Tag: Malda

Malda

  • Malda: আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি! প্রথম হুমকি, তার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই নৃশংস খুন টোটো চালককে

    Malda: আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি! প্রথম হুমকি, তার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই নৃশংস খুন টোটো চালককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের শাসনে রাজ্যে হাতে হাতে ঘুরছে অস্ত্র, এ অভিযোগ প্রায়শই শোনা যায়। শুধু অভিযোগই বা কেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বোমাবাজি, গুলি চালানোর মতো ঘটনাও তো কম ঘটছে না। বিরোধীদের অভিযোগ, বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে রাজ্য। পথেঘাটে বের হওয়া মানুষের নিরাপত্তাও মাঝে মধ্যে প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়াচ্ছে। এবার নৃশংস এবং মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল মালদায় (Malda)। সামান্য চুরির ঘটনার শোচনীয় পরিণতিতে হয়ে গেল খুন। তাও যা ঘটল, তা অন্য দিক থেকেও উদ্বেগজনক। কারণ, প্রথমে ছিল খুন করার হুমকি। আর তারপর দু’দিনও কাটল না।

    কী ঘটনা? (Malda)

    হুমকির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘরের ভিতর থেকে উদ্ধার হল এক টোটো চালকের মৃতদেহ। মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করার অভিযোগ। ঘটনা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা মালদা জেলার পুরাতন মালদা থানার রসিলাদহ বাগানপাড়া এলাকায়। জানা গেছে, মৃত টোটো চালকের নাম নেপাল মণ্ডল। গত এক সপ্তাহ আগে তাঁর বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এলাকারই কয়েকজন যুবককে সন্দেহ করেন নেপাল। এই নিয়ে গ্রামে সালিসি সভাও বসে। কিন্তু কোন মীমাংসা না হওয়ায় নেপাল মণ্ডল পুরাতন মালদা (Malda) থানার দ্বারস্থ হওয়ার কথা চিন্তাভাবনা করেন। এর পরই গত পরশুদিন রাতে নেপাল মণ্ডলকে ফোন করে কে বা কারা খুনের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। সেই হুমকির ৪৮ ঘণ্টা না কাটতেই আজ সকালে নিজের ঘর থেকে ওই টোটো চালকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

    গলায় মশারি এবং মুখে বালিশ (Malda)

    মৃত নেপাল মণ্ডলের স্ত্রী মৌসুমী মণ্ডলের অভিযোগ, তাঁর স্বামী নেশা করত। এই কারণে আলাদা বাড়িতে ছেলেমেয়েদের নিয়ে থাকতেন তিনি। তবে প্রতিদিন যাতায়াত ছিল। তাঁর স্বামী জানিয়েছিল তাকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে (Malda)। এর পরই আজ সকালে ঘরের ভিতর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃত নেপাল মণ্ডলের গলায় মশারি এবং মুখে বালিশ দেওয়া অবস্থায় পুলিশ দেহ উদ্ধার করে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: অনুব্রত ঠিকই বলেছিলেন, ঢেউ খেলানো রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে মালদার উন্নয়ন!

    Malda: অনুব্রত ঠিকই বলেছিলেন, ঢেউ খেলানো রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে মালদার উন্নয়ন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত ভুল কিছু বলেননি, উন্নয়ন এখানে সত্যিই রাস্তায় দাঁড়িয়ে। কারণ, রাস্তা তো নয়, যেন দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে আছে। রীতিমতো ঢেউ খেলানো। জায়গায় জায়গায় চাকলা উঠে পরিস্থিতি দিনকে দিন যেন আরও সঙ্গীন হয়ে উঠছে। অথচ রাস্তাও (Malda) কম নয়, মালদার গাজোল ব্লকের দেওতলা থেকে চাকনগর-প্রায় ১৭ কিলোমিটার। বাসিন্দারা বলছেন, স্কুল-কলেজ, বাজার, সরকারি অফিস সে সব না হয় কোনও রকমে করা গেল। কিন্তু কেউ অসুস্থ হলে? সে এক দুঃসহ যন্ত্রণা। কীভাবে রোগীকে নিয়ে যাওয়া যাবে? অ্যাম্বুল্যান্স তো ওই রাস্তা দিয়ে গ্রামে ঢুকবেই না। ভ্যান কিংবা ছোট গাড়িই ভরসা। ফলে স্বাভাবিক কারণেই রোগীর প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা বেড়ে যায়। অনেকেই বলছেন, প্রসব যন্ত্রণা উঠলে দুশ্চিন্তা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এমনও হয়েছে, উঁচু-নিচু রাস্তায় যেতে যেতে মাঝপথেই প্রসব হয়ে গিয়েছে। ফলে রাস্তা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে।

