Tag: Mamata

Mamata

  • Bharats Frontiers: সীমান্তে বেড়া দেওয়া হয়নি কেন? রাজ্যকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের

    Bharats Frontiers: সীমান্তে বেড়া দেওয়া হয়নি কেন? রাজ্যকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সীমান্তের অখণ্ডতা কেবল প্রশাসনিক মানচিত্র নির্ধারণের বিষয় (Bharats Frontiers) নয়, এটি একটি অবিরাম হাইব্রিড যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরক্ষা-রেখা। ২০১৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে (Mamata Banerjee) আমরা এক উদ্বেগজনক প্রবণতা প্রত্যক্ষ করেছি, যেখানে উগ্রপন্থী গোষ্ঠী, আইএসআইএস এবং লস্কর-ই-তৈবার মতো আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলি চাক্ষুষ ভীতি প্রদর্শন ও মানসিক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে ভারতীয় ভূখণ্ডে নিজেদের উপস্থিতি জানানোর চেষ্টা করেছে।

    বিপজ্জনক হুমকি (Bharats Frontiers)

    তবে সবচেয়ে বিপজ্জনক হুমকি অনেক সময় বাইরে থেকে নয়, বরং ভেতর থেকেই আসে, বিশেষ করে যখন কোনও রাজ্য সরকার জাতীয় স্বার্থের পরিবর্তে সাম্প্রদায়িক ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতিকে অগ্রাধিকার দেয়। পশ্চিমবঙ্গে চলমান সঙ্কট, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার ধারাবাহিকভাবে বিএসএফকে সীমান্ত সুরক্ষার কাজে বাধা দিয়ে এসেছে, তা সংবিধানগত দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার শামিল। সীমান্তে বেড়া না দিয়ে ফাঁকফোকর রেখে দেওয়ার মাধ্যমে রাজ্য কার্যত অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও সন্ত্রাসের প্রবেশদ্বার খুলে রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তার প্রাধান্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কঠোর বিচার বিভাগীয় হস্তক্ষেপ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। যে কোনও রাজ্য সরকারের পবিত্র দায়িত্ব হল দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করা। অথচ পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বারবার জাতীয় নিরাপত্তার চেয়ে সংকীর্ণ ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। অনুপ্রবেশ, গবাদি পশু পাচার এবং রাষ্ট্রবিরোধী উপাদানের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ বেড়ে চললেও, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে সীমান্ত সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফের হাতে তুলে দিতে অস্বীকার করেছে বলে অভিযোগ।

    সীমান্তে বেড়া

    সীমান্তে বেড়া, চৌকি ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য জমি হস্তান্তরে এই পরিকল্পিত বিলম্ব কোনও সাধারণ প্রশাসনিক ত্রুটি নয়, এটি ভারতের সার্বভৌম প্রতিরক্ষার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অন্তরায়। বিএসএফকে সীমান্ত সিল করার ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করে রাজ্য সরকার কার্যত অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধীদের জন্য লাল কার্পেট বিছিয়ে দিয়েছে। এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে, কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশ মানতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একগুঁয়ে অস্বীকৃতি রাজ্যটিকে এমন এক দুর্বল প্রবেশদ্বারে পরিণত করছে, যা প্রতিটি ভারতীয় নাগরিকের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করছে (Bharats Frontiers)। জাতীয় অখণ্ডতার পক্ষে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপে কলকাতা হাইকোর্ট অবশেষে সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিপজ্জনক টালবাহানার অবসান ঘটাতে হস্তক্ষেপ করেছে। ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি আদালত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে ভর্ৎসনা করে জানিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে সীমান্ত পরিকাঠামোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত জমি হস্তান্তর করতে হবে। এই প্রতিবেদন প্রকাশ করছে, কীভাবে ন’টি সংবেদনশীল সীমান্ত জেলা জুড়ে অধিগৃহীত জমি হস্তান্তর নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা তৈরি করে রেখেছিল, যার ফলে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

    জাতীয় নিরাপত্তা

    জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বড় জয়ে কলকাতা হাইকোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তৈরি ব্যুরোক্রেটিক অবরোধ (Mamata Banerjee) ভেঙে দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর অধিগৃহীত সমস্ত জমি বিএসএফের হাতে তুলে দিতে হবে (Bharats Frontiers)। আদালত স্পষ্টভাবে জানায়, প্রশাসনিক অজুহাত বা নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে জাতীয় নিরাপত্তাকে আটকে রাখা যাবে না। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে বিষয়টি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য তালিকাভুক্ত করে আদালত বুঝিয়ে দিয়েছে, সীমান্ত ঝুঁকির মুখে রেখে আর কোনও বিলম্ব কৌশল সহ্য করা হবে না। ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৪,০৯৬ কিলোমিটার, যার মধ্যে ২,২১৬ কিলোমিটার পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এই সীমান্ত অত্যন্ত ছিদ্রযুক্ত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই এটি অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক চক্র, গবাদি পশু পাচার ও জাল নোট চক্রের প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে—যা ভারতের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি হুমকি।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমোদন

    ২০১৬ সাল থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বারবার অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ করলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ধারাবাহিকভাবে গড়িমসি করেছে। যার জেরে সীমান্তের প্রায় ২৬ শতাংশ এখনও বেড়াবিহীন। রাজ্যের ন’টি জেলায় ২৩৫ কিমি জমি অধিগ্রহণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হলেও, রাজ্য মাত্র ৭১ কিমি জমি হস্তান্তর করেছে। অবশিষ্ট জমি না দেওয়ায় বিএসএফ কার্যত ঠুঁটো হয়ে রয়ে গিয়েছে। যদিও ‘জমি’ রাজ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত, তবে সংবিধানের ২৫৬, ২৫৭ ও ৩৫৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় কেন্দ্রের সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব রয়েছে। প্রায় এক দশক আগের মন্ত্রিসভা অনুমোদন কার্যকর না করা স্পষ্ট সংবিধান অবমাননা। স্থানীয় রাজনৈতিক স্বার্থকে ফেডারেল দায়িত্বের ঊর্ধ্বে তুলে ধরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেবল নিজের রাজ্যের নাগরিকদের নয়, গোটা দেশের নিরাপত্তাকেই বিপন্ন করেছে (Bharats Frontiers)। কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে সমস্ত ক্ষতিপূরণপ্রাপ্ত জমি বিএসএফকে দিতে হবে। এক্ষেত্রে নির্বাচনী তালিকা সংশোধন বা ভোটের অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়, জাতীয় প্রতিরক্ষা প্রকল্পে কোনও ব্যুরোক্র্যাটিক অজুহাত চলবে না। বলা বাহুল্য, এই রায় প্রতিটি ভারতীয়ের জন্য একটি বড় বিজয়, যারা বিশ্বাস করেন, মাতৃভূমির নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করা হবে না (Mamata Banerjee)।

    অখণ্ডতার ওপর আঘাত

    এই রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত অবহেলার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের নেতৃত্ব দেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) সুব্রত সাহা, যিনি দেশরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় রক্ত ও পরিশ্রমের মূল্য ভালোই বোঝেন।
    তাঁর দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায়  তিনি যুক্তি দেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিষ্ক্রিয়তা সরাসরি ভারতের প্রতিরক্ষা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় অখণ্ডতার ওপর আঘাত। আবেদনে একটি উদ্বেগজনক ও দেশদ্রোহিতামূলক প্রবণতার কথা তুলে ধরা হয়, ২০১৬ সাল থেকেই কেন্দ্রীয় অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় জমির কেবলমাত্র একটি অংশই হস্তান্তর করেছে। সংসদীয় নথি উদ্ধৃত করে জানানো হয়, এই নির্দিষ্ট ফাঁকগুলোকেই কাজে লাগাচ্ছে চোরাকারবারি ও অনুপ্রবেশকারীরা, যে ফাঁক কেবলমাত্র রাজ্য সরকারের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই রয়ে গিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট আর অপেক্ষা করতে রাজি হয়নি। এর আগে, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫-এ আদালত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কাছে স্পষ্ট জবাব চায়, যে জমির পুরো অধিগ্রহণমূল্য কেন্দ্র ইতিমধ্যেই পরিশোধ করেছে, তা কেন এখনও হস্তান্তর করা (Mamata Banerjee) হয়নি? প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের দেওয়া চূড়ান্ত রায় রাজ্যের বাধাদানমূলক রাজনীতির ওপর বড় আঘাত হানে। আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, অধিগৃহীত ও ক্ষতিপূরণ দেওয়া সমস্ত জমি ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে বিএসএফের হাতে তুলে দিতে হবে।

