Tag: Mann ki Baat

Mann ki Baat

  • Nitin Nabin: সরকার-সংগঠনের মধ্যে সমন্বয়ে জোর নিতিন নবীনের, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব-দুর্নীতি নিয়ে কড়া বার্তা বিজেপি সভাপতির

    Nitin Nabin: সরকার-সংগঠনের মধ্যে সমন্বয়ে জোর নিতিন নবীনের, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব-দুর্নীতি নিয়ে কড়া বার্তা বিজেপি সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার ও সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় আরও নিবিড় করতে হবে। ব্যক্তিস্বার্থ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে একযোগে কাজ করতে হবে দলের নেতা-কর্মীদের। পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে দলের সাংসদ, বিধায়ক ও সাংগঠনিক নেতৃত্বকে এমনই বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে একাধিক বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে দেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে দলীয় সংগঠনকে। পাশাপাশি, সংগঠনের (BJP) অন্দরে দুর্নীতি ও অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ নিয়েও কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

    রবিবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নিতিন নবীনকে স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে মা কালীর মূর্তি উপহার দেন। সেখান থেকে নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে পৌঁছে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান শোনেন তিনি। এরপর দিনভর দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে কড়া বার্তা (Nitin Nabin)

    রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর বিভিন্ন জেলায় বিধায়ক ও সাংগঠনিক নেতাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও কোথাও সমান্তরালভাবে কাজ করার প্রবণতা নিয়েও দলের অন্দরে উদ্বেগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংগঠন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন নিতিন নবীন।

    দলীয় সূত্রের খবর, বৈঠকে তিনি জানিয়ে দেন, ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে সংগঠনকে উপেক্ষা করা চলবে না। ক্ষমতায় আসার পর যাঁরা সংগঠনের গুরুত্ব ভুলে যাচ্ছেন, তাঁদের আচরণও মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে দলে নতুন যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের কার্যকলাপের ওপর নজর রাখার পরামর্শ দেন তিনি। দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজকর্মের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। শুভেন্দু সরকারের গত কয়েক মাসের উন্নয়নমূলক কাজ সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বার্তা, সরকার ও সংগঠনকে পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ‘উন্নত পশ্চিমবঙ্গ’ এবং ‘সোনার বাংলা’ গড়ার যে লক্ষ্য বিজেপি নিয়েছে, তা বাস্তবায়নে সংগঠনের প্রত্যেক স্তরকে সক্রিয় হতে হবে (Nitin Nabin)।

    সংগঠন মজবুত করার নির্দেশ

    নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন এবং আসন্ন পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখেন নিতিন নবীন। সম্প্রতি রাজ্য ও জেলাস্তরে বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল হয়েছে। নতুন নেতৃত্বের দায়িত্ব বণ্টন এবং বিভিন্ন স্তরের নেতাদের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাতে থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। কাউকে প্রার্থী করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা যাতে না হয়, সেই বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে নেতাদের।

    আসন্ন দুর্গাপুজো-সহ উৎসবের মরশুমে জনসংযোগ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন বিজেপি সভাপতি। তবে কোনও পুজো কমিটির নেতৃত্ব বা পৃষ্ঠপোষকতার দায়িত্ব জোর করে নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে প্রস্তাব এলে তবেই সেই দায়িত্ব গ্রহণ করা যাবে। পাশাপাশি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে (Nitin Nabin)।

    জনসংযোগ বাড়ানোর পরামর্শ

    বৈঠকে সাংসদ ও বিধায়কদের নিয়মিত নিজেদের কার্যালয়ে সময় দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের খবর। প্রতিদিন কত মানুষ তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে আসছেন, কী কী সমস্যা জানাচ্ছেন এবং সেগুলির সমাধানে কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তার যথাযথ হিসাব রাখতে বলা হয়েছে।

    নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে কেউ যাতে সেই পরিচয়কে অসামাজিক বা অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করতে না পারেন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিধানসভাভিত্তিক জনকল্যাণমূলক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে (BJP)।

    ‘মন কি বাত‘ শুনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরলেন নবীন

    এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের ১৩৮তম পর্ব শোনেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুষ্ঠানের বিভিন্ন প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি।

