Tag: MGNREGA

MGNREGA

  • VB-G-RAM-G Bill: মনরেগার নাম পরিবর্তন! লোকসভায় পাশ নতুন ‘ভিবিজিরামজি’ বিল, জানেন নতুন কী রয়েছে এতে?

    VB-G-RAM-G Bill: মনরেগার নাম পরিবর্তন! লোকসভায় পাশ নতুন ‘ভিবিজিরামজি’ বিল, জানেন নতুন কী রয়েছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জননীতি ও কল্যাণমূলক প্রকল্প মানেই সংক্ষিপ্ত নাম বা অ্যাক্রোনিম। পোষাণ (POSHAN), পিএম-আশা (PM-AASHA)-র মতো প্রকল্পগুলির নামেই সরকারের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই ধারাবাহিকতাতেই সংসদ সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (MGNREGA) বাতিল করে পাশ হয়েছে বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার এবং আজীবিকা মিশন গ্রামীণ (VB-G-RAM-G) আইন। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই প্রতীকের রাজনীতির চোখে দেখলেও, বাস্তবে এটি গ্রামীণ কর্মসংস্থান নীতিতে একটি গুণগত ও কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। নতুন আইন কেবল নাম বদল নয়, বরং কাজের সুযোগ, উৎপাদনশীলতা এবং জবাবদিহির প্রশ্নে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।

    নতুন আইনের গুরুত্বপূর্ণ দিক

    নতুন আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল— কাজের নিশ্চয়তা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা। এটি সরাসরি গ্রামীণ পরিবারের আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রের একক ১০০ শতাংশ অর্থায়নের বদলে রাজ্যগুলিকেও অর্থনৈতিক দায়িত্বে যুক্ত করা হয়েছে (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ)। এর ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের দায়বদ্ধতা ও নজরদারি দু’টিই বাড়বে। তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল— বপন ও ফসল কাটার সময়ে ৬০ দিনের কাজ-বিরতি। প্রথম দর্শনে এটি সীমাবদ্ধতা মনে হলেও, বাস্তবে এর লক্ষ্য গ্রামীণ শ্রমকে কৃষি চক্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা। এতে শ্রমিকরা কৃষিকাজে বেশি মজুরি আদায়ের সুযোগ পাবে এবং সরকারি প্রকল্পের কাজও কৃষির পরিপূরক হিসেবে পরিকল্পিত হবে। চতুর্থত, ‘ভিবিজিরামজি’( VB-G-RAM-G) চারটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কাজকে কেন্দ্রীভূত করেছে— জল, নিরাপত্তা, পরিকাঠামো ও জলবায়ু সহনশীলতা। মনরেগা-র অধীনে কাজের পরিধি বিস্তৃত হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা উৎপাদনশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছিল। নতুন কাঠামোতে থিমভিত্তিক কাজের ফলে গ্রামীণ এলাকায় টেকসই সম্পদ, জল সংরক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    দুর্নীতি কমার সম্ভাবনা

    তৃণমূলভিত্তিক বিচ্ছিন্ন কাঠামোর বদলে এই প্রকল্পকে প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি-র সঙ্গে সংযুক্ত করা। এর ফলে কাজের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও নজরদারি হবে কেন্দ্রীয় ডেটা ও প্রযুক্তিনির্ভর। এতে একদিকে যেমন দুর্নীতি কমার সম্ভাবনা বাড়ে, তেমনই প্রকল্পের আউটপুট ও ফলাফল পরিমাপযোগ্য হয়। এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন, মনরেগা নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক প্রকল্প ছিল। এটি ৭৪১টি জেলা, ২.৬৯ লক্ষ পঞ্চায়েত এবং ১২.১ কোটি শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়েছে। সংসদের স্থায়ী কমিটি বারবার জানিয়েছে, শ্রমিকদের গড় মজুরি অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম মজুরির নিচে ছিল। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হল— বিপুল বকেয়া মজুরি। ২০২৫ সালের অগস্টে দেখা যায়, ১২,২১৯.১৮ কোটি টাকা অবৈতনিক মজুরি পড়ে রয়েছে, যা ওই বছরের বরাদ্দের প্রায় ১৪ শতাংশ।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প

    গত পাঁচ বছরে প্রকৃত কাজের দিন গড়ে ৪৮–৫২ দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। ২০২৪-২৫ সালে কাজ পাওয়া ৫.৭৮ কোটি পরিবারের মধ্যে মাত্র ৪০ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছে। অর্থাৎ, আইনে অধিকার থাকলেও বাস্তবে সেই সুযোগ পূর্ণমাত্রায় পৌঁছয়নি। বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সরকার নতুন আইনে কাজের সুযোগের পাশাপাশি জবাবদিহি ও দক্ষতার ওপর জোর দিয়েছে। রাজ্যগুলির আর্থিক অংশগ্রহণ, থিমভিত্তিক কাজ, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়— এই সবকিছু মিলিয়ে নতুন প্রকল্প অধিক ফলপ্রসূ ও স্বচ্ছ কাঠামো গড়ে তুলতে পারে। বর্তমানে ভারত চালাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প, ৮১ কোটি মানুষকে নিয়ে বিনামূল্যের খাদ্য প্রকল্প (ব্যয় ২.১২ লক্ষ কোটি টাকা), স্বাস্থ্য বিমা, কৃষক আয় সহায়তা ও গ্রামীণ আবাসন প্রকল্প। মোট ব্যয় প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকা। এত বিপুল ব্যয়ের ক্ষেত্রে ফলাফল ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

