Tag: Manipur

Manipur

  • PM Modi in Mizoram: রেলপথে যুক্ত দুর্গম মিজোরাম, প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে আইজল-দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের সূচনা

    PM Modi in Mizoram: রেলপথে যুক্ত দুর্গম মিজোরাম, প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে আইজল-দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমূল পরিবর্তন আসছে উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থায়। দেশের রেল মানচিত্রে যুক্ত হচ্ছে আইজল (Bairabi-Sairang Railway Line)। একটা সময় যে উত্তর-পূর্ব ভারতকে মনে করা হতো এক দূরবর্তী অঞ্চল। উন্নয়নের অপেক্ষায় থাকত উত্তর- পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে বসবাসকারী মানুষজন। সেই চিত্রপটে আমূল বদল এসেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi in Mizoram) উদ্যোগে। কারণ, তিনিই সূচনা করেছিলেন ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির। তারই সাফল্য হিসেবে শনিবার বৈরাবি-সায়রাং রেলপথের উদ্বোধন করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    মিজোরামে মোদি

    বৃহস্পতিবার এক বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ৫১ কিলোমিটারের প্রকল্পটি এই প্রথম আইজলকে যুক্ত করবে জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে। পাশাপাশি সায়রাং থেকে দিল্লি (রাজধানী এক্সপ্রেস), কলকাতা (মিজোরাম এক্সপ্রেস) এবং গুয়াহাটি (আইজল ইন্টারসিটি) পর্যন্ত তিনটি ট্রেনের যাত্রার সূচনাও করবেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর মিজোরাম সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদির এটি মিজোরামে দ্বিতীয় সফর। এর আগে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে তিনি তুরিয়াল জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের (৬০ মেগাওয়াট) উদ্বোধন করতে এসেছিলেন, যা আসাম সীমান্তবর্তী কলাসিব জেলায় অবস্থিত। এদিন আইজলের লামমুয়ালে এক জনসভায় ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি মোদি নতুন রেলপথের উদ্বোধন ও ট্রেন সার্ভিসগুলির সূচনা করবেন। এছাড়াও তিনি দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করবেন এবং ছয়টি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন।

    কলকাতা-আইজল রেল যোগাযোগ

    মিজোরামের রাজধানী আইজলের সঙ্গে কলকাতার সরাসরি রেল যোগাযোগ শুরু হচ্ছে আগামিকাল। আইজলের সাইরাং স্টেশন থেকে ০৩১২৬ সাইরাং – কলকাতা স্পেশাল সকাল ১০ টায় উদ্বোধনী যাত্রা শুরু করে পরের দিন বিকেল ৫ টায় কলকাতা স্টেশনে পৌঁছানোর কথা। এরপর আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩১২৫ কলকাতা – সাইরাং ত্রি সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস নিয়মিত পরিষেবা শুরু হবে। প্রতি শনি, মঙ্গল ও বুধবার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে কলকাতা থেকে রওনা দিয়ে পরের দিন সন্ধ্যা সাতটা ২৫ মিনিটে সাইরাং পৌঁছাবে। একই ভাবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ১৩১২৬ সাইরাং – কলকাতা ত্রি সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস প্রতি সোম, বৃহস্পতি ও শুক্রবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে সাইরং থেকে ছেড়ে পরের দিন দুপুর আড়াইটেতে কলকাতা পৌঁছাবে। যাতায়াতের পথে ট্রেন টি উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের বদরপুর জংশন, গুয়াহাটি, গোয়ালপাড়া টাউন, গোলকগঞ্জ, নিউ জলপাইগুড়ি ও মালদা টাউন স্টেশনে থামবে বলে রেল সূত্রে খবর।

    রেলপথে যুক্ত দুর্গম মিজোরাম

    এই অঞ্চলের জন্য রেলে বাজেট বরাদ্দ দ্বিতীয় ইউপিএ জমানার তুলনায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধুমাত্র এই আর্থিক বছরে ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দুর্গম মিজোরামকে রেলপথে যুক্ত করতে ১৪৩টি সেতু এবং ৪৫টি টানেল নির্মাণ করেছেন ইঞ্জিনিয়াররা। এর মধ্যে সাইরাং-এর কাছে ১১৪ মিটার উচ্চতার ব্রিজ নম্বর ১৪৪ বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে উঁচু পিয়ার রেল ব্রিজ। ৫১.৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বাইরাবি-সাইরাং রেলপথ প্রকল্পটি ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’-র অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হয়েছে। এই রেলপথ আইজলকে আসামের শিলচর-এর সঙ্গে যুক্ত করবে এবং মিজোরামকে প্রথমবারের মতো ভারতের জাতীয় রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। ২০০৮-০৯ সালে এই প্রকল্প অনুমোদন পায় এবং ₹৮,২১৩.৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে।

    উত্তর-পূর্বে উন্নয়নের জোয়ার

    গোটা দেশে রেল (Bairabi-Sairang Railway Line) যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন আইজলে নতুন ট্রেন চালু হলে দিল্লি, কলকাতা ও গুয়াহাটিতে যাতায়াত সহজ হবে। এই রেলপথ চালু হলে আইজল থেকে গুয়াহাটি যাওয়ার সময় কমে ১২ ঘণ্টা হবে, যেখানে সড়কপথে এটি ১৬ ঘণ্টা সময় লাগে। আইজল-শিলচর যাত্রাও সাত ঘণ্টা থেকে তিন ঘণ্টায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। এর ফলে সহজ হবে খাদ্যশস্য ও সারের মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিবহণ। উপকৃত হবেন কৃষকরা। পাশাপাশি জোয়ার আসবে পর্যটন শিল্পেও। চাঙ্গা হবে স্থানীয় ব্যবসা। যুব সমাজের কাছে তৈরি হবে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে কড়া নিরাপত্তা

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi in Mizoram) সফরকে ঘিরে মিজোরাম জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাজ্যের আইজি (আইন শৃঙ্খলা) এইচ রামথলেংলিয়ানা জানিয়েছেন, রাজ্যের সমস্ত পুলিশ ইউনিট হাই অ্যালার্টে রয়েছে এবং আইজলে বিএসএফ ও সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কনভয়ের রুটে যান চলাচলে বিধিনিষেধ জারি হয়েছে, দোকানপাট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা, ছাত্রছাত্রী ও সরকারি কর্মচারীদের প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় উপস্থিত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। মিজোরাম সফরের পরে প্রধানমন্ত্রী মোদির মণিপুর সফরের কথাও রয়েছে। ২০২৩ সালের মে মাসে মণিপুরে গোষ্ঠী সংঘর্ষ শুরুর পর এটিই হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম মণিপুর সফর।

