Tag: Malda

Malda

  • Malda: কংগ্রেস প্রধানের স্বামীকে হাসুয়া দিয়ে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের এলোপাথাড়ি কোপ!

    Malda: কংগ্রেস প্রধানের স্বামীকে হাসুয়া দিয়ে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের এলোপাথাড়ি কোপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস প্রধানের বাড়িতে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের সশস্ত্র আক্রমণ। উভয় পক্ষের রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মালদার (Malda) কালিয়াচক। শুক্রবার সকালে তৃণমূলের কয়েকজন দুষ্কৃতী হামলা চালায় কংগ্রেস প্রধানের বাড়িতে। কালিয়াচকের সিলামপুর ২ পঞ্চায়েতের প্রধান ফিরোজা বিবির স্বামী নাসিরুদ্দিন শেখ ও দুই ভাইকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় কংগ্রেস এবং তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। তবে ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Malda)?

    গতকাল বৃহস্পতিবার কংগ্রেসে প্রধান ফিরোজা বিবি ও তাঁর স্বামী পঞ্চায়েতের অডিট করাতে কলকাতা গিয়েছিলেন। এরপর ওই দিন রাতেই কলকাতা থেকে বাড়ি (Malda) ফেরেন তাঁরা। পরদিন শুক্রবার সকালে তাঁদের বাড়ির সদর দরজায় কয়েকজন ধাক্কা দেয়। এরপর দরজা খুলতে বলে ওই অজ্ঞাত পরিচিতেরা। ঠিক দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ির লোকজনের ওপর হামলা চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। ঠিক এমনটাই অভিযোগ করে বলেন কংগ্রেস প্রধান। ঘটনায় অভিযুক্ত দুষ্কৃতীরা হল মুকুল শেখ, জাহাঙ্গীর শেখ, ইব্রাহীম শেখ, জলিল শেখ, ফারিদুল। তারা প্রত্যেকে এলাকার তৃণমূল কর্মী। একই ভাবে বাড়ির গেট ভাঙচুর এবং ব্যাপক লুটপাঠ চালায় বলে অভিযোগও উঠেছে।

    কংগ্রেস প্রধানের অভিযোগ

    কংগ্রেসে প্রধান ফিরোজা বিবি বলেন, “বাড়িতে ঢুকে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা আমার স্বামী নাসিরুদ্দিনকে হাসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে। বাঁচাতে ছুটে যাই আমি এবং স্বামীর দুই ভাই। এরপর দুষ্কৃতীরা আমাদের উপরও হামলা চালায়। একের পর এক তিনজনকেই কোপ দিয়ে দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে চলে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় আশেপাশের স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে প্রথমে নিয়ে যায় সিলামপুর গ্রামীন হাসপাতালে। কিন্তু স্বামীর অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় চিকিৎসকেরা মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে দেন। ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর শাস্তি চাই।”

    ব্লক কংগ্রেস প্রধানের বক্তব্য

    ব্লকের (Malda) কংগ্রেস সভাপতি মহম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “আমাদের প্রধানের দাদু মানসিক রোগী। তাঁকে ঘিরে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়িতে আচমকা আক্রমণ করে। এরপর গলায় কোপ মারতে গিয়ে মাথায় আঘাত করে প্রধানের স্বামীর। মাথায় ৮টি শেলাই পড়েছে তাঁর। বর্তমানে তাঁর অবস্থা খুব আশঙ্কাজনক। পুলিশের কাছে আমরা অভিযোগ জানাবো। তবে পুরাতন কোনও শত্রুতার জন্য এই ভাবে আক্রমণ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: চুরি-ডাকাতি-ধর্ষণ-শ্লীলতাহানি, মাদক পাচারের গড় মালদা! আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা, চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

    Malda: চুরি-ডাকাতি-ধর্ষণ-শ্লীলতাহানি, মাদক পাচারের গড় মালদা! আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা, চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চুরি-ডাকাতি, ধর্ষণ- শ্লীলতাহানি, মাদক পাচার, চোরাচালান, জাল নোটের কারবারের গড় হয়ে উঠছে মালদা (Malda)। একের পর এক অপরাধ ঘটেই চলেছে এই জেলায়। সঙ্গে রাজনৈতিক হানাহানি তো রয়েছে। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় একাধিক প্রশ্নপত্র ফাঁসে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে সেই মালদা জেলার নাম। এই ঘটনাকে সামনে রেখে মালদার মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সদস্যরা আতঙ্কিত। তাঁরা মালদহের জেলাশাসকের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (Malda)

