Tag: mass conversion

mass conversion

  • US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে তিনি নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাই ভারত (India) থেকে তিনি তড়িঘড়ি চলে যেতে বাধ্য হন। অন্তত, এমনই দাবি করেছেন মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক শন ফয়েখ্ট (US Evangelist Sean Feucht)। তাঁর অভিযোগ, ভারতে তাঁর কার্যকলাপ নজরদারির আওতায় ছিল এবং ধর্মীয় রূপান্তর সংক্রান্ত ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগও ওঠে। ফয়েখ্ট সম্প্রতি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলায় “জায়ন সেন্টার” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনে অংশ নিতে। অনুষ্ঠানটির ছবি ও পোস্ট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই কেন্দ্রটি একটি সামাজিক ও ধর্মীয় মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত। এখানে বড় আকারে প্রার্থনা ও ধর্মপ্রচারমূলক কার্যকলাপ চলছিল বলে খবর।

    পর্যটক ভিসায় ভারতে এসে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার (US Evangelist Sean Feucht)

    বেঙ্গালুরুর ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে (FRRO) দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, ফয়েখ্ট পর্যটক ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। যদিও তিনি প্রচার, ধর্মীয় বক্তব্য দান এবং ধর্মান্তর কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। ভারতীয় ভিসা নিয়ম অনুযায়ী, পর্যটক ভিসায় বিদেশি নাগরিকদের ধর্মান্তর, উপদেশ প্রদান বা মিশনারি কার্যকলাপ চালানোর অনুমতি নেই। কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করেননি যে, তিনি কোন ধরনের ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। আইনজ্ঞরা জানান, মিশনারি ভিসায়ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকে এবং সংগঠিত ধর্মান্তর অভিযান বা প্রচার কার্যকলাপের অনুমতি দেওয়া হয় না।

    মার্কিন ধর্মপ্রচারকের দাবি

    বিতর্ক বাড়তে থাকায় ফয়েখ্ট দ্রুত ভারত ছেড়ে চলে যান। তবে যাওয়ার আগে সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিপীড়নের শিকার হিসেবে তুলে ধরেন। কয়েকদিন পরেও তিনি সেই একই দাবি জানান। স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি দাবি করেন, ভারতে খ্রিস্টানরা নিরাপদ নন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে খ্রিস্টানদের (US Evangelist Sean Feucht) ওপর ‘নিপীড়ন’ চলছে। এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, কঠোর ধর্মান্তরবিরোধী আইন কঠিন শাস্তির কারণ হতে পারে, যার মধ্যে দীর্ঘ কারাদণ্ডও রয়েছে। তিনি আরও জানান, আমেরিকার সরকার ভারতকে নিয়ে খুব সন্তুষ্ট নয়। তাঁর ইঙ্গিত, মার্কিন আইনপ্রণেতারা তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। অবশ্য এই ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগের কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ নেই। অনলাইনে শেয়ার করা কিছু স্ক্রিনশটে দেখা গিয়েছে, তিনি ভারতে অবস্থানরত ‘পাস্টরদের’ মতামত তুলে ধরে দাবি করেন, খ্রিস্টানরা স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রকাশ্যে শেয়ার করা ব্যক্তিগত বার্তায় তিনি পরিস্থিতিকে “ব্যাপক নিপীড়ন” বলে বর্ণনা করেছেন এবং জনগণের সমর্থন চেয়েছেন।

    ভারতীয় আইন

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় আইন স্বেচ্ছায় ধর্মান্তর নিষিদ্ধ করে না, তবে জোরপূর্বক, প্রতারণা বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তরকে নিয়ন্ত্রণ করে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে ধর্মান্তরবিরোধী আইন রয়েছে, যেখানে “গণধর্মান্তর” বা দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে ধর্মান্তরের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ফয়েখ্ট “নিপীড়ন” হিসেবে ঘটনাকে তুলে ধরার মাধ্যমে ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছেন এবং আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করতে চাইছেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের বর্ণনা প্রশাসনিক নিয়ম প্রয়োগকে মানবাধিকার ইস্যু হিসেবে তুলে ধরে, যার (India) ফলে নজরদারি ছাড়াই মিশনারি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (US Evangelist Sean Feucht)।

     

  • Nadiad Case: হিন্দুদের ধর্মান্তর করতে বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্য পেতেন মূল অভিযুক্ত স্টিভেন ম্যাকওয়ান!

