Tag: MEA

MEA

  • India: আফগানিস্তানের দিকে ‘মানবিকতা’র হাত বাড়াল পাকিস্তান, পাঠানো হল জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী

    India: আফগানিস্তানের দিকে ‘মানবিকতা’র হাত বাড়াল পাকিস্তান, পাঠানো হল জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার আফগানিস্তানের দিকে ‘মানবিকতা’র হাত বাড়াল নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)।  ১৬ মার্চ পাকিস্তানের হামলায় যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদের চিকিৎসা এবং তাঁরা যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন, তাই কাবুলে ২.৫ টন জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর (Medical Aid) একটি চালান পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (India)

    ১৬ মার্চের ওই নৃশংস হামলায় বহু মানুষ জখম হন। তার জেরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। বিদেশমন্ত্রকের (MEA) মতে, এই চালানে জরুরি ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কিট এবং অন্যান্য উপকরণ রয়েছে, যা আপৎকালীন চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার করতে পাঠানো হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “১৬ মার্চের নৃশংস হামলায় আহতদের চিকিৎসা ও দ্রুত আরোগ্যের সহায়তায় ভারত কাবুলে ২.৫ টন জরুরি ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কিট এবং যন্ত্রপাতি পাঠিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ভারত (India) আফগান জনগণের পাশে রয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে সব ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।”

    মোদি সরকারের মানবিক মুখ

    এই প্রথম নয়, মোদি সরকারের মানবিক মুখ আগেও দেখেছেন আফগানরা। গত সেপ্টেম্বরে ভূমিকম্পের জেরে বস্তুত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল তালিবান-শাসিত আফগানিস্তান। তার পরে পরেই ভারত আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য পাঠিয়েছিল। ওই ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছিল কমবেশি ১৪০০ জনের। এক্স হ্যান্ডেলে শোকপ্রকাশও করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করও জানিয়েছিলেন, আফগানিস্তানকে সর্বতোভাবে মানবিক সাহায্য করতে প্রস্তুত ভারত। পরে নয়াদিল্লি কাবুলে পাঠিয়েছিল চালের বস্তা, তাঁবু এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী বোঝাই ট্রাক। সেই সময় জয়শঙ্কর জানিয়েছিলেন, ভারত কাবুলে হাজারটি পরিবারের জন্য তাঁবু পাঠিয়েছে। খাদ্য সামগ্রী পাঠানো হয়েছে ১৫ টন।

    প্রসঙ্গত, সোমবারই পাক বিমানবাহিনী হামলা চালায় কাবুলের একটি বড় রিহ্যাব হাসপাতালে। আফগানিস্তানের দাবি, ওই হামলায় নিহত হয়েছেন ৪০০জন। জখম হয়েছেন ২৫০ জন। পাক হামলার (Medical Aid) সময় হাসপাতালটি ভর্তি ছিল রোগী এবং স্বাস্থ্যকর্মীতে (India)। তা সত্ত্বেও সেখানে হামলা চালানো হয়েছিল বলেই দাবি কাবুলের।

     

  • India: আরএসএস, ‘র’-এর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ মার্কিন কমিশনের, রিপোর্ট পত্রপাঠ খারিজ ভারতের

    India: আরএসএস, ‘র’-এর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ মার্কিন কমিশনের, রিপোর্ট পত্রপাঠ খারিজ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (USCIRF) ২০২৬-এর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করল ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রক। ওই প্রতিবেদনে আরএসএস (RSS) এবং ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করা হয়েছিল। সোমবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই কমিশন ধারাবাহিকভাবে বাস্তব তথ্যের বদলে মতাদর্শগত বর্ণনাকে প্রাধান্য দিয়ে ভারতের একটি বিকৃত ও নির্বাচিত চিত্র তুলে ধরছে।

    কী বললেন জয়সওয়াল? (India)

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা ইউএসসিআইআরএফের সর্বশেষ প্রতিবেদনটি লক্ষ্য করেছি। আমরা দৃঢ়ভাবে এর পক্ষপাতদুষ্ট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভারতের যে ছবি তুলে ধরা হয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করছি। বহু বছর ধরে ইউএসসিআইআরএফ সন্দেহজনক সূত্র ও মতাদর্শগত ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে ভারতের একটি বিকৃত ও একপাক্ষিক ছবি তুলে ধরছে। বারবার এই একই ধরনের ভুল উপস্থাপন কমিশনের নিজের বিশ্বাসযোগ্যতাকেই ক্ষুণ্ণ করে।” প্রতিবেদনটিতে ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দাবি করা হয়েছে, ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। কমিশনের অভিযোগ, ভারত সরকার ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও উপাসনালয়গুলিকে টার্গেট করছে এবং ওয়াশিংটনকে আহ্বান জানিয়েছে যেন বাণিজ্যনীতি ও অস্ত্র বিক্রিকে মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

    কী বলা হয়েছে প্রতিবেদনে?

