Tag: Mallikarjun kharge

Mallikarjun kharge

  • Congress Polls: সরলেন দিগ্বিজয়, এলেন খাড়গে, কংগ্রেসের রাশ থাকছে গান্ধী পরিবারের হাতেই?

    Congress Polls: সরলেন দিগ্বিজয়, এলেন খাড়গে, কংগ্রেসের রাশ থাকছে গান্ধী পরিবারের হাতেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস (Congress) প্রেসিডেন্ট পদে লড়ছেন গান্ধী (Gandhi) পরিবারের আস্থাভাজন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun kharge)। আজ, ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন বলে কংগ্রেসেরই একটি সূত্রে খবর। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট প্রেসিডেন্ট পদে লড়ছেন না বলে ঘোষণা করে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খাড়গেকে ফোন করেন কংগ্রেসের অন্তবর্তীকালীন সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। তার পরেই প্রেসিডেন্ট পদে গান্ধী পরিবারের আস্থাভাজন খাড়গের নাম চূড়ান্ত হয়। সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে কংগ্রেসের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধীরও সম্মতি মিলেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কংগ্রেসের এক প্রবীণ নেতা বলেন, খাড়গে প্রথম থেকেই হিসেবের মধ্যেই ছিলেন। তবে বয়স জনিত কারণ এবং রাজ্যসভার বিরোধী নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের চাপ এই জোড়া কারণের জেরে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সন্দিহান ছিলেন। কিন্তু যখন মুকুল ওয়াসনিক প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে রাজি হলেন না, তখন খাড়গের নামই চূড়ান্ত হয়। খাড়গে অবশ্য তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, দল যে দায়িত্ব দেবে, তা তিনি পালন করবেন। প্রসঙ্গত, খাড়গে ওই পদে লড়লে তাঁকে নিয়ে এ পর্যন্ত মোট তিনজন থাকবেন লড়াইয়ের ময়দানে। খাড়গে, শশী থারুর এবং দিগ্বিজয় সিং। শেষের দুজন অবশ্য ইতিমধ্যেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। 

    আরও পড়ুন : কংগ্রেস সভাপতির নির্বাচন লড়বেন না অশোক গেহলট, সোনিয়ার কাছে চাইলেন ক্ষমা

    এদিকে, গান্ধী পরিবারের কেউ প্রেসিডেন্ট পদে না লড়লেও, কংগ্রেস যে এখনই গান্ধী পরিবারের প্রভাব মুক্ত হচ্ছে না, তা ফের স্পষ্ট হয়ে গেল দিগ্বিজয় সিংয়ের কথায়। তিনি বলেন, যিনিই পার্টির প্রেসিডেন্ট পদে বসুন না কেন তিনি গান্ধী পরিবারের ছত্রছায়ায় কাজ করবেন। প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা বলেন, আমাদের দেখতে হবে দেশের উন্নতি কতটা হচ্ছে। দেশকে খণ্ডিত হতে দেওয়া যাবে না। দুর্বল করা যাবে না সংবিধানকে। দিগ্বিজয় বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিল করে আমি ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নিতে যাব। তিনি বলেন, প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির প্রত্যেকের অধিকার আছে নির্বাচনে লড়ার। তবে শুক্রবার বেলার দিকে অবশ্য লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরে দাঁড়ান দিগ্বিজয়। তিনি জানান, তিনি ভোটে লড়ছেন না। তিনি সমর্থন করবেন খাড়গেকে।  

    অন্যদিকে, এদিনই সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করেন রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচিন পাইলট। আলোচনা করেন রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে। তিনি বলেন, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট আমার কথা মন দিয়ে শুনলেন। আমি তাঁকে আমার কথা বলেছি, ফিডব্যাক দিয়েছি। ২০২৩ সালে রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের কঠোর পরিশ্রম করে জিততে হবে। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • ED Quizzes Sonia: মেয়েকে নিয়ে ইডি দফতরে সোনিয়া, কংগ্রেসের প্রতিবাদে উত্তাল দিল্লি, প্রশ্নবাণে জর্জরিত নেত্রী