    Nadiad Case: হিন্দুদের ধর্মান্তর করতে বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্য পেতেন মূল অভিযুক্ত স্টিভেন ম্যাকওয়ান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া মোড় নিয়েছে নাডিয়াদ ধর্মান্তর (Nadiad Case) মামলা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মূল অভিযুক্ত স্টিভেন ম্যাকওয়ান ও তাঁর সহযোগীরা বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্য পেতেন হিন্দুদের, বিশেষ করে আদিবাসী ও তফশিলি জাতির মানুষদের ধর্মান্তরিত করতে প্রলুব্ধ করতে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ধর্ম ত্যাগে রাজি হওয়া ব্যক্তিদের টাকার প্রতিশ্রুতি, বিভিন্ন বস্তু দিয়ে সাহায্য এবং ভালো জীবনের আশ্বাস দিতেন। খেদা পুলিশ এই ধর্মান্তর চক্রকে বহু রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত একটি বড় নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যেখানে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে আর্থিক (Foreign Funding) সাহায্যের স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তকারীদের ধারণা, অভিযুক্তরা ধর্মীয় আবেগ ও আর্থিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে সারা ভারতের শয়ে শয়ে মানুষকে প্রভাবিত করেছেন।

    ১.৫৭ লাখেরও বেশি ছবি এবং ভিডিও উদ্ধার (Nadiad Case)

    ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা স্টিভেন ম্যাকওয়ানের ফোন থেকে ১.৫৭ লাখেরও বেশি ছবি এবং ভিডিও উদ্ধার করেছেন। এই ফাইলগুলির অনেকগুলিতেই ধর্মান্তর অনুষ্ঠান ও বৈঠকের নথি রয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যেই আয়োজন করা হয়েছিল এই সব অনুষ্ঠান ও বৈঠকের। উদ্ধার করা ফাইলগুলি নিয়ে বর্তমানে চলছে বিস্তারিত ফরেনসিক বিশ্লেষণ। তদন্তকারীরা স্টিভেনের ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংক লেনদেন ও অনলাইন যোগাযোগও খতিয়ে দেখছেন। কতজন ব্যক্তিকে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে এবং কী ধরনের প্রেরণা দেওয়া হয়েছে তা শনাক্ত করতে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত, অভিযুক্ত ব্যক্তি একাধিক ধাপে পরিকল্পিত পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। প্রথমে ব্যক্তিগত যোগাযোগ স্থাপন, পরে আবেগীয় প্রভাব বিস্তার, এবং শেষ পর্যায়ে ধর্মান্তরণকে শান্তি ও সুখের পথ হিসেবে উপস্থাপন করতেন (Nadiad Case)।

    কোটি টাকার লেনদেন

    পুলিশি তদন্তের সময় কর্তারা স্টিভেনের অ্যাকাউন্টে ১ কোটি টাকার একটি লেনদেনের তথ্য পেয়েছেন। ওই টাকা বিদেশ থেকে এসেছে বলে অনুমান। এই তথ্য প্রকাশের পর তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে যে বিদেশি মিশনারি সংগঠনগুলি এই নেটওয়ার্কে অর্থায়ন করেছিল। তদন্তকারীদের মতে, স্টিভেন প্রতিটি অঞ্চলের ওপর বিস্তারিতভাবে গবেষণা করতেন। এরপর শুরু করতেন টার্গেটভিত্তিক কার্যকলাপ। তিনি বিশেষ করে আদিবাসী ও দলিত পটভূমির আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলিকে টার্গেট করতেন এবং তাদের ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্মান্তরণের জন্য প্রলুব্ধ করতেন (Foreign Funding)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অধিকাংশ ধর্মান্তর গোপনে সম্পন্ন করা হয়েছিল প্রার্থনা সভা বা সামাজিক অনুষ্ঠানের আড়ালে, যেখানে প্রায়ই গুজরাট ফ্রিডম অফ রিলিজিয়ন অ্যাক্টের আওতায় নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি (Nadiad Case)।