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, “ভারতের কয়েকটি রাজ্য ধর্মান্তর বিরোধী আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করার উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে কঠোর কারাদণ্ডও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ব্যাপক আটক ও নাগরিক এবং ধর্মীয় শরণার্থীদের অবৈধ বহিষ্কারকে সহজতর করেছে এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে গণপিটুনি বা নজরদারি হামলাকে সহনীয়ভাবে দেখেছে (India)।” কমিশন ওয়াকফ সংশোধনী আইন এবং উত্তরাখণ্ড স্টেট অথরিটি ফর মাইনরিটি এডুকেশন অ্যাক্টের মতো আইনগুলির সমালোচনা করে। একই সঙ্গে বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে মহারাষ্ট্র, ওড়িশা এবং উত্তরপ্রদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার জন্য কাঠগড়ায় তোলা হয়। ইউএসসিআইআরএফের সুপারিশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার আর্মস এক্সপোর্ট কন্ট্রোল অ্যাক্টের ধারা ৬ প্রয়োগ করে ভারতের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করুক। ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলে এই সুপারিশ করা হয়েছে (USCIRF Credibility)।

    ভারতের ‘পরামর্শ’ আমেরিকাকে

    এই বাড়তে থাকা সুপারিশের জবাবে বিদেশমন্ত্রক (India) কমিশনকে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ সমস্যার দিকে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেয়। জয়সওয়াল বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে একপাক্ষিক সমালোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে ইউএসসিআইআরএফের উচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর, ভারতকে বেছে নিয়ে টার্গেট করা এবং ভারতীয় প্রবাসীদের বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা অসহিষ্ণুতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাগুলির দিকে নজর দেওয়া, যা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন।” বর্তমান কূটনৈতিক উত্তেজনা নতুন নয়। এর আগে নয়াদিল্লি ধারাবাহিকভাবে ইউএসসিআইআরএফের মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে, তাদের প্রতিনিধিদলকে ভিসা দিতে অস্বীকার করেছে এবং ২০১৯ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) নিয়ে তাদের সমালোচনার বিরোধিতা করেছে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    ২০২৫ সালের অনুরূপ বিতর্কে ভারতের বিদেশমন্ত্রক বলেছিল, বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা কমিশনের একটি পূর্বনির্ধারিত অ্যাজেন্ডার অংশ, প্রকৃত উদ্বেগ নয় (USCIRF Credibility)। তখনই মন্ত্রক ভারতের বহুত্ববাদী কাঠামোর ওপর জোর দিয়ে বলেছিল, ১৪০ কোটিরও বেশি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ এখানে সহাবস্থান করছে। তারা আরও বলে, “ভারতকে গণতন্ত্র ও সহনশীলতার প্রতীক হিসেবে দুর্বল করার এই প্রচেষ্টা সফল হবে না। বরং ইউএসসিআইআরএফকেই একটি উদ্বেগজনক সংস্থা হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত (India)।”

  • Pakistan: আফগানিস্তানে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান, কারণ কী?

    Pakistan: আফগানিস্তানে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান, কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বাড়ছে পাকিস্তান (Pakistan)- আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত বরাবর চলা সংঘাতের ঝাঁঝ। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে এই সংঘাত। তা কমার কিংবা স্থায়ী সমাধানের কোনও লক্ষণ এখনই দেখা যাচ্ছে না। গত বছর কাতার-সহ কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় দু’দেশের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা এখন কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়েছে। কারণ পাকিস্তান ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে আফগানিস্তানে (Afghanistan) হামলা চালিয়েই যাচ্ছে।

    আফগান ভূখণ্ডে ব্যাপক হামলা (Pakistan)

    সাম্প্রতিক উত্তেজনার আবহেই আফগান ভূখণ্ডে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। যার জেরে আফগানভূমে পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে নারী ও শিশু-সহ নিরীহ সাধারণ মানুষের জীবন। জানা গিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় পাকিস্তান আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় ২০০-টিরও বেশি রকেট ও আর্টিলারি শেল ছুড়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের একাধিক অঞ্চল। কুনার প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর জানিয়েছে, তীব্র হামলা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি।

    পাল্টা আঘাত আফগানিস্তানের

    পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত গত ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে তীব্র হতে শুরু করেছে। এখনও উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। পাকিস্তান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে আফগান ভূখণ্ডে হামলা চালানো শুরু করে এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (TTP) ঘাঁটিগুলিকে টার্গেট করে। এর প্রতিক্রিয়ায় আফগানিস্তানের তালিবান নেতৃত্বাধীন সরকার সীমান্তের ওপারে পাক ভূখণ্ডে পাল্টা হামলা চালায় (Pakistan)। কাবুল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানের এই হামলা আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন (Afghanistan)।

    ‘নৃশংস আগ্রাসন’