     

     

  • MGNREGA: এবার ১২৫! ১০০ দিনের কাজে রোজগার বাড়াল মোদি সরকার, বদলে যাচ্ছে নামও

    MGNREGA: এবার ১২৫! ১০০ দিনের কাজে রোজগার বাড়াল মোদি সরকার, বদলে যাচ্ছে নামও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের এনডিএ জোটের মোদি (Pm Modi) সরকারের তরফে বাড়ানো হল ন্যূন্যতম কাজের দিন (MGNREGA)। বদল করে দেওয়া হল প্রকল্পের নাম। মনরেগা নিয়ে বড় ঘোষণা মোদি সরকারের। গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে মনরেগা প্রকল্পের নাম বদলে রাখা হল ‘পুজ্য বাপু গ্রামীণ রোজগার গ্যারান্টি’। একই ভাবে এই বছরে কাজের দিনের পরিমাণ আগে ছিল ১০০, এখন তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১২৫ দিন। এবার থেকে বছরে এই প্রকল্পে ১২৫ দিনের কাজ দেওয়া দেওয়া হবে। আর কমপক্ষে দেওয়া হবে দিনপ্রতি ২৪০ টাকা।

    নাম বদলের মানসিকতার বদল

    এই নাম পরিবর্তনকে বিজেপির (Pm Modi) ভাবনায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ। দেশ থেকে ব্রিটিশরা চলে গেলেও ঔপনিবেশিক মানসিকতার তেমন বদল ঘটেনি। তাই নাম এবং নামের সঙ্গে যুক্ত মানসিকতাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যেমন- প্রধানমন্ত্রীর অফিসের নাম হয়েছে সেবা তীর্থ, রাজপথ হয়েছে কর্তব্য পথ, রাজভবনের নাম হয়েছে লোকভবন, রাজ্যপালের নাম লোকপাল। রেড কোর্স রোডের নাম হয়েছে লোক কল্যাণ মার্গ। এবার মনরেগার (MGNREGA) নাম বদল করে রাখা হয়েছে বাপুজির নামে। তবে নাম বদল যে শুধু কাজের জন্যই হয়েছে তা নয়, এই বদলের সঙ্গে মানসিকতার বদলও ভীষণ ভাবে প্রয়োজন। জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন প্রথম ২০০৫ সালে পাস হয়েছিল। ২০০৯ সালে, ইউপিএ সরকারের আমলে, এর নামকরণ করা হয় মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (মনরেগা)। এই আইন ওই বছরের ২ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়। এইবার এনডিএ সরকার এটির নাম পরিবর্তন করে ১২৫ দিন কাজের গ্যারান্টি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ১০০ দিনের কাজ সুনিশ্চিত

    ২০০৯ সালে যখন ইউপিএ (MGNREGA) আইনটির নাম পরিবর্তন করে, তখন তৎকালীন সরকার যুক্তি দিয়েছিল যে মহাত্মা গান্ধীর নাম আইনের সাথে যুক্ত করলে সমতা এবং অন্তর্ভুক্তির উপর মনোযোগ আরও জোরদার হবে। যদিও আইনে প্রত্যেক যোগ্য ব্যক্তিকে ১০০ দিন পর্যন্ত কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে সরকারী তথ্য অনুসারে, গত বছর ৪০.৭০ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের পুরো কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছিল। ২০২৫-২৬ সালে মাত্র ৬.৭৪ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরেছে। ফলে, এই প্রকল্পে অনেক ফাঁকফোকড় ছিল, যা প্রকট হয়েছে। মোদি সরকার, সেগুলিকে ভরাট করতে তৎপর।

    সারা দেশে প্রায় ২৯০ কোটি কর্ম দিবস

    ২০২৪-২৫ সালে, মনরেগা (MGNREGA) সারা দেশে প্রায় ২৯০ কোটি কর্মদিবসের কর্মসংস্থান তৈরি করেছিল। তবে, রাজ্য সরকারগুলি তাদের নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করে মাত্র ৪.৩৫ কোটি কর্মদিবস তৈরি করেছিল। মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, হিমাচল প্রদেশ, কেরালা, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং তেলঙ্গানার মতো রাজ্যগুলি কেন্দ্রীয় সীমার বাইরে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের জন্য তাদের নিজস্ব বাজেট ব্যবহার করেছে।

    ৪,৮৭২ কোটিরও বেশি কর্মসংস্থান

    আইনত মনরেগা আইনের ৩(১) ধারায় প্রতি পরিবারকে বছরে ন্যূনতম একশো দিনের কাজের সংস্থান দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে, ১০০ দিনের কাজ ন্যূনতম হওয়ার পরিবর্তে সর্বোচ্চ সীমা হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ প্রকল্পের সফ্টওয়্যার এই সীমার অতিরিক্ত এন্ট্রি করার অনুমতি দেয় না। তাই কাজকে একটি বিশেষ নিয়েমে বাঁধা রাখা হয়েছে। তবে ২০০৫ সালে চালু হওয়ার পর থেকে মনরেগা (MGNREGA) ৪,৮৭২ কোটিরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। এই প্রকল্পের অধীনে মোট ব্যয় এখন পর্যন্ত প্রায় ১১.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা। ২০০৬-০৭ সালে ২০০টি পিছিয়ে পড়া জেলায় প্রাথমিকভাবে এটি চালু করা হয়েছিল,পরের বছর এটি আরও ১৩০টি জেলায় সম্প্রসারিত হয়েছিল এবং ২০০৮-০৯ সালের মধ্যে সমগ্র দেশে বাস্তবায়ন করা হয়।

