Tag: mamta banerjee

mamta banerjee

  • TMC: গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না দুর্নীতি? শান্তনু সেন সহ ৩ সাংসদকে রাজ্যসভার প্রার্থীই করলেন না মমতা!

    TMC: গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না দুর্নীতি? শান্তনু সেন সহ ৩ সাংসদকে রাজ্যসভার প্রার্থীই করলেন না মমতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার জন্য প্রার্থী-তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল (TMC)। কিন্তু এই প্রার্থী তালিকায় বাদ পড়লেন তিনজন। ঠাঁই হল না দলের অন্যতম মুখপাত্র তথা ডাক্তার নেতা শান্তনু সেনের। একই ভাবে বাদ পড়লেন শুভাশিস চক্রবর্তী এবং আবীর বিশ্বাস। প্রার্থী করা হল অসমের শিলচরের মেয়ে সুস্মিতা দেব, সাংবাদিক রাজদীপ সারদেশাইয়ের স্ত্রী সাগরিকা ঘোষ, প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর এবং উর্দু দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক নাদিমুল হককে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কেন বাদ পড়লেন শান্তনু (TMC)?

    উল্লেখ্য, আরজিকর হাসপাতালের বিশেষ কমিটির মধ্যে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) মুখপাত্র ডাক্তার শান্তনু সেন। সম্প্রতি এই হাসপাতালে তোলাবাজি এবং ভর্তি নিয়ে শাসক দলের অন্দরে ব্যাপক গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হয়েছিল। মেটাতে গিয়েছিলেন ব্রাত্য বসু। লাভ হয়নি। এরপর তাঁকে কমিটি থেকে সরিয়ে দিলে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শান্তনু। সম্প্রতি আরজিকর-এ নিজের মেয়েকে কারচুপি করে ভর্তির ঘটনায় ব্যাপক সরব হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এবারের রাজ্যসভার প্রার্থীপদের তালিকায় একই সঙ্গে বাদ পড়লেন শুভাশিস চক্রবর্তী এবং আবীর বিশ্বাস। উল্লেখ্য ২০১৯ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার লোকসভা নির্বাচনের ভোটে বেছে বেছে হিন্দু এলাকায় ভোট করতে না দেওয়ার নিদান দিয়েছিলেন শুভাশিস। সেই ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। অন্যদিকে, উর্দু পত্রিকার সম্পাদক নাদিমুল হক হলেন সংখ্যালঘু সমাজের মুখ। ২০১২ থেকে তিনি সাংসদ। প্রথম হজ কমিটির সদস্য হিসাবে তাঁকে পছন্দ করেছিলেন মমতা। জানা গিয়েছে দিল্লি বইমেলায় মমতার বইয়ের উর্দু অনুবাদের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি, তাই মমতা খুশি হয়ে এবারেও প্রার্থী করলেন, এমনটাই মনে করছেন অনেকে।

    মতুয়াদের ভোট পেতেই মমতাবালাকে প্রার্থী?

    গতকাল শনিবার দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, ‘লোকসভা ভোটের আগেই সিএএ-র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে। দেওয়া হবে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার, ভারতে আসা অমুসলমানদের নাগরিকত্ব।’ ইতিমধ্যেই মতুয়া সমাজের মানুষের অধিকার নিয়ে বনগাঁ লোকসভায় বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইতে ব্যাকফুটে তৃণমূল (TMC)। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠাকুর হরিচাঁদ সম্পর্কে কুমন্তব্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে মতুয়া সমাজের মধ্যে। তার জন্যই ঠাকুর বাড়ির মন্দিরে হাজার হাজার পুলিশ নিয়ে গিয়েও ঢুকতে পারেননি ভাইপো অভিষেক। এখন মতুয়াদের মন পেতে তাই সেই পরিবারের সদস্য প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরকেই প্রার্থী করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বাংলার বাইরের সমীকরণ