    ধর্মান্তর সংক্রান্ত সেমিনার পরিচালনা

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, স্টিভেন গুজরাটের নাডিয়াদ, তাপি, নর্মদা, ভরুচ ও আনন্দ জেলা-সহ বিভিন্ন জেলায় ধর্মান্তর সংক্রান্ত সেমিনার পরিচালনা করেছিলেন। তবে তাঁর প্রভাব গুজরাটের বাইরেও বিস্তৃত ছিল। ধর্মান্তরিত ব্যক্তিদের মধ্যে রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং দিল্লির মানুষও রয়েছেন। তদন্তকারীদের মতে, স্টিভেনের সংস্থা রেস্টোলেশন–রিভাইভাল ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট এই সব  কার্যকলাপের ঢাল হিসেবে কাজ করত। দাতব্য সংস্থা হিসেবে নথিভুক্ত এই ট্রাস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অবৈধ ও অনথিভুক্ত প্রার্থনা কেন্দ্র পরিচালনা করত, যেখানে পাদ্রিরা গ্রামীণ বা আদিবাসী এলাকার মানুষকে একত্রিত করে ধীরে ধীরে তাদের ধর্মান্তরে উৎসাহিত করত।

    নেটওয়ার্কের অংশ

    ফরেনসিক দল স্টিভেন ও তাঁর নেটওয়ার্কের অংশ বলে ধারণা করা একাধিক পাদ্রির মধ্যে ডিজিটাল পেমেন্ট ও তহবিল স্থানান্তরের তথ্য থেকে জেনেছেন এই ব্যক্তিরা দুর্গম গ্রামগুলিতেও ধর্মান্তরকরণে সাহায্য করেছিলেন। সেখানে তাঁরা খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণকারীদের ‘অলৌকিক ঘটনা’ ও ‘ঈশ্বরীয় আশীর্বাদের’ প্রতিশ্রুতি দিতেন (Nadiad Case)। তদন্তে রেস্টোরেশন রিভাইভাল ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের আর্থিক অনিয়ম স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। আধিকারিকদের মতে, এই ট্রাস্ট অডিট সম্পন্ন করেনি। এখন চ্যারিটি কমিশনারের দফতরকে অতিরিক্ত তদারকির জন্য সতর্ক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গত তিন বছরে এই ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রায় ১.৩৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, যার একটি বড় অংশ বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে এসেছে। এই অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে ধর্মীয় সভা আয়োজন, প্রচারপত্র ছাপানো এবং ধর্মান্তরিত হতে সম্মত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা দানের জন্য।

    বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন

    এই আর্থিক লেনদেনগুলি বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন (FCRA)–এর ধারাগুলি লঙ্ঘন করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের অনুমান, এই মামলা এনজিও এবং অনথিভুক্ত ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত মিশনারি গোষ্ঠীগুলির একটি বৃহৎ সর্বভারতীয় নেটওয়ার্ক উন্মোচন করতে পারে। পুলিশ এই বিদেশি অর্থায়নের উৎস খুঁজে বের করতে এবং স্থানীয় সহযোগীদের শনাক্ত করতে অন্যান্য রাজ্যের ইউনিটগুলির সঙ্গে সমন্বয় করছে (Foreign Funding)।
    খেদা জেলার এক সিনিয়র পুলিশ কর্তা জানান, “এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এই অভিযানটি সুপরিকল্পিত, পর্যাপ্ত অর্থায়িত এবং দাতব্য কাজের ছদ্মবেশে দুর্বল গোষ্ঠীগুলিকে পদ্ধতিগতভাবে ধর্মান্তর করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত (Nadiad Case)।”