    মালদায় (Malda) সীমান্ত রয়েছে এই জেলা ঘিরে। তাই বিভিন্ন সময় দেখা যায়, গরুপাচার, নারীপাচার, অস্ত্রপাচার, জালনোট পাচার, এমনকী ওষুধ পাচার পর্যন্ত চলে। একের পর এক সোনার দোকানে লুট হয়েছে। ব্যবসায়ীর ওপর দুষ্কৃতী হানা হয়েছে। দুষ্কৃতীদের এই তান্ডবে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি আতঙ্কিত সাধারণ মানুষরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, “আমরা খুব আতঙ্কিত। সবসময় একটা ভয় কাজ করছে। এই যে সরস্বতী পুজো গেল বুধবার। প্রতিবছর বাচ্চাদের কী ভিড় হয় রাস্তায়। এবার কিন্তু সেই উদ্দীপনাটা পর্যন্ত নেই। প্রতিদিন কিছু না কিছু ঘটে চলেছে। অভিভাবকরা ভীত, সন্ত্রস্ত। জানি না কোথায় এর শেষ হবে। আমরা বাড়ি থেকে কী বেরোব, বাচ্চাদের কী স্কুলে পাঠাব, ভয় লাগছে। মাদকের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠছে জেলাটা।”

    ব্যবসায়ী সংগঠনের কর্মকর্তা কী বললেন?

    মালদার (Malda) মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি জয়ন্ত কুণ্ডু বলেন, “গত এক বছরে ১৩-১৪টা ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সারা জেলায় মাদকদ্রব্য বিক্রি চলছে। চাঁচল, গাজোল, কালিয়াচক সমস্ত ব্লকে আমরা ডেপুটেশন দিয়েছি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকেও আমরা চিঠি পাঠালাম। সারা জেলাজুড়ে একের পর এক অপরাধমূলক ঘটনা ঘটেই চলেছে।  প্রশাসনকে বারবার বলেছি এটা বন্ধ হওয়া দরকার। জেলায় সোনার দোকানে ডাকাতি বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও কাজ হচ্ছে না। আমরা খুবই আতঙ্কিত। পুলিশ সক্রিয় না হলে এই জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Malda: ভুট্টাক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার যুবতীর ক্ষত-বিক্ষত মৃতদেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য

    Malda: ভুট্টাক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার যুবতীর ক্ষত-বিক্ষত মৃতদেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় (Malda) গলা কেটে নাবালিকা খুনকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ফের মর্মান্তিক ঘটনা। ভুট্টাক্ষেত থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার হল এক যুবতীর ক্ষত-বিক্ষত মৃতদেহ। ঘটনায় ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ পরিবারবর্গের। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    উল্লেখ্য, রাজ্যের জেলা সফর কর্মসূচির সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মালদায় থাকাকালীন এক নাবালিকাকে খুনের ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু প্রথমে পুলিশ খুনিকে গ্রেফতার করতে পারেনি, পরিবারের লোকজনই পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল। ইতিমধ্যে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন মৃতার বাড়িতে এসে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। রাজ্যের পুলিশ ঠিকমতো তদন্ত করছে না বলে অভিযোগ তুলেছিলেন কমিশনের সদস্যরা। পাশপাশি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মমতাকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, “রাজ্যের কোনও মেয়ে সুরক্ষিত নয় এই মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর শাসনে।”

    মৃত নাবালিকার পরিচয় (Malda)?

