Tag: Madhyom Portal

  • Delhi Police: চুক্তির শর্ত না মানায় হাইকোর্টের নির্দেশে ইউএনআই সংবাদ মাধ্যমের অফিস সিল করল পুলিশ

    Delhi Police: চুক্তির শর্ত না মানায় হাইকোর্টের নির্দেশে ইউএনআই সংবাদ মাধ্যমের অফিস সিল করল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi Police) নির্দেশ এবং তার প্রেক্ষিতে সংবাদ সংস্থা ইউএনআই (United News of India)-এর অফিস সিল করে দেওয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক চর্চা চলছে। ৪৫০ কোটি টাকা মূল্যের এই পাবলিক প্রপার্টি বা সরকারি জমি দীর্ঘ সময় ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকায় এবং চুক্তির শর্ত না মানায় আদালত জমিটি সরকারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভারতের অন্যতম প্রাচীন এই সংবাদ সংস্থা ইউএনআইয়ের কার্যালয়ে পুলিশি অভিযানের পর রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার, ২০ মার্চ সন্ধ্যায়, দিল্লি পুলিশের কর্তারা আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে আদালতের নির্দেশে রফি মার্গে ইউএনআইয়ের কার্যালয়ে পৌঁছন, চালান উচ্ছেদ অভিযান। এরপর থেকেই শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক। তবে পুলিশের এই অভিযানে বামপন্থীরা ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, ঘটনাটি সংবাদ মধ্যেমের ওপর আক্রমণ।

    হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী সিল (Delhi Police)

    দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ শচীন শর্মা বলেন, “পুলিশ শুধুমাত্র সরকারি কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করার জন্যই সেখানে উপস্থিত ছিল। হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী, আমরা এলঅ্যান্ডডিও আধিকারিকদের নিরাপত্তা দিতে সেখানে ছিলাম। ইউএনআইয়ের (United News of India) সকল কর্মীকে চত্বরটি খালি করে দিতে বলেছিলাম।” তবে জমি বরাদ্দ বাতিলের বিরুদ্ধে ইউএনআইয়ের করা আবেদন দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর পরপরই প্রশাসন সম্পত্তিটি সিল করে দেয়।

    কেন সিল করা হল অফিস?

    ইউএনআইয়ের অফিসটি দিল্লি পুলিশ এবং ভূমি ও উন্নয়ন দফতর সিল করে দিয়েছে। এর প্রধান কারণগুলি হল, জমি বরাদ্দের শর্ত লঙ্ঘন। ১৯৭৯ সালে এই জমিটি ইউএনআই (Delhi Police)-কে দেওয়া হয়েছিল একটি বহুতল অফিস কমপ্লেক্স তৈরি করার জন্য। কিন্তু দীর্ঘ ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও, সংস্থাটি সেখানে কোনও স্থায়ী নির্মাণ কাজ করেনি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি শচীন দত্তের পর্যবেক্ষণ, মূল্যবান সরকারি জমি এভাবে দশকের পর দশক ধরে ‘বন্দি’ করে রাখা হয়েছে। আদালত একে বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হিসেবে বর্ণনা করছে।

    ভাড়া বা বাণিজ্যিক ব্যবহার

    অভিযোগ, যে উদ্দেশ্যে জমি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ না করে সংস্থাটি জায়গাটি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে (যেমন, ক্যান্টিন) ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল।

    পুলিশি অ্যাকশন ও বিতর্ক

    আদালতের নির্দেশের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) এবং আধাসামরিক বাহিনী অফিসটি খালি করতে শুরু করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সংস্থাটি (Delhi Police) এবং কিছু বাম-লিবারেল বুদ্ধিজীবী মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

    ৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেনি

    বিগত বছরগুলোতে ১৯৮৬, ১৯৯৯ এবং ২০০০ সালে একাধিক সংশোধিত বরাদ্দপত্র জারি করা হয়েছিল, এবং প্রতিবারই ভবনটি নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কাজে সামান্যই অগ্রগতি হয়েছিল বা একেবারেই হয়নি। এমনকি ২০১২ সালে নির্মাণের অনুমোদন পাওয়ার পরেও প্রকল্পটি স্থবির হয়ে গিয়েছিল।

    ২০২৩ সাল নাগাদ, কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করার পর অসন্তোষজনক জবাব পেয়ে, এলএন্ডডিও ইজারার শর্ত লঙ্ঘনের কারণ দেখিয়ে বরাদ্দটি বাতিল করে দেয়। ইউএনআই (United News of India) এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করে, কিন্তু তাদের আবেদনটি শেষ পর্যন্ত খারিজ হয়ে যায়। হাইকোর্ট আরও উল্লেখ করেছে যে, “৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্রমাগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতাকে” কেবল এই কারণে ক্ষমা করা যায় না যে সংস্থাটি এখন পদক্ষেপ করতে ইচ্ছুক।