  • PM Modi: ১৩ সেপ্টেম্বর মণিপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি

    PM Modi: ১৩ সেপ্টেম্বর মণিপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মণিপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রসঙ্গত, মণিপুরে (Manipur) ২০২৩ সালের মে মাস থেকে মেইতেই এবং কুকি—এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতিগত ব্যাপক হিংসা চলছে। সেই ঘটনার পর থেকে এটাই হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম মণিপুর সফর।

    জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরের আগে সেখানে জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। মণিপুরের (Manipur) রাজধানী ইম্ফলের ঐতিহ্যবাহী কাংলা দুর্গে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে একটি বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। ঐতিহাসিক এই দুর্গের সঙ্গে মণিপুরের গৌরবোজ্জ্বল অতীত জড়িত থাকায় সমগ্র প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে এবং নতুন করে রং করা হচ্ছে।

    কাংলা দুর্গে তৈরি বিশাল মঞ্চ

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাংলা দুর্গে যে বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে তার সামনে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের আসনব্যবস্থা করা হয়েছে। মঞ্চ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় নানা উপকরণ মণিপুরের বাইরে থেকে আনা হয়েছে এবং ১০০ জনেরও বেশি শ্রমিক দিন-রাত কাজ করছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে

    অশান্ত মণিপুরে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। মঞ্চস্থলে অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী যে রাস্তা দিয়ে দুর্গে পৌঁছাবেন—ইম্ফল বিমানবন্দর থেকে কাংলা দুর্গ পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার সড়ক—সেই পুরো পথ সংস্কার করা হচ্ছে এবং রাস্তাঘাটের আশেপাশে থাকা গাছপালা ছাঁটা হয়েছে।

    প্রস্তুত বিজেপি নেতৃত্ব

    শুধু ইম্ফল নয়, চুরাচাঁদপুর জেলাতেও একই ধরনের সৌন্দর্যায়ন কার্যক্রম চলছে। প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) স্বাগত জানাতে মণিপুরের বিজেপি নেতৃত্বও ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের উন্মাদনা তুঙ্গে রয়েছে।প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে সংঘর্ষের পর মুখ্যমন্ত্রী এন. বিরেন সিং পদত্যাগ করেন। পরবর্তীকালে কেন্দ্র সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে এবং বিধানসভাকে স্থগিত রাখা হয়।

  • VVIP: মাঝ-সেপ্টেম্বরে মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    VVIP: মাঝ-সেপ্টেম্বরে মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বা ১৪ সেপ্টেম্বর মণিপুর সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জাতিগত হিংসার ঘটনায় দীর্ণ উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটি। গত কয়েকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে জল্পনা তীব্র হয়েছে। এ নিয়ে আরও জোরালো ধারণা তৈরি হয়েছে মণিপুরের সাধারণ প্রশাসন বিভাগের এক সরকারি নোট প্রকাশের পর।

    সরকারি নোট (VVIP)

    ওই নোটে বলা হয়েছে, “প্রথমেই মণিপুর সরকারের মুখ্যসচিব প্রস্তাবিত ভিভিআইপি (VVIP) সফর (সেপ্টেম্বর ২০২৫) উপলক্ষে প্রস্তুতি বৈঠকে উপস্থিত সকল সদস্য ও কর্মকর্তাকে স্বাগত জানান।” নোটে আরও বলা হয়েছে, “এই সফরকে জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজন করতে হবে। তাই সাধারণ প্রশাসন বিভাগের সচিবকে আলোচনা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।” নোটে ইম্ফলের কাংলা ও চূড়াচাঁদপুরের পিস গ্রাউন্ডকে সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভিভিআইপির নাম স্পষ্ট করে বলা হয়নি।

    কী বলছে প্রশাসন?

    প্রশাসনের তরফে কেউ কিছু না বললেও, রাজ্যের শাসক দলের এক বিধায়ক নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রায় নিশ্চিত।” প্রসঙ্গত, মেইতেই ও কুকি-জো উপজাতিদের মধ্যে জাতিগত সংঘাত এবং তৎপরবর্তী হিংসায় ২৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ও প্রায় ৬০ হাজার মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর এটিই হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম মণিপুর সফর। মাস কয়েক হল হিংসা থেমেছে। কিন্তু দু’বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, রাজ্য জাতিগতভাবে বিভক্তই রয়ে গিয়েছে। এ রাজ্যে এখনও (PM Modi) মেইতেই ও কুকি-জো উপজাতিরা একে অন্যের এলাকায় যেতে পারেন না। রাজ্যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পরেও মণিপুর সফরে না যাওয়ার জন্য বহুবার প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেছে কংগ্রেস (VVIP)।

    মণিপুর সফর সেরে প্রধানমন্ত্রী যাবেন অসমেও। সেখানে তিনি ৫১.৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বাইরাবি–সাইরাং রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। অসমে প্রধানমন্ত্রী ভারতরত্ন ভূপেন হাজারিকার শতবর্ষব্যাপী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন (VVIP)।

  • Missionary Networks: বাড়ছে খ্রিস্টান মিশনারিদের দৌরাত্ম্য, বদলে যাচ্ছে ভারতের সোশ্যাল ফ্যাব্রিক!