    ED Quizzes Sonia: মেয়েকে নিয়ে ইডি দফতরে সোনিয়া, কংগ্রেসের প্রতিবাদে উত্তাল দিল্লি, প্রশ্নবাণে জর্জরিত নেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) দফতরে পৌঁছালেন কংগ্রেসের (Congress) অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। বৃহস্পতিবার মেয়ে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরাকে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে যান তিনি। এদিন সোনিয়ার হাজিরা ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে দিল্লি (Delhi)। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কংগ্রেসের অন্তত ৭৫ জন সাংসদ। তাঁদেরকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। কেবল দিল্লি নয়, আরও কয়েকটি রাজ্যেও সোনিয়াকে ইডির ‘হেনস্থা’র প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান কংগ্রেস কর্মীরা।

    আরও পড়ুন : ইডির দফতরে হাজির সোনিয়া, কংগ্রেস কর্মীদের বিক্ষোভে উত্তাল সংসদ থেকে রাস্তা

    ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald) মামলায় জুন মাসেই ইডি তলব করেছিল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে। তলব করা হয়েছিল সোনিয়া পুত্র তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকেও (Rahul Gandhi)। বিদেশে থাকার জন্য নির্ধারিত দিনে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারেননি রাহুল। পরে অবশ্য হাজিরা দেন। প্রায় পাঁচ দিন পঞ্চাশ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জেরা করা হয় রাহুলকে। লিপিবদ্ধ করা হয় তাঁর বয়ানও।

    প্রায় একই সময়ে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল সোনিয়ারও। কিন্তু করোনা সংক্রমিত হওয়ায় নির্ধারিত দিনে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারেননি তিনি। হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময়ই চেয়ে নেন বাড়তি সময়। সেই মতো এদিন ইডি দফতরে হাজিরা দেন সোনিয়া। তারই প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে দিল্লি। বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কংগ্রেস সাংসদরা। এঁদের মধ্যে ছিলেন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেও। পি চিদম্বরম, অজয় মাকেন, মানিকাম ঠাকুর, কেসি বেণুগোপাল, অধীররঞ্জন চৌধুরী, শশী তারুর, সচিন পাইলট, হরিশ রাওয়াত, অশোক গেহলট, কে সুরেশ সহ বেশ কয়েকজন সাংসদকে আটকও করে দিল্লি পুলিশ। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, প্রতিবাদ করায় কংগ্রেস সাংসদ এবং কর্মীদের আটক করা হয়েছে। আমাদের পুরানো দিল্লির পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ঘটনার প্রতিবাদে এদিন বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় ট্রেন। কয়েকটি গাড়িও পোড়ানো হয় বলে অভিযোগ। 

    সূত্রের খবর,  এদিন কার্যত প্রশ্নবাণে জর্জরিত করা হয় সোনিয়াকে। জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডির পাঁচ আধিকারিক। কংগ্রেসের অভিযোগ, দলনেত্রীকে হেনস্থা করতেই এসব করা হচ্ছে। সংসদে চলছে বাদল অধিবেশন। এদিন অধিবেশনের শুরুতেই লোকসভা ও রাজ্যসভা সংসদের দুই কক্ষেই স্লোগান দিতে শুরু করেন বিরোধীরা। হট্টগোলের জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য মুলতুবি ঘোষণা করা হয় সংসদের দুই কক্ষের অধিবেশন। কংগ্রেসের এই প্রতিবাদের তীব্র নিন্দা করেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। প্রসঙ্গত, প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের (PMLA) আওতায় রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের (Money Laundering) মামলা দায়ের করেছে ইডি। সেই মামলায়ই এদিন হাজিরা দেন সোনিয়া।

     

     

LinkedIn
Share