Tag: Manoj Tigga

  • BJP: বাংলায় সুনীল বনসলই, তিন সহ-পর্যবেক্ষক নিয়ে নতুন পদ্ম-দল

    BJP: বাংলায় সুনীল বনসলই, তিন সহ-পর্যবেক্ষক নিয়ে নতুন পদ্ম-দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সংগঠন সামলানোর দায়িত্বে সুনীল বনসলকেই (Sunil Bansal) রেখে দিলেন বিজেপির (BJP) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বুধবার দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নতুন পর্যবেক্ষক ও সহ-পর্যবেক্ষকদের নাম ঘোষণা করেন। সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক হিসেবে নাম রয়েছে বনসলের। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক করা হয়েছে লাল সিংহ আর্য, রাজেন্দ্র সিংহ এবং পিঙ্কি কুশওয়াহাকে। বিজেপির সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসে একাধিক রাজ্যে নতুন দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও পশ্চিমবঙ্গ এবং তেলঙ্গানায় বনসলের দায়িত্ব বহাল রাখা হয়েছে। তেলঙ্গানাতেও তাঁর সঙ্গে নতুন করে দুই সহ-পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

    তিন সহ-পর্যবেক্ষক নিয়ে বাংলায় বনসলের দল (BJP)

    পশ্চিমবঙ্গে সংগঠন পরিচালনায় বনসলকে সাহায্য করবেন লাল সিংহ আর্য, রাজেন্দ্র সিংহ এবং পিঙ্কি কুশওয়াহা। বিজেপির প্রকাশিত তালিকাতেও এই তিনজনের নাম পশ্চিমবঙ্গের সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে।

    বিজেপির সাংগঠনিক দায়িত্বে বনসলের সঙ্গে নতুন তিন নেতাকে যুক্ত করার মাধ্যমে রাজ্য সংগঠনের কাজ আরও ভাগ করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং নির্বাচনী প্রস্তুতিতে এই দল কাজ করবে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।

    পড়শি রাজ্য অসমের দায়িত্বেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। অসমের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে মঙ্গল পাণ্ডেকে। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকছেন ফাংনন কোন্যাক এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা।

    স্মৃতি ইরানি, রাম মাধবদেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব

    সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসে একাধিক প্রবীণ ও পরিচিত নেতাকে বিভিন্ন রাজ্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিকে হরিয়ানা ও ছত্তিশগড়ের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব পেয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন জগদীশ পটেল, মেধা কুলকার্নি, প্রদীপ বর্মা এবং অনন্ত ওঝা।

    দিল্লির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিনয় সহস্রবুদ্ধেকে। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হয়েছেন জামিয়াং সেরিং নামগিয়াল এবং দর্শনা জারদোস। মহারাষ্ট্রের পর্যবেক্ষক হয়েছেন বৈজয়ন্ত জয় পাণ্ডা। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন অমিত মালব্য, সদানন্দ শেঠ তানাওয়াড়ে এবং কমলজিৎ সেহরাওয়াত।

    দক্ষিণ ভারতে তামিলনাড়ু ও উত্তরাখণ্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাম মাধবকে। তামিলনাড়ুতে তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছেন নির্মল কুমার সুরানা এবং ডি কে অরুণা। উত্তরাখণ্ডে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অরবিন্দ মেনন ও বাঁসুরি স্বরাজ।

    সিকিমের দায়িত্বে দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্ত

    দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তকে সিকিমের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। বিজেপির এই সিদ্ধান্তের কথা সিকিমের দলীয় নেতৃত্বও জানিয়েছেন। মধ্যপ্রদেশের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে। বিজেপির প্রকাশিত তালিকায় ওড়িশার দায়িত্বে ডি পুরন্দেশ্বরী এবং গুজরাতের দায়িত্বে তরুণ চুঘের নামও রয়েছে (BJP)।

    কেন্দ্রীয় প্রচার ও সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বে রদবদল

    রাজ্যভিত্তিক সাংগঠনিক দায়িত্বের পাশাপাশি দলের সংবাদমাধ্যম ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও পরিবর্তন করা হয়েছে। অনিল বালুনিকে দলের যোগাযোগ বিভাগের সমন্বয়কারী করা হয়েছে। এই বিভাগের অধীনে থাকবে জাতীয় সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কাজ। আশিস ঊষা আগরওয়ালকে জাতীয় সংবাদমাধ্যম বিভাগের আহ্বায়ক করা হয়েছে।