    পাকিস্তান কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া অঞ্চলেও নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। তালিবান নেতৃত্বাধীন সরকারের অভিযোগ, পাকিস্তান নির্বিচারে অসামরিক এলাকাকে টার্গেট করে হামলা চালিয়েছে। এর ফলে মৃত্যু হয়েছে নারী ও শিশুর। তালিবান সরকারের অভিযোগ, কান্দাহার বিমানবন্দরের কাছে একটি বেসরকারি এয়ারলাইনের জ্বালানি ডিপোয়ও বোমা ছুড়েছে পাকিস্তান। তালিবান সরকার আরও জানিয়েছে, পূর্ব আফগানিস্তানের একটি প্রদেশে পাকিস্তানের আর্টিলারি হামলায় একই পরিবারের চারজন সদস্য নিহত হয়েছে, যার মধ্যে দু’জন আবার শিশু। কাবুল ইসলামাবাদের এই হামলাকে ‘নৃশংস আগ্রাসন’ বলে নিন্দে করেছে। তারা জানিয়েছে, এর জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।

    কাবুলের অভিযোগ

    পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তান তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তার ফলে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। তবে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, পাকিস্তান জঙ্গিদের আড়াল করতেই এমনতর অভিযোগ করছে (Pakistan)। কাবুলের অভিযোগ, পাকিস্তান সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে আফগানিস্তানে (Afghanistan) হামলা চালিয়ে মিথ্যে খবর রটাতে চাইছে। এসব করে তারা অর্থনৈতিক ব্যর্থতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মতো নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার থেকে বিশ্ববাসীর নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে।

    পাক-আফগান সংঘর্ষের এই প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লিও আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, পাকিস্তান তার অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতাগুলিকে বাইরের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে (Pakistan)।

     

  • MEA: ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় ১.৩ লক্ষ ভারতীয় দেশে ফিরেছেন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    MEA: ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় ১.৩ লক্ষ ভারতীয় দেশে ফিরেছেন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রক (MEA) নিশ্চিত করেছে যে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়া থেকে প্রায় ১,৩০,০০০ ভারতীয় নাগরিক দেশে ফিরেছেন। একটি আন্তঃদেশীয় প্রতিবেদন পেশ করার সময় উপসাগরীয় অঞ্চলের অতিরিক্ত সচিব অসীম মহাজন এই প্রচেষ্টার কথা বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, আঞ্চলিক আকাশপথ এখনও অস্থিতিশীল থাকলেও যারা ফিরতে ইচ্ছুক তাদের সুবিধার্থে বাণিজ্যিক এবং অনির্ধারিত ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।

    রিয়াদ, জেদ্দা, মদিনা এবং দাম্মাম থেকে আসছে বিমান (MEA)

    সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে (UAE) বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর থেকে নন-শিডিউল্ড বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় শুরু হয়েছে, যার ফলে যাতায়াতের সুবিধা বেড়েছে। সাম্প্রতিক তথ্যে (MEA) দেখা গেছে যে, কাতার এবং সৌদি আরবের মাধ্যমে প্রায় ২,৯০০ ভারতীয় ফিরে এসেছেন। কাতার এয়ারওয়েজ আগামী দিনগুলিতে ভারতের জন্য প্রতিদিন এক থেকে দুটি ফ্লাইট চালু রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। সৌদি আরবেও পরিস্থিতির একই রকম স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং ইন্ডিগো রিয়াধ, জেদ্দা, মদিনা এবং দাম্মাম থেকে তাদের নির্ধারিত পরিষেবা পুনরায় শুরু করেছে। তবে আকাশপথ বন্ধ (Iran) থাকায় কুয়েত এবং ইরাকের পরিস্থিতি এখনও সংবেদনশীল। বর্তমানে এই অঞ্চলে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সৌদি আরবের স্থল সীমান্ত দিয়ে যাতায়াতে সহায়তা করছেন, যাতে তারা সেখান থেকে ফ্লাইটে উঠতে পারেন। এর পাশাপাশি, বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ১৭০ জন ভারতীয় নাগরিক ইরান থেকে স্থলপথে সফলভাবে আর্মেনিয়ায় প্রবেশ করেছেন যাতে সেখান থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইটে দেশে ফিরতে পারেন।

    মাস্কাটের শিল্পাঞ্চলে ড্রোনের আঘাতে মৃত দুই ভারতীয়

    বিদেশমন্ত্রকের প্রতিবেদনে (MEA) সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনা করা হয়েছে। ‘সেফসি বিষ্ণু’ (Safesea Vishnu) নামক জাহাজের ১৫ জন ক্রু সদস্যের প্রত্যাবর্তন এবং বসরা-র কাছে একটি হামলায় মৃত ভারতীয়দের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সমন্বয় বজায় রেখে প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রক। মাস্কাটের (Iran) একটি শিল্পাঞ্চলে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে দুই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছে বিদেশ মন্ত্রক  এবং জানিয়েছে যে আরও দশজন আহত ভারতীয় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • India: সীমান্তপার সন্ত্রাসে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা, পাকিস্তানের দাবি পত্রপাঠ খারিজ নয়াদিল্লির

