Tag: Ministry of Information and Broadcasting

Ministry of Information and Broadcasting

  • PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    PM Modi: ৫ কোটিরও বেশি টাকা রোজগার করেছে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’! ফিরিয়ে এনেছে রেডিওর আকর্ষণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) চালু করেন ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) কর্মসূচি। লক্ষ্য ছিল, দেশবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ভারতের জনগণের কাছে পৌঁছনো। এমন একটি সময়ে তিনি এটি চালু করেছিলেন, যখন রেডিওর আকর্ষণ অস্তগামী। প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠানটি অল ইন্ডিয়া রেডিওকে নতুন করে অক্সিজেন জোগায়। অনুষ্ঠানটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং মানুষ আগ্রহভরে অপেক্ষা করতে থাকেন, প্রধানমন্ত্রী কী বলেন তা শুনতে।

    কী জানাল প্রসার ভারতী (PM Modi)

    এই কর্মসূচির আরও একটি লক্ষ্য ছিল, সেটি হল ধীরে ধীরে এটি সম্প্রচারকারী সংস্থার আয়ের পথও প্রশস্ত করা। আরটিআই (RTI) আবেদনের ভিত্তিতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এই অনুষ্ঠান কত আয় করেছে, তা প্রকাশ পেয়েছে। সমাজকর্মী বিবেক পাণ্ডের দাখিল করা আরটিআইয়ের  জবাবে প্রসার ভারতী জানায়, এই সময়ে কর্মসূচিটি মোট ৫.৩৩ কোটি টাকা রোজগার করেছে। বছরভিত্তিক হিসেবে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আয় ছিল ১৬.৬০ লাখ টাকা। পরের অর্থবর্ষে আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১.১৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয় ১.৬৩ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান আয় করেছে ২.৩৬ কোটি টাকা।

    ‘মন কি বাত’-এর পেছনে কত ব্যয়

    এই পরিসংখ্যানগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে, যা কর্মসূচিটির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আরটিআই আবেদনের আর একটি অংশে বিবেক জানতে চেয়েছিলেন, জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে প্রিন্ট, টেলিভিশন, রেডিও এবং ইন্টারনেট-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ‘মন কি বাত’ প্রচারে সরকার কত টাকা ব্যয় করেছে (Mann Ki Baat)।এর উত্তরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধীন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ব্যুরো জানায়, “জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ‘মন কি বাত’-এর বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যয়ের পরিমাণ শূন্য।” অর্থাৎ, এই কর্মসূচির প্রচারে কোনও মাধ্যমেই কোনও অর্থই খরচ করা হয়নি (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, এই তথ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে, সেটি হল মন কি বাত শুধু লাখ লাখ মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী একটি সরকারি কর্মসূচিই নয়, এটি বিজ্ঞাপনের কোনও খরচ ছাড়াই লাভজনকও। এই কর্মসূচি কেবল যোগাযোগের মাধ্যমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও আর্থিক প্রভাবসম্পন্ন সম্প্রচার কর্মসূচির স্বীকৃতি পেয়েছে (PM Modi)।

     

  • Uttarkashi Incident: আটকে পড়া শ্রমিকরা কী খেলেন মঙ্গলবার রাতে? কী পরামর্শ দেওয়া হল ওঁদের?

    Uttarkashi Incident: আটকে পড়া শ্রমিকরা কী খেলেন মঙ্গলবার রাতে? কী পরামর্শ দেওয়া হল ওঁদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই প্রকাশ্যে আসে উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে (Uttarkashi Incident) থাকা ৪১ জন শ্রমিকের ভিডিও। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও তাঁরা সুস্থ স্বাভাবিক রয়েছেন বলে জানান। জানা গিয়েছে, খিচুড়ির পরে মঙ্গলবার রাতে তাঁদের পোলাও, মটর-পনির এবং দুটি করে রুটি দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের (Uttarkashi Incident) পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করছে উদ্ধারকারী দল। শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই খাবার পাঠানো হচ্ছে এবং খাদ্যের ধরনেও বদল আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার রাতেই পাইপের ভিতর দিয়ে প্রায় দেড়শটি খাবারের প্যাকেট শ্রমিকদের কাছে পৌঁছায়। এর পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের ফলও পাঠানো হচ্ছে শ্রমিকদের। আটকে পড়া শ্রমিকদের জন্য রান্না করছেন জনৈক সঞ্জিত রানা। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া তাঁর সাক্ষাৎকারে সঞ্জিতবাবু বলেন, ‘‘চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই সমস্ত রান্না করেছি। হজম করতে অসুবিধা হবে না এমন খাবারই রান্নার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কম তেলমশলা দিয়ে তাই ভেজ পোলাও এবং মটর পনির রান্না করেছি। মাখন দিয়ে রুটিও বানিয়েছি।’’

