Tag: madrasa

madrasa

  • Madrasas Closure: অনুমোদন-পরিকাঠামোহীন ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ রাজ্যের, শোকজ আরও প্রায় ১০০-টিকে

    Madrasas Closure: অনুমোদন-পরিকাঠামোহীন ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ রাজ্যের, শোকজ আরও প্রায় ১০০-টিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অনুমোদনহীন ও ন্যূনতম পরিকাঠামোহীন মাদ্রাসাগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। রাজ্যজুড়ে সমীক্ষা ও পরিদর্শনের পর ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিশ (Madrasas Closure) দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়ম মেনে পরিচালিত না হওয়া আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না মিললে ওই প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন (West Bengal) দফতরের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু।

    দফতর সূত্রে খবর, বন্ধের নোটিশ পাওয়া ২৫২টি মাদ্রাসার অধিকাংশের ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় ন্যূনতম পরিকাঠামো নেই। অন্যদিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজেদের অবস্থান জানাতে হবে। তাদের জবাব সন্তোষজনক না হলে পরবর্তী পদক্ষেপ করবে প্রশাসন।

    মন্ত্রীর বক্তব্য, মাদ্রাসার পড়ুয়ারাও যাতে অন্যান্য স্কুলের পড়ুয়াদের মতো আধুনিক ও মূলধারার শিক্ষার সুযোগ পায়, সেটাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। শিক্ষার পরিবেশ ও পরিকাঠামো উন্নত করার পাশাপাশি নিয়ম মেনে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

    সমীক্ষায় উঠে এল অনুমোদনের বিস্তর ফারাক (Madrasas Closure)

    রাজ্য প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২,১৩২টি মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে চলছে। অন্যদিকে প্রায় ২,৩৯৬টি মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি বা পর্ষদের নথিভুক্তি কিংবা সংযুক্তিকরণ ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের সমীক্ষায় উঠে এসেছে। বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছিল খারিজি মাদ্রাসাগুলির উপর।

    জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের নথিভুক্তি, পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা ও পরিচয়, শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা, পরিকাঠামো এবং অর্থের উৎস—সমীক্ষায় খতিয়ে দেখা হয় সবই।

    জেলা প্রশাসনের রিপোর্ট পাওয়ার পর তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে রাজ্যস্তর থেকেও বিশেষ পরিদর্শন ও তদন্তকারী দল পাঠানো হয়। মাদ্রাসাগুলির তরফে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল রয়েছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করা হয় (Madrasas Closure)।

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সমীক্ষায় একাধিক সমস্যা সামনে এসেছে। কোথাও পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নেই, কোথাও পড়ুয়া ও শিক্ষকের সংখ্যা অত্যন্ত কম। আবার কিছু প্রতিষ্ঠানে রাজ্য নির্ধারিত পাঠ্যক্রম থেকে বড় ধরনের বিচ্যুতি এবং প্রশাসনিক নিয়ম না মানার অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। এই সমস্ত কারণেই একাধিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    মালদায় সবচেয়ে বেশি বন্ধের নোটিশ

    জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে মালদায়। সেখানে ৪৪-৪৫টি মাদ্রাসা এই তালিকায় রয়েছে। এরপর উত্তর দিনাজপুরে প্রায় ৩৭টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় প্রায় ৩২টি এবং মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় প্রায় ২৫টি করে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

    প্রশাসনের ব্যাখ্যা, খারিজি মাদ্রাসা বলতে এমন স্বাধীন ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়, যেগুলি সাধারণত সরকারি অর্থসাহায্য, আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি বা সরকারি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়। এই ধরনের প্রতিষ্ঠান অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের অনুদান বা ট্রাস্টের অর্থের উপর নির্ভরশীল।

    ভারতবিরোধী শিক্ষা’র অভিযোগও নজরে

    নবান্নের এক আধিকারিকের দাবি, কয়েকটি খারিজি মাদ্রাসায় ‘ভারতবিরোধী’ শিক্ষা দেওয়া এবং পড়ুয়াদের ‘মগজধোলাই’ করার অভিযোগ প্রশাসনের নজরে এসেছে। সেই কারণেও মাদ্রাসাগুলির কার্যকলাপ যাচাইয়ের প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল বলে দাবি ওই আধিকারিকের। তবে প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এই ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ যাচাই করে এবং আইন মেনে তবেই কোনও পদক্ষেপ করা হবে।

    এদিকে, মাদ্রাসা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, এর আগে মাদ্রাসার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের বিরুদ্ধে উগ্রপন্থী কার্যকলাপের অভিযোগ সামনে এসেছিল। তিনি বলেন, “মাদ্রাসা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। এর আগে অনেক উগ্রপন্থী ধরা পড়েছে, যারা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিল। মাদ্রাসায় থেকে তারা ভারতবিরোধী কার্যকলাপ চালাত।”

    তাঁর আরও দাবি, “যারা সরকারের অনুমতি নিয়ে মাদ্রাসা চালাচ্ছেন, সেই মাদ্রাসা চলবেই। কিন্তু যেখানে-সেখানে মাদ্রাসা খুলে উৎপাত করার অনুমতি সরকার দেবে না।” তবে মাদ্রাসা নিয়ে ওঠা যে কোনও অভিযোগের ক্ষেত্রে যথাযথ তদন্ত এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে (Madrasas Closure)।

    অনুমোদিত মাদ্রাসা চালু থাকবে

    সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, “ফিল্ড লেভেলে যাচাই করা হয়েছে। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার সমস্ত মাদ্রাসার নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। যে সমস্ত মাদ্রাসার অনুমোদন রয়েছে, সেগুলি চালু থাকবে।”  প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মাদ্রাসাগুলির (West Bengal) নথি যাচাই এবং পরিদর্শনের এই প্রক্রিয়া আগামী দিনেও চলবে। অনুমোদনহীন বা নিয়ম না মেনে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রমাণের ভিত্তিতে এবং আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Madrasas Closure)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দুদের ওপর বিরুদ্ধে হামলা, ভারত থেকে বিশ্বের নানা প্রান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনার ঝলক

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দুদের ওপর বিরুদ্ধে হামলা, ভারত থেকে বিশ্বের নানা প্রান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনার ঝলক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর হামলা, বৈষম্য ও বিদ্বেষের ঘটনা ক্রমেই উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। অন্তত এমনই দাবি করা হয়েছে সাম্প্রতিক এক সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে (Hindus Under Attack)। খুন, ধর্মান্তরে চাপ, জমি দখল, মন্দির ও মূর্তির অবমাননা, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্যের একাধিক অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে (Weekly Roundup)।