    অজুহাত খারিজ

    ‘ভোটার তালিকা সংশোধন’ বা ‘আসন্ন নির্বাচন’কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা আদালত খারিজ করে দেয়। জাতীয় প্রতিরক্ষার জন্য কেন্দ্র অর্থ জোগালে, কোনও প্রক্রিয়াগত অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না, এ কথা পরিষ্কার জানিয়ে দেয় বেঞ্চ (Bharats Frontiers)। এই রায় প্রতিটি ভারতবাসীর জয়, যাঁরা বিশ্বাস করেন যে মাতৃভূমির নিরাপত্তা কোনও রাজ্যস্তরের রাজনীতির দরকষাকষির বিষয় হতে পারে না। আইনের শক্তিতে অবশেষে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য পাতা ‘লাল কার্পেট’ গুটিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ফেডারেল সহযোগিতার প্রতি চরম অবহেলা প্রকাশ্যে আসে। কেন্দ্রের পক্ষে সওয়াল করে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল সাংবিধানিক আইনের দৃষ্টান্তমূলক ব্যাখ্যা দেন এবং স্মরণ করিয়ে দেন, সংবিধানের ২৫৬, ২৫৭ ও ৩৫৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রের নির্দেশ মানতে আইনগত ও নৈতিকভাবে বাধ্য (Mamata Banerjee)। কেন্দ্রের যুক্তি, ভারতের সার্বভৌমত্ব যখন বিপন্ন, তখন কোনও রাজ্য নিশ্চুপ বসে থাকতে পারে না। ভূমি অধিগ্রহণ আইনের ধারা ৪০-এর জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ করে কেন্দ্র স্পষ্ট করে দেয়, সন্ত্রাসবাদী, অনুপ্রবেশকারী ও চোরাকারবারিদের হাত থেকে সীমান্ত রক্ষা করা একটি স্থায়ী জরুরি অবস্থা, যা রাজ্যের ধীর আমলাতান্ত্রিক গতির ঊর্ধ্বে। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবীরা বিএসএফের জরুরি প্রয়োজনের ঊর্ধ্বে তাদের ‘ডাইরেক্ট পারচেজ পলিসি (DPP)’-কে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁরা ‘স্ট্যান্ডার্ড রুল’ ও ‘মামলামুক্ত প্রক্রিয়া’র কথা বলেন, যেন রাষ্ট্রবিরোধী অনুপ্রবেশ রাজ্যের সুবিধামতো অপেক্ষা করতে পারে। জাতীয় প্রতিরক্ষাকে শুধুমাত্র একটি ‘পরিকাঠামো প্রকল্প’ হিসেবে দেখিয়ে জরুরি ক্ষমতাকে ব্যতিক্রম বলে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়।

    বিএসএফকে লাল ফিতের জালে জড়িয়ে রাখা

    এই ফাঁপা যুক্তির ফল ছিল স্পষ্ট, অবৈধ সীমান্ত কার্যকলাপের দরজা খোলা রেখে বিএসএফকে লাল ফিতের জালে জড়িয়ে রাখা। হাইকোর্ট রাজ্যের এই গড়িমসি কৌশলে বিভ্রান্ত হয়নি। ডিভিশন বেঞ্চ তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশ্ন তোলে, আন্তর্জাতিক সীমান্তের মতো গুরুতর বিষয়ে কীভাবে ‘অচল সেতু’র জন্য তৈরি নীতি প্রয়োগ করা হচ্ছে?
    আদালত সরাসরি জানতে চায়, এত বছর আগেই কেন ধারা ৪০ প্রয়োগ করা হয়নি, যা কার্যত সীমান্ত রক্ষায় রাজ্যের সদিচ্ছার অভাবকেই তুলে ধরে (Bharats Frontiers)। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আর কোনও বিলম্বের যৌক্তিকতা নেই। ‘ভোটার তালিকা সংশোধনে’র অজুহাত পুরোপুরি খারিজ করে দিয়ে জানানো হয়, জাতীয় নিরাপত্তাকে রাজ্যের রাজনৈতিক ক্যালেন্ডারের দোহাই দিয়ে বন্দি করা  যাবে না (Mamata Banerjee)। রাজ্যের দীর্ঘদিনের অন্তর্ঘাত ঠেকাতে আদালত তিনটি স্পষ্ট নির্দেশ দেয়। এগুলি হল, যেসব জমির মূল্য কেন্দ্র ইতিমধ্যেই পরিশোধ করেছে, তা ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে সম্পূর্ণ হস্তান্তর করা। ডিপিপি প্রক্রিয়ায় থাকা জমির ক্ষেত্রে একই সময়সীমার মধ্যে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ জমা দেওয়া। যেখানে কোনও কাজই হয়নি, সেখানে ধারা ৪০ অনুযায়ী জরুরি অধিগ্রহণের পথ খোলা।

    স্পষ্ট সংকেত

    এতে স্পষ্ট সংকেত দেওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রীয় মদতে সীমান্ত দুর্বল করার যুগের আইনি সমাপ্তি ঘটছে। এই হস্তক্ষেপ ভারতের প্রতিরক্ষার পক্ষে বড় জয় এবং টিএমসির ‘নরম সীমান্ত’ নীতির বিরুদ্ধে কড়া পরাজয়। বছরের পর বছর বেঙ্গলের অরক্ষিত সীমান্ত চোরাকারবারি, মাদকচক্র ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রাণরক্ষার পথ ছিল। আদালতের নির্দেশে এবার সেই ফাঁক বন্ধ হতে চলেছে (Bharats Frontiers)। এপ্রিল ২০২৬-এর পর্যালোচনায় স্পষ্ট হবে, রাজ্য অবশেষে দেশপ্রেম দেখাবে, নাকি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা চালিয়ে যাবে। এই সময়সীমাই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের শেষ পরীক্ষা। বিচারব্যবস্থা স্পষ্ট করে দিয়েছে, রাষ্ট্রীয় ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির বলিতে মাতৃভূমির নিরাপত্তা আর দেওয়া হবে না। বস্তুত, আইনের শাসন অবশেষে প্রহরীকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, অন্তর্ঘাতকারীকে নয়।

     

  • Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন আমি কখনও দেখিনি। বহু ধিন ধরে রাজনীতি করছি, এরকম ঔদ্ধত্য আমি আগে দেখিনি (Election Commission)।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অঙ্গুলি হেলনেই কাজ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জানাতে সদলে দিল্লি গিয়েছিলেন মমতা। সেখানে তাঁর বৈঠক হয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের সঙ্গে। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়েই কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম! (Election Commission)

    জানা গিয়েছে, বেঁচে থাকতেও নির্বাচন কমিশনের নথিতে মৃত বলে চিহ্নিত এমন ৫০জন ভোটারকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন মমতারা। শুধু তা-ই নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে পরিবারের কোনও না কোনও সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, এমন অভিযোগ থাকা আরও ৫০জনকেও দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা। এদিন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের (Mamata Banerjee)। সেখানেই ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম, হয়রানি এবং মানবিক বিপর্যয়ের অভিযোগ তুলে ধরে কমিশনের কাছ থেকে সরাসরি ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ দাবি করে তৃণমূল। যদিও খানিক পরে নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মমতা অভিযোগ করেন, বৈঠকের আগেই তাঁদের অসম্মান ও অপমান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের অভিযোগও করেন মমতা।

