Tag: madhyom news

madhyom news

  • RSS Pracharak Varg: ৩১ অক্টোবর গোয়ালিয়রে শুরু হচ্ছে আরএসএসের প্রচারক বর্গ, জানালেন সুনীল আম্বেকর

    RSS Pracharak Varg: ৩১ অক্টোবর গোয়ালিয়রে শুরু হচ্ছে আরএসএসের প্রচারক বর্গ, জানালেন সুনীল আম্বেকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে শুরু হতে চলেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রচারক বর্গ (RSS Pracharak Varg)। সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন আরএসএসের সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ শ্রী সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। তিনি জানিয়েছেন, প্রচারক বর্গ (RSS Pracharak Varg) শুরু হবে দীপাবলির দিন থেকে এবং চলবে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, সারা দেশ থেকে মোট ৫৫৪ জন প্রচারক এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। প্রসঙ্গত, প্রচারক বর্গ অনুষ্ঠিত হয় প্রতি চার-পাঁচ বছর অন্তর। ২০২৫ সালেই আরএসএস শতবর্ষে পা রাখতে চলেছে। তার আগে এমন প্রচারক বর্গ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সঙ্ঘ সূত্রে জানা গিয়েছে, সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে এবং অন্যান্য সহকার্যবাহ ও সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় স্তরের পদাধিকারীরা এই বৈঠকে যোগদান করবেন।

    কোন কোন বিষয়ে আলোচনা (RSS Pracharak Varg)?

    বৈঠকে শ্রমিক, কৃষক, ছাত্রদের বিভিন্ন ইস্যু উঠে আসবে। এছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয়, অর্থনৈতিক, গ্রামীণ সমস্যা নিয়েও আলোচনা হবে। এর পাশাপাশি ওই বৈঠকে সমাজ জীবনের প্রয়োজনীয় কাজগুলি সম্পর্কেও আলোচনা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। জাতীয় স্তরের নানা ইস্যু এবং সামাজিক ইস্যুও বৈঠকে উঠে আসবে বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকে (RSS Pracharak Varg) আলোচনা হবে আত্মনির্ভরতা, দেশের নিরাপত্তা, জৈব কৃষি, জল সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা সমেত আরও অন্যান্য ইসুতে।

    মথুরায় সঙ্ঘের কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠক শেষ হয়েছে গতকাল শনিবার 

    মথুরায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় কার্যকরী মণ্ডলের দুদিনের বৈঠক সমাপ্ত হয় গতকাল শনিবার ২৬ অক্টোবর। শুক্রবার ২৫ অক্টোবর এই বৈঠকের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক ডক্টর মোহন ভাগবত। মথুরার পারখম গ্রামের দীনদয়াল গাভী বিজ্ঞান গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নবধা অডিটোরিয়ামে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সঙ্ঘের ১১টি ক্ষেত্র এবং ৪৬টি প্রদেশ থেকে মোট ৩৯৩ জন এই বৈঠকে অংশ নেন। জম্মু ও কাশ্মীর, কেরল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অরুণাচল, মণিপুর, ত্রিপুরা থেকেও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। আগামী মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে পরিকল্পনা করা হয় বৈঠকে। সরসঙ্ঘচালক ডক্টর মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে এবং সহ সরকার্যবাহ ডক্টর কৃষ্ণ গোপাল, শ্রী মুকুন্দ, অরুণ কুমার, রামদত্ত চক্রধর, অলোক কুমার, অতুল লিমায়ে হাজির ছিলেন বৈঠকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শনিবার রাতেই কলকাতায় শাহ, আজ সূচনা করবেন বিজেপি’র ‘সদস্যতা অভিযান’-এর

    Amit Shah: শনিবার রাতেই কলকাতায় শাহ, আজ সূচনা করবেন বিজেপি’র ‘সদস্যতা অভিযান’-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতেই কলকাতায় পা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। আজ রবিবার সকালে কল্যাণীতে বিএসএফের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এরপর দুপুরে সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন। বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘সারা দেশে বিজেপির সদস্যতা ১০ কোটিতে পৌঁছে গিয়েছে। বাংলাতে রবিবার সদস্যতার শুরু করতেই হাজির হয়েছেন অমিত শাহ। রাজনৈতিক কারণেই পশ্চিমবঙ্গে সদস্যতা অভিযান দেরিতে শুরু হচ্ছে।’’ জানা গিয়েছে, সমস্ত কর্মসূচি শেষ করে রাজারহাটের হোটেলে ফিরে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন শাহ। এরপর ফের কলকাতা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

    রবিবার সন্ধ্যাতেই দিল্লি পৌঁছবে শাহের (Amit Shah) বিমান

    রবিবার সন্ধ্যাতেই দিল্লি পৌঁছবে শাহের (Amit Shah) বিমান। প্রসঙ্গত, গত বুধবার ২৪ অক্টোবর, রাজ্য সফরে আসার কথা ছিল শাহের। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় দানার কারণে তাঁর সেই সফর স্থগিত হয়ে যায়। রাজ্য বিজেপি (WB Bjp) সেই সময় জানিয়েছিল, অমিত শাহের সফর বাতিল হয়নি। কিছু দিনের জন্য স্থগিত হয়েছে মাত্র।