    কোভিডের ধাক্কা

    কোভিড-১৯ মহামারীর সময় (MGNREGA) এর চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ২০২০-২১ সালে, রেকর্ড ৭.৫৫ কোটি গ্রামীণ পরিবার এই প্রকল্পের অধীনে কাজ চেয়েছিল কারণ লকডাউনের সময় পরিযায়ী শ্রমিকরা তাদের গ্রামে ফিরে এসেছিল। তারপর থেকে, অংশগ্রহণ ক্রমাগত হ্রাস পেয়েছে, ২০২১-২২ সালে ৭.২৫ কোটি পরিবার থেকে ২০২৪-২৫ সালে ৫.৭৯ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। গত তিন বছরের তথ্যে পশ্চিমবঙ্গ অন্তর্ভুক্ত নয়, যেখানে ২০২২ সালের মার্চ থেকে এই প্রকল্পটি স্থগিত রয়েছে। সিএজির রিপোর্টে মনরেগার টাকা নয়ছয় করার অভিযোগের ভিত্তিতে বরাদ্দ টাকার প্রবাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের সাফ কথা হিসেব না দিলে টাকা মিলবে না। তবে মোদির এই ঘোষণায় বিরাট সুফল পাবে সাধারণ মানুষ। এমনটাই মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

  • Nadia: “কাজ না করেও ১০০ দিনের টাকা পাচ্ছেন তৃণমূলকর্মীরা”, ক্ষোভ জানিয়ে বললেন বঞ্চিতরা

    Nadia: “কাজ না করেও ১০০ দিনের টাকা পাচ্ছেন তৃণমূলকর্মীরা”, ক্ষোভ জানিয়ে বললেন বঞ্চিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের বকেয়া মজুরির টাকা দেওয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। আর সেই টাকা দিতেই সামনে চলে এসেছে দুর্নীতি। তৃণমূলের প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করেছেন এলাকার মানুষ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) বারাসত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে প্রকৃত শ্রমিকেরা মজুরি না পেলেও, প্রধানের ঘনিষ্ঠদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে হাজার হাজার টাকা। মজুরি বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন। নদিয়ার রানাঘাট ব্লকের বারাসত পঞ্চায়েতের এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    বেশ কয়েক বছর আগে ১০০ দিনের কাজ করেছিলেন পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। অথচ রাজ্য সরকার ঘোষিত মজুরি প্রাপকদের তালিকায় তাঁদের নাম নথিভুক্ত করা নেই। যার ফলে তাঁরা প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য,  কাজ না করেও প্রধান-ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। আর এলাকায় আমাদের মতো জবকার্ডধারীরা ৮০ থেকে ৯০ দিন কাজ করেও মজুরি প্রাপকদের তালিকায় নাম নেই। কিন্ত এক দিনও কাজ না করেও পুরো ১০০ দিনের টাকা পাচ্ছেন অনেকে তৃণমূলকর্মীরা। অতীতে আবাস দুর্নীতিতেও নাম জড়িয়ে ছিল নদিয়ার (Nadia)  বারাসাত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের। পাকা ঘর থাকা সত্ত্বেও প্রধানের পরিবারের একাধিক সদস্যদের আবাস তালিকায় নাম থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ১০০ দিনের টাকা বণ্টন ঘিরেও জব কার্ড প্রাপকদের দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ হলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে আবার সরব হয়েছেন এলাকাবাসী।

    তৃণমূলের প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    পঞ্চায়েত প্রধান শেফালি দাবি করেছেন, এখানেও রয়েছে ‘বিরোধীদের রাজনীতি।’ তিনি বলেন, “যত জনের জব কার্ড রয়েছে তার থেকেও বেশি জন টাকার জন্য আবেদন করেছেন। এরপর তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ১,৪৫৮ জন মজুরির জন্য আবেদন করেছেন। অথচ, জব কার্ড প্রাপকের সংখ্যা ১,২৫৩। কেন্দ্র যখন টাকা দেয়নি, কেউ কিছু বলেনি। মুখ্যমন্ত্রী বঞ্চিত শ্রমিকদের টাকা দিতেই বিরোধীদল হট্টগোল পাকানোর চেষ্টা করছে।”

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, “তৃণমূল আর দুর্নীতি সমার্থক শব্দ। ভোটের কর্মীদের লুটেপুটে খাওয়ার জন্যই ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়ার স্কিম নিয়েছে তৃণমূল। আসলে এটা তৃণমূলের দলীয় তহবিলে নিজস্ব খরচ।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: মোদি সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেটকে ‘ইতিবাচক’ আখ্যা দিলেন নীতীশ কুমার

    Nitish Kumar: মোদি সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেটকে ‘ইতিবাচক’ আখ্যা দিলেন নীতীশ কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল বৃহস্পতিবারই সংসদে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করেছে মোদি সরকার। আর এ নিয়েই প্রশংসা শোনা গেল বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) কন্ঠে। তিনি এই বাজেটকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন। প্রসঙ্গত, রবিবারই আরজেডি জোট ছেড়ে এনডিএ শিবিরে ভিড়েছেন নীতীশ। তারপরেই মোদি সরকারের অন্তর্বর্তী বাজেট ছিল এদিন।

