Tag: Maritime security

  • PM Modi: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নবিষয়ক সম্মান ‘গার্ডিয়ান অফ দ্য ব্লু হোরাইজনে’ (Guardian of the Blue Horizon) ভূষিত হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসে (Seychelles) তাঁর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দ্বীপরাষ্ট্রের তরফে এই সম্মান দেওয়া হয় তাঁকে। এই পুরস্কার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর টেকসই উন্নয়ন, সবুজ অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সমুদ্রসম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহারে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়েছে। সেশেলসের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির আমন্ত্রণে সে দেশে গিয়েছেন তিনি।

    মোদির নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা (PM Modi)

    সেশেলসের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক শংসাপত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদির টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা, ব্লু ইকোনমি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে তাঁর নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলির (Small Island Developing States) উন্নয়ন-আকাঙ্ক্ষার প্রতি ভারতের সমর্থন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ, উদ্ভাবন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমুদ্রসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় তাঁর উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত এবং সেশেলসের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং শান্তি-সমৃদ্ধির অভিন্ন অঙ্গীকার আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানেরও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মান পেলেন মোদি

    এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঝুলিতে যুক্ত হওয়া আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মান। গত মে মাসে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি সংস্কার এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে অবদানের জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) তাঁকে এগ্রিকোলা মেডেল (Agricola Medal) দেয়। ২০১৮ সালে তিনি সিওল পিস প্রাইজ (Seoul Peace Prize) পান। ওই বছরই রাষ্ট্রসঙ্ঘের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান চ্যাম্পিয়নস অফ দ্য আর্থ অ্যাওয়ার্ডে (Champions of the Earth Award) ভূষিত হন। প্রসঙ্গত, ২৭ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত চলা এই রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী ভারত ও সেশেলসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে একাধিক বৈঠক করছেন। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা এবং ভারতের ‘ভিশন সাগর’ (Vision SAGAR) উদ্যোগ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি (Seychelles) আলোচনার ফোকাসে রয়েছে।

    সেশেলসকে উপহার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    চলতি সফরে প্রধানমন্ত্রী সেশেলসের প্রেসিডেন্টের হাতে ভারতের তৈরি অত্যাধুনিক ফাস্ট প্যাট্রোল ভেসেল পিএস লেপসওয়্যার (Fast Patrol Vessel PS Lespwar), ছ’টি ফোর্স অ্যাম্বুলেন্স, ১০টি ইউটিলিটি গাড়ি এবং পাঁচটি লেজার রেডিয়াল নৌকা তুলে দেন। এই উদ্যোগকে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এদিকে, সেশেলসের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপনে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর একটি কুচকাওয়াজ দল (Seychelles) এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজও অংশগ্রহণ করছে (PM Modi)।

     

  • PM Modi: মোদির সফরে নয়া মাত্রা পাবে ভারত-সেশেলস সম্পর্ক, পর্যটন-সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    PM Modi: মোদির সফরে নয়া মাত্রা পাবে ভারত-সেশেলস সম্পর্ক, পর্যটন-সামুদ্রিক নিরাপত্তায় একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলসে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর দুদিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরকে ঘিরে আশাবাদী পূর্ব আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলস। দেশটির বিদেশমন্ত্রী ব্যারি ফাউরে (Barry Faure) জানিয়েছেন, এই (Cyber Security Pacts) সফরের মাধ্যমে ভারত ও সেশেলসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং পর্যটন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, মহাকাশ, সাইবার নিরাপত্তা ও আইনি সহযোগিতা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সেশেলসের বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    ২৭ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির (Patrick Herminie) আমন্ত্রণে তিনি সে দেশের জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফাউরে বলেন, “বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলেই আশা। শুধু সামুদ্রিক নিরাপত্তাই নয়, মহাকাশ সহযোগিতা, সাইবার নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক আইনি সাহায্যের মতো নতুন ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।” তিনি জানান, ভারত ও সেশেলসের মধ্যে বাণিজ্য এবং পর্যটনের ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। সেশেলসের প্রাকৃতিক সম্পদ ও রফতানি সক্ষমতা যেমন ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভারতের বিশাল পর্যটন বাজার ও ভোক্তা অর্থনীতিও সেশেলসের জন্য নয়া সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে (PM Modi)।

    মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা

    পর্যটনকে সেশেলসের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি উল্লেখ করে ফাউরে জানান, দেশটির মোট ডিডিপির(GDP) প্রায় ৩০ শতাংশই পর্যটন শিল্প থেকে আসে। বর্তমানে ভারতের মুম্বই থেকে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট চালাচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে দিল্লি-সহ ভারতের আরও বিভিন্ন শহর থেকে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর বিষয়েও আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবের কারণে তাঁর এই সফর সেশেলসকে বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে আরও বেশি পরিচিত করে তুলবে। আমরা আশা করছি, ভারত থেকে পর্যটকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে (PM Modi)।”

    বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র

    সেশেলসের বিদেশমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণ চালুর বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির ভারত সফরের সময় এই উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল। এই যোগাযোগ চালু হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল হবে বলেই আশা সংশ্লিষ্টমহলের (Cyber Security Pacts)। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান কৌশলগত পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ফাউরে জানান, এই অঞ্চল এখন বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রত্যাশিতভাবেই জলদস্যুদের উপদ্রব এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিও ক্রমশ বাড়ছে।

    জলদস্যুদের উপদ্রব

    তিনি বলেন, “অতীতে আমরা জলদস্যুদের উপদ্রবের জেরে ব্যাপক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। এখনও হরমুজ প্রণালী, ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরের বিভিন্ন ঘটনাবলি সরাসরি সেশেলসের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ভারত-সেশেলসের মধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারত (PM Modi) মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, পর্যটন, সংযোগ ব্যবস্থা এবং (Cyber Security Pacts) সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারিত্ব পৌঁছতে পারে নয়া উচ্চতায়।

     

  • PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সমুদ্রভিত্তিক সক্ষমতা ছাড়া কোনও দেশ কখনও মহাশক্তিধর হয়ে উঠতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর কথায়, “উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি—এই তিনটি ক্ষেত্রই সমুদ্রের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত (Maritime Co-operation)।” রবিবার কলকাতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য নির্মিত তিনটি অত্যাধুনিক দেশীয় যুদ্ধজাহাজ—আইএনএস দুনাগিরি (INS Dunagiri), আইএনএস সংশোধক (INS Sanshodhak) এবং আইএনএস আগ্রয় (INS Agray)-এর কমিশনিং অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    ভারতের দৃষ্টিতে সমুদ্র (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত বরাবরই সমুদ্রকে সহযোগিতার মাধ্যম হিসেবে দেখেছে। তবে শান্তি রক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও সমানভাবে জরুরি।” তাঁর মতে, সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হল নিরাপত্তা এবং আত্মনির্ভরতা ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি। এই ভাবনার প্রতীক হিসেবেই তিনটি নতুন যুদ্ধজাহাজ ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর আগে কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে এসে যোগ দেন এই কমিশনিং অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ভারতের নবজাগরণ ও চিন্তাধারাকে নতুন দিশা দিয়েছে এবং সমুদ্রপথে ভারতকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে।”

    বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস

    তিনি মনে করিয়ে দেন, ২১ জুন বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস হিসেবেও পালিত হয়। এমন দিনে ভারতের অন্যতম আধুনিক হাইড্রোগ্রাফিক জাহাজ আইএনএস সংশোধককে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথেই হয়। আন্তর্জাতিক তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ ডেটা নেটওয়ার্কও সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বিস্তৃত। ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, গভীর সমুদ্রের সম্পদ এবং নতুন শক্তির উৎসও সমুদ্রকেন্দ্রিক হবে। ফলে যে দেশ সমুদ্রশক্তিতে এগিয়ে থাকবে, তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাবও তত বেশি হবে (PM Modi)।

    আত্মনির্ভর ভারতের পথে আরও একধাপ

    তিনি বলেন, “ভারত ইতিমধ্যেই নিজের নৌ-ক্ষমতা বৃদ্ধির পথে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আইএনএস বিক্রান্তকে দেশের উদ্দেশে উৎসর্গ করার মাধ্যমে ভারতের সামুদ্রিক শক্তির নয়া অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। সেই যাত্রার ধারাবাহিকতায় আইএনএস আগ্রয়, আইএনএস দুনাগিরি এবং আইএনএস সংশোধক ভারতকে আরও আত্মনির্ভর এবং শক্তিশালী করে তুলবে।” জানা গিয়েছে (Maritime Co-operation), ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ নকশা ব্যুরো এবং কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের তৈরি এই তিন জাহাজ সমুদ্রযুদ্ধ, হাইড্রোগ্রাফিক সমীক্ষা এবং সাবমেরিন-বিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশীয় প্রযুক্তি ও উৎপাদন ক্ষমতার কংক্রিট উদাহরণই হল এই তিন জাহাজ (PM Modi)।