    বিজেপি পঞ্চায়েতে বলেই বঞ্চনা? (Malda)

    দীর্ঘদিন ধরে এই অবহেলা কেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এল রাজনীতির এক নোংরা চিত্র। উল্লেখ্য, এখানকার পঞ্চায়েতে গত ১০ বছর ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। সেই পঞ্চায়েতেরই প্রধান বলছেন, রাজ্যের শাসন ক্ষমতা এবং অর্থ-সবই তো তৃণমূলের করায়ত্ত। শুধু রাস্তা (Malda) কেন, কোনও কাজেই টাকা মিলছে না। ওপর মহলে যেখানে যা জানানোর, বহুবার বলা হয়েছে। চাকনগর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দীপু ওঁরাও সরাসরি অসহযোগিতারই অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর আরও অভিযোগ, পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে হলে কী হবে, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদ তো তৃণমূলের। এমনকী সরকারি অফিসাররাও শাসক দলের অঙ্গুলি হেলনেই চলেন। ফলে পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় থেকেও চরম বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে।

    কী জবাব তৃণমূলের? (Malda)

    গাজল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন অবশ্য এসব অভিযোগ মানতে নারাজ। রাস্তার যে সমস্যা রয়েছে, এবং মানুষের যে তাতে খুবই সমস্যা হচ্ছে, তা স্বীকার করে তিনি বলেন, গোটা বিষয়টিই উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীকে জানানো হয়েছে। রাস্তার (Malda) কাজ তাড়াতাড়ি শুরু হবে, এমন আশ্বাসও তিনি দিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: বিজেপি সাংসদ, বিধায়কদের ‘জিভ টেনে ছিঁড়ে নেওয়ার’ নিদান দিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি

    Malda: বিজেপি সাংসদ, বিধায়কদের ‘জিভ টেনে ছিঁড়ে নেওয়ার’ নিদান দিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, বিজেপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বেশি আক্রমণাত্মক হচ্ছেন শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীরা। দুদিন আগেই কোচবিহারের দলীয় সভায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ি থেকে বের করে মারার নিদান দিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে বিজেপি সাংসদ, বিধায়কদের ‘জিভ টেনে ছিঁড়ে নেওয়ার’ হুমকি দিলেন মালদা (Malda) জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা মালতিপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি? (Malda)

    মালদার (Malda) বামনগোলায় পথসভা থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন আব্দুর রহিম বক্সি। তিনি বলেন, ‘বিজেপি সাংসদ খগেনবাবুরা ৩৫ কোটি টাকা পান, কত টাকা কমিশনে কাজ বিক্রি করেছেন ঠিকাদরদের কাছে। সেই ৩৫ কোটি টাকা কোথায় তার হিসেব দিতে হবে। এরপরেই তিনি বলেন, ‘বহু কথা বলেছেন,বড় বড় আওয়াজ তুলছেন, মানুষ কিন্তু এবার ছেড়ে কথা বলবে না। যে মুখ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন, যে মুখ দিয়ে মিথ্যা কথা বলে মানুষদের বিভ্রান্ত করছেন, সেই মুখ থেকে জিভটা টেনে ছিঁড়ে বের করে মানুষ প্রমাণ করবে যে মানুষ আপনাদের সঙ্গে নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই কলোনির হাটে যে রাস্তাগুলো হয়নি এখানে কেন্দ্রীয় সরকার যত বঞ্চনা করুক, খগেন মুর্মু যত বঞ্চনা করুক, জুয়েল মুর্মু যত বিরোধিতা করুক আর বিজেপি যত বিরোধিতা করুক, সমস্ত রাস্তা তৃণমূল কংগ্রেস করবে।’ মূলত বেহাল রাস্তার কারণে খাটিয়া নিয়ে রোগী নিয়ে যেতে রাস্তাতেই রোগীর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনা থেকে বাঁচতে রাস্তা তৈরির সাফাই দিয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    বিজেপি বিধায়ক জুয়েল মুর্মু বলেন, ‘আমরা কারও জিভ ছিঁড়তে রাজি নই। এই মন্তব্যের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। মালদায় (Malda) অ্যাম্বুল্যান্স না পাওয়ার জন্য এক মহিলার মৃত্যু দুঃখজনক। তবে এমজিএনআরজিএ-র কাজ হলে রাজ্য সরকার সেই কাজ করবে। সেটা বিধায়কের দেখার কথা নয়। স্থানীয় গ্রামের প্রশাসনের দেখা উচিত।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: মালদার পর বর্ধমান, এখানেও রোগীদের খাটিয়ায় নিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে!