    সাক্ষাৎ হতে পারে নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে

    অন্যদিকে, শাহের (Amit Shah) সঙ্গে এদিন নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সাক্ষাৎ হতে পারেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে কখন-কোথায় এই সাক্ষাৎ হবে , তা নিয়ে রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে কিছু জানা যায়নি। সম্প্রতি, অমিত শাহের সাক্ষাৎ চেয়ে তাঁকে ইমেইল করেছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। তার পর বিজেপির (WB Bjp) শীর্ষ নেতৃত্ব বিষয়টি নিয়ে এগোতে থাকে। বরাবরই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে, সিবিআইয়ের প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে নির্যাতিতার বাবা-মাকে। সেই আবহে আজ রবিবার যদি শাহের সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়, আলোচনায় কী কী ইস্যু উঠে আসবে সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।

    বৃষ্টির জল জমে মাঠে, বাতিল আরামবাগের অনুষ্ঠান

    আরামবাগে সমবায় কর্মসূচিতে কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার একটি অনুষ্ঠান ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Union Home Minister)। ঠিক হয়েছিল আরামবাগেই মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তিনি। এরপর আরামবাগ থেকে কলকাতায় আসার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। কিন্তু, বৃষ্টির কারণে আরামবাগের মাঠে জল জমে গিয়েছে। সেই মাঠে শাহের চপার নামতে পারবে না। তাই আরামবাগের কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কল্যাণী থেকে সরাসরি কলকাতায় আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। তারপর যোগ দেবেন সল্টলেকের ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টারে (ইজেডসিসি) দলীয় কর্মসূচিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: মা তাঁর ভয়ঙ্কর রূপ দেখিয়েছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপাকে! জানুন তারাপীঠের মাহাত্ম্যকথা

    Kali Puja 2024: মা তাঁর ভয়ঙ্কর রূপ দেখিয়েছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপাকে! জানুন তারাপীঠের মাহাত্ম্যকথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শক্তিপীঠ, সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ (Tarapith)। কালীপুজোয় (Kali Puja 2024) জমজমাট থাকে বীরভূমের তারাপীঠ। অনেকে ভাবেন এটি সতীপীঠ কিন্তু তারাপীঠ সতীপীঠ নয়। কথিত আছে, একবার দেবীর মাতৃরূপ দর্শন চান বশিষ্ঠ মুনি৷ দেবীও নিরাশ করেননি৷ এখানেই তাঁকে মাতৃরূপে দর্শন দেন দেবী। এখানেই তপস্যা করে সিদ্ধিলাভ করেন তারামায়ের ভক্ত বামাক্ষ্যাপা। ফলে এটি সিদ্ধপীঠ হিসেবেও পরিচিত। তাই অমাবস্যায় রীতি মেনে পুজো হয় এখানেও।

    কালীপুজোয় কেমন হয় তারামায়ের ভোগ (Kali Puja 2024)?

    সকালে স্নানের পর (Tarapith) দেবীর শিলাব্রহ্মময়ী মূর্তিকে রাজবেশে সাজিয়ে তোলা হয়। পরানো হয় চুনরি। এরপর পঞ্চ উপাচারে মঙ্গলারতি এবং নিত্যপুজো সম্পন্ন হয়। কালীপুজোর (Kali Puja 2024) দিন খুব সকালে ডাবের জল দিয়ে শুরু হয় মায়ের ভোগ। সকালের ভোগে থাকে পাঁচ রকম বা ন’রকমের ভাজা, সাদা অন্ন, পায়েস ও মিষ্টি। এখানে মাকে পঞ্চব্যঞ্জন সহযোগে ভোগ নিবেদন করা হয়৷ আমিষ ভোগের মূল উপাদান হল শোল মাছ। ভোগের পাতে এই মাছ না থাকলে ভোগ গ্রহণ করেন না মা তারা। কালীপুজোর দিন ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা।

    সন্তানকে না খাইয়ে ভোগ গ্রহণ করেন না তারা মা

    দীপান্বিতা (Kali Puja 2024) অমাবস্যা উপলক্ষ্যে নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে হয় বিশেষ সন্ধ্যারতি। এরপর নিবেদন করা হয় লুচি, পায়েস, সুজি দিয়ে শীতল ভোগ। তারামায়ের যেভাবে ভোগ পুজো হয়, সেই একই ভাবে পুজো করা হয় শ্মশান কালীকে। শ্মশানেই রয়েছে মায়ের আসল শিলা পাদুকা। তার পাশে বামদেবের সমাধি। তারাপীঠের নিয়ম অনুযায়ী, সন্তানকে খাইয়ে তবেই তারা মা ভোগ গ্রহণ করেন। তাই বামদেবের ভোগ আগে দেওয়া হয়। ভোগের তালিকায় রয়েছে প্রেত ভোগও। ডাকিনী-যোগিনীদের উদ্দেশে দেওয়া এই ভোগ শ্মশানেই দেওয়া হয়। রাতে এক বারই এই ভোগের আয়োজন থাকে। বামদেবের খুব প্রিয় কুকুর ছিল শিবা। তার জন্যও থাকে বিশেষ ভোগের আয়োজন।