    শ্রমিকদের সুড়ঙ্গের ভিতর হাঁটাচলা করার পরামর্শ

    জানা গিয়েছে,  ৫ থেকে ১০ কেজি ওজনের ফলও পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আপেল, লেবুর পাশাপাশি পাঁচ ডজন কলা। এর পাশাপাশি অবসাদ রোখার ওষুধও তাঁদেরকে পাঠানো হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলের তরফে জানানো হয়েছে যে সুড়ঙ্গের ভিতরে (Uttarkashi Incident) পর্যাপ্ত পরিমাণেই রয়েছে জল এবং অক্সিজেন। এর পাশাপাশি সুড়ঙ্গের ভিতরে শ্রমিকরা কী কী করবেন সে পরামর্শ দিচ্ছেন উদ্ধারকারী দলে থাকা বিশেষজ্ঞরা (Uttarkashi Incident)। সুড়ঙ্গের ভিতরে তাঁদেরকে হাঁটা চলা এবং যোগ ব্যায়ামের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শ্রমিকরা যাতে মানসিকভাবে ভেঙে না পড়েন সে কারণে কয়েকজন শ্রমিকের পরিজনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সুড়ঙ্গের কাছাকাছি হোটেলে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের বক্তব্য হল, যতই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন শ্রমিকরা, ততই তাঁদের মনের জোর বাড়বে।

    সংবেদনশীল সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা কেন্দ্রের

    অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক ইতিমধ্যে প্রতিটি সংবাদমাধ্যমকে নির্দেশ দিয়েছে, যে কোনও ধরনের চাঞ্চল্যপূর্ণ সম্প্রচার না করতে। যে কোনও ধরনের লাইভ টেলিকাস্ট অথবা টানেলের পাশে থেকে করা ভিডিও এগুলোকে সম্প্রচার করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। এর পাশাপাশি যখনই উত্তরকাশী (Uttarkashi Incident) বিষয় খবর করা হবে তখন যেন সেই খবর সংবেদনশীল না হয়। সেই রকমভাবেই তৈরি করতে হবে প্রতিবেদনের শিরোনাম ও ছবি। তার কারণ শিরোনাম এবং ছবি দেখে যেন শ্রমিক পরিবারের উদ্বিগ্ন না হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IB Ministry: ভারত বিরোধী প্রচার, ৮ ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করল কেন্দ্র, একটি পাকিস্তানের 

    IB Ministry: ভারত বিরোধী প্রচার, ৮ ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করল কেন্দ্র, একটি পাকিস্তানের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বিরোধী কন্টেন্ট প্রচারের জন্যে ৮ টি ইউটিউব চ্যানেল (Youtube Channel) বন্ধ (Block) করল ভারত সরকার (Indian Government) ৷ বৃহস্পতিবার তথ্য় ও সম্প্রচার মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয় ৮ টি ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করছে ভারত সরকার ৷ এর মধ্যে ৭টি ভারতের, একটি পাকিস্তানের (Pakistan)৷ কেন্দ্রের দাবি, ওই সমস্ত চ্যানেলের মাধ্যমে ভুয়ো এবং ভারত বিরোধী কনটেন্ট প্রচার করে টাকা রোজগার করেছেন ভিডিও নির্মাতারা ৷ এদের লক্ষ্য ভারতে বিভিন্ন ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো ৷ তাই ২০২১-এর তথ্যপ্রযুক্তি আইন অনুযায়ী এই ইউটিউব চ্যানেলগুলিকে ব্লক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক (Ministry of Information and Broadcasting)৷  

    আরও পড়ুন: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপস করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও

    মন্ত্রক তাদের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একটি প্রেস বিবৃতি পোস্ট করেছে ৷ সেখানে লেখা রয়েছে, “ভুয়ো তথ্য তুলে ধরে এই চ্যানেলগুলি ভারতে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়াচ্ছিল। যেমন, ভারত সরকার কিছু ধর্মীয় নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে, ধর্মীয় উৎসব পালন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, ভারতে ধর্ম নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। ভুয়ো এবং উত্তেজনামূলক থাম্বনেল বানিয়ে, খবরের চ্যানেলের প্রতীকীচিহ্ন এবং সঞ্চালকদের ছবি দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয় দর্শকদের।” ব্লক করা ইউটিউব চ্যানেলগুলির সব মিলিয়ে ভিউয়ারের সংখ্যা ১১৪ কোটিরও বেশি এবং মোট সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৮৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে ৷

    নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভোটে হেরে গিয়েছে…   

    এই ইউটিউব চ্যানেলগুলিতে প্রচারিত ভিডিয়োয় বেশ কিছু মিথ্যে দাবি করা হয় ৷ কেন্দ্রীয় সরকারের মতে এই ধরনের কন্টেন্ট দেশের আইন ও শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে যেকোনও মুহূর্তে ৷ চ্যানেগুলিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়েও নানা ভুয়ো খবর প্রচার করা হত বলে জানা গিয়েছে ৷ দেশের নিরাপত্তার দিক দিয়ে সম্পূর্ণরূপে মিথ্যে এবং স্পর্শকাতর এই খবরগুলি অন্য দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে ৷