    Purba Bardhaman: মালদার পর বর্ধমান, এখানেও রোগীদের খাটিয়ায় নিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ নিদান দিয়েছিলেন, “রাস্তা খারাপ হলে কেউ মারা যান না। মারা যান ভাগ্য খারাপ হলে।” তৃণমূলের উন্নয়ন এবং পথশ্রী যে ব্যর্থ, তা আরও একবার প্রমাণিত হল বর্ধমানে (Purba Bardhaman)। মালদার পর বর্ধমান, এখানেও রোগীদের খাটিয়ায় নিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে। সমস্যাটা জানেন বিডিও, চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে জেলা আধিকারিক সকলেই। তবুও দুর্ভোগ চলছেই। বর্ষাকালে এই রাস্তার হাল কহতব্য নয়, ঠিক এমনটাই জানাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান সদরের বন্ডুল গ্রামের আদিবাসীপাড়ায় রাস্তার অবস্থা এতটাই বেহাল। প্রশাসনের কাছে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানানো হলেও মিলছে না সমাধানসূত্র। উল্লেখ্য মালদায় খারাপ রাস্তার কারণে খাটিয়া করে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথেই মৃত্যু হয়। এরপরই প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

    নেতারা শুধু প্রতিশ্রুতি দেন, ক্ষোভ

    আদিবাসী পাড়ার এক ব্যক্তি দুলন সর্দার বলেন, “গ্রামের (Purba Bardhaman) ভিতরে আসা যাওয়া করতে প্রচণ্ড অসুবিধা হচ্ছে। কেউ অসুস্থ হলে খাটিয়া করেই জীবিত মানুষকে নিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে। এলাকা থেকে হাসপাতাল প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে। খারাপ রাস্তার কারণে রোজ স্কুল যেতে ব্যাঘাত ঘটছে পড়ুয়াদের। আর বর্ষাকালে রাস্তায় হাঁটাচলা করাই সমস্যা।” আরেক বাসিন্দা রবিলাল বাস্কে বলেন, “নেতারা শুধু প্রতিশ্রুতি দেন। ভোট নিয়ে যান। গ্রামের ভিতরে এই রাস্তাটুকু চলার অযোগ্যই থেকে যায়।”

    বেহাল রাস্তায় ক্ষুব্ধ গ্রামের মানুষ

    গ্রামের (Purba Bardhaman) বাসিন্দা বাবু বেসরা বলেন, “এলাকায় দীর্ঘদিনের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়েছে। দশ বছর ধরে আবেদন নিবেদন করলেও পঞ্চায়েত থেকে বি.ডি.ও এবং বিধায়ক থেকে জেলা পরিষদ, বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদকে অভিযোগের কথা জানালেও কোনও সমাধান হচ্ছে না। প্রশাসনের বিন্দুমাত্র সমস্যা নিয়ে হুঁশ নেই।”

    প্রশাসনের বক্তব্য

    তবে বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের (Purba Bardhaman) চেয়ারম্যান কাকলি তা বলেন “হঠাৎ করে ওই পাড়াটি গ্রামের ভিতরে গড়ে তুলেছেন আদিবাসীরা। নিজেদের আত্মীয় এনে বসতি গড়েছেন। পাড়ার ভিতরে কিছুটা রাস্তা হলেও মূল রাস্তার সাথে এখনও সংযোগ করা যায়নি।” তিনি স্বীকার করেন অসুবিধা আছে। তবে এও জানান, একটি পরিবার বারো কাঠা জায়গা দিলে তবেই রাস্তাটি হতে পারে। এই যুগে কে এই রাস্তার জন্য জমি দেবে? এনিয়ে জটিলতা রয়েছে। জমি অধিগ্রহণও হয়নি বলে তিনি জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: অভাবে দেড় লক্ষ টাকায় সন্তান বিক্রি! অভিযুক্ত মায়ের থেকে কাটমানি নিলেন তৃণমূল নেতা