    তারা মা ভয়ঙ্কর রূপ দেখান সাধক বামাক্ষ্যাপাকে

    বামাক্ষ্যাপা শৈশবেই গৃহত্যাগ করে কৈলাশপতি বাবা নামে এক সন্ন্যাসীর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন। কৈলাশপতি বাবা তারাপীঠে থাকতেন। বামাক্ষ্যাপা তারাপীঠের (Kali Puja 2024) দ্বারকা নদের তীরে যোগ ও তন্ত্রসাধনা করেন। নিকটবর্তী মল্লরাজাদের মন্দিরময় গ্রাম মালুটি যা ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত, সেখানে যোগ সাধনা করতে যান। একই ভাবে দ্বারকার তীরে মৌলাক্ষী দেবীর মন্দিরে সাধনাকালে প্রায় ১৮ মাস অবস্থান করেন। এরপর নিজে ধর্মীয় গুরু হয়ে ওঠেন। ভক্তরাও বিশ্বাস করেন তিনি অলৌকিক শক্তির অধিকারী। তবে বাঁধাধরা নিয়ম কানুন মানতেন না তিনি। দেবতার নৈবেদ্য থেকে প্রসাদ খেয়ে নিতেন পুজোর আগেই। কথিত আছে নাটোরের মহারানিকে স্বপ্নে দেবী তারা মা আদেশ দিয়েছিলেন। তাতে বলা হয়, বামাকে যেন আগে প্রসাদ খাওয়ানো হয়। এরপর থেকে বামাক্ষ্যাপাকে পুজোর আগেই মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। আরও কথিত হয়, দেবী তারা মা তাঁর ভয়ঙ্কর রূপ দেখান সাধক বামাক্ষ্যাপাকে এবং সেই সময় তাঁকে কোলে তুলে নেন মা। এই তারাপীঠ শ্মশান এবং দুমকা জেলার মালুটি গ্রামে সাধাক বামাক্ষ্যাপার স্মৃতিমন্দির স্থাপন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Board: গ্রামের ১২০০ একর জমিই নাকি ওয়াকফ সম্পত্তি! কর্নাটক সরকারের নোটিশ ঘিরে বিতর্ক

    Waqf Board: গ্রামের ১২০০ একর জমিই নাকি ওয়াকফ সম্পত্তি! কর্নাটক সরকারের নোটিশ ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের বিজয়পুরা জেলার ১২০০ একর জমি নাকি ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) অন্তর্গত! এ নিয়েই বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর কর্নাটক সরকার নোটিশ পাঠায় স্থানীয় কৃষকদের, যা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এমন নোটিশ পাওয়ার পরেই স্থানীয় কৃষকরা কর্নাটক সরকারের মন্ত্রী এমবি পাতিলের কাছে পিটিশন জমা দেন এবং ওই জমি নিজেদের বলেই দাবি করেন চাষীরা (Farmers Protest)। জানা গিয়েছে, জমিগুলির অবস্থান হল কর্নাটকের, বিজয়পুরা জেলার তিকোটা তালুকের হোনওয়াদা গ্রামে। কৃষকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এই জমি তাঁদের অধিকারে রয়েছে। এমন নোটিশ পাওয়ার পর তাঁরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তাঁরা আরও দাবি করেছেন যে, ওয়াকফ বোর্ড ওই ১,২০০ একর জমিকে তাদেরই একটি প্রতিষ্ঠান শাহ আমিনুদ্দিন দরগার জমি বলে নোটিশে (Waqf Board) উল্লেখ করেছেন। শুধু তাই নয়, কংগ্রেস সরকারের তহসিলদার নোটিশে জানিয়েছে যে, পুরনো সরকারি নথি ঘেঁটে জানা গিয়েছে, ওই জমিগুলি আসলে ওয়াকফ বোর্ডের।

    কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার ও ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) বৈঠক  

    কর্নাটক রাজ্যের কিছু সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের আবাসন ওয়াকফ ও সংখ্যালঘু দফতরের মন্ত্রী জমির আহমেদ খান, চলতি মাসেই ওয়াকফের জমি নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন, সেই বৈঠকেই নাকি আলোচনা হয়েছে ওয়াকফ বোর্ডের জমি থেকে অবৈধ দখল অপসারণ করা হবে। যার ফলেই এমন বিতর্কিত নোটিশ জারি করেছে কংগ্রেস সরকার।

    ৪১ জন কৃষককে নোটিশ, হুঁশিয়ারি চাষীদের (Farmers Protest)