    Missionary Networks: বাড়ছে খ্রিস্টান মিশনারিদের দৌরাত্ম্য, বদলে যাচ্ছে ভারতের সোশ্যাল ফ্যাব্রিক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর চল্লিশের মার্কিন খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারক ড্যানিয়েল স্টিফেন কর্টনি এখন বিশ্বব্যাপী বিতর্কের কেন্দ্রে। তিনি নিজেকে এক নির্ভীক ধর্ম প্রচারক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। প্রকাশ্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে খ্রিস্টান ধর্ম (Missionary Networks) প্রচার করেছেন ভারত, নেপাল, ইজরায়েল, ব্রিটেন এবং আমেরিকায়। এই ধর্ম প্রচারের আড়ালেই (Indias Social Fabric) তিনি অস্ত্র পাচার করছেন বলে অভিযোগ। গত ডিসেম্বরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘ইন্ডিয়া টুডে’। সেখানে এক ভিডিওতে দেখা যায়, মণিপুরে গোষ্ঠীসংঘর্ষ চলাকালীন কর্টনি গোপনে কুকি জঙ্গিদের ড্রোন, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করছেন। ভিডিও ফুটেজটি সংগ্রহ করা হয়েছে ২০২৩ সালের অগাস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে। সেখানে তাঁকে দেখা যাচ্ছে সক্রিয়ভাবে তিনি হিন্দু মেইতেইদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন এবং সাহায্য করছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটি শুধু ধর্ম প্রচারের কাজই নয়, বরং ভারতের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে হস্তক্ষেপ, যা সশস্ত্র বিদ্রোহীদের প্রত্যক্ষ সমর্থনের কাছাকাছি।

    বহিষ্কার করা হয়েছিল কোর্টনিকে (Missionary Networks)

    ঘটনাটি কোর্টনির আগের কুখ্যাতির পরপরই সামনে আসে। ২০১৭ সালে ভারতে ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং নিষিদ্ধ ধর্মীয় কার্যকলাপে জড়িত থাকার কারণে দেশ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে তিনি আবার নেপাল ও ভারতে আসেন, আড়ালে থেকে চালাতে থাকেন কার্যকলাপ। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, তিনি নেপালের হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় ধর্মান্তরকরণে সহায়তা করেছেন এবং সামাজিক সেবার আড়ালে মিশনারি অ্যাজেন্ডা চালিয়ে গিয়েছেন। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যকলাপেও প্রায়ই হিন্দু-বিরোধী ও বিজেপি-বিরোধী বক্তব্য থাকত, যা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছিল। অবশেষে গত ডিসেম্বরে নেপালের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে অবৈধ কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করে।

    বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়

    কোর্টনি মামলাটি কোনও এক উগ্র মিশনারির (Missionary Networks) বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি আরও গভীর একটি সমস্যাকে উন্মোচিত করে, কীভাবে বিদেশি এজেন্টরা, যারা প্রায়ই সাহায্যকর্মী বা মানবাধিকার কর্মীর ছদ্মবেশে ভারতের সংবেদনশীল অঞ্চলে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নেয়। এমন উদ্বেগজনক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গেও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটি এমন এক নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে যেখানে এই ধরনের কার্যকলাপ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে (Indias Social Fabric)। কোর্টনি গ্রেফতার হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলার এক চমকপ্রদ ছবি সামনে আসে। একটি ছবি থেকে জানা যায়, তিনি কলকাতা-ভিত্তিক একটি এনজিও, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এটি প্রমাণ করে, কীভাবে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকা ব্যক্তিরা নিঃশব্দে এনজিও নেটওয়ার্কে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারছে। এই এনজিওগুলির সিংহভাগই বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত হয় বলে খবর।

    চিকিৎসা শিবিরগুলি আসলে ধর্মান্তরের আড়াল মাত্র

    ২০২৫ সালের অগাস্টে প্রকাশিত একটি বিশেষ প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে যে, তথাকথিত চিকিৎসা শিবির বা বিশ্বাসভিত্তিক চিকিৎসা শিবিরগুলি আসলে ধর্মান্তরের আড়াল মাত্র (Missionary Networks)। হুগলি জেলার জাঙ্গিপাড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদা অঞ্চলে গ্রামবাসীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সহায়তা কিংবা বিশ্বাসভিত্তিক আরোগ্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আকৃষ্ট করা হচ্ছিল। একবার তারা এর প্রতি আকৃষ্ট হলে সন্ধ্যার প্রার্থনা সভার সময় আধ্যাত্মিক পরামর্শ ও সামাজিক চাপের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের খ্রিস্টধর্মের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছিল। একই ধরনের আর একটি ঘটনা ঘটে ২০২৫ সালের জুন মাসে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে কিছু মিশনারি অলৌকিক আরোগ্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রামবাসীদের ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করেছিলেন (Indias Social Fabric)। তবে স্থানীয় হিন্দুরা প্রতিবাদ করলে পালিয়ে যান মিশনারিরা। প্রতিবারই এদের কৌশল একই থাকে- প্রথমে দান-দক্ষিণা, পরে ধর্মান্তর।

    মোদীর আমলে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন

    দশকের পর দশক ধরে ভারতে এনজিওগুলি এক ধরনের দ্বিমুখী তলোয়ারের মতো কাজ করে। অনেকে সত্যিই সমাজকল্যাণ, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবার জন্য কাজ করে। আবার অনেকে, যারা বিশেষ করে যারা বিপুল বিদেশি সহায়তা পায়, তারা কল্যাণমূলক কর্মসূচিকে ধর্মান্তরকরণের আড়াল হিসেবে ব্যবহার করছে (Missionary Networks)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমলে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করা হয়। বাতিল করা হয় শ’য়ে শ’য়ে এনজিওর লাইসেন্স। তার পরেও পশ্চিমবঙ্গ ক্রমশ এক ব্যতিক্রম হিসেবে উঠে আসছে ওপরের সারিতে। এখানে বিশ্বাসভিত্তিক চিকিৎসাশিবির, গোপন প্রার্থনাসভা এবং প্রলোভনভিত্তিক ধর্মান্তরের খবর ক্রমেই বাড়ছে।

    বদলে যাচ্ছে ভারতের সোশ্যাল ফ্যাব্রিক

    ধর্মান্তরের সমস্যা শুধু পশ্চিমবঙ্গেই সীমাবদ্ধ নয়। গোটা ভারতে, বিশেষ করে ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশার মতো রাজ্যে মিশনারি কার্যকলাপের বাড়বাড়ন্ত। শুধু ছত্তিশগড়েই বিধানসভায় বিদেশি-অর্থায়িত এনজিওগুলি কীভাবে আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে ধর্মান্তরের কাজে ব্যবহার করছে, তা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার তার বিরোধী-ধর্মান্তর আইনের অধীনে একাধিক এফআইআর দায়ের করেছে। আদালত প্রতারণা বা প্রলোভনের মাধ্যমে করা ধর্মান্তরের জন্য কারাদণ্ডও দিয়েছে। তার পরেও রমরমিয়ে চলছে ধর্মান্তরের এই ‘ব্যবসা’ (Indias Social Fabric)। যার জেরে বদলে যাচ্ছে ভারতের সোশ্যাল ফ্যাব্রিক (Missionary Networks)।