    Malda: অভাবে দেড় লক্ষ টাকায় সন্তান বিক্রি! অভিযুক্ত মায়ের থেকে কাটমানি নিলেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাবের তাড়নায় ১৮ দিনের সদ্যোজাতকে স্থানীয় ব্যবসায়ী দম্পতির কাছে দেড় লক্ষ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠল পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা সেই সদ্যোজাতকে আবার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেন। তবে, তাঁর কাছে থেকেও কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের ওই নেতার বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায়। সমগ্র ঘটনা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় অভিযুক্ত গৃহবধূর সংসারে অর্থাভাব। ঠিকভাবে জোটে না খাবার। রয়েছে এক বছরের শিশু সন্তান। চলতি মাসের ১ নভেম্বর আবার একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন মা। কিন্তু, দ্বিতীয় সন্তানের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। তাই, ১৮ দিনের শিশুকে বিনোদ আগরওয়াল নামে এক ব্যবসায়ী দম্পতির কাছে দেড় লক্ষ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ নিজের মুখে স্বীকার করে নিয়েছেন মা। যদিও এই বিক্রি করার খবর জানাজানি হতেই স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা শিশুটিকে ওই ব্যবসায়ী  দম্পতির কাছ থেকে এনে মায়ের কোলে তুলে দেন বলে জানা গেছে। কিন্তু, ওই দেড় লক্ষ টাকা স্থানীয় সেই তৃণমূল নেতা অভাবী মায়ের কাছ থেকে কেড়ে নেয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে গ্রামের সালিশিতে এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা ফেরত দিলেও ত্রিশ হাজার টাকা এখনও ফেরত দেননি।

    কী বললেন অভিযুক্ত মা?

    অভিযুক্ত মা বলেন, স্বামী আমাকে দেখেন না। সংসার চালানোর টাকা নেই। দ্বিতীয় সন্তান হওয়ায় খাওয়াব কী করে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। পরে, সন্তানকে দেড় লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছিলাম। আমার কাছে থেকে টাকা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে, টাকা ফেরত পেলেও ৩০ হাজার টাকা এখনও পাইনি।

    তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা তথা শিক্ষক দ্রোণাচার্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি শুধু শিশু বিক্রি আটকেছি। কোনওরকম টাকার বিষয় আমি জানি না। শিশু বিক্রি করা অপরাধ। সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা রুখে দাঁড়িয়েছি। সেটা যদি অপরাধ হয় তা আমি করেছি।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি নেতা কিষাণ কেডিয়া বলেন, রাজ্যের কর্মসংস্থানের বেহাল দশা এই ঘটনায় প্রমাণ হচ্ছে। এতটাই অভাব মানুষের যে মানুষ শিশুকে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। আর সেখান থেকেও কাটমানি নিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল। এর থেকে লজ্জার আর কিছু নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “প্রশাসন চায় না এলাকায় রাস্তা হোক”, খাটিয়ায় রোগীমৃত্যুর ঘটনায় তোপ খগেন মুর্মুর

    Malda: “প্রশাসন চায় না এলাকায় রাস্তা হোক”, খাটিয়ায় রোগীমৃত্যুর ঘটনায় তোপ খগেন মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) বামনগোলা ব্লকে গোবিন্দপুর মহেশপুর অঞ্চলের, মালডাঙ্গা গ্রামে এলেন উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। রাস্তার জন্য ঘোষণা করলেন ১০ লাখ টাকা। জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “প্রশাসন চায় না এলাকায় রাস্তা হোক”। গতকাল খারাপ রাস্তা এবং অ্যাম্বুল্যান্স না আসার কারণে খাটিয়া করে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যেতে পথেই মৃত্যু হয়েছিল ২৪ বছরের মহিলা রোগীর। এই নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়েছিল। রাস্তা ঠিক করার বিষয় নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। খাটিয়া করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসন এবং শাসক দল তৃণমূলকে তীব্র সমালোচনা করেন বিজেপি সাংসদ।

    মৃত রোগীর পরিজনের পাশে সাংসদ (Malda)

    খাটিয়ায় রোগীর মৃত্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকেই দায়ী করে একরাশ বিক্ষোভ উগরে দিলেন উত্তর মালদা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। আজ ওই এলাকায় গিয়ে মৃত ওই যুবতী মামনি রায়ের পরিবারের সাথে দেখা করেন সাংসদ এবং স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক জুয়েল মুর্মু। গ্রামবাসীদের নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে এলাকা জুড়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি সাংসদ।