    নীতীশের ট্যুইট

    বিহারের মুখ্যমন্ত্রী (Nitish Kumar) এদিন নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অন্তর্বর্তী বাজেটের নানা বিষয় তুলে ধরেন এবং সবদিক থেকে বাজেট ইতিবাচক হয়েছে তাও বলেন। উচ্চশিক্ষায় লোনের পরিমাণ এবং নতুন তিনটে রেলওয়ে ইকোনমিক করিডরের সূচনাকে তিনি প্রশংসা করেন। জানান, এর ফলে দেশের প্রভূত অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে।

    বাজেটের প্রশংসায় নীতীশ

    মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য কেন্দ্র সরকারের স্পেশাল হাউসিং স্কিম বেশ লাভজনক হবে বলে জানিয়েছেন নীতীশ (Nitish Kumar)। পাশাপাশি যাঁরা ভাড়া বাড়িতে থাকেন অথবা বস্তিতে থাকেন তারাও এবার লাভ নিতে পারবেন বলে মত দেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও জানিয়েছেন, ১০০ দিনের কাজে বরাদ্দ বৃদ্ধির ফলে গ্রামীণ মানুষদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ ঘটবে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালেই নির্মলা সীতারমণ সংসদে অন্তবর্তী বাজেট পেশ করেন। কৃষক, মহিলা, যুব এবং গরিবদের দিকে বিশেষ জোর দেওয়া হয় এই বাজেটে।

    আরও পড়ুন: ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব কোথায়? ক্যাগের রিপোর্ট দেখিয়ে প্রশ্ন সুকান্তর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ১০০ দিনের টাকা না পাওয়ার জন্য রাজ্যের গাফিলতিকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Malda: ১০০ দিনের টাকা না পাওয়ার জন্য রাজ্যের গাফিলতিকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার আটকে রেখেছে বলে বার বার অভিযোগ করে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ সঠিক নয়, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বুধবার মালদার (Malda) মানিকচকের মথুরাপুরে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা না পাওয়ার দায় রাজ্য সরকারের ওপরেই চাপালেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল। রাজ্যের দাবিমতো আটকে থাকা বরাদ্দ কবে ছাড়া হবে, এপ্রশ্নেও কোনও আশ্বাস দেননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

     টাকা আটকে রাখা নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? (Malda)

    কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল বলেন, ১০০ দিনের প্রকল্পে রাজ্যেরই গাফিলতি রয়েছে। জবাব তাঁদেরকেই দিতে হবে। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। তাছাড়া শুধু পশ্চিমবঙ্গের টাকা আটকে রাখা হবে কেন? আসলে এটা নিয়ে তৃণমূল দিল্লিতে ধর্না দিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছে। তাদের কিছু কাগজপত্র চেয়েছিল, সেটা তারা এখনও জমা দিতে পারেনি। আসলে এই প্রকল্পের কাজের ক্ষেত্রে কিছু গাফিলতি রয়েছে বলেই তাদের টাকা আটকে রাখা হয়েছে। আর অকারণে তৃণমূল কেন্দ্রীয় সরকারকে টাকা আটকে রাখার জন্য দায়ী করছে। এটা একেবারেই ঠিক নয়। পাশাপাশি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অযোধ্যায় রাম মন্দিরকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। তবে, বিজেপি রামের আবেগ নয়, মোদির নেতৃত্ব আর উন্নয়ন কর্মসূচিকে সামনে রেখে লোকসভা নির্বাচনে এগিয়ে যাবে।

    রাজ্যের দুই মন্ত্রী কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে, ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা আটকে রাখা নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবিকে নস্যাৎ করেছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও সাবিনা ইয়াসমিন। এদিন মালদার (Malda) ইংরেজবাজারে হস্তশিল্প মেলায় যোগ দিতে এসে রাজ্যের দুই প্রতিমন্ত্রী ১০০ দিনের প্রকল্প টাকা আটকে রাখা নিয়ে কেন্দ্রের ভূমিকায় সরব হন। সাবিনা বলেন, কেউ কোনও দুর্নীতির অভিযোগ কাগজ-কলমে অন্তত বলতে পারেননি। অথচ, টাকা দেওয়ার কথা হলেই মুখে দুর্নীতির কথা বলছেন কেন্দ্রের মন্ত্রী ও বিজেপির নেতারা। বেচারাম মান্না বলেন, এপর্যন্ত ৬৮বার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে এসেছে। তারা যা যা তথ্য চেয়েছিল, সমস্ত তথ্য দফতর থেকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলার টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MGNREGA: সীমাহীন দুর্নীতি একশো দিনের কাজে, ২৫ লাখ ভুয়ো জব কার্ডে কত টাকা আত্মসাৎ?

    MGNREGA: সীমাহীন দুর্নীতি একশো দিনের কাজে, ২৫ লাখ ভুয়ো জব কার্ডে কত টাকা আত্মসাৎ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের টাকা ব্যাপক নয়ছয়ের অভিযোগ রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। যতই দিল্লিতে আত্মপ্রচারের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের সাংসদরা ধর্না দিক, রিপোর্ট বলছে অন্য কথা। ‘ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট’ (MGNREGA)-এ চূড়ান্ত দুর্নীতি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সন্ধান মিলেছে লাখ লাখ ভুয়ো জব কার্ডের। এর পাশাপাশি কয়েক মাস আগে এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও গড়িয়েছিল। অভিযোগ, উত্তর দিনাজপুর জেলায় জেসিবি দিয়ে পুকুর খনন হয়েছে বলে যে জায়গা দেখানো হয়েছে, সেখানে আদতে রয়েছে একটি ভুট্টার ক্ষেত। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছেন। কত টাকা শাসক দল আত্মসাৎ করেছে, সেবিষয়ে জানতে চেয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘২৫ লাখ ভুয়ো জব কার্ডে কত টাকা আত্মসাৎ?’’

    ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে হাজার হাজার অভিযোগ

    ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে দুর্নীতির ৩,৩৫৮টি অভিযোগ জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। কীভাবে টাকা নয়ছয় করা হয়েছে, ওই অভিযোগপত্রগুলিতে সেই সংক্রান্ত খতিয়ান তুলে ধরা হয়েছে! শুধু তাই নয়, সারা দেশের মধ্যে একমাত্র রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ যেখানে ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। ২০১৯ সালেই কেন্দ্রীয় টিম তাদের রাজ্য সফরে এমন ভুরি ভুরি অভিযোগ পায়।

    খবরের শিরোনামে ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতি

    বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবরের শিরোনামেও ১০০ দিনের (MGNREGA) কাজে ভুয়ো জব কার্ডের তথ্য উঠে আসতে থাকে। ওই প্রতিবেদনগুলিতে দেখা যায়, পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য যেখানে মৃত ব্যক্তিদেরও জব কার্ড রয়েছে। বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র ‘দ্য সানডে গার্ডিয়ান’-এর ২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সংস্করণে এই সংক্রান্ত খবর বের হয়। ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়, কীভাবে ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তিদেরও জব কার্ড বানানো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার ২০২৩ সালের ১৮ জুনের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে একজন প্রাক্তন বিডিওকে ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এর ২০২৩ সালের ১৫ জুলাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে ইডি একজন তৃণমূল নেতার বাড়িতে হানা দেয় ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতির তদন্তে। সর্বভারতীয় নিউজ নেটওয়ার্ক ‘ইন্ডিয়া টুডে’-র ২২ অগাস্ট ২০২৩ এর প্রকাশিত খবরে দেখা যাচ্ছে সিবিআই ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গে, যারা ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়াও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসেই সিবিআই গ্রেফতার করে একজন প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানকে। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের এই সীমাহীন দুর্নীতি (MGNREGA) আজকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে গরিব এবং অসহায় মানুষদের জীবন জীবিকার অধিকারকে, এমনটাই বলছেন ওয়াকিবহল মহলের একাংশ। দুর্নীতি থেকে নজর ঘোরাতেই শাসক দল এখন টাকা আদায়ের দাবিতে ব্যস্ত।

    কীভাবে টাকা নয়ছয় হচ্ছে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে?

    ১) বিগত বছরে সেন্ট্রাল টিমের ভিজিটে যে দুর্নীতিগুলি উঠে এসেছিল, তার উদ্ধারের পরিমাণ সেন্টাল টিম ঠিক করে দিয়েছিল। এখনও পর্যন্ত কোনও পঞ্চায়েত এই টাকা জমা করেনি।

    ২) নতুন পুকুর (MGNREGA) মূলত জেসিবি মেশিনে কাটা হয়েছে, পরে লেবারের নামে মাস্টার রোল তৈরি করে টাকা তোলার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। যদিও নারেগার গাইডলাইন অনুযায়ী কোনও মেশিন ব্যবহার করে কাজ করা যায় না। মুষ্টিমেয় কিছু পেটোয়া শ্রমিক বা নিজেদের লোকেদের নামে মাস্টার রোল করা হয়েছে এবং কিছু মানুষকে ভয় দেখিয়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকানোর পর জোরপূর্বক ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

    ৩) নারেগা রিপোর্ট দেখলে স্পষ্ট বোঝা যায়, ১০০ দিনের কাজের যারা প্রকৃত লেবার, তারা ১০০ দিনের কাজ পায়নি, কেউ ১০ দিন, ২০ দিন বা ৩০ দিন সারা বছরে কাজ পেয়েছে। কিন্তু মুষ্টিমেয় কিছু লেবার যারা দলের কর্মীও বটে, ১০০ দিন কাজ সম্পূর্ণ করেছে। তাদের ব্যাঙ্কে টাকা ঢোকানোর পর টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

    ৪) বর্তমানে জব কার্ড (MGNREGA) আধার সিডিং বা যুক্ত হওয়ার আগে একই লেবারকে বিভিন্ন জব কার্ডে ঢুকিয়ে টাকা তোলা হয়েছে।

    ৫) নারেগার নিয়ম অনুযায়ী একটি পরিবারের একটি জব কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, একটি পরিবারের একাধিক জব কার্ড তৈরি করা হয়েছে এবং ঠিক সেগুলিতেই ১০০ দিনের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়েছে।

    ৬) কাজগুলির জায়গায় পার্মানেন্ট ডিসপ্লে বোর্ড নেই। ঠিক যখন সেন্ট্রাল টিম ভিজিটে আসছে, তখনই তড়িঘড়ি রাতারাতি ডিসপ্লে বোর্ড জায়গায় জায়গায় লাগানো হয়েছে।

    ৭) যে সব নতুন পুকুর কাটা হয়েছে, সেগুলি সব চাষযোগ্য জমির উপরে কাটা হয়েছে। কিন্তু কোনও জমিকেই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শ্রেণি পরিবর্তন না করেই পুকুর তৈরি করা হয়েছে।

