গল। আবার বলিতেন, “মেয়েভক্তদের গোপাল ভাব—‘বাৎসল্য ভাব’ বেশি ভাল নয়। ওই ‘বাৎসল্য’ থেকেই আবার একদিন ‘তাচ্ছল্য’ হয়।”

  • Indian Railways: মালামাল পরিবহণে ঐতিহাসিক সাফল্য ভারতীয় রেলের, ১ বিলিয়ন টন বহনের রেকর্ড

    Indian Railways: মালামাল পরিবহণে ঐতিহাসিক সাফল্য ভারতীয় রেলের, ১ বিলিয়ন টন বহনের রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল মালামাল সরবরাহে ঐতিহাসিক মাইলফলকের দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। ১৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত পাওয়া শেষ পরিসংখ্যানে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১ বিলিয়ন টন পণ্যসামগ্রী বহনের সীমা অতক্রম করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ২০২৫-২৬ সালের অর্থবর্ষে মাত্র সাত মাসের মধ্যেই ১০২০ মিলিয়ন টন পণ্যসামগ্রী পরিবহণের রেকর্ডকে (Landmark Achievement) ছুঁয়ে ফেলেছে। ভারতীয় শিল্প পরিকাঠামো, উৎপাদন, যোগাযোগ এবং পণ্য পরিবহণে অভূতপূর্ব সাফল্য বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

    কয়লা সরবরাহে উল্লেখযোগ্য সাফল্য (Indian Railways)

    ভারতীয় রেল (Indian Railways) ব্যবস্থার মেরুদণ্ড কতটা মজবুত হয়েছে, তা পণ্যপরিবহণের ক্ষমতা দেখেই অনুমান করা যায়। কয়লা পরিবহণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ভারতীয় রেল। জানা গিয়েছে, যা পণ্যবহন করা হয় তার মধ্যে অর্ধেক হল কয়লা। ৫০৫ মেট্রিক টন কয়লা এখনও পর্যন্ত বহন করা হয়েছে রেলে। অপরদিকে, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইস্পাত শিল্পকেন্দ্রগুলিতে চাহিদার সাপেক্ষে ১১৫ মেট্রিক টন লৌহ আকরিক সরবরাহ করা হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং উচ্চ রফতানির বাজারের কারণে পরিকাঠামো নির্মাণে ভারতীয় রেলের অদ্ভুত (Landmark Achievement) ভূমিকা রয়েছে।

    সিমেন্ট, ইস্পাত বহনে ব্যাপক সাফল্য

    ভারতের শহর, নগর, মহানগরের নানা উন্নয়নমুখী কাজ যেমন আরবান সিটি, মেট্রো প্রকল্প, জাতীয় মহাসড়ক, আবাসন প্রকল্পগুলিতে সিমেন্ট সর্বরাহে ৯২ মেট্রিক টন পরিবহণের দৃষ্টান্ত রেখেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিরাপদ যাতায়াতে কনটেনার পরিবহণে রেল ৫৯ মেট্রিক টনের সীমাকে অতিক্রম (Landmark Achievement) করে গিয়েছে। রেলের কারণে শুধু দেশীয় নয় অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রেও বিরাট ভূমিকা রেখে চলেছে। ইস্পাত, পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্যশস্য সরবরাহেও বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে রেল। এই খাতে গত বছর মালামাল রফতানির পরিমাণ ছিল ৪.২ মেট্রিক টন, এবছর বেড়ে হয়েছে ৪.৪ মেট্রিক টন।

    দূষণরোধে এগিয়ে

    ভারতীয় রেল (Indian Railways) গত এক দশকে দ্রুত টার্ন অ্যারাউন্ড সময় কমিয়ে আনতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। যানজট কমিয়ে আনতে মালবাহী করিডরকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ফলে দ্রুত এবং মালবাহী পরিবহণ করা সম্ভবপর হয়েছে। অত্যাধুনিক রোলিং ষ্টক, ডিজিটাইজেশন ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাপক গতি আনা হয়েছে। তবে রেল পরিবহণে ট্রাকের তুলনায় ৬ গুণ বেশি শক্তি সাশ্রয়ী এবং প্রতি টন কিমি হিসেবে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম কার্বন ছেড়ে দূষণের (Landmark Achievement) হাত থেকে পরিবেশকে রক্ষা করেছে ভারতীয় রেল।

