Tag: madhyom news

madhyom news

  • Ramakrishna 559: “দয়া করে তাঁকে দেখবেন চলুন, এখানকার কথা কিছু শুনে নাই?”

    Ramakrishna 559: “দয়া করে তাঁকে দেখবেন চলুন, এখানকার কথা কিছু শুনে নাই?”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    নবম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৩১শে অগস্ট
    দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে জন্মাষ্টমীদিবসে ভক্তসঙ্গে
    সুবোধের আগমন—পূর্ণ মাস্টার, গঙ্গাধর, ক্ষীরোদ, নিতাই

    পত্রখানি হাতে করে মুড়ে টিপে বলিতেছেন, “অন্যের চিঠি ছুঁতে পারি না; এর বেশ ভাল চিঠি।”

    সেই রাত্রে একটু শুইয়াছেন। হঠাৎ গায়ে ঘাম শয্যা হইতে উঠিয়া বলিতেছেন (Kathamrita), “আমার বোধ হচ্ছে, এ-অসুখ সারবে না।”

    এই কথা শুনিয়া ভক্তেরা সকলেই চিন্তিত হইয়াছেন।

    শ্রীশ্রীমা (Ramakrishna) ঠাকুরের সেবা করিবার জন্য আসিয়াছেন ও অতি নিভৃতে নবতে বাস করেন। নবতে তিনি যে আছেন, ভক্তেরা প্রায় কেহ জানিতেন না। একটি ভক্ত স্ত্রীলোক (গোলাপ মা)-ও কয়দিন নবতে আছেন। তিনি ঠাকুরের ঘরে প্রায় আসেন ও দর্শন করেন।

    আজ সোমবার। ঠাকুর অসুস্থ রহিয়াছেন। রাত প্রায় আটটা হইয়াছে। ঠাকুর ছোট খাটটিতে পেছন ফিরিয়া দক্ষিণদিকে শিয়র করিয়া শুইয়া আছেন। গঙ্গাধর সন্ধ্যার পর কলিকাতা হইতে মাস্টারের সহিত আসিয়াছেন। তিনি তাঁহার চরণপ্রান্তে বসিয়া আছেন। ঠাকুর মাস্টারের সহিত কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—দুটি ছেলে এসেছিল। শঙ্কর ঘোষের নাতির ছেলে (সুবোধ) আর একটি তাদের পাড়ার ছেলে (ক্ষীরোদ)। বেশ ছেলে দুটি। তাদের বললাম, আমার এখন অসুখ, তোমার কাছে গিয়ে উপদেশ নিতে। তুমি একটু যত্ন করো।

    মাস্টার—আজ্ঞা, হাঁ, আমাদের পাড়ায় তাদের বাড়ি।

    অসুখের সূত্রপাত—ভগবান ডাক্তার—নিতাই ডাক্তার 

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সেদিন আবার গায়ে দিয়ে ঘুম ভেঙে গিছল। এ অসুখটা কি হল!

    মাস্টার—আজ্ঞা, আমরা একবার ভগবান রুদ্রকে দেখাব, ঠিক করেছি। এম. ডি. পাশ করা। খুব ভাল ডাক্তার।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কত নেবে? মাস্টার—অন্য জায়গা হলে কুড়ি-পঁচিশ টাকা নিত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— তবে থাক।

    মাস্টার—আজ্ঞা, আমরা হদ্দ চার-পাঁচ টাকা দেব।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আচ্ছা, এইরকম করে যদি একবার বলো, ‘দয়া করে তাঁকে দেখবেন চলুন।’ এখানকার কথা কিছু শুনে নাই?

    মাস্টার — বোধ হয় শুনেছে। একরকম কিছু নেবে না বলেছে তবে আমরা দেব; কেন না, তাহলে আবার আসবে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—নিতাইকে (ডাক্তার) আনো তো সে বরং ভাল। আর ডাক্তাররা এসেই বা কি করছে? কেবল টিপে বাড়িয়ে দেয়।

    রাত নয়টা — ঠাকুর একটু সুজির পায়স খাইতে বসিলেন।

    খাইতে কোন কষ্ট হইল না। তাই আনন্দ করিতে করিতে মাস্টারকে বলিতেছেন, “একটু খেতে পারলাম, মনটায় বেশ আনন্দ হল।”

  • BJP National President Election: সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচনের সূচি ঘোষণা করল বিজেপি, ফলাফল ২০ জানুয়ারি

    BJP National President Election: সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচনের সূচি ঘোষণা করল বিজেপি, ফলাফল ২০ জানুয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনতা পার্টির তরফে পরবর্তী দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচনের (BJP National President Election) আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার কথা ঘোষণা করেছে। শুক্রবার ১৬ জানুয়ারি দলের পক্ষ থেকে এই নির্বাচনের বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য কিছুদিন আগে বিজেপির পক্ষ থেকে দলের কার্যকারী সভাপতি বিহারের বিধায়ক নিতিন নবীনের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে রাজনীতির একাংশের মতে বিজেপির নতুন নির্বাচিত সভাপতি হতে চলেছেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)।

    নির্বাচনের মূল সময়সূচি (BJP National President Election)

    বিজেপির তরফে জানা গিয়েছে দলের নির্বাচনী প্রক্রিয়া (BJP National President Election) হবে নিম্নলিখিত তারিখে

    • মনোনয়ন পত্র জমা: ১৯ জানুয়ারি (দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৪টে)।
    • মনোনয়ন যাচাই: ১৯ জানুয়ারি (বিকেল ৪টে থেকে ৫টা)।
    • মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা: ১৯ জানুয়ারি (বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা)।
    • ফলাফল ঘোষণা: ২০ জানুয়ারি।