    প্রতিবেদনটির দাবি, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হিন্দুদের বিরুদ্ধে এই ধরনের ঘটনাগুলি দীর্ঘদিন ধরে ঘটলেও, আন্তর্জাতিক পরিসরে এর ব্যাপকতা ও গভীরতা যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি। প্রতিবেদনে এই পরিস্থিতিকে হিন্দুদের প্রতি ক্রমবর্ধমান বিদ্বেষের প্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনের সম্পাদকীয় নোট (Hindus Under Attack)

    প্রতিবেদনের সম্পাদকীয় নোটে জানানো হয়েছে, ভারতে এবং বিদেশে হিন্দুদের পরিস্থিতি তুলে ধরাই এই ধারাবাহিক প্রতিবেদনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

    সেখানে আরও বলা হয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায় হওয়া সত্ত্বেও ভারতের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও হিন্দুরা বৈষম্য ও নিপীড়নের মুখোমুখি হচ্ছেন—এই বাস্তবতা সামনে আসা তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা।

    প্রতিবেদনে ধর্মনিরপেক্ষতা, সর্বধর্মসমভাব এবং “বসুধৈব কুটুম্বকমে”র মতো ধারণা নিয়ে নতুন করে ভাবনা-চিন্তা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনের লেখকদের মতে, এর কয়েকটি ধারণাকে মূল প্রেক্ষাপট থেকে বিচ্ছিন্ন করে ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে হিন্দু সমাজ দুর্বল হয়েছে।

    প্রতিবেদনটির দাবি, ধর্মনিরপেক্ষতার নামে অতিরিক্ত সহনশীলতার ফলে কিছু বিদ্বেষমূলক অপরাধ যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না। হিন্দু সমাজকে ধর্ম ও সংস্কৃতি রক্ষায় আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিবেদনে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ ও ছত্রপতি সম্ভাজি মহারাজের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে।

    ২৩ থেকে ২৯ আগস্ট ২০২৬ সময়কালের ঘটনাগুলির ভিত্তিতে প্রতিবেদনে ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের একাধিক ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

    মেঘালয়ে জাতিগত ও ধর্মীয় বৈষম্যের অভিযোগ

    মেঘালয়ে পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতি, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং গির্জার প্রভাবের কারণে বিপুল সংখ্যক হিন্দু বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং অ-উপজাতি জনগোষ্ঠীর একাংশ পদ্ধতিগত জাতিগত ও ধর্মীয় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    শিলংয়ে খাসি ছাত্র সংগঠনের একটি সমাবেশের পর অসমীয়া ও বাঙালি বাসিন্দা এবং শ্রমিকদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগও তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ৩১টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এগুলির অধিকাংশই অসম থেকে আসা ব্যক্তিদের ব্যবহৃত গাড়ি বলে দাবি করা হয়েছে। বাঙালি ও অসমীয়াদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া এবং শারীরিক হামলার অভিযোগও রয়েছে।

    নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্য ও মূর্তিতেও হামলা চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে।

    হোসুরে হিন্দু ধর্মীয় রীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা প্রচারপত্র

    তামিলনাড়ুর হোসুরে হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা একটি প্রচারপত্র বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। মন্দিরে নারকেল ভাঙা, চুলে ফুল পরা, কর্পূর ও ধূপজাতীয় সামগ্রী ব্যবহার-সহ বিভিন্ন প্রচলিত আচারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ওই প্রচারপত্রে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন।

    মুম্বইয়ে গণেশ মূর্তির কাছে ডিম ছোড়ার অভিযোগ

    মুম্বইয়ের মাজগাঁওয়ে গণেশ মণ্ডলের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রায় উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, শোভাযাত্রার সময় এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি গণেশ মূর্তির কাছে ডিম ছুড়ে দেন। ঘটনায় উপস্থিত ভক্তদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    বরলক্ষ্মী ব্রত নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক

    দেশ-বিদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বরলক্ষ্মী ব্রত পালন করার সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী চিন্ময়ী শ্রীপাদার একটি মন্তব্য নিয়েও বিতর্কের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনটির দাবি, নিজেকে নারীবাদী হিসেবে পরিচয় দেওয়া চিন্ময়ী হিন্দু নারীদের “পিতৃতন্ত্রের প্রহরী” বলে মন্তব্য করেছেন। একই প্রতিবেদনে তাঁর পুরনো রমজান-সংক্রান্ত একটি মন্তব্যের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ২০১২ সালে তিনি লিখেছিলেন, “রমজানের উপবাসে থাকা বন্ধুদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে তাদের উপবাস ভাঙার আগে পর্যন্ত তাদের সামনে খাওয়া বা পান না করি।”

    টিপু সুলতানকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে গ্রেফতার

    কর্নাটকের চিক্কমাগালুরুতে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ৪০ ফুট উচ্চতার টিপু সুলতানের প্রতিকৃতি-সহ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন, যার সঙ্গে পাক সেনা ও মুজাহিদিনের সঙ্গে যুক্ত একটি গান ব্যবহার করা হয়েছিল (Weekly Roundup)।

    আফরিদ নামে ওই যুবককে আদালতে হাজির করা হলে তাঁকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    স্কুলের দেওয়ালে উসকানিমূলক স্লোগান

    পাঞ্জাবের বঠিন্ডা জেলার জয় সিংহ ওয়ালা গ্রামের একটি সরকারি স্কুল এবং অন্য একটি দেওয়ালে “শহিদ দিলাওয়ার বাব্বর” এবং শিখস ফর জাস্টিসের উল্লেখ-সহ উসকানিমূলক স্লোগান লেখার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

    শিক্ষা বাজেট নিয়ে বিচারপতির মন্তব্য

    সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালে মহারাষ্ট্রে শিক্ষা খাতে বাজেট কমে যাওয়া এবং মারাঠি-মাধ্যমের স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।প্রতিবেদনের বক্তব্য, নাসিক-ত্র্যম্বকেশ্বর সিংহস্থ কুম্ভমেলার জন্য বরাদ্দ অর্থের সামান্য অংশও যদি ওই স্কুলগুলির জন্য ব্যবহার করা যেত, তাহলে বেশ কয়েকটি স্কুলকে রক্ষা করা সম্ভব হত। একই সঙ্গে প্রতিবেদনে হজ, মাদ্রাসা, মসজিদ ও গির্জার জন্য সরকারি অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    মাদ্রাসার অর্থায়ন খতিয়ে দেখছে এটিএস