    হিন্দু-মুসলমান

    তাঁর দাবি, “যাঁরা হিন্দু-মুসলমান করেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন? এখানে দু’জন মুসলিম রয়েছেন (Election Commission)। ক’জন হিন্দু?” তাঁর আরও প্রশ্ন, “বিজেপি শাসিত অসমে কেন এই প্রক্রিয়া করা হল না?” মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এসআইআরের নামে রাজ্যে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব করা হয়েছে। তার নেপথ্যে রয়েছেন সীমা খন্না। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত বড় সংখ্যায় ভোটার বাদ পড়ার পরেও নির্বাচন কমিশন কোনও ব্যাখ্যা চাইছে না।”

    প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা

    এদিন আরও একবার প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করুন। ওঁর বাবা-মায়ের জন্ম-কুন্ডলী বের করতে বলুন।” তিনি বলেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণীর নাগরিকত্ব এবং জন্মস্থান সংক্রান্ত প্রশ্নও এক সময় উঠেছিল।” এদিনের বৈঠকের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। বলেন, “বৈঠকের সময় কমিশনের নিজস্ব ক্যামেরাম্যানরা উপস্থিত ছিলেন, অথচ বাইরের ক্যামেরাম্যানদের সেখানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের যা ইচ্ছে, তাই করবেন, তা তো হয় না! বহুদিন ধরে রাজনীতি করছি, মন্ত্রীও ছিলাম (Election Commission)। এরকম অহঙ্কারী নির্বাচন কমিশন কখনও দেখিনি (Mamata Banerjee)।”

  • RSS Swayamsevak: ফের খবরে বীরভূমের নানুর, এবার আরএসএসের স্বয়ংসেবককে অপহরণের অভিযোগ

    RSS Swayamsevak: ফের খবরে বীরভূমের নানুর, এবার আরএসএসের স্বয়ংসেবককে অপহরণের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আতঙ্কের মেঘে ঢেকে গিয়েছে বীরভূমের নানুরের আকাশ। এই সেই জায়গা, যেখানে নৃশংসভাবে সিপিএমের হার্মাদদের হাতে খুন হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন কৃষক (Mamata Govt)। সেই নানুরই ফের চলে এল খবরের শিরোনামে। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বীরভূম জেলার আঙ্গোরা গ্রামের বাসিন্দা, আরএসএসের স্বয়ংসেবক রিন্টু পাল (RSS Swayamsevak)। তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে সমালোচকেরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে তৃণমূল কংগ্রেসের ভীতি প্রদর্শনের সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

    আরএসএস কর্মীদের অভিযোগ (RSS Swayamsevak)

    স্থানীয় বাসিন্দা এবং আরএসএস কর্মীদের অভিযোগ, রিন্টুকে তৃণমূল কংগ্রেস-ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা অপহরণ করে জোরপূর্বক একটি দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে ভয় দেখানো হয়, করা হয় অপমান। হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রিন্টুর একমাত্র ‘অপরাধ’ আরএসএসের সঙ্গে তাঁর আদর্শগত সম্পর্ক। এটি ভারতের সংবিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত। জানা গিয়েছে, রিন্টুকে যেসব হুমকি দেওয়া হয়েছে, সেগুলি স্পষ্ট ও ভয়াবহ। অভিযোগ, রিন্টুকে জনতার হাতে মারধর খাওয়ানো এবং ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, যদি তিনি আরএসএসের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন। প্রাণভয়ের আশঙ্কায় তাঁকে জোর করে আরএসএস থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করার বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ। এই ঘটনা যদি প্রমাণিত হয়, তবে (Mamata Govt) তা এক ভয়ঙ্কর বাস্তবতাকে সামনে আনে—পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশে এখন আদর্শগত পরিচয়ই নিপীড়নের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে (RSS Swayamsevak)।

    নানুর রয়েছে নানুরেই

    নানুরের বহু মানুষের কাছে এই ঘটনা ব্যতিক্রম নয়, বরং নিয়মে পরিণত হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে বিরোধী দলের সমর্থক, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন আদর্শগত সংগঠন অভিযোগ করে আসছে যে, স্থানীয় তৃণমূল ক্যাডাররা কার্যত রাষ্ট্রক্ষমতার সম্প্রসারিত হাত হিসেবে কাজ করছে এবং ভয়ের মাধ্যমে আনুগত্য চাপিয়ে দিচ্ছে। সামাজিক বয়কট থেকে শুরু করে শারীরিক হুমকি পর্যন্ত, ভিন্নমতকে অভিযোগ অনুযায়ী ব্যালট বাক্সে পৌঁছানোর অনেক আগেই দমন করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ভূমিকা নিয়েও তীব্র সমালোচনা হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ বারবার সামনে আসা সত্ত্বেও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে অস্বীকার, নীরবতা বা নির্বাচনী পদক্ষেপের অভিযোগ উঠছে। সমালোচকদের মতে, এই নীরবতাই স্থানীয় দাপুটে নেতাদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে, কারণ তারা বিশ্বাস করে রাজনৈতিক সুরক্ষা তাদের সমস্ত পরিণতি থেকে রক্ষা করবে।

    আরএসএস নেতৃত্বের বক্তব্য

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে প্রায়ই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেন। কিন্তু নানুরের মতো ঘটনা কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে এনে দেয়। বিশ্বাসের জন্য যদি কোনও নাগরিককে অপহরণ করা হয়, তবে স্বাধীনতার অর্থ কী? আর গণতন্ত্রই বা কী, যখন রাজনৈতিক আনুগত্য নির্ধারিত হয় ভয়ের দ্বারা, পছন্দের (RSS Swayamsevak) দ্বারা নয়? জনরোষ আরও বেড়েছে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে। সমালোচকদের অভিযোগ, শাসক দলের স্বার্থ জড়িত থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী (Mamata Govt) বাহিনী দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে চায় না। প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতার এই কথিত অবক্ষয় নানুরকে শাসনব্যবস্থার এক সতর্কতামূলক উদাহরণে পরিণত করেছে, যেখানে ন্যায়বিচারের চেয়ে ক্ষমতার প্রাধান্যই বেশি। আরএসএস নেতৃত্ব জানিয়েছেন, প্রশাসনিক উদাসীনতা আর সহ্য করা হবে না। ন্যায়বিচার না মিললে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ আরও জোরদার হবে বলেও সতর্ক করেছেন তাঁরা। গণআন্দোলনের ডাক ক্রমশ জোরালো হলেও, দায়িত্বশীল মহল মনে করছে, পরিস্থিতি যাতে আরও উত্তপ্ত না হয়, তার জন্য দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে রাজ্যের ওপরেই বর্তায় (RSS Swayamsevak)।

  • BJP: ‘‘রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে’’, বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভকে ‘অশ্বডিম্ব’ উল্লেখ শমীক-শুভেন্দুর

    BJP: ‘‘রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে’’, বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভকে ‘অশ্বডিম্ব’ উল্লেখ শমীক-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবার এক আমজনতার আইওয়াশের চেষ্টা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)! বুধবার থেকে শুরু হয়েছে দু’দিন ব্যাপী বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভ। মুখ্যমন্ত্রীর এই আইওয়াশের চেষ্টাকে তুলোধনা করল বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, বেঙ্গল বিজনেস সামিটে একের পর এক মউ স্বাক্ষরিত হলেও, রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে শিল্পোন্নয়ন হয়নি বলেও দাবি তাদের। শুধু তাই নয়, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে যতগুলি বেঙ্গল বিজনেস সামিট হয়েছে, তাতে কতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং কত টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সে সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেভইয়ার্ড’ (BJP)

    ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেভইয়ার্ড’ নামের এই পুস্তিকায় এখনও পর্যন্ত কতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে, বিজিবিএসে মোট কত টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তার বিশদ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ফি বছর কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে রাজ্যে আয়োজন করা হয় বেঙ্গল বিজনেস সামিটের। দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা অংশ নেন এই সামিটে। রাজ্যে শিল্পোন্নয়নের উদ্দেশে আয়োজন করা হয় এই সম্মেলনে। সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজন হয় ভুরিভোজেরও। বিরোধীদের অভিযোগ, শেষে সেই সামিট প্রসব করে আক্ষরিক অর্থেই অশ্বডিম্ব। নতুন বছরের মার্চ-এপ্রিলেই যেহেতু রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, তাই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ২০২৬ সালের বিজিবিএস হবে ভোটের পরে। তবে এর গতি বজায় রাখতে সরকার আয়োজন করেছে এই কনক্লেভের।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ-বাণ

    একেই কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “এবার মুখ্যমন্ত্রী ভারাক্রান্ত এবং ক্লান্ত। তাই নিউটাউনে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের বদলে তাঁর বাড়ির কাছে ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে দু’দিনের বিজনেস সামিট করছেন। রাজ্যের (BJP) বিপর্যয়ের বিষয়টি পুস্তিকার আকারে প্রকাশ করেছি। বিজেপি এই পুস্তিকা আগামী কয়েক দিনে পশ্চিমবঙ্গের (Mamata Banerjee) সব স্তরে এবং বুথ স্তরে ক্যাম্পেনিংয়ের আকারে পৌঁছে দেওয়ার একটা উদ্যোগ নিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।”

    শমীকের তির

    বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ভারী শিল্প ছাড়া বাংলা মুক্তি পাবে না। তৃণমূল ৯২ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, সিপিএম এমন অবস্থা করে দিয়ে গিয়েছে যে কেউ লিজ নিতেও চাইবে না। তাও মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছিলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নিয়ে সবটা দেখবে। কিন্তু তা হয়নি।” শমীকের কথায় উঠে আসে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গও। তিনি জানান, শিল্পের জন্য যদি জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হয় (BJP), তাহলে সেটাও করতে হবে, তবে তার আর্থিক অংশীদারি দিতে হবে সেই সব কৃষকদের যাঁদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। গেরুয়া সৈনিক বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেন বাংলাকে গুজরাট, মহারাষ্ট্র হতে দেব না। অথচ সেই মহারাষ্ট্রেই বিদেশি বিনিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় বেশ কয়েকগুণ বেশি। পাততাড়ি গুটিয়ে এ রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছেন একের পর এক শিল্পপতি (Mamata Banerjee)।”

    শুভেন্দুর ফিরিস্তি

    শুভেন্দুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তার ঠিক পরের বছর মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৯০টি, লগ্নির ঘোষণা করা হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার। ২০১৭ সালে মউ চুক্তি হয়েছিল ১১০টি, ঘোষণা করা হয়েছিল বিনিয়োগ করা হবে ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। উনিশে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৮৬টি। করোনা অতিমারির পরে ২০২২ সালে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল ৩ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার। তার পরের বছর ৩ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা। এই বছর মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৮৮টি। শুভেন্দুর অভিযোগ, এতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হলেও কার্যকর হয়নি তার সিংহভাগই (BJP)।

    শিল্প কোথায়

    এই সম্মেলন করতে গিয়ে খরচ হয়েছে কত, তারও ফিরিস্তি দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানান, ২০১৬ সালে বাণিজ্য সম্মেলনে ৩০ কোটি, ২০১৭ সালে ৩৫ কোটি, ২০১৮ সালে ৪০ কোটি, উনিশে ৪৫ কোটি, ২৩ সালে ৫০ কোটি এবং ২০২৪ সালে খরচ হয়েছে ৬৭ কোটি টাকা (Mamata Banerjee)। মোট বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ২০ লাখ কোটি টাকা এবং ৮০০টি মউ স্বাক্ষরিত হলেও, কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে লগ্নির পরিমাণ শূন্য। যেটুকু বিনিয়োগ হয়েছে, তা মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে। বড় কোনও শিল্প এ রাজ্যে হয়নি (BJP)।

  • BJP: বিশ্বকাপজয়ী ভারতের মহিলা দলকে অভিনন্দন মমতার, ‘‘ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন’’! মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা বিজেপির

    BJP: বিশ্বকাপজয়ী ভারতের মহিলা দলকে অভিনন্দন মমতার, ‘‘ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন’’! মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাত সাড়ে ১২টায় কীভাবে বাইরে বেরলো?” দুর্গাপুরে মেডিক্যাল পড়ুয়া ছাত্রী ধর্ষণকাণ্ডের পর এমনই মন্তব্য করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মহিলা এই মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের রাত ৮টার (BJP) মধ্যেই ঘরে ‘সেঁধিয়ে’ যাওয়ার পরামর্শও দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। সেই তিনিই এবার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহিলাদের একদিনের ক্রিকেটে প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারতীয় দলকে।

    মহিলা ওয়ান ডে ক্রিকেটে বিশ্বকাপ জয় ভারতের (BJP)

    রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মহিলা ওয়ান ডে ক্রিকেটে বিশ্বকাপের ফাইনালে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ২৯৮ রান তোলে হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন ভারত। পাল্টা ব্যাট করতে নেমে ২৪৬ রানে সব উইকেট হারিয়ে গোহারা হারে দক্ষিণ আফ্রিকা। রাত ১২টার কিছু পরে বিশ্বকাপ ওঠে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দলের হাতে। তার পরেই দেশজুড়ে শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসে যান ভারতীয় ক্রিকেট দলের মহিলা সদস্যরা। এই টিম ইন্ডিয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ সমাজের বিভিন্ন জগতের মানুষ। এই তালিকায় রয়েছেন মমতাও। তার পরেই কার্যত তাঁকে ধুয়ে দিল বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরেই তাঁর অভিনন্দন-বার্তাকে খোঁচা দিয়েছে পদ্মশিবির।

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিনন্দন-বার্তায় খোঁচা বিজেপির

    ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট টিমকে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ, গোটা দেশ উইমেন ইন ব্লু-র বিশ্বকাপ ফাইনালের কৃতিত্বের জন্য গর্বিত। টুর্নামেন্টজুড়ে তাঁরা যে লড়াই এবং যে কর্তৃত্ব দেখিয়েছেন, তা তরুণীদের প্রজন্মে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আপনারা প্রমাণ করেছন যে আপনারা শীর্ষ স্তরে একটি বিশ্বমানের দল এবং আপনারা আমাদের কিছু অসাধারণ মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন। আপনারা আমাদের নায়ক। ভবিষ্যতে আপনাদের জন্য আরও বড় সাফল্য অপেক্ষা করে রয়েছে। আমরা (Mamata Banerjee) আপনাদের সঙ্গে রয়েছি।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর এহেন বক্তব্য তুলে ধরেই এক্স হ্যান্ডেলে তাঁকে খোঁচা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি (BJP)। “ওএমজি (ও মাই গড) ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন! কিন্তু আপনি তো ৮টার মধ্যেই বাড়ি ঢুকে যেতে বলেছেন।”

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন

    প্রসঙ্গত, দুর্গাপুরকাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “ওটি একটি প্রাইভেট কলেজ। মেয়েটির নিরাপত্তার দায়িত্ব তো সেই প্রাইভেট কলেজেরই। রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ মেয়েটি কীভাবে ক্যাম্পাসের বাইরে গেল? জঙ্গল এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে শুনেছি। কী হয়েছে, জানি না। পুলিশ খতিয়ে দেখছে। প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজগুলির উচিত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা। বিশেষ করে ছাত্রীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা উচিত। রাতে তাদের বাইরে বেরোতে দেওয়া উচিত নয়। পুলিশ কীভাবে জানবে রাতে কে কখন বেরোবে? বিভিন্ন রাজ্যের ছেলেমেয়েদের অনুরোধ করব রাতে তারা যেন না বেরোয়। প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজেরও একটা দায়িত্ব রয়েছে। কেউ যদি রাত সাড়ে ১২টায় কোথাও যায়, পুলিশ তো আর তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বসে থাকবে না (BJP)।”

    একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের জেরে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গবাসী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এমন মন্তব্য করা মুখ্যমন্ত্রীই কিনা এখন রাত ১২টা পর্যন্ত খেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া মহিলা ক্রিকেট দলকে ‘শুভনন্দন’ (শুভ অভিনন্দন না বলে এই শব্দটি ব্যবহার (Mamata Banerjee) করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। যদিও শব্দটি কোনও অভিধানেই নেই।) জানাচ্ছেন (BJP)!