    বিজেপির জাতীয় নির্বাচন আধিকারিক কে  লক্ষ্মণ এই সূচি ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, “প্রয়োজনে ২০ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং ওই দিনই নতুন সভাপতির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। দিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে অবস্থিত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমগ্র নির্বাচন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে।”

    বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীদের উপস্থিতি

    দলীয় সূত্রে খবর, বর্তমান কার্যকরী সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin) এই পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত (BJP National President Election) হতে পারেন। তিনি বর্তমান সভাপতি জেপি নাড্ডার স্থলাভিষিক্ত হবেন। এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

    যদি নিতিন নবীন নির্বাচিত হন, তবে তিনি হবেন বিজেপির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সর্বভারতীয় সভাপতি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলের এই সিদ্ধান্ত তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্বে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। বিজেপির এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে এখন ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

  • British MP: “অত্যন্ত উদ্বেগের”! বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ব্রিটিশ সংসদে, তার মধ্যেই নতুন হিংসা

    British MP: “অত্যন্ত উদ্বেগের”! বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ব্রিটিশ সংসদে, তার মধ্যেই নতুন হিংসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে ব্রিটিশ সংসদে সরব হলেন দেশের সাংসদ (British MP) বব ব্ল্যাকম্যান। কনজারভেটিভ দলের এই সাংসদ, ব্রিটিশ সরকারের কাছে পদক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দুদের যে ভাবে খুন করা হচ্ছে, সেখানে মন্দির ভাঙা হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগের।” উল্লেখ্য বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার বিষয়টিও অত্যন্ত উদ্বেগের। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ অবাদ নির্বাচন কতটা সম্ভব তা নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক বার্তা দেন ব্রিটেনের স্টার্মার সরকারকে।

    ইসলামি কট্টরপন্থীরা গণভোটের ডাক দিয়েছে (British MP)

    ব্রিটিশ সংসদে (British MP) বব ব্ল্যাকম্যান বক্তব্য রাখার সময় বলেন, “বাংলাদেশের মানবাধিকার রক্ষা নিয়ে অত্যন্ত চিন্তাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আমি আজ বাংলাদেশের বিষয়টি উত্থাপন করতে চাই এখানে। বিদেশ সচিবকে আমার দলের নেতা এর আগেও লিখেছেন বাংলাদেশের দুর্দশা নিয়ে। রাস্তায় ফেলে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে সেখানে। তাঁদের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মন্দির ধ্বংস করা হচ্ছে। অন্যান্য সংখ্যালঘুরাও এই একই ধরনের অত্যাচারের মুখোমুখি হচ্ছে সেখানে। পরের মাসে নাকি বাংলাদেশে তথাকথিত স্বচ্ছ নির্বাচন হওয়ার কথা। তবে বাংলাদেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল, আওয়ামি লিগকে সেখানকার নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। এরই সঙ্গে ইসলামি কট্টরপন্থীরা একটি গণভোটের ডাক দিয়েছে। সেই গণভোট বাংলাদেশের সংবিধানকে চিরতরের মতো বদলে ফেলার জন্য করা হচ্ছে। এই বিষয়ে বিদেশ সচিব যেন পরের সপ্তাহে সরকারের অবস্থান ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন। আমাদের সরকার এই বিষয়ে কী করছে, তা যেন আমাদের জানানো হয়।”

    তবে ব্রিটেন সরকার বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সব রকম ভাবে যোগাযোগ রেখে চলেছে এই বিষয়েও স্পষ্ট মত প্রকাশ করে। বব ব্ল্যাকম্যান, জিম শ্যানন, জাস আথওয়াল এবং ক্রিস ল-সহ বিভিন্ন দলের ব্রিটিশ আইনসভার সদস্যরা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের নির্বাচন লড়াই করার ক্ষেত্রে জোরপূর্বক প্রতিবন্ধকতা কোনও ভাবেই কাম্য নয়।

    সিলেটে হিন্দু শিক্ষকের বাড়িতে আগুন!

    এসবের মধ্যেই বাংলাদেশে ফের হিন্দুদের ওপর আরও একটা হামলার খবর প্রকাশ্যে  এসেছে। সিলেটের গোয়াইনঘাটে এক হিন্দু শিক্ষকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা সামনে এল। ভয়াবহ ওই আগুন থেকে কোনও ভাবে প্রাণে বেঁচে যান পরিবারের সদস্যরা। তবে এই ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বাহোর গ্রামে। যাঁর বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে, তাঁর নাম বীরেন্দ্র কুমার দে। পেশায় তিনি একজন শিক্ষক। এলাকায় তিনি ‘ঝানু স্যর’ নামেই পরিচিত। প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবেই বসবাস করতেন তিনি। কারা এই অগ্নিসংযোগ করেছে, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট হয়নি। পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    ডিসেম্বর মাসেই ১০ জন হিন্দুকে হত্যা

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে কমপক্ষে ৫১টি হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে। যার সবটাই ওই দেশের সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ১০ জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যায় নিহত হয়েছেন ময়মনসিংহের দীপু চন্দ্র দাস, অমৃতা মণ্ডল। ১০টি বড় রকমের হিন্দু পরিবারের চুরি, ডাকতি লাগানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। হিন্দু পরিবারের জমিজমা দখল, বাড়ি দখল, আগুন লাগিয়ে দেওয়া, মন্দির ভাঙচুরের মতো ২৩ টি ঘটনা ঘটেছে। একই ভাবে মিথ্যা ধর্মীয় অবমাননা, র-এর গুপ্তচড়ের অভিযোগে মারধর, আটকের মতো ৪টি ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের চেষ্টা হয়েছে ৪টি। শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে তিনটি।

    লাগাতার হিন্দু হত্যা অব্যাহত!