  • SIR: রাজ্যের সব টেলিকম সংস্থার সঙ্গে বৈঠক কমিশনের, ফর্ম আপলোড সমস্যায় দ্রুত পদক্ষেপ

    SIR: রাজ্যের সব টেলিকম সংস্থার সঙ্গে বৈঠক কমিশনের, ফর্ম আপলোড সমস্যায় দ্রুত পদক্ষেপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) নিয়ে বিএলওদের অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখার পর আরও সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। সার্ভারের কারণে এনুমারেশন ফর্ম আপলোড করতে সমস্যা হচ্ছে। বারবার এমনই অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিএলওরা। আর তাই শনিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী (Election Commission) আধিকারিক মনোজ কুমার আগারওয়াল বলেন, “সোমবার দুপুর একটায় রাজ্যের সব টেলিকম সংস্থাগুলোর সঙ্গে কথা বলে দ্রুততার সঙ্গে এই সমস্যার সমাধান করা হবে।” নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেহেতু এসআইআরের কাজ শেষ করতে হবে, তাই অভিযোগ পেয়েই অত্যন্ত তৎপর কমিশন।

    জ্ঞানেশ কুমারের সাফ নির্দেশ(SIR)

    রাজ্যের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে সার্ভারের জন্য বিএলওরা এনুমারেশন ফর্ম (SIR) নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে আপলোড করতে পারছেন না। ফলে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে অনেকেই ব্যর্থ হচ্ছেন। এই নিয়ে অবশ্য বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযোগ আসছিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার পর রাজ্যের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার নির্দেশ দিয়েছেন। আর তারপরেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালকে বলা হয়েছে, অবিলম্বে রাজ্যে থাকা টেলিকম সংস্থাগুলির সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

    ৯ ডিসেম্বর খসড়া এবং ৭ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত

    পাশাপাশি এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission) জানান আগামী ৯ই ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে খসড়া (SIR) ভোটার তালিকা। এই খসড়া ভোটার তালিকায় একমাত্র তাদেরই নাম থাকবে যারা এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছে। রাজ্যের পঞ্চায়েত, ব্লক অফিস, পুরসভা, মহকুমা শাসকের দফতর এবং জেলাশাসকের দফতরে এই তালিকা সকলের জন্য টাঙানো হবে। এর পাশাপাশি সিইও-র ওয়েবসাইটেও দেখা যাবে খসড়া ভোটার তালিকা। একেবারেই বুথ স্তরে প্রত্যেকের নাম প্রকাশ করা হবে।

    তবে এই তালিকার পাশাপাশি আর একটি তালিকাও প্রকাশ করা হবে যেখানে আরও চারটে ভাগ থাকবে। মৃত ভোটার, অনুপস্থিত ভোটার, ভুয়ো ভোটার এবং স্থানান্তরিত ভোটারের নামের তালিকা। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই এই তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন সকলে। তবে এই তালিকা চূড়ান্ত নয়। এই তালিকায় যাদের নাম বাদ গিয়েছে, নামের বানান ভুল আছে, ঠিকানা ভুল আছে সেই সব কিছু সংশোধন করা হবে। যদি কেউ চান নতুন ভাবে নাম এই ভোটার তালিকায় তুলবেন তাহলে তাকে ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে আগামী ৮ই জানুয়ারির মধ্যে জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের কাছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পাবে ৭ই ফেব্রুয়ারি। আর এই ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গে।

  • Nigeria: নাইজেরিয়ার ক্যাথলিক স্কুলে ইসলামি জেহাদি জঙ্গিদের হামলা! অপহৃত ২২৭ ছাত্রী

    Nigeria: নাইজেরিয়ার ক্যাথলিক স্কুলে ইসলামি জেহাদি জঙ্গিদের হামলা! অপহৃত ২২৭ ছাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাইজেরিয়ার (Nigeria) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের পাপিরিতে একদল জঙ্গি একটি ক্যাথলিক স্কুলে হামলা চালিয়ে প্রায় ২২৭ জন ছাত্রীকে অপহরণ (Students Kidnaap) করে নিয়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, মাত্র কয়েকদিন আগেই পার্শ্ববর্তী এলাকা কেব্বি অঞ্চলেও আর একটি সশস্ত্র জঙ্গিদের দল ২৫জন ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল। মাত্র অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে ফের একই ঘটনা ঘটায় রীতিমতো উদ্বেগে সাধারণ মানুষ। ঘটনায় নিন্দার ঝড় তামাম বিশ্বে।