    এই ঘটনাকে ঘিরে আজ বৃহস্পতিবার সাত সকালে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল মালদার (Malda) মোথাবাড়ি থানার হামিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ঘটনাস্থলে মোথাবাড়ি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবতীর নাম জল্পনা মণ্ডল, বয়স ২৫ বছর। বাড়ি মোথাবাড়ি থানার শ্রীপুর কলোনি এলাকায়।

    পরিবারের অভিযোগ

    মৃত যুবতীর পরিবারের অভিযোগ, ব্যক্তিগত কোনও শত্রুতার কারণে অপহরণের পর ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে যুবতীকে। সরস্বতী পুজোর দিনে সবজি কাটতে হাঁসুয়া নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল বলে দাবি বাড়ির লোকজনের। এরপর বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে বাড়ির (Malda) সদস্যরা। রাতভর খোঁজাখুঁজির পরও কোনও ভাবেও খোঁজ মেলেনি। অবশেষে আজ সকালে খবর আসে ভুট্টার ক্ষেতে এক যুবতী নগ্ন মৃতদেহ পড়ে রয়েছে।

    ঘটনাস্থলে পুলিশ

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে মোথাবাড়ি (Malda) থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মালদা জেলায় লাগাতার এমন অপরাধমূলক ঘটনা ঘটায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে জেলাবাসীর মধ্যে। প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা এবং সামজিক সুরক্ষার বিষয় নিয়ে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলে হাতাহাতি, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

    Malda: সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলে হাতাহাতি, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরস্বতী পুজো করাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি। প্রথমে শুরু হয় বচসা এবং পরে হাতাহাতি হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে, পুলিশের বিরুদ্ধে মারধর, লাঠিচার্জের অভিযোগ তোলেন বিজেপি সমর্থক গ্রামবাসীরা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হবিবপুর থানার শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শীর্ষি এলাকায়। ের জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা।

    স্থানীয়দের বক্তব্য (Malda)

    এলাকায় (Malda) সরস্বতী পুজোকে ঘিরে মারধরের প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি সমর্থক উত্তম মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, “আমরা এলাকায় পুজো করছিলাম। আচমকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর আক্রমণ করে। আমাদের পুজোর সামগ্রী ফেলে দেয় তারা। এরপর আমাদেরকে মারধর করে। ঘটনায় পুলিশে খবর দিলে হবিবপুর থানার পুলিশ এসে উলটে আমাদের উপর লাঠিচার্জ করে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির অভিযোগ, এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যক্ষ মদতে পুলিশ এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ইতিমধ্যে ১১ জন আহত হয়েছেন। তাঁদেরকে মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত। তিনি বলেন, “পুলিশ দোষীদের না ধরে বিজেপি সমর্থক গ্রামবাসীদের ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। পুলিশ অফিসার বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী স্থানীয় তৃণমূল নেতার নির্দেশে এই কাজ করেছেন। আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই।” পরে অবশ্য গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে হবিবপুর থানা ও জেলার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সরস্বতী পুজো হয়ে থাকে একটি জমিতে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী দেব মন্ডল দাবি করেন ওই জমিটি তাঁর। আর এই নিয়ে শুরু হয় বিবাদ। ঘটনায় বিবাদ থামাতে হবিবপুর (Malda) থানার পুলিশ পৌঁছে সামাল দেয় গ্রামবাসীদের। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিপ্লব মন্ডল বলেন, “সরস্বতী পুজো করে গায়ের জোরে অশান্তি তৈরি করেছে বিজেপি।” আবার জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বলেন, “সারা বাংলায় তৃণমূলের উন্নয়নের কাজে বিজেপি উস্কানি দিয়ে চলেছে। সরস্বতী পুজোর দিনে এই সংঘর্ষ কাম্য নয়। পুলিশকে আরও সংযত হয়ে কাজ করতে হবে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, পুলিশ কী করছে?

