Tag: mandarmani

mandarmani

  • Assembly Election 2026: কমিশনের নির্দেশে ফাঁকা দিঘা! ভোটের আগে পর্যটকহীন রাজ্যের সমুদ্রসৈকতগুলি

    Assembly Election 2026: কমিশনের নির্দেশে ফাঁকা দিঘা! ভোটের আগে পর্যটকহীন রাজ্যের সমুদ্রসৈকতগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম দফা ভোট গ্রহণের আগে নির্বাচন কমিশনের (Assembly Election 2026) কড়া নির্দেশে বাংলার জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতগুলো কার্যত পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে দিঘা, মন্দারমণি এবং তাজপুর থেকে পর্যটকদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের দাবি, পূর্ব মেদিনীপুরের ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যই এই সাবধানতা। অতীতে দেখা গিয়েছে, অনেক সময় পর্যটকের ছদ্মবেশে রাজনৈতিক আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সীমান্তবর্তী বা উপকূলীয় এলাকার হোটেলগুলোতে গা ঢাকা দেয় এবং ভোটের দিন গোলমাল পাকায়। সেই সম্ভাবনাকে সমূলে বিনাশ করতেই কমিশন এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।

    দীঘা-মন্দারমণি ছাড়ার নির্দেশ

    মঙ্গলবার সকাল থেকেই দিঘা এবং মন্দারমণির সৈকত সরণিতে পর্যটকদের আনন্দের বদলে বিষণ্ণতা আর উৎকণ্ঠার ছায়া লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) প্রথম দফার ভোট শুরু হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। এই স্পর্শকাতর সময়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি রুখতে এবং বহিরাগতদের মাধ্যমে নির্বাচনে কোনও প্রকার প্রভাব বিস্তার বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশন (ECI) এক কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু করে আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর, শংকরপুর এবং উদয়পুর পর্যটন কেন্দ্রে কোনও বহিরাগত বা ভিন জেলার বাসিন্দা হোটেলে থাকতে পারবেন না। যারা আগে থেকেই এসে পৌঁছেছিলেন, তাঁদের মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে হোটেল ছেড়ে নিজের গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নিরাপত্তার খাতিরেই এই ‘লকডাউন’

    মূলত পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে এই পর্যটন ক্ষেত্রগুলো পড়ে। বৃহস্পতিবার এই জেলাসহ রাজ্যের ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। নিরাপত্তার খাতিরেই কমিশন এই ‘লকডাউন’ সদৃশ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। সোমবার রাত থেকেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিঘার প্রতিটি হোটেল ও লজে নোটিশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে উপকূলবর্তী এলাকায় পুলিশের পক্ষ থেকে লাগাতার মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হয়। নির্ধারিত সময়ের পর কোনও পর্যটক হোটেলে থাকলে হোটেল মালিক এবং পর্যটক উভয়ের বিরুদ্ধেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২০২৩ সালের ২২৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন পর্যটক এবং হোটেল ব্যবসায়ীরা। চৈত্র-বৈশাখ মাসের গরমে যখন পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় থাকার কথা, তখন সমুদ্র সৈকতগুলো এখন কার্যত জনশূন্য।

  • Sea Beach: হারিয়ে যাচ্ছে তাজপুরের অনাবিল নির্জনতা, যত্রতত্র গজিয়ে উঠছে হোটেল, রিসর্ট!

    Sea Beach: হারিয়ে যাচ্ছে তাজপুরের অনাবিল নির্জনতা, যত্রতত্র গজিয়ে উঠছে হোটেল, রিসর্ট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে দশ বা পনেরো বছর আগেও বহু মানুষ সেভাবে জানতেন না যে সি-বিচটির (Sea Beach) বিষয়ে, আজ সেই সমুদ্র সৈকত পশ্চিমবঙ্গের উপকূল পর্যটনের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। হ্যাঁ, এই উপকূল পর্যটন কেন্দ্রটির নাম “তাজপুর”। পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এক ছোট্ট অঞ্চল এই তাজপুর। বিস্তীর্ণ সোনালী বালুকাবেলা, সেই বালুকাবেলা জুড়ে লাল কাঁকড়ার খেলা করা, ঝাউগাছের আকাশ ছুঁতে চাওয়ার দুঃসহ প্রচেষ্টা, মাথার ওপর নীল আকাশ, আর বঙ্গোপসাগরের উর্মিল হাতছানি-এই সব নিয়েই তাজপুরের সংসার। পূর্ণিমা রাতে যখন সাগরের নীল জলের ওপর চাঁদের রুপোলি আলো এসে পড়ে, তখন এক অদ্ভুত ঘোর লাগে মনে। সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয়ের সময় সূর্যের রক্তিম আভা তাজপুরকে করে তোলে আরও মোহময়ী, আরও সুন্দর। তখন প্রকৃতি প্রেমিক হৃদয় নিজের অজান্তেই কখন যেন গেয়ে ওঠে, “কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, মনে মনে”।