    সংবাদ সংস্থাটির অভিযোগ

    সংবাদ সংস্থাটির দাবি, কর্মীদের আগাম কোনও নোটিশ না দিয়েই জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। মহিলা সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং কর্মীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে। তারা একে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছে। পুলিশ (Delhi Police) অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের মতে, আদালতের নির্দেশ পালন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং তারা কেবল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    বাম-লিবারেল প্রতিক্রিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মহলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক (United News of India) তৈরি হয়েছে তাকেই ‘মেল্টডাউন’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাম সমালোচকদের মতে, একটি ঐতিহাসিক সংবাদ সংস্থাকে এভাবে উচ্ছেদ করা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত। অন্যদিকে, সরকার এবং আদালতের পক্ষের মানুষের দাবি, আইনের শাসন সবার জন্য সমান। চার দশক ধরে শর্ত লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া অনিবার্য।

  • Bangladesh: হিন্দুর ২৬ লাখ একর জমি বেদখল, ১২ লাখ পরিবারের ৩৫০,৪১২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি, রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Bangladesh: হিন্দুর ২৬ লাখ একর জমি বেদখল, ১২ লাখ পরিবারের ৩৫০,৪১২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি, রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh) গণতন্ত্র, মুক্তি ও স্থিতিস্থাপকতা নিয়ে গর্ব করে। অথচ দশকের পর দশক ধরে একটি বড় অবিচার প্রায় অনুচ্চারিতই থেকে গিয়েছে। হিন্দু সংখ্যালঘুদের পরিকল্পিতভাবে ভূমিহীন (Hindu crisis) করে দেওয়া হয়েছে। ১৯৬৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে হিন্দুরা ২৬ লাখ একর জমি খুইয়েছে—যা কয়েকটি ছোট দেশের চেয়েও বড়—এবং এক কোটিরও বেশি মানুষ দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ১২ লাখ পরিবারের ওপর এর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৩৫০,৪১২ কোটি টাকা।

    ২৬ লাখ একর জমি হারিয়েছেন হিন্দুরা (Bangladesh)

    সংবাদ মাধ্যমের করা সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, পদ্মাপারের এই দেশে এই ব্যাপক ভূমি দখলের পেছনে রয়েছে পাঁচ লাখ প্রভাবশালী (Hindu crisis) ব্যক্তি। এরা রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত। মোট জমির মধ্যে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িতরা ১৭,৪৯,৫০০ একর, আওয়ামী লিগের সঙ্গে যুক্তরা ৩,৬১,৪০০ একর এবং জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠনগুলি ২,২৬,২০০ একর জমি দখল করেছে। জাতীয় পার্টির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ১,৮২,০০০ একর, মুসলিম লিগ ১,৮২০ একর এবং ছোট দলগুলির সঙ্গে যুক্ত অন্যরা ১০,৪০০ একর জমি লুট করেছে। ওই রিপোর্টেই জানা গিয়েছে, হিন্দুরা ১৯৬৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে ২৬ লাখ একর জমি হারিয়েছেন। বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের (Bangladesh) ওপর দশকের পর দশক ধরে চলা পদ্ধতিগত ভূমি দখল এবং তাঁদের দেশত্যাগে বাধ্য করার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এর প্রধান দিকগুলি হল-

    বিপুল পরিমাণ ভূমি দখল ও আর্থিক ক্ষতি

    বাংলাদেশে (Bangladesh) ভূমি দখলের এই সংস্কৃতিতে প্রায় সব বড় রাজনৈতিক দলেরই সায় রয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার বঞ্চনার (Hindu crisis) শেকড় দেশটির রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত। কোনও প্রধান দলের হাতই পরিষ্কার নয়। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র সাত লাখ একর জমিকে স্বত্বাধিকারী সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। যার ফলে বাজেয়াপ্ত করা জমির সিংহভাগই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী দখলদারদের হাতে রয়ে গিয়েছে। এটি কেবল একটি আমলাতান্ত্রিক ত্রুটি (Hindu crisis) নয়—এটি একটি নৈতিক ব্যর্থতা। জমি শুধু সম্পত্তি নয়, এটি পরিচয়, ঐতিহ্য এবং নিরাপত্তাও। পরিকল্পিত চুরির অনুমতি দেওয়া মানে নাগরিকদের তাঁদের সবচেয়ে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।

    ন্যায়বিচারের অভাব

    বর্তমানে সরকার (Bangladesh) মাত্র ৭ লাখ একর জমিকে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা মোট বেদখল হয়ে যাওয়া জমির একটি সামান্য অংশ মাত্র। তবে ভূমি কেবল সম্পত্তি নয়, এটি একজন মানুষের পরিচয় এবং নিরাপত্তার অংশ। পদ্ধতিগতভাবে এই জমি কেড়ে নেওয়া মানে হল নাগরিকদের মৌলিক অধিকার অস্বীকার করা।