    নোটিশ পাওয়ার পরে চাষীরা জানিয়েছেন যে, জমিটি শাহ আমিনুদ্দিন দরগার বলে দাবি করা হচ্ছে বটে। কিন্তু এই দরগার কয়েকশো বছর ধরে অস্তিত্ব নেই এবং কৃষক পরিবারগুলি কয়েক পুরুষ ধরে এই জমির মালিকানা ভোগ করছেন। প্রসঙ্গত, ওই গ্রামের ৪১ জন কৃষককে এই নোটিশ পাঠিয়ে জমির মালিকানা সংক্রান্ত যাবতীয় নথি সরকারি অফিসে জমা দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে কৃষকরা বলছেন, ‘‘আমরাই তো জমির আসল মালিক। যদি সরকার এই নোটিশ প্রত্যাহার না করে, তাহলে ব্যাপক কৃষক আন্দোলন গড়ে উঠবে।’’ হোনওয়াদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান শঙ্করাপ্পা টুডিগাল এ বিষয়ে জানিয়েছেন যে, তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে প্রস্তুত।

    কী বলছেন ওয়াকফ বোর্ডের আধিকারিকরা

    অন্যদিকে, ওয়াকফ বোর্ডের আধিকারিকদের দাবি, ১৯৭৪ সালে যে গেজেট ঘোষণা করা হয়েছিল, তার ওপর ভিত্তি করেই নোটিশগুলি পাঠানো হয়েছে এবং জমিটি রাজ্য সরকার বর্তমানে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবেই চিহ্নিত করেছে। তবে ওয়াকফ বোর্ডের আধিকারিকরা স্বীকার করছেন যে, কিছু নোটিশ ভুলবশত কৃষকদের পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিজয়পুরা ওয়াকফ বোর্ডের একজন আধিকারিক তাবাসসুম জানিয়েছেন, যদি কৃষকরা তাঁদের জমির বৈধ রেকর্ড দেখাতে পারেন, তবে ওয়াকফ বোর্ড সেই জমির ক্ষেত্রে কোনও রকমের পদক্ষেপ করবে না।

    কৃষকদের শান্ত থাকার আহ্বান কংগ্রেসের মন্ত্রীর

    কিন্তু বিজয়পুরা জেলার স্থানীয় কৃষকরা একেবারেই নাছোড়বান্দা। তাঁরা সরকারকে ক্রমাগত বিক্ষোভ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েই চলেছেন। একইসঙ্গে তাঁরা জোরালো দাবি করছেন, সমস্যার সমাধান খুব দ্রুততার সঙ্গে করতে হবে। শুধু তাই নয়, গ্রামের ওই ৪১ জন কৃষক বাদে অন্যান্য চাষিরাও যথেষ্ট উদ্বেগে রয়েছেন। বাকি চাষীরা আশঙ্কিত যে কোনও সময় তাঁরাও নোটিশ পেতে পারেন এবং একই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। হোনওয়াদা গ্রামের কৃষকরা দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন, তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। পরিস্থিতি এতটাই জটিল তৈরি হয়েছে যে কর্নাটকের মন্ত্রী এমবি পাতিল নিজের সমাজ মাধ্যমের পাতায়, বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেছেন। তিনি কৃষকদের আশ্বাস দিয়েছেন, ওয়াকফ বোর্ডের সঙ্গে যা সম্পর্কিত নয় এমন কোনও ব্যক্তিগত জমি বা সম্পত্তিকে সরকার অধিগ্রহণ করবে না। এর পাশাপাশি মন্ত্রী ওই পোস্টে আরও বলেছেন, ‘‘যদি কোনও জমি ভুল ভাবে ওয়াকফ সম্পত্তি (Waqf Board)  হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে, তা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’’ মন্ত্রী জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তিনি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন এবং কৃষকদের সমস্যার সমাধানের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। কৃষকদেরকে শান্ত থাকতেও আবেদন করেছেন এমবি পাতিল।

    বিজেপির তোপ কংগ্রসকে

    অন্যদিকে, কর্নাটকের বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে যে এই সরকার কৃষক বিরোধী এবং ওয়াকফ বোর্ডের পদক্ষেপকেই সমর্থন করছে। কন্নড় ভাষায় একটি এক্স হ্যান্ডেলের পোস্ট রাজ্য বিজেপির অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে এবং সেখানে বলা হয়েছে, ‘‘কংগ্রেস সরকারের অনুপ্রেরণায় ওয়াকফ বোর্ড এখন কৃষকদের জমি দখল করার চেষ্টা করছে। এটা তোষণের রাজনীতি ছাড়া কিছুই নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 175: “মনের গুণে হনুমান সমুদ্র পার হয়ে গেল, আমি রামের দাস, রামনাম করেছি, আমি কি না পারি!”

