Tag: martyrs day

martyrs day

  • Black Day: ১৯৩১ সালের ১৩ জুলাই কাশ্মীরি হিন্দু পণ্ডিতদের ওপর হয়েছিল বিরাট হামলা, জানুন শিহরণ জাগানিয়া সেই কাহিনি

    Black Day: ১৯৩১ সালের ১৩ জুলাই কাশ্মীরি হিন্দু পণ্ডিতদের ওপর হয়েছিল বিরাট হামলা, জানুন শিহরণ জাগানিয়া সেই কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ১৩ জুলাই দিনটি ‘ব্ল্যাক ডে’ (Black Day) হিসেবে পালন করে আসছে বাস্তুচ্যুত কাশ্মীরি হিন্দু সম্প্রদায়ের (Kashmiri Hindus) একটি বড় অংশ। দেশের বিভিন্ন শহর এবং বিদেশে বসবাসরত বহু কাশ্মীরি পণ্ডিত এই দিনটিকে ১৯৩১ সালের ঘটনাবলির স্মরণে পালন করেন। তাঁদের দাবি, ওই দিন থেকেই কাশ্মীরে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর সংগঠিত হিংসার সূচনা হয়েছিল, যার পরিণতি ১৯৮৯-৯০ সালের গণ-নির্বাসন। ১৯৩০ সালে লন্ডনে হওয়া গোল টেবিল বৈঠকে দেশীয় রাজ্যগুলির প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন মহারাজা হরি সিং। সেখানে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। কাশ্মীরি হিন্দুদের একাংশের মতে, এর পর থেকেই ব্রিটিশ প্রশাসন মহারাজার অবস্থান দুর্বল করার লক্ষ্যে নানা রাজনৈতিক পদক্ষেপ করে এবং রাজ্যের মুসলিম অভিজাতদের একটি অংশকে সেই কৌশলের অংশ করে তোলে।

    সাম্প্রদায়িক মেরুকরণে ইন্ধন (Black Day)

    এদিকে, মহারাজার বৃত্তি নিয়ে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়া কয়েকজন ছাত্র পরবর্তীকালে ডোগরা শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শেখ মহম্মদ আবদুল্লা। তিনি প্রথমে শ্রীনগর স্টাডি সার্কেল গড়ে তোলেন, যা পরে জম্মু ও কাশ্মীর মুসলিম কনফারেন্সে রূপান্তরিত হয়। অভিযোগ, এই সংগঠনই ১৯৩১ সালের আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয় এবং কাশ্মীরে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণকে উসকে দেয়। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের একাংশের বক্তব্য, ১৩ জুলাই ১৯৩১ ছিল কাশ্মীরে হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রথম বড় আকারের সংগঠিত হামলার দিন। তাঁদের দাবি, ব্রিটিশ প্রশাসন, মুসলিম কনফারেন্স এবং বিভিন্ন মৌলবাদী গোষ্ঠীর ভূমিকা এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ছিল (Black Day)। ব্রিটিশদের মদতে পেশোয়ারের বাসিন্দা আবদুল কাদিরকে কাশ্মীরে এনে মহারাজার বিরুদ্ধে মুসলিম জনমত গড়ে তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই সময়ে মুসলিম কনফারেন্স “কাশ্মীর ছাড়ো” স্লোগান তুলে আন্দোলন শুরু করে। অভিযোগ, সেই সময় মহারাজার সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করে টার্গেট করা হয় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের।

    জেলে ভেঙেছিল বন্দিরা

    এই বর্ণনায় দাবি করা হয়েছে, ১৯৩১ সালের ২৯ জুলাই খ্রেওর মা জ্বালা দেবীর জন্মোৎসব উপলক্ষে বহু কাশ্মীরি পণ্ডিত শ্রীনগরের বাইরে থাকবেন, সেই সুযোগে তাঁদের বাড়িঘর লুট ও আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। যদিও সেই পরিকল্পনার খবর আগেই ফাঁস হয়ে যাওয়ায় বানচাল হয়ে যায় (Black Day) ষড়যন্ত্র। এর কিছুদিন আগে, ১২ ও ১৩ জুলাই শ্রীনগরের হরিপর্বত সেন্ট্রাল জেলে বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, আবদুল কাদিরের প্ররোচনায় বন্দিদের একাংশ জেল ভেঙে বেরিয়ে আসে এবং বিপুল সংখ্যক সমর্থক তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয়। ফলশ্রুতিতে শ্রীনগরের বিচারনাগ, মহারাজগঞ্জ, আমিরাকাদল, হরি সিং হাই স্ট্রিট, বোহরি কাদল-সহ একাধিক এলাকায় হিন্দুদের (Kashmiri Hindus) বাড়িঘর ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করার (Black Day) অভিযোগ ওঠে।এখনকার বদগাঁও জেলার কানিকুট গ্রামে হিন্দু পরিবারগুলির ওপর হামলা হয় বলেও অভিযোগ। সেখানে একটি পরিবারের সদস্যদের বহুতল বাড়ি থেকে ফেলে হত্যা করা হয়। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের মতে, এটি ছিল সম্পূর্ণ একতরফা হামলা এবং নিরীহ হিন্দুদের ওপর সংঘটিত এক সংগঠিত হিংসা।