    প্রস্তাবিত সমাধান

    বাংলাদশের (Bangladesh) হিন্দুদের এই সমস্যার সামধান কীভাবে সম্ভব এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ওই সংবাদ মাধ্যমের সমাজতাত্ত্বিক গবেষণায় বলা হয়েছে, একটি ‘ভেস্টেড প্রপার্টি ব্যাঙ্ক’ বা স্বচ্ছ তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা যাতে দখল হওয়া জমির সঠিক হিসেব রাখা যায়। অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিক বা ভূমিহীন হিন্দু পরিবারগুলিকে ফিরিয়ে দেওয়া। সরকারকে রাজনৈতিক সাহসিকতা দেখিয়ে এই ঐতিহাসিক অন্যায়ের বিচার করতে হবে। বাংলাদেশ যখন বৈষম্যের (Hindu crisis) বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, তখন সংখ্যালঘুদের ওপর এই দীর্ঘস্থায়ী অবিচারকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমাধান করার কথা ভাবা হয়নি। আদর্শকে অসম্পূর্ণ করে রেখেছে বাংলাদেশের দেশের সরকার। যতক্ষণ পর্যন্ত না অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং সমানাধিকার নিশ্চিত হবে, ততক্ষণ এই নৈতিক সঙ্কট থেকে উদ্ধার পাওয়া যাবে না।

  • West Bengal Elections 2026: লক্ষ্য হিংসামুক্ত-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, রাজ্যে আসছে আরও ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    West Bengal Elections 2026: লক্ষ্য হিংসামুক্ত-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, রাজ্যে আসছে আরও ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে বড়সড় পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে অতিরিক্ত আরও ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Armed Police Forces) মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যে নিরাপত্তার এমন ব্যাপক প্রস্তুতি নজিরবিহীন।

    কত কত বাহিনী আসবে (West Bengal Elections 2026)?

    নিরাপত্তা প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে কমিশন এবার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। হিংসামুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) করতে কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ ও লক্ষ্য রয়েছে। ইতিমধ্যেই মার্চে রাজ্যে মোতায়েন হয়ে গিয়েছে ৪২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আরও অতিরিক্ত ১৯২০ কোম্পানি বাহিনী পাঁচটি ধাপে আসবে রাজ্যে। প্রথম দফায় ৩১ মার্চ রাজ্যে আসছে মোট ৩০০ কোম্পানি। এর মধ্যে সিআরপিএফ ১২৫ কোম্পানি, বিএসএফ ১০০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ২৫ কোম্পানি। আইটিবিপি এবং এসএসবি ২৫ কোম্পানি করে। দ্বিতীয় দফায় ৭ এপ্রিল রাজ্যে আসছে আরও ৩০০ কোম্পানি বাহিনী। এর মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর এবং ত্রিপুরা থেকে কিছু বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। তৃতীয় ধাপে ১০ এপ্রিল আসবে আরও ৩০০ কোম্পানি। এই ধাপে জম্মু-কাশ্মীরের পাশাপাশি মণিপুর থেকেও আসছে বাহিনী । চতুর্থ ধাপে ১৩ এপ্রিল ২৭৭ কোম্পানি বাহিনী আসবে। অসম, হরিয়ানা ও উত্তরাখণ্ড থেকে আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা বাংলায় আসবেন। পঞ্চম ধাপে ১৭ এপ্রিল আসবে সর্বোচ্চ ৭৪৩ কোম্পানি বাহিনী। অসম থেকে আসবে ৪৪৩ কোম্পানি সিএপিএফ। কেরল, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, সিকিম, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, চণ্ডীগড়, পাঞ্জাব এবং রাজস্থান-সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে মোট ৩০০ কোম্পানি বাহিনী (Central Armed Police Forces) আসবে।

    কীভাবে নির্বাচনে কাজ করবে বাহিনী?

    বাহিনীর প্রত্যেক দিনের কাজের বিবরণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দফতরে রিপোর্ট আকারে পাঠাতে হবে। বিধানসভা ভোটের (West Bengal Elections 2026) কথা মাথায় রেখে কমিশন পশ্চিমবঙ্গে সিআরপিএফের সেক্টরের আইজি শলভ মাথুরকে বাহিনী মোতায়েনের জন্য ‘স্টেট ফোর্স কোঅর্ডিনেটর’ হিসেবে নিযুক্ত করেছে। প্রতিটি কোম্পানিতে (Central Armed Police Forces) অন্তত ৭২ জন করে জওয়ান থাকবেন। ৯টি সেকশনের মধ্যে ৮টি পোলিং স্টেশনে ব্যবহার করা হবে এবং ১টি সেকশন কুইক রেসপন্স টিম হিসেব কাজ করবে ৷ ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর বাহিনীর একটি বড় অংশ রাজ্য থেকে চলে যাবে। তবে ২০০ কোম্পানিকে রাজ্যে রাখা হবে যারা ইভিএম, স্ট্রং রুম এবং কাউন্টিং সেন্টারের নিরাপত্তা দেবে। ভোটের পর গণনা পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ৫০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে রাজ্যে। বাকি কোম্পানি ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরেই ফিরে যাবে।

    শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ

    ভোটাররা যাতে ভয়ভীতি বা চাপের ঊর্ধ্বে উঠে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই বাহিনীর মূল লক্ষ্য। নিজের ভোট নিজে দেওয়া এবং প্রার্থী চয়নে কোনও চাপের মুখে না পড়াই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ।

    স্পর্শকাতর বুথে নজরদারি

    রাজ্যের যে সব এলাকা বা বুথকে ‘স্পর্শকাতর’ চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানে আগেভাগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে এরিয়া ডোমিনেশন (Area Domination) বা রুট মার্চ শুরু করা হবে। ২০২১ সালের নির্বাচনের পর ভোটে মনোনয়ন থেকে ফল ঘোষণা পর্যন্ত ব্যাপকভাবে হিংসার শিকার হয়েছেন রাজ্যবাসী। তাই কমিশন নিরাপত্তা নিয়ে ভীষণ তৎপর।

    আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা

    ভোটের দিন তো বটেই, নির্বাচনের আগের ও পরের দিনগুলিতেও যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তাই এই বিশাল বাহিনীকে (Central Armed Police Forces) কৌশলগতভাবে ব্যবহার করা হবে।

    বাহিনী মোতায়েনের পরিসংখ্যান এক নজরে

    বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের এই সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। একদিকে বিরোধী দলগুলি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলছে যে, এতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বাড়বে। শাসক শিবিরের বক্তব্য, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখা প্রয়োজন ছিল। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

    ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) ঘিরে বাংলার রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগমন এই ইঙ্গিতই দিচ্ছে যে, নির্বাচন কমিশন এবার কোনও প্রকার আপোশ করবে না। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই বাহিনী (Central Armed Police Forces) ধাপে ধাপে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাবে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে।

  • West Bengal Elections 2026: অবশিষ্ট ৩৯ আসনের প্রার্থী জট কাটাতে তৎপর বিজেপি: রবিবার অমিত শাহের বাসভবনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    West Bengal Elections 2026: অবশিষ্ট ৩৯ আসনের প্রার্থী জট কাটাতে তৎপর বিজেপি: রবিবার অমিত শাহের বাসভবনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশল চূড়ান্ত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (Bharatiya Janata Party)। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের অবশিষ্ট ৩৯টি আসনে কাদের প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া বাকি। এই জট কাটাতেই আগামী রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাসভবনে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়সমূহ

    বিজেপির (Bharatiya Janata Party) রবিবারের এই বৈঠকে মূলত তিনটি প্রধান দিক নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে:

    • প্রার্থী বাছাইয়ের মাপকাঠি: যে ৩৯টি আসনে এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি, সেখানে জয়ের সম্ভাবনা বা ‘উইনেবিলিটি’ (Winability)-কেই প্রধান অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
    • আঞ্চলিক সমীকরণ: সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর জনবিন্যাস এবং স্থানীয় নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা বিচার করে তবেই চূড়ান্ত তালিকায় সিলমোহর দেওয়া হবে।
    • অভ্যন্তরীণ সমন্বয়: দলের পুরনো কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমন এবং নবাগতদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে একটি শক্তিশালী তালিকা প্রস্তুত করাই এখন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ।

    কেন এই ৩৯টি আসন তাৎপর্যপূর্ণ?

    বিজেপি (Bharatiya Janata Party) সূত্রের খবর, এই আসনগুলোর মধ্যে এমন কিছু কেন্দ্র রয়েছে যেখানে গত নির্বাচনে লড়াই অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি হয়েছিল। তাই এবার কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে দীর্ঘ বিচার-বিবেচনার পর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে চাইছে দিল্লি।

    রবিবারের এই বৈঠকের পর যে তালিকা তৈরি হবে, তা অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ডের কাছে পাঠানো হবে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই অবশিষ্ট ৩৯টি আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসতে পারে। উৎসবের আমেজ কাটতে না কাটতেই এই তৎপরতা প্রমাণ করছে যে, বিজেপি হাইকম্যান্ড পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে।

    প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় ১৪২ জনের নাম প্রকাশ করেছে বিজেপি। পরের দফায় ১৩৯ জনের নাম প্রকাশ করা হয় দলের তরফে। যদিও একাধিক আসনে প্রার্থী তালিকায় রদবদল হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে দু’ফায় হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচন। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে।

  • Kumbh Mela Viral Girl Monalisa: কুম্ভ মেলার ‘ভাইরাল’ গার্ল মোনালিসা নাবালিকা! শংসাপত্র অনুযায়ী বয়স ১৬, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি পুলিশের

    Kumbh Mela Viral Girl Monalisa: কুম্ভ মেলার ‘ভাইরাল’ গার্ল মোনালিসা নাবালিকা! শংসাপত্র অনুযায়ী বয়স ১৬, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলায় রাতারাতি ইন্টারনেটে পরিচিতি পাওয়া মোনালিসাকে (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এই কিশোরী এখনও নাবালিকা। তাঁর জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate) অনুযায়ী বর্তমান বয়স মাত্র ১৬ বছর ২ মাস (Minor Birth Certificate)।