    কী বললেন খগেন মুর্মু

    উত্তর মালদার (Malda) বিজেপি সাংসদ অভিযোগ করে বলেন, “এই এলাকার সাংসদ, বিধায়ক থাকলেও আমাদের কিছু করণীয় নেই। আমরা প্রশাসনকে বারবার রাস্তার জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছি। কিন্তু আমরা বিজেপির প্রতীকে জয়ী হয়েছি বলে রাজ্য সরকার এলাকার রাস্তা করছে না। প্রশাসন বৈঠক ডাকুক আমিও আজই যাবো। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়কের যোজনায় রাস্তার জন্য চিঠি করবো। রাস্তার জন্য ১০ লাখ টাকা অনুদান দেবো আমি। কিন্তু প্রশাসন চায় না রাস্তা হোক। পাশের জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার এবং উত্তর দিনাজপুরের সাংসদ দেবশ্রী চৌধরিও তাঁদের জেলা শাসকদের চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু জেলা প্রশাসন কাজ করতে চায় না। প্রশাসন রাস্তা নিয়ে যেমন রাজনীতি করছে ঠিক তেমনি রাজ্যের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা নিয়ে কোনও সদর্থক ভূমিকা দেখা যায়নি। আগেও অ্যাম্বুল্যান্সের অভাবে মৃতদেহ কাঁধে করে ঘাড়ে করে অথবা ব্যাগে করে নিয়ে যেতে হয়েছে। সরকার অত্যন্ত নির্মম।”

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    এলাকার (Malda) এক বাসিন্দা সুমন মণ্ডল বলেন, “এই পাঁচ কিলোমিটার রাস্তাটা বহুদিন ধরে বেহাল হয়ে রয়েছে। প্রশাসনকে বার বার জানিয়েও লাভ হচ্ছে না। রাস্তা ভালো থাকলে হয়তো ওই রোগীর মৃত্যু হত না। আমরা অবলম্বে রাস্তা চাই।” খাটিয়ায় রোগীকে নিয়ে যাওয়ায়, তার ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই নিন্দার ঝড় উঠেছিল রাজ্য জুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মামনির মৃত্যুতে টনক নড়ল প্রশাসনের, ২ কোটি টাকা খরচে হচ্ছে রাস্তা

    Malda: মামনির মৃত্যুতে টনক নড়ল প্রশাসনের, ২ কোটি টাকা খরচে হচ্ছে রাস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুবার গ্রামবাসীরা দরবার করেছিলেন। কাজ হয়নি। প্রশাসন রাস্তা তৈরির বিষয়ে কোনও গা করেনি। কিন্তু, হতশ্রী রাস্তার জন্য যেভাবে একজনের প্রাণ গেল, তার দায় রাজ্য সরকারের। এলাকার মানুষ সেই সরকারের গাফিলতিকে তুলে ধরে শনিবার রাস্তা অবরোধে সামিল হয়েছিলেন। মালদার (Malda) বামানগোলায় মালডাঙিতে বেহাল রাস্তার জন্য মামনি রায় নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় শুরু হতেই টনক নড়ে প্রশাসনের। অবশেষে বামানগোলায় মালডাঙিতে রাস্তা তৈরির আশ্বাস দিলেন বিডিও। সূত্রের খবর, বিডিও এবং বামোনগোলা থানার আইসি লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানিয়েছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে রাস্তা।

    রাস্তা তৈরির আশ্বাস নিয়ে অবরোধকারীরা কী বললেন? (Malda)

    মালদার (Malda) মালডাঙা গ্রাম থেকে গঙ্গাপ্রাসাদ কলোনি পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হবে। তার জন্য প্রায় ২ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। অবরোধকারীদের সামনে  লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেই ওঠে অবরোধ। অবরোধকারীদের বক্তব্য, পথশ্রী প্রকল্পে লক্ষ লক্ষ চাকা খরচ করে রাস্তা তৈরির কথা বলা হলেও এই রাস্তা তৈরিতে প্রশাসনের কোনও হেলদোল নেই। বার বার বলার পরও কোনও কাজ হয়নি। মর্মান্তিক মৃত্যুর পরই প্রশাসন নড়েচড়ে বসল। এলাকাবাসীর দাবি মেনে রাস্তা তৈরি হলে মামনির প্রাণ এভাবে যেত না।