     

  • Indian Seafarers Dead: হরমুজ প্রণালীর কাছে হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু, শোক প্রকাশ কেন্দ্রের, পাশে থাকার বার্তা সোনোয়ালের

    Indian Seafarers Dead: হরমুজ প্রণালীর কাছে হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু, শোক প্রকাশ কেন্দ্রের, পাশে থাকার বার্তা সোনোয়ালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার জন্য কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি মৃতদেহ ভারতে নিয়ে আসার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালীর কাছে পালাউ-ফ্ল্যাগযুক্ত বাণিজ্যিক জাহাজ এমটি সেট্টেবেলোতে হামলার ঘটনায় (Settebello Tragedy) নিহত হন ওই তিন ভারতীয় নাবিক।

    সর্বানন্দ সোনোয়ালের বক্তব্য (Indian Seafarers Dead)

    বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে সোনোয়াল জানান, প্রথমে নিখোঁজ হিসেবে চিহ্নিত তিন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে এবং তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ঘটনা ভারতের সামুদ্রিক সম্প্রদায়ের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। সোনোয়াল জানান, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দ্রুত উদ্ধার হওয়া নাবিকদের ভারতে ফিরিয়ে আনা এবং মৃতদের মরদেহ তাঁদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে যথাযথভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা যায়। জানা গিয়েছে, হামলার সময় এমটি সেট্টেবেলো জাহাজে মোট ২৪ জন ভারতীয় নাবিক কর্মরত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বাকি তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবারে।

    মৃত নাবিকদের পরিবারে কান্নার রোল

    উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলার বাসিন্দা নিহত নাবিক শিবানন্দ চৌরাসিয়ার বাড়িতে কান্নার রোল। মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হতেই পরিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। শিবানন্দের ভগ্নিপতি সঞ্জয় চৌরাসিয়া জানান, ঘটনার আগের সন্ধ্যায়ই তাঁর সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল। তখন তিনি ইরানের একটি জাহাজে থাকার কথা বললেও, কোনও বিপদের কথা জানাননি। শিবানন্দের বাবা রামজি চৌরাসিয়া বলেন, “শেষবার রাত ৯টার দিকে কথা হয়েছিল এবং ছেলে জানিয়েছিল সব কিছু ঠিক আছে। পরে খবর আসে জাহাজে বোমা হামলা হয়েছে।” প্রতিবেশীদের দাবি, শিবানন্দই ছিলেন চৌরাসিয়া পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। তাঁর আয়েই ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছিল ওই পরিবারের আর্থিক অবস্থার।

    উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের

    এদিকে, ফরওয়ার্ড সিম্যানস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়ার সাধারণ সম্পাদক মনোজ যাদব জানিয়েছেন, হামলার পর থেকেই জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তখনই ঘটনার বিস্তারিত তথ্যও যাচাই করা হয় (Settebello Tragedy)।অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করবে, ফেলবে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব। এতে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে উন্নয়নশীল দেশগুলিই। তিনি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছিল, ওমানের উপকূলের কাছে এমটি সেট্টেবেলো জাহাজে হামলার ঘটনায় তারা নজর রাখছে, এবং ওমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে উদ্ধার অভিযানের তদারকি করছে। এই ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে ভারত সরকার। শুধু তা-ই নয়, জোর দিয়েছে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর (Settebello Tragedy)।

     

  • Indian Navy Modernisation: প্রতি ৪০ দিনে নতুন যুদ্ধজাহাজ কমিশন বাহিনীতে! নজিরবিহীন গতিতে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা

    Indian Navy Modernisation: প্রতি ৪০ দিনে নতুন যুদ্ধজাহাজ কমিশন বাহিনীতে! নজিরবিহীন গতিতে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌবাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণ কর্মসূচির ঘোষণা করলেন ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎস্যায়ন (Sanjay Vatsayan)। আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে ৪৫টি নতুন যুদ্ধজাহাজ ও সহায়ক জাহাজ কেনার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী। পাশাপাশি আগামীদিনে আরও ১৯৫টি অতিরিক্ত জাহাজ নির্মাণ ও অধিগ্রহণের অনুমোদনও মিলেছে। এর মাধ্যমে ২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ১৭৫ থেকে ২০০-তে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি, কলকাতায় গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (Garden Reach Shipbuilders & Engineers)-এর কারখানায় ভারতের প্রথম নেক্সট জেনারেশন অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল (NGOPV) ‘সঙ্ঘমিত্রা’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চিফ অফ নেভাল স্টাফ বা নৌসেনা উপপ্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় ভাটসায়ন। সেখানেই তিনি নৌবাহিনীর এই বৃহৎ আধুনিকীকরণ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন।

