Tag: Make in India

Make in India

  • AK-203 in Indian Army: মেক ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য, চলতি বছরেই সম্পূর্ণভাবে দেশেই তৈরি হবে এ কে-২০৩

    AK-203 in Indian Army: মেক ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য, চলতি বছরেই সম্পূর্ণভাবে দেশেই তৈরি হবে এ কে-২০৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনায় ইনসাসের (INSAS rifle replaced by AK 203) জায়গা নিয়েছে এ কে ২০৩ রাইফেল অর্থাৎ অটোমেটিক কালাশনিকভ। রাশিয়ার টেকনোলজিতে তৈরি বিখ্যাত এ কে সিরিজের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার এই অ্যাসল্ট রাইফেল। এবার থেকে সম্পূর্ণ রূপে দেশেই তৈরি হবে এই রাইফেল, এমনই জানিয়েছেন ইন্দো রাশিয়ান রাইফেলস প্রাইভেট লিমিটেড (IRRPL)-এর সিইও এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল এস কে শর্মা।

    এ কে ২০৩ কতটা কার্যকর

    এ কে ২০৩, ৮০০ মিটার (800 metre range) পর্যন্ত নির্ভুল আঘাত করতে পারে। একটি ম্যাগাজিনে ৩০ টি করে ৭.৬২ ক্যালিবারের বুলেট থাকে। এই রাইফেলের সুবিধা প্রথম এক বছর কোনও মেনটেনেন্স চার্জ লাগে না। সেনাদের জন্য ব্যবহার করা একেবারে সহজ পদ্ধতি। সিঙ্গল এবং বার্স্ট মোডে অসাধারণ নির্ভুল লক্ষ্যএই রাইফেলের। নাইট ভিশন মোডেও দারুন কার্যকরী এ কে ২০৩। পাকিস্তান এবং চিন সীমান্তে কার্যকরী ভূমিকা নেয় এ কে ২০৩। সীমান্তে পাক জঙ্গি দমনেও সক্রিয় এই আধুনিক অস্ত্র। ভারতীয় সেনার ব্যবহৃত এই এ কে-২০৩ (AK-203) অ্যাসল্ট রাইফেল আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ রূপে দেশে তৈরি হবে। মেজর জেনারেল এস কে শর্মা জানান, এই রাইফেল তৈরির কাজের প্রায় ৫০ শতাংশ ইতিমধ্যেই ভারতীয়করণ হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এটি ১০০ ভাগ দেশীয়করণে পৌঁছবে। এর ফলে উৎপাদনের হার অনেক গুণ বেড়ে যাবে এবং দ্রুত সরবরাহ সম্ভব হবে।

    দ্রুত সরবরাহের সম্ভাবনা

    মেজর জেনারেল শর্মা বলেন, “একজন সৈনিকের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বন্ধু তার অ্যাসল্ট রাইফেল। ভবিষ্যতে এ কে-২০৩ হবে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অস্ত্র।” তিনি আরও জানান, ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য ছয় লক্ষেরও বেশি এ কে-২০৩ রাইফেলের অর্ডার এসেছে। এ পর্যন্ত ৪৮,০০০ রাইফেল সরবরাহ করা হয়েছে এবং চলতি বছরের শেষে মোট ৭০,০০০ রাইফেল সরবরাহ করা হবে। চুক্তি অনুযায়ী এই রাইফেলগুলোর সম্পূর্ণ ডেলিভারি হওয়ার কথা ২০৩২ সালে হলেও, আইআরআরপিএল-এর পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যেই সমস্ত রাইফেল সরবরাহ শেষ হবে, যা চুক্তির নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগেই সম্পন্ন হবে। এর ফলে সীমান্ত আরও সুরক্ষিত হবে। শক্তিশালী হবে ভারতীয় সেনার হাত।

  • Make in India: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে ফের সাফল্য, অত্যাধুনিক ড্রোন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করল বেঙ্গালুরুর সংস্থা

    Make in India: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে ফের সাফল্য, অত্যাধুনিক ড্রোন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করল বেঙ্গালুরুর সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পে ফের সাফল্যের ছোঁয়া। একটি অত্যাধুনিক ড্রোন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করল বেঙ্গালুরুভিত্তিক (Bengaluru) প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংস্থা ভারত সাপ্লাই অ্যান্ড সার্ভিস (Bharat Supply and Service)। এই ড্রোন একে-২০৩ রাইফেল যুক্ত করে আকাশপথে লক্ষ্যবস্তুতে গুলি চালাতে সক্ষম। এটি মূলত কম উচ্চতায় কৌশলগত অভিযানের জন্য তৈরি। এতে নজরদারি ও দূর থেকে আক্রমণ করার সুবিধা রয়েছে। এই সিস্টেমটি সম্প্রতি ভারতীয় সেনার সহযোগিতায় সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।