    প্রসঙ্গত, বিগত কয়েকদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন মালডাঙা গ্রামের গৃহবধূ মামনি রায়। শুক্রবার তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যেতে অ্যাম্বুল্যান্সের খোঁজ শুরু করেন বাড়ির লোকজন। অভিযোগ, রাস্তার অবস্থা এতই খারাপ যে ওই এলাকায় ঢুকতে চায়নি কোনও অ্যাম্বুল্যান্সই। অনেকে বেশি টাকা দাবি করেন। অগত্যা খাটিয়া করেই মামনি দেবীকে হাসপাতালে নিয়ে যান গ্রামের লোকজন। কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি। বাঁচানো যায়নি ওই গৃহবধূকে। এই ছবি সামনে আসতেই জোর শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। যদি মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী আবার বলেছেন, রাস্তার জন্য নয়, ভাগ্যে ছিল তাই মৃত্যু হয়েছে ওই মহিলার। তাঁর মন্তব্যেও উঠেছে বিতর্কের ঝড়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: খারাপ রাস্তা, নেই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা, খাটিয়ায় করে হাসপাতালে যেতেই পথে মৃত্যু রোগীর!

    Malda: খারাপ রাস্তা, নেই অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা, খাটিয়ায় করে হাসপাতালে যেতেই পথে মৃত্যু রোগীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় (Malda) খাটিয়ায় দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ২৪ বছরের রোগীকে। হ্যাঁ রাস্তা খারাপ বলে অ্যাম্বুল্যান্স মেলেনি। হাসপাতালে নিয়ে যেতে পথেই মৃত্যু হয় ওই রোগীর। এই অমানবিক ঘটনার কথা মনে করিয়ে দিল ওড়িশার কালাহান্ডি দানা মাজির কথা। মৃত স্ত্রীর দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়া ছিলনা বলে, মাথায় করে মৃত স্ত্রীর দেহ নিয়ে আসতে হয়েছিল তাঁকে। আবার এই রাজ্যেই এবছরেই জলপাইগুড়িতে মৃত ছেলের দেহ বাড়িতে আনার জন্য গাড়ি মেলেনি। শুধু তাই নয় কালিয়াগঞ্জের মৃত সন্তানের দেহ ব্যাগে করে বাড়িতে ফিরতে হয়েছিল বাবাকে। তিনিও পাননি অ্যাম্বুল্যান্স। এবার খাটিয়ায় করে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে সর্বত্র। সভ্যসমাজের কাছে অত্যন্ত লজ্জার ঘটনা বলে মন্তব্য করছেন সমাজকর্মীরা।

    মালদার কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Malda)?

    মালদার বামনগোলা ব্লকের, গোবিন্দপুর মহেশপুর অঞ্চলের মালডাঙা গ্রামের এই মধ্যযুগীয় বর্বরতার ছবি উঠে আসলো। স্থানীয় সূত্রের খবর, ওই গ্রামেরই গৃহবধূ মামনী রায় (১৯)। বছর কয়েক আগে এলাকার বাসিন্দা কার্তিক রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। সম্প্রতি তিনি জ্বরে ভুগছিলেন বলে খবর। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় করেন। অ্যাম্বুল্যান্সে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে খারাপ রাস্তার কারণে টাকা বেশি চেয়ে যেতে রাজি হয়নি অ্যাম্বুল্যান্স। অবশেষে খাটিয়াতে শুইয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। বাঁচানো যায়নি মামনীকে। পথেই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর।

    নির্মম ভিডিও ভাইরাল

    বাড়িতে (Malda) মৃত মামনীর ২ বছরের এক সন্তানও রয়েছে। রাস্তার খারাপে জন্য প্রাণ গেল। ঠিক সময়ে পৌঁছালে হয় তো প্রাণ বেঁচে যেতো। অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য হাসপাতালে ফোন করলে রাস্তা খারাপের জন্য আসতে চায়নি। এই পরিপ্রেক্ষিতে কোনও বুদ্ধি না পেয়ে পরিবারের লোকেরা খাটিয়াতে দড়ি বেঁধে ঘাড়ে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাপক ভাইরাল হয়। অত্যন্ত অমানবিক নির্মম ভিডিও।

    প্রশাসনের ভূমিকা

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় রাস্তার জন্য বামনগোলা (Malda) বিডিও অফিসে এলাকাবাসী বহুবার গিয়েছিলেন। বিডিও সাহেব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কিন্তু রাস্তা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে খাটিয়াতে করে নিয়ে যেতে হয় রোগীকে। রাজ্যের গ্রন্থাগার দপ্তরের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী বলেন, “মৃত্যুর জন্য খারাপ রাস্তা দায়ী নয়, দায়ী তাঁর ভাগ্য। ভাগ্যে ছিল বলেই তিনি মারা গেছেন।” আবার এবিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সহ সভাপতি বলেন, “এই ঘটনা আমার জানা নেই সঠিক ভাবে। তবে রাজ্য সরকার যেভাবে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন এরকম কোনও ঘটনা ঘটার কথা নয়, যদি ঘটে থাকে তাহলে খতিয়ে দেখবো বিষয়টি।