    Malda: স্বর্ণ ব্যবসায়ীর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা, পুলিশ কী করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রানাঘাটে সোনার দোকানে ডাকাতি করার ঘটনা সকলের জানা। পুলিশের সঙ্গে প্রকাশ্যে গুলি বিনিময় হয়েছিল দুষ্কৃতীদের। এছাড়া বারাকপুর, খড়্গপুর সহ একাধিক জায়গায় সোনার দোকান হানা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। প্রতিটি ঘটনায় দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করা গেলেও অপরাধে লাগাম টানা যাচ্ছে না। এবার মালদায় (Malda) এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী দুষ্কৃতীদের খপ্পরে পড়েন। মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সোনার দোকানের এক ব্যবসায়ীর থেকে লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না লুট করে পালায় দুষ্কৃতীরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    জানা গিয়েছে, মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিঝট কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় কমল ঠাকুর নামে এক সোনার ব্যবসায়ীর থেকে লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই করে দুষ্কৃতীরা। কমলবাবুর দোকান বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী তেঁতুলচকে অবস্থিত। মঙ্গলবার নিজের সোনার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ছিনতাইয়ের শিকার হন। ছিনতাইকারীরা দলে তিনজন ছিল বলে জানান ওই ব্যবসায়ী। গোটা বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন কমল ঠাকুর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে আড়াই ভরি সোনা, ৩০ ভরি রূপো এবং নগর ৩০ হাজার টাকা।

    ব্যবসায়ী কী বললেন?

    ব্যবসায়ী  কমল ঠাকুর বলেন, “রোজের মতো দোকান বন্ধ করে বাড়ি আসছিলাম। তখনই আমার পথ আটকায় বাইক নিয়ে আসা দুষ্কৃতীরা। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার মাথায় বন্দুক ধরে যা ছিল সব নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশকে জানানো হয়েছে গোটা বিষয়টা। এখন দেখা যাক কী হয়।” প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর মালদার চাঁচল থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি বড় সোনার দোকানে ডাকাতি হয়। প্রচুর গয়না লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় ঝাড়খণ্ডের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তারপর তদন্তে নামে সিআইডি। এরপর হবিবপুরেও একটি গয়নার দোকানে ডাকাতি হয়। সেই ঘটনার পর তালিকায় যোগ হল এবার হরিশচন্দ্রপুরের নাম। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: নাবালিকা খুনের সেই অস্ত্র কোথায়? পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের

    Malda: নাবালিকা খুনের সেই অস্ত্র কোথায়? পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরা। মালদায় (Malda) নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজ্য পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কমিশন। এবার পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিজেপির বক্তব্য, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহিলা হয়েও সুরক্ষিত নয় কোনও নাবালিকা। ঠিক এই ভাবেই সরব হলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। 

    কী বলল জাতীয় কমিশন (Malda)?

    মালদা (Malda) শহরে নাবালিকা খুনের ঘটনায় এবার রাজনীতির পারদ ক্রমশ চড়ছে। গতকাল রবিবার মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজ্য এবং জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরা। জাতীয় কমিশনের সদস্যরা ইতিমধ্যে পুলিশের তদন্ত নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কমিশনের সদস্যা দিভিয়া গুপ্তার বক্তব্য, “নাবালিকা খুনের ঘটনায় পুলিশের তদন্তে আশ্বাস নেই। গত ২৯ জানুয়ারি থেকেই নিখোঁজ হয়েছিল নাবালিকা। তিন দিন ধরে পুলিশ কোনও সন্ধান দিতে পারেনি। এমনকি ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে পাকড়াও করে পুলিশের কাছে তুলে দেয় পরিবারের সদস্যরাই। নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও তথ্য দিতে পারেনি পুলিশ। খুন করার অস্ত্র কেন এখন উদ্ধার হয়নি?”

    কী বলল রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    মালদা (Malda) শহরের নাবালিকা খুনের ঘটনায় রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যা যশবন্ত শ্রীমানি বলেছেন, “অভিযুক্ত সুনু কেশরী তদন্তে পুলিশের সঙ্গে ঠিক ভাবে সহায়তা করছে না। আমরা মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা নিতে বলেছি। বিচার ব্যবস্থাকে আরও কঠোর হতে হবে। অপরাধ প্রবণতাকে আটকাতে আরও সচেষ্ট হতে হবে। আমরা একাধিক সংশ্লিষ্ট জায়গায় চিঠি পাঠাবো।”

    পরিবারের বক্তব্য

    মৃত নাবালিকার পরিবারের বক্তব্য, যে চাকু দিয়ে খুন করা হয়েছে তা এখনও পর্যন্ত পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি। ঘটনায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার গতকাল মালদায় (Malda) গিয়েছিলেন এবং তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, “ঘটনার দিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা জেলা সফরে মালদাতেই ছিলেন। অথচ ঘটনা নিয়ে একটি বাক্য খরচ করেননি কেন? রাজ্যের নাবালিকাদের সুরক্ষা কোথায়?”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik 2024: মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনেও এড়ানো গেল না প্রশ্ন ‘ফাঁস’! এবারও সেই মালদা