    ভূতের মুখে রাম নাম!

  • Mamata Banerjee: “রাত সাড়ে ১২টায় কীভাবে বাইরে এল ওই তরুণী?”, দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ডে প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর

    Mamata Banerjee: “রাত সাড়ে ১২টায় কীভাবে বাইরে এল ওই তরুণী?”, দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ডে প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ‘দুধেল গাই’দের চটিয়ে ভোটব্যাংকে ধস নামাতে রাজি নন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! আর তাই, দুর্গাপুরে ডাক্তারি পড়ুয়া ছাত্রীর গণধর্ষণের (Durgapur Gang Rape) ঘটনায় তিনি নিরাপত্তার দায় চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বেসরকারি কলেজগুলির ঘাড়ে। গভীর রাতে ছাত্রীটি কীভাবে ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে পারল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Mamata Banerjee)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন,  “সে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে পড়ত। দায়িত্ব কার? সে রাত সাড়ে ১২টায় কীভাবে বাইরে এল?”  তিনি বলেন, “বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলিকেই তাদের ছাত্রছাত্রীদের এবং রাতের সংস্কৃতির দায়িত্ব নিতে হবে। ওদের বাইরে আসতে দেওয়া উচিত নয়। ওদের নিজেদের সুরক্ষা করতে হবে। এটা জঙ্গলের এলাকা।” ভোটের আগে গা থেকে কলঙ্কের কালি মুছে ফেলতে ওড়িশার বিজেপি সরকারকেও নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “ওড়িশায় সমুদ্রসৈকতে মেয়েদের ধর্ষণ করা হয়েছে। ওড়িশা সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে?” তিনি বলেন, “মণিপুর, উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং ওড়িশায় এমন বহু ঘটনা ঘটেছে। আমরা মনে করি, সেখানকার সরকারগুলিরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

    বিজেপির তোপ

    বিজেপির অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) যৌন হিংসার ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পরিবর্তে ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করছেন। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া লেখেন, “নির্লজ্জ @মমতাঅফিসিয়াল নারীসমাজের কলঙ্ক, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য আরও বেশি করে। আরজিকর ও সন্দেশখালির পর, এখন এই নৃশংস ঘটনায়ও ন্যায়বিচারের বদলে তিনি ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করছেন!” তিনি বলেন, “একজন মুখ্যমন্ত্রী যিনি মেয়েদের নিরাপত্তা (Durgapur Gang Rape) নিশ্চিত করার বদলে বলেন রাতে বাইরে না যেতে, তাঁর অফিসে থাকার নৈতিক অধিকার নেই। মানুষ এখন বুঝতে পারছেন যে তাঁরা এক অরাজকতাবাদী, নির্মম মমতার ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন। তাঁর পদত্যাগ করা উচিত এবং আইনের আওতায় তাঁকে জবাবদিহি করতে হবে।” বিজেপির মুখপাত্র শাহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বেটিকে দোষারোপ করেন এবং ধর্ষকের পক্ষ নেন।” তিনি বলেন, “বারবার আরজি কর, সন্দেশখালি, পার্ক স্ট্রিট — তিনি এভাবেই মন্তব্য করেছেন।” অতীতে মমতার বিতর্কিত মন্তব্যের কথা উল্লেখ করে পুনাওয়ালা প্রশ্ন তোলেন, “যাঁরা গতকাল চিৎকার করছিলেন সুপ্রিয়া শ্রীনেতে, প্রিয়াঙ্কা বঢরা, রাহুল গান্ধী ইত্যাদি — তাঁরা কি এবার মুখ খুলবেন?”

    মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত বাবা

    প্রসঙ্গত, ওড়িশার জলেশ্বরের ওই তরুণী দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি কলেজে এমবিবিএসের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। শুক্রবার রাতে তিনি এক বন্ধুর সঙ্গে বাইরে বেরিয়েছিলেন। তখনই কয়েকজন ওই তরুণীকে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। ঘটনায় শোকাহত তরুণীর বাবা জানান, তিনি মেয়েকে ওড়িশায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন। পশ্চিমবঙ্গে মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, “এখানে মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা খুবই চিন্তিত। যে কোনও মুহূর্তে ওকে এখানে মেরে ফেলতে পারে। তাই আমরা ওকে ওড়িশায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বিশ্বাস ভেঙে গিয়েছে। আমরা চাই না ও বাংলায় থাকুক। ও ওড়িশায় গিয়েই পড়াশোনা চালিয়ে যাবে। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রশাসন আমাদের সাহায্য করছে (Mamata Banerjee)।”

    এদিকে, দুর্গাপুরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে একজনকে। ওই তরুণীর পুরুষ বন্ধুটিকেও নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর (Durgapur Gang Rape)। ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি বলেন, “আমি দৃঢ়ভাবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আহ্বান জানাচ্ছি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনের বিধান অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিন। আমি ওড়িশার প্রবীণ আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছি যেন তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন। ওড়িশা সরকার ভুক্তভোগীর পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে (Mamata Banerjee)।” উল্লেখ্য যে, বছরখানেক আগে কলকাতার আরজিকর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়েছিল। কয়েক মাস আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন কলকাতার একটি আইন কলেজের এক ছাত্রীও (Durgapur Gang Rape)।

  • Suvendu Adhikari: মমতাকে ডেডলাইন বেঁধে দিলেন শুভেন্দু, কোন বিষয়ে জানেন?

    Suvendu Adhikari: মমতাকে ডেডলাইন বেঁধে দিলেন শুভেন্দু, কোন বিষয়ে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ডেডলাইন বেঁধে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘সোমবারের মধ্যে মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে তোলা দুর্নীতি প্রকাশ করতে না পারলে ধরে নেব আপনি এসআইআর নিয়ে ভয় পেয়েছেন।’

    কমিশনকে তুলোধনা মমতার (Suvendu Adhikari) 

    বৃহস্পতিবার এসআইআর নিয়ে একরাশ উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা করেন মমতা। তিনি বলেন, “এসআইআরের নামে আদতে এনআরসি করার চক্রান্ত চলছে।” তোপ দাগেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও। পাশাপাশি নিশানা করেন নির্বাচন কমিশনকেও। তিনি বলেন, “এখানে যিনি (মনোজ আগরওয়াল) রাজ্য থেকে গিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। সেগুলি সময় হলে বলব। আশা করি, তিনি বেড়ে খেলবেন না। তিনি বড্ড বেশি অফিসারদের থ্রেট করছেন। এদিকে, তিনি নিজেই দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ।”

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, ‘মুখ্যমন্ত্রী যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন, তা নির্বাচন কমিশনকে হুমকি দেওয়ার নামান্তর।’ তিনি বলেন, “আমি একে রাজনৈতিক ভাষা বলব না, বলব গুন্ডাদের ভাষা।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে যে ভাষা মমতা প্রয়োগ করেছেন, তা গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেই কারণেই এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়ের করা হয়েছে অভিযোগ।” প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি করেছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। পরে অভিযোগ দায়ের করা হয় নির্বাচন কমিশনে।