    চলতি বছর ১৯টি নতুন জাহাজ কমিশন

    বর্তমানে দেশের ছয়টি জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্রে ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য মোট ৫৪টি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের কাজ চলছে। শুধু চলতি বছরেই ১৯টি নতুন জাহাজ কমিশন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, যা ভারতীয় নৌবাহিনীর ইতিহাসে এক বছরে সর্বাধিক সংযোজন। ২০২৭ সালেও আরও ১৩টি জাহাজ সরবরাহ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল ইতিমধ্যেই প্রায় ২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকার ৭৪টি অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজের জন্য প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬৫টি সারফেস শিপ এবং ৯টি সাবমেরিন। ভারতের এই সমগ্র নৌ-আধুনিকীকরণ কর্মসূচি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রায় ৯৯,৫০০ কোটি টাকার চুক্তির মাধ্যমে দেশীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ভবিষ্যতের সমস্ত যুদ্ধজাহাজ দেশেই তৈরি হবে বলে জানানো হয়েছে। রাশিয়া থেকে নির্মিত শেষ বিদেশি যুদ্ধজাহাজ আইএনএস তমাল (INS Tamal) ২০২৫ সালের জুলাইয়ে কমিশন হওয়ার পর বিদেশ নির্ভরতা পুরোপুরি বন্ধ হবে।

    প্রতি ৪০ দিনে একটি নতুন জাহাজ কমিশন

    নতুন প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে নীলগিরি শ্রেণির স্টেলথ ফ্রিগেট, ১১ হাজার টন ওজনের নেক্সট জেনারেশন ডেস্ট্রয়ার, অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার ভেসেল এবং আধুনিক প্যাট্রোল জাহাজ। বর্তমানে গড়ে প্রতি ৪০ দিনে একটি করে নতুন জাহাজ কমিশন করছে ভারতীয় নৌবাহিনী, যা দেশের সামরিক ইতিহাসে নজিরবিহীন। ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎস্যায়ন বলেন, ভারতীয় নৌবাহিনী এখন শুধু যুদ্ধ প্রস্তুত বাহিনী নয়, বরং সমুদ্র নিরাপত্তা, কৌশলগত উপস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাঁর কথায়, “এই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে নেক্সট জেনারেশন অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল প্রকল্প অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”

    কোথায় উপযোগী এনজিওপিভি?

    জিআরএসই-র উদ্বোধন করা ‘সঙ্ঘমিত্রা’ হল ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য নির্মীয়মাণ চারটি এনজিওপিভি-র মধ্যে প্রথম জাহাজ। নৌবাহিনীর দাবি, এই এনজিওপিভিগুলি প্রচলিত অফশোর প্যাট্রোল ভেসেলের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও আধুনিক। প্রায় ১১৩ মিটার দীর্ঘ এবং ১৪.৬ মিটার প্রশস্ত এই জাহাজের ডিসপ্লেসমেন্ট প্রায় ৩,০০০ টন। ১৪ নট গতিতে চললে এর অপারেশনাল রেঞ্জ ৮,৫০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৩ নট। মাত্র চার মিটার ড্রাফটের (জলের নিচে থাকা অংশ) কারণে উপকূলীয় অগভীর জলেও এই জাহাজ সহজে মোতায়েন করা যাবে।

    কেন কার্যকরী হবে এনজিওপিভি?

    অফশোর সম্পদের সুরক্ষা, সামুদ্রিক নজরদারি, মাইন ওয়ারফেয়ার, ভিজিট-বোর্ড-সার্চ-সিজার (VBSS) অপারেশন এবং বিশেষ সামরিক অভিযানে এই জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অনুষ্ঠানে ভাইস চিফ গার্ডেনরিচের ভূয়সী প্রশংসা করে জানান, গত আর্থিক বছরে সংস্থাটি ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে মোট আটটি জাহাজ তুলে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক শক্তিকে মোকাবিলা করতেই ভারত এই বৃহৎ নৌ সম্প্রসারণ কর্মসূচিতে জোর দিচ্ছে। অনুমান করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভির যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ৪৩৫-এ পৌঁছে যাবে।

