Tag: Mahakumbha 2025

  • Viral Girl Monalisa: “ধর্মান্তকরণের জন্য কেরলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মেয়েকে”, অভিযোগ কুম্ভমেলায় ভাইরাল মোনালিসার বাবার

    Viral Girl Monalisa: “ধর্মান্তকরণের জন্য কেরলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মেয়েকে”, অভিযোগ কুম্ভমেলায় ভাইরাল মোনালিসার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুম্ভ মেলার সময় সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তরুণী মোনালিসা ভোসলের বাবা জয়সিং ভোসলে তাঁর মেয়েকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, “মেয়েকে কেরলে (Kerala) নিয়ে গিয়ে ইসলাম ধর্মে পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়েছে।” এই বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে যখন মনালিসার (Viral Girl Monalisa) মা দাবি করেছেন কন্যা নাবালিকা। অন্যদিকে, এই বিয়েতে কেরলের সিনিয়র সিপিআই(এম) নেতা, সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের উপস্থিতি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ফলে নাবালিকাকে লাভ জিহাদের মাধ্যমে ধর্মান্তকরণের বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে।

    মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ (Viral Girl Monalisa)

    মধ্যপ্রদেশের খারগোন জেলার বাসিন্দা জয়সিং ভোসলে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। পত্রে মেয়েকে খুঁজে বের করে ফিরিয়ে আনার জন্য রাজ্য সরকারের সহায়তা চেয়েছেন। তাঁর দাবি, “আমরা এই সম্পর্কের ঘোর বিরোধী ছিলাম এবং বিয়ের খবর পেয়ে আমারা কেরলে (Kerala) গিয়েছিলাম।” তবে সম্প্রতি কেরলের তিরুবনন্তপুরম জেলার পুভার আরুমানুরে নাইনার মন্দিরে মোনালিসা ভোসলে (Viral Girl Monalisa) এবং মহম্মদ ফরমান খানের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

    বিয়ের আগে মোনালিসা তিরুবনন্তপুরমের থাম্পানুর থানায় গিয়ে দাবি করেছিলেন যে তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিয়েতে বাধা দিচ্ছেন এবং তিনি নিরাপত্তা চান। এরপর পুলিশ তাঁর বাবাকে আলোচনার জন্য তলব করে। তবে জয়সিং ভোসলে এই বিয়েতে সম্মতি দিতে অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন যে তাঁর মেয়েকে ভুল বুঝিয়ে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে ফিরে আসার পর বাবা আবারও জানান যে, আমার বিশ্বাস মেয়েকে চাপের মুখে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের নেতারাও মোনালিসাকে ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে পরিবারকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে।

    মোনালিসার বয়স মাত্র ১৬!

    মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) মায়ের বক্তব্যে কনের বয়স নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। কেরলের (Kerala) ভিএইচপি (VHP) সদস্যদের সঙ্গে একটি ফোনালাপে মা জানিয়েছেন, মোনালিসার বয়স এখনও বিয়ের আইনি বয়সের নিচে এবং পরিবার এই মিলনে সম্মতি দেয়নি। মা দাবি করেছেন মোনালিসার বয়স মাত্র ১৬ বছর এবং পরিবারের অমতেই এই বিয়ে হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, কুম্ভমেলার ছবি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই পরিবারের সাথে মোনালিসার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।মা অভিযোগ করেছেন, মেয়েকে চাপের মুখে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। পরিবারের কাছে মোনালিসার অফিশিয়াল নথি না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সঠিক জন্ম তারিখ যাচাই করতে পারছেন না।

    নারীদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর

    এখন যদি মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) বয়সের দাবি সঠিক হয়, তবে এটি গুরুতর আইনি জটিলতা তৈরি করবে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, নারীদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। এর কম বয়সে বিয়ে হলে তা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের আওতায় আসবে। ফলে সরকারের কাছে মোনালিসার সঠিক বয়স যাচাই করার এবং বিয়ের আইনি শর্তাবলী পূরণ হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি জোরালো হচ্ছে।

    সিপিআই (এম) নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক

    এই বিয়ের অনুষ্ঠানে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) বা সিপিআই(এম)-এর সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতি এবং প্রকাশ্য সমর্থন বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। কেরলের শিক্ষামন্ত্রী ভি শিবনকুট্টি, সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক এমভি গোবিন্দন, রাজ্যসভার সাংসদ এএ রহিম এবং সিপিআই(এম) নেতা ভিপিএস মোস্তফা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নেতারা নবদম্পতিকে অভিনন্দন জানান এবং এই বিয়েকে সামাজিক সম্প্রীতি ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, জোর দিয়ে বলেন, কেরলের (Kerala) দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য হলো বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সহাবস্থান এবং ব্যক্তিগত পছন্দের প্রতি শ্রদ্ধা।