    নবীন তাঁর বার্তায় ২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় সেনার বীরত্বের প্রসঙ্গের উল্লেখ করেন। পাশাপাশি দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রকৃতি সংরক্ষণ, যুবসমাজকে নেশামুক্ত করার সংকল্প এবং জনগণনায় নাগরিকদের অংশগ্রহণের বিষয়ও তুলে ধরেন।

    তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষের উদ্যোগ, সাফল্য ও অনুপ্রেরণার কাহিনি তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে ‘মন কি বাত’। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার বিভিন্ন দৃষ্টান্ত এই অনুষ্ঠানে উঠে আসে (Nitin Nabin)।

    সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখাই লক্ষ্য

    পূর্ণাঙ্গ রাজ্য কমিটি গঠনের পর প্রথম পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে নিতিন নবীনের বৈঠকগুলিতে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, সরকারের কাজের প্রচার এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়গুলি গুরুত্ব পেয়েছে। দলের রাজ্য পদাধিকারী, বিভিন্ন মোর্চার সভাপতি, জেলা নেতৃত্ব, সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে সাংগঠনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন তিনি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল।

    দলীয় নেতৃত্বের কাছে (BJP) নবীনের বার্তা, নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য দূরে সরিয়ে সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে সাংগঠনিক কর্মসূচির সমন্বয় ঘটিয়ে তৃণমূল স্তরে জনসংযোগ বাড়াতে হবে। আসন্ন নির্বাচনগুলির আগে সেই লক্ষ্যেই সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (Nitin Nabin)।

     

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাতে’ এল ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, সমাজসেবামূলক উদ্যোগের কথাও

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাতে’ এল ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, সমাজসেবামূলক উদ্যোগের কথাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ‘মন কি বাতে’র ১৩৪তম পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনুপ্রেরণামূলক বিভিন্ন গল্প তুলে ধরেন। এই গল্পগুলির মধ্যে (Mann Ki Baat) ছিল ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং সমাজসেবামূলক বিভিন্ন উদ্যোগও।

    ভারতের ক্রমবর্ধমান অ্যাথলেটিক্স সাফল্য (PM Modi)

    এদিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল ভারতের ক্রমবর্ধমান অ্যাথলেটিক্স সাফল্য। ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সিনিয়র অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী স্প্রিন্টার গুরিন্দর বীর সিং এবং অনিমেষ কুজুরের প্রশংসা করেন। তাঁরা পুরুষদের ১০০ মিটার দৌড়ে মাত্র দু’দিনের মধ্যে একাধিকবার জাতীয় রেকর্ড ভেঙেছেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, ক্রীড়াবিদরা তাঁকে জানিয়েছেন, পরিবারের সমর্থন, কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ় সংকল্প তাঁদের সাফল্যের চাবিকাঠি। অনেকের ধারণা ছিল যে, ভারতীয়রা স্প্রিন্ট ইভেন্টে বিশ্বমানের প্রতিযোগিতা করতে পারবেন না, কিন্তু তাঁরা সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সুস্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রশংসা করেন। বলেন, “তাঁদের এই সাফল্য অসংখ্য তরুণ ক্রীড়াবিদকে অনুপ্রাণিত করবে।”

    জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চায় জোর

    প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানের (Astronomy) প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বেঙ্গালোর অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোস্যাইটি, অ্যাস্ট্রো কেরালা, বিগ ব্যাং অ্যাস্ট্রোনমি ক্লাব (রাজকোট), জ্যোতির্বিদ্যা পরিসংস্থা এবং আইএসএএসি-এর মতো সংস্থাগুলির অবদানের কথা উল্লেখ করেন। বলেন, এই সব সংস্থা শিক্ষার্থীদের মহাকাশ ও মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানতে সাহায্য করছে।ছুটির সময় তরুণদের জ্যোতির্বিজ্ঞান ক্লাবে যোগ দিতে এবং তারামণ্ডল দর্শনে উৎসাহিত করেন।

    গঙ্গা ডলফিন রেসকিউ অ্যাম্বুলেন্স

    উত্তরপ্রদেশে একটি খালে আটকে পড়া গাঙ্গেয় ডলফিন (Gangetic Dolphin)-কে উদ্ধারের অভিযানেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর ডলফিনটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী জানান, নমামি গঙ্গে (Namami Gange) কর্মসূচির আওতায় তৈরি ভারতের প্রথম গঙ্গা ডলফিন রেসকিউ অ্যাম্বুলেন্স এই উদ্ধারকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (Mann Ki Baat)। চিকিৎসার পর ডলফিনটিকে রাপ্তি নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “গঙ্গা নদীর বাস্তুতন্ত্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য ডলফিন সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (PM Modi)।”