    India: সীমান্তপার সন্ত্রাসে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা, পাকিস্তানের দাবি পত্রপাঠ খারিজ নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপার সন্ত্রাসের ঘটনায় ভারতকে (India) জড়ানোর চেষ্টা পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি (Terrorism Link)। বিদেশমন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, এটি এমন একটি দেশের মরিয়া চেষ্টা, যার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীকে আশ্রয় ও মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে এমনই জানালেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। পাকিস্তান একটি বিবৃতিতে সাম্প্রতিক কিছু জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ভারতকে কাঠগড়ায় তুলেছে। তারই প্রেক্ষিতে জয়সওয়াল বলেন, “আমরা এই সব ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি। নিজেদের অপকর্মের দায় ভারতের ওপর চাপানো পাকিস্তানের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কয়েক দশক ধরে রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের সীমান্তপার সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কোনও বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই। যত গল্পই বানানো হোক না কেন, বাস্তবতা বদলাবে না, আর পাকিস্তানের এই তথাকথিত ‘ভুক্তভোগী’ হওয়ার দাবিতে কেউ আর বিভ্রান্তও হবে না।”

    পাকিস্তানের চেষ্টা ব্যর্থ (India)

    তিনি বলেন, “নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে তুলে ধরতে পাকিস্তানের এই দীর্ঘ প্রয়াস আন্তর্জাতিক মহলে এখন আর কোনও গুরুত্ব পায় না। কারণ বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ ঘোষিত বহু জঙ্গি এবং জঙ্গি সংগঠনকে আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস পাকিস্তানের রয়েছে।” এদিনই জয়সওয়াল পাকিস্তানের আর একটি বিবৃতিরও জবাব দেন। ওই বিবৃতিতে পাকিস্তান ভারত এবং কানাডার মধ্যে সম্প্রতি হওয়া পারমাণবিক ও রফতানি-নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তির সমালোচনা করেছে। ইসলামাবাদের দাবি, এই চুক্তি পারমাণবিক বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

    কী বললেন জয়সওয়াল

    এর জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “এই বিষয়ে পাকিস্তানের দেওয়া বিবৃতি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। পারমাণবিক বিস্তার রোধের ক্ষেত্রে ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিখুঁত এবং আন্তর্জাতিক মহলে তা সুপরিচিত। গোপনে পারমাণবিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার সুপরিচিত ইতিহাস রয়েছে যে দেশের, তাদের মুখে রফতানি নিয়ন্ত্রণ বা বিস্তার-ঝুঁকি নিয়ে নীতিকথা বড়ই হাস্যকর। এই ধরনের অবান্তর কথা আসলে পাকিস্তানের নিজেদের দুর্বল রেকর্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি প্রচেষ্টা (Terrorism Link)।”

    কী বলছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই দু’টি বিবৃতি আন্তর্জাতিক মহলের মনোযোগ তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতা এবং পারমাণবিক বিস্তার সংক্রান্ত অতীত থেকে সরিয়ে নেওয়ার একটি যৌথ প্রচেষ্টার অংশ (India)। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে, ইসলামাবাদ জঙ্গি পরিকাঠামো ভেঙে না ফেলা পর্যন্ত এবং রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদের ব্যবহার বন্ধ না করা পর্যন্ত পাকিস্তানের অভিযোগে কান দেবে না ভারত। প্রসঙ্গত, এই ঘটনাগুলি ঘটছে নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Control) বরাবর উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এবং পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিশ্রুতি নিয়ে (Terrorism Link) আন্তর্জাতিক মহলের নতুন করে নজরদারির মধ্যেই (India)।

     

  • AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ (AI Impact Summit)- এর আয়োজন করতে চলেছে। এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টি দেশের রাষ্ট্রনেতারা নয়াদিল্লিতে সমবেত হবেন। ভারত এই সম্মেলনের সহ-সভাপতি এবং “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” (মানুষ, পৃথিবী ও অগ্রগতি) এই মূল (Global Tech Drive) প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সম্মেলন পরিচালনার লক্ষ্য নিয়েছে।

    ভারতে আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি (AI Impact Summit)

    এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নেবেন। দায়িত্বশীল প্রযুক্তিগত বিপ্লবের লক্ষ্যে এই আন্তঃমহাদেশীয় সমাবেশ ভারতের আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি, গুরুত্ব ও গভীরতাকেই প্রতিফলিত করে। বিদেশমন্ত্রকের সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” এই তিন সূত্রে আন্ডারলাইন করা এআই ইমপ্যাক্ট সামিট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সহযোগিতা সম্পর্কে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, উদ্ভাবক, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হবেন এবং এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন। তাঁরা এমন একটি দায়িত্বশীল এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার সহযোগিতামূলক পথ নিয়ে আলোচনা করবেন, যা ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে সম্মান জানাবে।