    Madhyamik 2024: মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনেও এড়ানো গেল না প্রশ্ন ‘ফাঁস’! এবারও সেই মালদা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারের মতো শনিবারও ফের মাধ্যমিক (Madhyamik 2024) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হল। আর পরীক্ষা চলাকালীন সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ল প্রশ্নপত্রের সেই ছবি। এবারও সেই নাম জড়াল মালদা জেলার। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এত কড়াকড়ির পরও কীভাবে প্রশ্নপত্র পাচার হয়ে যাচ্ছে। আর বার বারই মালদা জেলার নাম উঠে আসা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Madhyamik 2024)

    শনিবার মাধ্যমিকের (Madhyamik 2024) ইংরেজি পরীক্ষা শুরুর কিছু ক্ষণ পরেই মালদা জেলার এনায়েতপুর হাইস্কুল থেকে ওই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায় বলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে খবর। ওই ঘটনায় ছ’জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চার জন ছাত্র এবং দু’জন ছাত্রী। পর্ষদ সূত্রে এ-ও জানা গিয়েছে, ধরা পড়ার হাত থেকে বাঁচতে কৌশল করে প্রশ্নপত্রে থাকা কিউআর কোড লাল কালি দিয়ে কেটে দিয়েছিল অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীরা। তবে তাতে লাভ হয়নি। কিউআর কোড স্ক্যান করে পর্ষদের কর্মীরা জানতে পারেন, কোন জায়গার কোন পরীক্ষার্থীর হাতে ওই প্রশ্নপত্র পড়ে। কারণ, ওই কোডে যে সিরিয়াল নম্বরটি রয়েছে, সেই কোড দেখেই বোঝা যায়, প্রশ্নপত্রটি কোন জেলায় গিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, কোন স্কুলে ওই প্রশ্নপত্র গিয়েছিল, তা-ও জানা যায় সিরিয়াল নম্বর থেকে। কিউআর কোডের ওপর থাকা লাল কালি মুছে ওই ছয় পরীক্ষার্থীকে চিহ্নিত করেছে পর্ষদ। তাদের সব পরীক্ষা বাতিলও করা হয়েছে। শুক্রবার মাধ্যমিকের বাংলা পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগেই দেখা যায়, বাংলার একটি প্রশ্নপত্র সমাজমাধ্যমে ঘুরছে। এর পরেই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করে পর্ষদ। কিউআর কোড স্ক্যান করে চিহ্নিত করা হয় মালদহের দুই পরীক্ষার্থীকে। তাঁদের সম্পূর্ণ পরীক্ষা বাতিল করে মাধ্যমিকের রেজিস্ট্রেশনও বাতিল করে দিয়েছে পর্ষদ।

    মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কী বললেন?

    এই বিষয় নিয়ে মাধ্যমিক (Madhyamik 2024) শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, চক্রান্ত করেই এই কাজ করা হচ্ছে। বাংলার পর ইংরেজি। বিষয়টা আমরা খতিয়েও দেখছি। সব পরীক্ষার্থী মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। শুধুমাত্র মালদা জেলা থেকেই কেন এমনটা হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হবে। কিউআর কোড মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে মানে স্পষ্ট যে, সচেতন ভাবেই করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik 2024: মাধ্যমিক শুরুর প্রথম দিনেই প্রশ্ন ‘ফাঁস’, কারা জড়িত?