     

  • Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাতেও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির প্রসঙ্গ

    Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাতেও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ‘মন কি বাতে’ও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ায় দিনের পর দিন বেড়ে চলা অস্থিরতা এবং তার জেরে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কটের প্রসঙ্গ। ২৯ মার্চ, রবিবার সম্প্রচারিত হল প্রধানমন্ত্রীর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর (Mann Ki Baat) ১৩২তম পর্ব। এই পর্বেই তিনি ফোকাস করেন পশ্চিম এশিয়ার অশান্ত পরিস্থিতির ওপর।

    মন কি বাতে কোভিড প্রসঙ্গ (Mann Ki Baat)

    কোভিড-১৯ অতিমারির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, বিশ্ব আশা করেছিল যে এই বৈশ্বিক সঙ্কট কাটিয়ে উঠে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন নতুন সংঘাত দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সবাই মনে করতে পারি যে কোভিডের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে পুরো বিশ্ব নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। আমরা সবাই আশা করেছিলাম যে করোনা সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসার পর বিশ্ব নতুন করে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। কিন্তু বিভিন্ন অঞ্চলে বারবার সৃষ্টি হয়েছে যুদ্ধ ও সংঘাতের পরিস্থিতি।” সঙ্কটের সময় উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসরত এক কোটিরও বেশি ভারতীয়কে সাহায্য করার জন্য ওই দেশগুলির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গ জ্বালানি সঙ্কট

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে যে প্রভাব পড়েছে, তাও তুলে ধরেন তিনি। জানান, ভারতের জ্বালানির একটি বড় অংশই আসে পশ্চিম এশিয়া থেকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে অঞ্চলে বর্তমানে যুদ্ধ চলছে, সেটি আমাদের জ্বালানি চাহিদার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এর ফলে বিশ্বজুড়ে পেট্রোল ও ডিজেল নিয়ে সঙ্কট তৈরি হচ্ছে (Mann Ki Baat)।” তিনি আরও জানান, বিভিন্ন দেশের সহযোগিতার ফলে ভারত এই জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা করতে পেরেছে। ভারতবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, কঠিন সময়ে সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ থাকে। গুজবেও যেন বিশ্বাস না করে। তিনি বলেন, “আমি আবারও আমার দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানাই—আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। যারা গুজব ছড়াচ্ছে, তারা দেশের বড় ক্ষতি করছে। আমি সকল নাগরিককে সতর্ক থাকার এবং গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। শুধু সরকারের দেওয়া তথ্যের ওপর ভরসা রাখুন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করুন (PM Modi)।”

    টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ে খুব খুশি প্রধানমন্ত্রী

    আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, “যেভাবে আমরা অতীতে ১৪০ কোটি মানুষের শক্তিতে বিভিন্ন সঙ্কট পেরিয়ে এসেছি, তেমনি এবারও আমরা সবাই মিলে এই কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠব।” প্রধানমন্ত্রী ‘জ্ঞান ভারতম সার্ভে’ উদ্যোগ সম্পর্কেও বলেন। এর লক্ষ্য হল, দেশজুড়ে বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণ ও নথিভুক্ত করা। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষও জ্ঞান ভারতম অ্যাপের মাধ্যমে এই উদ্যোগে অংশ নিতে পারেন—পাণ্ডুলিপির ছবি বা সংশ্লিষ্ট তথ্য আপলোড করে।” ‘মাই ভারত (MY Bharat)’ উদ্যোগের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর লক্ষ্য দেশের যুবসমাজকে বাজেট প্রক্রিয়া ও নীতিনির্ধারণের সঙ্গে যুক্ত করা। এই উদ্যোগের আওতায় আয়োজিত কুইজে প্রায় ১২ লাখ যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেছিল (Mann Ki Baat)। কুইজের পর ১ লাখ ৬০ হাজারের কাছাকাছি অংশগ্রহণকারীকে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। ভারতের টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ে তিনি যে যারপরনাই খুশি, তা গোপন করেননি প্রধানমন্ত্রী। প্রায় সাত দশক পর রঞ্জি ট্রফি জয়ের জন্য জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট দলকেও অভিনন্দন জানান তিনি (PM Modi)।