    যে আটটি ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করানো হয়েছে, সেগুলিতে মূলত খবর দেখানো হত। এর মধ্যে অন্যতম হল – ‘সব কুছ দেখো’। ওই চ্যানেলের গ্রাহক সংখ্যা ১৯ লক্ষ ৪০ হাজার প্রায়। তাদের ভিডিও দেখেছেন ৩৩ কোটির বেশি মানুষ। তালিকায় রয়েছে ‘লোকতন্ত্র টিভি’ও। তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টও ব্লক করানো হয়েছে। এ ছাড়াও ব্লক করানো হয়েছে ‘ইউ অ্যান্ড ভি টিভি’, ‘এএম রিজভি’, ‘গৌরবশালী পবন মিথিলাঞ্চল’, ‘সি টপ ফিফথ’ এবং ‘সরকারি আপডেট’ চ্যানেল। পাকিস্তানের যে চ্যানেলটিকে ব্লক করা হয়েছে, তার নাম ‘নিউজ কি দুনিয়া’। এই চ্যানেলগুলিতে কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাদের আচরণ কেমন, তা নিয়েও ভিডিও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। 

    এর আগে, এ বছরই এপ্রিল মাসে ১৬টি ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করে কেন্দ্র। সেবার ১০টি ভারতীয় এবং ৬টি পাকিস্তানি চ্য়ানেল ব্লক করানো হয়।  

     

  • Online Betting: প্রতারণার আশঙ্কা! অনলাইন বেটিং বিজ্ঞাপন নিয়ে অ্যাডভাইজরি কেন্দ্রের

    Online Betting: প্রতারণার আশঙ্কা! অনলাইন বেটিং বিজ্ঞাপন নিয়ে অ্যাডভাইজরি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইন বেটিং (Online Betting) প্ল্যাটফর্ম নিয়ে নয়া অ্যাডভাইজরি জারি করল কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক (Ministry of Information and Broadcasting)। সোমবার  প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং ডিজিটাল মিডিয়ার উদ্দেশ্যে একটি সতর্কতামূলক অ্যাডভাইজরি জারি করে সেখানে বলা হয়, অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে পাঠক বা দর্শককে বিভ্রান্ত করা এড়িয়ে চলুন।  প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, সোশ্যাল এবং অনলাইন মিডিয়ায় অনলাইন বেটিং ওয়েবসাইট এবং প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপনের বেশ কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনা সামনে আসায়, এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।   
      
    অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়েছে যে, বাজি এবং জুয়া, যুবক এবং শিশুদের টার্গেট করে। দেশের বিভিন্নপ্রান্তে ইতিমধ্যেই আর্থিক প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। প্রতারণা না হলেও প্রচুর আর্থিক ও আর্থ-সামাজিক ঝুঁকি থাকে এইসব ক্ষেত্রে। দেশে বহু জায়গাতে জুয়া নিষিদ্ধও। অনলাইন বেটিং-এর বিজ্ঞাপন দেখানো মানে মূলত নিষিদ্ধ কার্যকলাপকে উৎসাহিত করা৷  আরও বলা হয়, অনলাইন বেটিং-এর বিজ্ঞাপনগুলি প্রতারণামূলক। কনজিউমার প্রোটেকশন অ্যাক্ট ২০১৯ (Consumer Protection Act), কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্কস রেগুলেশন অ্যাক্ট ১৯৯৫ এবং প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ১৯৭৮-এর অধীনে এই ধরনের বিজ্ঞাপন দেখানো যায় না। 

    আরও পড়ুন: ভক্তরা রুষ্ট, তামাক সংস্থার পণ্যের বিজ্ঞাপন থেকে সরলেন অক্ষয়, চাইলেন ক্ষমাও
     
    জনস্বার্থে (Public Interest) জারি করা হয়েছে এই সতর্কতা। তাই প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকে প্রতারণামূলক এই বিজ্ঞাপনগুলি না দেখানোর পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রক।  ২০২০ সালের ৪ ডিসেম্বর, প্রিন্ট এবং অডিও ভিজ্যুয়াল মিডিয়ার জন্যে অনলাইন গেমিং-এর বিজ্ঞাপন দেখানোর ক্ষেত্রে  অ্যাডভারটাইজিং স্ট্যান্ডার্ড কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (ASCI) নির্দেশিকার কথা উল্লেখ করে একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রক। 

    আজকাল সংবাদমাধ্যমে অনলাইন বেটিং বিজ্ঞাপনের (online betting advertisement) রমরমা। বিজ্ঞাপনগুলি মন্ত্রকের নিয়ম মেনে বিধিসম্মত সতর্কীকরণ জারি করলেও, তাতে বিশেষ লাভ হয় না। না বুঝেই এই প্রতারণার ফাঁদে পা দেন সাধারণ মানুষ। বিশেষত যুবসমাজ। সম্প্রতি অনেক যুবককে এই বেটিং গেমের নেশায় আসক্ত হতে দেখা গিয়েছে। আর তাতেই নড়েচড়ে বসেছে এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। 

     

LinkedIn
Share