Tag: Mahua Moitra

Mahua Moitra

  • Mahua Moitra: বড় পদক্ষেপ এথিক্স কমিটির, কেন্দ্রের থেকে চাওয়া হল মহুয়ার বিদেশযাত্রার তথ্য

    Mahua Moitra: বড় পদক্ষেপ এথিক্স কমিটির, কেন্দ্রের থেকে চাওয়া হল মহুয়ার বিদেশযাত্রার তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার লোকসভার সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বিদেশযাত্রা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য চাইল লোকসভার এথিক্স কমিটি। অভিযুক্ত সাংসদের বিদেশযাত্রা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের কাছে চাওয়া হয়েছে কমিটির তরফে। একইসঙ্গে মহুয়াকে ঘুষ দেওয়ায় অভিযুক্ত দুবাইবাসী ভারতীয় শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির বিভিন্ন দেশে যাওয়ার তথ্যও চেয়েছে ওই কমিটি। প্রসঙ্গত, এই শিল্পপতির কাছ থেকেই অর্থ ও উপহার নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন তোলার অভিযোগে কাঠগড়ায় মহুয়া।

    এথিক্স কমিটির তৎপরতা

    তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগকারী দু’জন। একজন সাংসদ বিজেপির নিশিকান্ত দুবে এবং অন্যজন আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাই। এই দু’জনকেই তলব করে তাঁদের বয়ান নথিভুক্ত করেছে এথিক্স কমিটি। ৩১ অক্টোবর, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মহুয়াকে এথিক্স কমিটির সামনে হাজিরাও দিতে বলা হয়েছে। মহুয়া এথিক্স কমিটির সামনে আসার আগেই তাঁর বিদেশযাত্রা সংক্রান্ত তথ্য হাতে পেতে মরিয়া কমিটি। শুধু তাই নয়, কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কোন কোন তারিখে কোথা থেকে মহুয়ার সংসদের অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করা হয়েছিল।

    হীরানন্দানির হলফনামা

    মহুয়াকে (Mahua Moitra) ব্যবহার করে লোকসভায় আদানি গোষ্ঠী সম্পর্কিত প্রশ্ন যে তিনি তুলেছেন, হলফনামায় তা স্বীকার করে নিয়েছেন শিল্পপতি হীরানন্দানি। মহুয়া যে সংসদের লগ-ইন আইডি তাঁকে দিয়েছিলেন, তাও স্বীকার করে নিয়েছেন হীরানন্দানি। গত সপ্তাহেই স্বাক্ষর করা হলফনামায় হীরানন্দানি মেনে নিয়েছেন যে তিনি মোদি সরকার এবং আদানি গোষ্ঠীকে অস্বস্তিতে ফেলার মতো প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়াকে ব্যবহার করেছেন। দর্শন হিরানন্দানি জানান, অর্থ ও দামি উপহারের বিনিময়ে তৃণমূল সাংসদ তাঁর সংসদীয় ই-মেল আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে দেন। সেখানেই যাবতীয় প্রশ্ন লিখে পাঠাতেন তিনি। আদানি গোষ্ঠী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চাপে ফেলতে চেয়েছেন বলে অভিযোগ, তা প্রায় মেনে নিয়েছেন সেই ব্যবসায়ী। 

    আরও পড়ুুন: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করবে ইডি!

    ৩১ তারিখ যাবেন না মহুয়া মৈত্র

    এদিকে, ৩১ তারিখে তাঁর পক্ষে এথিক্স কমিটির সামনে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয় বলেই জানিয়ে দিলেন তৃণমূল সাংসদ। মহুয়া জানিয়েছেন, ওই দিন তাঁর পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। তবে ৫ নভেম্বরের পর যে কোনও দিন দিল্লিতে এথিক্স কমিটির সামনে হাজিরা দিতে পারবেন তিনি। মহুয়া লিখেছেন, “আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধি, যেখানে দুর্গাপুজো সব থেকে বড় উৎসব। আমার আগে থেকেই একাধিক বিজয়া দশমী সম্মেলনে (সরকারি ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে) যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর অবধি আমার কেন্দ্রে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে, সেই কারণে আমি ৩১ অক্টোবর দিল্লিতে যেতে পারব না।” মহুয়া (Mahua Moitra) বলেন, “ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানিরও কমিটির সামনে হাজিরা দেওয়া উচিত এবং আমায় যে বিভিন্ন দামি দামি উপহার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন, তার বিস্তারিত তালিকা পেশ করা উচিত। হিরানন্দানির মৌখিক বয়ান ছাড়া এই তদন্ত অসম্পূর্ণ ও পক্ষপাতদুষ্ট হবে। এটা ক্যাঙ্গারু কোর্ট বসানোর সমার্থক হয়ে যাবে। কমিটির চূড়ান্ত রিপোর্ট দেওয়ার আগে হিরানন্দানিকেও তলব করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Cash For Query: ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়াকে তলব এথিক্স কমিটির, কবে হাজিরা?

