Tag: minorities

minorities

  • Hindu Minorities: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, কড়া প্রতিক্রিয়া আমেরিকা- রাশিয়া-কানাডার

    Hindu Minorities: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, কড়া প্রতিক্রিয়া আমেরিকা- রাশিয়া-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ক্রমেই বাড়ছে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের (Hindu Minorities) ওপর নৃশংস অপরাধের ঘটনা। বর্তমানে পদ্মাপারের এই দেশের রাশ অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহম্মদ ইউনূস (Bangladesh)। তাঁর জমানায় এই জাতীয় ঘটনা কার্যত নির্বিঘ্নে চলতে থাকায় আন্তর্জাতিক মহলে অমানবিক কার্যকলাপের অভিযোগে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইউনূস প্রশাসন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার আইনপ্রণেতারা নিরপরাধ এক হিন্দু যুবককে গণপিটুনির ঘটনার কড়া নিন্দে করেছেন। ঢাকায় অবস্থিত রুশ দূতাবাস ইউনূস সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন মহলকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান থেকে অঞ্চলটি বিচ্ছিন্ন করে ‘বাংলাদেশ’ নামের নতুন রাষ্ট্র গঠনের জন্য ভারত ও রাশিয়া যে ত্যাগ স্বীকার করেছিল, তা ভোলার নয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এই কঠোর স্মরণবার্তাগুলি বাংলাদেশের পক্ষে এক সতর্কবার্তাস্বরূপ। দেশটি বর্তমানে রাজনৈতিক হিংসা, গণপিটুনি, লক্ষ্যভিত্তিক হামলা ও হত্যাকাণ্ড এবং উগ্র ইসলামপন্থী মতাদর্শে প্রভাবিত নানা চরমপন্থী নৃশংসতায় ক্রমাগত ডুবে যাচ্ছে।

    মার্কিন সাংসদের তোপ (Hindu Minorities)

    হিংসার এই ধারা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতা জেনিফার রাজকুমার। নিউইয়র্ক স্টেটের প্রতিনিধি ও নাগরিক অধিকার আইনজীবী জেনিফার বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে নির্মমভাবে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনা হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে দেশটিতে ঘটে চলা এক ভয়াবহ লাগাতার হিংসার ইঙ্গিত দেয়।” বিশ্ববাসীর কাছে তাঁর আহ্বান, মানবাধিকার, সংখ্যালঘুদের ন্যায়বিচার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় বিশ্ববাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে। জেনিফার বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দু (Hindu Minorities) সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে চলা হিংসার ঘটনায় আমি গভীরভাবে বিচলিত। সাম্প্রতিক সময়ে এর ভয়াবহ উদাহরণ হল বাংলাদেশি হিন্দু দীপু চন্দ্র দাসকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা। একটি জনতা তাঁকে মারধর করে, আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং তাঁর দেহ একটি হাইওয়েতে ফেলে রেখে গেল!” তিনি বলেন, “এই ঘটনা বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন (Bangladesh) ও লক্ষ্যভিত্তিক হিংসার এক উদ্বেগজনক ধারার অংশ। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের ওপর ২ হাজার ৪৪২টি হিংসা ঘটনা ঘটেছে এবং ১৫০টিরও বেশি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে।” জেনিফার বলেন, “বিশ্বের উচিত বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। বাংলাদেশের হিন্দুদের যে ভয়, যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা আমাদেরও ভাগ করে নিতে হবে।”

    কানাডার নিশানায় বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার নৃশসংতার সমালোচনা করেছেন কানাডার কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ শুভ মজুমদারও। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে চালানো ‘পগরোম’ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।” বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে হিন্দুদের  (Hindu Minorities) বিরুদ্ধে সংঘটিত সব লক্ষ্যভিত্তিক হামলা ও জঘন্য অপরাধের জন্য জবাবদিহিও দাবি করেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে শুভ লেখেন, “এমন সময়ে আমাদের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-সহ সব সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে পগরোম অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানাতে হবে এবং ইউনূস সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি বলেন, “মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতার পক্ষে আমাদের নিরলসভাবে কথা বলতেই হবে। এতে চরমপন্থাকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের নামে যারা যুক্তি দেখায়, বাস্তবতা তুলে ধরতে ব্যর্থ গণমাধ্যমের কিছু অংশ এবং হিংসা ও ধর্মীয় চরমপন্থার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিতে না পেরে সমতুল্যতার মোহে আচ্ছন্ন রাষ্ট্রসংঘ যতই অস্বস্তিতে পড়ুক না কেন, তা আমাদের করতেই হবে।”