  • Iran: ‘সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফেরাতে পারে ভারত’, আশা ইরানের

    Iran: ‘সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফেরাতে পারে ভারত’, আশা ইরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ চলছে তাতে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের এহেন দাবি খারিজ করে দিয়েছে ইরান (Iran)। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এসব প্রতিবেদন ভিত্তিহীন। ইরানের মতে, বৈশ্বিক তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলতে (India Global Powers) বৃহত্তর একটি কৌশলের অংশ এটি। ভারতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি আবদুল মাজিদ হাকিম এলাহি, বিহারের পাটনায় এক শোকসভায় অংশ নিতে গিয়ে এ কথা বলেন।

    এলাহির সাফ কথা (Iran)

    এলাহি সাফ জানিয়ে দেন, ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় পাকিস্তানের কোনও ভূমিকাই নেই। তিনি বলেন, “ইসলামাবাদের  মধ্যস্থতায় কোনও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হচ্ছে না। কিছু পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দিচ্ছে, যাতে বৈশ্বিক বাজারকে প্রভাবিত করা যায়।” তাঁর মতে, মধ্যস্থতার দাবি বাড়িয়ে বলা হয়েছে। এটি করা হয়েছে  কূটনৈতিক অগ্রগতির একটি ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করতে এবং প্রকৃত আলোচনার অভাব সত্ত্বেও তেলের দাম যাতে স্থিতিশীল রাখা যায়, তা-ই। এলাহির অভিযোগ, পাকিস্তান কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যথেষ্ট আন্তরিক নয়, কেবল একটি প্রতীকী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি বলেন, “আলোচনার যে ধারণা তৈরি করা হয়েছে, তা প্রকৃত অগ্রগতির ভান সৃষ্টি করার জন্য, যদিও বাস্তবে কোনও গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বা আলোচনা চলছে না। আলোচনার প্রস্তুতির যে খবর ঘোষণা করা হচ্ছে, তা বিভ্রান্তিকর। বাস্তব পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করেও এই ঘোষণা করা হচ্ছে না।

    সংঘাতের উৎস

    বর্তমান সংঘাতের উৎস সম্পর্কে এলাহি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। তাঁর মতে, ইরানের যুদ্ধ শুরু করার কোনও ইচ্ছেই ছিল না। তারা আসলে প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হস্তক্ষেপ করার আহ্বানও জানান (Iran), বিশেষ করে হাসপাতাল, স্কুল ও আবাসিক এলাকায় যাতে হামলা বন্ধ করা যায়, সেই জন্য (India Global Powers)। এলাহি বলেন, “যারা এই হামলা শুরু করেছে, তারা থামলে সংঘাতের অবসান সম্ভব।” তাঁর আশা, ভারত-সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশ্বনেতাদের এক সঙ্গে এসে যুদ্ধ শেষ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

    হরমুজ প্রণালীর ওপর জোরদার নিয়ন্ত্রণ

    পশ্চিম এশিয়ার এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে। ফেব্রুয়ারির হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির হত্যার খবর প্রকাশের পর ইরানের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ সঙ্কটকে আরও ঘোরালো করেছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তেলের দামে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে। অথচ, তামাম বিশ্বে জ্বালানি পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ এটি। এই ঘটনায় বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বেড়েছে (India Global Powers)। কারণ এই পথের যে কোনও বিঘ্ন সরাসরি তেল এবং এলপিজি সরবরাহে প্রভাব ফেলে (Iran)।

    হরমুজ প্রণালী পার হচ্ছে ভারতীয় জাহাজ

    যদিও উত্তেজনা জারি থাকা সত্ত্বেও, ইরান জানিয়েছে, অশত্রু মনোভাবাপন্ন দেশগুলির জাহাজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে পারবে, যদি তারা ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এই আশ্বাস আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থাকেও জানানো হয়েছে। বর্তমান সংঘাত ও নৌ-অবরোধের আশঙ্কার মধ্যেও ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলি নিয়মিতভাবে হরমুজ প্রণালী পার হচ্ছে। ‘গ্রিন আশা’ নামের একটি এলপিজি ট্যাঙ্কার সম্প্রতি নিরাপদে প্রণালী পার হয়েছে, যা সংঘাত শুরু হওয়ার পর নবম ভারতীয় জাহাজ। জানা গিয়েছে, এই পথে চলাচলকারী প্রায় ৬০ শতাংশ পণ্যবাহী জাহাজ ইরান থেকে আসছে বা ইরানের দিকে যাচ্ছে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এই অঞ্চলে ভারতের জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