    Ramakrishna 175: “মনের গুণে হনুমান সমুদ্র পার হয়ে গেল, আমি রামের দাস, রামনাম করেছি, আমি কি না পারি!”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    ষোড়শ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৮ই এপ্রিল
    দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণ ও ব্রাহ্মগণ—প্রেমতত্ত্ব

    নাম-মাহাত্ম্য—উপায়—মায়ের নাম 

    আন্তরিক ভক্তি ও দেখানো ভক্তি—ঈশ্বর মন দেখেন 

    যেমন ভাব তেমনি লাভ। দুজন বন্ধু পথে যাচ্ছে। এক যায়গায় ভাগবত পাঠ হচ্ছিল। একজন বন্ধু বললে, ‘এস ভাই, একটু ভাগবত শুনি।’ আর-একজন একটু উঁকি মেরে দেখল। তারপর সে সেখান থেকে চলে গিয়ে বেশ্যালয়ে গেল। সেখানে খানিকক্ষণ পরে তার মনে বড় বিরক্তি এল। সে আপনা-আপনি বলতে লাগল, ‘ধিক্‌ আমাকে! বন্ধু আমার হরি কথা শুনছে, আর আমি কোথায় পড়ে আছি!’ এদিকে যে ভাগবত (Ramakrishna) শুনছে, তারও ধিক্কার হয়েছে। সে ভাবছে, ‘আমি কি বোকা! কি ব্যাড় ব্যাড় করে বকছে, আর আমি এখানে বসে আছি! বন্ধু আমার কেমন আমোদ-আহ্লাদ করছে।’ এরা যখন মরে গেল, যে ভাগবত শুনেছিল, তাকে যমদূত নিয়ে গেল; যে বেশ্যালয়ে গিছিল, তাকে বিষ্ণুদূত বৈকুণ্ঠে নিয়ে গেল।

    ভগবান (Kathamrita) মন দেখেন। কে কি কাজে আছে, কে কোথায় পড়ে আছে তা দেখেন না। ভাবগ্রাহী জনার্দন।

    কর্তাভজারা মন্ত্র দিবার সময় বলে এখন ‘মন তোর’। অর্থাৎ এখন সব তোর মনের উপর নির্ভর করছে।

    তারা বলে, যার ঠিক মন, তার ঠিক করণ, তার ঠিক লাভ।

    মনের গুণে হনুমান সমুদ্র পার হয়ে গেল। আমি রামের দাস, আমি রামনাম (Ramakrishna) করেছি, আমি কি না পারি!’ এই বিশ্বাস

    কেন ঈশ্বরদর্শন হয় না? অহংবুদ্ধির জন্য 

    যতক্ষণ অহংকার ততক্ষণ অজ্ঞান। অহংকার থাকতে মুক্তি নাই।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: মা কালী কোথাও পূজিতা হন শ্মশানবাসিনী রূপে, কোথাও চামুণ্ডারূপে! জানুন সেই ৭টি রূপ

    Kali Puja 2024: মা কালী কোথাও পূজিতা হন শ্মশানবাসিনী রূপে, কোথাও চামুণ্ডারূপে! জানুন সেই ৭টি রূপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো-লক্ষ্মীপুজোর পর বাঙালি এবার মেতে উঠবে কালী আরাধনায় (Kali Puja 2024)। সারা বছর ধরেই কালীপুজো বাংলা জুড়ে দেখা যায়। তবে দুর্গাপুজোর পরে অনুষ্ঠিত হওয়া কালীপুজো সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। হাতে গোনা আর মাত্র ক’টা দিন। তার পরেই কালীপুজো (Kali Puja)। আচার-উপাচার মেনে দেবী কোথাও পূজিতা হবেন শ্মশানবাসিনী রূপে, কোথাও আবার চামুণ্ডারূপে। কোথাও দেবী শ্যামবর্ণা, কোথাও তাঁর গায়ের রং নীল। আজকে আমাদের প্রতিবেদনে রইল দেবীর ৭ রূপের বর্ণনা।

    দেবী কালীর (Kali Puja 2024) ৭ রূপের বর্ণনা

    শ্মশান কালী-ডাকাতদের কালী (Kali Puja 2024) পুজোর গল্প তো আমরা সকলেই জানি। রঘু ডাকাত থেকে কালু ডাকাত-সকলেই নাকি কালীপুজো করে ডাকাতি করতে যেতেন। দেবীর গায়ের রং হয় একেবারে কালো কুচকুচে। ভয়ঙ্কর হয় চোখ। তবে গৃহস্থের বাড়িতে কালীর এই রূপের পুজো হয় না একেবারেই। দেবীকে অনেকে ডাকাত কালীও বলে থাকেন। মূলত শ্মশানেই দেবীর এই রূপের পুজো করা হয়।

    সিদ্ধকালী-শাস্ত্রবিদরা জানাচ্ছেন, দেবীর (Kali Puja) এই রূপ ভুবনেশ্বরী নামেও পরিচিত। তবে গৃহস্থ বাড়িতে কালীর এই রূপের পুজোর চল একেবারেই নেই। সাধারণত সাধকেরা দেবী কালীর এই রূপের পুজো করে থাকেন। সিদ্ধকালীর দু’টি হাত থাকে, গোটা শরীর গয়নার অলঙ্কারে সাজানো থাকে। দেবীর ডান পা থাকে শিবের বুকে এবং বাঁ পা থাকে তাঁর দু’পায়ের মাঝখানে।