     

  • PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) চালু করেন ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) কর্মসূচি। লক্ষ্য ছিল, দেশবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ভারতের জনগণের কাছে পৌঁছনো। এমন একটি সময়ে তিনি এটি চালু করেছিলেন, যখন রেডিওর আকর্ষণ অস্তগামী। প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠানটি অল ইন্ডিয়া রেডিওকে নতুন করে অক্সিজেন জোগায়। অনুষ্ঠানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং মানুষ আগ্রহভরে অপেক্ষা করতে থাকেন, প্রধানমন্ত্রী কী বলেন তা শুনতে।

    কী জানাল প্রসার ভারতী (PM Modi)

    এই কর্মসূচির আরও একটি লক্ষ্য ছিল, সেটি হল ধীরে ধীরে এটি সম্প্রচারকারী সংস্থার আয়ের পথও প্রশস্ত করা। আরটিআই (RTI) আবেদনের ভিত্তিতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এই অনুষ্ঠান কত আয় করেছে, তা প্রকাশ পেয়েছে। সমাজকর্মী বিবেক পাণ্ডের দাখিল করা আরটিআইয়ের  জবাবে প্রসার ভারতী জানায়, এই সময়ে কর্মসূচিটি মোট ৫.৩৩ কোটি টাকা রোজগার করেছে। বছরভিত্তিক হিসেবে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আয় ছিল ১৬.৬০ লাখ টাকা। পরের অর্থবর্ষে আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১.১৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয় ১.৬৩ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান আয় করেছে ২.৩৬ কোটি টাকা।

    ‘মন কি বাত’-এর পেছনে কত ব্যয়

    এই পরিসংখ্যানগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে, যা কর্মসূচিটির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আরটিআই আবেদনের আর একটি অংশে বিবেক জানতে চেয়েছিলেন, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে প্রিন্ট, টেলিভিশন, রেডিও এবং ইন্টারনেট-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ‘মন কি বাত’ প্রচারে সরকার কত টাকা ব্যয় করেছে (Mann Ki Baat)।এর উত্তরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধীন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ব্যুরো জানায়, “জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ‘মন কি বাত’-এর বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যয়ের পরিমাণ শূন্য।” অর্থাৎ, এই কর্মসূচির প্রচারে কোনও মাধ্যমেই কোনও অর্থই খরচ করা হয়নি (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, এই তথ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে, সেটি হল মন কি বাত শুধু লাখ লাখ মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী একটি সরকারি কর্মসূচিই নয়, এটি বিজ্ঞাপনের কোনও খরচ ছাড়াই লাভজনকও। এই কর্মসূচি কেবল যোগাযোগের মাধ্যমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও আর্থিক প্রভাবসম্পন্ন সম্প্রচার কর্মসূচির স্বীকৃতি পেয়েছে (PM Modi)।

     

  • PM Modi: “বিশ্ব আজ ভারতের দিকে বড় প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “বিশ্ব আজ ভারতের দিকে বড় প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিশ্ব আজ ভারতের দিকে বড় প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে। এর প্রধান কারণ দেশের তরুণ প্রজন্ম, যারা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে উন্নয়নের গতি বাড়াচ্ছে, পাশাপাশি ভারতের সাংস্কৃতিক শেকড়কেও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।” নাগাড়ে কথাগুলি বলে চললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, তাঁর মন কি বাত-এর ১২৯তম পর্বে (PM Modi)। তিনি এও বলেন, ভারতের তরুণরা সব সময় নতুন কিছু করার প্রতি আগ্রহী এবং একই সঙ্গে তারা সচেতন ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    তরুণদের নিজেদের ভাবনা তুলে ধরার সুযোগের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেকে জানতে চান, কীভাবে তারা তাদের ভাবনার উপস্থাপনা আমার কাছে দিতে পারেন? আমাদের তরুণ বন্ধুদের এই কৌতূহলের সমাধান হল ‘বিকশিত ভারত ইয়াং লিডার্স ডায়ালগ’। গত বছর এই কর্মসূচির প্রথম সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, আর কয়েক দিনের মধ্যেই এর দ্বিতীয় সংস্করণ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, ১২ জানুয়ারি, জাতীয় যুব দিবসে। এই দিনটি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পালিত হয়। আমিও এই কর্মসূচিতে অংশ নেব।” তিনি বলেন, এই আলোচনা চলাকালীন যুবসমাজ উদ্ভাবন, ফিটনেস, স্টার্টআপ এবং কৃষি, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে নিজেদের ভাবনা ও মতামত ভাগ করে নেবে। এই উদ্যোগে তরুণদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ দেখে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশও করেন।