    হিন্দু সংগঠনের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি

    সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক এমভি গোবিন্দন বলেন, সকল ধর্মের মূল নির্যাস হল মানবতা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিয়ে সমাজের সাম্য ও সম্প্রীতির প্রতিফলন। সাংসদ এএ রহিমও কেরলকে (Kerala) এমন একটি জায়গা হিসেবে বর্ণনা করেন যেখানে মানুষ নির্ভয়ে ভিন্ন ধর্মে বিয়ে করতে পারে। তবে কনের বয়স নিয়ে অভিযোগের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক নেতাদের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতাদের চরম হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) প্রতি লাভ জিহাদ, ধর্মান্তকরণ এবং বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

  • Monalisa Khan Marriage: মোনালিসা খান বিবাহে কনে নাবালিকা! এই অভিযোগে কেরালার মন্ত্রী-সাংসদের বিরুদ্ধে পকসো মামলার দাবি ভিএইচপি-র

    Monalisa Khan Marriage: মোনালিসা খান বিবাহে কনে নাবালিকা! এই অভিযোগে কেরালার মন্ত্রী-সাংসদের বিরুদ্ধে পকসো মামলার দাবি ভিএইচপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরালার একটি সাম্প্রতিক বিবাহ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আইনি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ‘মোনালিসা খান’ (Monalisa Khan Marriage) নামক এক তরুণীর বিবাহে উপস্থিত থাকা রাজ্যের একজন মন্ত্রী এবং একজন সংসদ সদস্যের (Kerala Minister MP) বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। অভিযোগ উঠেছে যে, ওই বিবাহে কনে আদতে নাবালিকা ছিল, যা ভারতীয় আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

    ঘটনার সূত্রপাত ও মায়ের অভিযোগ (Monalisa Khan Marriage)

    এই বিতর্কের মূলে রয়েছে কনের মায়ের একটি বিস্ফোরক বক্তব্য। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি দাবি করেছেন যে, তাঁর মেয়ে মোনালিসা (Monalisa Khan Marriage) এখনো আঠারো বছর পূর্ণ করেনি, অর্থাৎ সে আইনত নাবালিকা। মায়ের অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং বয়স সংক্রান্ত প্রমাণাদি জাল করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই বিবাহ তাঁর অমতে এবং প্রভাবশালীদের চাপে সম্পন্ন হয়েছে।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) অবস্থান

    নাবালিকা কন্যার বিয়েকে ঘিরে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই কড়া অবস্থান নিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সংগঠনের পক্ষ থেকে একাধিক দাবি করা হয়েছে। যথা-

    ১. পকসো (POCSO) মামলা

    যেহেতু কনে নাবালিকা (Monalisa Khan Marriage) বলে দাবি করা হয়েছে, তাই এই ঘটনার সাথে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ‘প্রটেকশন অফ চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস’ (POCSO) আইনের আওতায় মামলা দায়ের করতে হবে।

    ২. মন্ত্রী ও সাংসদের ভূমিকা

    বিবাহ অনুষ্ঠানে কেরালার একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং একজন সাংসদ (Kerala Minister MP) উপস্থিত ছিলেন। ভিএইচপি-র মতে, জনপ্রতিনিধি হয়েও একটি বাল্যবিবাহে অংশগ্রহণ করে তাঁরা আইন লঙ্ঘন করেছেন এবং এই বেআইনি কাজকে পরোক্ষভাবে উৎসাহ দিয়েছেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধেও তদন্ত ও মামলা হওয়া প্রয়োজন।

    ৩. নথি জালিয়াতি

    বিয়ের জন্য ব্যবহৃত বয়স সংক্রান্ত নথিপত্র কীভাবে তৈরি হলো, তার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও জবাবদিহি করতে হবে।

    ‘বাল্যবিবাহ নিরোধক আইন’ অনুযায়ী পদক্ষেপ

    ভারতে বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ (Monalisa Khan Marriage) এবং নাবালিকা বিবাহের ক্ষেত্রে পকসো আইনের প্রয়োগ অত্যন্ত কঠোর। যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে মোনালিসা খান বিয়ের সময় নাবালিকা ছিলেন, তবে কেবল বর বা পরিবার নয়, ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও আইনি জটিলতা এবং সমস্যায় পড়তে পারেন। ‘বাল্যবিবাহ নিরোধক আইন’ অনুযায়ী, এই ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা বা সহায়তা করাও অপরাধের শামিল। এই ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের শাস্তি অবধারিত।

    বিষয়টিতে ধামাচাপা দেওয়া যাবে না

    বর্তমানে এই পরিস্থিতিতে কেরালায় রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাটি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, প্রভাবশালীদের দাপটে যাতে এই স্পর্শকাতর বিষয়টি ধামাচাপা না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে, অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো জোরালো আইনি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

    মোনালিসা খানের (Monalisa Khan Marriage) এই বিবাহ বিতর্ক কেবল একটি পরিবারের বিষয় হয়ে থাকেনি, বরং এটি নারী সুরক্ষা, নাবালিকা অধিকার এবং জনপ্রতিনিধিদের নৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নে একটি বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সঠিক তদন্তই বলে দেবে এই অভিযোগের সত্যতা কতখানি।

LinkedIn
Share