    কী বললেন শুভেন্দু

    সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, “মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে কী তথ্য আছে, পশ্চিমবঙ্গের জনগণ তা জানতে চান, আমরা প্রধান বিরোধী দলও জানতে চাই। আমরা জানতে চাই কোন কোন আধিকারিককে কীভাবে তিনি ধমকেছেন, সেই আধিকারিকদের নাম প্রকাশ করুন। প্রয়োজনে ওই আধিকারিককে দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করুন (Mamata Banerjee)। আমরা তাঁর নাম, পদ জানতে চাই। তিনি বিএলও, নাকি বিডিও নাকি ম্যাজিস্ট্রেট নাকি এসডিও নাকি এডিএম, আমরা তা জানতে চাই।”

    মুখ্যমন্ত্রীর দিকে কার্যত

    এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর দিকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আপনি যদি সোমবারের মধ্যে এই সব অভিযোগ তথ্য-প্রমাণ দিয়ে সামনে না আনেন, তাহলে ধরে নেব আপনি এসআইআর নিয়ে ভয় পেয়েছেন। ক্ষমতা হারানোর ভয় পেয়েছেন। সোমবারের মধ্যে মনোজ আগরওয়ালের দুর্নীতি প্রকাশ করতে না পারলে, আপনার আইএএস, আইপিএস অফিসারদের, সিএমও-র স্টাফদের সিরিজ অফ দুর্নীতির কথা আমরা বলব।” তিনি আরও বলেন, “মনোজ আগরওয়াল কী করছেন, মুখ্যমন্ত্রী না বললে দীপাবলির পরে সিইও দফতরে ধর্না দেব। কেন কমিশনের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সব আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়নি। দু’জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কেন কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি?”

    নির্বাচনী পদে নিয়োগ নিয়ে নয়া বিতর্ক

    এদিকে, বাংলায় (Suvendu Adhikari) নির্বাচনী পদে নিয়োগ নিয়ে নয়া বিতর্ক। রাজ্যের একাধিক জেলায় নির্বাচনী রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ইআরও পদে নিয়ম ভেঙে নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, “রাজ্যের বহু জেলাশাসক জুনিয়র অফিসারদের ইআরও পদে নিয়োগ করেছেন, যা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা লঙ্ঘন (Mamata Banerjee)।” শুভেন্দু বলেন, “এভাবে সিনিয়র ডাব্লুবিসিএস (এক্সিকিউটিভ) আধিকারিকদের এড়িয়ে জুনিয়রদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে, যা ইলেকশন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশের পরিপন্থী।”

    কমিশনের নির্ধারিত মানদণ্ড

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, সব মিলিয়ে মোট ২২৬টি নিয়োগ হয়েছে কমিশনের নির্ধারিত মানদণ্ড উপেক্ষা করে। তিনি বলেন, “এই ধরনের অনিয়ম আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সততা ও স্বচ্ছতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিচ্ছে।” শুভেন্দু জানান, নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এসডিও, এসডিএম বা আরডিও পদমর্যাদার আধিকারিকরাই ইআরও হিসেবে নিযুক্ত হতে পারেন। সেই নিয়ম লঙ্ঘন করেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর ট্যুইট-বার্তা

    ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, “আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করছি, পশ্চিমবঙ্গে এই নির্দেশ কঠোরভাবে কার্যকর করা হোক। যেন দ্রুত সংশোধন ও পুনর্নিয়োগের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা যায়।” শুভেন্দু জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে উদাহরণ হিসেবে তিনি কয়েকজন ইআরও-র নাম এবং বিবরণ পাঠিয়েছেন, যাঁরা যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করেন না (Mamata Banerjee)।

    এদিকে, বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়ার প্রায় সাড়ে চারশো বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলওদের নিয়ে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পরিষ্কার জানিয়ে দেন, একজন বৈধ ভোটারের নাম যেমন তালিকা থেকে বাদ যাবে না, তেমনই কোনও অবৈধ ভোটারের নামও ভোটার তালিকায় রাখা যাবে না। এক্ষেত্রে (Mamata Banerjee) কোনও ভুল হলে তার দায় বর্তাবে বিএলওদের ওপরই (Suvendu Adhikari)।

  • Suvendu Adhikari: পিতৃপক্ষেই দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলের উদ্বোধন, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পিতৃপক্ষেই দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলের উদ্বোধন, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সস্তা জনপ্রিয়তা কুড়োতে পিতৃপক্ষেই দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলের উদ্বোধন করে ফেললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। পিতৃপক্ষে প্যান্ডেলের উদ্বোধন করায় মমতাকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবারই একাধিক প্যান্ডেলের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ, পিতৃপক্ষ চলাকালীন দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল উদ্বোধন করে হিন্দুদের প্রথায় আঘাত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পিতৃপক্ষ হিন্দু চান্দ্র ক্যালেন্ডারের ১৫ বা ১৬ দিনের একটি সময়কাল। এই সময় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করা হয়। শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদানের মাধ্যমেও অনেকে স্মরণ ও সম্মান জানান পিতৃপুরুষদের। এই পিতৃপক্ষ শেষ হয় মহালয়ায়। পরের দিন থেকে শুরু হয় দেবীপক্ষ। এদিনই শুরু হয় নবরাত্রি উৎসবের।

    রাজনৈতিক লাভের জন্য ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগাচ্ছেন (Suvendu Adhikari)

    পিতৃপক্ষে মুখ্যমন্ত্রীর প্যান্ডেল উদ্বোধন প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এটি হিন্দু প্রথার ওপর আক্রমণ। আজ পিতৃপক্ষের শেষ দিন। পিতৃপক্ষ চলাকালীন কোনও শুভ কাজ করা হয় না।” তাঁর অভিযোগ, ছ’মাস পরে নির্বাচন। একে সামনে রেখেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক লাভের জন্য ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগাচ্ছেন। বিজেপির এই নেতার দাবি, মমতার প্রশাসন সংখ্যালঘু ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, “তারা (সংখ্যালঘুরা) চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা বা শিক্ষা কিছুই পাননি। তিনি তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারছেন না। তাই তিনি ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করছেন। তিনি দুর্গাপূজার মতো হিন্দু উৎসবকে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন, যা মোটেই ঠিক নয়।”

    ‘হিজাব’ নিয়ে তোপ

    এদিন মমতা উদ্বোধন করেন হাতিবাগান, টালা প্রত্যয় এবং শ্রীভূমির প্যান্ডেলের। হাতিবাগান সর্বজনীন মাতৃ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করতে যাওয়ার সময় টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়তে শুরু করে। ছাতা না নিয়ে সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী একটি চাদর নিয়ে হিজাবের মতো করে পরে নেন। তৃণমূল নেত্রীর এহেন আচরণেও ক্ষুব্ধ শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বলেন, “হিজাব পরে উনি একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে বার্তা দিচ্ছেন। এটা সরাসরি হিন্দু আস্থা, হিন্দু রীতিনীতি এবং পরম্পরায় আঘাত।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “হিন্দুরা যেহেতু বিভক্ত, সবাই যেহেতু ভোট দিতে যান না, ভোট দিতে গেলেও, অনেকে অনেকভাবে ভোট দেন, ভাগ করেন, একটা বিশেষ মেসেজ দিচ্ছেন (Mamata Banerjee) ৩২-৩৩ শতাংশ ভোটারকে যে, আমি সম্পূর্ণভাবে ধর্মনিরপেক্ষ, আমি নাস্তিক, নাস্তিক নয়, আমি প্রো-মুসলিম লিগ। ভোটব্যাংককে একজোট করতে গিয়ে স্পষ্ট বার্তা (Suvendu Adhikari)।”

  • Mamata Banerjee: প্রধানমন্ত্রীর ডাক পেয়েও ২২ অগাস্টের অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না মমতা, ভোট ব্যাঙ্কে থাবা পড়ার ভয়ে?