    জেহাদি সংগঠন(Nigeria)

    নাইজেরিয়ার (Nigeria) খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন পাপিরির সেন্ট মেরি স্কুল কর্তৃপক্ষ অপহরণের ঘটনাটি সম্পর্কে জানিয়েছেন, জঙ্গিরা সরকারকে স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। দেশে খ্রিস্টানদের লক্ষ্য করে আক্রমণ এবং অপহরণের (Students Kidnaap) ঘটনা অব্যাহত। সর্বশেষ খবরে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৫ জন শিক্ষক এবং কর্মচারীকেও ছাত্রীদের সঙ্গে অপহরণ করা হয়েছে। যদিও খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন দাবি, এই অপহরণগুলির নেতৃত্ব দিচ্ছে ইসলামি ফুলানি জিহাদি গোষ্ঠীগুলিই। মূলত খ্রিস্টানদের ওপর ধর্মীয় নিপীড়ন বাড়িয়ে এভাবে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করা হচ্ছে। নাইজেরিয়ান সরকার অবশ্য এই অভিযোগ মানতে নারাজ। কারণ আগের অপহরণের ঘটনায়  যে ২৫ ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিল মুসলিম সম্প্রদায়ের।

    ধর্মীয় সন্ত্রাস অব্যাহত

    নাইজেরিয়ান (Nigeria) সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অপহরণগুলি কোনও ধর্মীয় সন্ত্রাস বা মতাদর্শের জন্য নয়। মুক্তিপণ এবং ডাকাতির বিনিময়ে অর্থ নেওয়াটাই প্রধান লক্ষ্য অপরহণকারীদের। ২০১৪ সালে একইভাবে বোকো হারাম নামের এক সংগঠন চিবোক থেকে ২৭৬ জন স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করেছিল। এদিন ঘটনার পরে সরকার দ্রুত ওই খ্রিস্টান স্কুলের সামনে মোতায়েন করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। অপহৃতদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশিও। যদিও রবিবার দুপুর পর্যন্তও একজনকে উদ্ধার করতে পারেনি। ইউনেস্কো এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং এই অঞ্চলে জেহাদি গোষ্ঠীগুলির হুমকির কথা তুলে ধরে ধর্মীয় সন্ত্রাসের বিষয়ে মত প্রকাশ করেছে।

    ২০২৪ সালের মার্চ মাসে কাদুনা রাজ্যে একই ধরণের ঘটনায় ২০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অপহৃত হয়েছিল। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে রাষ্ট্রপতি বোলা টিনুবু দক্ষিণ আফ্রিকায় জি২০ শীর্ষ সম্মেলন সহ তাঁর নির্ধারিত ভ্রমণ স্থগিত করেছেন। ফুলানি মিলিশিয়া গোষ্ঠী এবং অপরাধী চক্রগুলিকে সাধারণত এই অপহরণের (Students Kidnaap) পিছনে থাকার বিষয়ে সন্দেহ করা হয়েছে। তবে ওই দেশে খ্রিস্টান কৃষক এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম ফুলানি মিলিশিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব নাইজেরিয়ায় একটি প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের।

  • Sabarimala Gold Case: শবরীমালা মন্দিরে সোনা চুরি মামলায় বামনেতা দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন সভাপতি গ্রেফতার

    Sabarimala Gold Case: শবরীমালা মন্দিরে সোনা চুরি মামলায় বামনেতা দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন সভাপতি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) শবরীমালা মন্দিরে (Sabarimala Gold Case) সোনা চুরি মামলায় তিরুবিতামকুর দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন সভাপতি এবং সিপিএম নেতা এ পদ্মকুমারকে গ্রেফতার করেছে এসআইটি। গত ২০ নভেম্বরেই শবরীমালা সোনার প্রলেপ কেলেঙ্কারির তদন্তে পাকড়াও করা হয়েছে তাঁকে। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ষষ্ঠ অভিযুক্ত হিসেবে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এন বাসু এবং পদ্মকুমার উভয়েই গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বে ছিলেন। দরজার ফ্রেমে সোনা না দিয়ে তামার পাত ব্যবহারের মতো মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সোনা পাচার করে বড়সড় দুর্নীতি করা হয়েছে বলে এসআইটির দাবি।