    তদন্তকারী সংস্থা এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নাবালিকা মনবালিসার চাঞ্চাল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। উল্লেখ্য কেরলে মুসলিম যুবকের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে পরিবারের তরফে নাবালিকার বিবাহ, লাভ জিহাদ এবং ধর্মান্তরকরণের মতো অভিযোগ করে সরব হয়েছিলেন। মোনালিসার বাবা মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের কাছে বিচার চেয়ে আবেদনপত্রও জমা করেছিলেন। এরপর জন্মের প্রমাণপত্র নিয়ে শুরু হয় বিস্তর জল্পনা।

    বয়স সংক্রান্ত তথ্য (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa)

    মোনালিসার বার্থ সার্টিফিকেট (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) বা জন্ম শংসাপত্র যাচাই করে দেখা গেছে যে, তাঁর বয়স এখনও আঠারো বছর পূর্ণ হয়নি। অর্থাৎ আইনত তিনি একজন নাবালিকা। নাবালিকা (Minor Birth Certificate) হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরা হয়েছে, তা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। পুলিশ এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    ভাইরাল হওয়ার প্রভাব

    কুম্ভমেলার (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) সময় তাঁর ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল, যা তাঁকে রাতারাতি লাইমলাইটে নিয়ে আসে। তবে তাঁর প্রকৃত বয়স সামনে আসায় এখন সেই জনপ্রিয়তার নেপথ্যে থাকা আইনি ও নৈতিক দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কেন এই মামলা গুরুত্বপূর্ণ?

    ভারতের আইন অনুযায়ী, একজন নাবালিকার (Minor Birth Certificate) পরিচয় বা তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। পুলিশের মতে, এই ঘটনায় নাবালিকার সুরক্ষা ও অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। এই খবরটি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের ক্ষেত্রে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে, যেখানে বয়সের প্রমাণপত্র (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) ছাড়া যে কোনও তথ্য বা ব্যক্তিকে প্রচার করার ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তবে মোনালিসার বিবাহকে ঘিরে এখন তাঁর জন্মের প্রমাণপত্র ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। একাধিক রাজনৈতিক নেতা এবং মুসলিম নেতাদের কাঠগড়ায় তোলার ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

  • DA: এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করতে হাইকোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা, ভোটের মুখে আরও চাপে মমতা

    DA: এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করতে হাইকোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা, ভোটের মুখে আরও চাপে মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত মহার্ঘ ভাতা (DA) সংক্রান্ত আইনি লড়াই বর্তমানে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়েছে। এবার ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ এবং অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (AICPI)-এর তথ্যকে ভিত্তি করে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার জন্য দাবি করেছে কর্মচারীরা। ভোটের আগে মামলা মমতা সরকারকে চাপে ফেলবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের থেকে এখনও ৪০ শতাংশ ডিএ পাওয়ার বিষয়ে পিছিয়ে রয়েছে রাজ্যের কর্মীরা।

    ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ (Calcutta High Court)

    বিচারপতি (Calcutta High Court) মধুরেশ প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেছে ইউনিটি ফোরাম নামে একটি সংস্থা। ইতিমধ্যে শুনানি হয়েছে কোর্টে। তাতে রাজ্য প্রশাসনের আর্থিক অবস্থান ও কর্মীদের অধিকারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সূচক অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা যে হারে ডিএ (DA) পান, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও সেই সমতা বজায় রাখা উচিত। রাজ্য সরকার ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করার সময় ডিএ-র যে হিসেব দিয়েছিল, তা বর্তমান বাজারদরের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    আর্থিক সামর্থ্য বনাম আইনি বাধ্যবাধকতা

    রাজ্য সরকার বারবারই তাদের সীমিত আর্থিক সংস্থানের কথা উল্লেখ করেছে। তবে আদালতের (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ডিএ কেবল দয়ার দান নয়, বরং এটি সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকারের আওতায় পড়ে। ডিএ মামলাটি এখন কেবল আইনি লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই, এটি একটি বড় সামাজিক ও প্রশাসনিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ষষ্ঠ বেতন (DA) কমিশনের কাঠামো সংস্কার এবং কেন্দ্র-রাজ্য ডিএ-র ফারাক কমানোর বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই বলে দেবে, রাজ্যের অর্থভাণ্ডার ও কর্মচারীদের অধিকারের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রক্ষা করা হবে।

    পিটিশনে মূলত তিনটি প্রধান বিষয়

    কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, ষষ্ঠ বেতন কমিশন (DA) যে পদ্ধতিতে বেতন ও ভাতার হার নির্ধারণ করেছে, তা বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। দীর্ঘ সময় ধরে কেন্দ্র ও রাজ্যের মহার্ঘ ভাতার মধ্যে যে বিস্তর ফারাক তৈরি হয়েছে, তা মেটানোর কোনো সুনির্দিষ্ট দিশা রাজ্য সরকার দেখায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। মামলাকারীদের (Calcutta High Court) মতে, মহার্ঘ ভাতা কোনো দয়া বা অনুদান নয়, বরং এটি সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখার জন্য একটি বিধিবদ্ধ অধিকার। রাজ্য সরকার এই অধিকার থেকে কোনও ভাবেই কর্মচারীদের বঞ্চনা করা যাবে না।