    অংশগ্রহণকারী দেশ

    বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণকারী হলেন ভুটান, বলিভিয়া, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, গ্রিস, গায়ানা, কাজাখস্তান, লিশটেনস্টাইন, মরিশাস, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, সেশেলস, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রপ্রধানরা। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিপুল সংখ্যক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি ভারতের নেতৃত্বে একটি দায়িত্বশীল এআই বিপ্লবের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে। একইসঙ্গে এই সম্মেলন এআইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য (AI Impact Summit) উন্নয়নের লক্ষ্যে একজন দায়িত্বশীল বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে ভারতের প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরে (Global Tech Drive)।

    ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে

    বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি এই সম্মেলনে বৃহৎ ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ প্রতিনিধি দলও উপস্থিত থাকবে। বিদেশমন্ত্রকের মতে, ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রীস্তরের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরাও নয়াদিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন, যাতে এআইয়ের দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের জন্য সহযোগিতামূলক পথ সুগম করা যায়। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে অংশ নেবেন। সব মিলিয়ে ১০০টিরও বেশি দেশ ভারতের নেতৃত্বে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য নয়াদিল্লিতে সমবেত হবে।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৃহৎ আকারের এআই সম্মেলন। ফলে সম্মেলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক এআইয়ের বিকাশ ও প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণ করা, যা গ্লোবাল সাউথের মানুষ ও যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। ভারতের বিদেশনীতি বরাবরই গ্লোবাল সাউথের কল্যাণ ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই ভারতে আয়োজিত এই সম্মেলনে (AI Impact Summit) গ্লোবাল সাউথের সমৃদ্ধি এবং এআই বিপ্লবের সুফল পৃথিবীর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে (Global Tech Drive)।

     

  • PM Modi: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই গাড়িতে সফর করলেন মোদি

    PM Modi: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই গাড়িতে সফর করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পর এবার মালয়েশিয়ার (Malaysia) প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একই গাড়িতে সফর করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দু’দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার সেখানেই দেখা গেল দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্য। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই দুই প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে একটি কমিউনিটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান। যাত্রাপথের একটি ছবি এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “এই মুহূর্তটি ভারত ও মালয়েশিয়ার জনগণের মধ্যে দৃঢ় পারস্পরিক সম্পর্কের উদযাপন।”

    প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা (PM Modi)

    এর আগে, বিমানবন্দরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। বিশেষ সৌজন্য প্রদর্শন করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম নিজে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাঁকে স্বাগত জানান। এই আন্তরিক অভ্যর্থনায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমি এতে গভীরভাবে আপ্লুত এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী।” ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতো’ সেরি আর রামানন এবং উপ-বিদেশমন্ত্রী দাতো’ লুকানিসমান বিন আওয়াং সাউনি। বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) বিবৃতি অনুযায়ী, আগমনের পর ভারত ও মালয়েশিয়ার অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয় (Malaysia)।

    ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’

    এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে বিদেশমন্ত্রক জানায়, ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’, ‘ভিশন মাহাসাগর’ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ ও বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। চলতি সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘সেলামাত দাতাং মোদিজি’ শীর্ষক একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে প্রবাসী ভারতীয়রা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করবেন। অনুষ্ঠানে ভারতীয় শাস্ত্রীয় ও লোকনৃত্যের নানা ধারার সমন্বয়ে একটি বৃহৎ দলগত নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে মালয়েশিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তোলারও প্রচেষ্টা থাকবে (PM Modi)।

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ৭–৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই সফরের মূল লক্ষ্য ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারত–মালয়েশিয়া ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করা। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে ভারতীয় সম্প্রদায় ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করবেন (Malaysia)। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের পর এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৃতীয়বার মালয়েশিয়া সফর, যা দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততারই ইঙ্গিত বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

     

  • India Map: দিল্লির দাবিতেই মান্যতা ট্রাম্প প্রশাসনের, পিওকে-আকসাই চিন ভারতেরই, মানছে আমেরিকাও

    India Map: দিল্লির দাবিতেই মান্যতা ট্রাম্প প্রশাসনের, পিওকে-আকসাই চিন ভারতেরই, মানছে আমেরিকাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির কাঠামো ঘোষণা করার পর, ট্রাম্প প্রশাসনের শেয়ার করা ভারতের একটি মানচিত্র (India Map) চলে এসেছে আলোচনার কেন্দ্রে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরালও (Trade Deal) হয়েছে এই মানচিত্রটি। বাণিজ্য চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশের সময় মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দফতর (USTR) যে ভারতের মানচিত্র প্রকাশ করে, তাতে জম্মু ও কাশ্মীরের পুরো অঞ্চল এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরকে (POK) ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই মানচিত্রে আকসাই চিনকেও ভারতের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যদিও চিন এই অঞ্চলকে নিজের ভূখণ্ড বলেই দাবি করে।