    ভারতের প্রথম AI-চালিত প্রাণঘাতী অস্ত্রের সফল পরীক্ষা

    চলতি সপ্তাহেই ভারত সাপ্লাই অ্যান্ড সার্ভিস ভারতীয় সেনার সঙ্গে যৌথভাবে দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর স্বয়ংক্রিয় লাইট মেশিন গান (LMG) সিস্টেমের ট্রায়াল চালায়। এই অস্ত্রটিতে ইজরায়েলের তৈরি ৭.৬২×৫১ মিমি ব্যারেলযুক্ত নেগি এলএমজি ব্যবহার করা হয়েছে। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে চালিত এই সিস্টেম ৩০০ মিটার দূর থেকে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে এবং ৬০০ মিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে গুলি চালাতে সক্ষম। অস্ত্রটির কার্যকর রেঞ্জ ১,০০০ মিটার পর্যন্ত বলে জানানো হয়েছে। সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ভিকি চৌধুরী বলেন, “এটি ভারতের প্রথম এআই চালিত অস্ত্র সিস্টেম যা .৫০ ক্যালিবার পর্যন্ত যেকোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।” তিনি আরও জানান, বিশ্বজুড়ে খুব কম সংখ্যক সংস্থা এমন সফল পরীক্ষা চালাতে পেরেছে।

    প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও সক্ষমতা

    এই এআই ভিত্তিক সিস্টেমে রয়েছে থার্মাল ও অপটিক্যাল সেন্সর, যা খারাপ দৃশ্যমানতাতেও লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে। এটি বাতাসের গতি, তাপমাত্রা ও দূরত্ব বিবেচনা করে ব্যালিস্টিক পথ হিসেব করতে সক্ষম। সিস্টেমটি একটি এনক্রিপ্টেড রিমোট কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। চলতি বছর এপ্রিলের ৫ তারিখে রুরকিতে এর প্রাথমিক পরীক্ষা শুরু হয়। পরে এটি ১৪,৫০০ ফুট উচ্চতায় কঠিন পরিস্থিতিতেও সফলভাবে কাজ করেছে। এই সিস্টেম ২১ দিন পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংকারের ভিতর থেকে কাজ করতে পারে। এটি নৌজাহাজেও যুক্ত করা যায়।

    আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা কৌশল

    ভারতীয় সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে স্বয়ংক্রিয় এবং এআই-চালিত অস্ত্র ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। এআই ভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রকল্পগুলোর জন্য “মেক ইন ইন্ডিয়া” (Make in India) উদ্যোগের আওতায় সরকার প্রতিবছর ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। ২০২০ সালে ভারত ইজরায়েল থেকে ১৬,৪৭৯টি নেগি এলএমজি কেনে। দেশে এই জাতীয় অস্ত্রের মোট চাহিদা ৪০,০০০। বেঙ্গালুরুর সংস্থার তৈরি এই এআই ড্রোন সেই আত্মনির্ভর প্রযুক্তিরই অংশ।

     

     

     

     

     

  • Indian Army: পালানোর পথ নেই! ভারতীয় সেনার হাতে আসতে চলেছে এআই চালিত নতুন অস্ত্র

    Indian Army: পালানোর পথ নেই! ভারতীয় সেনার হাতে আসতে চলেছে এআই চালিত নতুন অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের মুকুটে যুক্ত হল আরেকটি পালক। উচ্চ পার্বত্য এলাকায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল ভারত। এআই চালিত এই লাইট মেশিন গান (LMG) সিস্টেম, শীঘ্রই সেনাবাহিনীতে (Indian Army) চলে আসবে বলে খবর। আগামীতে সেনার আঙিনায় নতুন বিপ্লব আনতে চলেছে এআই চালিত এই মেশিনগান, অভিমত সমর বিশেষজ্ঞদের।

    এআই-নির্ভর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের সফল পরীক্ষা

    সূত্রের খবর, এই নতুন এআই সিস্টেম কেবল সেনাবাহিনীর (Indian Army) শক্তি বৃদ্ধি করবে না, বরং সীমান্তে মোতায়েন সৈন্যদের জীবনের নিরাপত্তাও দেবে। তাঁদের কাজকে আরও সুগম করে দেবে। বিএসএস অ্যাডভান্সড টেকনোলজিস প্রাইভেট লিমিটেডের হাতে দেশীয়ভাবে তৈরি এই এআই-নির্ভর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের সফল পরীক্ষা হয়ে গেল ১৪,০০০ ফুট উচ্চতায়, ভারতের দুর্গম সীমান্ত অঞ্চলে। এই আধুনিক প্ল্যাটফর্ম (AiD-AWSSA|LW) হালকা এবং ছোট অস্ত্রের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই লাইট মেশিনগান সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ, স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়া এবং প্রতিকূল পরিবেশে স্থিতিশীল কর্মক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। আধুনিক এই অস্ত্রটি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের আওতায় তৈরি হয়েছে।

    প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য

    থার্মাল ও অপটিক্যাল সেন্সর ফিউশন—নির্ভুল লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক

    ব্যালিস্টিক কম্পেনসেশন—বাতাস, দূরত্ব এবং তাপমাত্রা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সমন্বয়

    এনক্রিপটেড রিমোট কমান্ড ফিচার—নিরাপদ দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা

    বিএসএস অ্যাডভান্সড টেকনোলজিস প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অস্ত্রের (AI-Enabled Light Machine Guns) মূল প্রযুক্তি একটি উন্নত মাল্টি-সেন্সর এআই মডিউল যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শত্রু-বন্ধু শনাক্ত করতে পারে। উপযুক্ত সময়ে প্রতিক্রিয়া জানাতেও সক্ষম এই অস্ত্র। এটি ঘাঁটি প্রতিরক্ষা, কনভয় সুরক্ষা এবং সীমান্ত নজরদারির মত ক্ষেত্রে মোতায়েন করা যাবে। যেখানে জনবলের সীমাবদ্ধতা থাকলেও প্রতিনিয়ত শত্রুপক্ষের হামলার ভয় থাকে সেখানে এই অস্ত্র উপযোগী। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এই এআই মডিউলটি প্ল্যাটফর্ম-অ্যাগনস্টিক, অর্থাৎ বিভিন্ন অস্ত্রের সঙ্গেই একত্রিত করা যায়—যেমন হালকা মেশিন গান, অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম, রিমোট ওয়েপন স্টেশন প্রভৃতি।