    বিজেপির এই নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ২০২৭ সালের একাধিক বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলেই দাবি পদ্ম শিবির সূত্রের। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, উত্তরাখণ্ড-সহ একাধিক রাজ্যে আগামী নির্বাচনী প্রস্তুতিকে সামনে রেখেই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গে বনসলকে (Sunil Bansal) বহাল রাখার সঙ্গে তিন নতুন সহ-পর্যবেক্ষক যুক্ত হওয়ায় রাজ্য সংগঠনের দায়িত্বে একটি সম্প্রসারিত কাঠামো তৈরি হল। ২০২২ সালে পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বনসল রাজ্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এবারও তাঁকেই দায়িত্বে রেখে নতুন তিন নেতাকে তাঁর সঙ্গে যুক্ত করলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এক বিজেপি (BJP) নেতার কথায়, “সুনীল বনসল জেলায় জেলায়, এমনকি ব্লক স্তর পর্যন্ত গিয়ে সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করেছেন। তাই তাঁকে ফের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

     

  • BJP: নতুন জাতীয় কমিটিতে বড়সড় রদবদল বিজেপির, বাংলায় গুরুত্ব উত্তরবঙ্গের

    BJP: নতুন জাতীয় কমিটিতে বড়সড় রদবদল বিজেপির, বাংলায় গুরুত্ব উত্তরবঙ্গের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল করল বিজেপি (BJP)। সোমবার দলের নয়া  জাতীয় পদাধিকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে একদিকে যেমন একাধিক অভিজ্ঞ নেতাকে তাঁদের পুরনো দায়িত্বেই রাখা হয়েছে, তেমনই অন্যদিকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে জায়গা দেওয়া হয়েছে নতুন মুখকে। বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুই নেতার অন্তর্ভুক্তি (New National Committee)। জাতীয় সহ-সভাপতি পদে জায়গা পেয়েছেন মধুছন্দা কর এবং জাতীয় সম্পাদক করা হয়েছে আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে। ফলে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাংলার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গও বিশেষ গুরুত্ব পেল বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    নয়া কমিটিতে কারা (BJP)

    নতুন কমিটি ঘোষণা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সোমবার থেকেই নতুন কমিটি দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করেছে। আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা, রাজ্যগুলিতে সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের প্রভাব বাড়ানোই নতুন কমিটির অন্যতম লক্ষ্য বলেই অনুমান। নতুন তালিকায় জাতীয় সহ-সভাপতি পদে একাধিক পুরনো মুখকে বহাল রাখা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া, তীর্থ সিং রাওয়াত, রাম মাধব, বৈজয়ন্ত জয় পাণ্ডা, ডি. পুরানদ্বেশ্বরী, রেখা বর্মা, বর্ষাবেন নরেন্দ্রভাই জোশী, ভারতী প্রবীণ পাওয়ার, মনপ্রীত সিং বাদল, লাল সিং আর্য, এম নাগরাজ এবং তারিক মনসুর। এই তালিকায়ই নতুন করে জায়গা পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মধুছন্দা। জাতীয় সহ-সভাপতিদের তালিকায় মোট ১৩ জনের মধ্যে পাঁচ জন মহিলা রয়েছেন। ফলে সংগঠনের শীর্ষস্তরে মহিলা নেতৃত্বকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার বার্তাও এই তালিকা থেকে স্পষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মধুছন্দার অন্তর্ভুক্তি রাজ্য সংগঠনের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    বাংলার প্রতিনিধিত্ব

    জাতীয় সম্পাদক পদেও বাংলার প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজকে জাতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের এই বিজেপি নেতার সর্বভারতীয় সংগঠনে অন্তর্ভুক্তি আগামী দিনে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক গুরুত্ব আরও বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই উত্তরবঙ্গকে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে তুলে ধরা হয়। সেই অঞ্চলের এক সাংসদকে জাতীয় স্তরের সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়ার ফলে উত্তরবঙ্গে দলীয় সংগঠন আরও সক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা (BJP)। জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে রাখা হয়েছে। বিনোদ তাওড়ে, সুনীল বনশল, বিপ্লব কুমার দেব, স্মৃতি ইরানি, সতীশ পুনিয়া, গজেন্দ্র প্যাটেল, হরিশ দ্বিবেদী এবং সঞ্জয় ভাটিয়া এই পদে থাকছেন। আট জন জাতীয় সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে একমাত্র মহিলা হিসেবে জায়গা পেয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। তাঁর অন্তর্ভুক্তি নতুন কমিটির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক। এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় তাঁকে জাতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হল।