    গত ১২ জানুয়ারিতে ফেনির (Bangladesh) সমীরকুমার দাস নামে ২৮ বছরের অটো চালককে হত্যা করা হয়। ১০ জানুয়ারি সিলেটে জয় মহাপাত্রকে খুন করা হয়। মিঠুন সরকারকে কট্টরপন্থীরা আক্রমণ করে, গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু পুকুরে নেমে ঝাপ দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। আবার ৫ জানুয়ারিতে ২ জন হিন্দুকে খুন করা হয়েছিল। ঢাকার কাছেই নরসিংদিতে ৪০ বছরের এক ব্যবসায়ী শরৎ চক্রবর্তীকে খুন করা হয়। যশোরে গুলি করে খুন করা হয় হিন্দু ব্যবসায়ী তথা সাংবাদিক রানাপ্রাতপ বৈরাগিকে। ২ জানুয়ারি খুন করা হয়েছিল সত্য রঞ্জন দাসকে। ৩ জানুয়ারি হত্যা করা হয় মিলন দাস এবং সনু দাসকে। ৩১ ডিসেম্বর নির্মম ভাবে আক্রমণ করা হয় খোকন চন্দ্র দাসকে। পরে তিনি মারা যান ৩ জানুয়ারি। ৪ জানুয়ারি হত্যা করা হয় শুভ পোদ্দারকে। বাংলাদেশে প্রতিদিন হিন্দু নির্যাতন, হত্যা, খুন, ধর্ষণ, লুটপাট এখন একটি অতি সাধারণ ঘটনা ঘটেছে।

  • PM Modi: মালদায় পৌঁছে গিয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, শনিবার ১টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মালদায় পৌঁছে গিয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, শনিবার ১টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় এসে পৌঁছে গিয়েছে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper)। উদ্বোধন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র। প্রধানমন্ত্রী কখন উদ্বোধন করবেন তা নিয়ে গোটা দেশের নজর এখন মালদার দিকে। শনিবার, ১৭ জানুয়ারি দুপুর ১টায় মালদা স্টেশন থেকে এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ট্রেনের কামরাগুলিকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Vande Bharat Sleeper)

    উদ্বোধনের একদিন আগে পৌঁছানো ট্রেনের কামরাগুলিকে খতিয়ে দেখেছেন রেলের আধিকারিকরা। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে গোটা মালদা এলাকাকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। পূর্ব রেলের ডিআরএম মনিশ কুমার জানিয়েছেন, শনিবার দুপুর ১ টার সময় সবুজ পতাকা উত্তোলন করে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের যাত্রা শুরু করবেন। ফলে এই সময়ে ট্রেনের যাত্রার আগে সবকিছুকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ট্রেন হাওড়া থেকে শুরু করে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, এবং অসমের বঙ্গাইগাঁও, কামরূপ মেট্রোপলিটন জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ

    দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে (Vande Bharat Sleeper) ঘিরে দেশবাসীর মধ্যে উত্তেজনা এখন ব্যাপক তুঙ্গে। যদিও ট্রেনের শুভ সূচনার ছাড়াও সাংগঠনিক ভাবে একাধিক কর্মসূচিও রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ভারতীয় রেলের তরফে একটি নোটিশ জারি করে বলা হয়েছে, আগামী ১৬ এবং ১৭ জানুয়ারি মালদা টাউন স্টেশনের ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাট ফর্ম সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আর তাই ১৬ জানুয়ারি ১৫টি ট্রেনকে অন্যান্য প্ল্যাট ফর্মে স্থানান্তর করা হয়েছে। একই ভাবে ১৭ জানুয়ারিও স্থানান্তর করা হয়েছে ১৫টি যাত্রীবাহী ট্রেনকে। উদ্বোধনের দিনে ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে মোট দুই হাজার মানুষকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের প্রত্যকের কাছে বিশেষ আমন্ত্রণ পত্র থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই স্টেশনকে এসপিজি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও আগেই পৌঁছে যাবেন মালদায়। সম্পূর্ণ স্টেশনকে নিরাপত্তার বিষয়টি নিজে ভালো করে ক্ষতিয়ে দেখবেন। তবে মোদি স্টেশনে ঢুকে রেলের উদ্বোধন করবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসারজ মাজি জানিয়েছেন, “আগামিকাল রেলমন্ত্রী মালদায় আসছেন ৷ আশা করছি, তারপরেই ট্রেন উদ্বোধনের চূড়ান্ত সূচি আমরা পেয়ে যাবো৷”

    সভাস্থলে দুটি মঞ্চ

    পুরাতন মালদায় ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভাকে ঘিরে দুটি মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। একটি সরকারি এবং অন্যটি দলীয় মঞ্চ হবে। সভাস্থলের পিছনে তৈরি হবে বেশ কিছু তাঁবু। প্রত্যেক দফতরের এক-একটি বিভাগ থাকবে। একটি তাঁবু রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জন্যও নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে বিশ্রামাগারও তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সভাস্থলের উপর দিয়ে যাওয়া হাইটেনশনের ইলেকট্রিক তারও খুলে দেওয়া হয়েছে।