    Cash For Query: ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়াকে তলব এথিক্স কমিটির, কবে হাজিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন মামলায় (Cash for query) তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে তলব করল লোকসভার এথিক্স কমিটি। আজ বৃহস্পতিবার, দুপুর সাড়ে ১২টায় সংসদের এথিক্স কমিটির সামনে হাজির হন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। প্রথম পর্যায়ে আজ মূল অভিযোগকারী নিশিকান্তের পাশাপাশি আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাইকে তলব করেছিল কমিটি। তাঁদের বয়ানও এদিন রেকর্ড করা হয়। পরের পর্যায়ে ৩১ তারিখ ডাকা হয়েছে মহুয়াকে। 

    কী এই এথিক্স কমিটি

    বিভিন্ন দলের ১৫ সদস্যের এক কমিটি এখন বিষয়টির তদন্ত করবে। বর্তমানে লোকসভার এথিক্স কমিটির সভাপতি বিজেপি সাংসদ বিনোদ কুমার সোনকর। তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিটি এবার এই অভিযোগ খতিয়ে দেখে তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ করবে। কমিটির অনান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ডাঃ সুভাষ রামরাও ভামরে- বিজেপি, সুনীতা দুগ্গল-বিজেপি, হেমন্ত তুকারাম গডসে-শিবসেনা, প্রনীত কৌর-কংগ্রেস, কুনওয়ার দানিশ আলি-বিএসপি, পি আর নটরাজন-সিপিএম, উত্তম কুমার নালমাদা রেড্ডি-কংগ্রেস, ডঃ রাজদীপ রায়-কংগ্রেস, অপরাজিতা সারঙ্গি-বিজেপি, সুমেদানন্দ সরস্বতী-বিজেপি, বিষ্ণু দত্ত শর্মা-বিজেপি, বালাশৌরি বল্লভানেনি-ওয়াইএসআর কংগ্রেস, বৈথিলিঙ্গম ওয়ে-কংগ্রেস, গিরিধারী যাদব-আরজেডি।

    কী বলল কমিটি

    এদিন কমিটির চেয়ারম্যান বিনোদ সোনকার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা আইনজীবী এবং দুবের কথা শুনেছি। অভিযোগের গুরুত্ব বিচার করে আগামী মঙ্গলবার মহুয়াকে তলবের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপস্থিত হয়ে তাঁর নিজের বক্তব্য তুলে ধরা উচিত।’’ সোনকার আরও জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককেও চিঠি পাঠিয়ে তাদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে। এটা কমিটির বিশেষ অধিকারের মধ্যে পড়ে। সব দিক খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে এথিক্স কমিটি।

    বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এথিক্স কমিটি থেকে বেরিয়ে বলেন, ‘সব স্বাভাবিক প্রশ্ন করা হয়েছিল আমায়। সকল সাংসদরাই উদ্বিগ্ন রয়েছেন বিষয়টি নিয়ে। আমায় আবার ডেকে পাঠালে আমি আসব। সংসদের ঐতিহ্য এবং মর্যাদা রক্ষার বিষয় এটি। এথিক্স কমিটি আমার থেকেও বেশি চিন্তিত।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Bengal Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে হানা ইডির, একযোগে তল্লাশি ৮ জায়গায়

    Bengal Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে হানা ইডির, একযোগে তল্লাশি ৮ জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো মিটতেই ফের রাজ্যের রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের (Bengal Ration Scam) তদন্তে সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। বৃহস্পতিবার সাতসকালে রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা ডাকসাইটে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (TMC Minister Jyotipriya Mallick) সল্টলেকের বাড়িতে হানা দিল ইডি। তদন্তকারী দল হানা দিয়েছে মন্ত্রীমশাইয়ের আপ্ত সহায়ক অমিত দে-র বাড়িতেও। একযোগে রাজ্যের ৮টি জায়গায় চলছে ইডি তল্লাশি।