  • Mamata Banerjee: শনি সকালে কালীঘাটে পুজো শুভেন্দুর, মুসলিম ভোট পেতে রেড রোডে মমতা

    Mamata Banerjee: শনি সকালে কালীঘাটে পুজো শুভেন্দুর, মুসলিম ভোট পেতে রেড রোডে মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির ময়দানে আজ বিশেষ ছবি ধরা পড়ল। একদিকে রেড রোডের নমাজে অংশ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), অন্যদিকে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে দিন শুরু করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উৎসবের আবহে ধর্মীয় অনুষঙ্গকে সঙ্গী করেই ২০২৬-এর নির্বাচনী প্রচারের সুর বেঁধে দিলেন রাজ্যের দুই প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। এই নির্বাচনে মুসলিম ভোটই যে মমতার ভোটব্যাঙ্ক, সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছে না রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাই ইদের দিনে সোজা রেড রোড থেকেই নির্বাচনী প্রচার করলেন। বিজেপির অভিযোগ,  তোষণ-নীতিকেই বরাবর অগ্রাধিকার দিয়েছেন মমতা।

    কালীঘাটে শুভেন্দুর পুজো ও প্রচারের শপথ (Mamata Banerjee)

    শনিবার সকাল সকালেই কালীঘাট মন্দিরে পৌঁছান শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দেবী দর্শনের পর তিনি বলেন, “রাজ্যের মঙ্গল কামনায় এবং আগামীর লড়াইয়ে আশীর্বাদ নিতেই আমার মা কালীর কাছে প্রার্থনা। ধর্মীয় আচার পালনের মাধ্যমেই আমি জনসেবার সংকল্প গ্রহণ করেছি।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি যে কোমর বেঁধে নামছে, সেই ইঙ্গিতও এদিন তিনি দিয়েছেন। কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচার পর্ব সেরে ফেললেন শুভেন্দু অধিকারী। নকুলেশ্বর শিব মন্দির, জগন্নাথ মন্দিরেও পুজো দিতে দেখা যায়। তবে এদিন কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে আসাকে কেন্দ্র করে বেনজির নিরাপত্তা ছিল মন্দির চত্বরে। তাঁর আসার ঘন্টাখানেক আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিরাপত্তা ছিল মন্দির চত্বরে।

    কেন এই কর্মসূচী তাৎপর্যপূর্ণ?

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুই ভিন্নধর্মী কর্মসূচী আসলে প্রতীকী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন তাঁর চিরাচরিত ‘সর্বধর্ম সমন্বয়’ ও ‘সংখ্যালঘু সমর্থন’ অটুট রাখার বার্তায় হিন্দুত্ব এবং হিন্দু ধর্মকে সমালোচনা করেন, তেমনি রেড রোডে নামাজে যোগদান করে মুসলিম প্রীতিকে বেশি করে প্রধান্য দেন। রাজ্যের ৩৫ শতাংশ ভোট নিজের পকেটে পুড়তে সর্বাত্মক চেষ্টা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাল্টা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তেমনি ‘হিন্দুত্বের আবেগ’ এবং ‘সনাতনী ভোটব্যাঙ্ক’ সংহত করার কৌশল বজায় রাখলেন। উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি দুই নেতাই পরোক্ষে বুঝিয়ে দিলেন—আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের লড়াই শুরু হয়ে গেছে।

    পরোক্ষ ভাবে অনুপ্রবেশকে সমর্থন মমতার

    আজ সকালে রেড রোডে আয়োজিত নমাজে শামিল হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। প্রতি বছরের মতো এবারও তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে মুসলিম ভাই-বোনদের শুভেচ্ছা জানান। তবে সেখানই মুসলিম সমাজের ভোট পেতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুপ্রবেশকারী বলে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গে কোথাও অনুপ্রবেশ নেই বলে ইঙ্গিত দেন।

  • Pakistan: গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে শীর্ষে পাকিস্তান; বুরকিনা ফাসোর চেয়েও শোচনীয় অবস্থা

    Pakistan: গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে শীর্ষে পাকিস্তান; বুরকিনা ফাসোর চেয়েও শোচনীয় অবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড পিস (IEP) কর্তৃক প্রকাশিত গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (GTI) ২০২৬-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদের (Global Terrorism Index) প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তান প্রথম স্থান দখল করেছে। আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোকেও পেছনে ফেলে দিয়ে এই প্রথমবার পাকিস্তান (Pakistan) এই সূচকের শীর্ষে উঠে এলো। অবশ্য অভিজ্ঞ মহল এই নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। কারণ বিশ্বে সন্ত্রাস উৎপাদন করে পাকিস্তানের মতো দেশ। একাধিক জেহাদি সংগঠনের জন্ম পাক ভূমিতে।