  • INS Arnala: অগভীর জলেও চলতে পারদর্শী, নৌসেনায় যোগ দিচ্ছে সাবমেরিন-ঘাতক ‘আইএনএস অর্নালা’

    INS Arnala: অগভীর জলেও চলতে পারদর্শী, নৌসেনায় যোগ দিচ্ছে সাবমেরিন-ঘাতক ‘আইএনএস অর্নালা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৮ জুন বিশাখাপত্তনমে অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটার ক্র্যাফট (ASW-SWC) সিরিজের প্রথম যুদ্ধজাহাজ ‘আইএনএস অর্নালা’ (INS Arnala) ভারতীয় নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। উল্লেখ্য, গত ৮ মে এই যুদ্ধজাহাজটি নৌবাহিনীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়েছিল।

    ৮৮ শতাংশেরও বেশি উপকরণ দেশীয়ভাবে প্রস্তুত

    এই যুদ্ধজাহাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, এর ৮৮ শতাংশেরও বেশি উপকরণ দেশীয়ভাবে প্রস্তুত। আত্মনির্ভর ভারতের স্পষ্ট ছাপ রয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, এলঅ্যান্ডটি, মহীন্দ্রা ডিফেন্স সহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় দেশীয় প্রতিরক্ষা সংস্থার সহযোগিতায় তৈরি হয়েছে এই যুদ্ধজাহাজ। ‘অর্নলা’র (INS Arnala) যাত্রায় উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান।

    গার্ডেন রিচ শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড তৈরি করেছে

    জানা গিয়েছে, এই জাহাজ (INS Arnala) তৈরি করেছে গার্ডেন রিচ শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (জিআরএসই)। সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশের নৌবাহিনীকে (Anti Submarine Warfare) সহায়তা করবে এই জাহাজ। জাহাজটি ৭৭.৬ মিটার লম্বা এবং ১০.৫ মিটার চওড়া। ‘অর্নালা’র যাত্রা শুরুর দিনে দেশের প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন পূর্বাঞ্চলীয় নৌ কমান্ডের ফ্ল্যাগ অফিসার কমান্ডিং ইন চিফ ভাইস অ্যাডমিরাল রাজেশ পেনধারকর। একই সঙ্গে এই জাহাজের নির্মাণ শ্রমিকরাও অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন।

    দেশের যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণের ইতিহাসে এমন ঘটনা

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য়, বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে যৌথভাবে এই জাহাজটি তৈরি করা হয়েছে। দেশের যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণের (INS Arnala) ইতিহাসে এমন ঘটনা প্রথম। জানা যাচ্ছে, এই প্রকল্পের অধীনে তৈরি করা হচ্ছে মোট ১৬টি যুদ্ধজাহাজ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আয়তনে ছোট হলেও এই জাহাজ যথেষ্ট কার্যকরী। সমুদ্রে তুলনায় অগভীর এলাকাগুলিতে এই জাহাজ কাজে লাগানো হবে। হাল্কা ওজনের টর্পিডো, সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ বিধ্বংসী রকেটে সমৃদ্ধ হবে এই রণতরী। এই জাহাজকে শক্তি জোগাবে এক জোড়া ডিজেল ইঞ্জিন এবং ‘ওয়াটার জেট প্রোপালসান’ সিস্টেম। বহুক্ষেত্রে শত্রুর সাবমেরিন সেই সব অগভীর সমুদ্রাঞ্চল বা খাঁড়িতে মোতায়েন থাকে বা ঘাপটি মেরে বসে থাকে যেখানে বড় জাহাজ ঢুকতে পারে না। সেখানে অতি সহজেই ঢুকে যাবে ‘আইএনএস অর্নালা’।

    কেন যুদ্ধজাহাজটির নাম ‘অর্নালা’?

    যুদ্ধজাহাজটির নাম ‘অর্নালা’ কেন রাখা হল, তা নিয়ে অনেকের কৌতূহল থাকতেই পারে। এই নামটির পেছনে রয়েছে এক ঐতিহাসিক গুরুত্ব। আসলে, ‘অর্নালা’ নামটি এসেছে মহারাষ্ট্রের এক উপকূলীয় দুর্গ থেকে থেকে। সেটিরও নাম ছিল ‘অর্নালা’ । ১৭৩৭ সালে মারাঠা নেতা চিমাজি আপ্পা-র নেতৃত্বে এই দুর্গটি নির্মাণ করা হয়। সে সময় বইতোরনা নদীর মুখ এবং উত্তর কোঙ্কন উপকূলকে শত্রু আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য এই দুর্গ ছিল গড়ে তোলা হয়েছিল। এই দুর্গ উপকূল রক্ষার প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত ছিল।

  • LCH Prachand: ৪৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫৬টি দেশীয় অ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনতে চলেছে কেন্দ্র!