    বাংলাদেশে শেকড় গেড়েছে ধর্মীয় চরমপন্থা

    এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে (Bangladesh) যে ধর্মীয় চরমপন্থা শেকড় গেড়েছে, তাকেই কটাক্ষ করেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তিনি বলেন, “২০২৪ সালের অগাস্টে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর থেকে বাংলাদেশে হাজার হাজার হিংসার ঘটনা ঘটেছে, যার প্রধান লক্ষ্য ছিল হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়।” কানাডার সাংসদ বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার যখন একদিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনার নিন্দা করছে এবং গ্রেফতারির কথা ঘোষণা করছে, তখনও নিপীড়নের এই ধারাবাহিকতা থামেনি। স্থিতিশীল শাসনব্যবস্থার অনুপস্থিতিতে উগ্রপন্থী শক্তিগুলি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।” সংখ্যালঘুদের ওপর অপরাধ বন্ধে এবং তাঁদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কড়া সমালোচনাও(Hindu Minorities) করেন তিনি।

    সরব কানাডার আরও এক সাংসদও

    কানাডার আর এক সাংসদ মেলিসা ল্যান্টসম্যানও বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দুরা ক্রমবর্ধমান হিংসার শিকার হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে গণহামলা, যৌন নির্যাতন, মন্দির ধ্বংস এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি।” তিনি জানান, ২০২৪ সালেই বাংলাদেশে হিন্দুদের লক্ষ্য করে ২০০০-এরও বেশি সহিংস ও অমানবিক ঘটনা ঘটেছে। মেলিসা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “সময় থাকতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় হস্তক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।”

    রুশ হাই কমিশনের কড়া বার্তা

    বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত রুশ হাই কমিশনও ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানের হাত থেকে বাংলাদেশের মুক্তিতে ভারতের ভূমিকা ও গুরুত্বের কথা বাংলাদেশকে কড়া ভাষায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন বলেন, “১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে ভারত ও রাশিয়ার ত্যাগের ফলেই বাংলাদেশের(Bangladesh) জন্ম হয়েছে। তাই ঢাকা যেন দেরি না করে নয়াদিল্লির সঙ্গে উত্তেজনা কমায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারত ও রাশিয়ার ভূমিকার কথা কখনও ভুলে না যায় (Hindu Minorities)।”

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মত

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে বাংলাদেশকে সতর্কবার্তা পাঠানোর মাধ্যমে রাশিয়া একদিকে যেমন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভূমিকার স্বীকৃতি দিয়েছে, তেমনি অন্যদিকে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে নয়াদিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে যে নিত্য হিংসার ঘটনা ঘটছে, তার যে বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে, এই প্রেক্ষাপটে রুশ রাষ্ট্রদূত আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশে জড়িয়ে পড়া উত্তেজনা দ্রুত কমানোর আহ্বান জানান। রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, “১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারত, বাংলাদেশ(Bangladesh) ও রাশিয়া কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিল। সাম্প্রতিক উত্তেজনা যত দ্রুত সম্ভব কমাতে হবে। কারণ তা ভারত বা বাংলাদেশ, কোনও দেশেরই স্বার্থে নয় (Hindu Minorities)।”

  • Md Yunus: ‘হিন্দু’ শব্দের ওপর কি তবে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছেন ইউনূস?

    Md Yunus: ‘হিন্দু’ শব্দের ওপর কি তবে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছেন ইউনূস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘হিন্দু’ (Hindu) শব্দের ওপর কি তবে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস (Md Yunus)? এই জল্পনাই ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। তার কারণ হল, ইউনূসের করা একটি মন্তব্য। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে পরামর্শ দিয়েছেন, তাঁরা যেন নিজেদের হিন্দু হিসেবে পরিচয়  না দেন। তাঁরা যেন প্রথমে নিজেদের নাগরিক হিসেবে দেখেন।

    হিন্দু বলবেন না! (Md Yunus)

    কিছু দিন আগে সাংবাদিক মেহেদি হাসানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ইউনূস জানান, এই দৃষ্টিভঙ্গি সামাজিক ঐক্যকে আরও দৃঢ় করবে এবং সবার জন্য সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। ইউনূসের ভাষায়, “আমার বার্তা হল, যখন আমি সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে দেখা করি, আমি বলি, ফিরে গিয়ে তারা যেন না বলে, আমি হিন্দু, তাই আমায় রক্ষা করুন। বরং বলুন, আমি এই দেশের নাগরিক। আমাকে যে সুরক্ষা দেওয়ার কথা রাষ্ট্রের, আমি তার সম্পূর্ণ অধিকারী। তাহলে আপনাদের সুরক্ষার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।”

    হিন্দুদের ওপর অত্যাচার অতিরঞ্জিত!