    এসেছে একাধিক এলপিজি ভর্তি জাহাজ

    গ্রিন আশার আগে আরও আটটি ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে এই প্রণালী অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে বিডাব্লু টায়ার এবং বিডাব্লু এলএম নামের এলপিজি জাহাজ প্রায় ৯৪,০০০ টন পণ্য পরিবহণ করেছে। এছাড়াও, পাইন গ্যাস এবং জাক বসন্ত নামের দুটি জাহাজ ২৬ থেকে ২৮ মার্চের মধ্যে মোট ৯২,৬১২ টন এলপিজি বহন করেছে (Iran)। এর আগে এমটি শিবালিক এবং এমটি নন্দাদেবী প্রায় ৯২,৭১২ টন এলপিজি গুজরাটের মুন্দ্রা ও কান্ডলা বন্দরে পৌঁছে দিয়েছে। জাগ লাডকি নামের আর একটি জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ৮০,৮৮৬ টন অপরিশোধিত তেল মুন্দ্রায় নিয়ে এসেছে। আর জাগ প্রকাশ নামের একটি পেট্রোল ভর্তি জাহাজ ওমান থেকে আফ্রিকায় পৌঁছতে গিয়ে নিরাপদে পার হয়েছে হরমুজ প্রণালী (India Global Powers)।

    গ্রিন সনভি নামের আর একটি জাহাজ সম্প্রতি প্রায় ৪৬,৬৫০ মেট্রিক টন এলপিজি বহন করে এই পথ অতিক্রম করেছে। ভারতীয় নৌবাহিনী এই জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করছে। বর্তমানে ভারত ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে তাদের জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারে, যদিও পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি (India Global Powers) এখনও অস্থির রয়েছে (Iran)।

     

  • S Jaishankar: “ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায়”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায়”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান সংঘাতের প্রেক্ষিতে ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকবে।” সোমবার রাজ্যসভায় সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সতর্ক করে (Iran War) দিয়ে তিনি বলেন, “এই সঙ্কটের কারণে বিঘ্ন ঘটতে পারে সরবরাহ শৃঙ্খলে।”

    জয়শঙ্করের বক্তব্য (S Jaishankar)

    বিরোধী সাংসদদের স্লোগানের মধ্যেই সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, সম্প্রতী ওই অঞ্চলে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। এতে জ্বালানি সরবরাহ, নৌ-পথ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, সরকার পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব ভারতের অর্থনীতি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর কী  হতে পারে, তা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমাদের সরকার ২০ ফেব্রুয়ারি একটি বিবৃতি দিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।” জয়শঙ্কর এও বলেন, “উত্তেজনা কমাতে আলোচনা ও কূটনীতির পথই অনুসরণ করা উচিত বলে আমরা এখনও বিশ্বাস করি।” মন্ত্রী বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার স্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি বলেন, “পশ্চিম এশিয়াকে অবশ্যই স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ থাকতে হবে।” তিনি জানান, ভারত তার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।

    জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার

    জয়শঙ্কর বলেন, “ভারতের জাতীয় স্বার্থ—বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং ভারতীয় উপভোক্তাদের কল্যাণ—সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। ওই অঞ্চলে বসবাসকারী ও কর্মরত বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাগরিকের নিরাপত্তা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করাও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।” সংসদে তিনি জানান, ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে প্রায় ৬৭,০০০ ভারতীয় নাগরিক ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। ইরানের অনুরোধে ওই অঞ্চলে তিনটি জাহাজকে ভারতীয় বন্দরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ভারত আইআরআইএস লাভান নামের একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজকে কোচি বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দেয়। ১ মার্চ এই অনুমোদন দেওয়া হয়, জাহাজটি বন্দরে পৌঁছয় ৪ মার্চ (S Jaishankar)।

    ইরানি নৌ-জাহাজ

    এর আগে শনিবার রাইসিনা ডায়ালগে ভাষণ দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেছিলেন, “ভারত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মানবিকতার খাতিরে, কোনও ভূরাজনৈতিক বিবেচনা থেকে নয়। জাহাজটিতে ১৮৩ জন নাবিক ছিলেন, যাঁদের বেশিরভাগই তরুণ ক্যাডেট, এবং যাত্রাপথে জাহাজটির প্রযুক্তিগত একটি সমস্যা দেখা দিয়েছিল (Iran War)।” এই ঘটনার কয়েক দিন পরে ৪ মার্চ ভারত মহাসাগরে আর একটি ইরানি নৌ-জাহাজ আইআরআইএস ডেনা ডুবে যায় একটি মার্কিন সাবমেরিনের হামলায়। এতে ৮০ জনেরও বেশি নাবিক নিহত হন। পরে শ্রীলঙ্কা নেভি প্রায় ৩২ জনকে উদ্ধার করে (S Jaishankar)।