    ১,০৪৫টি সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ১,১৩৯ জনের মৃত্যু (Pakistan)

    প্রতিবেদনের সূচকে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের (Pakistan) স্কোর ৮.৫৭। গত এক দশকে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদ (Global Terrorism Index) যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, এটি তারই প্রতিফলন। ২০২৫ সালে পাকিস্তানে ১,০৪৫টি সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ১,১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা ২০১৩ সালের পর সর্বোচ্চ বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে বুরকিনা ফাসোর ক্ষেত্রে এই সূচক নিচে নেমেছে। টানা দুই বছর শীর্ষে থাকার পর বুরকিনা ফাসো এখন দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছে। এখানে প্রাণহানির সংখ্যা আগের তুলনায় প্রায় ৪৫% হ্রাস পেয়েছে।

    ৯৭ পৃষ্ঠার এই গবেষণাটির চিত্র অত্যন্ত স্পষ্ট। যেখানে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা ২৮% কমে ৫,৫৮২-তে এবং হামলার সংখ্যা ২২% কমে ২,৯৪৪-এ দাঁড়িয়েছে এবং ৮১টি দেশের অবস্থার উন্নতি হয়েছে, সেখানে পাকিস্তানের অবস্থা বিপরীত দিকে গেছে। এটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। এর ফল হলো চরমপন্থী ইসলামপন্থী মতাদর্শ, রাষ্ট্র কর্তৃক একসময় লালিত বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং আফগান প্রভাবের বিস্তার।

    আঞ্চলিক অস্থিরতা, কোন দেশে কত জঙ্গি তৎপরতা?

    প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর সীমান্ত অঞ্চলে অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তানে জঙ্গি তৎপরতা বহুগুণ বেড়েছে। বিশেষ করে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (Pakistan) এবং বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (BLA)-র মতো গোষ্ঠীগুলোর হামলা (Global Terrorism Index) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হামলার কারণে সন্ত্রাসের আঁতুড় ঘরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই তালিকায় ভারত ১৩তম স্থানে রয়েছে। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান ১১তম এবং বাংলাদেশ ৪২তম অবস্থানে রয়েছে।

    পাকিস্তানে ২০১৩ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক সন্ত্রাসী হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। শুধুমাত্র টিটিপি একাই ৫৯৫টি হামলা ও ৬৩৭ জনের মৃত্যুর জন্য দায়ী, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩% বেশি। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দেওবন্দী ইসলামপন্থী গ্রুপের আল-কায়েদার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কার্যকলাপ ও ধর্মীয় সম্পর্ক রয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ পর্যবেক্ষণ করেছে, টিটিপি আল-কায়েদার কাছ থেকে আদর্শগত নির্দেশনা নেওয়ার পাশাপাশি আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করেছে।

    সন্ত্রাসবাদজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% ঘটছে ৫টি দেশে

    বিশ্ব পরিস্থিতিতে সামগ্রিকভাবে সন্ত্রাসবাদজনিত (Global Terrorism Index) মৃত্যু ২৮% কমলেও, পাকিস্তান ও সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বর্তমানে বিশ্বের মোট সন্ত্রাসবাদজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% ঘটছে পাকিস্তান, বুরকিনা ফাসো, নাইজেরিয়া, নাইজার এবং কঙ্গোর মতো মাত্র পাঁচটি দেশে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাকিস্তান গত ১২ বছর ধরেই এই সূচকের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে, তবে ২০২৬-এর এই অবস্থান দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম অবনতিকেই নির্দেশ করে।

  • West Bengal Elections 2026: সমাজ মাধ্যমেও নজর কমিশনের, প্রার্থীদের দিতে হবে সমস্ত অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য

    West Bengal Elections 2026: সমাজ মাধ্যমেও নজর কমিশনের, প্রার্থীদের দিতে হবে সমস্ত অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী স্বচ্ছতায় এবার কমিশনের নয়া পদক্ষেপ। প্রার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল এখন কমিশনের নজরদারিতে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর কড়াকড়ি বাড়ালো ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। এখন থেকে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র পেশ করার সময় তাঁদের ব্যবহৃত সমস্ত অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রদান (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন কমিশন (West Bengal Elections 2026) জানিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের ফেসবুক, টুইটার (এক্স), ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে প্রার্থীর যদি কোনও স্বীকৃত বা অফিশিয়াল পেজ থাকে, তবে তার লিঙ্ক বা হ্যান্ডেল মনোনয়নপত্রের নির্দিষ্ট কলামে উল্লেখ করতে হবে।

    বিজ্ঞাপনের খরচ

    সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের জন্য করা সমস্ত আর্থিক খরচের হিসাব প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের (Election Expenditure) অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বুস্ট করা পোস্ট বা ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের খরচ এড়িয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ থাকছে না। নির্বাচনে পদপ্রার্থীদের এবার থেকে এই সব তথ্যের কথাও ঘোষণা করতে হবে। কমিশন (West Bengal Elections 2026) জানিয়েছে, বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আগে সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন ছাড়া সমাজমাধ্যম বা ইন্টারনেটের কোথাও বিজ্ঞাপন দিলে তা নিয়মভঙ্গ হিসাবে ধরা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ (Election Commission India) করা হবে।