    বাংলাদেশে যে হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত অত্যাচার চালানো হচ্ছে, ওই সাক্ষাৎকারে তা-ও ফুৎকারে উড়িয়ে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। ঘটনাকে লঘু করতে গিয়ে তিনি বলেন, “অধিকাংশ ঘটনাই জমি নিয়ে স্থানীয় বিবাদ বা প্রতিবেশীদের মধ্যে সমস্যা। একেই সাম্প্রদায়িক হিসেবে তুলে ধরা হয়।” ওই সাক্ষাৎকারে ইউনূসকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তাহলে কি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের কোনও ঘটনাই ঘটেনি বা বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করে দেখানো হয়েছে? উত্তরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান বলেন, “অনেক সময় পারিবারিক ঝামেলা, জমি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়েও সংঘাত দেখা যায়।” বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “ধরুন আপনি আমার প্রতিবেশী। আপনি হিন্দু প্রতিবেশী, আমি মুসলমান প্রতিবেশী। হয়তো অন্য প্রতিবেশীদের মতোই আমাদের বিবাদ রয়েছে জমির সীমানা নিয়ে। তাহলে কী আপনি বলবেন, এটা হিন্দু-মুসলিম সমস্যা?”

    ভুয়ো খবর ছড়ানোর দায়

    শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর হিন্দুদের ওপর (Md Yunus) এবং মন্দিরে হামলার যে একাধিক আন্তর্জাতিক রিপোর্ট রয়েছে, তাও খারিজ করে (Hindu) দেন ইউনূস। তিনি বলেন, “আমি বলব সরকার অত্যন্ত সতর্ক। কারণ ভারত এই বিষয়টি নিয়ে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে চলেছে।” এর পরেই ভারতের ঘাড়ে ভুয়ো খবর ছড়ানোর দায় চাপিয়ে দেন ইউনূস। তিনি বলেন, “ভুয়ো খবরই এখন ভারতের বিশেষত্ব।” ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারতের একটি বিশেষত্ব হল, ভুয়ো খবর ছড়ানো – ভুয়ো খবরের বন্যা।” হাসান যখন দলিল-দস্তাবেজে থাকা গণহিংসার ঘটনা এবং ধর্মীয় পতাকা তোলার জন্য এক হিন্দু সন্ন্যাসীর গ্রেফতারের প্রসঙ্গের উল্লেখ করেন, তখন ইউনূস ফের বলেন, “এগুলি ভ্রান্ত তথ্য প্রচারের অংশ।” হাসান ইউনূসের আমলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়ন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। বলেন, “গত নভেম্বরে প্রায় ৩০ হাজার হিন্দু আপনার সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে সমবেত হয়েছিলেন (Md Yunus) এবং তাঁরা দাবি করেছিলেন, তাঁদের সম্প্রদায়ের বহু মানুষ আক্রান্ত।” এ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরেও প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই সব কিছুই ভুয়ো খবর। আপনি ভুয়ো খবরের দ্বারা পরিচালিত হতে পারেন না।”

    কাঠগড়ায় ভারত

    তার পরেই তিনি জানান, ভারতের অন্যতম বিশেষত্ব হল (Hindu) ভুয়ো খবর ছড়ানো। ইউনূস অস্বীকার করলেও, গত বছরের নভেম্বর মাসে ৩০ হাজার হিন্দু নিরাপত্তা ও বিচারের দাবিতে নামেন ঢাকার রাজপথে। সেই সময় গ্রেফতার হওয়া হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তিও দাবি করা হয়েছিল। হাসিনা সরকারের পতনের পর যে বাংলাদেশে ব্যাপক হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল, তার প্রমাণ মেলে সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা মন্তব্যেই। তিনি বলেছিলেন, “ইউনূস সরকারের অধীনে হিন্দুদের প্রতি আচরণ নৃশংস।” ট্রাম্পের এহেন মন্তব্য নিয়েও ওই সাক্ষাৎকারে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ইউনূস। তিনি জানান, ট্রাম্প আদৌ এমন কিছু বলেছেন কিনা, বা বাংলাদেশে কী ঘটছে সে বিষয়ে তাঁর আদৌ কোনও ধারণা আছে কিনা, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন (Md Yunus)।

    আরও একবার ‘হেডলাইন’ হলেন ইউনূস

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা। পরে বাংলাদেশের ক্ষমতার রাশ তুলে দেওয়া হয় অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। এই সরকারের প্রধান করা হয় ইউনূসকে। তার পর থেকে একের পর এক ‘বিতর্কিত’ কাজ করে চলেছেন ইউনূস। কখনও আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করে (Hindu), কখনও আবার হিন্দু সন্ন্যাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তুলে জেলে পুরে কখনও বা অপরাধীদের জেল থেকে ছেড়ে দিয়ে বারবার দেশের পাশাপাশি বিদেশের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামেও এসেছেন ইউনূস। এবার তিনি আরও একবার ‘হেডলাইন’ হলেন। এবং সেটা হলেন, হিন্দুদের হিন্দু পরিচয় না দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে (Md Yunus)।

LinkedIn
Share