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাসদমন শাখা রাজ্যের হাজার হাজার মাদ্রাসার ব্যাংক হিসাব, অর্থের উৎস এবং পড়ুয়াদের নথি পরীক্ষা শুরু করেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    বিশেষ করে সরকারি অনুদান ছাড়াই পরিচালিত প্রায় ১৬ হাজার মাদ্রাসার অর্থের উৎস, আয়-ব্যয় এবং সেখানে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ঈদ-ই-মিলাদ মিছিল ঘিরে সংঘর্ষের অভিযোগ

    বেঙ্গালুরুর বাসবনগুড়ি এলাকায় ঈদ-ই-মিলাদ উপলক্ষে আয়োজিত মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    ঘটনাস্থলের বলে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে কয়েকজন হিন্দু যুবকের ওপর হামলা চালানোর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি লোহার রড দিয়ে হামলার অভিযোগও তোলা হয়েছে। তবে পরবর্তী পুলিশি পদক্ষেপে হামলার শিকার হিন্দু যুবক এবং ঘটনার প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও কাজে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগে মামলা করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তেও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় ধর্মীয় স্বাধীনতা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আরএসএসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের পরিকল্পিত আমেরিকা সফরের কয়েক সপ্তাহ আগে এই আহ্বান জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে (Weekly Roundup)।

    সংস্থাটি আরএসএসের বিরুদ্ধে “ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা অব্যাহত রাখার” অভিযোগ তুলেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির প্রধান আসিফ মাহমুদের পাকিস্তানের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞা নিয়েও প্রশ্ন

    প্রতিবেদনের শেষাংশে বলা হয়েছে, হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক অপরাধের পেছনে কিছু ধর্মীয় শিক্ষা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব রয়েছে বলে লেখকদের অভিমত। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে বৈরিতা তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হলেও নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে পরিচয় দেওয়া রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্ম হিন্দুবিদ্বেষ দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    এই ধরনের বৈষম্য অনেক সময় সরাসরি চোখে পড়ে না এবং প্রচলিত আইন ও নীতির ধরন বিশ্লেষণ করলেই তা বোঝা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবহারের ওপর ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞাকে এর একটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনের বক্তব্য, পরিবেশদূষণের দিক থেকে এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হলেও, হিন্দু উৎসবগুলির ওপর আরোপিত অন্যান্য বিধিনিষেধ এবং সেগুলির যুক্তির মধ্যে থাকা সামঞ্জস্যহীনতা বিবেচনা করলে বিষয়টি নতুনভাবে দেখা (Weekly Roundup) প্রয়োজন।

    প্রতিবেদনটির এই সমস্ত অভিযোগ ও বক্তব্য সংশ্লিষ্ট ঘটনার স্বাধীন যাচাই বা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ছাড়া চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Uttarakhand: মিলল রাজ্যপালের সম্মতি, আইনে পরিণত হল উত্তরাখণ্ড সংখ্যালঘু শিক্ষা বিল

    Uttarakhand: মিলল রাজ্যপালের সম্মতি, আইনে পরিণত হল উত্তরাখণ্ড সংখ্যালঘু শিক্ষা বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিলল রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) গুরমিত সিংয়ের সম্মতি। আইনে পরিণত হয়ে গেল উত্তরাখণ্ড সংখ্যালঘু শিক্ষা বিল, ২০২৫। রাজ্যপালের অনুমোদন মেলায় রাজ্যের (Uttarakhand) সংখ্যালঘু শিক্ষা কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের পথ খুলে গেল। এর ফলে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০১৬ এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত স্বীকৃতি বিধিগুলির বদলে একটি একক ও ঐক্যবদ্ধ আইন কার্যকর হবে (Madrasa Board)।

    লোপ পাবে মাদ্রাসা ব্যবস্থা! (Uttarakhand)

    বর্তমান মাদ্রাসা-নির্দিষ্ট ব্যবস্থা লোপ পাবে ২০২৬ সালের ১ জুলাইয়ের মধ্যে। এরপর একটি আরও সরল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও একীভূত শাসনব্যবস্থার পথ প্রশস্ত হবে, যা উত্তরাখণ্ডের সব সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে। জানা গিয়েছে, নয়া আইনে রাজ্যজুড়ে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি তদারকির জন্য একটি একক কর্তৃপক্ষ গঠিত হবে। এই সংস্থা সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি দেওয়া, শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, এবং উত্তরাখণ্ড স্কুল শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশিকা মেনে চলা নিশ্চিত করবে। এই কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য হবে, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থা বজায় রাখা, এবং সংখ্যালঘু স্কুলগুলির পরিচালনায় দায়বদ্ধতা জোরদার করা।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী  

    মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী রাজ্যপালের অনুমোদনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “এই নয়া কাঠামো রাজ্যের সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং মানোন্নয়নকেন্দ্রিক করে তুলবে। আইনটি সরকারকে কার্যকরভাবে পরিচালনা পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশ জারি করার ক্ষমতা দিয়েছে, যাতে শিক্ষার উৎকর্ষতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করা যায়।” এই বিলটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল স্বীকৃতির পরিসর মুসলিম প্রতিষ্ঠানের বাইরেও সম্প্রসারণ করা। ঐতিহাসিকভাবে, উত্তরাখণ্ডে কেবল মুসলিম-পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলিই সরকারিভাবে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত ছিল। কিন্তু সংখ্যালঘু শিক্ষা বিল, ২০২৫ এখন শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং পারসি সম্প্রদায় পরিচালিত স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকেও একই নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় এনেছে (Madrasa Board)।

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সমান অধিকার

    এই পরিবর্তনের মাধ্যমে সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সমান অধিকার, স্বীকৃতি ও মান নিয়ন্ত্রণের মানদণ্ড নিশ্চিত (Uttarakhand) হচ্ছে, যা শাসন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তি ও ঐক্যকে উৎসাহিত করবে। বিলটি পূর্ববর্তী আইনে থাকা বৈষম্য ও সীমিত স্বীকৃতির সমস্যাগুলির সমাধান করে একটি আরও সুষম ও বৈচিত্র্যপূর্ণ কাঠামো গড়ে তোলে, যা উত্তরাখণ্ডের বহুসাংস্কৃতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে। পূর্ববর্তী মাদ্রাসা-কেন্দ্রিক কাঠামোটি বেশ কিছু কার্যকরী ও প্রশাসনিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী ধামি জানান, কেন্দ্রীয় বৃত্তি বিলিতে অনিয়ম, মিড-ডে মিল প্রকল্পে অসঙ্গতি, এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতার অভাবের মতো বিষয়গুলি বারবার সামনে এসেছে। এই সব সমস্যা মাদ্রাসাগুলির পরিচালনাকে ব্যাহত করেছে এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে (Madrasa Board)।নয়া আইনটি এই ঘাটতিগুলি পূরণ করতে তৈরি করা হয়েছে, যাতে সরকার সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও ভালোভাবে তদারকি করতে পারে। ক্ষমতা কেন্দ্রীয়করণ ও নিয়মকানুনের স্ট্যান্ডার্ডাইজেশনের মাধ্যমে এই বিলটি অনিয়ম রোধ, সম্পদের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং দৈনন্দিন কার্যকলাপে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়েছে (Uttarakhand)।