    মহাকালী-দেবীর এই রূপ প্রচলিত কালী মূর্তির থেকে অনেকটাই আলাদা। এই রূপে দশটি মাথা, দশটি হাত এবং দশটি পা থাকে। মহাকালীর প্রতিমার সঙ্গে শিবকে দেখা যায় না। দশভূজা দেবীর প্রতিটি হাতেই থাকে অস্ত্র। দেবীর পায়ের তলায় অসুরের কাটা মুণ্ড দেখা যায়। মহাকালীর পুজো গৃহস্থ বাড়িতে করা হয় না।

    শ্রী কালী-দেবী দুর্গা বা পার্বতীর অন্য একটি রূপ হল শ্রী কালী। অনেকে বলেন, দেবী দারুক নামে অসুরকে বধ করেছিলেন বলেই এমন নামকরণ। পুরাণ অনুয়ায়ী জানা যায়, কালীর এই রূপ মহাদেবের কণ্ঠে প্রবেশ করে ও শিবের কণ্ঠের বিষে কৃষ্ণবর্ণা হয়ে যান। 

    চামুণ্ডা কালী-দেবী চামুণ্ডাকে আদিশক্তি রূপে আরাধনা করা হয়। ভগবতী দুর্গা রূপেও তিনি আরাধিত হন। চণ্ড ও মুণ্ড নামে দুই অসুরকে হত্যা করে তিনি ‘চামুণ্ডা’ নামে পরিচিত হন।

    ভদ্রকালী-কালীর এই রূপ সাধারণত বারোয়ারি বিভিন্ন মন্দিরে পুজো করা হয়। ভদ্রকালী নামে ভদ্র শব্দটি ব্যবহার হয়েছে কল্যাণ অর্থে এবং কালী শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে জীবনের শেষ সময় বোঝাতে।

    দক্ষিণা কালী-এই রূপেই সবচেয়ে বেশি পূজিতা হন দেবী কালিকা (Kali Puja 2024)। এই রূপে দেবীর সঙ্গে থাকেন মহাদেব স্বয়ং। দেবীর গায়ের রং একেবারে কালচে নীল। গলায় ঝোলানো থাকে মুণ্ডমালা। দেবীর চার হাত। দুই হাতে থাকে খড়্গ আর মুণ্ড। অন্য দুই হাতে দেখা যায় অভয় মুদ্রা ও বরদা মুদ্রায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Spurious Drugs: প্যান-ডি সহ চারটি ওষুধ জাল! আরও ৪৯টির গুণমান খারাপ, ঘোষণা কেন্দ্রীয় সংস্থার

    Spurious Drugs: প্যান-ডি সহ চারটি ওষুধ জাল! আরও ৪৯টির গুণমান খারাপ, ঘোষণা কেন্দ্রীয় সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চারটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধকে জাল (Spurious Drugs) বলে ঘোষণা করল সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (CDSCO)। শুক্রবারই কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফ থেকে তাদের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই ওষুধগুলির মধ্যে রয়েছে, বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টাসিড প্যান-ডি, ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট শেলক্যাল-৫০০, ডেকাডুরাবোলিন-২৫ ইনজেকশন ও ইউরিম্যাক্স ডি। বাজারে যে সমস্ত ওষুধ রয়েছে সেগুলির গুণগত মান যাচাই করার জন্য প্রতি মাসে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেন CDSCO-র আধিকারিকরা। গত মাসেই গুণমান পরীক্ষায় ফেল করে ওষুধগুলি। এরপরে শুক্রবারই জাল বলে ঘোষণা করা হয় ওষুধগুলিকে।

    ৪৯টি ওষুধের গুণগত মান ঠিক নেই

    সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে আরও ৪৯টি ওষুধের গুণগত মান ঠিক নেই বলে জানিয়েছে সিডিএসসিও। এই তালিকায় রয়েছে – ভিটামিন সি, ডি৩ ট্যাবলেট, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি সফটজেল, প্যারাসিটামল, ডায়াবেটিসের ওষুধ গ্লিমেপিরিড এবং রক্তচাপের ওষুধ টেলমিসার্টান। এর আগের প্রকাশিত রিপোর্টে ৫৩টি ওষুধের গুণগত মান ঠিক নেই বলে জানিয়েছিল এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। এরমধ্যেই ছিল অ্যান্টাসিড প্যান-৪০, অ্যান্টিবায়োটিক ক্ল্যাভাম- ৬২৫। এই দুই ওষুধই অ্যালকেম তৈরি করে। একইসঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক সিপ্রোডাক ৫০০ ও মনোসেফও ছিল। এই ওষুধগুলি তৈরি করে ক্যাডিলা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং অ্যারিস্টো ফার্মাসিউটিক্যালস। অন্যদিকে অ্যালকেমের দাবি, তাদের কোম্পানি গুণগতমান ঠিক রেখেই ওষুধ উৎপাদন করে। তারা আরও জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে খুব তাড়াতাড়ি আলোচনায় বসবে তারা।