    পিচ প্রতিযোগিতা

    তিনি বলেন, “কয়েক দিন আগে এ সংক্রান্ত একটি পিচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে ৫০ লাখেরও বেশি তরুণ অংশগ্রহণ করেছিল। পাশাপাশি একটি প্রবন্ধ প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়, যেখানে পড়ুয়ারা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মত প্রকাশ করে। এই প্রতিযোগিতায় তামিলনাড়ু প্রথম স্থান এবং উত্তরপ্রদেশ দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে (PM Modi)।” তিনি আরও বলেন, “দেশের যুবসমাজ তাদের প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য নতুন নতুন সুযোগ পাচ্ছে। এমন বহু প্ল্যাটফর্ম গড়ে উঠছে, যেখানে তরুণরা তাদের দক্ষতা ও আগ্রহ তুলে ধরতে পারছে।” প্রধানমন্ত্রী মোদি এ মাসের শুরুতে সমাপ্ত হওয়া ‘স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথন ২০২৫’-এর কথাও উল্লেখ করেন।

    বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধান

    তিনি বলেন, “এই হ্যাকাথনের সময় পড়ুয়ারা ৮০টিরও বেশি সরকারি দফতরের দেওয়া ২৭০টিরও বেশি সমস্যার ওপর কাজ করেছে। ছাত্ররা বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধান তুলে ধরেছে। উদাহরণস্বরূপ, যানজট সমস্যার ক্ষেত্রে যুবসমাজ ‘স্মার্ট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট’-সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছে (PM Modi)।” তিনি জানান, আর্থিক জালিয়াতি ও ডিজিটাল গ্রেফতারের মতো সমস্যার মোকাবিলায়ও যুবসমাজ

    তরুণ কৃষি খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সমাধানে

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেক তরুণ কৃষি খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সমাধানে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল। বন্ধুরা, গত ৭ থেকে ৮ বছরে ‘স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথন’-এ ১৩ লক্ষেরও বেশি ছাত্রছাত্রী এবং ৬,০০০-এর বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। যুবসমাজ শত শত সমস্যার যথাযথ সমাধান দিয়েছে। এ ধরনের হ্যাকাথন নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হয়। আমি আমার তরুণ বন্ধুদের আহ্বান জানাই, তারা যেন অবশ্যই এই হ্যাকাথনগুলিতে অংশ নেয় (PM Modi)।”

    প্রযুক্তিনির্ভর জীবন

    জীবন ক্রমশ প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে, এ কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কখনও কখনও মানুষ উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে রোবট হয়তো মানুষের জায়গা নিয়ে নেবে। এই দ্রুত পরিবর্তনশীল সময়ে মানব উন্নয়নের জন্য নিজেদের শেকড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম নিজেদের সংস্কৃতির শেকড়কে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে রেখেছে।” তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স (আইআইএসসি)-এর উদাহরণ দিয়ে বলেন, “নতুন চিন্তাভাবনা ও নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে—বন্ধুরা, আপনারা নিশ্চয়ই ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের কথা শুনেছেন। গবেষণা ও উদ্ভাবনই এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈশিষ্ট্য।” তিনি মনে করিয়ে দেন, কীভাবে ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা ও গবেষণার মধ্যেও সঙ্গীতের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন।

