Tag: mayapur iskcon temple

mayapur iskcon temple

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার মায়াপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, ইদের দিনেই করলেন গো-মাতার পুজো, যজ্ঞ

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার মায়াপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, ইদের দিনেই করলেন গো-মাতার পুজো, যজ্ঞ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য প্রশাসনে পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে (Mayapur Iskcon Temple) এলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক ও দলীয় সূত্র অনুযায়ী, মূলত গো-সেবা এবং বিশেষ পুজোর উদ্দেশ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর এই সফর। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, ইদের দিনে রেড ময়দানের নামাজে তোষণের রাজনীতি করতে যাননি, ইস্কন মন্দিরে গো-মাতার পুজো করে হিন্দুত্বের বার্তাই আরও একবার দিয়েছেন।

    রাজকীয় অভ্যর্থনা ও গো-সেবা (Suvendu Adhikari)

    বৃহস্পতিবার সকাল ঠিক এগারোটা নাগাদ মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে মন্দিরের সন্ন্যাসীরা তাঁকে পুষ্পস্তবক ও মাল্যদানে স্বাগত জানান। এরপর তিনি সরাসরি চলে যান মন্দিরের গোশালায় (Mayapur Iskcon Temple)। সেখানে গো-মাতার উদ্দেশে আয়োজিত একটি বিশেষ যজ্ঞ ও পুজোপাঠে অংশ নেন। যজ্ঞের পূর্ণাহুতির পর বিগ্রহকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম জানান শুভেন্দু অধিকারী। এরপর নিজ হাতে গো-মাতাকে আম ও মিষ্টি খাইয়ে সেবা করেন এবং মাল্যদান করেন।

    মূল মন্দির দর্শন ও সৌজন্য সাক্ষাৎ

    গোশালায় আচার অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ইসকনের মূল মন্দির অর্থাৎ চন্দ্রোদয় মন্দিরে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি পরম শ্রদ্ধায় শ্রীশ্রী রাধামাধব বিগ্রহ দর্শন ও আরতিতে অংশ নেন। মন্দির চত্বরে মহাপ্রসাদ গ্রহণের পর তিনি ইসকনের (Mayapur Iskcon Temple) বরিষ্ঠ সন্ন্যাসীদের সঙ্গে একটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাতে মিলিত হন। এই সফর প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা রাজনৈতিক বিষয়ে জানতে চাইলে মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত সংক্ষেপে জানান, “এখানে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বা কর্মসূচি নিয়ে আমি আসিনি। সম্পূর্ণ ধর্মীয় ভাবাবেগে শুধুমাত্র পুজোদানের উদ্দেশ্যে এই আগমন, তাই আজ কোনও রাজনৈতিক মন্তব্য করব না।”

    প্রশাসনিক তৎপরতা ও ব্যস্ত সূচি

    মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) এই মায়াপুর সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের নিরাপত্তা ও তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হওয়ার পর গত মঙ্গলবারই নদিয়ার কল্যাণীতে তিনি প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক করেছিলেন। তার ঠিক একদিন পরেই ফের নদিয়া জেলায় এলেন তিনি। মায়াপুরের (Mayapur Iskcon Temple) কর্মসূচি শেষে বিকেলে তাঁর হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষণ, পরিবর্তনের ধারা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)  এই সফরের দিনক্ষণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আজ দেশজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র বকরি ইদ। বিগত দেড় দশক ধরে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিশেষ দিনে ইদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শামিল হতেন এবং তাঁকে নামাজেও অংশ নিতে দেখা যেত। তবে এবার ক্ষমতার পরিবর্তনের পর, ইদের দিনটিতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মায়াপুরে (Mayapur Iskcon Temple) এসে গোমাতার পুজোও সনাতনী আচারকে বেছে নিলেন। মুখে রাজনৈতিক বার্তা না দিলেও, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি রাজ্যে এক নতুন ধারার সূচনা করলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • Mahesh Snan Yatra: ২২ ঘড়া জল, দেড়মণ দুধ ঢেলে স্নান করানো হল প্রভু জগন্নাথকে, মাহেশে ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    Mahesh Snan Yatra: ২২ ঘড়া জল, দেড়মণ দুধ ঢেলে স্নান করানো হল প্রভু জগন্নাথকে, মাহেশে ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির মাহেশে জগন্নাথ স্নানযাত্রা (Mahesh Snan Yatra) পড়ল ৬২৮ বছরে। বাংলার পুরাতন রথযাত্রা মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল এই রথযাত্রা। আজ জগন্নাথের স্নানযাত্রায় প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়েছে। মূলত প্রতিবছরই জগন্নাথদেবের এই আবির্ভাব দিবস তিথিতে প্রভুকে স্নান করিয়ে অভিষেক করানো হয়। বিভিন্ন নিয়ম এবং পুজাচারের মধ্য দিয়ে এই মহা উৎসব পালন করা হয়। জগন্নাথদেবকে স্নান করানোর পর তিনি আবার অন্তরালে চলে যান। পরবর্তীকালে রথযাত্রার (Rath Yatra 2024) দিন তাঁকে আবার রাজপথে দেখতে পাওয়া যায়। আবার মায়াপুর ইসকনের শাখা রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে ধুমধাম করে পালিত হচ্ছে স্নানযাত্রা (Snan Yatra 2024)। ভোরবেলা থেকেই শুরু হয়েছে এই স্নানযাত্রার অনুষ্ঠান। দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্তের সমন্বয়ে এদিন জগন্নাথদেবের অভিষেক ঘটানো হয়।