    ভোর ৬টায় মন্ত্রীর বাড়িতে ইডি হানা

    রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Bengal Ration Scam) মামলার তদন্তে উঠে এসেছে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের  (TMC Minister Jyotipriya Mallick) নাম। এই মামলায় বাকিবুর রহমানের গ্রেফতারির পর তার থেকে প্রাপ্ত নথি থেকে মন্ত্রীমশাইয়ের নাম উঠে এসেছে। সেই যোগসূত্রে এদিন ভোর ছ’টা নাগাদ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে পৌঁছয় ইডি অফিসারদের বিশাল দল। সল্টলেকের বিসি ব্লকে পাশাপাশি দুটি বাড়িতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি। জানা গিয়েছে, ফ্ল্যাটেই আছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী।

    মন্ত্রীর আপ্ত-সহায়কের জোড়া ফ্ল্যাট নাগেরবাজারে

    ইডি-র আরেকটি দল পৌঁছে গিয়েছে নাগেরবাজারে। সেখানে জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক অমিত দে-র বাড়িতে চলছে তল্লাশি। সূত্রে খবর, নাগেরবাজারে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে অমিতের। একটি ভগবতী পার্ক এলাকায়, দ্বিতীয়টি স্বামী বিবেকানন্দ রোডে। যদিও, দুটিই বর্তমানে তালাবন্ধ অবস্থায়। ইডি সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পিএ-এর কোনও খোঁজ মিলছে না। ফোনেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সপরিবারে কোনও এক সৈকত শহরে ঘুরতে গিয়েছেন অমিত দে।

    বাকিবুরকে জেরা করেই মন্ত্রী-যোগসূত্রের হদিশ!

    ইডি সূত্রে দাবি, রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে (Bengal Ration Scam) গ্রেফতার বাকিবুর রহমানের বাড়িতে তল্লাশি করে প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ নথি পায় ইডি। এছাড়া বাকিবুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই বেশ কিছু তথ্য পায় প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে। ইডি সূত্রে দাবি, ২০১১ সালের পর থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে বাকিবুর। সূত্রের খবর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (TMC Minister Jyotipriya Mallick) ঘনিষ্ঠ হওয়ার ফলেই খাদ্য দফতরে কয়েক জন অফিসারকে হাতে নিয়ে কোয়ালিটি কন্ট্রোলের ল্যাবরেটরি হস্তগত করে বাকিবুর। কাকতালীয়ভাবে, ২০১১ সাল থেকেই মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আপ্ত সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন অমিত দে।

    বাকিবুরের ফ্ল্যাট থেকে কী মিলেছে?

    গত বুধবার সকাল থেকে বাকিবুরের কলকাতার কৈখালির ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান শুরু চালিয়েছিল ইডি। বাকিবুরের ফ্ল্যাট থেকে ১০০-র বেশি সরকারি দফতরের সিলমোহর (স্ট্যাম্প) মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১০৯টি স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। এর পর ম্যারাথন জেরার পর শনিবার সকালে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় (Bengal Ration Scam) গ্রেফতার অভিযুক্ত ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে জেরা করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁর ৯৫ জায়গায় ১০০ কোটির সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। দুবাইতে জোড়া ফ্ল্যাটের হদিশও মিলেছে। বাকিবুরের পাশাপাশি, তাঁর ঘনিষ্ঠ অনুচরের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় ইডি। বাকিবুরের ওই ঘনিষ্ঠের নাম অভিষেক বিশ্বাস। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্পর্কে বাকিবুরের শ্যালক হন অভিষেক। তাঁর বাড়ি চিনার পার্কে।

    রকেট গতিতে উত্থান বাকিবুরের

    ইডি সূত্রে দাবি, বাকিবুর তার মামা সিরাজ বাবুর হাত ধরে ২০০৪ সালে খাদ্য দফতরের কাজ করা শুরু করে। প্রথমে চারটি শক্তিমান গাড়ি নিয়ে শুরু করেছিল তার ব্যবসা। তবে, আচমকাই রকেটের গতিতে উত্থান হয় তার। কোনও এক জাদুবলে সেখান থেকে অল্প সময়ের মধ্যে রাইস মিল থেকে ফ্লাওয়ার মিল, হোটেল-রিসর্ট থেকে বিদেশে সম্পত্তি তৈরি হয় বাকিবুরের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, একাধিক হোটেল, রিসর্ট, পানশালা রয়েছে বাকিবুরের। বাকিবুরের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-সহ যে নথিগুলি উদ্ধার হয়েছে, তা থেকে প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে বাকিবুরের বিভিন্ন সংস্থায় ৫০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ ঢুকেছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Mahua Moitra: “মহুয়া উচ্চাকাঙ্ক্ষী, কী দিইনি গাড়ি,  ফ্ল্যাট”, বিস্ফোরক দাবি ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির

    Mahua Moitra: “মহুয়া উচ্চাকাঙ্ক্ষী, কী দিইনি গাড়ি, ফ্ল্যাট”, বিস্ফোরক দাবি ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক সুবিধা নিয়ে লোকসভায় আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুখ খোলার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে। অভিযোগ, মহুয়া মুম্বইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির (Darshan Hiranandani) ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে, সংসদে গৌতম আদানি ও আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লাগাতার প্রশ্ন তুলে গেছেন। মামলা সিবিআই ও সংসদের এথিক্স কমিটি পর্যন্ত গড়িয়েছে দেখে, দর্শন হীরানন্দানি একপ্রকার রাজসাক্ষী হয়ে গেলেন।

    হলফনামায় কী বললেন দর্শন

    দর্শন দাবি করেছেন, মহুয়া (Mahua Moitra) অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী। দ্রুত নাম করতে চেয়েছিলেন। সে জন্যই নরেন্দ্র মোদীকে ক্ষুরধার আক্রমণ করাকে সহজ রাস্তা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন মহুয়া। মোদিকে নিশানা করার জন্যই গৌতম আদানি ও আদানি শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ‘হাত ধুয়ে’ লেগে পড়েন মহুয়া।  স্বাক্ষর করা ‘হলফনামা’য় হিরানন্দানি কার্যত মহুয়া ও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মেনে নিয়েছেন। মহুয়া মৈত্র অবশ্য দর্শন হিরানন্দানির হলফনামার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘লোকসভার এথিক্স কমিটিতে জমা করা ওই হলফনামা আসলে একটি লেটারহেড ছাড়া সাদা কাগজ। আর সংবাদমাধ্যমে লিক হওয়া ছাড়া এই হলফনামার কোনও উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি।’

    মহুয়ার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ

    দুবাই-কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী হীরানন্দানির থেকে নেওয়া অর্থ ও উপহারের বিনিময়ে মহুয়া লোকসভায় প্রশ্ন করেছেন এমন অভিযোগ তুলে গত রবিবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি পাঠান বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। স্পিকারের কাছে মহুয়াকে (Mahua Moitra) সাংসদ পদ থেকে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করার আর্জিও জানিয়েছেন নিশিকান্ত। আবার আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাই মহুয়ার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলে সিবিআই প্রধানকে চিঠি দিয়েছিলেন। এবার দর্শনের হলফনামা সামনে আসায় আরও বিপাকে পড়লেন মহুয়া। 

    জোর খাটাতে পারেন মহুয়া

    দর্শনের দাবি, মহুয়ার সঙ্গে তাঁর প্রথম আলাপ হয় কলকাতায়। সে সময়ে কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আয়োজন করা বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট চলছিল। ওই সম্মেলনে তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন। সে সময়ে মহুয়ার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও ফোন নম্বর বিনিময় হয়। এর পর থেকে প্রায়ই তাঁদের ফোন কথা চলতে থাকে। মুম্বই, দিল্লি ও দুবাইতে তাঁদের সামাজিক অনুষ্ঠানে বহুবার দেখা হয়। তার পর বন্ধু সম্পর্ক আরও নিবিড় হয়। এতটাই যে এক সময় তাঁদের রোজ কথা হত। দর্শন হীরানন্দানি হলফনামায় লিখেছেন, মহুয়া ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে খুবই জোর খাটাতে পারেন। কোনও কিছু তাঁর চাই মানে তক্ষুণি চাই। সব কাজ ফেলে রেখে তাঁর ব্যাপারটায় নজর দিতে হবে। তাঁর কাজ মানেই জরুরি ব্যাপার। 

    আরও পড়ুন: কাল মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন, জেনে নিন এর পৌরাণিক তাৎপর্য