    প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট (Sea Beach)

    যদিও এই মুহূর্তে তাজপুরের সেই অনাবিল নির্জনতা আর নেই। অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেছে সেই ঝাউ আর কেয়া গাছের আধিক্য। এখন আর সাগরের বালুকাবেলায় খেলা করা লাল কাঁকড়ার দল সেই পরিমাণে দেখা যায় না, প্রকৃতি আর পরিবেশ নষ্ট করে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে একাধিক হোটেল, রিসর্ট। একদম বিচের ওপর একাধিক খাওয়ার ও থাকার হোটেল। তাতে প্রকৃতির ভারসাম্যটাই নষ্ট হতে চলেছে। তবু দু’দিন ছুটি কাটাতে তাজপুর এক অন্যতম সেরা স্থান (Sea Beach) হতেই পারে। তাজপুরের মোহনায় একটি ছোট নদী এসে মিশেছে সমুদ্রের সঙ্গে। নদীর ওপারেই আর এক জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র মন্দারমণি। ইচ্ছে হলে আর হাতে সময় থাকলে তাজপুর থেকে একই সঙ্গে ঘুরে নেওয়া যায় এই মন্দারমণি এবং শঙ্করপুরও।

    যাতায়াত ও থাকা-খাওয়া (Sea Beach)

    কলকাতা থেকে দিঘাগামী যে কোনও বাসে এসে নামতে হবে দিঘা-শঙ্করপুরের আগে বালিসাই স্টপেজে। এখান থেকে মাত্র চার-পাঁচ কিমি দূরে তাজপুর (Sea Beach)। যেতে হবে অটো বা টোটোতে। আর ট্রেনে গেলে দিঘাগামী ট্রেনে এসে নামতে হবে রামনগর ষ্টেশনে। সেখান থেকে গাড়ি বা অটোরিকশাতে আসতে হবে তাজপুর। থাকা এবং খাওয়ার জন্য এখানে রয়েছে বেশ কিছু হোটেল, রিসর্ট। এগুলির প্রায় সবকটিতেই থাকার সঙ্গে সঙ্গে খাওয়ারও ব্যবস্থা আছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mandarmani: মন্দারমণিতে অবশেষে যুবতী খুনের কিনারা, গ্রেফতার ২

    Mandarmani: মন্দারমণিতে অবশেষে যুবতী খুনের কিনারা, গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই মন্দারমণির (Mandarmani) সমুদ্রের ধারে এক যুবতীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। পরে, জানা যায় ওই যুবতীর নাম লাবনী দাস। তাঁর বাড়ি নদিয়ার তাহেরপুর। কিন্তু, তাঁকে খুন করা হল তা জানা যায়নি। এবার সেই খুনের ঘটনায় অবশেষে রহস্য ভেদ হল। জানা গিয়েছে, ওই যুবতীর দিদির দেওর প্রলয় দাসই এই খুনের মূল চক্রী। ইতিমধ্যে পুলিশ এই খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে। প্রলয়ের এক বন্ধু মনোজ গোস্বামী এই খুনে সাহায্য করেছিল। তাই পুলিশ তাকেও গ্রেফতার করেছে। প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েই মর্মান্তিক পরিণতি। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, এই ঘটনায় আর কারা জড়িত রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কেন ওই যুবতীকে খুন করা হল? (Mandarmani)

