Tag: Middle East Tensions

  • Iran Crisis: ইরানে না যাওয়ার কড়া সতর্কতা ভারতের, দ্রুত দেশ ছাড়তে বলা হল সেখানে থাকা ভারতীয়দের

    Iran Crisis: ইরানে না যাওয়ার কড়া সতর্কতা ভারতের, দ্রুত দেশ ছাড়তে বলা হল সেখানে থাকা ভারতীয়দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার আবহে ইরানে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের জন্য নতুন করে সতর্কতা জারি করল ভারত সরকার। সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষিতে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস সকল ভারতীয় নাগরিককে ইরান সফর এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে যাঁরা ইরানে রয়েছেন, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব উপলব্ধ পরিবহণ ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশ ছেড়ে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের সর্বশেষ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় নাগরিকদের ইরান সফর এড়িয়ে চলার জন্য আগের পরামর্শ পুনর্ব্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ইরানে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদেরও উপলব্ধ পরিবহণ ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত দেশ ত্যাগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

    নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি

    গত রাত থেকে অঞ্চলে নতুন করে সামরিক তৎপরতা এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি পাওয়ার পরই এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভারতীয়দের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশিকা শুধু পর্যটকদের জন্য নয়, বরং ইরানে অবস্থানরত ভারতীয় ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী, ধর্মীয় তীর্থযাত্রী এবং অন্যান্য নাগরিকদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।

    চলমান সংঘাতের মধ্যে অষ্টম সতর্কতা

    ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এটি চলমান ইরান-আমেরিকা-সম্পর্কিত সংঘাত ঘিরে জারি করা অষ্টম সরকারি পরামর্শ (অ্যাডভাইজরি)। গত কয়েক মাস ধরে অঞ্চলের অস্থির পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভারত সরকার ধারাবাহিকভাবে নাগরিকদের সতর্ক করে আসছে। এর আগে এপ্রিল মাসে সংঘাতের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতীয় দূতাবাস ইরানে থাকা ভারতীয়দের দ্রুত দেশ ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছিল। তখন দূতাবাস একটি বিশেষ হেল্পলাইনও চালু করে, যাতে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা যায়। কূটনৈতিক সূত্রের মতে, সেই সময় যুদ্ধবিরতির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নাগরিকদের সরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল, কারণ পরিস্থিতি যে কোনও সময় আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল।

    এখনও ইরানে প্রায় ৭,৫০০ ভারতীয়

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও প্রায় ৭,৫০০ ভারতীয় নাগরিক ইরানে অবস্থান করছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী, বিশেষত মেডিক্যাল ছাত্রছাত্রী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। এছাড়াও ব্যবসা, ধর্মীয় ভ্রমণ এবং অন্যান্য পেশাগত কারণে বহু ভারতীয় সেখানে রয়েছেন। সংঘাতের শুরু থেকে ভারতীয় দূতাবাস পরিস্থিতির উপর নিবিড় নজর রাখছে এবং নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে আনতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে।

    স্থলপথে উদ্ধার অভিযান

    এর আগে হাজার হাজার ভারতীয় নাগরিককে ইরান থেকে বের করে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল তেহরানে ভারতীয় দূতাবাস। বিমান পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার পর বহু ভারতীয়কে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের স্থল সীমান্ত ব্যবহার করে নিরাপদে বের করে আনা হয়। দূতাবাসের সহযোগিতায় সীমান্ত পারাপার, অস্থায়ী আবাসন, ভ্রমণ নথিপত্র এবং পরবর্তী যাত্রার ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হলে একই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে বলে কূটনৈতিক মহল সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।

    নাগরিকদের প্রতি দূতাবাসের বার্তা

    ভারতীয় দূতাবাস নাগরিকদের নিয়মিতভাবে সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলা, অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়ানো এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত স্পর্শকাতর বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে ভারত সরকার এবং তেহরানে ভারতীয় দূতাবাস উভয়েই ইরানে থাকা ভারতীয়দের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

    পরিস্থিতির দিকে নজর দিল্লির

    পশ্চিম এশিয়ার এই নতুন অস্থিরতা ভারতের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক ভারতীয় নাগরিক সেখানে অবস্থান করায় তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমানে নয়াদিল্লির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে ভারত সরকার নতুন উদ্ধার অভিযান বা অতিরিক্ত কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে বলেও কূটনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরানো এবং তাঁদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