    বিজেপির বক্তব্য

    অপরে প্রশাসনের এই অমানবিক আচরণে বিজেপি তীব্র সমালোচনা করেছে শাসক দল তৃণমূলকে। বিজেপির তরফে জেলার নেত্রী (Malda) বিনা কীর্তনীয়া বলেন, “এতো এতো রাস্তা হচ্ছে পথশ্রী কোথায়? সরকার অত্যন্ত অমানবিক। রাস্তা নেই, অ্যাম্বুল্যান্স নেই। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসাবে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “আমাদের দলেও কিছু কুলাঙ্গার ছেলে-মেয়ে রয়েছে”, দুর্নীতি ইস্যুতে বেপরোয়া তৃণমূলের মন্ত্রী

    Malda: “আমাদের দলেও কিছু কুলাঙ্গার ছেলে-মেয়ে রয়েছে”, দুর্নীতি ইস্যুতে বেপরোয়া তৃণমূলের মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যেন সমার্থক। তৃণমূল আছে, অথচ অন্তর্কলহ নেই, কাদা ছোড়াছুড়ি নেই, এটাও যেন আজ আর ভাবাই যায় না। এই তো কদিন আগের কথা। প্রত্যন্ত জেলা নয়, খাস কলকাতায় বসে দীর্ঘদিনের সাংসদ সৌগত রায়ের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন তোপ দাগেন তৃণমূল বিধায়ক তথা তৃণমূলের ‘কালারফুল’ নেতা মদন মিত্র। হুমায়ুন কবীর তো উঠতে বসতে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে যা নয় তাই বলেন। এবার সেই ভূমিকাতেই দেখা গেল তৃণমূলের এক মন্ত্রীকে। তিনি হলেন রাজ্যের সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। কয়েকদিন আগে মালদা (Malda) জেলার কালিয়াচকের আলিনগরে তৃণমূল এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছিল। ১০০ দিনের কাজে টাকা না মেলাই ছিল মূল ইস্যু। সেখনে ভাষণ দিতে গিয়ে দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই খড়্গহস্ত হতে দেখা গেল তাঁকে।

    কী বললেন মন্ত্রী? (Malda)

    যে ইস্যুতে তৃণমূলের একের পর এক নেতা-মন্ত্রী জেলের ঘানি টানছেন, যে ইস্যুতে জনতার দরবারে তৃণমূলকে নাস্তানাবুদ হতে হচ্ছে, সাবিনা ইয়াসমিন এদিন তাকেই হাতিয়ার করেন। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদেরকে বলব, আমাদের ভুল বুঝবেন না। আমরা যা করি আপনাদের জন্যই করি। এবার কেউ যদি কোনও দোষ করে থাকে, ভুলের ভাগীদার সে একা হবে। তার শাস্তি হোক এটাই আমরা চাই। আমার বাড়িতে যদি কোনও কুলাঙ্গার ছেলে থাকে, পুলিশ যদি তাঁকে গ্রেফতার করে, তবে বাপ-মা কী করবে! শাসন করার পরও ছেলে শুধরচ্ছে না। ঠিক তেমনি আমাদের পার্টিতেও কিছু কুলাঙ্গার ছেলে-মেয়ে রয়েছে।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে পাপ করবে, প্রায়শ্চিত্তও তাকেই করতে হবে। কোনও ভুলের জন্য দল দায়ী নয়। দল কি কাউকে চুরি করার জন্য বলেছে? কেউ একজন দাঁড়িয়ে বলুন তো, কারও থেকে কখনও কোনও টাকা-পয়সা নিয়েছি আমি? হ্যাঁ কখনও চা খেয়েছি। টাকার বিনিময়ে কোনও কাজ আমি (Malda) আমার রাজনৈতিক জীবনে করিনি। দল কখনও টাকার বিনিময়ে কাজ করার কথা বলেনি। কেউ যদি টাকার বিনিময়ে কাজ করে, তবে সে দায়ী। আমি আপনাদের বলব, কোনও কাজের জন্য কাউকে টাকা দেবেন না। আমাদের সরকার মানুষের জন্য সব ধরনের সুবিধা করে দিয়েছে। দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গেলেই সব কাজ হয়ে যায়।’