    সংসদের লগ-ইন আইডি দিয়েছিলেন মহুয়া

    হীরানন্দানি ‘হলফনামা’য় স্বীকার করেছেন যে তিনি মহুয়াকে (Mahua Moitra) ব্যবহার করে লোকসভায় আদানি গোষ্ঠী সম্পর্কিত প্রশ্ন তুলেছেন সংসদে। মহুয়া শিল্পপতিকে সংসদের লগ-ইন আইডি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন নিশিকান্ত। সেটাও স্বীকার করেছেন হীরানন্দানি। মহুয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন উপহার নেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে তাতেও মান্যতা দেওয়া হয়েছে হীরানন্দানির ‘হলফনামা’য়। বলা হয়েছে, মাঝেমাঝেই নানা আব্দার করা হত। দাবি থাকত বিলাসবহুল সামগ্রী, দিল্লির সরকারি বাসভবন সংস্কার করিয়ে দেওয়া, ছুটি কাটানো বা বেড়ানোর খরচের জন্যও দাবি করা হত। সেটা যেমন দেশের বিভিন্ন জায়গায়, তেমন বিদেশেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন! কাঠগড়ায় তৃণমূলের মহুয়া

    Mahua Moitra: ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন! কাঠগড়ায় তৃণমূলের মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠল কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি পাঠালেন সাংসদ বিজেপির নিশিকান্ত দুবে। মহুয়ার সাংসদ পদ কেড়ে নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়েছে।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ আইনজীবীরও

    আইনজীবী অনন্ত দেহাদরিও মহুয়ার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলে চিঠি দিয়েছেন সিবিআই প্রধানকে। নিশিকান্ত ও অনন্ত দু’জনেরই অভিযোগ, ব্যবসায়ী দর্শন হিরনানদানির কাছ থেকে অর্থ নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কথা বলেছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম জড়িয়েছেন মহুয়া।

    স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ

    রবিবার স্পিকারকে (Mahua Moitra) দেওয়া চিঠিতে মহুয়ার বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গ ও সংসদের অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ নিশিকান্তর দাবি, ব্যবসায়ী হিরনানদানির স্বার্থ দেখতে নগদ টাকা ও উপহারের বিনিময়ে লোকসভায় প্রায় ৫০টি প্রশ্ন তুলেছেন মহুয়া। তাঁর দাবি, বিষয়টি ফৌজদারি অপরাধ। তৃণমূল সাংসদের প্রশ্ন শোনার পর সরব হয়েছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সাংসদ সৌগত রায়ের নামও উল্লেখ করেছেন গোড্ডা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ।

    ২০০৫ সালের ১২ ডিসেম্বরের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন নিশিকান্ত। তিনি লিখেছেন, চতুর্দশতম লোকসভায় ২০০৫ সালের ১২ ডিসেম্বর অর্থের বিনিময়ে প্রশ্নের অভিযোগ উঠলে তৎকালীন স্পিকার একটি  তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন। তদন্তের পরে মাত্র ২৩ দিনের মধ্যে লোকসভার ১০ সাংসদকে অপসারিত করা হয়েছিল। মহুয়াকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার আর্জি জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: সোমবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোয় ‘রাম মন্দির’ উদ্বোধনে অমিত শাহ, সাজো সাজো রব

    এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া (Mahua Moitra) বলেন, “যে কোনও তদন্তের জন্য প্রস্তুত।” তাঁর সংযোজন, সিবিআইকেও স্বাগত জানাচ্ছি। তারা আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করতে পারে। কিন্তু তার আগে আদানির সমস্ত অর্থ কোন পথে সমুদ্রের ওপারে পৌঁছচ্ছে, সেটাও তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: “কোনও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই তৃণমূলের”, রাহুলের খোঁচার জবাব মহুয়ার

    Mahua Moitra: “কোনও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই তৃণমূলের”, রাহুলের খোঁচার জবাব মহুয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘালয় ভোটে তৃণমূলের অবস্থান নিয়ে বার বারই সন্দেহ প্রকাশ করেছে রাজনৈতিক মহল। সরাসরি ঘাসফুল শিবিরের দিকে নিশানা দেগে গত বুধবার রাহুল গান্ধী বলেন, বিজেপিকে সাহায্য করতেই মেঘালয়ে তৃণমূল এসেছে। এবার রাহুলকে জোরদার জবাব দিল তৃণমূল। তৃণমূলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) বৃহস্পতিবার বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল ২০২১-এ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে হারিয়েছে। তাই রাহুলের কাছে তৃণমূলের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রমাণের কোনও দায় নেই।” তিনি আরও বলেন, “কংগ্রেস কি বিজেপিকে হারাতে পারবে? তবে আমাদের কোনও প্রয়োজন হবে না। তবে কংগ্রেস বিজেপিকে হারাতে ব্যর্থ হওয়ার আমরা  মানুষের সামনে একটি বিকল্প হিসাবে সামনে আসি। তৃণমূল হচ্ছে একমাত্র বিকল্প শক্তি।”

     কী বলেন মহুয়া? 