  • Northeast Terror Plot: উত্তর-পূর্বকে অশান্ত করার চেষ্টায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান! বড় সন্ত্রাসী চক্রান্ত ফাঁস ত্রিপুরায়

    Northeast Terror Plot: উত্তর-পূর্বকে অশান্ত করার চেষ্টায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান! বড় সন্ত্রাসী চক্রান্ত ফাঁস ত্রিপুরায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে ফের ত্রিপুরা-সহ উত্তর-পূর্বে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে খবর। ফের ভারতের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে বাংলাদেশ। তার সঙ্গে রয়েছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (ISI)। সম্প্রতি মণিপুরে এরকম এক চক্রান্তের খোঁজ পেয়েছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। এনআইএ-এর তদন্তে উঠে এসেছে, বাংলাদেশের চট্টগ্রামভিত্তিক বিদ্রোহী সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (UPDF) ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা হাম বারঘা তা আর্মি (THBTA) ও মোগ ন্যাশনাল পার্টি (MNP) গঠনের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছিল।

    ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকায় সুরক্ষাব্যবস্থা, পাঁচ অভিযুক্ত ধৃত

    এনআইএ সূত্রে খবর, চক্রান্তের আঁচ পেয়েই ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকায় সুরক্ষাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়। জঙ্গিদের আনাগোনা বাড়ছে এই খবর পাওয়ার পরেই আরও তৎপর হয় বাহিনী। এদিকে ত্রিপুরায় এর আগে একের পর এক জঙ্গি কার্যকলাপের ঘটনা হয়েছে। এনএলএফটি, এটিটিএফ, সহ একাধিক গোষ্ঠী মাঝেমধ্যে মাথাচাড়া দিয়েছে। সেই ১৯৮০ সাল থেকে ২০০০ সালের প্রথম পর্যন্ত একের পর এক রক্তক্ষয়ী ঘটনা হয়েছে। এর জেরে বার বার অশান্ত হয়েছে ত্রিপুরা। তাই এবার আগে থেকেই সতর্ক ছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সম্প্রতি এনআইএ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে, যারা ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (UPDF)-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল। অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহে জড়িত ছিল এই ব্যক্তিরা। ধৃতরা হলেন লালবিয়াকচুঙ্গা ওরফে ডিভিড ওরফে ডেভিড, লালথমচেউভা ওরফে থাওমা, মালসাওমা ওরফে মালসাওমা লনচেউ, রুয়াললিয়ানসাঙ্গা ওরফে সাঙ্গা এবং অলোক বিকাশ চাকমা। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি (BNS, 2023), বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (UAPA Act, 1967), অস্ত্র আইন (Arms Act, 1959) এবং বিদেশি আইন (Foreigners Act, 1946) এর অধীনে মামলা রুজু হয়েছে।

    মিজোরাম থেকে অস্ত্র সরবরাহ

    একই সঙ্গে মিজোরামের মামিত জেলার সাইথাহ গ্রাম থেকে বড় পরিমাণে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ছিল, ৬টি একে-৪৭ রাইফেল, ১৩টি ম্যাগাজিন, ১০,০৫০ রাউন্ড গুলি। এই অস্ত্রগুলি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইউপিডিএফ-এর জন্য পাঠানো হচ্ছিল, বলে অনুমান গোয়েন্দাদের।

    মণিপুরে গ্রেফতার, উদ্ধার মোবাইল ফোন-সিম

    মণিপুরে জঙ্গি সংগঠন ও অপরাধমূলক কার্যকলাপ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী। ১১ ও ১২ জুলাই তারিখে ইম্ফল পূর্ব, থৌবাল ও বিষ্ণুপুর জেলায় সমন্বিত অভিযানে পাঁচ সক্রিয় জঙ্গি ক্যাডারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। থৌবাল ড্যাম থানা এলাকার অন্তর্গত লাইখং অঞ্চল থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন কাংলেই ইয়াওল কান্না লুপ-এর দুই সদস্যকে গ্রেফতার করে নিরাপত্তা বাহিনী। ধৃতদের নাম সাগোলসেম ললিত মেইতেই (৩৬), ইথাম মামাং লেইকাই এবং অহংশাংবম তোম্বা সিং। এক পৃথক অভিযানে ইম্ফল পূর্ব জেলার পরমপট থানার অন্তর্গত কংপাল চিংগাংবম লেইকাই এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় সদস্য খুমুকচাম আবোসানা সিংকে (২৪) গ্রেফতার করা হয়। অন্যদিকে, থৌবাল থানার অন্তর্গত ওয়াংজিং বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় নিষিদ্ধ রেভলিউশনারি পিপলস ফ্রন্ট/পিপলস লিবারেশন আর্মির সক্রিয় সদস্য মেইসনাম মাংলেমনগবা মেইতেই ওরফে চুমথাংখানবা বা নাওতোম্বাকে (২৭)। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি থৌবাল ও বিষ্ণুপুর জেলায় চাঁদাবাজি, অর্থ দাবি এবং নতুন সদস্য নিয়োগের কাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার আইডি ও টাকা ভর্তি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। ১১ জুলাই বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং থানার অন্তর্গত ত্রোংলাওবি বাজার থেকে কেএসপি (তৈবাংগানবা) গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য থিনগুজম রমেশ সিং ওরফে অ্যালেক্স বা পিঙ্কিকে (৩১) গ্রেফতার করা হয়। পিঙ্কি স্থানীয় ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মচারী ও সাধারণ জনগণকে হুমকি এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে জানা গিয়েছে। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ও দুটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

    বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ সহায়তা

    এনআইএ-এর তদন্তে আরও উঠে এসেছে, টিএইচবিটিএ প্রধান হামবাই রিয়াং-এর নেতৃত্বে প্রায় ৭০ জন ক্যাডার বর্তমানে উত্তর-পূর্ব ভারতে সক্রিয় রয়েছে। এরা একটি পৃথক রিয়াং রাজ্য গঠনের লক্ষ্যে উত্তর ত্রিপুরার রিয়াং-অধ্যুষিত অঞ্চলকে আলাদা করতে চায়। বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি অঞ্চলের সেনাবাহিনীর একটি ব্রিগেড এই গোষ্ঠীকে সহায়তা করছে। ত্রিপুরা হাম বারঘা তা আর্মি (THBTA)-র এক শীর্ষ কমান্ডার, ইয়াংপু রিয়াং, নিয়মিতভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। অন্যদিকে, মোগ ন্যাশনাল পার্টি (MNP)-এর নতুন সদস্যরা ডিসেম্বর মাস থেকে বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার রাজস্থলী সাবডিভিশনে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এই প্রশিক্ষণের জন্য বাংলালহালিয়া ক্যাম্প-এ তাদের টার্গেট শুটিংয়ের ময়দানও সরবরাহ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

    ভারতকে অশান্ত করার চেষ্টা

    অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার বি কে খন্না এই ঘটনাকে “গভীর উদ্বেগজনক” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে আওয়ামি লিগ সরকার ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই ভারতবিরোধী শক্তিরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে সন্ত্রাস ছড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি পরিস্থিতির প্রতি নজর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিচ্ছে।” প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী শক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে। ওই অঞ্চলের বিদ্রোহী সংগঠনগুলিকে সহযোগিতা করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • PM Modi: ২১ জুলাই সংসদে শুরু বাদল অধিবেশন, মোদি সরকার পেশ করবে ৮টি বিল

    PM Modi: ২১ জুলাই সংসদে শুরু বাদল অধিবেশন, মোদি সরকার পেশ করবে ৮টি বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে ২১ জুলাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সরকার অধিবেশনে আয়কর বিলের জন্য সংসদের অনুমোদন চাইবে। আটটি নতুন আইন প্রস্তাব করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে সুশাসন ব্যবস্থার (New Bills) মাধ্যমে খেলাধুলোয় নৈতিক অনুশীলন নিশ্চিত করার একটি বিল এবং ভূ-ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য আরও একটি বিল। মঙ্গলবার লোকসভার একটি অভ্যন্তরীণ বুলেটিনেই এ খবর জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অধিবেশনে পেশ হবে মোট ১২টি বিল।

    বিলের অবস্থা (PM Modi)

    এর মধ্যে কয়েকটি বিল ইতিমধ্যেই সংসদে পেশ হয়েছে। কয়েকটি বিল এখনও সংসদীয় কমিটির বিবেচনাধীন রয়েছে। সেগুলি সরকার পক্ষের আইন প্রণয়নের কর্মসূচির অংশ হিসেবেই বাদল অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে। ২১ জুলাই শুরু হওয়া এই অধিবেশন শেষ হবে ২১ অগাস্ট। জানা গিয়েছে, এই অধিবেশনে সরকার মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসনের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য উভয় কক্ষের অনুমোদন চাইবে। উত্তর-পূর্বের ওই ছোট্ট পাহাড়ি রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছিল চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি। সংসদে বর্তমানে দায়িত্বে থাকা হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় ‘ইমপিচমেন্ট মোশান’ও উঠতে পারে।

    জাতীয় ক্রীড়া প্রশাসন বিল, ২০২৫

    প্রকাশিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, “জিওহেরিটেজ সাইটস ও জিও-রেলিকস বিল, ২০২৫”-এর লক্ষ্য হল জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ জিওহেরিটেজ সাইট ও জিও-রেলিকসগুলিকে ঘোষণা, সংরক্ষণ, সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি পরিকাঠামো দেওয়া যাতে করে ভূতাত্ত্বিক গবেষণা, শিক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পর্যটনের ক্ষেত্রে সুবিধা হয়। এই অধিবেশনেই পেশ হবে জাতীয় ক্রীড়া প্রশাসন বিল, ২০২৫। এই বিলের উদ্দেশ্য হল, “ক্রীড়ার বিকাশ ও প্রচার, ক্রীড়াবিদদের কল্যাণমূলক ব্যবস্থাগুলির প্রসার, এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে নৈতিকতা রক্ষার জন্য সুশাসনের মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এছাড়া, বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশন পরিচালনার জন্য এমন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও বিধিসম্মত মানদণ্ড গঠন করা, যা অলিম্পিক ও ক্রীড়া আন্দোলনের নৈতিকতা, ন্যায্যতা ও সুশাসনের সর্বজনীন মৌলিক বিধিগুলির ওপর ভিত্তি করে গঠিত।

    বিল পেশের কারণ

    যেমন, অলিম্পিক চার্টার, প্যারালিম্পিক চার্টার, ইন্টারন্যাশনাল বেস্ট প্র্যাকটিসেস, এবং এস্টাবলিশ লিগ্যাল স্ট্যান্ডার্ড। এছাড়াও, ক্রীড়া সংক্রান্ত অভিযোগ ও বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ন্যায্য ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা (New Bills) গঠন করাই এই বিলের অন্যতম লক্ষ্য।” জানা গিয়েছে (PM Modi), এই বিলটি শীঘ্রই সংসদে উপস্থাপন করা হবে। বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থার ম্যানেজমেন্টকে নিয়ে সম্প্রতি কিছু বিতর্ক উঠেছে। উঠেছে দুর্নীতির অভিযোগও। সেই প্রেক্ষাপটেই আনা হয়েছে এই বিল।কেন্দ্রীয় সরকার মণিপুর পণ্য ও পরিষেবা কর (সংশোধন) বিল, ২০২৫-কে একটি অর্ডিন্যান্সের পরিবর্তে পাস করার জন্য তালিকাভুক্ত করেছে বলেও খবর। এই বিলের লক্ষ্য হল, কেন্দ্রীয় আইনের সঙ্গে কোনও বিরোধ এড়ানো। সহজে যাতে ব্যবসা করার পরিবেশ তৈরি ও জীবনযাপন সহজতর করা যায় তাই সংশোধন আনা হবে “জন বিশ্বাস বিলে”।