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লাবনী দাস কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তাঁর দিদির বিয়ে হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুরে। পরিবারের পাশে আর্থিকভাবে দাঁড়াতে সোদপুরে একটি বিউটি পার্লারে কাজ করতে যেতেন লাবণী। সেই জন্য দিদির বাড়িতেও প্রায়শই যাতায়াত ছিল তাঁর। ওই যাতায়াতের ফলেই দিদির দেওর প্রলয় দাসের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন লাবণী। কলকাতায় এক অ্যাপ ক্যাব সংস্থায় চালক হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিল প্রলয়। সেই কারণে দমদমে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকত সে। প্ৰায় প্রতি শুক্রবারই বিউটি পার্লারে কাজ শেখার নাম করে দমদমে প্রলয়ের সেই ভাড়া বাড়িতে যাতায়াত করতেন লাবণী। সেই সময় প্রলয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন লাবনী। লাবনীর পাশাপাশি অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে প্রলয় প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে প্রথমে লাবনী বিয়ের জন্য চাপ দেন। পরে, তারসঙ্গে অশান্তি শুরু করে। পথের কাঁটা সরাতে মন্দারমণি (Mandarmani) এলাকায় তাপস জানা নামে এক বন্ধুর সাহায্য নেয় প্রলয়। এরপর লাবনীকে নিয়ে সোজা মন্দারমণি যান লাবনী। তারপর সেখানে শ্বাসরোধ করে লাবণীকে খুন করে বলে অভিযোগ। তারপর প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ সমুদ্র সৈকতে ফেলে দেওয়া হয়। তাপস এই কাজে প্রলয়কে সাহায্য করেছিল। ঘটনার পর থেকে সে উধাও।

    কী বললেন মৃতার দিদি?

    এই বিষয়ে মৃতার দিদি বলেন, দেওরের সঙ্গে বোনের সম্পর্কের বিষয়টি আমরা জানতাম না। তবে, এভাবে বোনকে খুন করার বিষয়টি মেনে নিতে পারছি না। অভিযুক্তের কড়া শাস্তি দাবি করছি। দেওর ছাড়াও আমার বোনকে খুন করার পিছনে যারা রয়েছে তাদের প্রত্যেকের কঠোর শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mandarmani: যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন, উদ্ধার মন্দারমণিতে, নারীপাচার চক্রের যোগ!

    Mandarmani: যুবতীকে ধর্ষণ করে খুন, উদ্ধার মন্দারমণিতে, নারীপাচার চক্রের যোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:১১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে মন্দারমণির (Mandarmani) চাঁদপুরে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবতীর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার হয়। সেই যুবতীর পরিচয় পেলেন তদন্তকারীরা। যুবতীর বাড়ি নদিয়ার তাহেরপুরে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, তাঁকে ধর্ষণ করে শ্বাসরোধ খুন করা হয়েছে। মন্দারমণি, চাউলখোলা এলাকায় একটি নারী পাচার চক্র রয়েছে। তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে গরিব মেয়েদের ভাল কাজ দেওয়ার নাম করে নিয়ে এসে বিপথে চালিত করে। এই যুবতীও এই ধরনের চক্রের খপ্পড়ে পড়েছিল বলে বলে পরিবারের লোকজনের দাবি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Mandarmani)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি সপ্তাহে শনিবার কিংবা রবিবার সোদপুরে বিউটিশিয়ানের কোর্স শিখতে যেতেন মৃত যুবতী। শনিবার দিদির বাড়ি বারাকপুরে থেকে সোদপুরের উদ্দেশে বের হন এবং বাড়িতে ফোন করে জানান ফিরতে রাত হবে। ১০ সেপ্টেম্বর রবিবার সন্ধে ৬টার সময় মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর আর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এরপর তাঁর ফোন সুইচ অফ দেখায়। ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে মন্দারমণি (Mandarmani) কোস্টাল থানা এলাকার চাঁদপুরে সমুদ্রের পাশে বোল্ডারের ওপর একটি অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই সময় নাম-পরিচয় জানতে পারেনি পুলিশ। এদিকে যুবতীর পরিবার তাহেরপুর থানায় মিসিং ডায়েরি করে। এরপর জানা যায়, মৃত যুবতীই তাহেরপুরের বাসিন্দা।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    কীভাবে নদিয়ার তাহেরপুর থেকে সোদপুর হয়ে মন্দারমণি (Mandarmani) পৌঁছলেন, তার ব্যাখা নেই পরিবারের কাছেও। যদিও মৃত যুবতীকে ধর্ষণের পর গলা টিপে খুন করা হয়েছে বলে বিস্ফোরক দাবি করলেন মৃত যুবতীর দাদা দিলীপকুমার পাল। তিনি বলেন, ‘মন্দারমণির চাউলখোলায় একটি বড়সড় চক্র রয়েছে। যাঁরা বিভিন্ন জায়গা থেকে গরিব বাড়ির মেয়েদের কাজ ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বিপথে পরিচালনা করে। সোদপুর পর্যন্ত এই চক্র কাজ করছে কিনা পুলিশ তদন্ত করলে পরিষ্কার হয়ে যাবে। হয়তো আমার বোনকে এখানে নিয়ে এসে বাজে কাজ করানোর চেষ্টা করেছিল। রাজি হয়নি বলেই বোনকে মেরে ফেলা হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mandarmani: পরনে শুধুই অন্তর্বাস, মন্দারমণির সমুদ্র সৈকতে তরুণীর দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য