    Mamata Banerjee: প্রধানমন্ত্রীর ডাক পেয়েও ২২ অগাস্টের অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না মমতা, ভোট ব্যাঙ্কে থাবা পড়ার ভয়ে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন। সৌজন্য দেখিয়েছে কেন্দ্রও। তবে ‘পাছে লোকে কিছু বলে’! তার ওপর আবার প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করার খেসারত দিতে হতে পারে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে। তাই ডাক পেয়েও ২২ অগাস্ট কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। অন্তত সূত্রের খবর এমনই। এদিন দমদমে মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। সেজন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আগেই চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ১৪ অগাস্ট মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা আমন্ত্রণপত্রে রেলমন্ত্রী লিখেছেন, “যশোর রোড মেট্রো স্টেশনে আয়োজিত কর্মসূচিতে আপনাকে উপস্থিত থাকার জন্য আমরা বিনীতভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”

    যাচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)

    তৃণমূল সূত্রে খবর, বেশ কিছু রাজনৈতিক ও প্রাসঙ্গিক কারণেই এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, শুক্রবার গ্রিন লাইনের শিয়ালদা-এসপ্ল্যানেড অংশ, অরেঞ্জ লাইনের হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি ক্রসিং)- বেলেঘাটা অংশ এবং ইয়োলো লাইনের নোয়াপাড়া-জয়হিন্দ বিমানবন্দর (বিমানবন্দর) অংশে মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একই সঙ্গে তিন মেট্রো লাইনের উদ্বোধন এবং তার সময় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল। তাদের দাবি, আগামী বছরের গোড়ার দিকে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা প্রকল্পগুলি উদ্বোধন করা হচ্ছে। যদিও রাজ্য বিজেপির তরফে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে এই অভিযোগ। তারা মেট্রো প্রকল্পগুলির কাজ শেষ করতে দেরি হওয়ার জন্য দায়ী করেছে রাজ্য সরকারকে।

    শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “ভূমি অধিগ্রহণ সমস্যা এবং রাজ্য সরকারের সহযোগিতার অভাবের কারণেই ইস্ট-ওয়েস্ট (গ্রিন লাইন)-সহ বাংলায় ৪৩টি রেল প্রকল্প বিলম্বিত হয়েছে। এই কারণে চিংড়িঘাটায় অরেঞ্জ লাইনের নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। তা না হলে এটিও এতদিনে সল্টলেক সেক্টর-৫ এর সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যেত।” উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি বাঞ্ছনীয় বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তার পরেও কেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করতে চাইছেন না মমতা? এর নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ। আসুন, একে একে জেনে নিই সেগুলি (Mamata Banerjee)।

    ‘ইন্ডি’ জোটেই রয়েছে মমতার দল

    প্রথমত, গত লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করে বিপাকে পড়েছিলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ তথা এনসিপি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ার। বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’র সদস্য তাঁর দল (PM Modi)। এই ‘ইন্ডি’ জোটেই রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসও। তাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করে ফের ‘ইন্ডি’ জোটের সদস্য দলগুলির সমালোচনার মুখে পড়তে চাননি মমতা। দ্বিতীয়ত, প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে উপস্থিত থাকার পরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে তিনি আর বিভিন্ন রেলপ্রকল্প নিয়ে ‘গালগপ্পো’ করতে পারবেন না। বরং প্রধানমন্ত্রীর সভায় অনুপস্থিত থাকলে ভোট প্রচারে বেরিয়ে বুক বাজিয়ে তিনি বলতে পারবেন, এসব প্রকল্পই আমার করা। এতদিনে রূপায়ণ করা হচ্ছে। প্রচারে ফের একবার নিজের ঢাক নিজেই পেটাতে পারবেন মমতা।

    নজরুল মঞ্চে অসন্তোষ

    তৃতীয়ত, এর আগে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে নজরুল মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর পাশে দেখা গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু সেখানে উপস্থিত বিজেপি কর্মীদের আচরণ সন্তোষজনক বলে মনে হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর। রাগ সামলাতে না পেরে মঞ্চেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ফের যাতে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করবেন না তিনি। চতুর্থত, মমতার প্রশাসনিক সভায় আজ পর্যন্ত ঠাঁই হয়নি কোনও বিরোধী জনপ্রতিনিধির। পাছে কোনও অপ্রিয় প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়, তাই আমন্ত্রণ জানানো হয় না তাঁদের (PM Modi)। ওয়াকিবহালের মতে, প্রধানমন্ত্রীর সভায় মমতার অনুপস্থিত থাকার এটাও একটা কারণ (Mamata Banerjee)।

    ভোটব্যাঙ্কে থাবা পড়ার ভয়

    সর্বোপরি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করলে ছাব্বিশের নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের বিরাগভাজন হতে হতে পারে মমতাকে। ভোট ব্যাঙ্কের স্বার্থে তিল তিল করে মুসলিম-প্রীতির যে মুখোশ তিনি তৈরি করেছেন এবং পরেও রয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করলে পাছে তা খসে যায়, তাই আমন্ত্রণ পেয়েও (PM Modi) রেলের ওই অনুষ্ঠানে হাজির না হওয়ারই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা (Mamata Banerjee)।

    ‘সত্য সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ’!

  • Mamata Banerjee: ‘অনুপ্রবেশকারীরা বাঙালি নয়’, মমতার দাবি নস্যাৎ করে সাফ জানাল বিজেপি

    Mamata Banerjee: ‘অনুপ্রবেশকারীরা বাঙালি নয়’, মমতার দাবি নস্যাৎ করে সাফ জানাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সমূলে উৎপাটিত করতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্র। এই অনুপ্রবেশকারীরাই (Bangladeshi Immigrants) জাল আধার কার্ড, রেশন কার্ড মায় ভুয়ো পরিচয়পত্র বানিয়ে মিশে গিয়েছে ভারতের বিরাট জনারণ্যে। তাদের ধরতেই যখন দেশের বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালানো হচ্ছে, তখন একমাত্র প্রতিবাদ করছেন তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটব্যাংকের স্বার্থেই অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের ‘ত্রাতা’ হয়ে উঠেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি কেবল অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে নয়, এটি একটি যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা একটি ভুয়ো এবং জাল পরিচয়পত্র তৈরির চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান।

    মমতার বাঙালি সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি! (Mamata Banerjee)

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মমতা অন্যান্য রাজ্যে শুরু হওয়া বাংলাদেশি মুসলিম ও রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো নিয়ে প্রবল আপত্তি তুলছেন। তিনি কৌশলে এই ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন যে অন্য রাজ্যগুলিতে বাঙালিদের নিশানা করা হচ্ছে। তিনি যে আদতে মিথ্যে একটি খবর বাঙালিদের ‘খাইয়ে’ দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তা বুঝে গিয়েছেন বাংলার শিক্ষিত সমাজ। কারণ যে অভিযান চালানো হচ্ছে, তার নিশানায় বাঙালিরা নন, অবৈধ বাংলাদেশি মুসলমান এবং রোহিঙ্গারা বিশেষত যারা ভিড় করেছে ওড়িশা, অসম, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, দিল্লি এবং ছত্তিশগড়ে, অথচ ভারতে বসবাস করার যাদের কোনও নৈতিক অধিকারই নেই।

    শাসক দলের মদতেই চলছে অনুপ্রবেশের কারবার!