    জেলার রাজনীতিতে চাঞ্চল্য (Malda)

    মালদা জেলায় (Malda) তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কলহ নতুন কিছু নয়। এই নিয়ে জেলায় গন্ডগোল, ঝামেলা, খুনখারাবি লেগেই থাকে। এবার সেই বিতর্ককে আরও উস্কে দিলেন মন্ত্রী। ফলে ফের নতুন বিতর্ক শুরু হল। যদিও এই বিতর্কে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব আগের মতোই এখনও চুপই রয়েছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: আজব কাণ্ড! দুয়ারে রেশনে মিলছে টাকা! কীভাবে জানেন?

    Malda: আজব কাণ্ড! দুয়ারে রেশনে মিলছে টাকা! কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রেশন বন্টন দুর্নীতির অভিযোগে ইডি হেফাজতে রয়েছেন। একের পর এক দুর্নীতিগ্রস্ত রাইস মিমল মালিক, রেশন ডিলারের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেছে। এসব ঘটনা নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি উত্তাল, তখন দুয়ারে রেশনে আজব ছবি দেখা গেল মালদার (Malda) পাকুয়ায়। খাদ্য সামগ্রীর বদলে গ্রাহকরা টাকা পাচ্ছেন। সেই টাকা গুনে গুনে দিচ্ছেন খোদ ডিলার নিজেই। দুয়ারে রেশনের এমনই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে যায় জেলার প্রশাসনিক মহলে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Malda)

    গ্রাহকদের সুবিধার্ধে দুয়ারে রেশন চালু করেছে রাজ্য সরকার। এক বছর ধরে মালদাতেও (Malda) সে প্রকল্প চলছে। তবে পাকুয়ায় কামাতিপাড়ায় দুয়ারে রেশনের কোনও চিহ্ন নেই। নেই ফ্লেক্স, ফেস্টুন কিংবা খাদ্য সামগ্রী। রেশন ডিলার বিভা রায়ের ছেলে ঝঙ্কারেশ রায় কর্মীর পাশে দাঁড়িয়ে গ্রাহকদের হাতে হাতে দিচ্ছেন নগদ টাকা। এমনই অভিযোগ গ্রাহকদের। তাঁদের দাবি, রেশনের খাদ্য সামগ্রী আটা,চালের মান খুবই নিম্নমানের। তাই, চাল, আটা খোলা বাজারে বিক্রি করতে দিতে হয়। তবে রেশন ডিলার নিজেই রেশন দোকানে বসে আটা, চালের মূল্য ধরে টাকা দিয়ে দিচ্ছেন। প্রত্যেককে টোকেন দেওয়া রয়েছে। সেই টোকেন নিয়ে ডিলারের কাছে গেলেই মিলছে টাকা। গ্রাহকদের বক্তব্য, আসলে রেশনে যে সামগ্রী দেওয়া হয় তা অত্যন্ত নিম্নমানের। রেশন ডিলার নিজেই তা কিনে নিতে চান। তাই, নিজের সামগ্রী সেখানে বিক্রি করে মূল্য পেয়ে যায়। রেশনে গুণগত মান ভাল দিলে আর আমরা বিক্রি করব না। 

    কী বললেন রেশন ডিলার?

    রেশন ডিলার বিভা রায়ের ছেলে ঝঙ্কারেশ রায় বলেন, নিয়ম মেনেই গ্রাহকদের রেশন সামগ্রী দেওয়া হয়। গ্রাহকদের কাছ থেকে রেশন কেনা কিংবা তাদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। প্রশাসনর পক্ষ থেকে তদন্ত করা হোক। 

    কী বললেন খাদ্য দফতরের আধিকারিক?                                     

    মালদার (Malda) পাকুয়ার কামাতিপাড়ায় ডিলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে পুলিশের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে যান বামনগোলার ফুড ইন্সপেক্টর মহম্মদ আলমেবাশেরুল। রেশন ডিলারের দোকান এবং গোডাউনেও যান তিনি। তিনি বলেন, রেশনে খাদ্য সামগ্রীর বদলে টাকা দেওয়ার কোনও নিয়ম নেই। গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলেছি। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  বলে জানিয়েছেন খাদ্য সরবরাহ দফতরের কর্তারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।                                     

LinkedIn
Share