    বিল পাশ হয়েছিল বাদল অধিবেশনে

    প্রসঙ্গত, সংখ্যালঘু শিক্ষা বিল, ২০২৫ উত্তরাখণ্ড বিধানসভার বাদল অধিবেশনে পাশ হয়। তার আগে সেটি মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায়। এখন এটি সারা রাজ্যে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির জন্য একটি অভিন্ন আইন হিসেবে বাস্তবায়িত হবে। জানা গিয়েছে, এই রূপান্তর পর্বে ধীরে ধীরে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০১৬ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বীকৃতি বিধি ১ জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাতিল করা হবে। এই সময়ে (Madrasa Board) নতুন নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে যাতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া মসৃণভাবে সম্পন্ন হয়, অ্যাকাডেমিক সময়সূচির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার ও প্রতিষ্ঠানগুলির স্বীকৃতি সুরক্ষিত থাকে (Uttarakhand)।

  • Uttarakhands Minority Education Bill: সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিল ২০২৫ পাশ করল উত্তরাখণ্ড বিধানসভা, কী আছে এতে?

    Uttarakhands Minority Education Bill: সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিল ২০২৫ পাশ করল উত্তরাখণ্ড বিধানসভা, কী আছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদল অধিবেশনে সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিল, ২০২৫ পাশ করল উত্তরাখণ্ড বিধানসভা (Madrasa)। এই বিলটি পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারের নীতিগত কাঠামো সংস্কারের একটি প্রচেষ্টা,  যেটি মূলত মাদ্রাসাগুলির ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছিল এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলিকে অগ্রাহ্য করেছিল (Uttarakhands Minority Education Bill)।

    মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আইন (Uttarakhands Minority Education Bill)

    ১ জুলাই ২০২৬ থেকে এই বিল কার্যকর হয়ে উত্তরাখণ্ড মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০১৬ এবং উত্তরাখণ্ড বেসরকারি আরবি ও ফার্সি মাদ্রাসা স্বীকৃতি বিধিমালা, ২০১৯ বাতিল করবে। যা এই বিলটিকে পূর্ববর্তী আইনগুলির থেকে আলাদা করে তা হল এর অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সংশোধনাত্মক চরিত্র। উত্তরাখণ্ড বিল মুসলিমদের পাশাপাশি অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলিকেও স্বীকৃতি দেয় এবং সংখ্যালঘু মর্যাদার সুবিধা দেয়। এখানে শিখ, জৈন, খ্রিস্টান, পার্শি এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কংগ্রেস সরকারের শাসনকালে এগুলিকেই পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বিলটির মূল লক্ষ্য হল, উত্তরাখণ্ডের সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে দীর্ঘদিন ধরে বজায় থাকা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা। পূর্ববর্তী আইনগুলি মাদ্রাসার জন্য একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা তৈরি করেছিল, যা বিদ্যালয় ব্যবস্থার অনুরূপ হলেও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলিকে আইনগত স্বীকৃতি ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে রেখেছিল।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    মাদ্রাসার ঘাটতি এবং অ-মুসলিম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অবহেলার মূল কারণ উত্তরাখণ্ডের পূর্বতন কংগ্রেস সরকার তুষ্টিকরণের রাজনীতি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি সংস্কার করার পরিবর্তে কংগ্রেস সরকার ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির স্বার্থে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে অনিয়ম ও অপূর্ণ সম্ভাবনায় ভরপুর একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছিল। ইসলামি মৌলবাদীদের ক্ষোভের ভয়ে কংগ্রেস সরকার শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সমতা প্রতিষ্ঠার প্রতি নজর দেয়নি (Uttarakhands Minority Education Bill)। এরই ফলস্বরূপ মাদ্রাসায় বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। এই সমস্যাগুলির মধ্যে ছিল বৃত্তি বিতরণে অনিয়ম, মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে অসঙ্গতি এবং মাদ্রাসা পরিচালনায় স্বচ্ছতার অভাব। এই কারণে সংস্কার অনিবার্য হয়ে উঠেছিল (Madrasa)।

    মাদ্রাসার সংখ্যাবৃদ্ধি জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্বেগ

    সংবেদনশীল সীমান্ত এলাকায় বেআইনি মাদ্রাসার সংখ্যাবৃদ্ধি জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্বেগ তৈরি করেছে। অনেক মাদ্রাসা অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে, অননুমোদিত নির্মাণ হচ্ছে অথবা শিক্ষার আড়ালে উগ্রপন্থী মতবাদ প্রচার করা হচ্ছে বলে সন্দেহ। এনসিপিসিআর প্রকাশিত একটি রিপোর্টে মাদ্রাসার কার্যক্রমের মূল সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে। এগুলি হল, ইসলাম ধর্মের উচ্চতা প্রচারে অতিরিক্ত জোর, শুধুমাত্র প্রতীকীভাবে এনসিইআরটির বই অন্তর্ভুক্তি, প্রায়ই অভিজ্ঞতামূলক শিক্ষার অভাবে পুরনো শিক্ষাদান পদ্ধতি, এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, যা ছাত্রছাত্রীদের মূলধারার সুযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করে (Uttarakhands Minority Education Bill)।

    উগ্রবাদ প্রতিরোধে বহুবিধ পদক্ষেপ

    নয়া এই বিলটি শিক্ষার আড়ালে ছড়িয়ে পড়া উগ্রবাদ প্রতিরোধে বহু দিক থেকে পদক্ষেপ করেছে। প্রথমত, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা প্রচারের জন্য গুরুমুখী ও পালি ভাষা পড়াশোনার বিধান রাখা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, সব সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠান পরিচালনার তদারকির জন্য উত্তরাখণ্ড স্টেট অথরিটি ফর মাইনরিটি এডুকেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এই বিলে ইউএসএমইএ নামে একটি নতুন ১২ সদস্যের সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে প্রতিটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে ছ’জন করে শিক্ষাবিদ এবং একজন সমাজকর্মীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা (Madrasa)।