    Mandarmani: পরনে শুধুই অন্তর্বাস, মন্দারমণির সমুদ্র সৈকতে তরুণীর দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরনে শুধুই অন্তর্বাস। পূর্ব মেদিনীপুরের মন্দারমণি কোস্টাল থানা এলাকার চাঁদপুরে সোমবার সকালে সমুদ্রের ধারে পাথরের উপর মিলল এক তরুণীর মৃতদেহ। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই তরুণীর নাম  ও পরিচয় কিছু জানা যায়নি। এই ঘটনায় মন্দারমণিতে (Mandarmani) আসা পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    পর্যটকরা কী বললেন? (Mandarmani)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজনই ওই তরুণীকে সমুদ্রের ধারে পাথরের উপর পড়ে থাকতে দেখেন। তরুণীর পরনে ছিল শুধু অন্তর্বাস। দেহটি নজরে আসার পরই  খবর দেওয়া হয় মন্দারমণি কোস্টাল থানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।  পর্যটকরাও সেখানে এসে ভিড় করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ওই তরুণী এলাকার বাসিন্দা নন। ওই তরুণীর বাড়ি বাইরের কোথাও। তাঁকে ওই মন্দারমণিতে (Mandarmani) নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। তবে, দেহটি সমুদ্রের ধারে পাওয়া যাওয়ায় সেটি অন্য কোথাও থেকে ভেসে এসেছে, না তাঁকে এখানে নিয়ে এসে খুন করা হয়েছে, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে পর্যটকদের মধ্যে। তাঁরা বলেন, সি মেরিন ড্রাইভ এলাকায় রাস্তা শুনশান থাকার কারণে এবং রাস্তার পাশে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট না থাকার কারণে দুষ্কৃতীদের আনাগোনা বাড়ছে। অবিলম্বে ওই এলাকায় বাড়ানো হোক স্ট্রিট লাইট। সঙ্গে বাড়ান হোক পুলিশের নজরদারিও। আগেও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিছুদিন আগে শংকরপুর বাঁধের অপর প্রান্তেও একটি দেহ ভেসে আসে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।  

    কী বললেন দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের আধিকারিক?

    দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের এক্সিকিউটিভ অফিসার মানসকুমার মণ্ডল বলেন, মন্দারমণি (Mandarmani) এলাকায় আলোর অভাব রয়েছে, এই ধরনের কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। পর্যটক থেকে স্থানীয়দের যাতে কোনও রকমের সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয়, তার ব্যবস্থা করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sea Beaches: দিঘা, মন্দারমণির আশপাশেও রয়েছে মোহময়ী, নিরালা সমুদ্র সৈকত! যাবেন নাকি?