    জাতীয় সাধারণ সম্পাদক

    জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিএল সন্তোষকেও বহাল রাখা হয়েছে। সংগঠনের ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের ভূমিকার উপর দল যে আস্থা রাখছে, নতুন তালিকায়ও তার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। জাতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিবপ্রকাশ ও সওদান সিংকে (New National Committee)। জাতীয় সম্পাদকদের তালিকায়ও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম রয়েছে। কবিতা পাটিদার, কে সুরেন্দ্রন, ভোলা সিং, প্রদীপ বর্মা, জগদীশ ঈশ্বরভাই প্যাটেল, সন্দীপ পাঠক, ফ্যাংনন কোন্যাক, সঙ্গীতা যাদব, অনিল অ্যান্টনি, এম ভেঙ্কটেশন, মনোজ টিগ্গা, সিদ্ধার্থ শম্ভু, স্বদেশ সিং, মৃগাঙ্ক দেব বর্মন, রোহন গুপ্ত এবং জয় প্রকাশকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায়ও বিভিন্ন রাজ্য ও সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব রাখার চেষ্টা করা হয়েছে (BJP)। দলের আর্থিক কাঠামোয়ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে জাতীয় কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর সহকারী হিসেবে জাতীয় যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ পদে রাজেশ মঙ্গলকে রাখা হয়েছে। পীযূষের মতো অভিজ্ঞ নেতাকে দলের আর্থিক দায়িত্বে আনা নতুন কমিটির অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত।

    কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্বেও পরিবর্তন

    কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্বেও পরিবর্তন হয়েছে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকছেন তরুণ চুগ। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সম্পাদক করা হয়েছে মহেন্দ্র পাণ্ডেকে। উত্তর-পূর্ব ভারতের সংগঠনের ক্ষেত্রেও পৃথক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন সম্বিত পাত্র এবং যুগ্ম সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন রাজীব বব্বর। দলের বিভিন্ন শাখায়ও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যুব মোর্চার সভাপতি হয়েছেন হেমাঙ্গ যোশী। মহিলা মোর্চার দায়িত্ব পেয়েছেন রূপকুমারী চৌধুরি। অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির মোর্চার দায়িত্বে রয়েছেন অমরপাল মৌর্য। কৃষক মোর্চার সভাপতি হয়েছেন বংশীলাল গুর্জর। তফশিলি জাতি মোর্চার দায়িত্ব পেয়েছেন শিবেশ কুমার রাম এবং তফশিলি জনজাতি মোর্চার সভাপতি হয়েছেন মান্নালাল রাওয়াত। সংখ্যালঘু মোর্চার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুঁওয়ার বাসিত আলিকে। গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়া পরিচালনার ক্ষেত্রেও নতুন দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। গণমাধ্যম আহ্বায়ক হয়েছেন অনিল বলুনি। সহ-আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন আশিস ঊষা আগরওয়াল, প্রদীপ ভাণ্ডারী এবং সিদ্ধার্থ যাদব। সোশ্যাল মিডিয়ার আহ্বায়ক করা হয়েছে দীপক মাসকেকে। সহ-আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন প্রীতি গান্ধী, শিবানন্দ দ্বিবেদী, অলোক ভাট এবং অরুণ যাদব।

    ভারসাম্য রাখার চেষ্টা

    সব মিলিয়ে নতুন জাতীয় কমিটিতে অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের মধ্যে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব (New National Committee)। পুরনো মুখের উপর আস্থা রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্য, মহিলা নেতৃত্ব এবং সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে মধুছন্দা এবং মনোজের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মনোজের জাতীয় সম্পাদক হওয়া উত্তরবঙ্গের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (BJP)। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এখনও দূরে। কিন্তু তার আগেই জাতীয় স্তরে সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিজেপি। নতুন কমিটির দায়িত্ব বণ্টন থেকে স্পষ্ট, রাজ্যভিত্তিক সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার পাশাপাশি মহিলা, যুব, কৃষক, অনগ্রসর শ্রেণি, তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে দলের সাংগঠনিক উপস্থিতি বাড়ানোর উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও নতুন দুই মুখকে জাতীয় দায়িত্ব দিয়ে (New National Committee) রাজ্যে দলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়েছে পদ্ম-শিবির (BJP)।

     

LinkedIn
Share