    উত্তরাখণ্ড স্কুল শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত

    শিক্ষার গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ হিসেবে এই বিলটি অবশ্যই উত্তরাখণ্ড স্কুল শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিধান দিয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানগুলির পরিচালনা পদ্ধতি এবং পাঠ্যক্রমের মান একরকমভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। এটি সরাসরি এনসিপিসিআর রিপোর্টে উল্লিখিত উদ্বেগগুলি মোকাবিলা করে। নয়া কাঠামোর আওতায় ইউএসএমইএ এবং ইউবিএসই দ্বারা প্রণীত নিয়মাবলী সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠানগুলির সমস্ত শিক্ষাগত, প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে। ফলে শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, সামঞ্জস্য ও গুণগত মান উন্নত হবে (Uttarakhands Minority Education Bill)।

    বিলটিতে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা

    বিজেপি সরকারের আনা এই বিলটি ধর্মীয় স্বাধীনতার সংরক্ষণ ও সমন্বিত শিক্ষাগত মান বজায় রাখার মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৫ ও ২৬ ধর্ম বিশ্বাস প্রকাশ এবং পালন করার অধিকার সুরক্ষিত করেছে। তবে দুটিই যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধের আওতায় থাকে। আনজুম কাদারি বনাম ভারত সংঘ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য করেছে। এটি হল, একদিকে সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠানগুলিতে ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় নির্দেশনা ও প্রবর্তন অনুচ্ছেদ ২৮-এর কারণে সীমিত (Madrasa)।

    উত্তরাখণ্ডের এই বিলটি এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং এটি ধর্মীয় শিক্ষা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করছে না, বরং এনসিইআরটি এবং রাজ্য বোর্ডের মানদণ্ড মেনে চলার শর্ত দিয়ে তার ক্ষেত্র নির্ধারণ করছে। বিলটি সংখ্যালঘু অধিকার হরণ করছে এমন দাবি থেকে বহু দূরে, বরং এটি (Madrasa) নিশ্চিত করে যে প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় স্বাধীনতা শিক্ষাগত মানের সঙ্গে সুসঙ্গতভাবে বজায় থাকবে (Uttarakhands Minority Education Bill)।

  • Madrasa Education: প্রকৃত শিক্ষার অনুপযোগী মাদ্রাসা, সুপ্রিম কোর্টকে জানাল জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন

    Madrasa Education: প্রকৃত শিক্ষার অনুপযোগী মাদ্রাসা, সুপ্রিম কোর্টকে জানাল জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত শিক্ষার জন্য উপযুক্ত নয় মাদ্রাসা। মাদ্রাসার (Madrasa Education) মতো প্রতিষ্ঠান শিশু শিক্ষা অধিকারের বিরোধী। সুপ্রিম কোর্টে একথা জানাল জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন। মাদ্রাসার কর্মপদ্ধতিও বিধিবহির্ভূত বলে সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court) জানাল ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস বা এনসিপিসিআর (NCPCR)। 

    কেন একথা বলল এনসিপিসিআর?

    কয়েকদিন আগেই একটি রায়ে এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানায়, মাদ্রাসা (Madrasa Education)  শিক্ষা আইন, ২০০৪ ‘অসাংবিধানিক’। কারণ তা ‘ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি’কে লঙ্ঘন করে। সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদের অধীনে মৌলিক অধিকার বিরোধীও। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা জমা পড়ে। যার পর গত ৫ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়। ওই মামলা সূত্রেই জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন মাদ্রাসা সম্পর্কে নিজেদের লিখিত বক্তব্য জমা দিয়েছে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court)।

    কী বলল কমিশন?

    ২০০৯ সালের রাইট টু এডুকেশন অ্যাক্ট বা শিক্ষার অধিকার আইনের এক্তিয়ারে পড়ে না মাদ্রাসা (Madrasa Education)। ফলে মিড ডে মিল, ইউনিফর্ম, প্রশিক্ষিত শিক্ষক দ্বারা শিক্ষা পাওয়ার অধিকার ইত্যাদি আইনি সুযোগ থেকে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়ে চলেছে। দেশের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য চালু বিধিবদ্ধ শিক্ষা ব্যবস্থার সুযোগও তারা পাচ্ছে না। কমিশনের মতে, জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মূল স্রোতের খুব অল্পই মাদ্রাসায় শেখানো হয়। মূলত ধর্মীয় শিক্ষাই প্রাধান্য পায়। সেখানে শিক্ষক নিয়োগ হয় বেসরকারি পরিচালক দ্বারা। মূলত তিন ধরনের মাদ্রাসার উল্লেখ করেছে এনসিপিসিআর। 

    তিন ধরনের মাদ্রাসা

    স্বীকৃত মাদ্রাসা– যেখানে ধর্ম শিক্ষার পাশাপাশি বিধিবদ্ধ শিক্ষার কিছুটা শেখানো হয়। এই প্রতিষ্ঠানগুলি রাজ্য মাদ্রাসা বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত। যাদের ইউনিফায়েড ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এডুকেশন কোড আছে। 
    অস্বীকৃত মাদ্রাসা– যেখানে বিধিবদ্ধ শিক্ষা ব্যবস্থার অস্তিত্ব নেই। পরিকাঠামোর ঘাটতি থাকায় রাজ্য সরকারের অনুমোদন নেই।
    ভুয়ো মাদ্রাসা– যারা কখনওই রাজ্য সরকারের অনুমোদন নেওয়ার আবেদন করেনি। এনসিপিসিআর-এর নথি অনুযায়ী দেশের সর্বত্র এমন মাদ্রাসার সংখ্যা বিপুল। এখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী রয়েছে। এইসব প্রতিষ্ঠানে কেমন শিক্ষা দেওয়া হয়, শিক্ষা দেওয়ার পরিবেশ ও পরিকাঠামো আছে কিনা, তা জানা কঠিন। এখানকার শিক্ষার্থীদের তাই অশিক্ষিত হিসেবেই ধরা হয়।

    সাংবিধানিক ধারা লঙ্ঘন

    কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে, মাদ্রাসায় (Madrasa Education) অন্য ধর্মের পড়ুয়াদের ইসলামিক ধর্মীয় রীতি মেনে যে শিক্ষা প্রদান করা হয়, সেটা ভারতীয় সংবিধানের বিরোধী। সেই বিষয়টি ভারতীয় সংবিধানের ২৮ (৩) ধারার সম্পূর্ণ বিরোধী বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, একটি মাদ্রাসা ‘সঠিক’ শিক্ষা গ্রহণের জন্য একটি ‘অযোগ্য স্থান’। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, মাদ্রাসা শিক্ষার পক্ষে সন্তোষজনক জায়গা নয় তো বটেই, এমনকী সেখানে শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯-এর ধারা ২৯ এর অধীনে নির্ধারিত পাঠ্যক্রম এবং মূল্যায়ন পদ্ধতিও অনুপস্থিত। এই প্রতিষ্ঠান সাংবিধানিক আদেশের সামগ্রিক লঙ্ঘন…এবং জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট, ২০১৫-এর লঙ্ঘন করছে। কমিশনের দাবি, আদতে সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের প্রকৃত শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। এছাড়াও মৌলিক অধিকার–কোনও শিশুর ধর্ম, জাতি, বর্ণ, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য না করা , শিশুদের সুস্থভাবে এবং স্বাধীনতা ও মর্যাদার সঙ্গে বিকাশের সুযোগ দেওয়া হয়, তাদের শোষণ থেকে দূরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এনসিপিসিআর-এর দাবি, এমন একাধিক শর্ত পূরণ হয় না মাদ্রাসায়।