    সভাস্থলের নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ইতিমধ্যে নিয়ে নিয়েছে এসপিজির জওয়ানরা। প্রতিটি জিনিসে স্নিফার ডগ দিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। একই ভাবে করা হচ্ছে ময়দানের প্রতিটি কোনায় কোনায়। তল্লাশি করছেন রাজ্য পুলিশের কর্মীরাও। মঞ্চের সামনে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় রাখা হয়েছে। ভিড়কে কোনও ভাবেই বাড়তে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের মানুষের উদ্দেশেও ভাষণ

    উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভাকে ঘিরে বলেন, “আগামী ১৭ তারিখ প্রধানমন্ত্রী পুরাতন মালদায় সভা করবেন ৷ মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর মিলিয়ে চারটি সাংগঠনিক জেলার মানুষজনের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি৷ অবশ্য শুধু এই চারটি সাংগঠনিক জেলাই নয়, তিনি গোটা রাজ্যের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের মানুষের উদ্দেশেও ভাষণ দেবেন ৷ তাঁর সভার জন্য প্রস্তুতি চলছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষকে নতুন বছরের উপহার দেবেন তিনি ৷ দেশের প্রথম স্লিপার ক্লাস বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন ৷ একইসঙ্গে রেলের কিছু অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি ৷ ওই অনুষ্ঠানে বেশ কিছু রেল প্রকল্প-সহ কিছু ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।”

  • Indian Rail: ট্রেনের টিকিটে জালিয়াতি রুখতে ওটিপি-ভিত্তিক বুকিং ব্যবস্থা চালু করল রেল

    Indian Rail: ট্রেনের টিকিটে জালিয়াতি রুখতে ওটিপি-ভিত্তিক বুকিং ব্যবস্থা চালু করল রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল (Indian Rail) টিকিটের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং যাত্রী নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী প্রযুক্তিগত সংস্কারের পথে হাঁটল ভারতীয় রেল। নির্দিষ্ট কিছু ট্রেনের ক্ষেত্রে এখন থেকে ওটিপি (OTP Based Ticketing) ভিত্তিক টিকিট বুকিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। মূলত জাল বুকিং প্রতিরোধ, অনুমোদনহীন এজেন্টদের দৌরাত্ম্য হ্রাস এবং রেল টিকিটের অপব্যবহার রুখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ।

    ভারতীয় রেল সূত্রে জানা গিয়েছে গত ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে এই নতুন ব্যবস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৩০০টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনে এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

    কোন পদ্ধতিতে হবে (Indian Rail)?

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রেলের টিকিট (Indian Rail) ওটিপি যাচাইকরণ ছাড়া নির্ধারিত ট্রেনগুলোর টিকিট আর ইস্যু করা হবে না। যাত্রী যখন কাউন্টার বা অনলাইনে টিকিট বুক (OTP Based Ticketing) করবেন, তখনই তার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি পাঠানো হবে। সেই ওটিপি সিস্টেমে নথিভুক্ত করার পরেই টিকিট বুকিং প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

    এমন সিদ্ধান্তের কারণ

    রেল (Indian Rail) আধিকারিকদের মতে, আগের ব্যবস্থায় অনুমোদনহীন অবৈধ এজেন্টরা প্রায়ই সাধারণ যাত্রীদের কোটা ব্যবহার করে পাইকারি হারে টিকিট বুক করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করত এবং পরে তা চড়া দামে কালোবাজারে বিক্রি হত। এখন ওটিপি ব্যবস্থার ফলে প্রতিটি টিকিট এখন সরাসরি একজন যাচাইকৃত মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, যা জালিয়াতি ও বেনামি বুকিং রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। টিকিট (OTP Based Ticketing) সঙ্কটের পরিস্থিতিও অনেকটাই হালকা হয়ে যাবে।

    প্রিমিয়াম ট্রেন

    রাজধানী, শতাব্দী এবং দুরন্ত এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনগুলোতে এই ব্যবস্থা বিশেষভাবে কার্যকর করা হয়েছে। কারণ এই ট্রেনগুলোর চাহিদা বেশি থাকায় দালালের চক্র এখানে সবথেকে বেশি সক্রিয় থাকে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    উত্তর-মধ্য রেলের (Indian Rail) মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ((OTP Based Ticketing)) শশীকান্ত ত্রিপাঠী বলেছেন, “এই ব্যবস্থাটি পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কার্যকর করা হবে। বর্তমানে ৩০০টি ট্রেনে এটি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এর ফলাফল ইতিবাচক হলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের সকল ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রেই ওটিপি বাধ্যতামূলক করা হবে। ভারতীয় রেলের এই ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়া সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি কমাবে এবং টিকিট বুকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও সুরক্ষিত করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Vande Bharat Sleeper Train: শনিবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যাত্রাপথে মিলবে বিভিন্ন রাজ্যের খাবার

    Vande Bharat Sleeper Train: শনিবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যাত্রাপথে মিলবে বিভিন্ন রাজ্যের খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ জানুয়রি বঙ্গে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন মালদা থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper Train) ট্রেনের (Indian Rail) যাত্রা সূচনা করবেন তিনি। বঙ্গে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস চালু হলেও পরবর্তীতে আরও অন্যন্য রাজ্যে চালু হবে এই ট্রেন। এই ট্রেনে বিরাট খাবারের বৈচিত্র্য পাওয়া যাবে। এই ট্রেনে উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক খাবারের স্বাদ গ্রহণ করতে পারবেন যাত্রীরা। তবে ট্রেনের (Indian Rail) খাবার, যাত্রা বা রুটের উপর নির্ভর করবে।

    ট্রেনের সেমি হাইস্পিড হবে ১৮০ কিমি (Vande Bharat Sleeper Train)

    বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসে (Vande Bharat Sleeper Train) থাকছে থ্রি টায়ার ১১টি কামরা, টু টায়ার ৪টি, ফার্স্ট ক্লাস (প্রথম শ্রেণি) এসি ১টি কামরা। মোটা যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৮২৩টি।  থ্রি টায়ারে ৬১১, টু টায়ারে ১৮৮ এবং ফার্স্ট ক্লাসে ২৪ জন যাত্রীর পরিষেবা। এই ট্রেনের সেমি হাইস্পিড হবে ১৮০ কিমি। যাত্রীদের শরীর মনের জন্য আরামদায়ক এবং নিরাপদ অত্যাধুনিক বার্থের ব্যবস্থা থাকে। যাতায়তের জন্যে স্বয়ংক্রিয় দরজার ব্যবস্থা থাকবে। কবচ সিস্টেম থাকবে এই ট্রেনে। জরুরি প্রয়োজনে রয়েছে টক-ব্যাক সিস্টেম। থাকবে সেই সঙ্গে উচ্চ মানের স্যানিটেশন যুক্ত ব্যবস্থা।

    পর্যটক মহলে ব্যাপক সাড়া

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে (Vande Bharat Sleeper Train) ভারতীয় পর্যটক মহলে বিশেষ সাড়া মিলেছে। রাজ্য এবং এলাকা ভিত্তিক খাবারের স্বাদ পাবেন বলে জানা গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “এই উদ্যোগ রেলযাত্রাকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে । বন্দে ভারত এখন শুধু আধুনিকতা বা গতির প্রতীক নয়, এটি বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এক জীবন্ত উদাহরণ । আঞ্চলিক স্বাদের সঙ্গে বন্দে ভারত যাত্রা মানেই এখন শুধু গন্তব্যে পৌঁছনো নয়, বরং ভারতের স্বাদ ও সংস্কৃতিকে হৃদয় ও জিহ্বায় দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করতে পারবে।”

    চম্পারণ চিকেন, আলু পটল ভাজার স্বাদ পাওয়া যাবে

    ভারতীয় রেল (Vande Bharat Sleeper Train) নিজের প্রয়োজন অনুসারে এবং যাত্রীদের দাবি অনুযায়ী নতুন নতুন প্রয়োগের কাজ করে থাকে। নিরাপদ যাত্রা, উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা, অধ্যাধুনিক সুব্যবস্থা এবং ঝুঁকিহীন যাত্রায় অনন্য নজির গড়েছে ভারতীয় রেল। কম সময়ে কম খরচে ভারতীয় রেলকে (Indian Rail) সকলের জন্য উপভোগ্য করে তুলতে রেল একটি আধুনিক প্রয়োগ করেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    পশ্চিমবঙ্গের সুস্বাদু মশালায় সুস্বাদু রান্না এবং ধীর আঁচে রান্নার পরিষেবা পাওয়া যাবে। রাউরকেল্লা হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে যাত্রীরা উপভোগ করতে পারবেন কষা পনির। বাংলার ঘরোয়া রান্নার স্বাদ পাওয়া যাবে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত রুটে। এখানে আলু পটল ভাজা পাওয়া যাবে। একই ভবে বিহারের পক্ষ থেকে পাটনা-রাঁচি চম্পারণ পনির এবং এবং পাটনা-হাওড়া রুটে চম্পারণ চিকেন পরিবেশন করা হবে। এই রান্না মাটির সহজ সরলতার স্বাদ বহন করবে।

    মহারাষ্ট্রের রান্না পুষ্টিকর এবং জনপ্রিয়। নাগপুর-সেকেন্দ্রবাদ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Indian Rail) যাত্রীরা পাবেন কাণ্ডা পোহা। মহারাষ্ট্রের এই ঐতিহ্যবাহী খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের বিখ্যাত অন্ধ্র কোডি কুরা এবং দোণ্ডাকায়া কারাম পোডি ফ্রাই, দক্ষিণ ভারতের ঝাল এবং তীব্র মশাল যুক্ত খাবার পরিবেশন করা হবে। সিএসএমটি মাডগাঁও বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পরিবেশিত হবে মশাল, উপমা হালকা। যাত্রীদের যাত্রাকে সুস্বাদু করতে এই রকমের খাবারের ব্যবস্থা থাকছে বন্দে ভারতে।

    কেরল এবং কাশ্মীরের খাবার পাওয়া যাবে

    কেরলের উপর দিয়ে যখন ট্রেন (Indian Rail) যাবে সেই সময় স্থানীয় সাদা ভাত, পাচাক্কাক্কা চেরুপায়ার মেঝুক্কু পেরাত্তি, কাদালা কারি, কেরলা পরোটা, সাধারণ দই, পালাডা পায়েসম ও আপ্পাম খাবার পরিষেবা দেওয়া হবে। কাসারগোড-তিরুঅনন্তপুরম এবং ম্যাঙ্গালুরু-তিরুঅনন্তপুরম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে (Vande Bharat Sleeper Train) যাত্রীরা পাবেন সম্পূর্ণ কেরলের খাবার। কাশ্মীরের যখন ট্রেন চলবে সেই সময় শ্রীমাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা-শ্রীনগর বন্দে ভারত রুটে পরিবেশিত হবে কাশ্মীরি টমেটোর চমন ও কেশর ফিরনি পরিবেশন করা হবে। চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ভারতীয় রেল বন্দে ভারত ট্রেনে (Indian Rail) আঞ্চলিক, ঐতিহ্যবাহী ও স্বাদে খাঁটি খাবার পরিবেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

  • SIR: এসআইআরের নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জানিয়ে দিল কমিশন