    LCH Prachand: ৪৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫৬টি দেশীয় অ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনতে চলেছে কেন্দ্র!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষাকে জোরদার করতে গত সপ্তাহেই ৬১ হাজার কোটি টাকার সামরাস্ত্র ও যুদ্ধ সরঞ্জাম কেনায় সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে মোদি মন্ত্রিসভা। শীঘ্রই আরও একটি চুক্তিতে অনুমোদন দিতে পারে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, দেশে তৈরি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার ‘প্রচণ্ড’-র (LCH Prachand) ১৫৬টি ইউনিট কিনতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)-এর সঙ্গে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করতে পারে কেন্দ্র। এই হাল্কা অ্যাটাক হেলিকপ্টারগুলি (Light Combat Helicopters Deal) ভারতীয় স্থলসেনা ও ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য কেনা হবে।

    দ্বিমুখী যুদ্ধের প্রস্তুতি!

    কয়েকদিন আগেই, ভারতীয় সেনাপ্রধান আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, বর্তমান সময়ে ভারতের সামনে দ্বিমুখী যুদ্ধ পরিস্থিতির তৈরি হওয়াটা কোনও কল্পনা নয়। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে এর সম্ভাবনা যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে। ফলে, ভারতকে দুই দিকেই (চিন ও পাকিস্তান) প্রতিরক্ষাকে জোরদার করে রাখতে হবে। সদা-সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে যে কোনও দিন দ্বিমুখী সংঘাত পরিস্থিতির জন্য। আর সেই জন্য, সামরিক দিকগুলোয় যেখানে যা দুর্বলতা বা ফাঁকফোকড় রয়েছে, তা দ্রুত ভরাট করতে হবে। সূত্রের দাবি, পাকিস্তান ও চিন সীমান্তে নিরাপত্তা অভিযান বাড়ানোর জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই হেলিকপ্টারগুলি অধিগ্রহণের পক্ষে জোরালোভাবে সওয়াল করছে।

    এলসিএইচ প্রচণ্ড দেশের গর্ব (LCH Prachand)

    জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের জুনে মাসে, হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) ১৫৬টি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (Light Combat Helicopters Deal) নির্মাণের জন্য একটি দরপত্র পেয়েছিল। সেই নিয়ে আলোচনা-পর্ব মেটার পর এখন তা চূড়ান্ত অনুমোদনের পর্যায়ে রয়েছে। এই ১৫৬টি হেলিকপ্টারের মধ্যে ৯০টি ভারতীয় স্থলসেনার জন্য এবং ৬৬টি ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য বরাদ্দ করা হবে। এই প্রস্তাব অনুমোদন পেলে, ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুরক্ষিত হবে। একইসঙ্গে, প্রতিরক্ষা উৎপাদনে দেশে জোয়ার আসবে, যা মোদি সরকারের আত্মনির্ভর ভারত-এর (Atmanirbhar Bharat) পক্ষে জোরালো সওয়াল হবে এবং একইসঙ্গে ভারতে কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

    এক নজরে হ্যাল এলসিএইচ প্রচণ্ড-র বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি

    ‘প্রচণ্ড’ (LCH Prachand) বিশ্বের একমাত্র আক্রমণকারী বা অ্যাটাক হেলিকপ্টার, যা ৫,০০০ থেকে ১৬,৪০০ ফুট উচ্চতায় অবতরণ ও উড়তে সক্ষম। সিয়াচেন হিমবাহ ও পূর্ব লাদাখের মত অতি উচ্চ এলকায় যুদ্ধের জন্য এগুলি আদর্শ।

    অধিক উচ্চতার অভিযানে দক্ষতার পাশাপাশি, প্রচণ্ড হেলিকপ্টারগুলি আকাশ থেকে ভূমি এবং আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত।

    প্রচণ্ড চপারগুলো ডেটা চিপ দিয়ে সংযুক্ত, যা তাদের নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক অভিযানে অংশগ্রহণ করার ক্ষমতা দেয়। ডেটা চিপগুলির জন্য এই কপ্টারগুলি সামরিক অভিযানে সমন্বয় গঠনের মাধ্যমে বাহিনীর শক্তিবৃদ্ধিতে সহায়ক হয়ে ওঠে।

    এলসিএইচ প্রচণ্ডকে (LCH Prachand) ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে ভারতীয় বায়ুসেনায় আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

    মেক ইন ইন্ডিয়া-য় জোর, গুরুত্ব আত্মনির্ভর ভারত-কে

    মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) উদ্যোগকে আরও প্রসারিত করতে এবং আত্মনির্ভর ভারত (Atmanirbhar Bharat) প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ইতিমধ্যেই হ্যালকে ৮৩টি এলসিএ তেজস যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য একটি অর্ডার দিয়েছে এবং আরও ৯৭টি যুদ্ধবিমান চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তার মধ্যেই, এবার ১৫৬টি এলসিএইচ-এর (LCH Prachand) বরাত পেতে চলেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি। কেন্দ্রের নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার পরিষদ বা কেবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি ৩০৭টি অ্যাডভান্সড টাওড আর্টিলারি গান সিস্টেম (এটিএজিএস) কেনার জন্য ৭ হাজার কোটি টাকার একটি চুক্তিও অনুমোদন করেছে, যা বুধবার স্বাক্ষরিত হওয়ার জন্য প্রত্যাশিত। এই হাউইৎজারগুলি ভারত ফোর্জ এবং টাটা গ্রুপ দ্বারা উৎপাদিত হবে।