    সঙ্গীত ক্লাসের সূচনা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কয়েক বছর আগে সেখানে কিছু ছাত্রছাত্রী অনুভব করেছিলেন যে পড়াশোনা ও গবেষণার পাশাপাশি সঙ্গীতেরও একটি জায়গা থাকা উচিত। সেখান থেকেই একটি ছোট সঙ্গীত ক্লাসের সূচনা হয়। না ছিল বড় মঞ্চ, না ছিল বড় বাজেট। ধীরে ধীরে এই উদ্যোগ বড় হয়ে ওঠে, আর আজ আমরা একে ‘গীতাঞ্জলি আইআইএসসি’ নামে চিনি। এখন এটি আর শুধু একটি ক্লাস নয়, বরং ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (PM Modi)।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে গীতাঞ্জলি আইআইএসসিতে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, লোকসঙ্গীত ও অন্যান্য শাস্ত্রীয় ধারার চর্চা হয়, যেখানে ছাত্রছাত্রী, অধ্যাপক এবং তাঁদের পরিবার এক সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। তিনি জানান, এর সঙ্গে যুক্ত মানুষের সংখ্যা এখন ২০০-এরও বেশি, এবং যাঁরা বিদেশে চলে গিয়েছেন, তাঁরাও অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত থেকে এই উদ্যোগের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংস্কৃতির শেকড়ে যুক্ত থাকার এই প্রচেষ্টা শুধু ভারতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়রাও তাঁদের ঐতিহ্য সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। দুবাইয়ে বসবাসকারী কন্নড় পরিবারগুলির উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “সেখানে থাকা পরিবারগুলি নিজেদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছিলেন, আমাদের সন্তানরা প্রযুক্তির দুনিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তারা কি তাদের ভাষা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে না? এখান থেকেই ‘কন্নড় পাঠশালা’র জন্ম। এটি এমন একটি উদ্যোগ, যেখানে শিশুদের কন্নড় ভাষায় পড়া, লেখা, শেখা ও কথা বলা শেখানো হয়। আজ এর সঙ্গে এক হাজারেরও বেশি শিশু যুক্ত রয়েছে (PM Modi)।”

  • PM Modi: ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ‘বন্দেমাতরম’ স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ‘বন্দেমাতরম’ স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দেশবাসীকে ছট পুজোর বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, এই পুজো শুধু আধ্যাত্মিক পুজোই নয়, একই সঙ্গে প্রকৃতি, সংস্কৃতি এবং সমাজের ঐক্যকে প্রতিফলিত করে। ১২৭তম ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠানে ‘বন্দেমাতরম’ সার্ধশতবর্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের উল্লেখ করে দেশবাসীকে আগামী দিনগুলিকে স্মরণ করার কথা মনে করিয়ে দেন। অপারেশন সিঁদুর এবং নকশাল বিরোধী অভিযান বা অপারেশন কাগারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য নিয়েও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি।

    রান ফর ইউনিটি (PM Modi)

    লৌহমানব শ্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁকেও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এ বছর ৩১শে অক্টোবর গুজরাটে নর্মদাতটে সামরিক কুচকাওয়াজ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা মনে (Mann Ki Baat) করিয়ে দেন তিনি। বলেন, “আমি আপনাদের সকলকে ৩১ অক্টোবর দেশজুড়ে আয়োজিত “রান ফর ইউনিটি বা একতায় দৌড়”-এ অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। তবে কেবল একা নয়, অন্যদের সঙ্গে নিয়ে অংশগ্রহণ করুন। দেশের রাষ্ট্রীয় একতার প্রতীক বল্লভভাই প্যাটেল।”

    ১৫০ বছরে বন্দেমাতম

    এদিনের ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে মনের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও বলেন, “ভারতীয় রাষ্ট্রীয় সঙ্গীত ‘বন্দেমাতরম’ গানটি সার্ধশতবর্ষে পদার্পণ (Mann Ki Baat) করেছে। স্বাধীনতা আন্দোলন এবং তার পরবর্তী সময়ে এই গানের গুরুত্ব অপরিসীম। আজ থেকে ১৫০ বছর আগে ৭ নভেম্বর, ১৮৭৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচনা করেছিলেন এই গান। ১৮৮২ সালে আনন্দমঠ উপন্যাসে স্থান পায় এই গানটি। ১৪০ কোটি মানুষকে একত্রিত করে বন্দেমাতরম গান। তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধা জানাই।” তিনি বলেন, “ভারতীয় সভ্যতার ভিত্তি বেদ। সেখানে পৃথিবী মাতা এবং আমি তাঁর সন্তান এই অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘বন্দেমাতরম’ লিখে মাতৃভূমি এবং তাঁর সন্তানদের মধ্যে একই সম্পর্ককে একটি মন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) একইভাবে স্বাধীনতা সংগ্রামী বিসরা মুন্ডা এবং ভারতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য তাঁর লড়াইয়ের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, “আগামী ১৫ নভেম্বর ‘জনজাতীয় গৌরব দিবসে’র সময় সকলেই এই ভারতমাতার বীর পুত্রের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করব।”

LinkedIn
Share