    আরও পড়ুন: ‘তালিবানি বাংলাদেশ’! নমাজের সময় ঢাক বন্ধের ফতোয়া, কমল দুর্গাপুজোর সংখ্যাও

    কমিশনের যুক্তি

    ধর্মীয় শিক্ষার জন্য সরকারের কোষাগার থেকে কীভাবে অর্থ খরচ করা হয়, তা ব্যাখ্যা করার জন্য গত মার্চে কেন্দ্রীয় সরকার এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই বিষয়টি ভারতীয় সংবিধানের ১৪ ধারা, ২৫ ধারা, ২৬ ধারা, ২৯ ধারা এবং ৩০ ধারার বিরোধী কিনা, তাও ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশের ভিত্তিতে হাইকোর্টে জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন জানিয়েছে, মাদ্রাসায় (Madrasa Education) শিশুদের যে শিক্ষা প্রদান করা হয়, সেটা উপযুক্ত নয়। যা ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইনের ধারার বিরোধী। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, মাদ্রাসার ক্ষেত্রে ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন প্রয়োজ্য হয় না। সাধারণ স্কুলের পড়ুয়ারা যে সুযোগ-সুবিধা পায়, তা থেকে বঞ্চিত হয় মাদ্রাসার পড়ুয়ারা। শিক্ষার অধিকার আইনের আওতায় যে কোনও স্কুলকে মৌলিক শিক্ষা প্রদান করতে হয়। সেই পরিস্থিতিতে শিক্ষার অধিকার আইনের বিরোধী কোনও কর্মকাণ্ডে সমর্থন করতে পারে না রাষ্ট্র, বুধবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এমনই অভিমত প্রকাশ করে এনসিপিসিআর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম! মিলেছে ভুয়ো আধারের সন্ধানও

    Uttar Pradesh: মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম! মিলেছে ভুয়ো আধারের সন্ধানও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মাদ্রাসায় (Madrasa) জাল নোটের কারবার ফাঁস করে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। একাধিক বিদেশি সংযোগ এবং ভুয়ো আধার কার্ড তৈরির তথ্য পাওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে প্রয়াগরাজ পুলিশ। এই মাদ্রাসায় নকল টাকা তৈরির সরঞ্জামেরও খোঁজ মিলেছে। তদন্তকারী অফিসাররা এখন মাদ্রাসার ৬৩০ জন ছাত্রের খোঁজে তল্লাশিতে নেমেছেন।

    মৌলবাদের জন্ম দেয় মাদ্রাসা(Uttar Pradesh)!

    স্থানীয় (Uttar Pradesh) সূত্রে জানা গিয়েছে, মাদ্রাসার (Madrasa) শিক্ষক মৌলভী তাফসীরুল ছাত্রদের মগজ ধোলাইয়ের কাজ করতেন। এই মাদ্রাসা প্রতি বছর বিদেশ থেকে প্রায় ৪৮ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (এটিএস) এবং ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি) দল বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তের কাজ শুরু করেছে। মাদ্রাসা থেকে প্রায় ৬৩০ জন ছাত্র পাশ করেছে। উল্লেখ্য, এই মাদ্রাসা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে (আরএসএস) সেখানে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে রেখেছে। মৌলভী তাফসীরুল প্রায় ৬ বছর মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছিলেন। আর এখান থেকে বছরে গড়ে প্রায় ১০৫ জন করে ছাত্র পাশ করে থাকে। আবার তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মৌলভী ছাত্রদের মধ্যে মৌলবাদের জন্ম দিয়েছেন। এই ছাত্ররা রীতিমতো প্রশিক্ষণ নিয়ে এখন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের খোঁজে ছয়টি রাজ্যে এটিএস, আইবি ও পুলিশ সক্রিয় হয়ে অভিযানে নেমেছে।

    সৌদি আরব-তুরস্ক থেকে বছরে ৪৮ লক্ষ টাকা আসত

    সৌদি আরব, তুরস্কের মতো দেশগুলি থেকে প্রতি বছর ৪৮ লাখ টাকা পাঠানো হয় এবং এখন পর্যন্ত মাদ্রসায় ২ কোটির বেশি টাকা জমা হয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে। মাদ্রাসা (Uttar Pradesh) কমিটির ম্যানেজার শহিদ দাবি করেছেন, এই অর্থ অন্যান্য দেশের সাহায্য, যা শিশুদের রক্ষণাবেক্ষণ এবং শিক্ষার খরচ হিসেবে বহন করা হয়। এখনও পর্যন্ত ২ কোটি টাকার বেশি টাকা জমা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। 

    আরও পড়ুনঃ “আমরা অশুভ শক্তির শেষকৃত্য সম্পন্ন করি”, বললেন ভাগবত

    অবৈধ লেনদেন

    যারা টাকা পাঠিয়েছে তাদের পরিচয় তদন্তকারী সংস্থা প্রকাশ করেনি। তবে পাকিস্তান-সংযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে ১২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাদ্রাসার (Uttar Pradesh) অধ্যক্ষ মৌলভী তাফসীরুলের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়দের হিসেবের বিবরণও চাওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলির কাছ থেকে অবৈধ লেনদেনের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। আইবি জিজ্ঞাসাবাদের সময় আরও চাঞ্চাল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, আব্দুল জহির নামক এক ব্যক্তি স্বীকার করেছেন যে ওড়িশায় তাঁর ভাইও জাল আধার কার্ড তৈরির চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এর খোঁজেও তদন্তে নেমেছে আইবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sexual Assault: উত্তর প্রদেশের মাদ্রাসায় নাবালক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ! পলাতক মৌলানা

    Sexual Assault: উত্তর প্রদেশের মাদ্রাসায় নাবালক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ! পলাতক মৌলানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাসায় নাবালক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের (Sexual Assault) অভিযোগ শিক্ষক মৌলানার বিরুদ্ধেই। অভিযুক্ত মাদ্রাসার মৌলবির নাম চাঁদ মোহম্মদ। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত মৌলানা পলাতক। ফলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh)। আবার গাড়ি পুখতা থানার ইনচার্জ প্রবেশ কুমার সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, আমরা মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনার তদন্তে নেমে কাজ শুরু করেছি।