  • PM Modi: গত অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষায় ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকার উৎপাদন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: গত অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষায় ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকার উৎপাদন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির প্রাক্কালে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Make in India) প্রকল্পের সাফল্যের কথা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জানালেন ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকার উৎপাদন হয়েছে প্রতিরক্ষা খাতে। এই ক্ষেত্রে রফতানিও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিগত ১০ বছরে ১ হাজার কোটি থেকে বেড়ে ২১,০০০ কোটি টাকা হয়ে গিয়েছে রফতানির অঙ্ক। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এখন আক্মনির্ভর ভারত। 

    সাফল্যের খতিয়ান

    গুজরাটের বরোদায় সম্প্রতি সি-২৯৫ এয়ারক্রাফট উৎপাদন কেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। স্পেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো স্যাঞ্চেজের সঙ্গে ওই কেন্দ্র উদ্বোধনের পরই এই খতিয়ান তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, মাত্র দু’বছরে এই পুরো পরিকল্পনা রূপায়ন করা হয়েছে। মোদি বলেন, ‘‘এখানে তৈরি সি-২৯৫ বিমানগুলি ভবিষ্যতে রফতানিও করা হবে। আমার বিশ্বাস, টাটা-এয়ারবাসের যৌথ উদ্যোগে বিমান তৈরি শুরু হলে ভারত-স্পেন সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। সেই সঙ্গে পুষ্ট হবে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া, (Make in India) মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’ মিশনও।’’ ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কীভাবে অগ্রগতি হচ্ছে, সেই খতিয়ান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, গত ৩ বছরে অন্তত ১২,৩০০টি পণ্য ভারতে উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। দেশে তৈরি যুদ্ধজাহাজ চালু হয়েছে, ভারতে তৈরি মিসাইলও নজর কাড়ছে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে। ভারতে তৈরি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।

    আত্মনির্ভরতার পথে

    কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বারবার আত্মনির্ভর (Make in India) হওয়ার কথা বলেছেন। সেই পথেই যে আরও একধাপ এগোল ভারত, সে কথা এদিন উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। স্টার্ট-আপ সংস্থাগুলিকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র অপেক্ষা করছে। ইতিহাসের অংশ হতে আসুন আপনারাও। দরজা খোলা রইল। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ৫৬টি সি-২৯৫ বিমানের জন্য এয়ারবাসের সঙ্গে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছিল নয়াদিল্লি। সেই মতো স্পেন থেকে ১৬টি বিমান আমদানি করা হয়। স্থির হয়, বাকি ৪০টি বিমান বানানো হবে ভারতেই। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির অংশ হিসাবে ভারতেই তৈরি হবে এই বিমান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “আত্মনির্ভর ভারত শুধুমাত্র নীতি নয়, পরিণত হয়েছে গণ আন্দোলনে”, ‘মন কি বাত’-এ বললেন মোদি

    PM Modi: “আত্মনির্ভর ভারত শুধুমাত্র নীতি নয়, পরিণত হয়েছে গণ আন্দোলনে”, ‘মন কি বাত’-এ বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ‘মন কি বাতের’ ১১৫তম অনুষ্ঠান। এখানেই উঠে এল আত্মনির্ভর ভারতের পাশাপাশি মেকিং ইন্ডিয়াতে দেশের সাফল্যের কথা। প্রসঙ্গত, ৩১ অক্টোবর রয়েছে দীপাবলি। সেই আবহে প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‘এই সময়ে আত্মনির্ভর ভারতের ব্যাপক প্রচার চালানো দরকার।’’ তিনি বলেন, ‘‘আত্মনির্ভর ভারত শুধুমাত্র আমাদের নীতিই নয়, বরং গণ আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। দশ বছর আগেও যদি কেউ বলত যে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি ভারতে তৈরি হয়েছে, তাহলে অনেকেই এটা বিশ্বাস করতেন না। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। দেশের সাফল্যের সাক্ষী ভারতের প্রতিটি নাগরিক। ভারত আত্মনির্ভর হয়েছে এবং সমস্ত ক্ষেত্রে চমৎকার ফল করছে।’’ এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচির মাধ্যমে অ্যানিমেশন এবং গেমিং-এই দুটি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব বিপ্লব এসেছে।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘ছোটা ভীম বলুন অথবা অ্যানিমেশনের শ্রী কৃষ্ণ, মটুপাতলু, বাল হনুমান-এই সমস্ত কিছুর ফ্যান জগৎ জুড়ে রয়েছে। ভারতের অ্যানিমেশন চরিত্রগুলির জনপ্রিয়তা সারা পৃথিবী জুড়ে। কারণ এগুলোর মৌলিক গল্প ও চমৎকার সৃজনশীলতা।’’

    ভারতীয় গেমারদের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গ আনেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) 

    কয়েকমাস আগে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় গেমারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সে প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর মন কি বাত অনুষ্ঠানে। তিনি বলেন, ‘‘কয়েক মাস আগেই আমি ভারতের শীর্ষস্থানীয় গেমারদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলাম। আমি সুযোগ পেয়েছিলাম, তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সৃজনশীলতা সম্পর্কে জানবার।’’ অ্যানিমেশন ক্ষেত্রে মেক ইন ইন্ডিয়া এবং মেড বাই ইন্ডিয়ানস- খুব দ্রুততার সঙ্গে সাফল্য পাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভারতীয় অ্যানিমেশন পৃথিবী বিখ্যাত কোম্পানি ডিজনি, ওয়ার্নার ব্রাদার্সদের সঙ্গেও কাজ করছে 

