Tag: Mayapur

Mayapur

  • Samik Bhattacharya: কলকাতাকে কেন্দ্র করে চার রুটে দ্রুতগতির রেল! কেন্দ্রকে প্রস্তাব শমীকের

    Samik Bhattacharya: কলকাতাকে কেন্দ্র করে চার রুটে দ্রুতগতির রেল! কেন্দ্রকে প্রস্তাব শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে যাতায়াত আরও দ্রুত ও মসৃণ করতে আঞ্চলিক দ্রুতগতির গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব। দিল্লি-সহ জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে চালু ‘নমো ভারত’-এর ধাঁচে পশ্চিমবঙ্গেও এমন রেলপথ গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রী মনোহর লালের কাছে চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি একটি প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষার রিপোর্টও জমা দিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত চারটি করিডরের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে (NaMo-Bharat)।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, কলকাতার ময়দানকে কেন্দ্রীয় সংযোগস্থল ধরে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরকে চারটি করিডরের মাধ্যমে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। শিল্পাঞ্চল, বন্দর, শিক্ষা ও পর্যটনকেন্দ্রগুলির সঙ্গে কলকাতার দ্রুত যোগাযোগ গড়ে তোলাই এই প্রস্তাবের অন্যতম লক্ষ্য।

    প্রস্তাবিত চার রুট (Samik Bhattacharya)

    প্রথম করিডরটি হবে কলকাতা-ময়দান থেকে কল্যাণী, কৃষ্ণনগর হয়ে মায়াপুর পর্যন্ত। প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথে নদিয়া ও সংলগ্ন এলাকার সঙ্গে কলকাতার দ্রুত যোগাযোগ গড়ে তোলার প্রস্তাব রয়েছে।

    দ্বিতীয় করিডরটি কলকাতা থেকে বর্ধমান, দুর্গাপুর হয়ে আসানসোল পর্যন্ত। প্রায় ২৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটে রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলকে কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দুর্গাপুর ও আসানসোলের সঙ্গে পৃথক দ্রুতগতির গণপরিবহণ সংযোগের কথাও প্রস্তাবে রয়েছে।

    তৃতীয় করিডরটি কলকাতা থেকে ফলতা, ডায়মন্ড হারবার, হলদিয়া হয়ে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত। প্রায় ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটের মাধ্যমে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের শিল্প ও বন্দর এলাকার সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ আরও সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    চতুর্থ করিডরটি কলকাতা থেকে সাঁতরাগাছি, কোলাঘাট, খড়গপুর হয়ে মেদিনীপুর পর্যন্ত। প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথে হাওড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    রেললাইন-জাতীয় সড়কের পাশ দিয়ে করিডর তৈরির প্রস্তাব

    প্রস্তাবে জমি অধিগ্রহণের সমস্যা ও খরচ কমানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। জাতীয় সড়ক ও রেলপথের পাশ দিয়ে নতুন দ্রুতগতির রেল করিডর তৈরির কথা বলা হয়েছে। এতে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে কমতে পারে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শমীকের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের নগর ও পরিকাঠামোগত বিকাশ এখনও মূলত কলকাতাকেন্দ্রিক। অন্যদিকে দুর্গাপুর, আসানসোল, খড়গপুর, কৃষ্ণনগর ও হলদিয়ার মতো শহর শিল্প, শিক্ষা, বন্দর ও পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। এই শহরগুলির মধ্যে দ্রুত ও উচ্চক্ষমতার যাত্রী পরিবহণের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাঁর প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে (Samik Bhattacharya)।

    যৌথ মালিকানায় নয়া সংস্থার প্রস্তাব

    প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ মালিকানায় একটি বিশেষ উদ্দেশ্যভিত্তিক সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত সংস্থার নাম ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল র‍্যাপিড ট্রানজিট কর্পোরেশন’। জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের পরিবহণ ব্যবস্থার আদলে এই সংস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রকল্পের প্রকৌশলগত দিক, সম্ভাব্য যাত্রীসংখ্যা এবং আর্থিক বিষয় খতিয়ে দেখে একটি পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (Samik Bhattacharya) করার জন্য কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের কাছে (NaMo-Bharat) আবেদন জানিয়েছেন শমীক।