    গোপনাঙ্গে তেল দিয়ে মালিশ করার অভিযোগ (Sexual Assault)

    উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) শামলি জেলার মুমতাজনগরের গুরানা গ্রামে ‘জামিয়া আরাবিয়া তালিমুল কুরআন’ নামে একটি মাদ্রাসায় এক নাবালক ছাত্রের ওপর যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত মৌলানা চাঁদ মোহম্মদ, এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিজে শিক্ষকতার কাজে যুক্ত ছিল বলে জানা গিয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক বাচ্চাকে দিয়ে নিজের গোপনাঙ্গে তেল দিয়ে মালিশ করার অভিযোগও রয়েছে। ইতিমধ্যে ছাত্রের যৌন নির্যাতনের (Sexual Assault) অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই, এই অভিযুক্ত মৌলানা এলাকা থেকে পালিয়াছে। অপর দিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে বহিষ্কার করেছে বলে জানিয়েছে। তবে প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে শিশুদের মধ্যে নিছক ঝগড়া বলে অভিহিত করেছে। গ্রামের বাইরে থেকেও অনেক পড়ুয়ারা এই মাদ্রাসায় পড়তে আসে। নির্যাতনের শিকার এই বাচ্চা ছেলেটি তার বাবা-মাকে আগেই হারিয়েছিল। তার দাদু-দিদার বাড়িতে থেকে পড়াশুনার জন্য মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছিল। আগেও এই বাচ্চাকে একাধিকবার অভিযুক্ত মৌলানা নিজের লালসার শিকার করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুনঃ বিচার ব্যবস্থা হবে আরও শক্তিশালী, ৩টি নতুন অ্যাপ চালু অমিত শাহের

    বাচ্চাদের ভয় দেখিয়ে চুপ থাকতে বলত

    স্থানীয়দের (Uttar Pradesh) দাবি, “চাঁদ মোহম্মদ অন্যান্য ছাত্রদেরকেও যৌন শোষণ (Sexual Assault) করেছে। ক্লাস শেষে ছোট বাচ্চাদের তার ঘরে ডেকে গোপনাঙ্গ মালিশ করতে বলত। সেই সঙ্গে বাচ্চাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালাতো। অসহায় বাচ্চাদের ভয় দেখিয়ে চুপ থাকতে বলত। চাঁদ মোহম্মদের এই অত্যাচারে সকলেই চরম অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। অবশেষে আজ বিষয়টি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও পুলিশ এখনও প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: ‘৬০০ মাদ্রাসা বন্ধ করেছি, বাকিগুলোও করব’, ঘোষণা অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    Himanta Biswa Sarma: ‘৬০০ মাদ্রাসা বন্ধ করেছি, বাকিগুলোও করব’, ঘোষণা অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬০০ মাদ্রাসা বন্ধ করেছি, বাকিগুলোও করব। বৃহস্পতিবার এমন মন্তব্য করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। কর্নাটকে বিজেপির (BJP) সভায় তিনি জানান, ধাপে ধাপে রাজ্যের সবকটি মাদ্রাসা (Madrasa) বন্ধ করা হবে। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা অসমের সংস্কৃতি নষ্ট করছে। ওই মাদ্রাসাগুলির পরিবর্তে তিনি যে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় চান, এদিন তাও জানান হিমন্ত।

    হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন…

    এদিন ভোটমুখী কর্নাটকে বিজেপি আয়োজিত সভায় যোগ দিয়েছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। বেলগাভিজ শিবাজি মহারাজ গার্ডেনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে হিমন্ত বলেন, বাংলাদেশ থেকে যারা অসমে এসেছে, তারা অসমের সংস্কৃতি ও সভ্যতা নষ্ট করছে। এর পরেই তিনি বলেন, আমি ৬০০ মাদ্রাসা বন্ধ করেছি। আমি চাই বাকি মাদ্রাসাগুলোও বন্ধ করতে। কারণ আমরা মাদ্রাসা চাই না। আমরা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় চাই।

    গত বছরই হিমন্ত (Himanta Biswa Sarma) দাবি করেছিলেন, অসম জেহাদিদের হটবেডে পরিণত হয়েছে। আল কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলা পাঁচজন জেহাদি গ্রেফতার হওয়ার পর একথা বলেছিলেন তিনি। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অন্ততঃ পক্ষে ছ জন জঙ্গি ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল। স্থানীয় যুবকদের জেহাদি মন্ত্রে দীক্ষিত করতেই তারা এ দেশে প্রবেশ করেছিল বলে দাবি গোয়েন্দা রিপোর্টে।

    কেন্দ্রের পূর্বতন কংগ্রেস সরকারের ব্যাপক সমালোচনার পাশাপাশি এদিন নরেন্দ্র মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন হিমন্ত। তিনি বলেন, এক সময় দিল্লির শাসকরা মন্দির ধ্বংসের কথা বলতেন। আর আজ, নরেন্দ্র মোদির শাসনে আমি মন্দির নির্মাণ নিয়ে কথা বলছি। তিনি বলেন, এটাই হল নতুন ভারত। কংগ্রেস এই নতুন ভারতকেই দুর্বল করতে চাইছে। হিমন্ত বলেন, কংগ্রেস নয়া মুঘলদের প্রতিনিধিত্ব করছে।

    আরও পড়ুুন: মিড ডে মিলের হিসেব খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় অডিট দল, ট্যুইট শুভেন্দুর

    এদিন কংগ্রেস ও বামপন্থীদের একযোগে নিশানা করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)। তিনি বলেন, কংগ্রেস এবং কমিউনিস্টরা ভারতের ইতিহাসকে বাবর, ঔরঙ্গজেব এবং শাজাহানের ইতিহাস বলে দেখিয়েছে। আর আমি বলতে চাই, ভারতের ইতিহাস কেবল এঁদের সম্পর্কেই নয়, বরং ছত্রপতি শিবাজি, গুরু গোবিন্দ সিংহের সম্পর্কেও। হিমন্ত বলেন, ঔরঙ্গজেব সনাতন সংস্কৃতি নষ্টের চেষ্টা করেছিলেন। বহু মানুষকে জোর করে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেছিলেন। প্রসঙ্গত, শিক্ষা ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া উচিত এই যুক্তিতে রাজ্যের সব মাদ্রাসাকে সাধারণ স্কুলে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Assam: মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চায় অসম সরকার, সাফ জানালেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