    বাংলাদেশের পাশেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এর একটা বিরাট অংশে কাঁটাতারের বেড়া নেই। কেন্দ্রের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতায়ই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের এই অংশে বেড়া দেওয়া সম্ভব হয়নি। দালাল ধরে সেই ফোকর গলেই পশ্চিমবাংলায় ঢুকে পড়ছে অবৈধ বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গারা। তার পর এ রাজ্যেরই শাসক দলের কোনও নেতাকে দিয়ে বানিয়ে নিচ্ছে জাল পরিচয়পত্র। এদের অনেকেই জাল পাসপোর্টও জোগাড় করে ফেলেছে। পশ্চিমবঙ্গে কিনে ফেলেছে জমি-জিরেতও। যেহেতু শাসক দলের নেতাদের মদতেই দীর্ঘদিন ধরেই চলছে এই কারবার, তাই কৃতজ্ঞতা স্বরূপ এরাই বছরের পর বছর ধরে ভারতীয় নাগরিক সেজে শাসক দলকে জিতিয়ে চলেছে। তাই শাসক দলও নিশ্চিন্তে ভাতঘুম দিচ্ছে। এই অনুপ্রবেশকারীরা যে ভারতীয়দের পেটের ভাতে ভাগ বসাচ্ছে, তা দেখেও না দেখার ভান করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেই কারণেই শুরু হয়েছে ঝাড়াই-বাছাই অভিযান, যে অভিযানে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না এতদিন ধরে নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে যেসব কার্ড (রেশন, ভোটার, আধার ইত্যাদি) দাখিল করা হয়েছে, সেগুলিকে। কারণ এসব কাগজপত্র আসলে নাগরিকত্বের বৈধ প্রমাণ নয়, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে। এখানকার বিভিন্ন পরিচয়পত্র হরবখত জোগাড় করা হয় জালিয়াত চক্রের কাছ থেকে। কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, অন্যান্য রাজ্যেও এগুলিকে নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশি (Bangladeshi Immigrants) মুসলমান এবং রোহিঙ্গারা যেসব প্রমাণপত্র দাখিল করছে, তা জাল কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Mamata Banerjee)।

    ঝুলি থেকে বেরল বেড়াল

    এতেই বেরিয়ে এসেছে ঝুলি থেকে বেড়াল। অনেক নথিপত্রই পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যারা আদতে ভারতীয়ই নন, অনুপ্রবেশকারী। মধ্যপ্রদেশের পলাশের কথাই ধরা যাক। সে নিজেকে পলাশ অধিকারি বলে পরিচয় দিয়েছিল। প্রমাণস্বরূপ দাখিল করেছিল প্যান, আধার মায় ভোটার আইডিও। বাংলাদেশি সন্দেহে তাকে আটক করে পুলিশ। টানা পুলিশি জেরায় শেষমেশ সে কবুল করে, সে পলাশ নয়, বাংলাদেশের শেখ মঈনউদ্দিন। খুলনার আহমদপুর এলাকার বাসিন্দা সে। তাহলে কীভাবে অনুপ্রবেশকারী শেখ মঈনুদ্দিন হয়ে উঠল ভারতীয় পলাশ অধিকারী? জানা গিয়েছে, শাসক দলের নেতা ও সরকারি কর্তাদের একাংশের যোগসাজশে জাল নথি তৈরি করে তাকে একজন প্রকৃত ভারতীয় হিন্দু কৃষকের সন্তান হিসেবে মিথ্যা পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছিল (Mamata Banerjee)।

    লাখ লাখ বাংলাদেশি মুসলমান

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি একটি উদাহরণ মাত্র। পশ্চিমবঙ্গে লাখ লাখ বাংলাদেশি মুসলমান রয়েছে, যারা তৃণমূল এবং তার আগে বাম সরকারের আমলে নেতা এবং এক শ্রেণির অসাধু সরকারি কর্মীদের সাহায্যে জাল নথি বানিয়ে নিয়েছিল। বিএসএফের অবসরপ্রাপ্ত এক পদস্থ আধিকারিক বলেন,  “বাংলাদেশিরা এলোমেলোভাবে ভারতে প্রবেশ করে না। তারা প্রায়ই কাঁটাতারের বেড়া না থাকা এলাকায় কিংবা বিএসএফের টহল এড়িয়ে দুই দেশের পাচারকারীদের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে প্রবেশ করানো হয় (Bangladeshi Immigrants)। ভারতে প্রবেশের পর তাদের প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির সেফ হাউসে। এই প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।” এর পরেই শুরু হয়ে যায় জাল নথিপত্র তৈরির কাজ। বছর কয়েক আগে কয়েকজন বিএসএফ কর্তা একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেন, সেখানে বিস্তারিতভাবে দেখানো হয়েছিল কীভাবে বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং নাগরিকত্ব জোগাড় করে (Mamata Banerjee)।

    সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস এবং তার আগে কমিউনিস্ট দলগুলি এই অবৈধ অনুপ্রবেশকে উৎসাহিত করেছে এবং জাল নথি দিয়ে তাদের নাগরিকত্বের ছদ্মাবরণ দিয়েছে কেবলমাত্র একটি বিশ্বস্ত ভোটব্যাংক গড়ে তুলতে।” তিনি জানান, এই কারণেই ভোটার আইডি, আধার, প্যান কার্ড বা পাসপোর্টের মতো নথিকেও ভারতীয় নাগরিকত্বের নির্ভুল প্রমাণ হিসেবে ধরা উচিত নয়।

    মমতার মিথ্যে অভিযোগ

    প্রত্যাশিতভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের এই সব পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের অন্যায়ভাবে টার্গেট করা হচ্ছে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, মমতা চান না এই জালিয়াতি প্রকাশ্যে আসুক। কারণ এদের চিহ্নিত করা হলে এবং দেশ থেকে বের করে দেওয়া হলে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ পড়ে যাবে বিশবাঁও জলে। তাই মিথ্যে অভিযোগ তুলে অযথা গলা ফাটাচ্ছেন তিনি (Bangladeshi Immigrants)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই জালিয়াতি কারবারে সাহায্যকারী রাজনীতিবিদ, পুরসভা-কর্মী এবং সরকারি কর্মচারীদেরও চিহ্নিত এবং আইনের আওতায় আনা উচিত। তাঁদেরও চিহ্নিত করে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হোক বিচারের। দিতে হবে কঠোর শাস্তিও (Mamata Banerjee)।

    বাংলাদেশি মুসলমান ও বাঙালি মুসলমান এক নয়

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশি মুসলমান ও বাঙালি মুসলমান এক নয়। অনুপ্রবেশকারীরা এমন উপভাষায় কথা বলেন, যা পশ্চিমবঙ্গের বাংলার থেকে অনেকটাই আলাদা। পার্থক্য রয়েছে সাংস্কৃতিক দিক থেকেও। ভোটব্যাংকের স্বার্থে এই পার্থক্যকেই ঝাপসা করে দিয়ে বাংলাদেশি মুসলমানদের ‘বাঙালি’ হিসেবে চালানোর নিরন্তর চেষ্টা করছেন মমতা। ভারতীয় বাঙালিরা এই ফারাক সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। তাই ভারতের অন্যান্য রাজ্যে বসবাসকারী বাঙালিরাই বাংলাদেশি মুসলমানদের শনাক্ত করতে প্রশাসনকে সাহায্য করছেন। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমোকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “আপনি বাংলাদেশের একটা বই এনে পড়ুন। আর পশ্চিমবঙ্গের একটা বই এনে পড়ুন। নিজেই বুঝতে পারবেন, কোনটা সুবোধ সরকার লিখেছেন, আর কোনটা বাংলাদেশের সফিকুল ইসলাম লিখেছেন। ওই ভাষাটা পড়লেই বোঝা যায়। সুতরাং, বাংলা ভাষায় কথা বললেই যে (Bangladeshi Immigrants) কেউ ভারতবাসী হয়ে যাবে, বাংলা ভাষায় কথা বললেই যে তার নামটা ভোটার লিস্টে রেখে দিতে হবে, এটা হতে পারে না। পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন জায়গায় নকল আধার কার্ড বানিয়ে এখন ওরা বঙ্গভবনের মধ্যেও ঢুকে পড়ছে (Mamata Banerjee)।”

LinkedIn
Share