    Madhyamik 2024: মাধ্যমিক শুরুর প্রথম দিনেই প্রশ্ন ‘ফাঁস’, কারা জড়িত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এত কড়াকড়ি করার পরও কোনও কাজ হল না। ফের মুখ পুড়ল মধ্যশিক্ষা পর্যদের। মাধ্যমিক (Madhyamik 2024) পরীক্ষা শুরু হওয়ার পরই ফাঁস হয়ে গেল প্রশ্ন পত্র। শুক্রবার মাধ্যমিকের প্রথম ভাষার পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় তা ছড়িয়ে পড়ে। পরীক্ষা শেষে দেখা গেল, আসলের সঙ্গে সম্পূর্ণটাই মিলে গিয়েছে ভাইরাল প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, মালদহ থেকে ছড়িয়েছিল এই ছবি। ইতিমধ্যেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    কীভাবে ধরা পড়ল? (Madhyamik 2024)

    মাধ্যমিকে (Madhyamik 2024) প্রশ্ন ফাঁস রুখতে প্রথম থেকেই বদ্ধ পরিকর ছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছিল। এমনকী পরীক্ষার্থীদের আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরীক্ষার্থীদের ওপর বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা ছিল। আর  এতদিন সব থেকে যেটা চ্যালেঞ্জের ছিল পর্ষদের কাছে তা হল প্রশ্ন পত্র কোনওভাবে যাতে ফাঁস না হয় তা সুনিশ্চিত করা। আর সেটা করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল পর্ষদ। জানা গিয়েছে, প্রশ্ন ফাঁস রুখতেই এবছর প্রশ্নপত্রে কিউআরকোডের পদ্ধতি চালু করেছে পর্ষদ। যাতে কোনওভাবে প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়লে সহজেই জানা যায় কে এই ঘটনার পিছনে রয়েছে। এদিন পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন পত্র ছড়িয়ে পড়তেই ঘুম উড়ে যায় পর্ষদের কর্তাদের। কারণ, পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। পরীক্ষা শেষ হতেই দেখা গেল ভাইরাল ছবিটি আসল প্রশ্নপত্রের দ্বিতীয়পাতার। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রশ্নে থাকা কিউআরকোড থেকে থেকে মালদহের দুই ছাত্রকে শনাক্ত করেছে পর্ষদ। তারাই সম্ভবত এই প্রশ্নফাঁসের নেপথ্যে। ইতিমধ্যেই তাদের পরীক্ষা বাতিল করেছে পর্ষদ। তবে, কেন তারা এই ধরনের কাজ করল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এর পিছনে কেউ রয়েছে কি না তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: নিখোঁজ নাবালিকার দেহ মিলল ঝোপে, মুণ্ড ছোড়া হল বাড়ির ছাদে

    Malda: নিখোঁজ নাবালিকার দেহ মিলল ঝোপে, মুণ্ড ছোড়া হল বাড়ির ছাদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রথমে অপহরণ করা হয়। পরে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এরপরই নৃশংসভাবে ১০ বছরের নাবালিকা ছাত্রীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) ইংরেজবাজার থানার বালুচর এলাকায়। নিখোঁজ হওয়া নাবালিকা স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরে, এলাকারই একটি বাড়ি থেকে কাটা মুণ্ড উদ্ধার হয়। ইতিমধ্যেই পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা নাবালিকা মালদার (Malda) একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করত। তার বাবা পেশায় একজন ব্যবসায়ী। দুদিন আগে কিশোরীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় এক প্রতিবেশী। তারপরই তাকে অপহরণ করার অভিযোগ ওঠে। জানা গিয়েছে, সনু কেশরি নামে অভিযুক্ত যুবকের একটি গুদাম ঘর রয়েছে। সেখানেই ওই ছাত্রীকে আটকে রাখা হয়। এরপরই সেখানে তার ওপর শারীরীক নির্যাতন চালানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশকে দেওয়া হয়। তারপরও নাবালিকার খোঁজ দিতে পারেনি পুলিশ। পুলিশের হাতে সেই সময় তুলে দেওয়া হয় সিসিটিভি ফুটেজও। সেই ফুটেজের উপর ভিত্তি করে তদন্তে নামে পুলিশ। এরপর বুধবার গভীর রাতে উদ্ধার হয় নাবালিকার মুণ্ডহীন দেহ। মাথা পাওয়া যায় সেই এলাকারই একটি বাড়ির ছাদ থেকে। আর সব থেকে চাঞ্চল্যকর বিষয়, যে বাড়ির ছাদ থেকে মেয়েটির মাথা উদ্ধার হয়েছে, তার নাকের ডগায় পুলিশ লাইন এবং ইংরেজবাজার থানা। গোটা ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরপরই এলাকার লোকজন অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। জিনিসপত্র বাড়ি থেকে ভাঙচুর করে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দেয়। এমনকী ইংরেজবাজার থানায় এসেও বিক্ষোভ দেখানো হয়।