    তিনি (Mahua Moitra) বলেন, “কংগ্রেস একের পর এক রাজ্য়ে হেরে যাচ্ছে। আর আমরা বাড়িতে বসে সেটা দেখে যাব। আমাদের শক্তি আছে। যদি সমস্ত পুরুষ ভোট ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু প্রতিটি মহিলা ভোট যদি মেঘালয়ের মহিলা প্রার্থীর জন্য থাকে তবেও তৃণমূল জিতে যাবে।”

    কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ (Mahua Moitra) আরও বলেন, “শুধু দ্বি-দলীয় ব্যবস্থার উপরে যদি আমরা নির্ভর করি, তা হলে ভারতে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নেই। সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তাই তৃণমূলের বিজেপি-বিরোধী অবস্থানের বিশ্বাসযোগ্যতা কারও কাছে প্রমাণ করতে হবে না। কারও কাছ থেকে তৃণমূলের শংসাপত্রের প্রয়োজন নেই।”

    আরও পড়ুন: প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক, বন্ধুর মুণ্ডচ্ছেদ করে গোপন অঙ্গ কেটে ফেলল প্রেমিক

    এদিকে কংগ্রেসই নাকি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলছে। এমন অভিযোগ করেছেন বর্ষীয়ান তৃণমূলমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। শিলংয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বুধবার রাহুল অভিযোগ করেছিলেন, গোয়া, মেঘালয়ে বিজেপিকে সাহায্য করতেই তৃণমূল নির্বাচনের ময়দানে নেমেছে। রাহুল গান্ধীর এই অভিযোগ খণ্ডন করে বৃহস্পতিবার শিলংয়েই মানস বলেন, “বিজেপি-শাসিত গোয়ায় তৃণমূল লড়াই করেছে। এখন বিজেপি-শাসিত ত্রিপুরা ও মেঘালয়েও লড়াই করছে। তা হলে কী ভাবে বিজেপিকে তৃণমূল সহায়তা করছে? ছত্তীসগড়, মধ্যপ্রদেশে কিন্তু তৃণমূল কাউকে সমস্যায় ফেলতে যায়নি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: নিজের রাজ্যে খুঁজুন পাপ্পুকে দেখতে পাবেন! মহুয়াকে কড়া জবাব নির্মলার

    Nirmala Sitharaman: নিজের রাজ্যে খুঁজুন পাপ্পুকে দেখতে পাবেন! মহুয়াকে কড়া জবাব নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের রাজ্যে খোঁজ করুন, ‘পাপ্পুর’দেখা পেতে পারেন।  তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে কড়া জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ‘পাপ্পু’ প্রসঙ্গ তুলে আগে কেন্দ্রকে তোপ দেগেছিলেন মহুয়া। দেশের অর্থনীতি পরিচালনা নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করেন তৃণমূল সাংসদ। এর জবাবে নির্মলা বলেন, তৃণমূল নেত্রী পশ্চিমবঙ্গে নিজের আঙিনায় যদি খোঁজ করেন সেখানে ‘পাপ্পুর’দেখা পেতে পারেন।

    মহুয়ার কথা

     প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লোকসভায় মহুয়া বলেন দেশের আর্থিক উন্নতি নিয়ে মিথ্যা কথা বলছে কেন্দ্রীয় সরকার। গতকাল তিনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, ‘প্রত্যেক ফেব্রুয়ারি মাসে সরকার সাধারণ মানুষকে বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যে দেশের অর্থনীতির উন্নতি হচ্ছে, সকলে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিষেবা যেমন গ্যাস সিলিন্ডার, বাড়ি ও বিদ্যুৎ পরিষেবা পাচ্ছেন। এগুলো সবই মিথ্যা।’ তিনি আরও বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি সরকার দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধি নিয়ে মিথ্যাচার করছে। দেশের অর্থনীতির ক্রমাগত অবনতি হচ্ছে, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে অনুরোধ করছি দেশের অর্থনীতি সামলান।’ এসবের পাশাপাশি তিনি ‘পাপ্পু’ বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষও করেন। তিনি বলেন, ‘সরকার ও শাসক দল এই পাপ্পু শব্দটি তৈরি করেছে। চরম অক্ষমতা বোঝাতে এবং তার নিন্দা করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে আসল পাপ্পু কে।’ এবার মহুয়া মৈত্রের এই কটাক্ষের পাল্টা জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। সংসদে দাঁড়িয়ে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গে তৃণমূলকে তুলোধোনা করলেন তিনি। 