    SIR: এসআইআরের নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জানিয়ে দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরের (SIR) নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণ না করার কথা সিও-কে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল কমিশন। এসআইআর-এর নথি বিষয়ে নির্বাচন কমিশন রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিক সিইও মনোজ আগারওয়ালাকে শুক্রবার চিঠি দিয়ে এই বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে। যদিও কমিশন আগে ১৩টি বৈধ নথির কথা জানিয়েছিল। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধকারিকের (Election Commission) সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকেরদের আগে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এরপর প্রস্তাব দিলে কমিশন খারিজ করে দেয়।

    জন্মতারিখের তথ্য হিসেবে বৈধতা দেখাতে হবে (SIR)

    ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে কোনও ভাবেই নথি হিসেবে, জন্মতারিখের তথ্য হিসেবে বৈধতা দেওয়া হবে না। ফলে এতে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে। এসআইআর-এর অনেকেই নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা করেছেন। এখন সেই অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গৃহীত হবে না বলায় অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে কমিশন (Election Commission) ভোটারদের এই নিয়ে ১৩টি নথির মধ্যে যেকোনও একটি দেখানোর কথাই বলেছে।

    ১৩টি নথি কী কী

    সিইও দফতর (SIR) থেকে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সদর দফতরে প্রস্তাব পাঠনো হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশন বৈধ নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণ করার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে। কমিশন ঘোষিত যে ১৩টি নথির কথা বলা হয়েছে, সেগুলি হল—

    • ১) কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র, পেনশন পেমেন্ট অর্ডার
    • ২) ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের নথি
    • ৩) জন্মের শংসাপত্র
    • ৪) পাসপোর্ট
    • ৫) শিক্ষাগত শংসাপত্র
    • ৬) ডোমিসাইল শংসাপত্র
    • ৭) বনাধিকার শংসাপত্র
    • ৮) জাতিগত শংসাপত্র
    • ৯) জাতীয় নাগরিক পঞ্জিতে নাম
    • ১০) বংশলতিকার শংসাপত্র
    • ১১) সরকারের দেওয়া জমির নথি
    • ১২) আধার কার্ড
    • ১৩) বিহারের এসআইআর নথি।

    নো-ম্যাপিং এবং এনুমারেশন ফর্মে (SIR) তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য খসড়া ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের একাংশকে শুনানির জন্য ডেকেছে কমিশন। তবে শুনানির জন্য যাদের কমিশন ডেকেছে তাদের নির্ধারিত নথির মধ্যে যে কোনো একটি দেখালেই হবে।

  • Ramakrishna 558: “আমার গায়ে রোমাঞ্চ হচ্ছে! ওই আনন্দের অবস্থা ওর পরে থেকে যাবে; দেখি চিঠিখানা”

    Ramakrishna 558: “আমার গায়ে রোমাঞ্চ হচ্ছে! ওই আনন্দের অবস্থা ওর পরে থেকে যাবে; দেখি চিঠিখানা”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    নবম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৩১শে অগস্ট
    দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে জন্মাষ্টমীদিবসে ভক্তসঙ্গে
    সুবোধের আগমন — পূর্ণ মাস্টার, গঙ্গাধর, ক্ষীরোদ, নিতাই

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সেই পূর্বপরিচিত ঘরে বিশ্রাম করিতেছেন। রাত আটটা। সোমবার ১৬ই ভাদ্র, শ্রাবণ-কৃষ্ণা-ষষ্ঠী, ৩১শে অগস্ট ১৮৮৫।

    ঠাকুর অসুস্থ—গলায় অসুখের সূত্রপাত হইয়াছে। কিন্তু নিশিদিন এক চিন্তা, কিসে ভক্তদের মঙ্গল হয়। এক-একবার বালকের ন্যায় অসুখের জন্য কাতর। পরক্ষণেই সব ভুলিয়া গিয়া ঈশ্বরের প্রেমে মাতোয়ারা। আর ভক্তদের প্রতি স্নেহ ও বাৎসল্যে উন্মত্তপ্রায় (Kathamrita)।

    দুইদিন হইল—গত শনিবার রাত্রে—শ্রীযুক্ত পূর্ণ পত্র লিখিয়াছেন—‘আমার খুব আনন্দ হয়। মাঝে মাঝে রাত্রে আনন্দে ঘুম হয় না!’

    ঠাকুর (Ramakrishna) পত্রপাঠ শুনিয়া বলিয়াছিলেন, “আমার গায়ে রোমাঞ্চ হচ্ছে! ওই আনন্দের অবস্থা ওর পরে থেকে যাবে; দেখি চিঠিখানা।”

    পত্রখানি হাতে করে মুড়ে টিপে বলিতেছেন, “অন্যের চিঠি ছুঁতে পারি না; এর বেশ ভাল চিঠি।”

    সেই রাত্রে একটু শুইয়াছেন। হঠাৎ গায়ে ঘাম শয্যা হইতে উঠিয়া বলিতেছেন (Kathamrita), “আমার বোধ হচ্ছে, এ-অসুখ সারবে না।”

    এই কথা শুনিয়া ভক্তেরা সকলেই চিন্তিত হইয়াছেন।

    শ্রীশ্রীমা (Ramakrishna) ঠাকুরের সেবা করিবার জন্য আসিয়াছেন ও অতি নিভৃতে নবতে বাস করেন। নবতে তিনি যে আছেন, ভক্তেরা প্রায় কেহ জানিতেন না। একটি ভক্ত স্ত্রীলোক (গোলাপ মা)-ও কয়দিন নবতে আছেন। তিনি ঠাকুরের ঘরে প্রায় আসেন ও দর্শন করেন।