    ষড়যন্ত্রের পিছনে বাসু এবং পদ্মকুমার (Sabarimala Gold Case)

    শবরীমালা মন্দিরে সোনার প্রলেপ কেলেঙ্কারিতে বাম নেতাদের নাম জড়িয়েছে। গত ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় এসআইটি একটি নোটিশ জারি করে জানিয়ে দিয়েছিল পদ্মকুমার যেন ২০ নভেম্বর তিরুবন্তপূরমে (Kerala) হাজির হন। উল্লেখ্য, এই বাম নেতা সোনা চুরি মামলায় বিতর্কিত প্রশ্ন তুলে চুরির প্রসঙ্গকে উস্কে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “যদি কিছু লোকের মধ্যে ঈশ্বরকে দেখতে পান তাহলে আমরা কি করতে পারি”। ফলে ঈশ্বর এবং মানুষের বিশ্বাসের গোড়ায় আঘাত করেছিলেন এই বাম নেতা। মন্দিরের আধ্যাত্মিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। তবে এসআইটি তদন্ত করে সাফ জানিয়েছে, গোটা সোনা চুরির (Sabarimala Gold Case) পরিকল্পনা এবং ষড়যন্ত্রের পিছনে ছিলেন বাসু এবং পদ্মকুমার উভয়েই।

    ব্যাঙ্ককের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে

    তদন্তে এসআইটি জানিয়েছে, মন্দিরে সোনার প্রলেপ দেওয়ার কাজটি তৎকালীন দেবস্বমের সম্পাদক কাটাকম্পিক সুরেন্দ্রনের পরামর্শে উন্নিকৃষ্ণন পোট্টিকেই দেওয়া হয়েছিল। এই ব্যক্তিকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল সোনার (Sabarimala Gold Case) বদলে তামার পাত ব্যবহার করেছিলেন। একই ভাবে পদ্মকুমার এবং তাঁর পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং আর্থিক রেকর্ডগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আবার উন্নিকৃষ্ণন পোট্টির বাড়িতেও ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর তথ্য জোগাড় করেছেন তদন্তকারী অফিসাররা।

    সাধারণত কমিউনিস্ট নেতারা নিজেদের নাস্তিক বলে ঘোষণা করে থাকেন। তবে দেবস্বম বোর্ডের পদে বসতে কেউ পিছিয়ে থাকেন না। এমন কি মন্দিরের নানা ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপও করে থাকেন। যদি বামপন্থীরা সত্যিই সত্যিই নাস্তিক হন তাহলে হিন্দুদের মন্দিরে নিজেদের অধিকারবোধ কেন দেখাতে আসেন? আর যদি আসেনও, তাহলেই বা কেন দুর্নীতি বা মন্দিরের সম্পত্তি চুরির মতো ষড়যন্ত্রের পিছনে থেকে নেতৃত্ব দেন কেন? এই সব প্রশ্নও তুলেছেন কেরলবাসীর একাংশ ।

  • Ramakrishna 515: “সুলক্ষণ শালগ্রাম,—বেশ চক্র থাকবে,—গোমুখী…আর সব লক্ষণ থাকবে—তাহলে ভগবানের পূজা হয়”

    Ramakrishna 515: “সুলক্ষণ শালগ্রাম,—বেশ চক্র থাকবে,—গোমুখী…আর সব লক্ষণ থাকবে—তাহলে ভগবানের পূজা হয়”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই
    পূর্বকথা—৺কাশীধামে শিব ও সোনার অন্নপূর্ণাদর্শন—
    অদ্য ব্রহ্মাণ্ডকে শালগ্রাম রূপে দর্শন

    বেলা দশটা বাজিয়াছে। ঠাকুর (Ramakrishna) ভক্তসঙ্গে কথা কহিতেছেন। মাস্টার গঙ্গাস্নান করিয়া আসিয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন ও কাছে বসিলেন।