  • Mass conversion: সিঁদুর সরিয়ে মহিলাদের কপালে ক্রস, বিহারে ধর্মান্তকরণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ মিশনারি

    Mass conversion: সিঁদুর সরিয়ে মহিলাদের কপালে ক্রস, বিহারে ধর্মান্তকরণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ মিশনারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের বক্সার (Buxar) জেলায় হিন্দুদের ধর্মান্তরিত (Mass conversion) করার অভিযোগ সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, তিনজন খ্রিস্টান মিশনারী ৫০ থেকে ৬০ জন হিন্দুকে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করেছেন। এই রকমই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে (যদিও ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ওই খ্রিস্টান মিশনারিরা হিন্দু মহিলাদের গঙ্গায় ডুব দেওয়ানোর পরে তাঁদের মাথায় ক্রস চিহ্ন এঁকে দিচ্ছেন এবং সিঁদুর সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দিচ্ছেন। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই হিন্দু সংগঠনগুলি প্রতিবাদে নামে। তারপরেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিহার পুলিশ তিনজন মিশনারিকে গ্রেফতার করে। মিশনারিদের অবশ্য দাবি, ওই হিন্দুরা তাঁদের নিজেদের ইচ্ছাতেই ধর্মান্তরিত হয়েছেন এবং বাইবেল পড়ে তাঁরা ধর্মান্তরিত (Mass conversion) হয়েছেন। বিষয়টি প্রথম সামনে আসে ১৪ নভেম্বর। জানা গিয়েছে, এটি বিহারের বক্সার জেলার সিমরি থানার অন্তর্গত নাগপুরা গ্রামের ঘটনা।

    মিশনারিদের পরিচয় (Mass conversion)

    অভিযুক্ত তিন জন মিশনারির মধ্যে দুইজনের বাড়ি বিহারে। তাঁদের নাম রাজুরাম এবং রাজীব রঞ্জন। তৃতীয় জনের বাড়ি তামিলনাড়ুতে তাঁর নাম স্যামুয়েল। বিহারের মিশনারি রাজুরাম বলেন, ‘‘অনেক হিন্দুই তাঁর কাছে এসেছিলেন এবং নিজেদের অসুস্থতার কথা বলেছিলেন। আমি তাঁদেরকে ওষুধ খেতে বলি। তারপর তাঁদেরকে বলি যে আমি যিশুর কাছে প্রার্থনা করব। যাতে তাঁদের অসুস্থতা সেরে যায়। যাঁদের কষ্ট লাঘব হয়েছে, যাঁরা সুস্থ হয়েছেন তাঁরা স্বাধীনভাবেই খ্রিস্টান ধর্মকে গ্রহণ করেছেন।’’

    কী বলছেন সিমলি থানার ইনচার্জ?

    অন্যদিকে, সিমলি থানার (Buxar) অফিসার ইনচার্জ কমল নয়ন পাণ্ডে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে যাঁদেরকে ধর্মান্তকরণ করা হয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকেরই গ্রামে বাড়ি এবং বাইবেল অনুসারে তাঁদের ধর্মান্তকরণ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি দেখছে এবং ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কী বলছেন গিরিরাজ?

    এই ঘটনায় বিবৃতি সামনে এসেছে (Mass conversion) বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আগে আদিবাসীদের হয়রানি করা হত। এখন দরিদ্র আদিবাসীদের নানা প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তকরণ করা হচ্ছে। ধর্মান্তকরণ নিষিদ্ধ করার জন্য শক্তিশালী আইন প্রয়োজন। প্রতিটি জেলাতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Christian missionaries: ধাপে ধাপে মগজধোলাই সঙ্গে অর্থের টোপ! কীভাবে চলছে হিন্দুদের ধর্মান্তকরণ?