    বিপদের সংকেত

    এই ঘটনাকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, জাহাজটি বিপদের সংকেত পাঠিয়েছিল। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের জন্য ভারত সেখানে আগেই মোতায়েন করেছিল সামুদ্রিক বিভিন্ন সরঞ্জাম, যার মধ্যে ছিল টহলদারি বিমান এবং নৌবাহিনীর জাহাজও। মন্ত্রী বলেন, “লাভান জাহাজটিকে নোঙর করার অনুমতি দেওয়া ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত।” তিনি ফের মনে করিয়ে দেন, “পরিস্থিতির আরও অবনতি রুখতে ভারত সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং কূটনৈতিক (Iran War) আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানিয়ে যাচ্ছে (S Jaishankar)।”

     

  • Maritime Security: ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনকে টেক্কা দিতে সেশেলসের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা মোদির

    Maritime Security: ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনকে টেক্কা দিতে সেশেলসের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পশ্চিম ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (Maritime Security) সহযোগিতা আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দিল ভারত (Indian Ocean Region)। এই লক্ষ্যে সেশেলসের জন্য ১৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার কথাও জানিয়েছে নয়াদিল্লি। অঞ্চলটিতে প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা চলার মধ্যেই এই পদক্ষেপ নিল নরেন্দ্র মোদির দেশ।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (Maritime Security)

    সেশেলসের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণাটি করা হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে মরিশাস ও কোমোরো-সহ এই অঞ্চলের একাধিক দেশের সঙ্গে ভারতের উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির ধারাবাহিকতার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে। একই সময়ে অঞ্চলটিতে বেজিংয়ের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সেশেলসের রাষ্ট্রপতি প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব ভারত–সেশেলস সম্পর্কের একটি শক্তিশালী ভিত্তি। আমাদের সব উদ্যোগ সেশেলসের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে নেওয়া হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা ১৭৫ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করছি। এই প্যাকেজ সামাজিক আবাসন, ই-মোবিলিটি, কারিগরি প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো ক্ষেত্রগুলিতে নির্দিষ্ট প্রকল্পকে সাহায্য করবে।”

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা আমাদের অংশীদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের পূর্ণ সদস্য হিসেবে সেশেলসকে আমরা স্বাগত জানাই। এর ফলে পারস্পরিক সমন্বয় আরও মজবুত হবে এবং ভারত মহাসাগরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা জোরদার হবে (Maritime Security)।” আফ্রিকার এই দ্বীপপুঞ্জ রাষ্ট্রে প্যাট্রিক হারমিনি ২০২৫ সালের অক্টোবরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এটি তাঁর প্রথম সরকারি ভারত সফর। ছ’দিনের এই সফরে তিনি ইতিমধ্যেই চেন্নাই ও মুম্বই সফর করেছেন এবং পরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছন। মঙ্গলবার তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং এরপর আগ্রা সফর শেষে তাঁর দেশে ফিরে যাওয়ার কথা। পশ্চিম ভারত মহাসাগরের একটি (Indian Ocean Region) গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথে অবস্থিত সেশেলস দীর্ঘদিন ধরেই এই অঞ্চলে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তবে গত দু’দশকে চিনও এই অঞ্চলে বড় ধরনের প্রভাব বিস্তার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়াম অ্যান্ড মেরি কলেজের গবেষণা সংস্থা এইডডেটার তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে চিন সেশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়ায় মোট ১৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য পাঠিয়েছে।