    বহুল ব্যবহৃত প্যান-ডি জাল (Spurious Drugs) প্রমাণিত হওয়ায় অনেক প্রশ্ন উঠছে

    প্রসঙ্গত, গ্যাসের সমস্যায় যে সমস্ত মানুষ ভোগেন তাঁরা অনেকেই বিভিন্ন সময় ভরসাযোগ্য ওষুধ হিসেবে প্যান-ডি (Spurious Drugs) খান চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে। কমবেশি সকলেই এতদিন ব্যবহার করেছেন এই ওষুধ। বহুল ব্যবহৃত এই ওষুধ জাল প্রমাণিত হওয়ায়, অনেক প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে। তবে কি এতদিন জাল ওষুধেই রোগ নিরাময়ের জন্য ভরসা করা হত? এমন প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ। একই প্রশ্ন, অ্যান্টিবায়োটিক ক্ল্যাভাম-৬২৫ নিয়েও। প্রস্তুতকারী এক সংস্থার তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, যে সমস্ত ব্যাচের ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে সেগুলি তাঁদের তৈরি নয় এবং সেগুলি জাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: আজ কলকাতায় আসছেন শাহ, রবিতে রাজ্য সদস্য সংগ্রহ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সূচনা

    Amit Shah: আজ কলকাতায় আসছেন শাহ, রবিতে রাজ্য সদস্য সংগ্রহ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বৃহস্পতিবার ২৪ অক্টোবর রাজ্যে পা রাখার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। কিন্তু, ঘূর্ণিঝড় দানার কারণে সেই সফর তখনকার মতো স্থগিত হয়ে যায়। আজ, শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে কলকাতায় পা রাখছেন অমিত শাহ। রবিবারই রাজ্যের একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেবেন তিনি। রয়েছে সরকারি কর্মসূচিও। একইসঙ্গে বাংলায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সূচনাও করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। তবে বৃষ্টিতে মাঠে জল জমে যাওয়ায় আরামবাগে তাঁর একটি সরকারি কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।

    শনিবার রাতে পা রাখবেন (Amit Shah) কলকাতায়

    শনিবার রাত ১০টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমান। এদিন রাতে নিউটাউনের একটি হোটেলে রাতে থাকবেন তিনি। আগামিকাল, অর্থাৎ রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হেলিকপ্টার পৌঁছবে নদিয়ার কল্যাণীতে। সেখানে বিএসএফের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, পেট্রাপোলে মৈত্রীদ্বারের উদ্বোধন করবেন তিনি।

    রবিবার কল্যাণীতে যোগ দেবেন সরকারি অনুষ্ঠানে

    কল্যাণী থেকে দুপুর একটা নাগাদ অমিত শাহের পৌঁছানোর কথা ছিল হুগলির আরামবাগে। সেখানে একটি সরকারি কর্মসূচি ছিল। সরকারি ওই সমবায় কর্মসূচিতে কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার অনুষ্ঠান ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Union Home Minister)। ঠিক হয়েছিল আরামবাগেই মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তিনি। এরপর আরামবাগ থেকে কলকাতায় আসার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। কিন্তু, বৃষ্টির কারণে আরামবাগের মাঠে জল জেমে গিয়েছে। সেই মাঠে শাহের চপার নামতে পারবে না। তাই আরামবাগের কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কল্যাণী থেকে সরাসরি কলকাতায় আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। সল্টলেকের ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টারে (ইজেডসিসি) দলীয় কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।

    রাজ্যে সদস্য় সংগ্রহ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সূচনা

    বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান হয় প্রতি ৬ বছর অন্তর। বাংলায় রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সূচনা করবেন তিনি। পূর্বের কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর কলকাতায় দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সূচনা করার কথা ছিল শাহের। তবে আবহাওয়ার কারণেই তা বাতিল হয়। জানা গিয়েছে, রবিবার সদস্য সংগ্রহ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সূচনার পাশাপাশি রাজ্য বিজেপি নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন অমিত শাহ। প্রসঙ্গত, আগামী মাসের ১৩ তারিখ রয়েছে রাজ্যের ৬টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন। তার আগেই শাহ দলের রাজ্য নেতাদের নির্দেশ দেবেন বলে খবর। এর পর রবিবার রাতেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Union Home Minister)।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বিরাম নয় বারিধারায়! শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: বিরাম নয় বারিধারায়! শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্যোগ কেটে গিয়েছে, তবে শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের (Weather Update) সব জেলায় চলবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আজ গোটা দিন দিনের আকাশ সাধারণত মেঘলা থাকবে। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দিনের (West Bengal) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে।

    কী বলছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত?