    আজ সোমবার। ঠাকুর অসুস্থ রহিয়াছেন। রাত প্রায় আটটা হইয়াছে। ঠাকুর ছোট খাটটিতে পেছন ফিরিয়া দক্ষিণদিকে শিয়র করিয়া শুইয়া আছেন। গঙ্গাধর সন্ধ্যার পর কলিকাতা হইতে মাস্টারের সহিত আসিয়াছেন। তিনি তাঁহার চরণপ্রান্তে বসিয়া আছেন। ঠাকুর মাস্টারের সহিত কথা কহিতেছেন।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ফরাক্কায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন’’, মণিরুলের দৌরাত্ম্যে জ্ঞাণেশকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ফরাক্কায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন’’, মণিরুলের দৌরাত্ম্যে জ্ঞাণেশকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফরাক্কায় (Farakka) কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন। তৃণমূল বিধায়কের আচরণে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু অধিকারী নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে কমিশনকে বলেন, “তৃণমূল নেতার মন্তব্য মহা জঙ্গলরাজের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। রাজ্যে এসআইআর আবহে তৃণমূল নেতাদের উত্তেজক ভাষণে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে।” একই ভাবে বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুর জেলার চাকুলিয়ার বিডিও অফিসে এসআইআর শুনানিতে আক্রমণ করে উন্মত্ত জনতা। কার্যত আগুন লাগিয়ে রণক্ষেত্র করে তোলে গোটা সরকারি দফতর।

    সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা প্রয়োগের দাবি (Suvendu Adhikari)

    বুধবার রাজ্যের ফরাক্কায় তৃণমূল নেতার বিরাট দৌরাত্ম্য দেখা গিয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ওইদিন সকাল থেকে বিডিও অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল বিধায়ক এবং তাঁর অনুগামীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূল নেতা মণিরুল ইসলাম স্লোগান দেন “এসআইআর মানছি না মানব না।” এরপর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। বিধায়কের নেতৃত্বে ব্যাপক ভাঙচুর চলে বিডিও অফিসে। শাসক দলের বিধায়কের নেতৃত্বে ভাঙচুরের ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলাকে ঘিরে চরম বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে অনুরোধ করে বিরোধী দলনেতা বলেন, “সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে অবিলম্বে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে রাজ্য প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে এসআইআর প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার দাবি জানাই। শুভেন্দু আরও বলেন, “ভয়মুক্ত ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এখনই কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন, না হলে গণতন্ত্রই সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে।”

    হিন্দুদের সব খোয়াতে হবে

    একই ভাবে রাজ্যে একাধিক জায়গায় (Farakka)  এসআইআর বিরোধিতার নামে  তৃণমূল শাসনের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “বর্তমানে এই রাজ্যে মমতা সরকারের তোষণনীতি চরমসীমায় পৌঁছে গিয়েছে, উদ্দেশ্যে সেই ভোটব্যাঙ্ক, কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের কুর্সি টিকিয়ে রাখতে হবে। সুতরাং এই সব জেহাদিরা রাজ্যের যেখানে যা খুশি করুক তাদের বিরুদ্ধে কোনোও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। আসলে এই সরকারটা দ্বিতীয় বাংলাদেশ সৃষ্টি করতে চায়। রাজ্যের হিন্দুদের একত্রিত হয়ে অবিলম্বে এই সরকারটাকে শিকড় সমেত উপড়ে ফেলতে হবে, না হলে এই সব ঘটনা তো ট্রেলার মাত্র, আগামী দিনে হিন্দুদের ভিটে মাটি সব এভাবে প্রশাসনের সামনেই দখল হবে, আর হিন্দুদের সব খোয়াতে হবে। বাংলাদেশ থেকে সব হারিয়ে হিন্দুরা তাদের একমাত্র হোমল্যাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন, এর পর তাঁদের ভাবতে হবে তাঁরা কোথায় যাবেন? তাই সময় থাকতে হিন্দুরা এই হিন্দু-বিরোধী মমতা সরকারকে উৎখাত করতে অবিলম্বে একত্রিত হন।”

    চাকুলিয়ায় বিজেপি অফিসে আগুন ভাঙচুর!

    একই ভাবে ফরাক্কার পরে উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ার বিডিও অফিসে ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসআইআর-এর শুনানির কাজকে ঘিরে দুষ্কৃতীরা সরকারি দফতরে ব্যাপক ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। তবে বিরোধীদের অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সড়ককে অবরোধ করে প্রথমে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তবে যাদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে তারাই এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। ইতিমধ্যে চাকুলিয়া থানার আইসিকে ব্যাপক মারধর করা হয়।

    আবার চাকুলিয়ার বিডিও-র করা অভিযোগ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টা নাগাদ বিডিও দফতরে জোর করে প্রবেশের চেষ্টা করেন প্রায় ৩০০ জন। পুলিশ প্রথমে উত্তেজিত জনতাকে আটকানোর চেষ্টা করে। এরপর দফতরের ভিতরে ঢুকে বৈদ্যুতিন যন্ত্র থেকে চেয়ার-টেবিল সব ভেঙে ফেলা হয়। প্রচুর নথি নষ্ট করা হয়। অফিসের ২০ লক্ষ টাকার জিনিস ধ্বংস করে দিয়েছে বলে বিডিও নিজে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে ইসলামপুর জেলা পুলিশের তরফে সর্তকতা জারি করা হয়েছে।