    তিনি (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় অ্যানিমেশন পৃথিবী বিখ্যাত কোম্পানি ডিজনি, ওয়ার্নার ব্রাদার্সদের সঙ্গেও কাজ করছে।’’ তাঁর মতে, ‘‘বর্তমান সময়ে আমাদের যুবকরা মৌলিক ভারতীয় কনটেন্ট তৈরি করতে পারছেন, যা সমাজে ভালো প্রভাব ফেলছে এবং সেগুলি পৃথিবী জুড়ে মানুষ দেখছেন। অ্যানিমেশন ক্ষেত্র বর্তমানে একটি শিল্পের আকার ধারণ করেছে। মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিকে আমরা কীভাবে গ্লোবাল অ্যানিমেশন পাওয়ার হাউসে পরিণত করতে পারি, তা ভাবতে হবে।’’

    লাদাখের ইমেজিং টেলিস্কোপ

    অন্যদিকে আত্মনির্ভর ভারতের উদাহরণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘এই কর্মসূচি এখন গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তার কারণ এই মাসেই আমরা লাদাখে উদ্বোধন করেছি এশিয়ার সবচেয়ে বড় ইমেজিং টেলিস্কোপ। ৪,৩০০ মিটার উচ্চতায় গড়ে উঠেছে এটি। সেখানে মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড উষ্ণতা। অক্সিজেনের অভাব রয়েছে, কিন্তু আমাদের বিজ্ঞানী এবং শিল্পপতিরা এটা করে দেখিয়েছেন।’’ এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন দীপাবলিতে ভোকাল ফর লোকাল কর্মসূচি চালানোর জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: উৎসবের মরসুমে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র পণ্য ব্যবহারের বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    Narendra Modi: উৎসবের মরসুমে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র পণ্য ব্যবহারের বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশব্যাপী উৎসবের মরসুমে মেক ইন ইন্ডিয়ার (Make in India) পণ্য ব্যবহারের বার্তা দিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে আবেগপ্রবণ হয়ে ভাষণ দিয়েছেন তিনি। বর্ষাকালে জল সংরক্ষণ কতটা দরকার, সেই কথা বলে জল সহেলী প্রকল্পের মাধ্যমে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি কীভাবে কাজ করে চলেছে, তারও উল্লেখ করেন তিনি। মধ্যপ্রদেশে কীভাবে জলাধার তৈরি করে ভূগর্ভস্থ জলকে সংরক্ষণ করার কাজ করা হচ্ছে, সে দিকেও আলোকপাত করেন। একই ভাবে দেশকে স্বনির্ভর করতে দিলেন ভোকাল ফর লোকালের বার্তা। 

    আমার কাছে অত্যন্ত আবেগঘন (Narendra Modi)  

    দেখতে দেখতে ১০ বছর পূর্ণ করল মোদির (Narendra Modi) ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান। বিভিন্ন সময়ে রেডিওতে নানা বিষয় নিয়ে বক্তৃতা দিয়ে থাকেন তিনি। একই সঙ্গে দেশের নানা প্রান্তের মানুষের সঙ্গে বার্তালাপ এবং প্রতিক্রিয়া নিয়ে থাকেন তিনি। বিভিন্ন সামজিক সমস্যা এবং বিশেষ প্রয়োগের প্রতিক্রিয়া নিয়ে থাকেন তিনি। জন সম্পর্কের একটি বিশেষ মাধ্যম হল ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান। রবিবার অনুষ্ঠানের শুরুতে মোদি বলেন, “আজকের অনুষ্ঠান আমার কাছে অত্যন্ত আবেগঘন। এই চলার পথে দেশের কোটি কোটি মানুষ আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তাঁদের অকুণ্ঠ সমর্থন আমরা পেয়েছি। দেশের নানা প্রান্ত থেকে আমাদের সঙ্গে তথ্যের আদানপ্রদান করেছেন মানুষ। আমার খুব ভালো লাগে যখন শুনি, নিজের নিজের মাতৃভাষায় সকলে আমার কথা শুনতে পান। ফলে আঞ্চলিক ভাষার সাংবাদিকদের আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। একই ভাবে সংবাদ পত্রিকা এবং নানা ইউটিউবারদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।, তাঁরাই আমার কথাকে সকল স্তরে পৌঁছে দিয়েছেন।”

    বর্জ্য পদার্থের পুনর্ব্যবহার

    এদিনের অনুষ্ঠানে মোদি (Narendra Modi) বলেন, “দেশের প্রত্যন্ত দুর্গম এলাকায় জলসঙ্কট কম করতে বর্ষার জল ধরে রাখতে হবে। মধ্যপ্রদেশে জল সহেলী প্রকল্পের কথা সকলের জানা দরকার। পন্ডিচেরীর সমুদ্র সৈকত সাফাই অভিযান চালাচ্ছেন রামিয়াজি, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে এই স্বচ্ছতার কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। গান্ধীজি সম্পূর্ণ জীবনকে নিবেদিত করেছিলেন সমাজ সেবায়। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘স্বচ্ছ ভারত’ অভিযান শুরু হয়েছিল। বর্জ্য পদার্থ কীভাবে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা যায়, তাও ভাবতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ “সনাতন ধর্মকে মুছতে” চাওয়া ছেলেকেই উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসালেন এমকে স্ট্যালিন