    ৮) কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতের গ্রামসভা বা সংসদ সভাতে কোনরূপ আলোচনা বা বেনিফিশিয়ারি তৈরি না করেই নিজেদের লোকেদের জায়গায় নারেগা IBS স্কিমগুলি করা হয়েছে। কিন্তু গ্রামসভাতে আলোচনা বাধ্যতামূলক।

    ৯) নারেগা বিষয়ক গ্রাম পঞ্চায়েতের স্তরে যে কন্ট্রাকচুয়াল ওয়ার্কার কাজ করে, (মূলত প্রতি বছর কন্ট্রাক্ট রিনিউয়াল হয়) তাদের পরের বছর রিনিউয়াল না করার ভয় দেখিয়ে বা চাকরি খাওয়ার ভয় দেখিয়ে স্কিমগুলিতে দুর্নীতি করতে বাধ্য করা হয়েছে।

    ১০) নারেগা বিষয়ক জেলায় জেলায় ডেভেলপমেন্ট মিটিংয়ে সরকারি আধিকারিকরা গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মচারীদের প্রতিনিয়ত অপমান, মাইনে বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি, চোখ রাঙানি ইত্যাদি করে জোরপূর্বক শ্রম দিবস জেনারেট করতে বলেছেন। এঁদের দিয়েই লাখ লাখ ভুয়ো মাস্টার রোল এবং কর্মদিবস তৈরি করে টাকা তোলা হয়েছে। আধাআধি ভাগাভাগিও করা হয়েছে সেই টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: পুকুর দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত মন্ত্রীর স্ত্রী, সরকারি তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন গ্রামবাসীদের

    Raiganj: পুকুর দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত মন্ত্রীর স্ত্রী, সরকারি তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুকুর খননকাণ্ডে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতির অভিযোগে ওঠে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের স্ত্রী জ্যেৎস্না রানী বর্মনের বিরুদ্ধে। ঘটনার সময় তিনি রায়গঞ্জ (Raiganj) ব্লকের ২ নং জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। সেই ঘটনার তদন্তে এসে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে তদন্তকারি অফিসাররা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের-২ নং জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাঁড়ি সরিয়াবাদ এলাকায়।

    সরকারি আধিকারিকদের কেন ঘেরাও করলেন গ্রামবাসীরা? (Raiganj)

    পুকুর খনন দুর্নীতি মামলায় জেলা প্রশাসনের এমজিএনআরইজিএ বিভাগের তদন্তকারি টিমকে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, রায়গঞ্জ (Raiganj) ব্লকের ২ নং জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাঁড়ি সরিয়াবাদ এলাকায় পুকুর দুর্নীতি  মামলার তদন্তে শুরু থেকেই গাফিলতি হয়েছে। প্রকৃত তদন্ত হচ্ছে না। নির্দিষ্ট পথে না গিয়ে এলোমেলোভাবে তদন্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই মামলার মূল অভিযোগকারী আজগর আলি বলেন, একাধিকবার পুকুর দুর্নীতি মামলায় পরিদর্শনে এসেছেন সরকারি আধিকারিকরা। কিন্তু, তারা প্রকৃত জায়গায় না গিয়ে অন্যস্থান পরিদর্শন করছেন। গত বেশ কয়েকদিন আগেও একই অভিযোগে তদন্তকারি টিমকে আটকে রাখা হয়েছিল ওই এলাকায়। আজগরবাবু আরও বলেন, সম্প্রতি একটি নোটিশ জারি করেছে প্রশাসন। পঞ্চায়েত সেই নোটিশ পাঠিয়েছে কশেকজন গ্রামবাসীর বাড়িতে। যেখানেও গাফিলতি রয়েছে, যাদের আদতে কোনও পুকুরই নেই তাদের কাছে এই নোটিশে পুকুরের মালিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

    পঞ্চায়েতের নোটিশ প্রসঙ্গে কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    শেখ আজিজুল নামে এক গ্রামবাসী বলেন, পঞ্চায়েত থেকে আমার কাছে নোটিশ এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে আমার বাবার নামে পুকুর রয়েছে। কিন্তু, আদতে আমাদেই কোনও পুকুরই নেই। পাশাপাশি এলাকায় তদন্তের জন্য সরকারি আধিকারিকরা এলেও আমাদের সঙ্গে  কোনওরকম সাক্ষাৎ করেনি বলে অভিযোগ। সেকারণে আমাদের আধিকারিকদের আটকে বিক্ষোভ দেখান। একই অভিযোগ আইনুদ্দিন নামে অপর এক গ্রামবাসীর। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত থেকে নোটিশ পাঠিয়ে বলা হয় সকাল ১১ টায় তদন্ত করতে আসবেন সরকারি আধিকারিকরা। কিন্তু, কেউ আসেনি। পাশাপাশি আমার নামে পুকুর দেখানো হলেও আদতে আমার জমিতে কোনও পুকুরই নেই বলে। যদিও এবিষয়ে মন্তব্য করতে নারাজ তদন্তকারি অফিসাররা।

    পুকুর খননকাণ্ডে কত টাকার দুর্নীতি হয়েছে জানেন?