    আলিপুর (West Bengal) আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় (Weather Update) অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত বলেন, ‘‘পূর্বাভাস মতোই প্রবল ঘূর্ণিঝড় দানা বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে আছড়ে পড়েছিল ওড়িশা উপকূলের ভিতরকণিকা এবং ধামারার মধ্যবর্তী অংশে। সেই আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটায় শেষ হয়েছিল। তারপর প্রত্যাশা মতোই ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। শনিবার তা আরও দুর্বল হবে। আজ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে।’’ গতকাল শুক্রবার, দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি ও বাঁকুড়াতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে।

    বৃষ্টিপাত ১৩৩ মিমি! (Weather Update)

    গতকাল, শুক্রবার কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী জেলায় গত চব্বিশ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৩৩ মিলিমিটার বলে জানিয়েছে, হাওয়া অফিস। কেবলমাত্র কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৯৩.৯ মিলিমিটার। মানিকতলায় বৃষ্টি হয়েছে ৮৩ মিমি। দত্তবাগানে যে পরিমাণ ৭৩.৫০ মিমি। বীরপাড়ায় ৭০ মিমি। মার্কাস স্কোয়ার ৫৮.৭০ মিমি। বেলগাছিয়ায় ৬৯ মিমি। ধাপা লক ৭১ মিমি, তপসিয়াতে ১০৯ মিমি। উল্টোডাঙ্গাতে ৬৯ মিমি। পামার বাজারে ৯৪ মিমি, ঠনঠনিয়াতে ৭৯.৮০ মিমি, কুলিয়া ট্যাংরায়, কালীঘাটে ১০৫.৩০ মিমি, ট্রিচিং গ্রাউন্ডে ১০৩.৫০ মিমি, ধানখেতি খাল ১০৯ মিমি, জোকা ডিপিএসে ৭৫ মিমি, বেহালা ফ্লায়িং ক্লাব ৯৬.৩০ মিমি, জিঞ্জিরা বাজার ৯৭ মিমি, সিপিটি ক্যানাল ১১০.৪০ মিমি বৃষ্টি হয়েছে (Weather Update)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pension Scheme: মোদি সরকারের বড় উপহার, ৮০ বছর হলেই মিলবে অতিরিক্ত পেনশন

    Pension Scheme: মোদি সরকারের বড় উপহার, ৮০ বছর হলেই মিলবে অতিরিক্ত পেনশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরসুম চলছে। এই সময়েই কেন্দ্রের পেনশনভোগী (Pension Scheme) কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা করল মোদি সরকার। এবার থেকে মিলবে অতিরিক্ত পেনশন। ডিপার্টমেন্ট অব পেনশন অ্যান্ড পেনশনারস ওয়েলফেয়ারের তরফে এই ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ৮০ বছর বয়স হলেই কেন্দ্র সরকারি পেনশনভোগীরা অতিরিক্ত পেনশনের টাকা পাবেন। এর নাম দেওয়া হয়েছে, কৃপা ভাতা বা কমপ্যাসনেট অ্যালাওয়েন্স (Additional Compassionate)।

    কত টাকা অতিরিক্ত ভাতা (Pension Scheme) পাবেন?

    কেন্দ্রের তরফে যে  নির্দেশিকা সামনে এসেছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে,

        – ৮০ থেকে ৮৫ বছর বয়সি কেন্দ্রীয় সরকারি পেনশনভোগী (Additional Compassionate) যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা বেসিক পেনশনের ২০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাতা হিসেবে পাবেন।

        – ৮৫ থেকে ৯০ বছর বয়সি পেনশভোগীরা বেসিক পেনশনের ৩০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাতা পাবেন।

        – ৯০ থেকে ৯৫ বছর বয়সি পেনশনভোগীরা বেসিক পেনশনের ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাতা বা পেনশন হিসেবে পাবেন।

       –  ৯৫ থেকে ১০০ বছর বয়সি পেনশনভোগীরা বেসিক পেনশনের ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাতা হিসেবে পাবেন।

        – ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি পেনশনভোগীরা বেসিক পেনশনের ১০০ শতাংশই ভাতা হিসেবে পাবেন। অর্থাৎ এঁদের ক্ষেত্রে পেনশনেক পরিমাণ হবে দ্বিগুণ।

    কীভাবে মিলবে (Pension Scheme) এই ভাতা?

    ওই নির্দেশিকা অনুযায়ী জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা যে মাসে ৮০ বছর পার করবেন, সেই মাসের প্রথম দিন থেকে এই অতিরিক্ত ভাতা চালু হয়ে যাবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, কোনও ব্যক্তি আগামী নভেম্বর মাসে ৮০ বছরে পূর্ণ করবেন, সেক্ষেত্রে নভেম্বর মাস থেকেই ২০ শতাংশ অতিরিক্ত পেনশন পাবেন তিনি। কেন্দ্র সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের যাতে পেনশন (Pension Scheme) পেতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য কেন্দ্রের তরফে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও ব্যাঙ্কগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share