    বিশ্ব এখন আমদের দিকে তাকিয়ে থাকে

    মোদি (Narendra Modi) কিছুদিন আগেই মার্কিন সফরে গিয়েছিলেন। সেই সময় ২০০-টির বেশি প্রত্নসামগ্রী ভারতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমাদের ঐতিহ্য অত্যন্ত গৌরবের। ভারতের প্রচুর প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান চোরাপথে বিদেশে পাচার হয়ে গিয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজের বাড়িতে ওই সব উপাদান দেখিয়েছিলেন আমাকে। জিনিসগুলির মধ্যে ছিল টেরাকোটা, পাথর, কাঠ, পিতল এবং ব্রোঞ্জের সামগ্রী। এগুলি থেকে অনুমেয় যে আমদের পূর্বপুরুষেরা কতটা নিখুঁত কাজের শিল্পকলা জানতেন। এই মাসে মেক ইন ইন্ডিয়ার (Make in India) দশ বছর পূর্ণ হতে চলেছে, তাই আমাদের স্বদেশী উৎপাদনের উপর আরও জোর দিতে হবে। বিশ্ব এখন আমদের দিকে তাকিয়ে থাকে, তাই উৎপাদনের গুণমান এবং ভোকাল ফর লোকালের দিকে বেশি করে নজর দিতে হবে। আগামী উৎসবে মেক ইন ইন্ডিয়ার পণ্য বেশি বেশি পরিমাণে ব্যবহার করতে হবে।।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ভারত অপ্রতিরোধ্য”, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ১০ বছর পূর্তিতে সাফল্যের খতিয়ান পেশ মোদির

    PM Modi: “ভারত অপ্রতিরোধ্য”, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ১০ বছর পূর্তিতে সাফল্যের খতিয়ান পেশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন ২০১৪ সালের ২৬ মে। ওই বছরেরই ২৫ সেপ্টেম্বর সূচনা করলেন ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Make In India) উদ্যোগের। বৃহস্পতিবার ১০ বছর পূর্ণ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) এই উদ্যোগ। সেই উপলক্ষে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নিয়ে কী বললেন মোদি (PM Modi)

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মস্তিষ্কপ্রসূত। এই উদ্যোগে সরকার কোম্পানিগুলিকে ভারতে পণ্যের বিকাশ, উৎপাদন ও উৎপাদনে উৎসর্গীকৃত বিনিয়োগকে উৎসাহিত করে। এই উদ্যোগ সফল হওয়ায় দেশবাসীকে অভিবাদন জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “মেক ইন ইন্ডিয়ার প্রভাব এটা স্পষ্ট করল যে ভারত অপ্রতিরোধ্য।” তিনি বলেন, “একটা লক্ষ্য নিয়ে দশ বছর আগে এর পথচলা শুরু হয়েছিল। পণ্য উৎপাদনে ভারতের অগ্রসরের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রতিভাশালী এই দেশ শুধুমাত্র আমদানিকারক দেশ হিসেবে না থেকে যাতে রফতানিকারক দেশ হয়, তা নিশ্চিত করতে এই পথ চলা শুরু।”

    সাফল্যের খতিয়ান

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্যের খতিয়ান দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১৪ সালে সারা দেশে মাত্র দুটি মোবাইল তৈরির কারখানা ছিল। এখন তা বেড়ে হয়েছে ২০০। মোবাইল রফতানি ৭৫০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।” তিনি বলেন, “এখন ভারতে ব্যবহৃত মোবাইলের ৯৯ শতাংশই দেশে তৈরি হয়। বিশ্বে মোবাইল উৎপাদনে ভারত উঠে এসেছে দুনম্বরে।” খেলনা উৎপাদনেও ভারতের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, গত দশ বছরে খেলনা রফতানি বেড়েছে ২৩৯ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: নির্বিঘ্নেই শেষ দ্বিতীয় দফাও, হাত উপুড় করে ভোট দিলেন ভূস্বর্গবাসী

    ইস্পাত শিল্পেও ব্যাপক উন্নতি করেছে ভারত। ২০১৪ সালের চেয়ে দেশে ইস্পাতের উৎপাদন বেড়েছে ৫০ শতাংশেরও বেশি। প্রধানমন্ত্রী জানান, সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে দেশে দেড় লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ এসেছে। পাঁচটি প্ল্যান্টের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলি থেকে প্রতিদিন ৭ কোটি চিপ তৈরি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান, গত দশ বছরে ভারতে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদন বেড়েছে ৪০০ শতাংশ। সামরিক সরঞ্জাম রফতানি হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার কোটি টাকা। ভারত এখন বিশ্বের ৮৫টিরও বেশি দেশে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এক সঙ্গে আমরা এমন ভারত গড়ে তুলতে পারি, যা শুধু নিজের প্রয়োজন মেটাবে (Make In India) না। একই সঙ্গে বিশ্বের কাছে উৎপাদনের পাওয়ার হাউস হয়ে উঠবে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Foxconn: চিনের উপর আর নির্ভর নয়, ভারতেই স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফক্সকন