    ঠাকুর ভাবে পূর্ণ হইয়া কত কথাই বলিতেছেন। মাঝে মাঝে অতি গুহ্য দর্শনকথা একটু একটু বলিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সেজোবাবুর সঙ্গে যখন কাশী গিয়েছিলাম, মণিকর্ণিকার ঘাটের কাছ দিয়ে আমাদের নৌকা যাচ্ছিল। হঠাৎ শিবদর্শন। আমি নৌকার ধারে এসে দাঁড়িয়ে সমাধিস্থ। মাঝিরা হৃদেকে বলতে লাগল — ‘ধর! ধর!’ পাছে পড়ে যাই। যেন জগতের যত গম্ভীর নিয়ে সেই ঘাটে দাঁড়িয়ে আছেন। প্রথমে দেখলাম দূরে দাঁড়িয়ে তারপর কাছে আসতে দেখলাম (Kathamrita), তারপর আমার ভিতরে মিলিয়ে গেলেন!

    “ভাবে দেখলাম, সন্ন্যাসী হাতে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। একটি ঠাকুরবাড়িতে ঢুকলাম — সোনার অন্নপূর্ণাদর্শন হল!

    “তিনিই এই সব হয়েছেন, — কোন কোন জিনিসে বেশি প্রকাশ।

    (মাস্টারাদির প্রতি)—“শালগ্রাম তোমরা বুঝি মান না—ইংলিশম্যানরা মানে না। তা তোমরা মানো আর নাই মানো। সুলক্ষণ শালগ্রাম,—বেশ চক্র থাকবে,—গোমুখী। আর সব লক্ষণ থাকবে—তাহলে ভগবানের পূজা হয়।”

    মাস্টার—আজ্ঞা, সুলক্ষণযুক্ত মানুষের ভিতর যেমন ঈশ্বরের বেশি প্রকাশ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna) —নরেন্দ্র আগে মনের ভুল বলত, এখন সব মানছে।

    ঈশ্বরদর্শনের কথা বলিতে বলিতে ঠাকুরের ভাবাবস্থা হইয়াছে। ভাব-সমাধিস্থ। ভক্তেরা একদৃষ্টে চুপ করিয়া দেখিতেছেন। অনেকক্ষণ পরে ভাব সম্বরণ করিলেন ও কথা কহিতে লাগিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি) — কি দেখছিলাম। ব্রহ্মাণ্ড একটি শালগ্রাম। — তার ভিতর তোমার দুটো চক্ষু দেখছিলাম(Kathamrita)!

    মাস্টার ও ভক্তেরা এই অদ্ভুত, অশ্রুতপূর্ব দর্শনকথা অবাক্‌ হইয়া শুনিতেছেন। এই সময় আর-একটি ছোকরা ভক্ত, সারদা, প্রবেশ করিলেন ও ঠাকুরকে প্রণাম করিয়া উপবেশন করিলেন।

  • Ramakrishna 514: “জল স্থির থাকলেও জল,—হেললে দুললেও জল…হেলা দোলা থেমে গেলেও সেই জল”

    Ramakrishna 514: “জল স্থির থাকলেও জল,—হেললে দুললেও জল…হেলা দোলা থেমে গেলেও সেই জল”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই

    শ্রীশ্রীরথযাত্রা দিবসে বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    মাস্টার—আমাদের সব নিচে যাওয়া উচিত ছিল।

    পূর্বকথা—আশ্বিনের ঝড়ে শ্রীরামকৃষ্ণ—৫ই অক্টোবর, ১৮৬৪ খ্রী:

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যে ঘরে বাস, তারই এই দশা! এতে আবার লোকে অহংকার। (মাস্টারকে) তোমার আশ্বিনের ঝড় মনে আছে?

    মাস্টার—আজ্ঞা (Kathamrita), হাঁ। তখন খুব কম বয়স—নয়-দশ বছর বয়স—একঘরে একলা ঠাকুরদের ডাকছিলাম!

    মাস্টার বিস্মিত হইয়া ভাবিতেছেন—ঠাকুর হঠাৎ আশ্বিনের ঝড়ের দিনের কথা জিজ্ঞাসা করিলেন কেন? আমি যে ব্যাকুল হয়ে কেঁদে একাকী একঘরে বসে ঈশ্বরকে প্রার্থনা করেছিলাম, ঠাকুর কি সব জানেন ও আমাকে মনে করাইয়া দিতেছেন? উনি কি জন্মাবধি আমাকে গুরুরূপে রক্ষা করিতেছেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—দক্ষিণেশ্বরে অনেক বেলায়—তবে কি কি রান্না হল। গাছ সব উলটে পড়েছিল! দেখ যে ঘরে বাস, তারই এ-দশা!