    লোকসভা বুলেটিন

    লোকসভা বুলেটিন (New Bills) অনুযায়ী, “ভূ-ঐতিহ্য স্থান ও ভূ-অবশেষ (সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ) বিল, ২০২৫” অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্রহণ করা হবে। বুলেটিনে বলা হয়েছে, “এই বিলের উদ্দেশ্য হল ভূ-তাত্ত্বিক গবেষণা, শিক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পর্যটনকে উৎসাহিত করতে জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন ভূ-ঐতিহ্য স্থান ও ভূ-অবশেষগুলির ঘোষণার মাধ্যমে সেগুলিকে সংরক্ষণ, সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণের আইন করা (PM Modi)।” সরকারের আরও পরিকল্পনা, “খনিজ ও খনি (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল, ২০২৫” এবং “জাতীয় অ্যান্টি-ডোপিং আইনে” আন্তর্জাতিক বেস্ট প্র্যাকটিসগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করতে সংশোধন আনার।

    আয়কর বিল, ২০২৫

    লোকসভার বুলেটিন অনুযায়ী, খনিজ সংক্রান্ত বিলটির উদ্দেশ্য হল – সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ খনিজের কার্যকর পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা, গভীরে থাকা খনিজের বৈজ্ঞানিক ও সর্বোত্তম খনন নিশ্চিত করতে পার্শ্ববর্তী এলাকা লিজে অন্তর্ভুক্ত করা, জাতীয় খনিজ অনুসন্ধান ট্রাস্টের কাজের পরিসর বাড়ানো, এবং সেই খনিজের পুরানো মজুত যেগুলি ব্যবহারের উপযুক্ত নয়, সেগুলির বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ (New Bills) রাখা। সংসদের বাজেট অধিবেশনেই পেশ হয়েছিল আয়কর বিল, ২০২৫। এটি আয়কর আইন, ১৯৬১-এর ভাষা ও কাঠামো সহজতর করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই বিলটি বর্তমানে রয়েছে যৌথ সংসদীয় কমিটির পর্যালোচনার আওতায়। এই কমিটি বুধবার তাদের রিপোর্ট গ্রহণের পরিকল্পনা করেছে। পর্যালোচনা শেষ হলে সরকার বাদল অধিবেশনেই বিলটি পাসের জন্য উপস্থাপন করতে পারবে।

    প্রসঙ্গত, প্রথমে ঠিক ছিল বাদল অধিবেশন চলবে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত। পরে সেটাই বাড়িয়ে করা (New Bills) হয় ২১ অগাস্ট পর্যন্ত। অর্থাৎ এবার অধিবেশনের মেয়াদ হবে পুরোপুরি এক মাস (PM Modi)।

  • Manipur: মণিপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ১৬ জঙ্গি, উদ্ধার ৮৬টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র

    Manipur: মণিপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ১৬ জঙ্গি, উদ্ধার ৮৬টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) সেনাবাহিনী, রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হয়েছে বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের মোট ১৬ জন কট্টরপন্থী জঙ্গিকে। জানা গিয়েছে, অভিযান চলাকালীন উদ্ধার করা হয়েছে ৮৬টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ১১টি আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস), প্রচুর গুলি এবং যুদ্ধসামগ্রী। এই অভিযানগুলি চালানো হয়েছে মণিপুরের পাঁচটি জেলাজুড়ে— কাংপোকপি, বিষ্ণুপুর, তেঙ্গনৌপাল, ইম্ফল পূর্ব ও পশ্চিমে। কাংপোকপির পাহাড়ি অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ইনসাস রাইফেল, পয়েন্ট ৩০৩, বোল্ট অ্যাকশন, পুল মেক ও একাধিক ইম্প্রোভাইজড মর্টার (Manipur News)।

    ধৃত জঙ্গিরা কোন সংগঠনের সদস্য (Manipur)

    এই অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে ছিল সেনাবাহিনীর ‘স্পিয়ার কর্পস’ এবং অসম রাইফেলস, সহযোগিতা করেছে মণিপুর (Manipur News) পুলিশ, সিআরপিএফ, বিএসএফ ও আইটিবিপি। বিস্ফোরক শনাক্তকরণে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষিত সেনা কুকুর। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিষ্ণুপুর, থৌবল এবং ইম্ফল পশ্চিম জেলায় আরও ছয় জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে মণিপুর পুলিশ। ধৃতরা কেওয়াইকেএল, কেসিপি ও পিএলএ-র সক্রিয় সদস্য। এদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র, মোবাইল ফোন, আধার কার্ড, দুই চাকার গাড়ি ও নানান গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। সবকিছু হস্তান্তর করা হয়েছে পুলিশের হাতে।

    গুজব থেকে দূরে থাকতে বলল প্রশাসন

    পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত জঙ্গিরা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মীদের কাছ থেকে জোর করে চাঁদা আদায়ে যুক্ত ছিল এবং সংগঠনে নতুন সদস্য নিয়োগেও ভূমিকা রাখছিল। বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান এবং এলাকা নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনী। পাশাপাশি, নাগরিকদের (Manipur) উদ্দেশে পুলিশ বার্তা দিয়েছে— যেন কেউ ভুয়ো ভিডিও বা গুজবে বিশ্বাস না করেন। কোনও অডিও-ভিডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করে। সামাজিক মাধ্যমে ভুয়ো পোস্ট ছড়ানোর ঘটনা বেড়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে, এবং এমন কাজের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। জনগণকে আহ্বান জানানো হয়েছে, কারও কাছে লুন্ঠিত অস্ত্র বা বিস্ফোরক থাকলে তা দ্রুত স্থানীয় থানায় অথবা নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে জমা দিতে (Manipur)।

  • Critical Minerals: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকায় হদিশ মিলল গুরুত্বপূর্ণ খনিজের

    Critical Minerals: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকায় হদিশ মিলল গুরুত্বপূর্ণ খনিজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকায় হদিশ মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের (Critical Minerals)। পরিচ্ছন্ন জ্বালানির রূপান্তর, ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। সম্প্রতি এ খবর জানিয়েছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। এই খনিজগুলির মধ্যে রয়েছে রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস (REE), গ্রাফাইট, ভ্যানাডিয়াম, লিথিয়াম, কোবাল্ট এবং অন্যান্য উপাদান, যা ব্যাটারি, সেমিকন্ডাক্টর এবং উন্নত ধাতব মিশ্রণ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

    জিএসআইয়ের রিপোর্ট (Critical Minerals)

    জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার এক রিপোর্টে বলা হয়েছে (Northeast Region), “এ ধরনের সম্পদের প্রতি ভারতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা দেশীয় উৎস চিহ্নিত ও উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরে, বিশেষ করে পূর্ব-উত্তর ভারতের মতো ভূতাত্ত্বিকভাবে সম্ভাবনাময় অঞ্চলে নিবেদিত থিম্যাটিক স্টাডি, বেসলাইন সমীক্ষা এবং প্রকল্পভিত্তিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে, জিএসআই একাধিক অঞ্চলে এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে সমৃদ্ধ এলাকা চিহ্নিত করেছে।” ৫৭ পাতার এক প্রতিবেদনে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হয়েছে তাদের অনুসন্ধানের ফলের সারসংক্ষেপ।

    চিনের সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন ভারত

    বিশ্বের প্রধান রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট রফতানিকারী দেশ হল চিন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এই রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বেজিং। অথচ, এই রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে বৈদ্যুতিক যানবাহনের মোটর তৈরি-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে (Critical Minerals)। প্রতিবেশী দেশের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমী দেশগুলির পাশাপাশি ভারতেও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ ২০২৫ অর্থবর্ষে ভারত তার ৫৪০ টন ম্যাগনেট আমদানির ৮০ শতাংশেরও বেশি সংগ্রহ করেছিল ড্রাগনের দেশ থেকেই। ইউরোপের জ্বালানি খাতও প্রায় ৯৮ শতাংশ সংগ্রহ করেছিল চিন থেকেই। ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল চিনের এই সিদ্ধান্তকে ভারতের জন্য এক সতর্কবার্তা বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “ভারতের উচিত বিকল্প সরবরাহ চেইন খুঁজে বের করা এবং চিনের ওপর নির্ভরতা কমানো (Northeast Region)।”

    উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অনন্য ভূতাত্ত্বিক গঠন

    জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অনন্য ভূতাত্ত্বিক গঠন — যার মধ্যে ওফিওলাইট বেল্ট, ক্ষার-আল্ট্রামাফিক কমপ্লেক্স এবং গ্রাফাইটযুক্ত সিস্ট রয়েছে — তা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খনিজের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। ভারত যখন খনিজ-নির্ভর পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পরিবর্তন ও প্রযুক্তিগত বিকাশের পথে এগিয়ে চলেছে, তখন উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খনিজ সম্পদ একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত (Critical Minerals)। উত্তর-পূর্বাঞ্চল অঞ্চলটি অরুণাচলপ্রদেশ, অসম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, সিকিম এবং ত্রিপুরা নিয়ে গঠিত এবং এটি প্রায় ২.৬২ লাখ বর্গকিলোমিটার বা ভারতের মোট ভৌগোলিক এলাকার প্রায় ৮ শতাংশ জুড়ে রয়েছে (Northeast Region)।

    অরুণাচলপ্রদেশে ভ্যানাডিয়ামের খোঁজ

    অরুণাচলপ্রদেশ ভারতের প্রাকৃতিক ফ্লেক গ্রাফাইটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ উৎস হিসেবে উঠে এসেছে। জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়েছে, পশ্চিম সিয়াং, পাপুম পাড়ে এবং লোয়ার সুবনসিরি জেলায় প্রচুর মজুত চিহ্নিত করা হয়েছে, এবং এ পর্যন্ত ১৭.৮৯ মিলিয়ন টনেরও বেশি গ্রাফাইট সম্পদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা ব্যাটারি ও রিফ্র্যাক্টরি (উচ্চতাপ প্রতিরোধক) ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত মানের। জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে (Critical Minerals), “এই অঞ্চলের গ্রাফাইট সাধারণত সূক্ষ্ম থেকে মাঝারি ফ্লেকযুক্ত হয়, যার ফিক্সড কার্বন কন্টেন্ট ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত। এটি পরবর্তী পর্যায়ের পরিশোধন এবং লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির অ্যানোড-সহ উচ্চ-মূল্যবান ব্যবহারের জন্য একটি কার্যকর কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হয়।” জানা গিয়েছে, অরুণাচলপ্রদেশে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হল ভ্যানাডিয়াম, যা স্টিল মিশ্র ধাতু এবং অন্যান্য শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাতু। জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার অনুসন্ধানে মোট ১৩.৭৯ মিলিয়ন টন ভ্যানাডিয়াম পাওয়া গিয়েছে, যা এই গুরুত্বপূর্ণ মিশ্র ধাতুর ক্ষেত্রে ভারতের প্রথম বড় রকমের উৎস।

    অসম-মেঘালয়ে রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস

    জিএসআই জানিয়েছে (Critical Minerals), অরুণাচল প্রদেশের পাপুম পারে জেলায় লোদোসো গ্রামের আশপাশের এলাকায় ২.১৫ মিলিয়ন টন ‘আয়রনসমৃদ্ধ ফিলাইট’ (এক ধরনের রূপান্তরিত শিলা)-এ রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস পাওয়া গিয়েছে। অসম ও মেঘালয়েও রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অসমে রেয়ার আর্থ এলিমেন্টসের ঘনত্ব প্রতি মিলিয়নে ১,০০০ থেকে ৫,০০০ এর মধ্যে। ঘনত্ব প্রতি মিলিয়নের অর্থ হল, প্রতি এক মিলিয়ন অংশের মিশ্রণে কোনও নির্দিষ্ট পদার্থের একটি অংশ। মেঘালয়ে এই ঘনত্বের পরিমাণ প্রতি মিলিয়নে ৩,৬৪৬ থেকে ৫,১০০-র মধ্যে (Northeast Region)।

    লিথিয়াম মজুদ

    জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়েছে, অরুণাচলপ্রদেশ, নাগাল্যান্ড ও অসমে লিথিয়াম মজুদের ইঙ্গিত মিলেছে। ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “নাগাল্যান্ড ও মণিপুরে অবস্থিত ওফিওলাইট শিলার সঙ্গে সম্পর্কিত নিকেল ও কোবাল্টের লক্ষ্যে সেখানে বিস্তারিত ভূ-রাসায়নিক সমীক্ষা ও শিলাচিত্র বিশ্লেষণ করা হচ্ছে (Critical Minerals)।”