    প্রসঙ্গত, রায়গঞ্জ (Raiganj) ব্লকের ২ নং জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাঁড়ি সরিয়াবাদ এলাকায় ২১ টি পুকুর খননের প্রকল্প ঘিরে ঝামেলার সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে তৎকালীন প্রধান ও বর্তমান শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের স্ত্রী জ্যেৎস্না রানী বর্মনের বিরুদ্ধে। খাতায় কলমে ২১ টি পুকুর খনন কার্য সম্পন্ন দেখিয়ে প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও চলছে। সেই মামলার প্রক্ষিতেই এদিন তদন্তে আসেন আধিকারিকরা। তদন্তে চূড়ান্ত গাফিলতি হচ্ছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MGNREGA: গ্রামীণ রাস্তায় বোর্ড লাগানো হলেও হয়নি রাস্তা, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    MGNREGA: গ্রামীণ রাস্তায় বোর্ড লাগানো হলেও হয়নি রাস্তা, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনরেগা প্রকল্পে গ্রামীণ রাস্তা (MGNREGA) ঢালাইয়ের জন্য একবছর আগে টেন্ডার ডেকে কাজের খতিয়ান সম্পর্কিত বোর্ড লাগানো হলেও শুরু হয়নি রাস্তার কাজ। প্রধানের অভিযোগ কনট্রাক্টর কাজ করছেন না। রাস্তা না হওয়ায় ভীষণ ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

    অভিযোগ ঠিক কি!

    ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর-১ ব্লকের বাসুদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাটবাড়ুই এলাকার। জানা যায়, খাটবাড়ুই থেকে হরেকৃষ্ণপুর পর্যন্ত একটি মোরাম রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এই রাস্তার (MGNREGA) উপর দিয়ে যাতায়াত একাধিক গ্রামের মানুষের। অভিযোগ, একবছর আগে এই রাস্তার ঢালাইয়ের জন্য উদ্যোগ নেয় দাসপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতি। কাজের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এমনকী কাজের খতিয়ান উল্লেখ করে রাস্তার ধারে প্রকল্পের বোর্ডও বসানো হয়, কিছু মালপত্রও ফেলা হয়। কিন্তু এরপরে একবছর কেটে গেলেও ঢালাই রাস্তার কাজ শুরু হয়নি। রাস্তা না করে কেন সাইনবোর্ড এটাই এলাকাবাসীর প্রশ্ন!

    স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্য

    স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থ বর্ষে খাটবাড়ুই গ্রামে আব্দুল হালিমের বাড়ি থেকে হরেকৃষ্ণপুর গণেশ খানের বাড়ি পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার বেহাল মোরাম রাস্তার জন্য ৪৩,০২,৫১৪ টাকা মোট ব্যয় ধার্য ধরা হয়। ২০২১-২২ অর্থ বর্ষের রাস্তার কাজের নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলেও এখনও শুরুই হয়নি প্রকল্পের কাজ (MGNREGA)। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, কন্টাক্টর চাইলে কাজ শুরু করতে পারতো, চাইলে কাজটা ঠিক সময়ে শেষও করে দিতে পারত। অনেকবার বলা হয়েছে তাকে কিন্তু সে ইচ্ছে কাজ শুরু করেনি। পঞ্চায়েত প্রধান আরও বলেন প্রথমে কন্টাক্টর বলেছে জব কার্ডের টাকা মিলছে না তাই কাজ করা সম্ভবপর হচ্ছে না। কিন্তু যখন জব কার্ড রানিং ছিল তখন ইচ্ছে করেই কাজটি করেননি কন্ট্রাক্টর এমনটাই বক্তব্য প্রধানের। এনিয়ে আমরা ব্লকের বিডিওকে জানিয়ে ছিলাম। কিন্তু বর্তমানের কন্টাক্টরের মোবাইল বন্ধ। আবার তৃণমূল পরিচালিত দাসপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি তৃণমূল নেতা সুনীল ভৌমিক বলেন কেন্দ্রীয় সরকার মনরেগা প্রকল্পে টাকা বন্ধ করে দিয়েছে তাই কাজ বন্ধ।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    স্থানীয় দীপঙ্কর স্যানাল বলেন এই রাস্তা (MGNREGA) হল রাজ্য সড়কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার গ্রামের রাস্তা। রাস্তায় প্রচণ্ড খানা খন্দে ভরা। অসুস্থ রোগীদের নিয়ে যেতে খুব অসুবিধা হচ্ছে। প্রশাসন কেন বন্ধ করল কাজ বুঝতে পারছি না। আরেক বাসিন্দা স্বপন সাহা বলেন, প্রায় রোজ দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ যাতায়াত করেন এই রাস্তায়, কিন্তু প্রশাসন রাস্তার বিষয়ে কিছু সদর্থক ভূমিকা পালন করছেন না।  শাসকদল ও তার সরকারকে কটাক্ষ করে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে দাসপুরের সিপিএম নেতা গুণধর বোস। সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারির কাছে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন। এই রাস্তা এখন কবে সম্পন্ন হয় তাই এখন দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Job Card: একশো দিনের কাজ প্রকল্পে চালু আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম, বিপাকে রাজ্য   

    Job Card: একশো দিনের কাজ প্রকল্পে চালু আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম, বিপাকে রাজ্য   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো দিনের কাজে টাকা পেতে হলে আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম (Aadhar Based Payments System) বাধ্যতামূলক। সম্প্রতি এই মর্মে রাজ্যগুলিকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি মাসের ১ তারিখ থেকেই চালু হয়ে গিয়েছে এই ব্যবস্থা। জবকার্ড (Job Card) হোল্ডাররা যাতে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত না হন, তাই এই ব্যবস্থা চালু করেছে কেন্দ্র।

    আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম…

    কেন্দ্র আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম বাধ্যতামূলক করলেও, এ রাজ্যের ৮০ লক্ষ জবকার্ডের সঙ্গে আধার লিঙ্ক হয়নি বলেই অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের এই বিধায়ক যে নিছক ফাঁকা বুলি আওড়াচ্ছেন না, তার প্রমাণ মিলল নবান্ন সূত্রের একটি খবরে। জানা গিয়েছে, ১০০ দিনের গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের অধীনে জবকার্ড (Job Card) হোল্ডারদের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্তিকরণে পরিসংখ্যান নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ নবান্নও। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত জবকার্ড হোল্ডারদের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্তিকরণ হয়েছে ৭৮.৬ শতাংশ। যা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেক কম। এই প্রকল্পে নজির গড়েছে উত্তর-পূর্বের ছোট্ট রাজ্য মিজোরাম। এ রাজ্যে ৯৭.৮ শতাংশ জবকার্ড হোল্ডারেরই আধার সংযোগ রয়েছে। তামিলনাড়ু সহ একাধিক রাজ্য আধার কার্ড সংযোগের ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে। তুলনামূলকভাবে এ রাজ্যে আধার কার্ড সংযোগের সঙ্গে জবকার্ড হোল্ডারদের সংযুক্তিকরণ না হওয়ায় জেলাগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

    জানা গিয়েছে, রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় এখনও ৬০ শতাংশ জবকার্ড (Job Card) হোল্ডারের আধারকার্ড সংযুক্তিকরণ হয়নি। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুরের মতো একাধিক জেলা আধারকার্ড সংযুক্তিকরণের ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে। নবান্ন সূত্রে খবর, পুরুলিয়ায় ৬৫.১ শতাংশ, ঝাড়গ্রামে ৬৭.২ শতাংশ, মুর্শিদাবাদে ৬৭.৪ শতাংশ এবং উত্তর দিনাজপুরে ৬৯.৫ শতাংশ জবকার্ড হোল্ডারদের আধারকার্ড সংযুক্তিকরণ হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, রাজ্যের ৮০ লক্ষ জব কার্ডের সঙ্গে আধার লিঙ্ক হয়নি। তাঁর প্রশ্ন, সেই কার্ডগুলো কি ভুয়ো?  তিনি জানান, বাংলায় কাজ নেই। বাংলার বাইরে কাজে গেলেও, জবকার্ডগুলিতে আধার লিঙ্ক প্রয়োজন হচ্ছে। জবকার্ড হোল্ডারদের আধার কার্ড সংযুক্তিকরণ না হওয়ায় আধার ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম থেকে বঞ্চিত হতে পারেন জবকার্ড হোল্ডাররা। তার জেরেই জেলাগুলিকে দ্রুত আধার কার্ড সংযুক্তিকরণ করার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • MGNREGA: ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক অনিয়ম, সিবিআই তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    MGNREGA: ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক অনিয়ম, সিবিআই তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একশো দিনের কাজ (MGNREGA) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে একাধিকবার সরব হতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারিকে (Suvendu Adhikari)। এবার ওই একই অভিযোগে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে (Giriraj Singh) চিঠি লিখলেন তিনি। দাবি করেছেন সিবিআই তদন্তেরও। চার পাতার ওই চিঠিতে একশো দিনের কাজ প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    গিরিরাজকে শুভেন্দু যে চিঠি পাঠিয়েছেন, তাতে তারিখ রয়েছে সোমবারেরই। এদিন এনিয়ে একটি ট্যুইটও করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানেই গিরিরাজকে পাঠানো চিঠিটি পোস্ট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে শুভেন্দুর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার মানুষকে, বিশেষত গ্রাম বাংলার বাসিন্দাদের বোকা বানানোর চেষ্টা করছে। যাঁদের জবকার্ড রয়েছে, তাঁদের তথ্যের অপব্যবহার করে রাজ্য সরকার ভুয়ো কর্মসংস্থানের তালিকা তৈরি করছে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের বক্তব্য, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই এই ভুয়ো তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হচ্ছে। যাতে রাজ্য সরকার আগামিদিনে বলতে পারে, একশো দিনের কাজে (MGNREGA) কেন্দ্রের পাঠানো টাকার পরিমাণ কমে গেলেও, তারা গ্রাম বাংলায় প্রচুর পরিমাণে কর্মসংস্থান করতে পেরেছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, এই অনৈতিক কাজে সরকারকে সাহায্য করছে রাজ্যের প্রশাসন।

    সম্প্রতি এই মর্মে রাজ্য প্রশাসনের তরফে একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু। (মাধ্যমে সে খবর প্রকাশিতও হয়েছে) চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর। সেই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে বলা হয়েছে, তারা যেন তাদের অধীনস্থ প্রকল্পগুলি রূপায়ণের সময় কেবল জবকার্ড থাকা অসংগঠিত ক্ষেত্রের উপভোক্তাদেরই নিয়োগ করে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের দাবি, জবকার্ড হোল্ডাররা যাতে কাজ পান, তা নিশ্চিত করতে সরকার এই নির্দেশিকা জারি করেনি। তাদের উদ্দেশ্য হল, কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নথি প্রস্তুত করা। তাঁর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের আধিকারিকদের এক্ষেত্রে ভুয়ো তথ্য নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন স্তরে এই সীমাহীন দুর্নীতির তদন্ত সিবিআই (CBI) কিংবা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে করানোর আর্জিও জানিয়েছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: এটি আর্থিক তছরুপের সহজ পন্থা, ফের ডিয়ার লটারি নিয়ে সরব শুভেন্দু

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share