    “তবে পূর্ণজ্ঞান হলে মরা মারা একবোধ হয়। মলেও কিছু মরে না — মেরে ফেল্লেও কিছু মরে না যাঁরই লীলা তাঁরই নিত্য। সেই একরূপে নিত্য, একরুপে লীলা। লীলারূপ ভেঙে গেলেও নিত্য আছেই। জল স্থির থাকলেও জল,—হেললে দুললেও জল। হেলা দোলা থেমে গেলেও সেই জল।”

    ঠাকুর (Ramakrishna) বৈঠকখানা ঘরে ভক্তসঙ্গে আবার বসিয়াছেন। মহেন্দ্র মুখুজ্জে, হরিবাবু, ছোট নরেন ও অন্যান্য অনেকগুলি ছোকরা ভক্ত বসিয়া আছেন। হরিবাবু একলা একলা থাকেন ও বেদান্তচর্চা করেন। বয়স ২৩।২৮ হবে। বিবাহ করেন নাই। ঠাকুর তাহাকে বড় ভালবাসেন। সর্বদা তাঁহার কাছে যাইতে বলেন। তিনি একলা একলা থাকতে চান বলিয়া হরিবাবু ঠাকুরের কাছে অধিক যাইতে পারেন না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হরিবাবুকে) — কি গো, তুমি অনেকদিন আস নাই।

    হরিবাবুকে উপদেশ—অদ্বৈতবাদ ও বিশিষ্টাদ্বৈতবাদ—বিজ্ঞান

    “তিনি একরূপে নিত্য, একরূপে লীলা। বেদান্তে কি আছে?—ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা। কিন্তু যতক্ষণ ‘ভক্তের আমি’ রেখে দিয়েছে, ততক্ষণ লীলাও সত্য। ‘আমি’ যখন তিনি পুছে ফেলবেন, তখন যা আছে তাই আছে। মুখে বলা (Kathamrita) যায় না। যতক্ষণ ‘আমি’ রেখে দিয়েছেন, ততক্ষণ সবই নিতে হবে। কলাগাছের খোল ছাড়িয়া ছাড়িয়া মাজ পাওয়া যায়। কিন্তু খোল থাকলেই মাজ আছে। মাজ থাকলেই খোল আছে। খোলেরই মাজ, মাজেরই খোল। নিত্য বললেই লীলা আছে বুঝায়। লীলা বললেই নিত্য আছে বুঝায়।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যসচিবের ফোন থেকে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে রোজ কথা মমতার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মুখ্যসচিবের ফোন থেকে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে রোজ কথা মমতার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিবের ফোন ব্যবহার করে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের কাছে সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে ইতিমধ্যে এসআইআর-এর (SIR) কাজ চলছে আর তৃণমূলনেত্রী প্রথম থেকেই এসআইআর-এর বিরোধিতা করতে সব রকম প্রচার এবং চেষ্টা চালাচ্ছেন। কেন মনোজ পন্থের ফোন থেকে প্রতিদিন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরুণ প্রসাদকে ফোন করেন মমতা? উদ্দেশ্য কী? রীতিমতো তথ্যপ্রমাণ দিয়ে নির্বাচনী কমিশনে নালিশ শুভেন্দুর।

    ২০ মিনিট কথা অরুণ- মমতার (Suvendu Adhikari)!

    শুক্রবার শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি কমিশনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপযুক্ত প্রমাণ এবং তথ্য দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের ফোন ব্যবহার করে অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরুণ প্রসাদের সঙ্গে প্রায় প্রায়ই কথা বলেন। শেষ যে দিন বিজেপির প্রতিনিধিদল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল, সেই দিনও অরুণ ২০ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন। মমতা কোন নির্দেশ দিচ্ছেন? এর আগে এসআইআরে কর্মরত ৬৭ জন বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। কেন কমিশন কড়া পদেক্ষপ নিচ্ছে না।” শুক্রবার কমিশনের কাছে এই মর্মে প্রশ্নও তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হিন্দু শরণার্থীদের ভোটার তালিকায় তুলতে হবে