    Foxconn: চিনের উপর আর নির্ভর নয়, ভারতেই স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফক্সকন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলির একচেটিয়া আধিপত্য দূর করতে উঠে পড়ে লেগেছে ভারত। মোদি সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের উপর ভর করে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে দেশ। বহু দেশ-বিদেশি সংস্থা ভারতে বিনিয়োগ করছে। এবার ফক্সকন তামিলনাড়ুতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার কথা ভাবছে। এই টাকা কাজে লাগিয়ে তারা একটি স্মার্টফোন ডিসপ্লে মডিউল অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই প্ল্যান্ট তৈরি হলে ভারত চিনের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     বিশেষজ্ঞদের মত

    সম্প্রতি, বিখ্যাত বই চিপ ওয়ার-এর লেখক ক্রিস মিলার জানান, ভারতীয় কোম্পানিগুলি খুব সহজে চিনকে হারাতে পারবে। যার জন্য একটি সঠিক কৌশল থাকতে হবে। ক্রিস মিলারের কথায়, ভারত ইলেকট্রিক গাড়ি ও চিকিৎসা প্রযুক্তি খাতে যা করে দেখিয়েছে তার সঙ্গে অন্য কেউ লড়াই করতে পারবে না। তবে এ কথা ঠিক চিনের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য রয়েছে। তবে এর মানে এই নয় যে, ভারত তার জবাব দিতে পারবে না।

    মেক ইন ইন্ডিয়ার সুফল

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্প আসার পরই নানা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভারতে অ্যাসেম্বেল করা শুরু করেছে। আইফোন, স্যামসাংয়ের মতো জনপ্রিয় কোম্পানি দেশে স্মার্টফোন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় কোম্পানিগুলিও ধীরে ধীরে বাজারে জমি শক্ত করতে শুরু করেছে। রিপোর্ট বলছে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন হাব হতে চলেছে ভারত। গত বছর,২০২৩ সালে ২৪৫ কোটি স্মার্টফোন তৈরি হয়েছে ভারতে। যার মধ্যে রয়েছে একাধিক বড় নাম যেমন অ্যাপল, শাওমি, ওপো এবং ভিভো। ২০২৩ সালে স্মার্টফোন তৈরি করে ৪.১ লক্ষ কোটি টাকা আয় করেছে সরকার। যা ২০১৪-১৫ সালে ছিল ১৮ হাজার,৯০০ কোটি টাকা। 

    চিন নির্ভরতা কমানো লক্ষ্য

    স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে চিন নির্ভরতা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সংস্থা অ্যাপল। তাই ভারতই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য স্থান তাদের কাছে। পাশাপাশি স্যামসাংও ভারতকে প্রাধান্য দিতে শুরু করেছে। দুই কোম্পানির ক্ষেত্রেই একটি বড় বাজার ভারত। স্মার্টফোনের পাশাপাশি আরও একাধিক ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস বিক্রি করে তারা। যার মধ্যে স্যামসাং এগিয়ে রয়েছে। আগামীদিনে অ্যাপল এবং স্যামসাং হাই-এন্ড মেক ইন ইন্ডিয়া স্মার্টফোন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে আইফোন তৈরি করা শুরু করেছে অ্যাপল। ভারতীয় কোম্পানি টাটা গ্রূপের সঙ্গে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে অ্যাপল।

    আরও পড়ুন: ‘‘রাম রাজ্যের পথে এগোচ্ছে দেশ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোদি’’, বললেন ধনখড়

    ফক্সকনের বিনিয়োগ

    আমেরিকার প্রযুক্তি সংস্থা অ্যাপলের থেকে বরাত নিয়ে পণ্য তৈরি করে তাইওয়ানের ফক্সকন। তামিলনাড়ুর কারখানাটি ভারতে তাদের বৃহত্তম উৎপাদন কেন্দ্র। এখানেই তারা স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের কথা ভাবছে। ফক্সকনকে সাহায্য করবে পেগাট্রন এবং টাটা ইলেকট্রনিক্স। কবে থেকে ফক্সকন ভারতে স্মার্টফোন অ্যাসেম্বল বৃদ্ধি করবে তা সঠিকভাবে এখনও বলা না গেলেও কোম্পানিটি “যত তাড়াতাড়ি সম্ভব” কাজ শুরু করবে। ফক্সকন অরগাডাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড লজিস্টিক্স পার্কে প্রায় ৫০০,০০০ বর্গফুট স্থান বেছে নিয়েছে। এখানেই তারা স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলি ইউনিট খোলার কথা ভাবছে। ফক্সকন ভারতে স্মার্টফোন উৎপাদনের উপস্থিতি বিস্তৃত করতে এবং আইসিটি, বৈদ্যুতিক যানবাহন, ব্যাটারি এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো অন্যান্য খাতেও বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত। 

    দৌড়চ্ছে ভারত

    ভারতে ডিসপ্লে মডিউলগুলির স্থানীয় অ্যাসেম্বলি করা গুরুত্বপূর্ণ। এখনও এই উপাদানগুলির জন্য ব্যাপকভাবে আমদানির উপর নির্ভরশীল ভারত। যা দেশের খরচ বাড়ায় এবং সরবরাহ চেনে জটিলতা সৃষ্টি করে। প্রায় ৬০-৬৫ শতাংশ ডিসপ্লে মডিউল চিন থেকে আমদানি করা হয়, দক্ষিণ কোরিয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী হিসাবে কাজ করে। সেখান থেকে ২০-২৫ শতাংশ নিয়ে আসা হয়। ভারতে যদি স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোনগুলি অ্যাসেম্বল করা যায়, তাহলে খরচ কমবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share