     

  • Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে সংঘাত। এহেন আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। উভয় নেতাই হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সদ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন।

    কী জানালেন প্রধানমন্ত্রী (Donald Trump)

    এরই কিছুক্ষণ পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেছেন। এক্স-এ করা পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারত উত্তেজনা প্রশমন এবং দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য রাখা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই ফোনালাপের সময়ই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিঘ্নই মেনে নেওয়া যায় না।” লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং বৈশ্বিক নৌপথে বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং (PM Modi) হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বিঘ্ন মেনে নেওয়া যায় না। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত কূটনৈতিক উপায়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণে ব্যবহৃত হয় হরমুজ প্রণালী। তাই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথে সাম্প্রতিক বিঘ্ন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে (Donald Trump)। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিকে নড়িয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগতে পারে।”

    দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর

    তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্যিক পথগুলিকে প্রভাবিত করেছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।” তিনি অবশ্য আশ্বাস দেন, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে। এই পরিস্থিতিটি এমন একটি সময়ে সামনে এল, যার ঠিক একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করেন (PM Modi)। তিনি জানান, তাঁর সরকার তেহরানের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করেছে এবং যদি হরমুজ প্রণালী ফের চালু না হয়, তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে।

    আমেরিকার দাবি খারিজ

    ইরানি আধিকারিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন (Donald Trump)। তাঁদের দাবি, তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তার পরেই পিছিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের সংসদের স্পিকার মোহম্মদ বাঘের গালিবাফ ট্রাম্পের এই দাবিকে ভুয়ো খবর আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “এটি আর্থিক ও তেলবাজারে প্রভাব ফেলতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি সরাতে করা হয়েছে।”

    এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি ()। আর্থিক ও তেলবাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে পড়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবেই ছড়ানো হচ্ছে ভুয়ো খবর (Donald Trump)।”

     

  • Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে থাকা ভারতীয় (India) নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বলেছে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস (Middle East Tensions)। ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা হতে পারে — এমন উদ্বেগ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্রতর হচ্ছে। এই নতুন পরামর্শ এমন একটা পরিস্থিতিতে এসে পড়েছে যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

    ভারতীয় দূতাবাসের নির্দেশ (Middle East Tensions)

    পরামর্শে বলা হচ্ছে, “ভারত সরকারের ৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর দেওয়া পরামর্শের ধারাবাহিকতায় এবং ইরানের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায়, যারা বর্তমানে ইরানে আছেন — শিক্ষার্থী (student), তীর্থযাত্রী (pilgrim), ব্যবসায়ী (businessperson) এবং পর্যটক (tourist) — তাঁদের যে কোনও পরিবহণ (means of transport) ব্যবহার করে ইরান ছাড়তে বলা হয়েছে, যার মধ্যে কমার্সিয়াল ফ্লাইটও রয়েছে।” দূতাবাস আগের জানুয়ারি নির্দেশনাটিকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে এবং সব ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তাঁরা যেন বিক্ষোভে অংশ না নেন কিংবা যেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে সেই অঞ্চলের কাছাকাছি না যাওয়ার, দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থেকে আপডেট মনিটর করার অনুরোধও করা হয়েছে।

    মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে

    ভারতীয় নাগরিকদের এও বলা হয়েছে, তাঁরা যেন সব সময় তাঁদের ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন নথি, যেমন পাসপোর্ট এবং পরিচয়পত্র হাতের নাগালে রাখে, এবং প্রয়োজনে সহায়তার জন্য দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Middle East Tensions)। এটা এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইরান–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। পারমাণবিক আলোচনা চলতে থাকলেও, পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত নয়। আলোচনা পরবর্তী রাউন্ড জেনেভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তেহরান এবং অন্যান্য শহরে ঠাঁই নিয়েছে, কখনও কখনও সরকারপন্থী সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়েছে। জানুয়ারির শুরুর দিকে আগের বিক্ষোভগুলি শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei) প্রশাসনের অধীনে কঠোরভাবে দমন করা হয়েছিল, যেটিতে (India) অনেক প্রতিবাদকারী নিহত ও আটক হন (Middle East Tensions)।

     

LinkedIn
Share