  • Manipur Crisis: “মণিপুরে মেইতেই ও কুকিদের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন স্বয়ংসেবকরা,” দাবি আরএসএসের

    Manipur Crisis: “মণিপুরে মেইতেই ও কুকিদের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন স্বয়ংসেবকরা,” দাবি আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মণিপুরে (Manipur Crisis) আলোচনার মাধ্যমে মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা কমাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন স্বয়ংসেবকরা।” অন্তত এমনই দাবি করল আরএসএস (RSS)। সংঘের দাবি, ২০২৩ সালের মে মাস থেকে জাতিগত হিংসায় জর্জরিত রাজ্যে ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে। আরএসএসের জাতীয় প্রচার ও গণমাধ্যম বিভাগের প্রধান সুনীল আম্বেকর জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত তিনদিনব্যাপী ‘প্রান্ত প্রচারক’ সভায় অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা মনিপুরের বর্তমান পরিস্থিতি এবং রাজ্যে ঘটতে থাকা ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    সংঘের দাবি (Manipur Crisis)

    তিনি বলেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন এই সভায় অংশ নিতে এসেছিলেন। তাঁরা এটাও জানিয়েছেন যে কীভাবে স্বয়ংসেবকরা দ্রুত ওই অঞ্চলে সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা ও শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন।” তিনি বলেন, “এই উদ্দেশ্যে  আরএসএস স্বয়ংসেবকরা মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের সঙ্গে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন, যাতে তাঁদের মধ্যে একটি সদ্ভাবপূর্ণ পরিবেশ গড়ে ওঠে। তাঁরা এজন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন।” আম্বেকর বলেন, “গত বছরের তুলনায় এবার মণিপুরের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকে অনেক ইতিবাচক দিক সামনে এসেছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। তবে তাদের মাধ্যমে কিছু ইতিবাচক খবর পাওয়া গিয়েছে।”

    বিরোধীদের সমালোচনার জবাব

    বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে আম্বেকর বলেন, “যখন কোথাও পরিস্থিতির অবনতি ঘটে, তখন তা একদিনেই ঠিক হয়ে যায় না (Manipur Crisis)। তবে অবশ্যই আগের বছরের তুলনায় যদি দেখা যায়, তাহলে কিছুটা হলেও শান্তি ফিরে আসতে শুরু করেছে।” তিনি বলেন, “শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দু’পক্ষের মধ্যে যে আলোচনা চলছে, তা অগ্রসর হবে।” পরে অন্য একটি বিবৃতিতে আম্বেকর বলেন, “আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা মণিপুরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মেইতেই এবং কুকি উভয় পক্ষের সঙ্গেই কথা বলছেন। এই কারণেই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের মে মাস থেকে মেইতেই এবং কুকি-জো গোষ্ঠীর (RSS) মধ্যে জাতিগত সংঘর্ষে ২৬০জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ঘরছাড়া হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ (Manipur Crisis)।

  • Manipur: মণিপুরে রিবাট সাফল্য যৌথবাহিনীর, অভিযানে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র

    Manipur: মণিপুরে রিবাট সাফল্য যৌথবাহিনীর, অভিযানে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার (Arms Recovery)। ইম্ফল উপত্যকার পাঁচটি জেলা থেকে ওই অস্ত্র এবং গুলি উদ্ধার হয়েছে। শুক্র ও শনিবারের মধ্যবর্তী রাতে এলাকায় যৌথ অভিযান চালানো হয় মণিপুর পুলিশ, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর তরফে। তার পরেই মেলে অস্ত্রভান্ডারের হদিশ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এদিন যে জেলাগুলিতে হামলা চালানো হয়, সেগুলি হল – ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, বিষ্ণুপুর, কাকচিং ও থৌবল।

    আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার (Manipur) 

    অভিযানে বাহিনী সব মিলিয়ে মোট ৩২৮টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে। এর মধ্যে রয়েছে ১৫১টি সেল্ফ-লোডিং রাইফেল, ৬৫টি ইনসাস রাইফেল, ৭৩টি অন্যান্য অজানা রাইফেল, ৬টি একে সিরিজ রাইফেল, ১২টি লাইট মেশিন গান, ৫টি কারবাইন, ২টি এমপি৫ গান, ২টি আমোঘ রাইফেল, ১টি মর্টার, ৬টি পিস্তল, ১টি এআর-১৫ রাইফেল এবং ২টি ফ্লেয়ার গান। বাহিনী যেসব গুলি বাজেয়াপ্ত করে সেগুলির মধ্যে ছিল ৫৯১টি বিভিন্ন ম্যাগাজিন, ৩ হাজার ৫৩৪টি এসএলআর গুলি, ২ হাজার ১৮৬টি ইনসাস গুলি, ২ হাজার ২৫২টি .৩০৩ রাইফেলের গুলি, ২৩৪টি একে রাউন্ড, ৪০৭টি আমোঘ রাউন্ড, ২০টি ৯মিমি পিস্তলের গুলি, ১০টি গ্রেনেড, ৩টি ল্যাথোড এবং ৭টি ডিটোনেটর।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    প্রশাসনের কর্তারা এই অভিযানকে শান্তি প্রতিষ্ঠা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সংঘাতপ্রবণ রাজ্যে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে চেষ্টা চলছে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক আখ্যা দিয়েছেন। প্রবীণ আধিকারিকরা বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রেখে চলেছেন। জানিয়ে দিয়েছেন, ফের এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Manipur) তাঁরা। পুলিশ মণিপুরে শান্তি বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছে। এই প্রচেষ্টায় তারা জনগণের সাহায্য চেয়েছে। জনগণের কাছে বেআইনি অস্ত্র সংক্রান্ত যে কোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা তথ্য স্থানীয় থানায় অথবা সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষকে ঘিরে গত দু’বছর ধরে অশান্ত উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুর। এই (Arms Recovery) অস্থিরততার সুযোগ কাজে লাগিয়ে সেখানে সক্রিয় হয়ে উঠেছে চিনপন্থী একাধিক জঙ্গিগোষ্ঠী। নিষিদ্ধ সেই সব গোষ্ঠীর জঙ্গিদের ধরতে সম্প্রতি সক্রিয়তা বাড়িয়েছে পুলিশ ও সেনা (Manipur)।

LinkedIn
Share