    দেড়মণ দুধ ঢেলে স্নানযাত্রা জগন্নাথের (Mahesh Snan Yatra)

    আষাঢ় মাস মানেই দুর্গাপুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে। গ্রীষ্মের প্রবল গরমের পর প্রভু জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রাকে স্নান (Snan Yatra 2024) করানো হয়। হুগলির মাহেশে ২২ ঘড়া জল এবং দেড়মণ দুধ ঢেলে স্নান করানো হয়েছে প্রভু জগন্নাথকে। এই মাহেশের স্নানযাত্রা ছয়শ বছরের বেশি প্রাচীন, ফলে দূরদূরান্ত থেকে আসেন প্রচুর ভক্ত। সকালে গর্ভগৃহ থেকে বের করে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে মন্দিরের বারান্দায় রাখা হয়। তারপর বিগ্রহকে নিয়ে যাওয়া হয় মন্দির সংলগ্ন মাঠের স্নানমঞ্চে। এরপর করানো হয় স্নান। তবে পুরীতে জগন্নাথের কলেবর পরিবর্তিত হলেও মাহেশে একই বিগ্রহে পুজো করে আসা হচ্ছে। স্নানের পর ঠাকুরের খুব জ্বর আসে, প্রভু জগন্নাথ লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকেবন। এরপর রথযাত্রার ঠিক ২দিন আগে মন্দির আবার খোলা হয়। জ্বর সারলে মাসির বাড়িতে যান জগন্নাথ দেব। মাহেশের রথের স্নানযাত্রায় ব্যাপক ভক্তের সমাগম হয়।

    ইসকন জনসংযোগ আধিকারিকের বক্তব্য (Snan Yatra 2024)

    মাহেশের স্নানযাত্রার (Mahesh Snan Yatra) পাশাপাশি মায়াপুর ইসকন মন্দিরের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেছেন, “ভগবান জগন্নাথদেবের আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে মায়াপুর ইসকনের শাখা রাজাপুরের জগন্নাথ মন্দিরে তাঁকে স্নান (Snan Yatra 2024) করিয়ে অভিষেক করানো হয়। সকল ভক্তরাই এদিন সুযোগ পান জগন্নাথদেবকে স্নান করানোর। শুধুমাত্র দেশের ভক্তরাই নয় বিদেশেরও হাজার হাজার ভক্তরা এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাজাপুরে এসে উপস্থিত হন। ভোর বেলা থেকেই এই অনুষ্ঠান শুরু হয়। তবে জগন্নাথদেবের স্নান করানোর পর তিনি জগদেশ রূপে আবার সকলের অন্তরালে চলে যান। পরবর্তীকালে রথযাত্রার দিন (Rath Yatra 2024) তাঁকে আবার রাজপথে দেখা মেলে। সেদিন তিনি রাজাপুর থেকে তাঁর মামার বাড়ি ইসকন মন্দিরের প্রাণকেন্দ্রে চলে আসেন। আজকের এই দিনটি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়ে থাকে। একই সঙ্গে হাজার হাজার ভক্তদের জন্য থাকে প্রসাদের ব্যবস্থা।”

    আরও পড়ুনঃ আজ প্রভু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব, এর মাহাত্ম্য জানেন?