    বিভাজনের রাজনীতি মণিরুলের

    তবে ফারক্কার বিধায়ক মণিরুল উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়ে বলেন, “হিন্দুরা আমায় বলেছে, রামের নাম শুনলে বলছে আপনার কিছু লাগবেনা। আর আর রহিমের নাম শুনলে তখন চোদ্দ গুষ্ঠির খতিয়ান চাই। এই দ্বিচারিতা চলবে না। আমরা সকলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। যদি ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে গুলি খেতে হয় এই মণিরুল ইসলাম গুলি খাবেন প্রথমে।” বারাসত থেকে বাঁকুড়া সর্বত্র এক দল এস আইআরকে ঘিরে গোলমাল করছে। তবে তৃণমূলের ছোট বড় নেতাদের কমিশন বিরোধী মন্তব্য একমাত্র দায়ী বলে দাবি করেছে বিজেপি। আগামী সময়ে কমিশন এখন কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তাই এখন দেখার।

  • 10 Minute Delivery: আর নয় ‘১০ মিনিটে ডেলিভারি’, ই-কমার্স সংস্থাগুলিকে কঠোর নির্দেশ কেন্দ্রের

    10 Minute Delivery: আর নয় ‘১০ মিনিটে ডেলিভারি’, ই-কমার্স সংস্থাগুলিকে কঠোর নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেলিভারি বয়দের সুরক্ষায় এবার সক্রিয় পদেক্ষপ গ্রহণ করল কেন্দ্র। জানিয়ে দিল, আর নয় ‘১০ মিনিটে ডেলিভারি’। ব্লিঙ্কিট, জেপ্টো, সুইগি, জোম্যাটোর মতো পণ্য সরবরাহকারী সংস্থাগুলিকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক (Central Government) জানিয়েছে যে, নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিয়ে আর কোনও ভাবেই আপস নয়। তাই এখন থেকে মানতে হবে নতুন নিয়ম। ১০ মিনিটে ডেলিভারি (10 Minute Delivery) বন্ধ করতে হবে। সমস্ত ই-কমার্স বা অনলাইন পণ্য সরবরাহকারী সংস্থার কাছে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে বিশেষ নোটিস। বলা হয়েছে, অবিলম্বে অ্যাপগুলি থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে এমন বিজ্ঞাপন।

    অনেকেই পথদুর্ঘটনায় মৃত্যুর শিকার (10 Minute Delivery)

    দেশজুড়ে গিগ ওয়ার্কদের সুরক্ষা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল আগেই পড়েছে। গত ২৫ এবং ৩১ ডিসেম্বর দেশজুড়ে গিগ ও ডেলিভারি কর্মীরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন।  শুধু তাই নয়, সংসদেও এই নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় হয়েছে শাসক-বিরোধী শিবিরে। তাড়াহুড়ো করে পণ্য ডেলিভারি করতে গিয়ে লাগাতার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে চলেছে। এতো কম সময়ে দ্রুত পণ্য পৌঁছাতে গিয়ে অনেকেই পথদুর্ঘটনায় মৃত্যুর শিকার হয়েছেন। তাই এবার থেকে এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজে লাগাম টানতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)।

    ব্লিঙ্কিট ইতিমধ্যে ১০ মিনিটে ডেলিভারি (10 Minute Delivery) বন্ধ করে দিয়েছে। গিগকর্মীদের মধ্যে একটা বড় অংশ একাধিকবার দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করেছেন আগে। চাকরির নিশ্চয়তা এবং ডেলিভারির ক্ষেত্রে ১০ মিনিটে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রাকে বন্ধ করার জোরালো দাবিও তুলেছিলেন তাঁরা। রা অভিযোগ তোলেন সুরক্ষাহীন কাজের পরিবেশ, সময়ের চাপ, উপার্জন কমে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত সামাজিক সুরক্ষা না পাওয়ার বিরুদ্ধে। তাঁদের মতে, এই কাজ অত্যন্ত অমানবিক। পেশাগত কারণে এই কাজ অত্যন্ত অনৈতিক। তবে নাগরিক সামাজের মধ্যেও যদি এই ধরনের বিষয় নিয়ে আগেও একাধিকবার ব্যাপক প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছে।

    বন্ধ করতে হবে বিজ্ঞাপন

    কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয় বিভিন্ন ফুড ডেলিভারি ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে ব্লিঙ্কিট, জেপটোর মতো সংস্থাগুলিকে এই ১০ মিনিটে পরিষেবা (10 Minute Delivery) বন্ধ করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “ব্র্যান্ডিং বা প্রচারের কাজে যেন নির্দিষ্ট কোনও ডেলিভারি টাইম লিমিট ব্যবহার না করা হয়। ব্র্যান্ডিংয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমার প্রতিশ্রুতি থাকলে তা ডেলিভারি কর্মীদের ওপর চাপ বাড়াতে পারে, যা তাদের নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়ায়। বিজ্ঞাপনের ভাষাতেও এখন থেকে এই প্রচার সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করে দিতে হবে।” এই নির্দেশের পরেই কোম্পানিগুলি জানিয়েছে, ১০ মিনিটে যে গ্যারান্টি তারা দিত, সেখান থেকে তারা সরে আসছে। বিজ্ঞাপন, প্রচার বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, কোথাও আর এই সময়সীমার কথা উল্লেখ করা হবে না। ফলে, গ্রাহকরা এখন থেকে এই ধরনের পরিষেবা আর পাবেন না। সমস্ত খাবার প্রস্তুত কারক সংস্থাগুলি ইতিমধ্যে পরিষেবা বন্ধ করার পথেই তারা হাঁটছে বলে জানা গিয়েছে।

LinkedIn
Share