    Christian missionaries: ধাপে ধাপে মগজধোলাই সঙ্গে অর্থের টোপ! কীভাবে চলছে হিন্দুদের ধর্মান্তকরণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই চারশো জনের বেশি হিন্দুকে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কাঠগড়ায় ৯ খ্রিস্টান মিশনারিজ (Christian missionaries)। উত্তর প্রদেশের মেরঠ জেলার মঙ্গতপুরমের মালিন গ্রামের ঘটনা। জানা গিয়েছে, করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতে গরিব মানুষদের সাহায্যের প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। পরে ধর্মান্তকরণ করা হয় তাঁদের। অভিযুক্ত ৯ খ্রিস্টান তাঁদের ঘরে রাখা দেবদেবীর মূর্তি নষ্ট করে ফেলতে বলেন। পুজোআচ্চা বন্ধ করে চার্চে যাওয়ার পরামর্শও দেন বলে অভিযোগ। ওই ঘটনায় আলোড়ন পড়ে দেশজুড়ে। কীভাবে হয় ধর্মান্তকরণ (mass conversion)? সে সম্পর্কে জানালেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মেরঠ জোনের সাধারণ সম্পাদক রাজকমল গুপ্তা।

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে গুপ্তা বলেন, খ্রিস্টান মিশনারিজ (Christian missionaries) ও মুসলিমরা বিভিন্নভাবে হিন্দুদের ধর্মান্তকরণ করছে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক মানুষদেরই তাঁরা মূলত টার্গেট করেন। যে অঞ্চলের সিংহভাগ বাসিন্দা পিছিয়ে পড়া, সুযোগ সুবিধা পাননি, অজ্ঞ, তাঁদের প্রথমে চিহ্নিত করা হয়। কখনও খাবার, কখনওবা পোশাক, কখনও আবার ওষুধ এবং অর্থ দেওয়ার অছিলায় তাঁরা ভাব জমান ওই মানুষদের সঙ্গে। তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করতে মিসনারিজরা (Christian missionaries) পিছিয়ে পড়া হিন্দুদের শিক্ষা এবং বিয়ের ব্যবস্থাও করেন। শিকারদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারলেই কেল্লাফতে। তাঁরা শিকারকে বোঝান, সব ভগবানই আসলে এক। এর পরেই তাঁরা ঝুলি থেকে বই, পুস্তিকা বের করেন। করেন যিশুর মহিমা কীর্তন। যিশুর অলৌকিক গল্পকথা ছড়ান। পরামর্শ দেন চার্চে যাওয়ার।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে শিখ মহিলাকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও ধর্মান্তকরণ, জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপ দাবি

    গুপ্তা বলেন, সরল বিশ্বাসী হিন্দুরা তাঁদের পাতা ফাঁদে পা দেন। এরপর মিশনারিজরা (Christian missionaries) শুরু করেন মগজ ধোলাইয়ের কাজ। এক জায়গায় অনেককে খিস্ট-পথে নিয়ে আসতে পারলে হিন্দুর জমিতে গড়ে তোলেন চার্চ। তার পরেই হয় ধর্মান্তকরণ। গুপ্তা বলেন, একইভাবে হিন্দুদের দীক্ষিত করা হয় ইসলাম (Islam) ধর্মেও। যেমন কিছুদিন আগে ঘটেছিল মোরদাবাদে। তিনি বলেন, সেখানকার এক গ্রামে একটি পরিবারই মুসলিম ছিল। বাকিরা হিন্দু (Hindu)। তাঁদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে, টাকা পয়সার লোভ দেখিয়ে দীক্ষিত করা হয় ইসলাম ধর্মে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share