    Sea Beaches: দিঘা, মন্দারমণির আশপাশেও রয়েছে মোহময়ী, নিরালা সমুদ্র সৈকত! যাবেন নাকি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীল সমুদ্র আর সোনালি বালুকাবেলা চিরকালই আকৃষ্ট করে এসেছে প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকের হৃদয়। কিন্তু আমরা সাগরবেলা বলতে প্রথমেই যে পর্যটন কেন্দ্রগুলি বুঝি, সেগুলির মধ্যে অন্যতম হল ওড়িশার পুরী, পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, মন্দারমণি অথবা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বকখালি। অথচ এর বাইরেও রয়েছে একাধিক অপূর্ব সুন্দর সমুদ্র সৈকত (Sea Beaches), যেগুলির খবর হয়তো অনেকেই জানেন না। এই প্রতিবেদনে তাই তুলে ধরা হল এমনই দু-একটি স্থানের কথা । 

    বাগুরান জলপাই 

    পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের এক মোহময়ী, নিরালা, নির্জন সাগরবেলা (Sea Beaches)। নীল সমুদ্র যেন এখানে এসে মিশেছে নীল আকাশের সঙ্গে। সঙ্গী তার দিগন্ত বিস্তৃত সোনালি বেলাভূমি। যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা এক ছবি। এখানে আপন মনে ঢেউ খেলে চলেছে বঙ্গোপসাগর, কোথাও নেই শহুরে জীবনের কোলাহলমুখরতা, চারদিকে যেন অপার শান্তি ।
    ভোরবেলা যখন সমুদ্রের বুক চিরে উদিত হন সূর্যদেব, আর বিকালে গোধূলির রক্তিম আলো সাগরের নীল জলে মিশিয়ে তিনি অস্ত যান, তখন যেন আরও মোহময়ী, আরও স্বপ্নিল রূপ ধারণ করে 
    এই বেলাভূমি। আশেপাশেই রয়েছে স্থানীয় জেলেদের গ্রাম। ইচ্ছে হলে একটু ঘুরেও আসা যায় এই গ্রামগুলিতে। 

    যাবেন কীভাবে?

    বাগুরান, জলপাই (Sea Beaches) যাওয়ার জন্য দিঘাগামী যে কোনও ট্রেন ( তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস, কান্ডারি এক্সপ্রেস প্রভৃতি) অথবা দিঘাগামী যে কোনও বাসে এসে নামতে হবে কাঁথি। কাঁথি থেকে গাড়ি নিয়ে আসতে হবে এই বাগুরান জলপাই। কাঁথি থেকে দূরত্ব প্রায় ১০ কিমি । 

    থাকবেন কোথায়, খাবেনই বা কী?  

    এখানে (Sea Beaches) থাকার কোনও ব্যবস্থা নেই। থাকতে হবে কাঁথিতেই। কাঁথিতে বিভিন্ন দামের বিভিন্ন মানের অনেক হোটেল আছে ।

    ভোগপুর

    বাগুরান জলপাই-এর মতোই পূর্ব মেদিনীপুরের আরও একটি ভার্জিন বিচ (Sea Beaches) হল এই ভোগপুর। এখানেও সেই বঙ্গোপসাগরের উত্তাল উর্মিল আহ্বান, অপার্থিব নির্জনতা, সুনীল আকাশ, বিস্তীর্ণ সোনালি বালুকাবেলা আপনার সব সময়ের সঙ্গী। সমুদ্র সৈকতে বসে থাকতে থাকতে কখন যে বেলা বয়ে যায়, তা বোঝাই যায় না ।
    এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি মাছের ভেড়ি। আছে লবণ তৈরির একটি কারখানা। আর আছে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ঝাউবন। এই সুনীল আকাশ, উর্মিল সমুদ্র, সোনালি বালুকাবেলা আর ঝাউবিথির অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য-যে কোনও মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী ভাবে নিজের স্থান করে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

    যাবেন কীভাবে?

    বাগুরান জলপাই যাওয়ার মতোই কলকাতা থেকে দিঘাগামী যে কোনও ট্রেন অথবা বাসে এসে নামতে হবে কাঁথি। কাঁথি থেকে ভোগপুরের (Sea Beaches) দূরত্ব ১৬ কিমি। এটুকু পথ যেতে হবে গাড়িতে। আবার কাছেরই আর এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র মন্দারমণি থেকে কোস্টাল ট্রেক করেও যাওয়া যায় এই ভোগপুরে।

    কোথায় থাকবেন, কোথায়ই বা খাবেন?

     এখানেও (Sea Beaches) নেই তেমন কোনও থাকার ব্যবস্থা। কাজেই কাঁথি থেকে গাড়ি নিয়ে ঘুরে নিয়ে আবার কাঁথিতেই রাত্রিবাস করাই শ্রেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share