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আরও বলেন, “রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে। প্রশাসনের একাংশ শাসকদলের নির্দেশে অনুপ্রবেশকারীদের সবরকম সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয় অনুপ্রবেশকারীরা যাতে ভোটার তালিকায় নিজেদের সুরক্ষিত রেখে ভোট দিতে পারেন সেই ব্যবস্থার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তৃণমূল। হিন্দু শরণার্থীদের নাম তোলার (SIR) বিষয়ে কমিশনকে ভাবতে হবে। সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দিতে হবে।”

    তবে শুভেন্দুর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য নির্বাচন দফতরের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সূত্রের খবর রাজ্য নির্বাচন দফতর অফিসিয়ালি কিছু জানাবে না। এই সংক্রান্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে যা বলার নির্বাচন কমিশনই বলবে।

  • Assembly Election 2026: ছাব্বিশের নির্বাচনে ইভিএমের একাধিক নিয়মে বদল আনতে চলেছে কমিশন

    Assembly Election 2026: ছাব্বিশের নির্বাচনে ইভিএমের একাধিক নিয়মে বদল আনতে চলেছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর আবহের মধ্যেই ২০২৬ সালের ভোট প্রস্তুতি (Assembly Election 2026) শুরু করে দিল নির্বাচন কমিশন। ইভিএম সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বদল আনতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। ইভিএম মেশিনে এবার থেকে নির্বাচনী প্রার্থীদের নামের সঙ্গে ছবিও সংযুক্ত করা হবে। ফলে বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গ সহ অসম, তামিলনাড়ু এবং পণ্ডিচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন, তাই আগেভাগেই একাধিক নিয়ম বদলের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের জন্য সবরকম প্রস্তুতিকে খতিয়ে দেখছে কমিশন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপও গ্রহণ করবে।

    প্রার্থীর নামের পাশে ছবি (Assembly Election 2026)

    সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের একটি প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, “ইভিএমে প্রত্যেক প্রার্থীর নামের পাশে ছবি থাকবে। মেশিনে এতোদিন কেবলমাত্র নাম থাকত। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ইভিএমে নামের সঙ্গে প্রার্থীদের ছবিও থাকবে। প্রায় সময়েই দেখা যায় বিধানসভা ক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে একই নামের প্রার্থী থাকেন অনেকজন। ফলে এইরকম পরিস্থিতিতে একাধিক প্রার্থী তালিকায় নামের সঙ্গে ছবি থাকলে ভোটদাতাদের প্রার্থী নির্বাচন (Assembly Election 2026) করতে সুবিধা হবে। আর তাই নামের পাশে মেশিনে প্রার্থীদের ছবি থাকবে। প্রশিক্ষণ দেওয়ার সময় সেই ছবি দেখিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।”

    ১.৩ লক্ষের মতো ইভিএম প্রস্তুত

    কমিশন জানিয়েছে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) রাজ্যে বুথ সংখ্যা প্রায় ১৫০০০ বৃদ্ধি পাবে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বচানে পশ্চিমবঙ্গে বুথের সংখ্যা ছিল ৮০৬৮১। এবারে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৯৫০০০। ফলে আরও বেশি পরিমাণে ইভিএম মেশিন লাগবে। তবে এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত মেশিন আছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে বাংলায় কত ইভিএম? এই প্রশ্নের উত্তরে কমিশন জানায়, ব্যালট কন্ট্রোল ইউনিট, রিজার্ভ মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের জন্য তাদের হাতে আপাতত ১.৩ লক্ষের মতো ইভিএম আছে। আর ভিভিপ্যাট মেশিন আছে ১.৩৫ লক্ষআপাত ভাবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনায় কোনওরকম সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)

    এদিকে এসআইআর প্রসঙ্গে রাজ্যে তৃণমূল-বিজেপি তরজা তুঙ্গে। বাংলাদেশিদের ব্যাঙ্কের খাতায় ঢুকেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা। তা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। অপর দিকে এসআইআর-এ নথি দেখানোর ভয়ে বসিরহাটের হাকিমপুরে হাজার হাজার বাংলাদেশি বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে ভিড় জামাচ্ছে। কেউ ১ বছর কেউ বা ১০ বছর অবৈধ ভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন। ফলে রাজ্যে অনুপ্রবেশদের ভোট কমার আশঙ্কায় তৃণমূল এখন চরম চাপে।

LinkedIn
Share