    নির্মলা যা বললেন

    এর আগে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করেছিলেন যে পাগলের হাতে ম্য়াচিস কে দিল? সরকারের দিকে আয়না ধরুন। দেখে নিন আসল পাপ্পু কে? তারই জবাবে নির্মলা জানিয়েছেন, দেশলাই কার হাতে রয়েছে। এটা উদ্বেগের ব্যাপার। কাদের হাতে দেশলাই দিলেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ মানুষ দিয়েছেন। জনতা দিয়েছেন। এটা আমরা ছোট করে দেখতে পারি না। কিন্তু কাদের হাতে দেশলাই কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে এটাই গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি গুজরাটে বিজেপির বড় জয় হয়েছে। ভোট পরবর্তী সময়ে কী হয়েছে সেখানে? শান্তির বাতাবরণ। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে একবার তুলনা করে দেখুন। সেখানে ভোট পরবর্তী হিংসায় কী হয়েছিল। নির্মলা বলেন, দেশলাই কাদের হাতে কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে দেখুন। এটাই প্রশ্ন। আমাদের হাতে যখন দেশলাই ছিল তখন আমরা উজ্জ্বলা দিয়েছি, পিএম কিষান দিয়েছি স্বচ্ছ ভারত দিয়েছি। আর আপনাদের হাতে যখন দেশলাই এল তখন কী করলেন, ধর্ষণ হল, নির্যাতন হল, হিংসা হল, আমাদের কার্যকর্তাদের ঘর জ্বালিয়ে দিলেন। একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এমএস মুরলিধরনের উপর এমন হামলা হল যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও নিরাপদে থাকলেন না। জেপি নাড্ডার গাড়িও ভাঙা হল। এটাই ভোট পরবর্তী বাংলা।

    আরও পড়ুন: লালন শেখের রহস্যমৃত্যু, রাজ্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সরব শুভেন্দু

  • Mahua Moitra Kali Row: কালী বিতর্কে তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রকে দল থেকে বহিষ্কারের পক্ষেই সওয়াল সিংহভাগ ভারতীয়ের

    Mahua Moitra Kali Row: কালী বিতর্কে তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রকে দল থেকে বহিষ্কারের পক্ষেই সওয়াল সিংহভাগ ভারতীয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালী বিতর্কে (Kaali Row) তৃণমূল (TMC) সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mohua Moitra) দল থেকে বহিষ্কারের পক্ষেই সওয়াল করলেন সিংহভাগ ভারতীয় (Indians)। সাম্প্রতিক এই সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। সম্প্রতি হিন্দুদের দেবী কালীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন মহুয়া। সেই কারণেই উঠেছে তাঁর বহিষ্কারের দাবি।

    পরিচালক লীনা মণিমেকলাই একটি ছবির পোস্টার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার পর বিতর্ক শুরু হয়। পোস্টারে দেবী কালীর সাজে একজন মহিলাকে দেখানো হয়েছে। ছবিতে তাঁকে সিগারেট খেতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর হাতে রয়েছে ত্রিশূল। সেইসঙ্গে দেবীর হাতে রয়েছে এলজিবিটি সম্প্রদায়ের পতাকা। এই পোস্টার মুক্তি পেতেই ভারত তথা বিশ্বজুড়ে শুরু হয় প্রতিবাদ। অভিযোগ ওঠে ছবি নির্মাতারা ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হেনেছেন।

    আরও পড়ুন : মহুয়ার ‘কালী’ মন্তব্যের জের, এফআইআর দায়ের, পথে বিজেপি, সমালোচনার ঝড়

    সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, মা কালী আমার কাছে একজন মাংসভোজী, মদ্যপায়ী দেবী। মহুয়া বলেছিলেন, “আপনি যখন সিকিম যাবেন, আপনি দেখতে পাবেন যে তাঁরা দেবী কালীকে হুইস্কি দেয়। কিন্তু আপনি যদি উত্তরপ্রদেশে যান এবং আপনি যদি তাঁদের বলেন যে আপনি দেবীকে প্রসাদ হিসেবে হুইস্কি নিবেদন করেন, তাহলে তাঁরা আপনাকে অধার্মিক বলবে।” তাঁর প্রতিক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা হয় দেশজুড়ে। তোপ দাগেন বিরোধীরা। বিপদ আঁচ করে সাংসদের পাশ থেকে সরে দাঁড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