    আচরণবিধি ও নজরদারি

    ডিজিটাল মাধ্যমে কোনও উসকানিমূলক মন্তব্য, ভুয়ো খবর বা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বিশেষ নজরদারি সেল গঠন করেছে কমিশন। প্রার্থীদের প্রোফাইল থেকে শেয়ার করা তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হবে। নির্বাচন কমিশন সামাজিক মাধ্যমে কঠোর নজরদারি চালাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত এমসিএমসি-র সিদ্ধান্তে কারও আপত্তি থাকলে ওই কমিটিতে পাল্টা আবেদন করা যাবে। তবে অনুমোদন ছাড়া কোনও ইন্টারনেট মাধ্যম বা ওয়েবসাইটে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন (West Bengal Elections 2026) দেওয়া যাবে না।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    বর্তমান সময়ে প্রচারের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, মূলধারার প্রচারের খরচের হিসাব থাকলেও ডিজিটাল প্রচারের তথ্য আড়ালে থেকে যায়। এই নতুন নিয়মের ফলে একাধিক সুবিধা মিলবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    যথা-

    • ১. প্রার্থীর প্রচার কৌশলে আরও স্বচ্ছতা আসবে।
    • ২. ডিজিটাল মাধ্যমে অপপ্রচার বা ‘পেইড নিউজ’ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
    • ৩. প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র কমিশনের হাতে থাকবে।

    কমিশনের (Election Commission India) এই পদক্ষেপ আধুনিক নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিজিটাল দুনিয়ায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

  • Mohan Bhagwat: “ভারত মানবতার নিয়ম মেনে চলে, যুদ্ধ থামাতে সাহায্য করতে পারে”, বার্তা মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: “ভারত মানবতার নিয়ম মেনে চলে, যুদ্ধ থামাতে সাহায্য করতে পারে”, বার্তা মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে মানবতার পাঠ দিলেন সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত। আমেরিকা-ইরান সংঘাতের আবহে আরএসএস (RSS) প্রধান বললেন, “ভারত মানবতার নিয়ম মেনে চলে, যুদ্ধ থামাতে সাহায্য করতে পারে।” পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ঘনীভূত সংঘাতের আবহে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) ভারতের শান্তিদূতের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেছেন।

    ভারত সর্বদা ‘মানবতার ধর্ম (Mohan Bhagwat)

    নাগপুরে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “বিশ্বের বর্তমান টালমাটাল পরিস্থিতিতে ভারতই একমাত্র দেশ যারা শান্তি ও সংহতির বার্তা নিয়ে এগিয়ে আসতে পারে।” সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “ভারত সর্বদা ‘মানবতার ধর্ম’ বা মানবতার নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ পরিস্থিতি সমাপ্ত করতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ভারতের সংস্কৃতি এবং ডিএনএ-তে হিংসা নয়, বরং শান্তি ও পরোপকার মিশে আছে। ভারত (RSS) কোনো দেশকে জয় করতে চায় না, বরং ভারত হৃদয় জয় করতে চায়।”

    বিশ্ব শান্তিতে ভারতের ভূমিকা

    আমেরিকা ও ইরানের মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কথা উল্লেখ করে সরসংঘ (RSS) চালক মোহন ভাগবত বলেন, “যখন বিশ্বজুড়ে বড় শক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থ সংঘাতে লিপ্ত, তখন ভারত মানবতার স্বার্থে মধ্যস্থতা করার ক্ষমতা রাখে। ভারতের প্রাচীন জ্ঞান এবং বর্তমান কৌশলগত অবস্থান দুই পক্ষকেই শান্ত করতে সহায়ক হতে পারে। ভারত কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়। ভারতের কাছে ধর্ম মানে হল মানবতা। এই আদর্শকে পাথেয় করেই ভারত অতীতেও বিশ্বকে পথ দেখিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেখাবে।”

    বর্তমান প্রেক্ষাপট

    মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলা, হুমকি, পাল্টা হুমকির ফলে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তাতে ভারতের নিরপেক্ষ এবং মানবিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন। ভারত কোনো পক্ষ নেয় না, ভারত ন্যায়ের পক্ষ নেয়। আরএসএস (RSS) প্রধানের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন বিশ্ব অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট বড় প্রভাব ফেলছে। তাঁর মতে, ভারত যদি নিজের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে বিশ্বমঞ্চে দাঁড়ায়, তবে বর্তমান বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ ও বিবাদ মিটিয়ে ফেলা সম্ভব হবে। উল্লেখ্য ভারতে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রথম রাষ্ট্রদূত হুসেন হাসান মির্জাও বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটিমাত্র ফোনেই সংঘাতের সমাধান করতে পারেন। ইরান ও ইজরায়েলে মোদির একটি ফোন কলই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।”

LinkedIn
Share