    ফাঁসির দাবিতে সরব এলাকাবাসী

    প্রতিবেশীদের বক্তব্য, অভিযুক্ত যুবক বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার পর নাবালিকাকে কেন খুন করল? আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। তিন মাস পর অভিযুক্ত যুবক জামিন পেয়ে গেলে আমরা প্রশাসনকে ছেড়ে কথা বলব না। আমরা ধৃতের ফাঁসি চাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: মালদায় রাহুল গান্ধীর গাড়িতে পড়ল ইট, ভেঙে চুরমার পিছনের কাচ

    Rahul Gandhi: মালদায় রাহুল গান্ধীর গাড়িতে পড়ল ইট, ভেঙে চুরমার পিছনের কাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় বিহার থেকে মালদায় প্রবেশ করছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। বুধবার হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় দেওয়ানগঞ্জে জনরোষের মধ্যে পড়েন তিনি। এরপরই তাঁর গাড়িতে পড়ল ইট, ভেঙে চুরমার করা হল পিছনের কাচ। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। এই ঘটনার সমালোচনা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “বুঝে নিন কে ভাঙতে পারে?”। অপর দিকে আজই মালদায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ সভা রয়েছে। তাই মোদি-বিরোধী ‘ইন্ডি’ জোট কতটা সুরক্ষিত এই রাজ্যে, তা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হল। আরও একবার প্রশ্ন উঠল, জোটের ভবিষ্যৎ কী?

    কী বললেন অধীররঞ্জন (Rahul Gandhi)?

    ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরি আগে থেকেই মমতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। ৩১ জানুয়ারিতেই রাহুলের মধ্যাহ্ন ভোজনের জন্য ভালুকা রোডের গেস্ট হাউস চেয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। আজ গাড়ির উইন্ড স্ক্রিন পুরোটাই ভেঙে গিয়েছে ইটের আঘাতে। রাহুল গান্ধীর কালো গাড়িতে সঙ্গী ছিলেন অধীরও। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কে ইট মেরে গাড়ির কাচ ভাঙতে পারে, তা বুঝে নিন। বাংলায় রাহুলের (Rahul Gandhi) ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা কর্মসূচি প্রবেশের পর থেকেই নানান বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই রাজ্যের শাসক দল যত রকমের বিরোধিতা করা যায়, তা করে চলেছে। কোচবিহার থেকেই এই অসহযোগিতা চলছে।” তাঁর এই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য যে তৃণমূলকেই লক্ষ্য করে, তা রাজনৈতিক মহলের একাংশের মানুষ মনে করছেন।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

    রাহুলের (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রাকে ঘিরে রাজ্যের তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে নানা অভিযোগ বঙ্গ কংগ্রেসের মুখে। রাজ্যের জেলায় জেলায় সরকারি একাধিক অতথিশালায় প্রশাসনের অধিকারিকরা সরকারি অনুষ্ঠানের জন্য রয়েছেন। কোথাও কোনও অতিথিশালা, স্টেডিয়াম দেওয়া হচ্ছে না রাহুলের জন্য। মুর্শিদাবাদে যাওয়ার পর যে স্টেডিয়ামের মধ্যে রাত্রিবাসের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে, তা এখনও মমতার সরকার অনুমতি দেয়নি। আগেও রাহুলের নামে পোস্টার, ফ্লেক্স, ব্যানার ছেঁড়া হয়েছে এই রাজ্যে। সবটা মিলিয়ে তৃণমূল এবং কংগ্রেসের সংঘাত যে লোকসভার ভোটে মোদি বিরোধী জোটে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলতে চলেছে, তা রাজনীতির বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন। এই অবস্থায় আসন সমঝোতা এবং সমন্বয় সম্ভব কিনা, তা রাহুলের গাড়ির কাচ ভাঙার পর থেকে আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল। উল্লেখ্য কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়রাম রমেশ কিছুক্ষণের জন্য সাংবাদিক বৈঠক করলেও চুপ ছিলেন গাড়ির কাচ ভাঙার প্রসঙ্গে।  

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share