    নয়া মানচিত্র (India Map)

    অবশ্য ভারতের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল না। ভারত বরাবরই বলে আসছে যে কাশ্মীর দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবু এই মানচিত্র আমেরিকার পূর্ববর্তী অবস্থান থেকে একটি স্পষ্ট বিচ্যুতি নির্দেশ করে। এটি ইচ্ছাকৃতই হোক বা অনিচ্ছাকৃত, পাকিস্তানের উদ্দেশে একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক বার্তা পাঠিয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ভারতের মানচিত্রের সঙ্গেই সাযুজ্য রাখছে। এর আগে আমেরিকা বা তাদের বিদেশ দফতর যে মানচিত্রগুলি প্রকাশ করত, তাতে সাধারণত পাকিস্তানের আপত্তির কথা মাথায় রেখে পিওকে-কে স্পষ্টভাবে আলাদা করে দেখানো হত। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ প্রকাশিত মানচিত্র পাকিস্তানের দাবিকে কার্যত উপেক্ষাই করেছে। এই ঘটনার সময়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অস্থির ও অনিশ্চিত অবস্থায় ট্রাম্প নেতৃত্ব এক টালমাটাল সময় পার করার পর ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আবার তাদের সম্পর্ক নতুন করে সাজাচ্ছে। বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যেই ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের মধ্যে সর্বোচ্চ। নতুন বাণিজ্য কাঠামোর আওতায় সেই শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমে এসেছে, যা এশীয় দেশগুলির মধ্যে সর্বনিম্ন (India Map)।

    ‘ডি-হাইফেনেশন’ নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত

    এছাড়া ট্রাম্প আবারও ভারত ও পাকিস্তানকে একসঙ্গে দেখার (re-hyphenation) নীতি অনুসরণ করার চেষ্টা করেন, যা জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসনের শুরু করা ‘ডি-হাইফেনেশন’ নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত এবং পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্টরাও তা অনুসরণ করে এসেছিলেন। মানচিত্রে লাদাখের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত বিতর্কিত আকসাই চিন অঞ্চলকেও ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যদিও চিন দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের আপত্তি উপেক্ষা করে এই অঞ্চলের ওপর দাবি জানিয়ে আসছে (Trade Deal)। প্রসঙ্গত, ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) বারবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ দফতর ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মানচিত্রে জম্মু ও কাশ্মীর এবং অরুণাচল প্রদেশের ভুল উপস্থাপনার বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে এসেছে। আমেরিকার সাম্প্রতিক পদক্ষেপে অবশেষে ভারতের এই দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভূরাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা দ্রুত এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। অবসরপ্রাপ্ত মেজর গৌরব আর্য টুইট করে লেখেন, “মানচিত্রের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পুরো নম্বর। খুব ভালো কাজ (India Map)।”

    পাকিস্তানের কূটনৈতিক তৎপরতা

    আর এক ইউজার লেখেন, “পাকিস্তান, (আসিম) মুনির এবং ওয়াশিংটন সফর নিয়ে প্রচারের পক্ষে এটা একটা বড় ধাক্কা”, যা ইসলামাবাদের ট্রাম্পকে তোষামোদ করার প্রচেষ্টার দিকে ইঙ্গিত করে (Trade Deal)। গত ছ’মাসে পাকিস্তানের কূটনৈতিক তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তিনবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন এবং ট্রাম্পের সঙ্গে দু’বার সাক্ষাৎ করেছেন, যার মধ্যে জুন মাসের একটি বহুল আলোচিত মধ্যাহ্নভোজও রয়েছে। এটি ছিল প্রথমবার, যখন কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে একান্তে সাক্ষাৎ করেন, কোনও বেসামরিক নেতৃত্ব ছাড়াই। এক সাংবাদিক টুইট-বার্তায় লেখেন, “বাণিজ্য গৌণ বিষয়। আসল বিষয় হল, এই মানচিত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগের অবস্থান থেকে বড় পরিবর্তন, যেখানে পিওকে-কে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখানো হত।”

    অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তি

    তবে মধ্য-মার্চে স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকা এই অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তি ভারতের রফতানিকারীদের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে, বিশেষত ৫০ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের পরে। ভারত ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, তামা, ওষুধ, গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশে ছাড় আদায় করতে সক্ষম হয়েছে, যদিও কৃষি ও দুগ্ধ খাতে নিজের ‘রেড লাইন’ অটুট রেখেছে (India Map)। এখন প্রশ্ন হল, এই মানচিত্র কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে সূক্ষ্ম কোনও পরিবর্তনের ইঙ্গিত, যা ভারতের দিকে ঝুঁকছে? এটি কি ট্রাম্পের সঙ্গে এক বছরের টানাপোড়েনের পর ভারতকে তুষ্ট করার কৌশল, নাকি নিছকই আমলাতান্ত্রিক অসাবধানতা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার, এই (Trade Deal) মানচিত্র ভারতকে উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক সুবিধা দিয়েছে এবং ভারতের সবচেয়ে সংবেদনশীল ভূখণ্ডগত দাবিকে আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে (India Map)।

