Tag: midnapore

midnapore

  • Suvendu Adhikari: বিদ্যাসাগরের জন্মভূমিতে শিল্পায়ন-ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিদ্যাসাগরের জন্মভূমিতে শিল্পায়ন-ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পশ্চিম মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জন্মস্থলের বিশেষ স্মারক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজ্যের উন্নয়ন, শিল্পায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান (Ghatal Master Plan)—একাধিক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন তিনি। পূর্বতন সরকারের নীতি নিয়েও সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বীরসিংহকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা-সহ স্থানীয় পরিকাঠামো উন্নয়নের কথাও জানান তিনি। অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে রাজ্যে নতুন বিনিয়োগ ও শিল্পের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, রিলায়েন্সের মতো বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী পশ্চিমবঙ্গে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করতে চলেছে। এই বিষয়ে রিলায়েন্সের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কলকাতায় আসবে বলেও জানান তিনি।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)

    শিক্ষা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিগত সরকারের ভুল ও ভ্রান্ত নীতির কারণেই আজ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আমাদের রাজ্য অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে, এমনকী দেশে বাল্যবিবাহের হার বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও রাজ্য একেবারে ওপরের সারিতে পৌঁছে গেছে। তবে আমাদের এই সরকারের আমলে সব ক্ষেত্রে সামগ্রিক রূপান্তর ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।”

    পাঁশকুড়া থেকে ঘাটালের ইড়পালা পর্যন্ত রেলপথের জমি নিয়ে পূর্বতন সরকারের ভূমিকারও সমালোচনা করেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, “পাঁশকুড়া থেকে ঘাটালের ইড়পালা পর্যন্ত রেল লাইনের জমি আটকে রেখেছিল আগের সরকার। আমরা সেই জমির ব্যবস্থাও করেছি।”

    ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়েও এদিন বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিম মেদিনীপুরের দীর্ঘদিনের বন্যা ও নদীভাঙনের সমস্যা মোকাবিলায় আগামী বছরের জুনের মধ্যে প্রকল্পটির সিংহভাগ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রকল্পের ৫০ শতাংশ অর্থ কেন্দ্র এবং বাকি ৫০ শতাংশ রাজ্য সরকার বহন করবে বলেও জানান শুভেন্দু। এর অংশ হিসেবে চলতি বছরই ১,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে বলে তাঁর বক্তব্য। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঘাটাল ও সংলগ্ন প্লাবনপ্রবণ এলাকার দীর্ঘদিনের জলযন্ত্রণা কমানোর লক্ষ্যে কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে (Suvendu Adhikari)।

    ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান

    ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে এর আগে কোলাঘাটে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম—এই তিন জেলার প্রশাসনিক বৈঠকেও মুখ্যমন্ত্রী আলোচনা করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ঘাটালের সাংসদ দেবের সঙ্গেও প্রকল্পটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। একইসঙ্গে ঘাটাল ও সংলগ্ন প্লাবনকবলিত এলাকায় বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়ার কথাও উঠে আসে।

    বীরসিংহকে ঘিরে স্থানীয় উন্নয়নের পরিকল্পনার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। পর্যটনের পরিকাঠামো গড়ে তুলতে নৈশযাপনের ব্যবস্থা, পথবাতি এবং একটি উদ্যান তৈরির পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। স্থানীয় বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়েও ঘোষণা করা (Ghatal Master Plan) হয়।

    বিদ্যাসাগরের শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের ভাবনার প্রসঙ্গ টেনে পাঠাগারগুলিতে তাঁর লেখা বই রাখার আহ্বানও জানান শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্যে রাজ্যের শিক্ষা ও সামাজিক পরিস্থিতির পাশাপাশি শিল্পায়ন ও দীর্ঘদিনের ঘাটাল সমস্যা সমাধানের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায় (Suvendu Adhikari)।

     

  • Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    Swami Suryananda: সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ (Swami Suryananda)। রবিবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর এলাকায়। গুরুতর জখম হন ওই হিন্দু সাধু (Suvendu Adhikari)। হিন্দু সম্মেলন চলাকালীনই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও লক্ষ্যভিত্তিক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানপুরে আয়োজিত ওই হিন্দু সম্মেলনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তরা শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হয়েছিলেন। তবে সমাবেশস্থলে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যার পরিপ্রেক্ষিতে স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজ গুরুতর জখম হন। তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে।

    হিন্দু সন্ন্যাসী আক্রান্ত (Swami Suryananda)

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামীজি একাধিক আঘাত নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেখতে যাঁরা হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তাঁদের মতে, মহারাজের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল। মহারাজের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করা হয়নি। ধর্মীয় সমাবেশে কীভাবে হিংসা ছড়াল, সে বিষয়েও রাজ্য পুলিশ-প্রশাসন নীরব। ঘটনার প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের হয়েছে কি না, অথবা ঘটনাটিকে মারধর, দাঙ্গা নাকি হত্যার চেষ্টার মামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। হিন্দু সন্ন্যাসীর আক্রান্ত হওয়ায় খবর পেয়েই মহারাজকে দেখতে হাসপাতালে ছোটেন শুভেন্দু। মহারাজের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাটির বিশদ বিবরণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Swami Suryananda)।

    ‘জয় শ্রী রাম’

    শুভেন্দুর দাবি, ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেওয়ায় সম্মেলনের সময় ওই সাধুর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “এটি (জয় শ্রীরাম ধ্বনি) হিন্দু ধর্মীয় পরিচয়ের প্রকাশমাত্র।” তাঁর দাবি, হাসপাতালের বেড থেকেই স্বামীজি তাঁকে ঘটনার ধারাবিবরণী দেন (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “বুনো জন্তুর মতো তারা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। স্বামীজির গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টাও করেছিল। ঘুষি, লাথি ও বুকে আঘাত করাও হয়েছে। হয়েছে মারধর করাও।” নন্দীগ্রামের বিধায়কের অভিযোগ, হামলাকারীরা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের মধ্যে যাদের তিনি “জেহাদি” বলে উল্লেখ করেন, তারাও ছিল। তাঁর মতে, এটি কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ও ঠান্ডা মাথার হত্যার চেষ্টা।

    “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু এই ঘটনাকে “রাষ্ট্র-পোষিত সন্ত্রাস” বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসা চালাতে রাজ্য প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে মদত দিচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এটি নিছক আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয় (Suvendu Adhikari)। এটি হিন্দু গর্ব প্রকাশের সাহস দেখানো যে কাউকে লক্ষ্য করে সংগঠিত সন্ত্রাস।” তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের রাজত্বে হিন্দু সাধুদের ওপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর এবং ভক্তদের ভয় দেখানো নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশকে নীরব দর্শক বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার একটি পরিচিত ধারারই পুনরাবৃত্তি হয়েছে (Swami Suryananda)।

    সভ্যতার সঙ্কট!

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু জাতপাত ও আঞ্চলিক বিভাজন ভুলে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন। তাঁর মতে, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের ওপর হামলা আসলে সমগ্র হিন্দু বিশ্বাস ও পরিচয়ের ওপর আঘাত। তাঁর প্রশ্ন, “আর কতদিন হিন্দুরা নীরবে অত্যাচার সহ্য করবে?” শুভেন্দুর মতে, ঘটনাটি কোনও বিচ্ছিন্ন হিংসার ঘটনা নয়, এটি একটি বৃহত্তর সভ্যতার সঙ্কট।এদিকে, হাসপাতাল সূত্রে খবর, স্বামী সূর্যানন্দ মহারাজের শারীরিক অবস্থার ওপর চিকিৎসকেরা কড়া নজর রাখছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে (Suvendu Adhikari) কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও ক্রমশ জোরালো হচ্ছে (Swami Suryananda)।

     

LinkedIn
Share