     

  • Amit Shah: ধর্মের টানে বাংলায় এলেন অমিত শাহ, যোগ দিলেন ইসকনের অনুষ্ঠানে

    Amit Shah: ধর্মের টানে বাংলায় এলেন অমিত শাহ, যোগ দিলেন ইসকনের অনুষ্ঠানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক কোনও কর্মসূচিতে যোগ দিতে নয়, স্রেফ ধর্মের টানে বাংলায় এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বুধবার মায়াপুর (Mayapur) ইসকনে শ্রীমৎ ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী প্রভুপাদের ১৫২তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন ইসকনে ‘হরে কৃষ্ণ’ নাম নিয়ে বক্তৃতা শুরু করেন তিনি। প্রথমেই জানিয়ে দিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি এখানে আসেননি, এসেছেন চৈতন্য মহাপ্রভুর ভক্ত হিসেবে। তিনি এও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁর মাধ্যমে ভক্তদের উদ্দেশে হরে কৃষ্ণ বার্তা পাঠিয়েছেন।

    শাহি বচন (Amit Shah)

    ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর গৌড়ীয় মঠের প্রতিষ্ঠাতা। বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আজ সকালে আমার সঙ্গে দেশের সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা হয়েছে। আমি ওঁকে বললাম যে, আজ মায়াপুরে ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীতে যোগ দিতে যাচ্ছি।” শাহ বলেন, “উনি মন থেকে এবং ভক্তিভরে আপনাদের সবাইকে হরে কৃষ্ণ বলেছেন।” তিনি বলেন, “একটু আগেই আমায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সম্বোধন করা হল। আমি এখানে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আসিনি। চৈতন্য মহাপ্রভুর অনন্য ভক্ত হিসেবে আজ আমি এখানে এসেছি।” শাহ বলেন, “ভালো-খারাপ সকলের মধ্যেই থাকে। শ্রীকৃষ্ণের শরণ নিলে সব কিছু শান্ত হয়। কৃষ্ণের নাম নেয় না, বিশ্বে এমন কেউ নেই। ভক্তি আন্দোলনকে সর্বত্র ছড়িয়েছেন শ্রীকৃষ্ণ।” তিনি জানান, ভক্তি আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র মায়াপুর সারা বিশ্বকে শান্তির পথ দেখায়।

    আধুনিকতা ধর্মের শত্রু নয়

    শাহ বলেন, “আধুনিকতা ধর্মের শত্রু নয়। শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ভক্তি অচল, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা অটুট, তখনই সব বাধা পেরিয়ে যাওয়া যায়।” তিনি বলেন, “ভক্তিসিদ্ধান্ত প্রভুপাদজি, ভক্তিবেদান্ত প্রভুপাদজিকে মন থেকে প্রণাম করে আমার কথা শুরু করতে চাই। কারণ মহাপ্রভু যে ভক্তি আন্দোলনের শুরু (Amit Shah) করেছিলেন, সেটা এই দুই মহাপুরুষই শুধু এগিয়ে নিয়ে যাননি, বরং আধুনিক করে যুবসমাজের মধ্যে এবং বিশ্বজুড়ে সকলের কল্যাণের রাস্তা প্রশস্ত করার কাজ করেছেন।” শাহ বলেন, “ভালো-মন্দ মানুষের মধ্যেই থাকে। কিন্তু যখন কেউ নিজের অস্বিস্ত ভুলে শ্রীকৃষ্ণময় হয়ে যান, তখন সব ভালোই হয় (Mayapur)। ভক্তিভরে কৃষ্ণনাম স্মরণেই চেতনা জাগ্রত হয়। দূর হয় মনের অন্ধকার (Amit Shah)।”

     

LinkedIn
Share