    নবদ্বীপে পোড়ামাতলায় স্নানযাত্রা

    তীর্থ নগরী নদিয়ার নবদ্বীপ শহরের প্রাণকেন্দ্র পোড়ামাতলায় অবস্থিত মা পোড়ামা মন্দির। এই মন্দিরকে ঘিরে সারা বছর দেশ-বিদেশ থেকে বহু তীর্থযাত্রী এবং নবদ্বীপ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের আনাগোনা চলে। জানা যায়, প্রায় পাঁচশো বছরের পুরানো এই মা পোড়ামা মন্দির। এই মন্দিরে প্রতি বছর জগন্নাথের স্নানযাত্রার (Snan Yatra 2024) দিনে পরম্পরা মেনে মা পোড়ামার বার্ষিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার ভোরবেলায় নবদ্বীপের সুরধনীগঙ্গা থেকে ১০৮ ঘড়া গঙ্গাজল নিয়ে আসা হয় এবং মাকে স্নান করিয়ে অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে মায়ের ভোগারতির পর বিকেলে ভক্তদের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। মায়ের মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য এদিন সকাল থেকে দেখা গেল পোড়ামা মন্দির প্রাঙ্গনে অসংক্ষ্য ভক্তদের ভিড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iskcon: গোবর্ধন পুজো ও অন্নকূট উৎসবে মায়াপুর ইসকনে যেন ভোগের পাহাড়! বিনামূল্যে প্রসাদ বিতরণ

    Iskcon: গোবর্ধন পুজো ও অন্নকূট উৎসবে মায়াপুর ইসকনে যেন ভোগের পাহাড়! বিনামূল্যে প্রসাদ বিতরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার মায়াপুর ইসকন (Iskcon) মন্দিরে সাড়ম্বরে পালিত হল গোবর্ধন পুজো ও অন্নকূট উৎসব। আর এই উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে মঙ্গল আরতির মধ্যে দিয়ে শুরু হয় গোবর্ধন পুজো। মন্দিরে আগত ভক্তদের বিনামূল্যে প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থাও করা হয়ে থাকে মন্দিরের তরফ থেকে। বিগ্রহের সামনে যে পরিমাণে ভোগ দেওয়া হয়, তাতে দূর থেকে মনে হয় একটি ছোটখাট ভোগের পাহাড়। এভাবেই মহা সমারোহে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে পালিত হল গোবর্ধন অন্নকূট উৎসব। আর এই উপলক্ষে মন্দিরে (Iskcon) আগত হাজার হাজার দর্শনার্থীদের বিনামূল্যে প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।

    হাজার হাজার দর্শনার্থী (Iskcon)

    গোবর্ধন পুজো উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থী এদিন সকাল থেকেই সমবেত হতে শুরু করেন মন্দির প্রাঙ্গণে। অন্নকূট বা গোবর্ধন পুজো উপলক্ষে এদিন বিভিন্ন ভাষায় গিরি গোবর্ধনের ওপর ধর্মালোচনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে মায়াপুর ইসকন মন্দির প্রাঙ্গণে৷ এমনটাই জানান মায়াপুর ইসকন (Iskcon) মন্দিরের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস। গিরিরাজ ভগবান গোবর্ধনকে এদিন বিভিন্ন ধরনের পদে সুসজ্জিতভাবে ভোগ নিবেদন করা হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে গিরিরাজের প্রতীক। প্রতীক নিয়ে এদিন সন্ধ্যায় মন্দির প্রাঙ্গণে পরিক্রমা করবেন দেশ-বিদেশ থেকে আগত হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ।

    সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান

    এদিন মায়াপুর ইসকন জুড়ে সকাল থেকেই ছিল ভক্তদের ঢল (Iskcon)৷ অগুণতি মানুষ দেশ তথা বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে আসেন এই গোবর্ধন পুজোয় অংশগ্রহণ করতে৷ এছাড়াও এই গোবর্ধন পুজো উপলক্ষে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় জমান ভক্তরা৷ সকাল থেকে গোটা দিন এখানে কাটানোর পরিকল্পনাও রয়েছে অনেকের৷ গোবর্ধন পুজো উপলক্ষে ভক্ত সমাগমের কথা মাথায় রেখেই এদিন হাজার হাজার দর্শনার্থীদের বিনামূল্যে প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয় ইসকনের তরফ থেকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share