    আরও পড়ুন : ‘স্মোকিং কালী’ বিতর্ক, হাত ছাড়ল দল, তৃণমূলকে আনফলো মহুয়ার

    এই ঘটনায় দেশবাসীর প্রতিক্রিয়া জানতে সমীক্ষা করে সিভোটার-ইন্ডিয়া ট্র্যাকার নামে একটি সংস্থা। সেখানেই দেখা যায়, দেশবাসীর সিংহভাগ অংশই মহুয়াকে দল থেকে বহিষ্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন। যাঁদের ওপর সমীক্ষা করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শতকরা ৬৬ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন মহুয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করা উচিত। ৩৪ শতাংশ মানুষ এ ব্যাপারে তাঁদের সঙ্গে সহমত পোষণ করেননি। শহর এবং গ্রামের একটা বড় অংশের ভোটারও তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন।

     

     

  • Mahua Moitra:’স্মোকিং কালী’ বিতর্ক, হাত ছাড়ল দল, তৃণমূলকে আনফলো মহুয়ার 

    Mahua Moitra:’স্মোকিং কালী’ বিতর্ক, হাত ছাড়ল দল, তৃণমূলকে আনফলো মহুয়ার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি মা কালীকে নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেছেন তৃণমূল (Trinamool) সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। তার জেরে বিভিন্নমহলে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন তিনি। এমনকি সমালোচনা করতে ছাড়েনি দলও। দলেও তিনি ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার (Twitter) হ্যান্ডেল থেকে মহুয়ার মন্তব্যের বিরোধিতা করা হয়েছে। দলের এই আচরণে ক্ষুব্ধ মহুয়া। প্রকাশ্যে দিলেন প্রতিক্রিয়া। তৃণমূলের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলকে আনফলো (Unfollow) করলেন মহুয়া। 

    তৃণমূল এ ব্যাপারে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “দেবী কালী সম্পর্কে মহুয়া মৈত্রের মতামতগুলি একান্তই ব্যক্তিগত। কোনওভাবেই পার্টি তা সমর্থন করে না এবং পার্টি অনুমোদিতও নয়। তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরনের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে।” ট্যুইটটি টিএমসির অফিসিয়াল হ্যান্ডেলে পোস্ট করার পরই মহুয়া মৈত্র আনফলো করেন তৃণমূলকে।   

    [tw]


    [/tw]

    পরিচালক লীনা মণিমেকলাই একটি ছবির পোস্টার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার পর বিতর্ক শুরু হয়। পোস্টারে দেবী কালীর রূপে একজন মহিলাকে দেখানো হয়েছে। ছবিতে তাঁকে সিগারেট খেতে দেখা যাচ্ছে। ত্রিশূল  রয়েছে তাঁর হাতে। সেইসঙ্গে দেবীর হাতে রয়েছে এলজিবিটি সম্প্রদায়ের পতাকা। এই পোস্টার মুক্তি পেতেই ভারত তথা বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে ছবি নির্মাতারা ইচ্ছাকৃত ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হেনেছেন।

    আরও পড়ুন: “বৃথা চেষ্টা, একটা বিগ জিরো…”, মমতার দিল্লি সফরকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    স্রোতের বিপরীতে গিয়ে মঙ্গলবার একটি সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে মহুয়া মৈত্র বলেন, মা কালী তাঁর কাছে একজন মাংসভোজী, মদ পান করা দেবী। মহুয়া বলেছিলেন, “আপনি যখন সিকিম যাবেন, আপনি দেখতে পাবেন যে তাঁরা দেবী কালীকে হুইস্কি দেয়। কিন্তু আপনি যদি উত্তরপ্রদেশে যান এবং আপনি যদি তাঁদের বলেন যে আপনি দেবীকে প্রসাদ হিসেবে হুইস্কি নিবেদন করেন, তাহলে তাঁরা আপনাকে অধার্মিক বলবে।” তাঁর প্রতিক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা হয় রাজনৈতিক মহলে। বিরোধীরা তোপ দাগেন। বিপদ বুঝে সাংসদের পাশ থেকে সরে দাঁড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। 

    আরও পড়ুন: হাওড়ায় ‘ফেল’ দুই পুলিশকর্তার কলকাতায় ‘প্রোমোশন পোস্টিং’!

    তৃণমূল মহুয়ার বক্তব্য থেকে দূরে সরে যেতেই মহুয়াও ট্যুইটারে আনফলো করেছেন দলকে। যদিও দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata) আনফলো করেননি তিনি। মহুয়ার এই অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রথমত তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করে দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন। তারপরে ট্যুইটারে দলকে আনফলো করায় আরও অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির। 

     

     

LinkedIn
Share