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল (TMC) বারবার বিজেপিকে বহিরাগত বলে অভিযোগ করেছে। কিন্তু একই ভাবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অভিযোগ করেছেন তৃণমূল লোকসভা, রাজ্যসভায় বাংলার বাইরের ব্যক্তিদের প্রার্থী করে পাঠায়। উল্লেখ্য, গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা বা প্রাক্তন সাংসদ অভিষেক মনুসিংভি, কেউ বাংলার নাগরিক নন। এবার রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে সুস্মিতা দেব এবং রাজদীপ-পত্নী সাগরিকা ঘোষকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কিন্তু উভয়েই জীবনের বেশির ভাগ সময় বাংলার বাইরে, একজন অসমে, অপর জন দিল্লিতে কাজ করেছেন। ফলে শাসক দল এবং বিরোধীদের মধ্যে বহিরাগত তকমা নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indi Alliance: ‘ইন্ডি’ জোটে লেগেছে ঠোকাঠুকি! রাহুলকে বহরমপুর স্টেডিয়াম দিল না মমতার প্রশাসন

    Indi Alliance: ‘ইন্ডি’ জোটে লেগেছে ঠোকাঠুকি! রাহুলকে বহরমপুর স্টেডিয়াম দিল না মমতার প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোট (Indi Alliance) একেবারে ঘেঁটে ঘ। বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের জোট হবে কি না, তা নিয়ে জটিলতা অব্যাহত। বুধবার তৃণমূল নেত্রী মমতা জানিয়ে দেন, আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূল একাই লড়াই করবে। রাহুল গান্ধী না জানিয়ে বাংলায় আসায় উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর জেরেই  কয়েকদিন আগে কোচবিহারে রাহুল গান্ধীর মঞ্চ খুলে দেয় মমতার পুলিশ। এমনকী শিলিগুড়িতে রাহুল গান্ধীর সভার অনুমতি পাওয়া নিয়ে জলঘোলা হয়েছে। এ বার অধীরের লোকসভা কেন্দ্রেই রাহুলের সভায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Indi Alliance)

    ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা নিয়ে আবার ২৮ জানুয়ারি বাংলায় আসবেন রাহুল। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বহরমপুরে থাকার কথা তাঁর। রাহুল-সহ কংগ্রেস নেতৃত্বের রাত্রিবাসের জন্য বহরমপুর স্টেডিয়াম চাওয়া হয়েছিল। সেই অনুমতি প্রশাসন বাতিল করে দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩১ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রশাসনিক সভা রয়েছে বহরমপুর স্টেডিয়ামে। রাজ্য সরকারের সভা পূর্ব নির্ধারিত। মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক তাদের জানিয়ে দিয়েছে বহরমপুর স্টেডিয়াম দেওয়া যাবে না। বিকল্প হিসাবে নিকটবর্তী এফইউসি মাঠ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু, কংগ্রেসের দাবি, ওই মাঠে রাহুল এবং তাঁর গোটা টিমের রাত্রিবাসের জন্য পর্যাপ্ত জায়গাই নেই। স্বাভাবিকভাবে বার বার রাহুলের সভা বা কংগ্রেস কর্মীরা মমতার প্রশাসন, পুলিশের বাধার মুখে পড়ায় ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কী বললেন?

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, আমরা বহুদিন আগে স্টেডিয়াম চেয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলাম। এতদিন কিছু বলেনি। কিন্তু, আমাদের কর্মসূচির দুদিন আগে অনুমতি বাতিল করার ঘটনা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূলের জেলা নেতা অপূর্ব সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি পূর্ব নির্ধারিত। আর এটা তৃণমূল বাধা দিয়েছে এমন নয়। প্রশাসন মনে করেছে বলেই অনুমতি দেয়নি। আর অন্য কে কোথায় সভা করবে, সেটা তাঁদের দলীয় ব্যাপার। তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জোট (Indi Alliance) ভেস্তে দেওয়ার জন্য অধীর চৌধুরীকে দায়ী করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share