     

  • Tariff Threat: ‘সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করাই ভারতের অগ্রাধিকার’, ট্রাম্প-হুমকি উপেক্ষা করে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    Tariff Threat: ‘সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করাই ভারতের অগ্রাধিকার’, ট্রাম্প-হুমকি উপেক্ষা করে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আবহে এখনও যারা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করে চলেছে, সেই সব দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব সংবলিত একটি বিল মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপনের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত (Tariff Threat)। শুক্রবার ভারতের বিদেশমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দেয়, পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির মধ্যেও ১৪০ কোটি মানুষের জন্য সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করাই ভারতের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার (US)।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (Tariff Threat)

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “আমরা প্রস্তাবিত বিলটির বিষয়ে অবগত। বিষয়টি আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।” তিনি জানান, জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই স্পষ্ট। ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হয় জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাজারের বাস্তবতার ভিত্তিতে। জয়সওয়াল বলেন, “জ্বালানি উৎস সংক্রান্ত বৃহত্তর প্রশ্নে ভারতের অবস্থান সুপরিচিত। বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তনশীল গতিপ্রকৃতি এবং বিভিন্ন উৎস থেকে সাশ্রয়ী জ্বালানি সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তাই আমাদের পথনির্দেশ করে, যাতে ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় (Tariff Threat)।”

    মার্কিন সেনেটরের প্রতিক্রিয়া

    বিদেশমন্ত্রকের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে মার্কিন সেনেটর লিন্ডসি গ্রাহামের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই। গ্রাহামের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলে’ সবুজ সংকেত দিয়েছেন। এই বিল কার্যকর হলে ভারত, চিন ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলির ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে, যাতে তারা রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে (US)। এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে গ্রাহাম বলেন, “ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনার মধ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” তাঁর দাবি, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার পর তিনি রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলটি অনুমোদন করেন। ইউক্রেন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে, অথচ পুতিন শুধু কথার ফুলঝুরি ছোটাচ্ছেন এবং নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করার কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এই বিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সেই দেশগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেবে, যারা সস্তায় রুশ তেল কিনে পুতিনের যুদ্ধাস্ত্রকে জ্বালানি জোগাচ্ছে (Tariff Threat)।” গ্রাহামের ইঙ্গিত, আগামী সপ্তাহেই বিলটি দ্বিদলীয় ভোটাভুটির জন্য তোলা হতে পারে।

    ‘স্যাঙ্কসানিং অফ রাশিয়া অ্যাক্ট ২০২৫’

    এ প্রসঙ্গে এক মার্কিন সেনেটর বলেন, “এই বিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চিন, ভারত ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলির ওপর বিপুল প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দেবে, যাতে তারা রাশিয়ার সস্তা তেল কেনা বন্ধ করে। ওই তেল থেকেই পুতিন ইউক্রেনে গণহত্যার অর্থ জোগাচ্ছেন। আমি আশা করছি, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এই বিলের পক্ষে শক্তিশালী দ্বিদলীয় সমর্থন মিলবে (US)।” মার্কিন কংগ্রেসের সরকারি ওয়েবসাইট অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই বিলটির নাম ‘স্যাঙ্কসানিং অফ রাশিয়া অ্যাক্ট ২০২৫’। এই আইনের আওতায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিল অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সমস্ত পণ্য ও পরিষেবার ওপর শুল্কের হার কমপক্ষে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। শুধু তাই নয়, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও সংস্থাগুলির বিরুদ্ধেও আর্থিক জরিমানা ও অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এই বিল কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে বলেই অনুমান কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের (Tariff Threat)।

  • India China Relation: অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দাকে হেনস্থা, ফের একবার চিনকে কড়া বার্তা নয়াদিল্লির

    India China Relation: অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দাকে হেনস্থা, ফের একবার চিনকে কড়া বার্তা নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার চিনকে কড়া বার্তা দিল নয়াদিল্লি (India China Relation)। সোমবার ভারতের বিদেশমন্ত্রক কড়াভাবে বেজিংকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সম্প্রতি সাংহাই বিমানবন্দরে অরুণাচল প্রদেশের এক মহিলাকে যেভাবে হয়রান করা হয়েছে (MEA), সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যে হবে না, সে ব্যাপারে নিশ্চয়তা দেওয়া হোক। ভারতের তরফে এই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে এমন একটা সময়ে, যখন ট্রানজিটে থাকা ভারতীয় যাত্রীদের ওপর ইচ্ছেমতো তল্লাশি এবং খারাপ আচরণ ক্রমেই বাড়ছে। প্রসঙ্গত, সাংহাই বিমানবন্দরে ভারতের অরুণাচল প্রদেশের এক মহিলাকে হয়রানির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরেই চিনকে কড়া বার্তা দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশ।

    রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্য (India China Relatio)

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা আশা করি চিনা কর্তৃপক্ষ ভারতীয় নাগরিকদের, যাঁরা চিনা বিমানবন্দর দিয়ে ট্রানজিট করছেন, তাঁদের কোনও রকম বাছাই করে টার্গেট করা, ইচ্ছে মতো আটক করা বা হয়রান করা হবে না এবং আন্তর্জাতিক আকাশপথ ভ্রমণের নিয়মগুলিকেও চিনের পক্ষ থেকে মান্যতা দিতে হবে।” তিনি বলেন, “আমরা বহুবার বলেছি যে অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। শুধু তাই নয়, আমরা এতে কোনও ধরনের হস্তক্ষেপ চাই না।” চিন-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে জয়সওয়াল বলেন, “এই সম্পর্ক ধীরে ধীরে ইতিবাচক দিকের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং আমরা চাই এটি সেই দিকেই এগিয়ে চলুক।”

    ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ

    এদিকে, বিদেশমন্ত্রক ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশিকাও জারি করেছে। জয়সওয়াল বলেন, “চিন ভ্রমণ বা দেশটি হয়ে ট্রানজিট করার সময় ভারতীয় নাগরিকদের যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।” বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, প্রেমা ওয়াংজম থংডক নামে অরুণাচল প্রদেশের এক মহিলা, যিনি কর্মসূত্রে ব্রিটেনে থাকেন, তাঁকে আটক করার খবর পেয়ে ভারতের তরফে বেজিং এবং নয়াদিল্লিতে অবস্থিত চিনা দূতাবাসের কাছে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। যদিও চিনের নিয়ম অনুযায়ী তিনি ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট সুবিধার যোগ্য ছিলেন, তবুও তাঁকে যাত্রাবিরতির সময় আটক করা হয়। জয়সওয়াল বলেন, “আমরা বলতে চাই যে অরুণাচল প্রদেশ ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য ও অখণ্ড অংশ, এবং এটি একটি স্বতঃসিদ্ধ সত্য। চিনের পক্ষ থেকে যত অস্বীকারই করা হোক না কেন, এটি অকাট্য সত্য যে বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয় (India China Relation)।”

    আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সম্পর্কিত কনভেনশন লঙ্ঘন

    বিদেশমন্ত্রকের মতে, বৈধ পাসপোর্টধারী ওই ভারতীয় নাগরিককে জাপানে যাওয়ার পথে সাংহাই বিমানবন্দরে আটক করা হয় (MEA)। ভারতের দাবি, চিনা কর্তৃপক্ষের এহেন আচরণ ভিত্তিহীন এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণ নীতি লঙ্ঘন করে। জয়সওয়াল বলেন, “এই বিষয়টি চিনের সামনে কঠোরভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সম্পর্কিত বহু কনভেনশন লঙ্ঘন করার পরেও চিনা কর্তৃপক্ষ এখনও তাঁদের কার্যকলাপের ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।” তাঁর মতে, চিনের এই পদক্ষেপ তাদের নিজেদের ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট নীতির বিরোধী। বিদেশমন্ত্রক সতর্ক করে জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করে। জয়সওয়াল বলেন, “অরুণাচল প্রদেশের এক ভারতীয় নাগরিককে জড়িয়ে চিনের ইচ্ছাকৃত পদক্ষেপ উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও বোঝাপড়া গড়ে তোলার প্রচেষ্টার পথে বড় বাধা সৃষ্টি করে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে (India China Relation)।”

    স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপ

    বিদেশমন্ত্রক সতর্ক করে বলেছে যে, এই ধরনের ঘটনা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ককে দুর্বল করে। জয়সওয়াল বলেন, “চিন কর্তৃক অরুণাচল প্রদেশের একজন ভারতীয় নাগরিককে জড়িয়ে নেওয়া এই স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপ উভয় পক্ষের পারস্পরিক বিশ্বাস ও বোঝাপড়া গড়ে তোলার এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে (MEA)।” যদিও ভারতের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে চিন। বেজিং-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, “সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বৈধ অধিকার ও স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত ছিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।” এই আটক কিংবা হয়রানির অভিযোগ নাকচ করে দেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, ব্রিটেন প্রবাসী অরুণাচল প্রদেশের ওই মহিলা তাঁর দীর্ঘ দুর্ভোগের গল্প তুলে ধরে দাবি করেন, চিনা ইমিগ্রেশন কর্তারা তাঁর ভারতীয় পরিচয় নিয়ে উপহাস করেন এবং প্রশ্ন তোলেন, এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে সাংহাই ও বেইজিংয়ে ভারতীয় দূতাবাসের হস্তক্ষেপের পর (India China Relation)।

LinkedIn
Share