Tag: Minister

Minister

  • Pakistan: “ভারত-বিরোধী জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহার করেছে পাকিস্তান”, তোপ হাসিনার প্রাক্তন সহকারীর

    Pakistan: “ভারত-বিরোধী জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহার করেছে পাকিস্তান”, তোপ হাসিনার প্রাক্তন সহকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে পাকিস্তান (Pakistan) ভারতবিরোধী জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহার করেছে একটি ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে।” অন্তত এমনই দাবি করলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী মোহিবুল হাসান চৌধুরী। তাঁর দাবি, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তাদের উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশকে (Bangladesh) পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের একটি ক্রীড়নক রাষ্ট্রে পরিণত করা।

    চৌধুরীর তোপ (Pakistan)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “ইউনূস সরকার পাকিস্তানের উগ্রপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠী, যেমন, আইএসআই, সেনাবাহিনী, পাঞ্জাবি এলিটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।” চৌধুরী বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাক্তন সহকারী। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামি লিগের সাংগঠনিক সম্পাদকও। গত বছর হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয় তাঁকে। এটাই সুগম করে ইউনূসের ক্ষমতা গ্রহণের পথ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার প্রসঙ্গে চৌধুরী বলেন, “আমরা এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। কারণ তারা শুধু পাকিস্তানের উগ্রপন্থী গোষ্ঠী আইএসআই, সেনাবাহিনী, পাকিস্তানের (Pakistan) পাঞ্জাবি এলিটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে চায়, যারা গত পঁচাত্তর বছর ধরে দেশটিকে শোষণ করে আসছে। এটি নীতি, মূল্যবোধ কিংবা বন্ধুত্বের বিষয় নয়। এটি বাংলাদেশের ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠার বিষয়, বঙ্গবন্ধুর দেশকে একটি ক্রীড়নক দেশে পরিণত করার বিষয়।”

    হাসিনার এই প্রাক্তন সহকর্মীর অভিযোগ

    হাসিনার এই প্রাক্তন সহকর্মী মনে করিয়ে দেন, আওয়ামি লিগ যখন গণহত্যার অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করে, তখন পাকিস্তান তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল। বাংলাদেশে তারা আইএসআই-সংক্রান্ত কার্যকলাপও শুরু করেছিল। তিনি বলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত দেশ পরিচালনা করার সময়, তারা বাংলাদেশকে ভারতবরোধী অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সন্ত্রাস রফতানির ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করেছিল।” চৌধুরীর মতে, এই ধরনের কার্যকলাপ ফের শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এমন একটি দেশ নয় যেখানে পাকিস্তান (Pakistan) খুব আন্তরিকভাবে গ্রহণযোগ্য, এবং পাকিস্তানের প্রতি তেমন সহানুভূতিও নেই। তবুও, হঠাৎ করেই সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানে, আমরা জানি পাকিস্তান সামরিক বাহিনী কী, এটা মূলত আইএসআইয়েরই একটি মুখোশ। অধিকাংশ (Bangladesh) পাকিস্তানি সামরিক কর্তা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সে কাজ করেন, যা তাঁদের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিদেশে সন্ত্রাস রফতানির জন্য পরিচিত।”

  • Bihar Poll Victory: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বরখাস্ত করা হল বিহারের দুই বিজেপি নেতাকে

    Bihar Poll Victory: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বরখাস্ত করা হল বিহারের দুই বিজেপি নেতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরের দিন শনিবারই বিজেপি (Bihar Poll Victory) থেকে বহিষ্কার করা হল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে সিংকে (BJP)। বরখাস্ত করা হয়েছে বিজেপিরই এমএলসি অশোক আগরওয়ালকেও। শুক্রবারই প্রকাশিত হয় বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল। ৮৯টি আসন জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বিজেপি। তার পর শনিবারই শাস্তির খাঁড়া নেমে এল দলের দুই নেতার ওপর।

    সাসপেনশান লেটার (Bihar Poll Victory)

    আরকে সিংকে সম্বোধন করে সাসপেনশান লেটারে লেখা হয়েছে, “আপনার কার্যকলাপ দলের বিরুদ্ধে। এটি দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের আওতায় পড়ে। দল এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এবং এটি দলের ক্ষতি করেছে।” চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “অতএব, নির্দেশ অনুসারে আপনাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হচ্ছে এবং কেন আপনাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না, তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হচ্ছে। এই চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে আপনাকে আপনার অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।” বিজেপি সূত্রে খবর, সিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অন্যতম একটি কারণ হল, সাম্প্রতিক বিহার বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ। প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তাঁর নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই একাধিক অভিযোগ তুলেছিলেন (Bihar Poll Victory)।

    দল বিরোধী কাজের অভিযোগ

    বিহার বিধানসভার নির্বাচন হয় চলতি মাসের ৬ এবং ১১ তারিখে। এর আগে অক্টোবর মাসে ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করে ভোটারদের অপরাধমূলক ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা নেতাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জেডিইউয়ের অনন্ত সিং এবং বিজেপির সম্রাট চৌধুরীর মতো বেশ কয়েকজন এনডিএ প্রার্থীও ছিলেন। সম্রাট বিহারের বিদায়ী মন্ত্রিসভায় উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।আরকে সিংদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দলবিরোধী মন্তব্য ও আচরণের জেরে বারবার ক্ষতি হয়েছে দলের। কাটিহারের মেয়র ঊষা আগরওয়ালকেও এই কারণে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিহার বিজেপির প্রধান অরবিন্দ শর্মা এদিন সকালে ওই তিন নেতার কাছে শোকজ-সহ বরখাস্তের নোটিশ পাঠান। সেখানে সাফ জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে (BJP) তাঁদের আচরণে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত করেছে সংগঠনের ভাবমূর্তিরও (Bihar Poll Victory)।

LinkedIn
Share