    Assam: মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চায় অসম সরকার, সাফ জানালেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চায় সরকার। শনিবার একথা জানালেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তিনি এও জানান, এটি নিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করছে সরকার। এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, প্রথম দফায় আমরা রাজ্যে মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চাই। মাদ্রাসায় (Madrasa) আমরা জেনারেল এডুকেশন চালু করতে চাই। মাদ্রাসাগুলিকে নথিভুক্তও করতে চাই। হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করছে। তারাও অসম সরকারকে সাহায্য করছে।

    ডিজিপি…

    অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের দিন কয়েক আগেই সে রাজ্যের ডিজিপি ভাস্কর জ্যোতি মহন্ত জানিয়েছিলেন, রাজ্যে মাদ্রাসাগুলির সংস্কার সাধনের ব্যাপারে আলোচনা চলছে। ছোট মাদ্রাসাগুলিকে কাছাকাছি থাকা বড় মাদ্রাসার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হবে। উগ্র মৌলবাদ এড়াতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার গুয়াহাটিতে অসম পুলিশের ডিজিপি বলেছিলেন, অসমে মাদ্রাসাগুলি ঠিকঠাক চলছে। যাঁরা মাদ্রাসা চালান এমন ৬৮ জনের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। এর পরেই তিনি বলেন, ছোট মাদ্রাসাগুলিকে এলাকার কোনও বড় মাদ্রাসার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। মাদ্রাসাগুলির সংস্কার সাধনের ব্যাপারেও কথাবার্তা চলছে। আইনকানুন তৈরি, মাদ্রাসা বোর্ড স্থাপনের ব্যাপারেও আলোচনা চলছে।

    আরও পড়ুুন: ভাঙড়ে আরাবুলের বাড়ির অদূরে মিলল বোমা, নেপথ্যে কারা?

    ডিজিপি বলেন, ইতিমধ্যেই প্রায় ১০০টি ছোট মাদ্রাসাকে বড় বড় মাদ্রাসার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনও সার্ভে চলছে। কিছুদিন আগে অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, অসমের মুসলিমরা মৌলবাদীদের বিশেষ টার্গেট। রাজ্যের ছোট ছোট মাদ্রাসাগুলিতে এমন ঘটনা হামেশাই ঘটে। তিনি আরও বলেন, অসম পুলিশ সন্ত্রাসী সংগঠন আনসারুল বাংলা টিম ও আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের ৯টি মডিউল ধ্বংস করেছে। গত বছর ৫৩ জন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি বলেন, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক। হিমন্ত বলেন, মুসলিম নেতারা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে বলেছেন, এই জাতীয় কাজকর্মে রাশ টানতে। একটি বৈঠকে যেখানে উপস্থিত ছিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের ৬৮ জন নেতা, মাদ্রাসগুলির সংস্কার সাধনে তাঁরা সহমত পোষণ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
  • UP Madrasa: যোগী রাজ্যে মাদ্রাসার পড়ুয়ারা পড়বে এনসিইআরটি-র সিলেবাস, কবে থেকে জানেন?

    UP Madrasa: যোগী রাজ্যে মাদ্রাসার পড়ুয়ারা পড়বে এনসিইআরটি-র সিলেবাস, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাসা শিক্ষায় ব্যাপক সংস্কার উত্তর প্রদেশে (UP Madrasa)। এবার থেকে যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের মাদ্রাসার (Madrasa) পড়ুয়ারা পড়বে এনসিইআরটির (NCERT) সিলেবাস। আগামী মার্চে যে সেশন শুরু হচ্ছে, সেই নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই নয়া সিলেবাসে পড়বে মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরা। মাদ্রাসা শিক্ষা পরিষদের চেয়ারপার্সন ইফতিকার আহমেদ বলেন, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নতুন সিলেবাসে। তিনি বলেন, এবার থেকে মাদ্রাসার পড়ুয়ারাও অঙ্ক, বিজ্ঞান এবং কম্পিউটার শিক্ষা পাবে।

    ওয়াকফ বোর্ড…

    গত নভেম্বরে উত্তরাখণ্ডের ওয়াকফ বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সে রাজ্যের ১০৩টি মাদ্রাসায়ই এনসিইআরটির সিলেবাস চালু করার। তারা এও জানিয়েছিল, ২০২৩ সালের নয়া শিক্ষাবর্ষ থেকে সব ধর্মের পড়ুয়াদের জন্যই খুলে দেওয়া হবে মাদ্রাসার দ্বার। ইসলামিক স্কুলগুলিতে আধুনিকীকরণের উদ্দেশে চালু করা হবে ইউনিফর্মও। উত্তরাখণ্ড ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান সাদাব শামস সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, মাদ্রাসার পড়ুয়াদের সমাজের মূল স্রোতে ফেরানোই আমাদের প্রথম কাজ। তিনি বলেন, নতুন বছরে আমরা এটাও চেষ্টা করব যাবে মাদ্রাসাগুলি সিবিএসই কিংবা উত্তরাখণ্ড স্টেট বোর্ডের অনুমোদন পায়।  

    গত সেপ্টেম্বরে উত্তর প্রদেশ সরকার সে রাজ্যের অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলি (UP Madrasa) সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে। এই মাদ্রাসাগুলি কোথা থেকে অর্থ পায়, শিক্ষকের সংখ্যা কত, সিলেবাসই বা কী এবং অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে। সেপ্টেম্বরে তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ করার পর উত্তর প্রদেশের ৩০৭টি মাদ্রাসাকে বেআইনি বলে ঘোষণা করে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। অভিযোগ, এই মাদ্রাসাগুলি একাধিক সরকারি বিধি লঙ্ঘন করেছে। এই কারণ দেখিয়েই তাদের বেআইনি ঘোষণা করে উত্তর প্রদেশ সরকার। যে মাদ্রাসাগুলিকে (UP Madrasa) বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ইসলামিক শিক্ষাকেন্দ্র দারুল উল্লামও।

    আরও পড়ুুন: মন্ত্রীদের রাজনৈতিক বক্তব্যের দায় সর্বদা সরকারের নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    যোগী সরকার যখন মাদ্রাসাগুলি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে, তখন তার ব্যাপক সমালোচনা করতে শুরু করে সে রাজ্যের কয়েকটি মুসলিম গোষ্ঠী। জামাত উলেমা-ই-হিন্দ সরকারের সমীক্ষার সিদ্ধান্তটিকে মাদ্রাসার বদনাম করতে ঈর্ষাকাতর প্রয়াস বলে বর্ণনা করে। যদিও মুসলিমদেরই একাধিক সংগঠনের মতে, এতে আদতে ভালই হবে মাদ্রাসাগুলির (UP Madrasa)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share