    নয়াদিল্লির কৌশল

    সেশেলসে চিনের আর্থিক সহায়তা অনুদান ও ঋণের সমন্বয়ে গঠিত। ২০১১ সালে লেস মামেলেস এলাকায় ২৪টি আবাসন ইউনিট নির্মাণে চিন ১৮ মিলিয়ন ডলারের একটি বড় অনুদান দেয়। এই এলাকায় ১৮৬৪ সালের ঐতিহাসিক বাতিঘর ‘ফারে দে মামেলেস’ এবং ৫২ মিটার উচ্চ আফ্রিকান রেনেসাঁ স্মৃতিস্তম্ভ অবস্থিত। পরবর্তী সময়ে দ্বীপজুড়ে আরও একাধিক সামাজিক আবাসন প্রকল্পে চিন অনুদান দিয়েছে (Indian Ocean Region)। ভারতের সাম্প্রতিক এই ঘোষণা এবং সোমবার স্বাক্ষরিত মউ – যার আওতায় সমুদ্র পর্যবেক্ষণ, সমুদ্র পরিষেবা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য বিনিময় এবং সামুদ্রিক গবেষণা পরিচালনার বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত, এই অঞ্চলের প্রতি নয়াদিল্লির কৌশলে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে (Maritime Security)। সেশেলসে আবাসন প্রকল্প, শিক্ষা, যোগাযোগ, পরিবহণ, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সরকারি ও নাগরিক সমাজভিত্তিক প্রকল্পে বিনিয়োগে চিন দীর্ঘদিন ধরেই আগ্রহ দেখিয়ে আসছে। পাশাপাশি দেশটিকে সার্বিক সহায়তাও দিয়ে যাচ্ছে বেজিং (Indian Ocean Region)।

     

  • Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধ (Future Undersea Warfare) ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার পথে হাঁটছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্যকে (Octopus-Inspired Technology) আদর্শ হিসেবে ধরে উন্নত স্টেলথ আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন ডিফেন্স স্টার্টআপ (Defence Startups) ও প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের জন্য নতুন গবেষণার উদ্যোগ নিচ্ছে নৌবাহিনী।

    ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন উদ্যোগ

    🔹 কী হচ্ছে?
    অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আন্ডারওয়াটার ড্রোন তৈরির উদ্যোগ।

    🔹 কেন অক্টোপাস?
    স্টেলথ চলাচল • দ্রুত অভিযোজন • আত্মগোপন ক্ষমতা

    🔹 লক্ষ্য কী?
    আরও গোপন, দ্রুত ও কার্যকর আন্ডারওয়াটার ড্রোন

    🔹 ব্যবহার কোথায়?
    নজরদারি • রিকনেসান্স • আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার

    🔹 কারা যুক্ত?
    ডিফেন্স স্টার্টআপ • গবেষণা প্রতিষ্ঠান • প্রযুক্তি উদ্ভাবকরা

    🔹 বড় উদ্দেশ্য
    ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধে ভারতের সামুদ্রিক শক্তি বৃদ্ধি

    অক্টোপাসের রণনীতিতে ভরসা

    বাহিনী জানিয়েছে, অক্টোপাসের স্টেলথ চলাচল, দ্রুত অভিযোজন ক্ষমতা এবং অসাধারণ ফুর্তি ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Autonomous Underwater Vehicle) ও রোবোটিক সিস্টেম নকশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যগুলিকে কাজে লাগিয়ে আরও কার্যকর ও স্টেলথ আন্ডারওয়াটার প্ল্যাটফর্ম (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    এই উদ্যোগের আওতায় নজরদারি, রিকোনেস্যান্স (রেকি) এবং অন্যান্য নৌ-অভিযানের জন্য ব্যবহৃত আন্ডারওয়াটার ড্রোনগুলির কার্যক্ষমতা, গোপনীয়তা এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্যতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রের জটিল পরিবেশে অক্টোপাস যেভাবে নিজের রূপ বদলে আত্মগোপন করে এবং দক্ষতার সঙ্গে চলাচল করে, সেই নীতিগুলিই প্রযুক্তিগত নকশায় প্রয়োগ করার কথা ভাবছে নৌবাহিনী।

    অক্টোপাস-অনুপ্রাণিত নকশা

    ভারতীয় নৌবাহিনীর মতে, এই জীববিজ্ঞান-অনুপ্রাণিত পদ্ধতির ফলে বর্তমানে ব্যবহৃত ব্যবস্থার তুলনায় আরও উন্নত এবং প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরি করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতের আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার (Future Undersea Warfare) এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা (Maritime Security) সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এই প্রকল্পে অংশ নিতে প্রতিরক্ষা শিল্পের সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপগুলিকে তাদের প্রযুক্তিগত ধারণা ও প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নৌবাহিনীর লক্ষ্য, জৈবিক অনুপ্রেরণাকে বাস্তব প্রকৌশল ও রোবোটিক সমাধানে রূপান্তর করে ভারতের সামুদ্রিক শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করা।

LinkedIn
Share