    শেখ সাহেব…

    প্রাক্তন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক রামনাথ কৌল তাঁর “শেখ মহম্মদ আবদুল্লা: আ পলিটিক্যাল ফিনিক্স” গ্রন্থে ১৩ জুলাইয়ের ঘটনার একটি বিবরণ দিয়েছেন। সেখানে দাবি করা হয়েছে, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালালে কয়েকজন জখম হন। পরে তাঁদের মুসলিম কনফারেন্সের সদর দফতর মুজাহিদ মঞ্জিলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় গুরুতর জখম এক ব্যক্তি শেখ আবদুল্লাকে বলেন, “শেখ সাহেব, আপনি আমাদের যা বলেছিলেন, আমরা তাই করেছি।” এরপর তাঁর মৃত্যু হয় বলে বইটিতে দাবি করা হয়েছে। এই বিবরণ অনুযায়ী, পরে নিহতদের “শহিদ” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এদিকে, কাশ্মীরি পণ্ডিতরা এই ঘটনাকে “বাটা লুট” নামে উল্লেখ করতে শুরু করেন এবং ১৯৩২ সাল থেকে ১৩ জুলাই দিনটিকে “ব্ল্যাক ডে” হিসেবে পালন করে আসছেন। নির্বাসিত জীবনেও এই প্রথা বজায় রয়েছে (Black Day)।

    কাশ্মীরি হিন্দুদের জাতিগত উচ্ছেদের ফল

    কাশ্মীরি হিন্দু সংগঠনগুলির একাংশের মতে, ১৩ জুলাই ১৯৩১-এর ঘটনাই পরবর্তী কয়েক দশকে কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদ, সন্ত্রাসবাদ এবং কাশ্মীরি হিন্দুদের জাতিগত উচ্ছেদের ভিত্তি তৈরি করে। তাঁদের দাবি, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আগেই কাশ্মীর থেকে হিন্দুদের উৎখাতের একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা শুরু (Kashmiri Hindus) হয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে তাঁদের দাবি, ১৯৩১ সালের ১৩ জুলাই সংখ্যালঘু হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হিংসার স্মৃতিতে ভারত সরকার এবং জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের উচিত দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে “ব্ল্যাক ডে” ঘোষণা করা। প্রসঙ্গত, ১৩ জুলাই ১৯৩১ সালের এই সব ঘটনাকে ঘিরে বিভিন্ন ঐতিহাসিক, গবেষক এবং রাজনৈতিক মহলের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। ব্যাখ্যাও আলাদা। তবে একথা ঠিক যে, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের আক্ষরিক অর্থেই ভিটেছাড়া হওয়ার (Black Day) নেপথ্যে ছিল ইংরেজদের রোপণ করা সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষের বীজ।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘সামনের বছর শহিদ দিবসে চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন’, নন্দীগ্রামে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সামনের বছর শহিদ দিবসে চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন’, নন্দীগ্রামে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহিদ স্মরণে শুক্রবার বিজেপি এবং তৃণমূলের আলাদা সভা ছিল নন্দীগ্রামে। কিন্তু বিজেপির সভা শেষ করতে পুলিশি তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ওই সভায় হাজিরও ছিলেন। তবে, বিজেপির সভা কিছুটা দীর্ঘয়িত হওয়ার অভিযোগ তুলে মঞ্চ থেকে কর্মীদের তাড়া করে নামিয়ে দেয় পুলিশ। শহিদ বেদি থেকে মালাও সরিয়ে দেওয়া হয়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Suvendu Adhikari)  

    ২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর ‘সূর্যোদয়’ অভিযানের ডাক দিয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন শাসকদল সিপিএম। রক্তাক্ত অভিযানে প্রাণ গিয়েছিল জমি আন্দোলনের একঝাঁক নেতা-কর্মীর। এখনও বেশ কয়েকজনের হদিশ মেলেনি। তারপর থেকেই প্রতি বছর এই দিনটিতে নন্দীগ্রামের করপল্লিতে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শুভেন্দু দলে যোগ দেওয়ার পর থেকে বিজেপিও এখন এই কর্মসূচি করে। গত বছর এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এবার অবশ্য পরিস্থিতি ছিল শান্ত। সূত্রের খবর, তৃণমূল-বিজেপির সঙ্গে পুলিশের বৈঠকে প্রথমে সভা করার অনুমতি চায় বিজেপি। সেই মতো শুক্রবার সকাল ৮টায় করপল্লিতে শহিদ বেদিতে স্মরণসভার আয়োজন করার কথা তাদের। এরপর ৯টা নাগাদ সভায় যোগ দেওয়ার কথা শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। ১০টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা। ৯টা ৪৫ মিনিটে যান শুভেন্দু। যার জেরে সভা দীর্ঘায়িত হয়। শহিদ স্মরণে ভাষণ শেষ হতেই পুলিশ তৎপর হয়ে বিজেপি কর্মীদের তাড়া করে সরিয়ে দেয়। এমনকী মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এমনকী, এরপরে  শহিদ বেদিতে থাকা ফুলের মালা দ্রুত খুলে ফেলা হয়। পরে, সেখানে তৃণমূল শহিদ স্মরণ কর্মসূচি পালন করে। যদিও সময় মতো সভা শেষ না করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। পুলিশ ইচ্ছাকৃত বিজেপি কর্মীদের হেনস্থা করতে এসব করেছে, অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।

    তৃণমূল নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    ভাষণের শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘এবার আমাদের হাইকোর্টে যেতে হয়নি। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষী নামাতে হয়নি। ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। আর পরের বছর যখন শহিদ স্মরণ হবে, তখন পশ্চিমবাংলায় আর এই চোরগুলো থাকবে না। ২৪ সালের ১০ নভেম্বর যখন শহিদ দিবস হবে, চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন। আপনাদের কথা দিয়ে গেলাম’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share